Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶

    অধ্যায় উনত্রিশ – ত্রিমুখী প্রতিযোগিতা

    খ্রিষ্টপূর্ব ১৫২৫ থেকে ১৪০০ সালের মধ্যে উত্তরে মিটান্নিরা পশ্চিমের হিট্টিটদের ভূখণ্ড দখল করে নেয় এবং দক্ষিণের মিশরীয়দের সঙ্গে একটি চুক্তি করে।

    মিশরের উত্তর সীমান্ত ততদিনে ইউফ্রেটিসের তীর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তবে রাজ্যের এই অংশ কখনোই খুব বেশি নিরাপদ ছিল না। এটি মেমফিস থেকে অনেক দূরে ছিল এবং হিট্টিটদের বেশি কাছে ছিল। স্বভাবতই মিশরের সীমানা তাদের আরও একটি শত্রুর কাছাকাছি পৌঁছে যায়।

    আরও কয়েক শতাব্দী আগে, প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সালের দিকে, জাগরোস পর্বতের ঢাল বেয়ে একটি পার্বত্য জাতি পশ্চিমদিকে যাত্রা শুরু করে। হুরিয়ান নামে পরিচিত এই জনগোষ্ঠী মেসোপটেমিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত টাইগ্রিস নদী পার হয়ে বিভিন্ন শহরের বাইরের প্রান্তে ছোটো ছোটো দলে বিভক্ত হয়ে বাসা বাঁধে। খ্রিষ্টপূর্ব ১৭০০ সাল পর্যন্ত অল্প কয়েকটি স্বাধীন হুরিয়ান রাজ্য আসসুর ও নিনেভেহ-এর উপর-মেসোপটেমিয়ার উত্তরাংশে—টিকে যায়। কিছু হুরিয়ান আরও পশ্চিমে চলে গেছিল। এসিরীয় বাণিজ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে হিট্টিটদের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানের নথিতে হুরিয়ানদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    হুরিয়ানরা কোনো সুসংগঠিত জাতি ছিল না। তারা আরও বছরের পর বছর আরামে ছন্নছাড়া হয়ে বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে ছড়িয়েছিটিয়ে জীবনযাপন করতে পারত; কিন্তু বাদ সাধল একদল অনুপ্রবেশকারী। আরিয়ানদের একটি বিচ্ছিন্ন দল বাকিদের সঙ্গে দক্ষিণে ভারত অভিমুখে অভিযোজন না করে পশ্চিমে এসে মেসোপটেমিয়ায় পৌঁছায়। তাদেরকে হুরিয়ানরা স্বাগত জানিয়ে তাদের সমাজের অংশ করে নেয়। আরিয়ানরা হুরিয়ানদের সঙ্গে মেলামেশা করে পরিবার গঠন করে। তারা নিজেদের মধ্যে বিয়েশাদি করে এবং এক পর্যায়ে দেখা যায় আরিয়ানরাই সর্বময় ক্ষমতা দখল করে নিচ্ছে। পরিশেষে তারা হুরিয়ান শাসকগোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়—যাদেরকে ম্যারিয়ানু বলা হতো। এই ম্যারিয়ানু ও হুরিয়ানরা মিলে “মিটান্নি’ রাজ্য নামে পরিচিত হয় এবং তারা যথাক্রমে সম্প্রদায়ের উচ্চ ও নিম্ন পর্যায়ের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে।

    হুরিয়ানরা লেখালেখির ব্যাপারে খুব বেশি উৎসাহী ছিলেন না তাই তাদের ভূখণ্ডে ১৭০০ থেকে ১৫০০ সালের মধ্যে কী চলছিল তা বোঝা বড়ো দায়। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে মিশরের রাজা টুথমোসিস তৃতীয় তার উত্তরাভিমুখী অভিযান শুরু করে দিয়েছেন। মিটান্নি রাজত্বের নিজস্ব ও সুপ্রতিষ্ঠিত রাজধানী ছিল ওয়াক্কানিতে—ইউফ্রেটিসের একটু পূর্বদিকে। ইতিহাসের পাতায় প্রথম ম্যারিয়া রাজা হিসেবে পারাট্টারনার নাম পাওয়া যায়। তিনি হাতহেপশুটের সমসাময়িক ছিলেন। তার দিক-নির্দেশনায় হুরিয়ান সেনাবাহিনী মেসোপটেমিয়ার একেবারে নিচের দিকে আসসুর পর্যন্ত পৌঁছে গেছিল।

    আসসুর হাম্মুরাবির ব্যাবিলনীয় রাজত্বের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে সামসুইলুনা দুইবার এর আধিপত্য হারানোর পর বিভিন্ন যোদ্ধা-সর্দার বিভিন্ন সময় একে দখল করে রেখেছেন। পরিশেষে এই শহর মিটান্নি রাজত্বের একটি প্রদেশে পরিণত হয় এবং এই শহরের রাজা মিটান্নি রাজার দূত হিসেবে রাজ্য শাসন করতে থাকেন।

     মানচিত্র-১৮ : মিটান্নি রাজ্য 
     মানচিত্র-১৮ : মিটান্নি রাজ্য 

    মিটান্নিরা তখনও মিশরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার মতো শক্তিশালী ছিল না। টুথমোসিস তৃতীয়-এর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা পেছনে হটে। টুথমোসিসের জয়রথের প্রমাণ হিসেবে ইউফ্রেটিসের পূর্ব উপকূলে একটি বিজয় মিনার তৈরি করা হয়েছিল যেটি মিটানি রাজত্বের অংশ ছিল।

    টুথমোসিস তৃতীয় যে বছর মিশরে ফিরে এসে মারা গেলেন সেই বছরই সাউসটারার নামক এক ব্যক্তি ওয়াক্কানিতে মিটানির সিংহাসনে বসলেন। তিনি তার নিজস্ব সাম্রাজ্য বিস্তার শুরু করলেন। তার সৈন্যরা পূর্বদিকে টাইগ্রিসের তীর এবং পশ্চিমে এশিয়া মাইনরের কাছে টারসাস পর্যন্ত অগ্রসর হয়।

    পূর্বদিকে তারা মোটামুটি বিনা বাধায় এগিয়ে যেতে পারলেও পশ্চিমে হিট্টিটদের মুখোমুখি হয়। দক্ষিণে অগ্রসর হতে গিয়ে সাউসটারার সরাসরি টুথমোসিসের বংশধরদের সামনে পড়ে যান।

    হিট্টিটদের সময়টা ভালো যাচ্ছিল না। এই অবস্থায় তারা একজন আক্রমণাত্মক মিটান্নি রাজার নেতৃত্বাধীন সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর সামনে পড়ে মোটেও খুশি হতে পারেনি।

    হিট্টিটদের মধ্যে গুপ্তহত্যার প্রবণতা ও বিরামহীনভাবে রাজপ্রাসাদের পটপরিবর্তনের কারণে যখনই নতুন শাসক আসতেন তখনই তাকে একেবারে গোঁড়া থেকে সব কাজ শুরু করতে হতো। তার নিজের কর্মকর্তা ও হাটুসাসের মানুষদের বোঝাতে হতো যে তিনিই দেশের যোগ্যতম শাসক। এই প্রক্রিয়ায় অনেক সময় চলে যেত, যার ফলে সীমান্ত রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য শাসকদের হাতে আর তেমন কোনো সময় বা শক্তি থাকত না। দেশের সীমানার প্রান্তে থাকা শহরগুলো একে একে বেদখল হতে লাগল।

    সাউসটারার হিট্টিটদের পশ্চিম সীমান্ত আক্রমণ করার প্রায় ৭৫ বছর আগে টেলেপাইনাস নামের একজন হিট্টিট ব্যক্তি এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন।

    টেলেপাইনাস প্রকৃতপক্ষে রাজকীয় বংশের সদস্য ছিলেন না। তার শ্যালক একদল গুপ্তঘাতক ভাড়া করে পুরো রাজবংশকে হত্যা করার ব্যবস্থা নেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শুধু রাজপরিবারের বর্তমান সদস্যরা নয় বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও সকল উত্তরাধিকারী নিহত হয়। এমনকি সরাসরি রাজপরিবারের নয় কিন্তু পরবর্তীতে সিংহাসনের দাবি জানাতে পারে এরকম সকল পরিবারকেও ধ্বংস করেন তিনি। টেলেপাইনাসের শালা বড়ো আকারের অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে শুরু করেন। এই অবস্থায় টেলেপাইনাস জানতে পারেন তাকেও হুমকি হিসেবে সরিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে তার শালা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরে টেলেপাইনাস নিজেই তার শালাকে শহর থেকে বের করে দিয়ে নিজেকে রাজা হিসেবে ঘোষণা দেন।

    তবে এই ঘটনাগুলোর বর্ণনা টেলেপাইনাস নিজেই দিয়েছেন, তাই এগুলোকে অনেকাংশে অতিরঞ্জিত বলা যেতে পারে। তবে তার বর্ণনা থেকে অন্তত এটুকু বোঝা যায় কেন হিট্টিট জাতি পিছিয়ে যাচ্ছিল। এক রাজা থেকে আরেক রাজার হাতে ক্ষমতা যাওয়া এবং নতুন রাজার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া এতটাই ঘোলাটে হয়ে গেছিল যে তারা তাদের মূল দায়িত্ব রাজ্য শাসনের পেছনে তেমন একটা সময় দিতে পারতেন না। টেলেপাইনাস তার শাসনামলের শুরুতেই এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন। ‘ইডাইট অব টেলেপাইনাস’ নামের নথিতে তিনি বিস্তারিতভাবে এক শাসকের কাছ থেকে পরের শাসকের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের নিয়মকানুন লেখা শুরু করেন। তিনি মুখবন্ধে উল্লেখ করেন, হিট্টিটরা শুধু তখনই টিকতে পারবে যখন এই নিয়মগুলো ঠিকমতো অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘রাজার প্রথম এবং প্রধান স্ত্রীর ঔরসজাত জ্যেষ্ঠ পুত্রকেই (রাজপুত্র ) পরবর্তী রাজা হতে হবে।’ যদি প্রথম সারির কোনো রাজপুত্র না থাকে তা হলে দ্বিতীয় সারির রাজপুত্র (রাজার অন্য কোনো স্ত্রীর সন্তান) উত্তরাধিকার পেতে পারে। যদি কোনো রাজপুত্রই না থাকে সেক্ষেত্রে প্রথম সারির রাজকন্যার স্বামীকে রাজা হিসেবে নির্বাচন করা হবে’- যোগ করেন তিনি।

    এই এডিক্ট বা রাজকীয় বার্তায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ যেমন জাদুবিদ্যা ব্যবহার ও হত্যাকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। একই কাজ ব্যাবিলনের হাম্মুরাবি আরও ২০০ বছর আগে করে রেখে গেছেন। শুরুর সময়টা এলোমেলো হলেও টেলেপাইনাস চেষ্টা করছিলেন তার রাজত্বে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে। এর আগে পর্যন্ত রাজ্যে মিলিটারি শাসন বলবৎ ছিল। প্রথমবারের মতো হিট্টিটদের সামনে একটি প্রকৃত রাজত্ব হয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জ এলো।

    ১৫০০ সালে টেলেপাইনাস মৃত্যুবরণ করেন—যে সময়ে হাতহে পশুট মিশরের ক্ষমতা জোরদখল করেছেন। ততদিনে হিট্টিটরা আগের বছরগুলোর ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়গুলো পেরিয়ে একই স্থিতিশীল রাজ্যে রূপান্তরিত হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, হাম্মুরাবি মারা যাওয়ার পর যেমন তার কোডের গুরুত্ব কমে গেছিল, একইভাবে টেলেপাইনাসের ব্যক্তিত্বপূর্ণ উপস্থিতি ছাড়া তার এডিক্টও খুব একটা কার্যকর থাকেনি। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র তার আগেই মারা গেছিলেন। তার নিজেরই বানানো আইন অনুযায়ী টেলেপাইনাস তার বড়ো মেয়ের জামাইর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে যান। কিন্তু খুব শিগির এক গুপ্তঘাতকের কাছে বড়ো জামাই ক্ষমতা হারান এবং এর পরের এক শতক আবারও হিট্টিট সাম্রাজ্য অভ্যন্ত রীণ গোলযোগের মধ্যে দিয়ে যায় এবং এই সময়ের তেমন কোনো নথি খুঁজে পাওয়া যায়নি। ৬ জন রাজার হাতে ক্ষমতা অদলবদল হয় এবং সীমানার প্রান্ত থেকে একে একে বিভিন্ন শহর তাদের হাতছাড়া হতে থাকে। এই অবস্থায় বিভাজিত ও এলোমেলো হিট্টিট বাহিনী টুথমোসিসের অদম্য বাহিনীর সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে যায়। টুথমোসিস বংশের তৃতীয় রাজার বাহিনী কারচেমিশে ঢুকে পড়ে এবং হিট্টিটরা পিছু হটে তাদেরকে সেই এলাকার দখল নেওয়ার সুযোগ করে দেয়।

    ইতোমধ্যে সাউসটারারও হিট্টিটদের ভূখণ্ডে আক্রমণ শুরু করেন। হিট্টিট বাহিনী মিটানিদেরকেও পরাজিত করতে পারেনি। সাউসটারার খুব সহজেই পশ্চিমের টারসাস দখল করে নেন। আলেপ্পো তাকে নজরানা দিয়ে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পায়। একই কাজ করে হিট্টিটদের শহর আলালাখ ও উগারিট

    এই যুদ্ধবিগ্রহের মধ্যে আসসুরের লোকজন সুযোগ বুঝে মিটান্নি শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসে। সাউসটারার ধৈর্য সহকারে সেখানে সেনাবাহিনী পাঠান। তার উদ্দেশ্য ছিল বিদ্রোহীদের শিক্ষা দেওয়া এবং একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো বিদ্রোহ দেখা না দেয় সেটাও নিশ্চিত করা। তিনি আসসুরের স্বর্ণ-খচিত তোরণটি খুলে নিয়ে রাজধানী শহর ওয়াকান্নিতে নিয়ে আসেন।

    টুথমোসিস তৃতীয়-এর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মিশরের উত্তরাঞ্চলের পশ্চিমা সেমাইটদের শহরগুলোতে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে। সাউসটারার মিশরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে উসকে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালান। তিনি এমনকি তার নিজের সেনাবাহিনীও পাঠান কাদেশের বিদ্রোহীদের সহায়তা করার জন্য। টুথমোসিসের ছেলে ও সদ্য অভিষিক্ত আমেনহোটেপ দ্বিতীয় শিগগির সৈন্যদল নিয়ে উত্তরের দিকে রওনা হলেন। তার শাসনামলের দ্বিতীয় বছর নাগাদ তিনি মিটান্নি সীমান্তের কাছাকাছি চলে এলেন।

    তবে সেখানে বড়ো আকারের কোনো যুদ্ধ হয়নি। সাউসটারারের অধীনে মিটান্নি রাজত্ব বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। তাদের ক্ষমতার দাপট এত বেশি ছিল যে আমেনহোটেপ যুদ্ধ করে হেরে যাওয়ার চেয়ে তাদের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি করতে বেশি আগ্রহী ছিলেন।

    তিনি তার নিজের দেশে এই চুক্তিকে বিজয় হিসেবে দেখানোর জন্য প্রবল প্রচেষ্টা করেন। কারনাকের এক শিলালিপিতে দাবি করা হয়েছে, মিটানি হাঁটু গেড়ে বসে তার কাছে দয়া ভিক্ষা করেছে। বিষয়টির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এভাবে : ‘মিটান্নির প্রধানরা তার কাছে এলেন। তাদের পিঠভর্তি নানারকমের উপঢৌকন। তারা মহান রাজার কাছ থেকে শান্তি ভিক্ষা চাইতে এসেছিলেন। এটি ছিল একটি গৌরবান্বিত মুহূর্ত। এরকমটি প্রাচীন যুগে আর শোনা যায়নি। যে ভূখণ্ড মিশরকে চিনত না তারা এখন মহান রাজার কাছে ক্ষমা চাইছে।’

    নিঃসন্দেহে এটি মুখ রক্ষার প্রয়াস ছাড়া আর কিছুই ছিল না। আমেনহোটেপ পরাজয়ের ভয়ে আক্রমণ করেননি। এই চুক্তির কোনো অনুলিপি টিকে থাকেনি। তবে কয়েক শতাব্দী পরেও দুই দেশের মধ্যে প্রথাগত একটি সীমানা দেখা গেছে। এটি ওরেন্টেস নদীর পাশ দিয়ে টানা হয়েছিল।

    পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে আমেনহোটেপ দ্বিতীয় এবং সাউসটাটার তাদের নিজ নিজ মসনদ তাদের পুত্রদের কাছে হস্তান্তর করেন। টুথমোসিস চতুর্থ অভিষিক্ত হলেন এবং মিটানিদের রাজধানী ওয়াশুল্কানিতে আরটাডামা রাজা হলেন। ১৪২৫ সালের আশেপাশে এই দুই রাজা তাদের মধ্যের শান্তিচুক্তি নবায়ন করলেন। একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর ও কার্যকর করা হয়েছিল এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে টুথমোসিস আরটাডামার এক কন্যাকে বিয়ে করতে রাজি হলেন।

    কয়েক দশক পর, আরটাডামার নাতির লেখা এক চিঠিতে টুথমোসিস ও আরটাডামার মধ্যে কী ধরনের বার্তার আদানপ্রদান হয়েছিল সেই ব্যাপারে জানা যায়। তার ভাষ্যমতে, টুথমোসিস আরটাডামাকে চিঠি লিখে তার নিজের স্ত্রী হিসেবে তার কন্যার হাত চেয়েছিলেন। ‘তিনি পাঁচ থেকে ছয়বার চিঠি দিয়েছিলেন, তাও আমার দাদা টুথমোসিসের অনুরোধে কর্ণপাত করেনি। তবে সপ্তমবার একই অনুরোধ জানানোর পর আমার দাদা রাজি হন।

    তবে এই গল্পটিও বিশ্বাসযোগ্য নয়। মিশরীয় ফারাওরা বিদেশি রাজকন্যা বিয়ে করার জন্য ‘অনুরোধ’ জানাতেন না। তবে মিশরীয়দের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর মিটান্নিরা বিশেষ সম্মান পেতে শুরু করলেন। মেমফিসের রাজকীয় প্রাসাদের মতো মিটানি রাজপ্রাসাদও সার্বভৌমত্ব ও ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতে লাগল।

    টুথমোসিস চতুর্থ এই শান্তিচুক্তির জন্য বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেননি, তবে এটি প্রাচীন মিশরের জন্য বেশ সুফল বয়ে আনে। এই চুক্তির পর তারা কানানের বাসিন্দাদের উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। পশ্চিমা সেমাইট শহরগুলো দক্ষিণ ও উত্তরের এই দুই বড়ো সাম্রাজ্যের বিশালতা অনুধাবন করে কোনো ধরনের ঝামেলা পাকানোর চিন্তা বাদ দেয় এবং সেই অঞ্চলে একটি ভয়মিশ্রিত শান্তি বিরাজ করতে থাকে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }