Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় চার – সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন

    নীল নদীর উপত্যকায় আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ সালে স্করপিয়ন রাজা উত্তর ও দক্ষিণ মিসরকে একীভূত করেন এবং প্রথম রাজবংশের প্রতিনিধি নারমার এই একীভূতকরণকে চিরস্থায়ী রূপ প্রদান করেন।

    সুমেরের দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে, ভূমধ্যসাগরের তীরে, প্রথম সাম্রাজ্যবাদী ব্যক্তিটি নীল নদের উপত্যকা ধরে ঝড়ের বেগে এগিয়ে আসেন।

    সুমেরের রাজাদের মতো স্করপিয়ন রাজার কাহিনিটিও ইতিহাস ও শ্রুতির মাঝামাঝি একটি ব্যাপার। তাকে কোনো রাজার তালিকায় পাওয়া যায় না; তার অস্তিত্ব পাওয়া যায় শুধু একটি আলংকারিক অস্ত্রের উপর খোদিত ছবি হিসেবে। কিন্তু স্করপিয়ন রাজার গল্প লিখিত ইতিহাসের মাঝেই পাওয়া যায়; তার উপাখ্যানটি সুমেরের প্রথম রাজার মতো অস্পষ্ট নয়। তিনি তার চারপাশের পৃথিবীকে দখল করে নেওয়ার প্রয়াস চালান খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ সালে।

    স্করপিয়ন রাজা ছিলেন আফ্রিকান মানুষদের বংশধর যারা এক সময় নীল নদের উপত্যকার দুপাশে বসবাস করতেন। তার জন্মের শত শত বছর আগে, যখন কালজয়ী আলিলুম রাজত্ব করতেন সোঁদা এবং শীতলতর সুমেরে, তখন এই এলাকা মনুষ্য বসতির উপযোগী ছিল না। প্রতি বছর যখন দক্ষিণের পাহাড়গুলোতে তুমুল বৃষ্টি নেমে আসত, সে পানি নীল নদের মাধ্যমে উত্তরের ভূমধ্যসাগরের দিকে ধেয়ে যেত এবং তার চারপাশের ভূমিকে বন্যায় ভাসিয়ে দিত। এই বন্যা এতটাই প্রবল ছিল যে শুধু স্বল্পসংখ্যক শিকারি ও আহরণকারী ছাড়া কেউ আর সেখানে থাকত না। বন্যা চলাকালীন তারা সেখানে না থেকে বরং পূর্ব ও পশ্চিমে অবস্থিত রেড সি-র তীরবর্তী আরামদায়ক এলাকায় চলে যেত। কিছু লোক সাহারা মরুভূমিতেও ঘুরে বেড়াত। সেসব নাতিশীতোষ্ণ বছরগুলোতে সাহারা ছিল ঘাসাচ্ছাদিত এবং আর্দ্র। প্রত্নতত্ত্ববিদগণ সাহারার বালির নিচে গাছ, গাছের পাতা এবং শিকারযোগ্য পশুর দেহাবশেষ আবিষ্কার করেছেন।

    কিন্তু উষ্ণ ও শুষ্ক জলবায়ু মেসোপটেমীয় সমতলভূমির রূপ পরিবর্তন করেছিল, যা পরবর্তীতে একইভাবে সাহারাকেও ক্ষতবিক্ষত করেছে। সাহারার বাসিন্দারা পূর্বদিকে যাত্রা করে নীল নদের উপত্যকার জলপূর্ণ অঞ্চলে চলে গিয়েছিল। ততদিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে গিয়ে নীল নদের বন্যার প্রকোপ অনেকটাই কমে গিয়েছে এবং শরণার্থীরা অনুধাবন করতে পেরেছিল যে প্রতি বছর আসা জলাবদ্ধতার সমস্যাকে তারা খুব সহজেই ব্যবস্থাপনা করতে পারে- খালবিল খনন ও জমিয়ে রাখা পানি দ্বারা সেগুলোকে ভরাট করার মাধ্যমে। তারা নদীর তীরে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছিল; শস্যের বীজ বুনেছিল নদীর পানিতে বয়ে আনা উর্বর পলিমাটির বুকে। তারা বন্য গরু-ছাগল, কুমির, জলহস্তী, মাছ ও পাখি শিকার করত আশেপাশের জলাভূমি থেকে। অন্য মানুষরা রেড সি-র পশ্চিম তীর থেকে যাত্রা করে এসে তাদের সাথে বসবাস করত। তারাই ছিল নীল নদের উপত্যকার প্রথম অধিবাসী-তারাই ছিল প্রথম মিশরীয়।

    চিত্র-১ : নার্মার প্যালেট 
    চিত্র-১ : নার্মার প্যালেট 

    নীল নদের উপত্যকায় ছিল শিকার করার মতো পশুপাখি, মাছ, পাথর, তামা, সোনা, শণ ও প্যাপিরাস, যার প্রায় কিছুই সুমের অঞ্চলে ছিল না। তাদের কাছে ছিল না শুধু কাঠ। মিশরীয়রা পশ্চিমের সাথে হাতির দাঁত, পূর্বের সাথে ঝিনুক এবং উত্তরের সাথে মূল্যবান পাথরের জন্য বাণিজ্য করত কিন্তু বেঁচে থাকার জন্য নীল নদই তাদের জন্য যথেষ্ট ছিল।

    মিশর যদি একটি মানুষ হতো তা হলে নীল নদ হতো তার রক্তপ্রবাহ। নীল নদের দৈর্ঘ্য ছিল ৫০০ মাইল, যার কিছু অংশ ছিল পাহাড় ঘেরা আর কিছু অংশ ছিল সমতলভূমি দ্বারা বেষ্টিত।

    প্রতি বছর বন্যার পানি স্রোতের উপরের দিকে অবস্থিত পাহাড়ি এলাকা (এখনকার ইথিওপিয়া) থেকে প্রথমে দ্বিতীয় জলপ্রপাত এবং তারপর প্রথম জলপ্রপাতের দিকে প্রবাহিত হতো এবং তারপর কাঁত হয়ে এমন একটি জায়গায় পৌঁছাত যেখানে রাজাদের কবর দেওয়া হতো; এবং সব শেষে তা বজ্রের গতিতে একটি সমতলভূমির দিকে এগিয়ে যেত এবং এক ডজন ভাগে বিভাজিত হয়ে নীল বদ্বীপে গিয়ে পৌঁছাত।

    যেহেতু নীল নদ দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে প্রবাহিত হতো, মিশরীয়দের কাছে এটি পরিষ্কার ছিল যে অনেক নদীই তার উৎপত্তিস্থলের উলটোদিকে প্রবাহিত হয়। তাদের লিখে রেখে যাওয়া হায়েরোগ্লিফিক্স থেকে জানা যায় যে তারা একই শব্দ দিয়ে উত্তর, নিম্নমুখী স্রোত ও মাথার পেছনের দিককে বোঝাত এবং আরেকটি শব্দ ব্যবহার করত ঊর্ধ্বমুখী স্রোত, দক্ষিণ ও মুখ বোঝানোর জন্য। একজন প্রাচীন মিশরীয় ব্যক্তি দাঁড়ানোর সময় সব সময়ই দক্ষিণদিকে ফিরে অর্থাৎ নীল নদের স্রোতের দিকে মুখ করে থাকতেন।

    প্রাচীনতম জনবসতির সময় থেকে মিশরীয়রা তাদের মৃতদের মরুভূমির প্রান্তে কবর দিত—তাদের মাথাকে দক্ষিণামুখী করে এবং মুখকে পশ্চিমের সাহারা মরুভূমির দিকে হেলিয়ে রেখে। তাদের মতে, জীবন এসেছিল দক্ষিণ থেকে কিন্তু মৃতদের ভূমি ছিল পশ্চিমে, মরুভূমির দিকে, যেখানে তারা পলায়ন করত যখন তাদের বাসস্থান থেকে ঘাস ও পানি উধাও হয়ে যেত।

    প্রাচীন মিশরীয়রা তাদের দেশকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকত। যেখানে বাৎসরিক বন্যার কারণে পলিমাটি এসে জমা হতো তার নাম ছিল ‘কেমেট’ বা কালো ভূমি; কারণ কালো ছিল জীবন ও পুনরুজ্জীবিত হওয়ার রং। এই কালো ভূমি পেরিয়ে আসলে পাওয়া যায় ‘ডেশরেট’ বা মারাত্মক লাল ভূমি। জীবন ও মৃত্যুর মাঝের এই পার্থক্য এতটাই পরিষ্কার ছিল যে একজন মানুষ নিচু হয়ে একপাশের উর্বর কালো ভূমিতে এক হাত আর অপর হাতটি সূর্যের তাপে ভাপানো লাল মরুভূমিতে রাখতে পারত।

    এই দ্বৈততা, দুটি চরম পর্যায়ের মাঝে অবস্থিত অস্তিত্বের ধারণাটি, মিশরের ক্রমবিকাশমান সভ্যতার কেন্দ্রীয় ধারণা ছিল। সুমেরের শহরগুলোর মতো মিশরীয় শহরগুলোতেও খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ সাল নাগাদ অন্যান্য জায়গা থেকে অনেক মানুষের আগমন ঘটে। নুবট (নাদাকা নামেও পরিচিত) শহরটি ছিল পূর্ব-পশ্চিমমুখী রাস্তাটির উপরে অবস্থিত, যা স্বর্ণখনি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। খুব কম সময়ের মধ্যেই এটি দক্ষিণের সবচেয়ে শক্তিশালী শহরে পরিণত হয়। ১০ হাজার মানুষের বাসস্থান হিয়েরাকনপলিসও খুব বেশি দূরে ছিল না।

    এসব দক্ষিণের শহর নিজেদেরকে স্বায়ত্তশাসিত কিংবা স্বাধীন হিসেবে দাবি না করে বরং একটি বড়ো রাজত্বের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে, যা ‘সাদা রাজত্ব’ কিংবা ‘উচ্চ মিশর’ (যেহেতু এটি ভূমধ্যসাগর থেকে উপরের দিকে অবস্থিত ছিল) হিসেবে পরিচিত ছিল। এই রাজ্যটি একটি রাজা দ্বারা শাসিত হতো যিনি একটি সিলিন্ডারের মতো দেখতে সাদা মুকুট পরতেন। উত্তরে ‘নিম্ন মিশর’-এর শহরগুলো জোট বেঁধে নিজেদেরকে ‘লাল রাজত্ব’ হিসেবে কায়েম করে এবং হেলিওপোলিস ও বুটো শহর বিশেষ গুরুত্ব পায়। নিম্ন মিশরের রাজা একটি লাল মুকুট পরতেন যার সামনের দিকে একটি অজগর খোদিত ছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ সালের দিকে প্রথমবারের মতো চিত্রিত এই মুকুটটিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ছিল অজগর দেবী, যে রাজার শত্রুদের দিকে থুতু দেওয়ার মতো করে বিষ নিক্ষেপ করত।

    চিত্র-২ : স্করপিয়ন রাজার গদা  
    চিত্র-২ : স্করপিয়ন রাজার গদা  

    চিত্র-২ : স্করপিয়ন রাজার গদা

    দুটি রাজত্ব—সাদা ও লাল-লাল ভূমি ও কালো ভূমির মতো মিশরের প্রাথমিক চিন্তাধারাকে তুলে ধরেছিল, যার মূলমন্ত্র ছিল যে গোটা পৃথিবীটা দাঁড়িয়ে আছে বিপরীতমুখী শক্তির ভারসাম্যের উপর।

    সুমেরীয় রাজাদের তালিকার মতো মিশরের রাজার তালিকায় নেই সাদা ও লাল রাজত্বের কোনো বিস্তারিত বর্ণনা। এ থেকে বোঝা যায় যে মিশরীয়রা সুমেরীয়দের মতো পৃথিবী সৃষ্টির সময় থেকে তাদের ইতিহাসকে গণনা করত না।

    তবে স্করপিয়ন রাজার অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা খুঁজে পেয়েছি একটি ভিন্নধর্মী প্রমাণ : হিয়েরাকনপোলিসের মন্দির থেকে খনন করে পাওয়া একটি গদা। এই গদাটির মাথায় খোদিত রয়েছে একটি দৃশ্যপট যেখানে সাদা রাজা তার বিখ্যাত সাদা মুকুটটি পরে লাল রাজত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়কে উদযাপন করছেন। তার হাতে রয়েছে একটি সেচযন্ত্র যা তার প্রজাদের উপর তার প্রভাবের পরিচায়ক। ডানপাশে হায়েরোগ্লিফিক্সের মাধ্যমে তার নাম লিপিবদ্ধ করা আছে, যা হচ্ছে ‘স্করপিয়ন’।

    স্করপিয়ন রাজা সম্ভবত নিজেই হিয়েরোকনপোলিসের বাসিন্দা ছিলেন, যা আসলে একইসাথে দুটি শহর ছিল। হিয়েরোকনপোলিস নীল নদ দ্বারা বিভক্ত ছিল দুই ভাগে। পশ্চিম তীরে ছিল নেহকেন—বাজপাখি দেবতার উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি শহর এবং পূর্ব তীরের নেহকেবের সুরক্ষার ভার ছিল শকুনি দেবীর হাতে। সময়ের প্রয়োজনে দুটি শহর ধীরে ধীরে এক হয়ে যায় এবং বাজপাখি দেবতাকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করে শকুনি দেবী। হয়তো বা এই দুটি শহরের একীভূতকরণ দেখেই স্করপিয়ন রাজা প্রথম চিন্তা করেন সাদা ও লাল রাজত্বকে একই রাজার শাসনাধীন করার ব্যাপারটা।

    তিনি বিজয়ী হন খ্রিষ্টপূর্ব ৩২০০ সালের দিকে; কিন্তু সেই জয় ছিল সাময়িক।

    আরেকটি খোদিত নথি থেকে আরও একশ বছর পরের একজন সাদা রাজার কথা জানা যায় যিনি স্করপিয়ন রাজার মতো এই দুটি রাজত্বকে একীভূত করতে পেরেছিলেন। স্করপিয়ন রাজার গদার মতো এই নথিও পাওয়া গিয়েছিল হিয়েরোকনপোলিসের একটি মন্দির থেকে। এই তথ্যটি খোদিত ছিল একটি পাথরের প্যালেটের উপর যা ক্যানভাস হিসেবে কাজ করেছিল খোদাইকারকের জন্য। প্যালেটের উভয়পাশেই খোদাই করা ছিল। সেখানে একজন রাজাকে চিত্রিত করা হয়েছে—যিনি ক্যানভাসের সামনের দিকে তিনি লাল মুকুট পরে আছেন আর পেছনের দিকে সাদা মুকুট। হায়েরোগ্লিফিক্সে তার নাম লেখা আছে ‘নারমার!’

    নারমার শব্দটির মানে হচ্ছে ‘উন্মাদ মাগুর মাছ’ অথবা আরও কাব্যিকভাবে বলতে গেলে ‘বিপর্যয়কর মাগুর মাছ’। এটি একটি প্রসংশাসূচক উপাধি, কারণ মাগুর মাছ ছিল সবচেয়ে সাহসী ও আক্রমণাত্মক মাছ। নারমার প্যালেটের পেছনের দিকে, সাদা রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাকে দেখা যাচ্ছে লাল রাজত্বের একজন যোদ্ধাকে তার চুল ধরে দাঁড় করিয়ে রাখতে। প্যালেটের সামনের দিকে, নারমার সাদা মুকুট ফেলে লাল মুকুট মাথায় দিয়ে মস্তকবিহীন যোদ্ধাদের লাশের সামনে দিয়ে বিজয়ীর বেশে প্যারেড করছেন।

    অবশেষে তিনি সাদা রাজত্বের আওতায় লাল রাজত্বকে নিয়ে আসতে পেরেছিলেন।

    খুব সম্ভব নারমার হচ্ছে মেনেস-এর আরেকটি নাম, যিনি মিশরের প্রথম মানব রাজা হিসেবে মিশরীয় রাজাদের তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন। তার ব্যাপারে মিশরীয় পুরোহিত মানেথো বলেন-

    ‘দেবতা এবং অর্ধদেবতার পর
    প্রথম রাজবংশের আবির্ভাব হয়, যাদের ছিল আটজন রাজা
    মেনেস ছিলেন তাদের মধ্যে প্রথম।’

    তিনি যুদ্ধক্ষেত্রের অগ্রভাগে থেকে সুনিপুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে বড়ো বড়ো জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। দুটি রাজত্বের মাঝের সীমানাটি দখল করে নেওয়ার মাধ্যমে তিনি তৈরি করেছিলেন প্রথম সাম্রাজ্যটি, যা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকা রাজত্বের মাঝে একটি। এটি ছিল অনেক বড়ো গৌরবের উৎস।

    প্রকৃত ঘটনাগুলো ঘটার অনেকদিন পরে মানেথো সেগুলোর বর্ণনা লিখেন। প্রায় তিন শতক পরে, খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ সালের দিকে, মানেথো হেলিয়োপোলিস শহরে সূর্যদেবতা ‘রা’-এর মন্দিরে কাজ করতেন। তিনি মিশরীয় রাজাদের বিভিন্ন তালিকাকে সমন্বিত করার কাজটি নিজের কাঁধে নিয়ে নেন। ‘তুরিন কামান’ নামক একটি প্যাপিরাসে মেনেসকে মিশরের প্রথম রাজা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল। তিনি এই প্যাপিরাস এবং আরও কিছু নথি ব্যবহার করে সমন্বিত তালিকাটি প্রস্তুত করেছিলেন; যেখানে খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০০ সাল থেকে শুরু করে ততদিন পর্যন্ত যত রাজা রাজত্ব করেছিলেন তাদের সবাইকে ছোটো ছোটো ভাগে ভাগ করে বিন্যস্ত করেছিলেন। তিনি এক-একটি ভাগ বা দলকে ‘ডাইনেসটিয়া’ নামে অভিহিত করেন, যা ছিল একটি গ্রিক শব্দ (রাজত্ব করার ক্ষমতা)। মানেথোর বর্ণিত রাজবংশ বা ডাইন্যাস্টিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক ছিল না কিন্তু তাদেরকেই মিশরীয় ইতিহাসে রাজা ও রাজত্বের প্রথাগত চিহ্নরূপে ব্যবহার করা হয়।

    মানেথোর হিসেবমতে প্রথম রাজবংশের আবির্ভাব ঘটে যখন মিশরের দুটি অংশ একীভূত হয়। গ্রিক ইতিহাসবিদ হেরোডোটাসের মতে মেনেস/নারমার তার বিজয় উদযাপন করেছিলেন মেমফিসে একটি নতুন রাজধানী তৈরি করার মাধ্যমে, যেটি ছিল নতুন রাজত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে। মেমফিস মানে হচ্ছে সাদা দেওয়ালসমূহ’। দেওয়ালগুলো এমনভাবে প্লাস্টার করা হয়েছিল যাতে সূর্যের আলো পড়লে তা জ্বলজ্বল করতে থাকে। সাদা শহরে বসে একীভূত মিশরের রাজা দক্ষিণের উপত্যকা এবং উত্তরের বদ্বীপ-দুটোই নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন অনায়াসে।

    আরেকটি গদার মাথায় খোদাই করা দৃশ্যপটে দেখা যায় নারমার কিংবা মেনেস লাল মুকুট মাথায় দিয়ে কোন একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন যা দেখতে অনেকটা বিবাহের অনুষ্ঠানের মতো। সম্ভবত প্রথম রাজবংশের গোড়াপত্তনকারী বিজয়ী বীর লাল রাজত্বের রাজকন্যাকে বিয়ে করেছিলেন, যাতে তিনি একাই দুটি রাজত্বের অবিসংবাদিত রাজা হিসেবে নিজের অবস্থানকে পোক্ত করতে পারেন এবং তার বংশধররা দ্বৈত রাজত্বের উত্তরাধিকারী হতে পারে।

    মিশরের বাকি ইতিহাসজুড়ে রয়েছে এই দ্বৈততার ছাপ যা তাদের রাজাদের মাঝে সর্বদা বিদ্যমান ছিল। তাকে বলা হতো দুই ভূমির অধিপতি এবং তার মুকুটটিও তৈরি হতো উচ্চ মিশরের সাদার উপর নিম্ন মিশরের লাল রং দিয়ে। দক্ষিণের শকুন এবং উত্তরের অজগর; একজন পৃথিবীর বুকে গড়াতে গড়াতে ধাবমান, আরেকজন আকাশের বুক চিরে তীব্র বেগে উড্ডয়মান—দুজনই ছিল একীভূত রাজত্বের রক্ষাকর্তা। দুটি বিপরীতধর্মী ক্ষমতাকে একসাথে এনে একটি শক্তিশালী এবং ভারসাম্যযুক্ত রাজত্বের গোড়াপত্তন হয়েছিল তখন।

    নারমার প্রায় ৬৪ বছর রাজত্ব করেছিলেন। সেই যুগে রাজারা তাদের শত্রুদের উপর আধিপত্যবাদ প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে জলহস্তী শিকারে যেতেন। মানেথোর মতে, এরকম একটি প্রমোদ শিকার চলাকালীন একটি জলহস্তী নারমারকে কোণঠাসা করে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }