Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় আটাশ – উৎখাত ও প্রতিশোধ

    মিশরে খ্রিষ্টপূর্ব ১৫৪৬ থেকে ১৪৪৬ পর্যন্ত ১০০ বছরে টুথমোসিস তৃতীয় তার চাচি হাটশেপশুটের কাছে রাজত্ব হারান কিন্তু তিনি তা পুনরুদ্ধার করেন এবং পশ্চিমা সেমাইটদের ভূখণ্ড দখল করে নেন।

    আহমোসের মৃত্যুর পর তার ছেলে আমেনহোটেপ প্রথম ক্ষমতায় বসেন এবং নুবিয়ানদের উপর একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকেন এবং তাদের দখলে থাকা সকল ভূখণ্ডে মিশরীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে তার পিতার বিজয়কে সমন্বিত করেন। কিন্তু এখানেই তার পরিবারের যবনিকাপাত ঘটে। আমেনহোটেপের কোনো সন্তান ছিল না এবং তিনি তার জীবনের বড়ো একটি অংশ অবিবাহিত অবস্থায় কাটিয়ে দেন। তার স্ত্রী (এবং আপন বোন) খুব কম বয়সে মারা যান এবং আমেনহোটেপ আর কাউকে বিয়ে করেননি।

    যে যুগে ফারাওরা অসংখ্য স্ত্রী এবং ডজন ডজন রক্ষিতা রেখে গর্ববোধ করতেন সেই যুগে আমেনহোটেপের এহেন আচরণ এটাই নির্দেশ করে যে নারীর প্রতি তার আসক্তিই ছিল না।

    তারপরও এটি খুবই অদ্ভুত ঘটনা। প্রাচীন যুগের শাসকরা সমলিঙ্গের সম্পর্কে জড়ালেও রাজবংশের স্থিতিশীলতা রক্ষার তাগিদে উত্তরাধিকারী জন্ম দেওয়ার দায়িত্বে কখনও অবহেলা করতেন না। ব্যতিক্রম হিসেবে আমেনহোটেপ একা থাকলেন এবং তার বিশ্বস্ত সেনাপতিকে পরবর্তী রাজা হওয়ার জন্য মনোনীত করলেন।

    সেনাপতি টুথমোসিস তার শ্যালক ছিলেন, যার কারণে তাকেও রাজবংশের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তারপরও তার রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার মাধ্যমে প্রচলিত পিতা-পুত্রের রাজা হওয়ার স্বাভাবিক ধারায় একটি বড়ো আকারের বিঘ্ন ঘটে। আহমোস, টুথমোসিস প্রথম এবং তার দুই বংশধর টুথমোসিস দ্বিতীয় ও চতুর্থের মমিগুলো এতটাই ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে যে খুব সহজেই তাদের চেহারার বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায়। টুথমোসিস পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চেহারার মিল খালি চোখেই দেখা যায় এবং এটাও দেখা যায় যে তারা আহমোসের চেয়ে দেখতে অনেকটাই ভিন্ন।

    টুথমোসিস প্রথম শেষ বয়সে রাজা হন এবং মাত্র ৬ বছর রাজত্ব করেন।

    তার রাজত্বের শুরু থেকেই তিনি তার কবরের ব্যাপারে পরিকল্পনা করতে শুরু করেন। ততদিনে পিরামিডগুলো মিশরীয়দের মনে আর আগের মতো বিস্ময় জাগানিয়া কোনো পবিত্র বস্তু হিসেবে তাদের অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। চোর- ডাকাতরা মোটামুটি মিশরের সব পিরামিডে ঢুকে পড়তে পেরেছিল। স্বভাবতই ফারাওদের কবরস্থান হিসেবে পরিচিত পিরামিডগুলো সোনা ও সোনার তৈরি বিভিন্ন উপকরণে ঠাসা ছিল। টুথমোসিস তার কবরের উপকরণ না হারানোর জন্য একটি নতুন ও গোপন স্থান খুঁজে বের করেন। তিনি একটি গুহায় নিজের কবর তৈরি করেন। পিরামিডের অভ্যন্তরের মতো সেই গুহার দেওয়ালেও রং করা ছিল এবং এর একটি গোপন প্রবেশদ্বারও ছিল। যে উপত্যকায় এই গুহার অবস্থান সেটি পরে ‘ভ্যালি অব দ্য কিংস’ (রাজাদের উপত্যকা) হিসেবে পরিচিত হয়।

    চিত্র-১১ : প্রাচীন মিশরের রাজারা 
    চিত্র-১১ : প্রাচীন মিশরের রাজারা 

    তার পূর্বসূরির মতো টুথমোসিস প্রথম নারীবিদ্বেষী ছিলেন না। তিনি কমপক্ষে দুবার বিয়ে করেছিলেন। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন আমেনহোটেপের বোন এবং মহান আহমোসের কন্যা। দুটি পুত্র ও দুটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয় এই স্ত্রীর গর্ভে। তবে পরবর্তীতে তিনি তার রাজবংশের বাইরে থেকেও আরেকজন নারীকে বিয়ে করেন যার গর্ভে আসে একটি পুত্রসন্তান।

    টুথমোসিস ফারাও হওয়ার পর তার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি প্রথমে বড়ো পুত্র এবং পরে দ্বিতীয় পুত্রকে মনোনয়ন দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুজনেই তার মৃত্যুর আগেই মৃত্যুবরণ করেন। নিজের বংশের বাইরে কোনো ‘বিশ্বস্ত বন্ধুর’ কাছে রাজশাসনের ভার ছেড়ে যাওয়ার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। তাই নিরুপায় হয়ে তিনি তার নিম্ন গোত্রীয় স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্রকে মনোনয়ন দেন। তিনি এখানেই থেমে থাকেননি, পরিবারে নিম্ন গোত্র থেকে আসা পুত্রের অবস্থানকে সুসংহত করতে তিনি তাকে তার প্রথম স্ত্রীর গর্ভজাত এক কন্যাসন্তানের সঙ্গে বিয়ে দেন, যার নাম ছিল রাজকন্যা হাতশেপশুট। মাত্র ৬ বছর রাজত্ব করার পর টুথমোসিসের মৃত্যু হয় এবং তার সন্তান টুথমোসিস দ্বিতীয় নাম নিয়ে অভিষিক্ত হন এবং পাশে পান রানি হাতহেপশুটকে।

    টুথমোসিস দ্বিতীয় মোটামুটি সারা জীবনই দুর্বল স্বাস্থ্য নিয়ে ঝামেলায় ছিলেন এবং তার এই দুর্বল স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে আরও জটিল করে তোলে স্ত্রী হাতহেপশুটের যে-কোনো দায়িত্ব নিজের হাতে নিয়ে নেওয়ার প্রবণতা। টুথমোসিস দ্বিতীয়-এর রাজত্বের প্রথম থেকেই হাতহে পশুটকে সহ-শাসক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাদের কোনো পুত্রসন্তান জন্মায়নি; একমাত্র সন্তান ছিলেন কন্যা।

    হাতহেপশুটের গর্ভে টুথমোসিস দ্বিতীয়র আর কোনো সন্তান জন্মায়নি। কথিত আছে, রাজা আইসেট নামে এক নারীর সঙ্গ উপভোগ করতেন কিন্তু তাকে কখনোই বিয়ে করেননি।

    আইসেটের গর্ভে একটি পুত্র জন্ম নেওয়ার পর তিনি এই অবৈধ সন্তানকে তার উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত করেন, যেটি তার স্ত্রীর জন্য বেশ অপমানজনক একটি বিষয় ছিল।

    মাত্র ৩৫ বছর বয়সে টুথমোসিস দ্বিতীয় মারা যাওয়ার পর তার সন্তান টুথমোসিস তৃতীয় শাসনভার পান। কিন্তু তার বয়স তখন মাত্র ৬। হাতহে পশুট কৌশলে এই শিশুর সৎ-মা এবং চাচি হিসেবে রিজেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    রাজপ্রতিনিধি বা রিজেন্ট হিসেবে প্রথম তিন-চার বছরে তাকে দেখা যায় শিশু টুথমোসিস তৃতীয়-এর পাশে, সহযোগী হিসেবে। কিন্তু খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের আশেপাশে হাতহেপশুট একটি বড়ো মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেন। মন্দিরটি তিনি এমনভাবে তৈরি করেন যাতে সবাই মনে করে তিনি নিজে সূর্যদেবতা আমুনের সন্তান হিসেবে পৃথিবীতে এসেছেন।

    অপরদিকে তিনি এটাও ঘোষণা দেন যে তার ‘পৃথিবীর’ পিতা টুথমোসিস প্রথম মারা যাওয়ার আগে তাকেই মিশরের শাসক হিসেবে নির্বাচিত করে রেখে গেছেন এবং তার অভিষেকও হয়েছে। নববর্ষের প্রথম দিনে পুরো রাজসভার সামনে এই অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তিনি একটি হোরাস নাম এবং নিম্ন ও উচ্চ মিশরের শাসনভার নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার জন্য নিজেকে শক্ত দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

    এই গল্পটি পুরোপুরি বানোয়াট ছিল এবং রাজসভার কোনো না কোনো সদস্য অবশ্যই এটার প্রতিবাদ জানাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একজন সভাসদও এর প্রতিবাদ করেননি, যা থেকে বোঝা যায় হাতহেপশুট তাদেরকে আগেই হাত করে রেখেছিলেন এবং বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে শিশু রাজার চেয়ে তিনি দেশ চালানোর জন্য বেশি দক্ষ। নিশ্চিতভাবেই তিনি প্রভাবশালী আমুনের স্টুয়ার্ড সেনেনমাট-এর সহায়তা পেয়েছিলেন, যার বিনিময়ে তিনি তাকে কয়েক বছরের মধ্যে বেশ কিছু বড়ো বড়ো উপাধি দিয়েছিলেন। প্রধান স্থপতি, রাজকীয় জাহাজের স্টুয়ার্ড, আমুনের গোলাঘরের রক্ষক, আমুনের জমিজমার তত্ত্বাবধায়কসহ আরও বেশ কিছু বিচিত্র দায়িত্ব তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। তিনি একইসঙ্গে গবাদি পশু, বাগান ও তাঁতিদেরও তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন।

    এসব দায়িত্ব পেয়ে তিনি ক্ষমতাবান হতে পারলেও জনপ্রিয় হতে পারেননি। অনেকে কানাঘুষা করতে লাগলেন যে সেনেনমাট শুধুই উপদেষ্টা নন, হাতহেপশুটের কাছে তার গুরুত্ব আরও বেশি। হাতহেপশুটের মন্দিরের কাছাকাছি একটি গুহার দেওয়ালে একটা খুবই রূঢ় দেওয়াললিপি খুঁজে পাওয়া গেছে। সেখানে সেনেনমাট ও হাতহেপশুটের মধ্যে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইঙ্গিতসূচক একটি ছবি দেখা যায়।

    হাতহেপশুট প্রকৃতপক্ষে তরুণ টুথমোসিস তৃতীয়কে কখনও উৎখাত করেননি। তিনি নিজেকে শুধু দুই শাসকের মধ্যে জ্যেষ্ঠ হিসেবে চিত্রিত করেন। হাতহেপশুটের যে মূর্তিগুলো খুঁজে পাওয়া গেছে সেখানে তাকে কখনও রাজকীয় মাথার ব্যান্ড পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে, আবার কখনও অভিষিক্ত ফারাওর মার্কামারা দাড়িসহও দেখা গেছে। তার নিজস্ব মরচুয়ারি টেম্পলে রাখা পাথরের মূর্তিকে হেব সেড উৎসবে অংশগ্রহণরত অবস্থায় দেখা যায়, যে উৎসবের মাধ্যমে ফারাও রাজারা তাদের হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতেন।

    এই মূর্তির সঙ্গে টুথমোসিস তৃতীয়কেও দেখা যায় রানির সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠতে।

    তবে শুধু হাতহেপশুটকেই দেখা যায় হেব সেড উৎসবের দৌড়ে অংশগ্রহণ করতে, যে উৎসবের মাধ্যমে ফারাওদের নীল নদের পানি ফিরিয়ে আনার ঐশ্বরিক ক্ষমতার প্রমাণ দেওয়া হয়।

    টুথমোসিস তৃতীয়র নিজস্ব শিলালিপিতে বর্ণিত আছে হাতহে পশুটের রাজত্বের সময় তিনি কোথায় ছিলেন। বেশির ভাগ সময় তিনি মেমফিস থেকে বহুদূরে অবস্থিত বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ করতে যেতেন। তার চাচি তাকে এসব যুদ্ধে পাঠিয়েছেন বিরামহীনভাবে, এই আশায় যে কোনো এক যুদ্ধে তার মৃত্যু হবে। তিনি মূলত মিশরের উত্তরদিকের নব্য প্রজাতন্ত্রগুলোতে যেতেন যেখানে পশ্চিমা সেমিটিক প্রজারা সারাক্ষণ বিদ্রোহের হুমকি দিচ্ছিল।

    তবে তিনি যুদ্ধে নিহত হওয়া তো দূরে থাক এমনকি গুরুতরভাবে আহতও হননি। তার বিরুদ্ধে গুপ্তহত্যার কোনো প্রচেষ্টার কথাও শোনা যায়নি। এ থেকে ধারণা করা যায় যে তার দেশের মানুষ তাকে হাতহেপশুটের বা সেনেনমাটের চেয়ে কোনোদিক দিয়েই বেশি অপছন্দ করতেন না।

    হাতহেপশুট তার ক্ষমতার সিংহভাগ ব্যয় করেন বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ প্রকল্পের পেছনে বিশেষ করে নির্মাণকাজে। সেই যুগে যে রাজা যত বেশি দালান নির্মাণ করতে সক্ষম হতেন তাকে তত বেশি সফল হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং হাতহেপট নিজেকে মহান শাসক হিসেবে প্রমাণ করার জন্য ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু প্রায় ২০ বছর ধরে তার সেনাবাহিনীর কোনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য ছিল না।

    হাতহেপশুটের স্বামী মৃত্যুবরণ করার প্রায় ২১ বছর পরে তিনি নিজেও মৃত্যুমুখে পতিত হন। অল্পদিন পরে তার প্রতিনিধি ও দোসর সেনেনমাটও মারা যান। ততদিনে টুথমোসিস তৃতীয় টগবগে তরুণে পরিণত হয়েছেন এবং অনেক বছর নির্বাসনে থেকে যুদ্ধে অংশ নিয়ে মানসিক দৃঢ়তা অর্জন করেছেন।

    এর পরের ঘটনাগুলোর সঙ্গে টুথমোসিস তৃতীয়-এর সরাসরি সংযুক্তির পেছনে কোনো প্রমাণ নেই। তবে সৎ-মায়ের মৃত্যুর পরপরই তিনি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরে আসেন এবং মিশরের বুক থেকে তার সৎ-মায়ের সকল ধরনের চিহ্ন মুছে ফেলার এক বিধ্বংসী অভিযান শুরু করেন। প্রতিটি স্মৃতিসৌধ থেকে তার পদমর্যাদার বর্ণনা মুছে দেওয়া হয়। তাকে ঐশ্বরিক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে এরকম যত চিত্রকর্ম টুথমোসিস তৃতীয় খুঁজে পেয়েছিলেন তার সবগুলোই তিনি টুকরো টুকরো করে ফেলেন। তার সকল মূর্তি নিকটবর্তী পাথর ভাঙার খনিতে নিক্ষেপ করা হয়। হাতহেপশুট আমুনের সম্মানে সূর্যাভিমুখী কিছু গম্বুজ নির্মাণ করেছিলেন, যেগুলোকে টুথমোসিস তৃতীয় ‘ঐশ্বরিক রাগ’ নেমে আসার ভয়ে ধ্বংস করেননি। তবে তিনি প্রতিটি গম্বুজের চারপাশে দেওয়াল তুলে দেন যাতে মানুষ সেগুলো দেখতে না পায়। এ ছাড়া তিনি সেনেনমাটের কবরস্থান ধ্বংস করার নির্দেশ দেন। তার বয়স তখন ৩০ পেরিয়েছে এবং তিনি তার আসল কাজ রাজ্য শাসনের জন্য আর অপেক্ষা করতে চাইছিলেন না।

    ততদিনে টুথমোসিস তৃতীয় কাগজেকলমে ২২ বছর ধরে মিশর শাসন করেছেন। তবে এই দীর্ঘ সময় প্রায় অকেজো অবস্থায় কাটানোর কারণে তার ভেতর বড়ো আকারের উদ্যম জমা হয়েছিল। তিনি সেই উদ্যমকে ছড়িয়ে দেন যুদ্ধযাত্রায়। তার পরবর্তী যুদ্ধযাত্রাগুলো নেপোলিয়নের মতো তীব্র ছিল। তিনি ঠিক সেই কাজগুলোই করেছিলেন যেগুলোকে হাতহে পশুট অবজ্ঞা করেছিলেন।

    টুথমোসিস তৃতীয় একজন ইতিহাস লেখকের নিয়োগ দেন যার দায়িত্ব ছিল সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে তার যুদ্ধযাত্রার বয়ান লেখা। তবে এই বর্ণনা অনেক আগেই হারিয়ে গেছে। এর কিছু অংশ অন্যান্য কাগজপত্র ও দলিল থেকে আমরা খুঁজে পেয়েছি যেখানে এই ফারাও রাজার কীর্তি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। হাটহেপশুট যে বছর মারা যান সেই বছরই টুথমোসিস তৃতীয় কানান আক্রমণ করেন। ইতোমধ্যে কাদেশ-এর রাজা একদল মিত্র জুটিয়ে টুথমোসিস তৃতীয়কে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মেগিদ্দো শহরে এই মিত্রবাহিনীর সঙ্গে টুথমোসিসের দেখা হয়। এই শহরটি একটি পর্বতের মাঝে অবস্থিত ছিল। এই শহরের মাধ্যমে মিশরকে মেসোপটেমিয়া থেকে আলাদা করা যেত।

    খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই যুদ্ধ শেষ হয়। কাদেশের রাজার নেতৃত্বাধীন মিত্রবাহিনী এত দ্রুত শহরে ফিরে যেতে বাধ্য হয় যে সৈন্যরা তাদের গায়ের কাপড়কে দড়ি বানিয়ে দেওয়াল টপকাতে বাধ্য হয়। মিশরীয়রা প্রাচীরের বাইরে খাটানো তাঁবুগুলোর উপর লুটপাট চালাতে শুরু করে। এই সুযোগে মেগিদ্দোর গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    তবে এসিরীয়দের মতো মিশরীয়দের কোনো নগরীর প্রাচীরে আক্রমণ চালানোর ব্যাপারে যথেষ্ট পরিমাণ অভিজ্ঞতা ছিল না। তাদের কোনো সিজ টাওয়ার বা মই ছিল না। তাদের একমাত্র উপায় ছিল প্রাচীর ঘিরে রেখে শহরবাসীকে খাবারের অভাব বোধ করানো। সাতটি দুর্ভাগ্যজনক মাসের পর কাদেশের রাজা এবং তার মিত্ররা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন। মিশরীয় সেনাবাহিনী যুদ্ধজয়ের আনন্দ এবং প্রচুর পরিমাণ ধনসম্পত্তি, বর্ম, ঘোড়ায় টানা গাড়ি, গবাদি পশু, দাসদাসী ও শস্য নিয়ে দেশে ফিরে আসে।

    এই যুদ্ধজয়ের ফলস্বরূপ দেশের সকল প্রান্তে টুথমোসিস তৃতীয়-এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। নিকটবর্তী শহরগুলোর সেমাইট সম্প্রদায়ের যুদ্ধবাজ নেতারা টুথমোসিস তৃতীয়কে বিভিন্ন উপহার পাঠাতে শুরু করেন। তারা দক্ষিণের এই রাগান্বিত যুবক রাজার সঙ্গে শান্তি রক্ষা করার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালান।

    রাজার বিরোধিতাকারী প্রতিটি শহর আক্রমণ ও লুণ্ঠনের শিকার হলো। এই যুদ্ধগুলো পরবর্তী কয়েক বছর ধরে চলতে থাকে। সমুদ্রতীরে অবস্থিত শহর জোপ্পা নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের বদলে একটি চুক্তি করার চেষ্টা করে। কথিত আছে, জোপ্পার রাজা মিশরের কমান্ডারের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নিয়ে আলাপ করতে চেয়েছিলেন। তিনি মিশরে আসার পর তার সম্মানে একটি ভোজের আয়োজন করা হয়। তবে ভোজের পর তাকে আঘাত করে অজ্ঞান করে ফেলা হয় এবং পেছনের কামরায় আটকে রাখা হয়। মিশরীয় কমান্ডার বাইরে এসে তার ঘোড়ার গাড়ির চালককে বলেন, মিশরীয়রা জোপ্পার কাছে আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েছে এবং গাড়িচালক যেন দ্রুত জোপ্পার রানিকে খবর দেন যে তার স্বামী বন্দীসহ শহরে ফিরে আসছেন। খুব শিগগির জোপ্পার সীমানায় বেশ কিছু মিশরীয় বন্দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেল এবং তাদের সঙ্গে ছিল মিশরীয় ক্যাম্প থেকে লুট করে আনা মালপত্রভর্তি বড়ো আকারের ঝুড়ি। তবে প্রতিটি ঝুড়ির ভেতর লুকিয়ে ছিলেন একজন অস্ত্রসজ্জিত মিশরীয় যোদ্ধা। যখন জোপ্পার রানি গেইট খুলে দিলেন তখন সেই যোদ্ধারা ঝুড়ি থেকে বের হয়ে এসে খুব অল্প সময়ের মধ্যে শহর দখল করে বাসিন্দাদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করলেন।

    তবে আরডাটা শহরকে প্রথাগত উপায়েই দখল ও লুণ্ঠন করা হয়। দেওয়াল ও তোরণ ভেঙে খুব সহজেই মিশরীয় সেনাবাহিনী শহরে ঢুকে পড়ে। তারা আনন্দের সঙ্গে লক্ষ করে শহরের ভাঁড়ারে প্রচুর পরিমাণ মদ সংরক্ষিত ছিল। তারা প্রতিদিন মাতাল হতে লাগলেন। এক পর্যায়ে টুথমোসিস তৃতীয় সিদ্ধান্ত নিলেন যে যথেষ্ট পরিমাণ আমোদ হয়েছে, তাই সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলেন সকল মাঠ ও ফলের গাছ পুড়িয়ে ফেলতে। এরপর তিনি তার সেনাবাহিনীকে বগলদাবা করে পরবর্তী লক্ষ্যবস্তুর উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।

    টুথমোসিস তৃতীয় প্রায় দুই দশক ধরে উত্তরাঞ্চলে যুদ্ধযাত্রা করেন। তিনি কাদেশে পৌঁছে তাদেরকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেন। তিনি আলেপ্পো দখলের পর কারচেমিশও দখল করে নেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি এশিয়া মাইনরের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান। তার জীবনের শেষ বছরগুলোর সাফল্য তার আগের নির্বাসনে থাকার সময়কে ম্লান করে দেয়। তার আমলে মিশর প্রায় ইউফ্রেটিস পর্যন্ত পৌঁছে যায়। উত্তরের এই সীমানা পর্যন্ত আর কখনোই কোনো মিশরীয় শাসক পৌঁছুতে পারেননি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }