Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প307 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় সাত – প্রথম লিখিত নথিসমূহ

    খ্রিষ্টপূর্ব ৩৮০০ ও ২৪০০ সালের মাঝে সুমেরীয় ও মিশরীয়গণ সিলমোহর ও নির্দেশক চিহ্ন ব্যবহার করা শুরু করেন।

    খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সালের দিকে লিখিত ইতিহাস শুরু হয়। সেই সহস্রাব্দের শুরুতে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি বস্তুই ছিল-বড়ো বড়ো মানুষের কীর্তিকলাপ এবং তাদের মালিকানাধীন গরু, শস্য ও ভেড়ার পরিমাণের হিসাব। সুমেরের শহরগুলোতে মহাকাব্য রচনা শুরু হয়, কেননা সেখানে আমলাতন্ত্র শস্যের হিসাবরক্ষণের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছিল।

    মানুষের জীবন এখন যেমন, সেই যুগেও অনেকটা সেরকমই ছিল। আমলাতন্ত্র সাহিত্য রচনার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল। লেখালেখির ইতিহাসে শুরুতে মানবাত্মার উদযাপন নয় বরং ‘এটা আমার, ওটা তোমার’ ইত্যাদির হিসাবনিকাশের পেছনেই বেশি সময় ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু হিসাবরক্ষকদের উদ্ভাবিত কৃত্রিম চিহ্নগুলো গল্পকথকদের জন্য উপহারস্বরূপ ছিল। তারা তাদের বীরদের অমর করে রাখার নতুন একটি পন্থা খুঁজে পেলেন। তাই শুরুর দিকে সাহিত্যের সাথে বাণিজ্যের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল।

    আদিম মানুষদের গুহার দেওয়ালে ছবি আঁকার সময় থেকে মানুষ বিভিন্ন ধরনের চিহ্নের মাধ্যমে জিনিসপত্র গণনা ও হিসাব রাখার কাজ করে আসছে। এই চিহ্নগুলোই লেখালেখির বীজ বপন করেছিল আদিম যুগে। তবে চিহ্নের একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে–তারা কালের বিবর্তনে মানে হারিয়ে ফেলে। সেসব চিহ্নের কোনো নিজস্ব কণ্ঠ নেই, যদি না তাদের উদ্ভাবক আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে ব্যাখ্যা করতে পারে যে ‘এই লাইনটি হচ্ছে একটি গরু, এটা একটি হরিণ আর এগুলো আমার সন্তান’।

    সুমের চিহ্নের ব্যবহার বেশ অগ্রসর হয়েছিল। একজন সুমেরীয় ব্যক্তি তার কাছে থাকা মূল্যবান দ্রব্যসমূহকে (খাদ্যশস্য, দুধ অথবা তৈল) একটি শস্যের ব্যাগে ভরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখত আর বাঁধুনির উপর কাদামাটির গোল্লা লেপে দিত এবং সেটাকে চেপে চেপে একটি সিলগালার মতো তৈরি করত। এই সিলটি দেখতে চারকোনা কিংবা সিলিন্ডারের মতো হতো এবং এর উপর একটি বিশেষ নকশায় খোদাই করে দেওয়া হতো। কাদামাটির গোল্লা শুকিয়ে গেলে সেখানে সে চিহ্নটি ফুটে উঠত যা দেখে এর মালিকের নাম জানা যেত। এই চিহ্ন দ্রব্যসামগ্রীর উপর তাদের মালিকের উপস্থিতি নিশ্চিত করত। তার অবর্তমানে এই চিহ্ন প্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতো।

    গুহার দেওয়ালে অঙ্কিত চিহ্নগুলোর মতো এই সিলগুলোও বিভাজিত জ্ঞানের উপর নির্ভরশীল ছিল। যারা এই সিলগুলো দেখত তাদেরকে জানতে হতো প্রতিটি চিহ্ন কোন ব্যক্তির প্রতিনিধিত্ব করছে। সেটা জানলেই কেবল তারা বলতে পারত ‘এটার মালিক ইশু’, কেননা গুহাচিত্রের তুলনায় এই চিহ্নগুলো অনেক বেশি স্বতন্ত্র ছিল।

    চিত্র-২ : কুনেইফর্ম ট্যাবলেট 
    চিত্র-২ : কুনেইফর্ম ট্যাবলেট 

    একটি চিহ্নের মাধ্যমে মহিলা কিংবা ভেড়া, মানুষ কিংবা গরু বোঝানো যেত। কিন্তু একটি সিল শুধু একজন সুমেরীয় মানুষের প্রতিনিধিত্ব করত, যেমন ইণ্ড। ইশুকে নিজে এসে ব্যাপারটা বোঝানো লাগত না।

    এভাবেই ‘কাল’-কে জয় করার ক্ষেত্রে একটি বড়ো ধাপ নেওয়া হয়েছিল।

    সম্ভবত একই সময়ে আরেক ধরনের চিহ্নের ব্যবহার শুরু হয়। গুহাচিত্রকরদের মতো সুমেরীয়গণ বিভিন্ন চিহ্ন ও টালির মাধ্যমে তাদের মালিকানাধীন গরু কিংবা শস্যের বস্তার সংখ্যা গণনা করতেন। কিন্তু খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সালের আগে দিয়ে, সর্বাধিক ধনবান সুমেরীয়রা (যাদের অনেক বেশি সম্পদ ছিল যা এভাবে গণনা করা দুষ্কর ছিল) তাদের গণনার চিহ্নগুলোকে একটি পাতলা কাদামাটির তৈরি পাতের উপর এঁকে দিয়ে সেই পাতকে ভাঁজ করে সেটার উপর এক ধরনের সিল মেরে দিতেন। যখন কাদামাটি শুকিয়ে যেত তখন তা এক ধরনের খামের মতো বস্তুতে রূপান্তরিত হতো।

    তবে দুঃখজনক হলেও সত্য যে এই খামটিকে খোলার একমাত্র উপায় ছিল কাদামাটির আস্তরটি ভেঙে ফেলা, যার কারণে তা আর ব্যবহারের উপযোগী থাকত না। সেক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা ছিল কয়টি গণকচিহ্ন খামের ভেতরে আছে তা বোঝানোর জন্য বাইরে দিয়ে নতুন একটি টালি বানিয়ে রাখা।

    খামের বাইরের চিহ্নগুলো আমাদেরকে জানাতে পারত ভেতরে সম্পদের সুনির্দিষ্ট গণনাসূচক কয়টি চিহ্ন রয়েছে। অর্থাৎ এখানে দুই ধরনের চিহ্ন কাজ করত। এক ধরনের চিহ্ন দিয়ে ধনসম্পদের পরিমাণ বোঝা যেতো আর অন্য চিহ্ন দিয়ে গরুর সংখ্যা। এ পর্যায়ে এসে বস্তু ও চিহ্নের মধ্যকার সম্পর্কটি আরও বিমূর্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তী ধাপ ছিল এই সহজ চিহ্নপদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসা। সুমেরীয় শহরগুলো বড়ো হতে লাগল এবং সম্পদের মালিকানার ব্যাপারটি জটিল থেকে জটিলতর হতে লাগল। একজন মানুষ অনেক ধরনের সম্পদের মালিক হতে লাগল এবং সেসব সম্পদের বিনিময়ও চলতে থাকত অবিরাম। সেই মুহূর্তে হিসাবরক্ষকদের প্রয়োজন ছিল চিহ্নের চেয়েও বেশি কিছুর। সেই সময় তাদের প্রয়োজন ছিল চিত্রলিপির, যা একইসাথে কোন জিনিস গণনা করা হচ্ছে এবং তার পরিমাণ কত উভয়ই প্রকাশ করতে পারবে।

    চিত্রলিপির ব্যবহার বেশ সরলীকৃত ছিল। সাধারণত সেগুলো আঁকা হতো কাদামাটির উপর, যেখানে খুব সূক্ষ্ম কারুকাজের সুযোগ ছিল না। আর সেখানে বাস্তবসম্মত গরুর ছবি আঁকার প্রয়োজনীয়তা ছিল না, কেননা যখনই কারও গরুর প্রয়োজন হতো তখন ট্যাবলেটের দিকে তাকিয়ে চতুর্ভুজের উপরে একটি মাথা এবং লেজ আঁকা দেখলেই মানুষ বুঝত যে এটা গরু। ঠিক একইভাবে, ছোটো বাচ্চার আঁকা মায়ের কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং মার্কা ছবি দেখলেও সবাই বুঝতে পারত যে এটাই তার মা এবং সে এখানেই দাঁড়িয়ে আছে।

    তখনও পর্যন্ত এটি চিহ্ননির্ভর ব্যবস্থাই ছিল; একে ‘লিপি’ বলার মতো যোগ্যতা সে অর্জন করেনি তখনও। অপরদিকে চিহ্নভিত্তিক প্রক্রিয়া হিসেবে এটি বেশ জটিল আকার হয়ে গিয়েছিল।

    এরপর সিলগালা পুনরায় ফিরে এলো; কিন্তু এবার সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে।

    শু এক সময় শুধু শস্য আর তেলের হিসাব রাখার জন্য তার সিলটিকে ব্যবহার করতেন। তিনি এখন একটি ট্যাবলেটের নিচের দিকে সিল মারতে পারতেন, যেখানে চিত্রলিপির মাধ্যমে দুই প্রতিবেশীর মাঝে গরু কেনাবেচার বিস্তারিত বর্ণনা লিপিবদ্ধ করা থাকত। যেহেতু সেই দুই প্রতিবেশী একজন আরেকজনকে পুরোপুরি বিশ্বাস করত না, তারা তাকে অকুস্থলে উপস্থিত থেকে বেচাকেনার ব্যাপারটি পর্যবেক্ষণ করার অনুরোধ করেছিল এবং পরিশেষে তিনি তার সিল প্রদানের মাধ্যমে নিজেকে এই লেনদেনের একজন চাক্ষুষ সাক্ষী হিসেবে চিহ্নিত করেন। ট্যাবলেটের নিচের দিকে শু-র নাম থাকা মানে এখন আর এটা না যে ও এখানে ছিল কিংবা ও এসকল সম্পদের মালিক। শু-র সিল এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বহন করছে, যার মানে হচ্ছে : ‘শু এখানে উপস্থিত থেকে এই লেনদেনটি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং কারও মনে এ-সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন থাকলে তার সাথে যোগাযোগ করুন।

    এটি শুধু একটি চিহ্ন ছিল না, পাঠকের প্রতি একটি পূর্ণাঙ্গ বক্তৃতার মতো ছিল।

    সেই সময় পর্যন্ত সুমেরীয় ‘লিপি’ মানুষের ভালো স্মৃতিশক্তির উপর নির্ভরশীল ছিল। তখনও পর্যন্ত সেটি ছিল হাতের আঙুলে সুতা জড়িয়ে রাখার মতো প্রাথমিক একটি প্রক্রিয়া; এটাকে চিহ্নের পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা বলা যেত না। কিন্তু বিভিন্ন শহরের মাঝে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়তে লাগল এবং সেসব কাদামাটির ট্যাবলেটে আরও অনেক বেশি তথ্য ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলো-পূর্বের মতো পণ্যের নাম এবং সংখ্যার হিসাব রাখা যথেষ্ট ছিল না। কৃষক ও বণিকদের লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন ছিল কখন ফসল বোনা হয়েছে এবং কী ধরনের ফসল, কোন ভৃত্যকে কী কাজে পাঠানো হয়েছে ইত্যাদি। এ ছাড়া ঐশ্বরিক কৃপা লাভের আশায় এনলিলের মন্দিরে কয়টি গরু পাঠানো হয়েছে সেই হিসাবটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ মন্দিরের পূজারিরা ভুল গণনা করতে পারে। এরপর ছিল রাজাকে পাঠানো নজরানার বিষয়টি। সেখানে গণনা ভুল হলে রাজার আক্রোশ নেমে আসতে পারে গণনাকারীদের উপর এবং তিনি অতিরিক্ত নজরানা দাবি করতে পারতেন।

    চিত্র : সুমেরীয় বর্ণমালা চার্ট

    এই ধরনের বিস্তারিত তথ্য পাঠানোর জন্য সুমেরীয়দের প্রয়োজন ছিল সেরকম চিহ্নের যা শব্দের মতো অর্থ বহন করবে, শুধু বস্তুসূচক নয়। তাদের দরকার পড়েছিল ‘গরু’, ‘পাঠানো হয়েছে’, ‘গম’, ‘বপন করা হয়েছে’ কিংবা ‘ধ্বংস হয়েছে’-এধরনের শব্দ বা শব্দাংশ বোঝানোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন চিত্রলিপির।

    বিভিন্ন ধরনের চিহ্নের প্রয়োজনীয়তা দ্রুত বাড়ছিল আর লিখিত সংকেতের ব্যবহার প্রক্রিয়াকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মাত্র দুটি পথই খোলা ছিল। প্রথমত, চিহ্নের সংখ্যা বাড়ানো, যাতে করে অতিরিক্ত চিহ্নগুলো এই নতুন নতুন জিনিস ও পরিস্থিতিকে বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা যেত। আরেকটি উপায় ছিল চিত্রলিপিকে শব্দভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে রূপান্তরিত করা, যাতে যে-কোনো চিহ্নকে নির্দিষ্ট ধ্বনির মাধ্যমে প্রকাশ করা যেত। পূর্ণাঙ্গ শব্দ নয় বরং প্রতিটি ধ্বনি এক-একটি শব্দাংশকে প্রকাশ করতে পারত আর এই ধ্বনিগুলোর সমন্বয়ে শব্দ ও বাক্য গঠন করা যেত। যখন কোনো সুমেরীয় ব্যক্তি একটি গরু-চিহ্ন দেখতেন, তিনি তখন তার ঠোটের মাধ্যমে সেই শব্দটিই করতেন যাতে বোঝা যেত এটি একটি গরু। এই কারণে চিত্রলিপি ও ধ্বনির সমন্বয় ঘটিয়ে ভাব প্রকাশ করাটা খুব একটা দুরূহ ব্যাপার ছিল বলে বোধ হয়নি কখনোই।

    পরবর্তী ছয়শ বছরে সুমেরীয় চিত্রলিপি বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ধ্বনিভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়। ভেজা কাদামাটির উপর কীলকসদৃশ যন্ত্রের মাধ্যমে খোদাই করা এসব চিহ্নের সুনির্দিষ্ট আকৃতি ছিল, যা উপরের দিকে প্রশস্ত ও নিচের দিকে সরু ছিল।

    এই লিপিকে সুমেরীয়রা কী বলতেন তা আমরা কখনোই আর জানতে পারব না। একটি যুগান্তকারী আবিষ্কারকে চিহ্নিত করা বেশ কঠিন কাজ; আর সুমেরীয়রা তাদের এই উদ্ভাবনকে নিয়ে কোনো মন্তব্যই রেখে যায়নি আমাদের জন্য। তবে ১৭০০ সালে থমাস হাইড নামের একজন বর্ষীয়ান পার্সি বিদ্বান এই লিপির নাম দেন ‘কুনেইফর্ম’, যে নামটি আমরা এখনও ব্যবহার করি। এই নামটি এই লিপির গুরুত্বকে বোঝানোর জন্য যথেষ্ট নয়; এটি এসেছে ল্যাটিন ভাষার একটি শব্দ থেকে, যার অর্থ দাঁড়ায় ‘তিনকোনা ত্রিভূজ আকৃতি’ বা ইংরেজিতে ‘ওয়েজ (wedge) শেপ।

    হাইড ভেবেছিলেন যে কাদামাটির উপর খোদাই করা চিহ্নগুলো কোনো এক ধরনের সুসজ্জিত সীমানা।

    সুমেরের অল্প কিছুদিন পরে মিশরে চিত্রলিপির ব্যবহার শুরু হয়।

    মিশর দেশটি একটি সাম্রাজ্যে রূপান্তরিত হতে হতে সেখানে চিত্রলিপির বহুল ব্যবহার শুরু হয়। নার্মার প্যালেটের উপর, রাজা নার্মারের মাথার ঠিক ডানপাশে মাগুর মাছের চিত্রলিপি আঁকা আছে এবং পোর্টেটের উপর তার নাম ‘নার্মার’ লেখা আছে।

    মিশরীয় চিত্রলিপি, যাকে আমরা হায়েরোগ্লিফিক্স বলে থাকি, সেটি গণনাপদ্ধতি থেকে আসেনি। খুব সম্ভব মিশরীয়রা চিত্রলিপির প্রক্রিয়াটি শিখেছিল তাদের উত্তর-পূর্বদিকের প্রতিবেশীদের কাছ থেকে। সুমেরীয় কুনেইগ্রাম লিপি তার মূল উৎস চিত্রলিপি থেকে অনেক বেশি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল কিন্তু হায়েরোগ্লিফিক্স অনেকটাই তার প্রাথমিক রূপ ধরে রাখতে পেরেছিল—দীর্ঘদিন ধরে। হায়েরোগ্লিফিক্স পরবর্তীকালে ধ্বনিমূলক চিহ্নে রূপান্তরিত হওয়ার পরও তাকে বিভিন্ন বস্তুর সাথে মেলানো যেত; যেমন হাত উঠিয়ে রাখা একজন মানুষ, মেষপালকের লাঠি, মুকুট, বাজপাখি ইত্যাদি।

    হায়েরোগ্লিফিক্স ছিল ভালোমন্দ মেশানো একটি ভাষা। কিছু চিহ্ন চিত্রলিপির মতো ছিল আর কিছু ছিল ধ্বনি-সংকেত। কখনও কখনও একটি বাজপাখি-চিহ্ন দিয়ে একটি শব্দকে বোঝানো হতো, আবার কখনও কখনও এটি ছিল শুধুই একটি বাজপাখি। এই কারণে মিশরীয়রা এক ধরনের ‘নির্ণায়ক’ উদ্ভাবন করেন যাকে হায়েরোগ্লিফিক্সের পাশে বসিয়ে বোঝানো হতো সেটি ধ্বনি-সংকেত নাকি চিত্রলিপি।

    কিন্তু হায়েরোগ্লিফিক্স কিংবা কুনেইফর্ম কোনোটাই একটি পূর্ণাঙ্গ বর্ণমালায় রূপান্তরিত হতে পারেনি।

    সুমেরীয়রা এই সুযোগটি পায়নি। সুমেরীয় ভাষার সম্পূর্ণ বিবর্তন সম্পন্ন হওয়ার আগেই সেটি আক্কাদিয়ান দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে গিয়েছিল, যেটি ছিল সুমেরকে দখল করে নেওয়া শাসকদের কথ্যভাষা।

    অপরদিকে হায়েরোগ্লিফিক্স হাজার হাজার বছর ধরে টিকে ছিল—চিত্রলিপি হিসেবে তার পরিচয়কে অক্ষুণ্ণ রেখে। এর সাথে মিশরীয়দের লেখালেখির প্রতি মনোভাবের একটি যোগসূত্র ছিল। একজন মিশরীয় মনে করতেন লিপির মাধ্যমে তিনি অমরত্ব লাভ করতে পারেন। এটি এক ধরনের জাদুবিদ্যা ছিল যার মাধ্যমে ছোটো ছোটো সারির মধ্যে জীবন ও শক্তিমত্তা লুকিয়ে থাকে। মিশরীয়দের মতে কিছু হায়েরোগ্লিফিক্স এতই শক্তিশালী ছিল যে তা জাদুবিদ্যায় ভরপুর এলাকায় লেখাই যেত না; সেগুলো শুধু কম জাদুকরি এলাকায় বসে লেখা যেত, যাতে কোনো অশুভ শক্তির আগমন না ঘটতে পারে। একটি মিনার কিংবা মূর্তির উপর হায়েরোগ্লিফিক্সের মাধ্যমে একজন রাজার নাম খোদাই করে রাখার মানে ছিল তাদেরকে চিরকাল বাঁচিয়ে রাখা—ইহকালের মায়া ত্যাগ করার পরেও। একজন রাজার খোদাই করা নামকে বিকৃত করার মানে ছিল তাকে মেরে ফেলা-চিরকালের জন্য।

    সুমেরীয়রা ছিল অধিক বাস্তববাদী; তাদের লেখায় এই ধরনের কোনো উদ্দেশ্য থাকত না।

    মিশরীয়দের মতো সুমেরীয়দেরও একজন লেখালেখির দেবী ছিলেন, যার নাম নিসাবা। প্রাপ্ত জ্ঞান অনুযায়ী তিনি খাদ্যশস্যেরও দেবী ছিলেন।

    কিন্তু মিশরীয়দের ধারণা ছিল যে লিপির উদ্ভাবন ঘটেছিল একজন দেবতার হাত ধরে, যার নাম ছিল তথ-পবিত্র লেখক, যিনি নিজেকে তৈরি করেছিলেন তার নিজেরই শব্দের শক্তিতে। তথ ছিলেন লিপির দেবতা এবং একইসাথে প্রজ্ঞা ও জাদুবিদ্যার দেবতা। তিনি পৃথিবীর পরিমাপ করেছিলেন, তারার সংখ্যা গণনা করেছিলেন এবং মানুষের প্রতিটি কার্যকলাপের নথি সংরক্ষণ করেছিলেন, যাতে তা মৃত্যুর হলঘরে নিয়ে এসে তাদের বিচার করা যায়। তিনি শস্যের বস্তা গণনা করার মতো অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট করতেন না।

    লিখিত বক্তব্যের প্রতি এই মনোভাবটির কারণেই হায়েরোগ্লিফিক্সের চিত্রলিপি আকারটি টিকে ছিল দীর্ঘদিন। মিশরীয়রা এই ছবিগুলোকেই শক্তির উৎস ভাবতেন। এমনকি এই চিত্রলিপিগুলোর মানেও সবার জানার কথা ছিল না, যদি না কাউকে সেই জ্ঞানের আলোকে আলোকিত করা হতো। মিশরীয় পূজারিগণের কাছে এই গোপন তথ্যগুলো সংরক্ষিত থাকত আর তারা এই জ্ঞান নিজেদের কুক্ষিগত করে রাখতেন দীর্ঘদিন ধরে।

    তখন থেকেই লিখতে ও পড়তে পারাকে এক ধরনের শক্তির উৎস হিসেবে ধরে নেওয়া হতো।

    এমনকি হায়েরোগ্লিফিক্স এতটাই দুর্বোধ্য ছিল যে এর অর্থ খুঁজে বের করার সক্ষমতা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছিল; যদিও তখনও সগৌরবে মিশর রাজ্যের অস্তিত্ব টিকে রয়েছে।

    আমরা খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ সালে গ্রিকভাষী মিশরীয়দের খুঁজে পাই যারা বিভিন্ন চিহ্নের মানে এবং তাদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে ব্যাখামূলক লেখা লিখে রেখে গিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, হোরাপল্লো তার হায়েরোগ্লিফিকা বইতে হায়েরোগ্লিফিক্সের মাধ্যমে লেখা—আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে ‘আঁকা’—শকুনের ছবির বিভিন্ন ধরনের অর্থকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি মরিয়া হয়ে চেষ্টা করেছেন একই চিহ্নের বিভিন্ন অর্থের ব্যাখ্যা প্রদান করতে; কিন্তু তার ব্যাখ্যা অনেকাংশেই ভুল ছিল।

    ‘তারা যখন একজন মাতা, চোখের দৃষ্টি, সীমানা অথবা জ্ঞানের কথা বলেন তখন একটি শকুন আঁকেন’, হোরাপল্লো লিখেছেন। ‘মা, কেননা শকুন প্রজাতিতে কোনো পুরুষ নেই; দৃষ্টিশক্তি, কেননা অন্য যে-কোনো প্রাণীর তুলনায় শকুনের দৃষ্টিশক্তি অধিকতর প্রখর; সীমানা, কেননা যখন যুদ্ধ শুরু হয় তখন সেই যুদ্ধক্ষেত্রের সীমানা ঠিক করে দেয় সেই জায়গাটুকুর উপর দিয়ে সাতদিন ধরে উড়ে উড়ে এবং সর্বশেষে জ্ঞান, কেননা সে সানন্দে প্রত্যাশা করে যুদ্ধের ফল হিসেবে আসন্ন লাশের পরিমাণকে যা তার দীর্ঘদিনের খাবারকে সুনিশ্চিত করবে।’

    হায়েরোগ্লিফিক্সের জ্ঞান পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন পর্যন্ত এই মিশরীয় লিপির কথা অজ্ঞাত ছিল। সম্রাট নেপোলিয়নের সৈন্যরা নীল নদের তীর থেকে একটি পুরানো দুর্গের ছাঁচ খুঁড়ে তোলেন। সেখানে তিনি নিজেই একটি দুর্গ বানানোর পরিকল্পনা করছিলেন। সেই খুঁড়ে তোলা সাতশ পাউন্ড ব্যাসাল্টের চাঁই- এর গায়ে হায়েরোগ্লিফিক্স খোদাই করা ছিল; আর একইসাথে ছিল আরও অনেক পরে আবিষ্কৃত মিশরীয় লিপি এবং গ্রিক লিপিতে লেখা অনুবাদ। এই পাথরটি—পরবর্তীতে যার নাম দেওয়া হয় ‘রোসেটা স্টোন’—ছিল ভাষাবিদদের জন্য একটি সোনার খনি। এখান থেকেই হায়েরোগ্লিফিক্সের মর্মোদ্ধারের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। এই সামরিক অভিযানের ফলে আমরা বহু বছরের সাহিত্যিক অভিযানের রসদ পেয়ে যাই। এর মাধ্যমে প্রাচীন কাব্য ও মহাকাব্যের মানে খুঁজে বের করার সুবর্ণ সুযোগ আমাদের হাতে আসে। এ থেকে আরেকবার প্রমাণিত হয় যে সাহিত্য কখনোই যুদ্ধবিগ্রহের গ্রাস থেকে পুরোপুরি স্বাধীন ছিল না এবং একইভাবে সাহিত্য সর্বদা ব্যাবসাবাণিজ্যের সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল।

    হায়েরোগ্লিফিক্সের যাদুকরি ও রহস্যময় প্রকৃতিটি টিকে ছিল, কেননা মিশরীয়রা দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য নতুন এবং সহজ এক ধরনের লিপি আবিষ্কার করতে পেরেছিলেন।

    হায়রাটিক লিপি ছিল হায়েরোগ্লিফিক্সের একটি সহজতর সংস্করণ, যেখানে ছবির মতো চিহ্নগুলোকে বাঁকা বাঁকা রেখা দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। ডব্লিউ ভি ডেভিসের বর্ণনায়, এটি ছিল হায়েরোগ্লিফিক্সের ‘কার্সিভ’ (জড়ানো) রূপ। ব্যাবসায়িক বিষয়াদি, আমলা ও প্রশাসকদের বিভিন্ন কাজের বর্ণনা লেখার ক্ষেত্রে হায়োটিক হয়ে ওঠে পছন্দসই লিপি। এটির অস্তিত্ব নির্ভরশীল ছিল আরেকটি মিশরীয় উদ্ভাবনের উপর কাগজ। রেখাগুলো যতই সহজ হোক না কেন, সেগুলোকে কাদামাটির উপর খোদাই করা সহজ ছিল না।

    শত শত বছর ধরে কাদামাটি ছিল সুমেরীয় ও মিশরীয়দের পছন্দের লেখার মাধ্যম। এটি সহজলভ্য এবং বারবার ব্যবহারযোগ্য ছিল। একটি সমতল কাদামাটির ট্যাবলেটের উপর খোদাই করে সেটাকে রোদে পুড়িয়ে শুকিয়ে নিলে তা অনেক বছর ধরে টিকে থাকত। কিন্তু একইসাথে ট্যাবলেটের পৃষ্ঠতল একটু আর্দ্র করে নিলেই খুব সহজে লেখাগুলোকে আরও পরিষ্কার করা যেত কিংবা পরিবর্তন করে নেওয়া যেত–কোনো নথিকে হালনাগাদ কিংবা সঠিক করার জন্য। যে নথিকে অবিকৃত রাখার প্রয়োজন হতো তা রোদে সেঁকা হতো, যাতে চিহ্নগুলো ট্যাবলেটের উপর পাকাপাকিভাবে বসে যায় এবং সেগুলোকে কোনোভাবেই পরিবর্তন করা না যায়।

    কাদামাটির ট্যাবলেটগুলো ভারী ছিল; সেগুলোকে সংরক্ষণ করা এবং এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া ঝামেলাপ্রদ ছিল এবং এক-একটি ট্যাবলেটে খুব সীমিত পরিমাণ জায়গা থাকত লেখার জন্য। ব্যাপারটি হালের ওয়ার্ড প্রসেসরের পুরোই বিপরীতমুখী একটি ব্যাপার ছিল।

    খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ সালের আশেপাশে একজন মিশরীয় লিপিকার অনুধাবন করেন যে ঘরবাড়ি তৈরির কাজে ব্যবহৃত প্যাপিরাসকেও লেখনীপৃষ্ঠ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। প্যাপিরাস ছিল মূলত নলখাগড়া। নরম করে গোল্লা খেলার কাঁটার মতো করে বিছিয়ে সেগুলোকে ভর্তা করা হতো, যা থেকে মণ্ড তৈরি হতো। এরপর এই মণ্ডকে কাগজের মতো করে বিছিয়ে শুকানো হতো।

    তুলি ও কালির সাহায্যে খুব সহজে এবং দ্রুততার সাথে প্যাপিরাসের উপর হায়রাটিক লিপি বসানো যেত।

    সুমেরে এই ধরনের কোনো বস্তুর কাঁচামাল পাওয়া যেত না, যে কারণে সেখানে আরও শত শত বছর ধরে কাদামাটির ট্যাবলেট ব্যবহৃত হতে লাগল। প্রায় ১ হাজার ৫০০ বছর পরে, মোসেস যখন যাযাবর আব্রাহামের সেমিটিক বংশধরদেরকে মিশর থেকে প্রাচ্যের শুষ্ক আবর্জনা-ভূমিতে নিয়ে আসলেন, তখন সৃষ্টিকর্তা তাদের উদ্দেশ্যে যে নির্দেশাবলি প্রেরণ করেছিলেন তা পাথরের ট্যাবলেটে খোদাই করা ছিল, কাগজে নয়। এই পাথরের ট্যাবলেট সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ধরনের বাক্স বানাতে হয়েছিল, কেননা সেগুলোকে পরিবহণ করা কষ্টসাধ্য ছিল।

    অপরদিকে কাগজ পরিবহণ করা তুলনামূলক অনেক সহজ ছিল। বার্তাগুলোকে সহজেই ভাঁজ করে নেওয়া যেত এবং কোটের নিচে কিংবা পকেটে ভরে বহণ করা যেত। দূরে দূরে থাকা নীল নদের আমলাদের জন্য রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মাঝে বার্তার আদানপ্রদান করার জন্য এরকম সহজ একটি মাধ্যমের প্রয়োজন ছিল। ৪০ পাউন্ড ওজনের কাদামাটির ট্যাবলেট বহনকারী বার্তাবাহকের কাজটা কখনোই সহজ ছিল না।

    মিশরীয়রা দুহাত প্রসারিত করে এই নতুন ও কার্যকর প্রযুক্তিকে লুফে নিয়েছিল। পাথরের দেওয়ালে, সমাধিতে, স্মৃতিস্তম্ভে ও মূর্তির গায়ে হায়েরোগ্লিফিক্স খোদিত হতে থাকল কিন্তু চিঠিপত্র, স্মারকলিপি, নির্দেশাবলি ও সতর্কবাণী লেখা হতো প্যাপিরাসে, যেটি আর্দ্র হলে গলে যেত, পুরানো হয়ে গেলে ফেটে যেত এবং কিছুদিন পর ধ্বংস হয়ে ধুলোয় মিশে যেত।

    আমরা সুমেরীয় রাজা জিমরি লিমের বিবিধ পারিবারিক সমস্যার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পেরেছি সেসব কাদামাটির ট্যাবলেট থেকে, যেগুলো মেসোপটেমিয়ার রোদে সেঁকা বিভিন্ন শহরের মাঝে ঘোরাফেরা করেছিল আজ হতে অনেক অনেক বছর আগে। কিন্তু সেই তুলনায় প্যাপিরাস আবিষ্কারের পরবর্তী সময়ে আমরা ফেরাউনদের দৈনন্দিন জীবন এবং তাদের প্রশাসনিক কার্যকলাপের ব্যাপারে খুব কমই জানতে পেরেছি।

    তাদের দুঃখ-দুর্দশার বয়ান এবং জরুরি বার্তাগুলো হারিয়ে গিয়েছে; অতীব সতর্কতার সাথে লিপিকারদের লেখা ইতিহাস উধাও হয়ে গিয়েছে ডিলিট হয়ে যাওয়া ইমেইলের মতো করে। অর্থাৎ পাঁচ হাজার বছর আগে আমরা শুধু প্রথম লেখনী পাইনি বরং সাথে এমন একটি প্রযুক্তিও খুঁজে পেয়েছিলাম যা পরবর্তীতে শাঁখের করাতের মতো হয়ে দাঁড়ায়।

    ততদিনে সুমেরীয় কুনেইফর্মের মৃত্যু ঘটেছে এবং তাকে কবরও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হায়েরোগ্লিফিক্সের রেখাগুলো আজও বেঁচে রয়েছে বহাল তবিয়তে আরও কিছুদিন পরে ‘প্রটোসিনাইটিক’ নামে আরেক ধরনের লিপির খোঁজ পাওয়া যায় সিনাই উপদ্বীপের আশেপাশের কিছু জায়গায়, যেটির অর্ধেকের বেশি অক্ষর ছিল মিশরীয় হায়েরোগ্লিফ থেকে ধার নেওয়া।

    পরবর্তীতে, ফিনিশীয়রা তাদের বর্ণমালায় প্রটোসিনাইটিক থেকে কিছু অক্ষর ধার নিয়েছিল। আর গ্রিকরা ফিনিশীয় বর্ণমালাকে ধার করে এনে তাকে উলটে পালটে আবার সেটিকে রোমানদের কাছে প্রেরণ করে, যা অবশেষে আধুনিক মানুষের কাছে এসে পৌঁছায়। সুতরাং এক অর্থে বলা যায়, মিশরীয়দের জাদুকরি চিহ্নগুলো প্রকৃতপক্ষেই অমরত্ব লাভ করেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }