Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪১. মেসোপটেমিয়ার অন্ধকার যুগ

    অধ্যায় ৪১ – মেসোপটেমিয়ার অন্ধকার যুগ

    খ্রিস্টপূর্ব ১১১৯ থেকে ১০৩২ সালের মাঝে হিট্টিটদের পতন হয় এবং অ্যাসিরীয়া ও ব্যাবিলন বিবর্ণ হয়ে পড়ে।

    মাইসেনীয়রা তাদের শহরগুলো ছেড়ে চলে যাওয়ার পর ডোরিয়ানরা সেগুলো দখল করে নেয়। ইতোমধ্যে ট্রয় ছাড়িয়ে আরও পূর্বে হিট্টিটদের ভূমিতেও গোলযোগ দেখা দেয়। ততদিনে যুদ্ধবিধ্বস্ত ট্রয় পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে, কিন্তু শহরটি তার আগের সমৃদ্ধিশালী রূপ আর ফিরে পায়নি কখনোই।

    হিট্টিটদের অবস্থাও তখন করুণ। দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ ও তুধালিয়া চতুর্থ র আমলের বিদ্রোহ ও বিক্ষোভ দেশটিকে দীনহীন অবস্থায় নিয়ে গেছিল। উপরন্তু, সিংহাসনের দখল নিয়ে হানাহানিও থামেনি। মাইসেনীয়দের পতনের সময় চতুর্থ তুধালিয়ার ছোটছেলে তার বড়ছেলের কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করে নেয়।

    তিনি নিজেকে দ্বিতীয় সুপ্পিলুলিউমা হিসেবে অভিহিত করেন, যাতে তার নাম শুনে সবার ১৫০ বছর আগের মহান সম্রাট সুপ্পিলুলিউমার কথা মনে পড়ে যায়।

    দ্বিতীয় সুপ্পিলুলিউমার শিলালিপিগুলোতে সমুদ্র থেকে আসা শত্রুদের বিরুদ্ধে বিজয়ের কথা বলা হয়েছে। তিনি এশিয়া মাইনরের উপকূলে বেশ কয়েকটি নৌযুদ্ধে মাইসেনীয় শরণার্থী ও ভাড়াটে সেনাদের পরাজিত করেন বলে দাবি করা হয়। এমনকি কিছুটা সময়ের জন্য তিনি তার দক্ষিণ উপকূলে আগ্রাসন ঠেকাতে সক্ষম হন। তবে তিনি হিট্টিটদের সোনালি যুগ ফিরিয়ে আনতে পারেননি, যখন অপর সুপ্পিলুলিউমা ‘প্রায়’ তার নিজের এক সন্তানকে মিশরের সিংহাসনে বসিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    সেই একই যাযাবর লোকেরা, যারা মিশরের দিকে আগাচ্ছিলেন, যারা দুর্ভিক্ষ, মহামারি বা অতিরিক্ত জনসংখ্যার সমস্যা থেকে পালিয়ে এসেছেন, বা যাদের নিজেদের দেশে যুদ্ধ চলছিল— তারাই এশিয়া মাইনরে ঢুকে পড়ছিলেন। কিছু মানুষ ট্রয়ের দিক থেকে এজিয়ান সমুদ্র পাড়ি দিয়ে এশিয়া মাইনর ও হিট্টিটদের ভূমিতে চলে আসলেন। অন্যেরা আসতেন সমুদ্র থেকে। হিট্টিট উপকূলের দক্ষিণে অবস্থিত সাইপ্রাস থেকে নিয়মিত আগ্রাসনের মুখোমুখি হত হিট্টিটরা। দ্বিতীয় সুপ্পিলুলিউমা লিখে রেখে গেছেন, “আমি তাদের ধ্বংস করেছি, তাদের জাহাজ দখল করে নিয়ে সমুদ্রের মাঝে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছি। তবুও আমার বিরুদ্ধে লড়তে সাইপ্রাস থেকে ঝাঁকেঝাঁকে শত্রু এসেছে।”

    গ্রিক উপদ্বীপের উত্তরে অবস্থিত গ্রেইস নামের অঞ্চল থেকে বসফরাসের সংকীর্ণ প্রণালি পেরিয়ে ‘ফ্রিজিয়ান’ নামের গোত্র থেকেও কিছু লোক সেখানে এসেছিলেন।

    এরকম বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল, আর হিট্টিটদের বাহিনীও অনেকটাই ছোট ছিল। নবাগতরা সুপ্পিলুলিউমার বাহিনীকে ছত্রভঙ্গ করে দিল আর রাজত্বের একেবারে অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ল। রাজধানী শহর হাউসাস শিগগির পুড়ে ছাই হয়ে গেল। মানুষ পৈতৃক প্রাণ নিয়ে চম্পট দিল আর রাজকীয় সভা ধূলিসাৎ হয়ে গেল।

    রাজধানীর পতন হলেও হিট্টিটদের মুখের ভাষা তাদের পুরনো সাম্রাজ্যের দক্ষিণ প্রান্তের কিছু শহরে বেঁচে থাকে, যার মধ্যে কার্চেমিশ ছিল সবচেয়ে বড়। সর্বশেষ এই ঘাঁটিগুলোতে কোনোমতে হিট্টিটদের দেবতারা মাথা-গোঁজার ঠাঁই খুঁজে পেয়েছিলেন। তবে যে রাজত্ব ও এর বাসিন্দারা তাদের উপাসনা করতেন, তারা ততদিনে গত হয়েছেন।

    হিট্টিট, মাইসেনীয় ও মিশরীয় সভ্যতার সূর্য একদিকে অস্ত যাচ্ছিল, আর অপরদিকে, পূর্বের শক্তিগুলো হঠাৎ করেই খুব শক্তিশালী হয়ে উঠছিল। কয়েকটি বছরে যাযাবর ভ্রমণকারী ও সামুদ্রিক মানুষরা পশ্চিমকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল আর এসময় অ্যাসিরীয়া ও ব্যাবিলনের ঐশ্বর্য ফিরে আসে।

    অ্যাসিরীয়াতে রাজা তিগলাথ-পিলেসার হাউসাস ধ্বংস হওয়ার অল্পদিন পরেই সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার পূর্বপুরুষরা সবাই অ্যাসিরীয়ার মূল ভূখণ্ড শাসন করেন। এই উলটো করে বসানো ত্রিভুজাকৃতির সাম্রাজ্যের একেবারে নিচের অংশে ছিল আসসুর, আর এর পশ্চিমে প্রাচীন এরবিলা ও পূর্বে নিনেভেহ শহর ছিল। এই এলাকাটি খুবই সমৃদ্ধশালী ছিল এবং একে খুব সহজেই সুরক্ষিত রাখা যেত। এটি ছিল সমগ্র মেসোপটেমিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় গম-উৎপাদনের এলাকা। তিগলাথ-পিলেসার পূর্বসূরি তিন রাজাই এই অঞ্চলকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখার জন্য সংকল্পবদ্ধ ছিলেন।

    তবে তিগলাথ-পিলেসারের চাহিদা আরও বেশি ছিল। ৮ প্রজন্ম ও ১০০ বছর আগে শাসন করা রাজা শালমানেসারের পর তিনিই ছিলেন প্রথম রাজা, যার মাঝে যুদ্ধংদেহী মনোভাব ছিল।

    ৪০ বছরের কিছু সময় পর অ্যাসিরীয়া আবারও তাদের আগের শানশওকতের কিছুটা হলেও ফিরে পেতে সক্ষম হয়।

    ফ্রিজিয়ানরা হিট্টিটদের এলাকার ভেতর দিয়ে তেড়েফুঁড়ে ঢুকে পড়ার পর ধীরে ধীরে উত্তর-পশ্চিমে অ্যাসিরীয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। প্রথমদিকের এক যুদ্ধে তিগলাথ-পিলেসার ফ্রিজিয়ানদের পরাজিত করে দূরে হটিয়ে দিতে সক্ষম হন। তার শিলালিপিতে তিনি ২০ হাজার ফ্রিজিয়ান (তিনি তাদেরকে ‘মুশকি’ বলে অভিহিত করেন) সেনাকে তাইগ্রিসের উত্তরাঞ্চলের উপত্যকায় পরাজিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমি গিরিখাতের মধ্যদিয়ে এবং পাহাড়ের চূড়া থেকে তাদের রক্ত প্রবাহিত করি।’

    ‘আমি তাদের মাথা কেটে শস্যের মতো করে স্তূপ করে রাখি’, যোগ করেন তিগলাথ-পিলেসার।

    এরপর তিনি যুদ্ধ করতে করতে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে আগাতে থাকেন।

    টানা ৩৮ বছর তিগলাথ-পিলেসার যুদ্ধ করলেন। একের পর এক শহর তার পদতলে এল। অ্যাসিরীয় প্রাসাদে এই শহরগুলো থেকে অগুনতি কর্মী ও করের অর্থ আসতে লাগল। এ শহরগুলোর কারচেমিশও ছিল। তিগলাথ-পিলেসার (তার নিজের লেখানো শিলালিপি অনুযায়ী) এ শহরটি ‘এক দিনে’ দখল করেছিলেন। অন্যান্য শহরগুলো যুদ্ধ ছাড়াই তিগলাথ-পিলেসারের কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে লাগল। তিগলাথ-পিলেসারকে বাহিনীকে নিয়ে আগাতে দেখে তারা তার পায়ের কাছে ঝাঁপিয়ে পড়ে চুমু খেয়ে তার শাসন মেনে নেয়।

    এভাবে তিগলাথ-পিলেসার স্বয়ং ভূমধ্যসাগরের উপকূলে পৌঁছে গেলেন। সেখানে তিনি নৌকা নিয়ে ডলফিন শিকারে গেলেন। বর্শা দিয়ে ডলফিন মারার সময় তার সঙ্গী ছিলেন তারই বাহিনীর নাবিকরা। এ পর্যায়ে মিশরের ফারাও (৮ রামসেস ফারাওর একজন) তাকে উপহার হিসেবে একটি কুমির পাঠালেন। এই কুমিরটিকে তার ‘শিকারের’ নিদর্শন হিসেবে আসসুরে নিয়ে যান রাজা তিগলাথ- পিলেসার। তিনিও অনেক মন্দির, মিনার ও দুর্গ তৈরি করে নিজেকে আরও একজন মহান রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন।

    ব্যাবিলনেও একই সময় একজন মহান রাজার আবির্ভাব ঘটে।

    বার্নাবুরিয়াশের আমলের পর থেকে ব্যাবিলন ও এর চারপাশের এলাকাগুলো অজ্ঞাতনামা শাসকরা শাসন করে আসছিলেন। ২০০ বছর আগে বার্নাবুরিয়াশ মিশরের রাজা তুতানখামেনের সঙ্গে চিঠি আদানপ্রদান করেছিলেন। তিগলাথ- পিলেসার আসসুরের সিংহাসনে বসার ৩-৪ মাসের মধ্যে ইসিনের দ্বিতীয় রাজবংশে নেবুচাদনেজার নামের এক রাজার আবির্ভাব ঘটে।

    তিগলাথ-পিলেসার পশ্চিম ও উত্তরে রাজত্ব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন আর নেবুচাদনেজার পূর্বদিকে রওনা হলেন। তখনই মারদুকের মূর্তি সুসার এলামাইটদের দখলে ছিল। ঐশ্বরিক ক্ষমতার এই নিদর্শন দখলের পর পেরিয়ে গেছে ১০০ বছর, কিন্তু একে ফিরিয়ে আনার মতো প্রতাপ কোনো ব্যাবিলনীয় রাজা তখনও দেখাতে পারেননি।

    এলাম শহরে নেবুচাদনেজারের প্রথম আগ্রাসন রুখে দেয় এলামাইট সেনাদের তৈরি রক্ষাব্যূহ। তিনি অবস্থা বেগতিক দেখে নিজ সেনাবাহিনীকে পিছিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয় হামলার জন্য তিনি একটি বুদ্ধিদীপ্ত পরিকল্পনা আঁটেন। নেবুচাদনেজার তার সেনাবাহিনীকে গ্রীষ্মকালে হামলার জন্য নিয়ে আসেন। সূর্যের তাপ যখন সবচেয়ে প্রখর, তখন কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের সেনাপ্রধান তাদের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধযাত্রায় নিয়ে যাওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাববেন না—এটাই ছিল সবার ধারণা। কিন্তু এলামের সীমান্তে আসা ব্যাবিলনীয় সেনারা সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় এবং কেউ কোনো ধরনের বিপদ সংকেত দেওয়ার আগেই তারা সুসা শহরে পৌঁছে যায়। খুব সহজেই নেবুচাদনেজারের বাহিনী শহরটি লুটে নেয়। তারা মন্দিরের দরজা ভেঙে মারদুকের মূর্তি বের করে নিয়ে আসে এবং বিজয়ীর বেশে ব্যাবিলনে ফিরে যায়।

    কালবিলম্ব না করে নেবুচাদনেজার মারদুককে উদ্ধার করে নিয়ে আসার বিজয়ের উপাখ্যান নিয়ে গল্প ও কবিতা লেখার জন্য একদল লেখক ও কবিকে নিয়োগ দিলেন। রাজপ্রাসাদ থেকে মারদুকের মন্দির পর্যন্ত এসব গল্প ও কবিতা ছড়িয়ে পড়ল এবং একপর্যায়ে ব্যাবিলনের মন্দিরে মারদুকের মূর্তিটিকে বসানো হল। অর্থাৎ রাজা নেবুচাদনেজার প্রথমের আমলেই মারদুক ব্যাবিলনীয়দের মূল উপাস্যে পরিণত হয়।

    সে-যুগের অন্য অনেক রাজার মতো, একই যুক্তিতে নেবুচাদনেজারও দাবি করলেন, যেহেতু তিনি ব্যাবিলনের মূল দেবতাকে উদ্ধার করেছেন, ব্যাবিলনের মূল দেবতা প্রত্যুত্তরে তার ওপর ঐশ্বরিক বদান্যতা অর্পণ করেছেন। ফলে দ্বিতীয় রাজবংশের শুরুটা খারাপভাবে হলেও রাজা প্রথম নেবুচাদনেজারের হাত ধরে তারা ব্যাবিলন শাসনের ঐশ্বরিক ক্ষমতা পেল।

    ব্যাবিলন ও অ্যাসিরীয়ার এই দুই শক্তিশালী রাজার কল্যাণে এই দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় ছিল। কালেভদ্রে সীমান্ত নিয়ে বিবাদ থেকে সামরিক সংঘাতের সূচনা হত। ব্যাবিলনের সেনারা একপর্যায়ে অ্যাসিরীয়ার সীমান্তবর্তী ২/৩টি শহরে লুটতরাজ ও চালিয়েছিল। তবে তিগলাথ-পিলেসার এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেননি। প্রতিশোধ নিতে তিনি ব্যাবিলন পর্যন্ত এসে রাজার প্রাসাদে আগুন ধরিয়ে দেন।

    বর্ণনা শুনে বিষয়টাকে যতটা ভয়ংকর মনে হচ্ছে, আদতে ব্যাপারটা মোটেও সেরকম ছিল না। ব্যাবিলনে অ্যাসিরীয় সীমান্তের এতটাই কাছে ছিল যে, ইতোমধ্যে ব্যাবিলনের বেশিরভাগ সরকারি কার্যালয় অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শহরটি ততদিনে পবিত্রভূমি হিসেবে বিবেচিত হলেও ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল না। আর তিগলাথ-পিলেসারও যা বোঝানোর বুঝিয়ে সৈন্যসামন্ত নিয়ে নিজের দেশে ফিরে গিয়েছিল। তিনি ব্যাবিলনের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঝুঁকি নিতে চাননি। দুই রাজত্বের শক্তিমত্তা একইরকম ছিল এবং নিজেদের মধ্যে হানাহানি করার চেয়ে বড় চিন্তার কারণেরও অভাব ছিল না তাদের।

    উত্তর ও পশ্চিম থেকে অনাহূত অতিথিদের আনাগোনা তখনও থামেনি।

    প্রায় এক হাজার বছর আগে অ্যামোরাইটরা যেরকম নাছোড়বান্দা ছিল, ঠিক একইভাবে এই নব্য যাযাবররা বারবার সীমান্তে হামলা চালিয়ে তিগলাথ- পিলেসারকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল। অ্যাসিরীয়রা এই যাযাবরদের নাম দেয় আরামিয়ান। তিগলাথ-পিলেসারের নিজের বর্ণনায়, তিনি প্রায় ২৮ বার পশ্চিমে অভিযান চালান; এই আরামিয়ানদের পুরোপুরি পরাস্ত করার উদ্দেশে।

    বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মতো ব্যাবিলন ও অ্যাসিরীয়াও খরা ও দুর্ভিক্ষের হাত থেকে মুক্ত ছিল না। তিগলেথ-পিলেসারের সভাসদদের রেখে যাওয়া বর্ণনায় জানা যায়, তার রাজত্বের শেষ কয়েকটি বছর অ্যাসিরীয়ার লোকজন ক্ষুধার্ত ও মরিয়া অবস্থায় কাটিয়েছে। এ সময় তারা আশেপাশের পর্বতগুলোতে ছড়িয়েছিটিয়ে খাবারের খোঁজ করতে বাধ্য হয়।

    ব্যাবিলনের অবস্থায় খারাপ হয়ে গেছিল। নেবুচাদনেজারের ২০ বছরের রাজত্বের শেষভাগে নাগরিকরা বেশ ভালো পরিমাণ দুর্ভোগ পোহান। শহরের দুর্দশার বিস্তারিত বর্ণনা আছে এররাস এপিক নামে একটি কবিতায়। এই দীর্ঘ কবিতায় দেবতা মারদুক অভিযোগ করেন, তার মূর্তি ঝেড়েপুছে পরিষ্কার রাখা হয়নি এবং তার মন্দিরের অবস্থাও শোচনীয়। কিন্তু তিনি খুব বেশি সময়ের জন্য ব্যাবিলন ছেড়ে এসব সমস্যার সমাধান করতে যেতে পারছেন না, কারণ যক্ষুনি তিনি ব্যাবিলন ত্যাগ করেন, তক্ষুনি শহরটির ওপর বড় ধরনের কোনো একটি বিপর্যয় নেমে আসে। বর্তমান ভয়াবহ বিপর্যয়ের জন্য তিনি ‘এররা’ নামে অপর এক দেবতাকে দায়ী করেন। তার স্বভাবের কারণে এররা শহরটির ক্ষতি না করে থাকতে পারে না। এররা বলেন, ‘আমি এই ভূখণ্ড ধ্বংস করে দেব এবং এটিকে ধ্বংসস্তূপ হিসেবে বিবেচনা করব। আমি সব গবাদি পশু ও মানুষকে হত্যা করব।’

    কবিতায় শুষ্ক ভূমি ও ফসল নষ্ট হওয়ার কথা বলা হয়েছে। রোগ-শোক ও ক্ষুধার কারণে দুই শহরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়ে। যখন তিগলাথ- পিলেসারের ছেলে সিংহাসনে আরোহণ করলেন, ততদিনে আরামিয়ান সংক্রান্ত সমস্যা এতটাই প্রকট হয়েছে যে তিনি ব্যাবিলনের নতুন রাজার সঙ্গে চুক্তি করতে বাধ্য হলেন। এককালের দুই শক্তিশালী রাজ্য মিলে উভয়ের জন্য সমভাবে পীড়াদায়ক এই শত্রুকে বিতাড়ন করার সংকল্প করল।

    তবে এই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আরামিয়ানরা অ্যাসিরীয়ার বেশিরভাগ অংশ দখল করে নেয়। শুধু সাম্রাজ্যের একেবারে কেন্দ্রের অংশটুকু ছাড়া বাকি পুরো অঞ্চলই তাদের কুক্ষিগত হয়। তারা ব্যাবিলনেও হামলা চালায় এবং একজন আরামিয়ান নেবুচাদনেজারের ছেলেকে উৎখাত করে সিংহাসনের দখল নেন।

    মিশরের দখল নেওয়া ডোরিয়ানদের মতো এই আরামিয়ানদেরও লেখালেখির অভ্যাস ছিল না। ফলে মিশর থেকে শুরু করে গ্রিক উপদ্বীপ পর্যন্ত এই সুবিশাল এলাকা প্রায় ১০০ বছরের জন্য অন্ধকার যুগে প্রবেশ করে। ইতিহাসের পাতায় এই সময়টির তেমন কোনো উল্লেখ নেই বললেই চলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }