Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৬. আবারও পশ্চিম থেকে পূর্বে গেল ঝৌরা

    অধ্যায় ৪৬ – আবারও পশ্চিম থেকে পূর্বে গেল ঝৌরা

    খ্রিস্টপূর্ব ৯১৮ থেকে ৭৭১ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক, উভয় ধরনের সমস্যার কারণে ঝৌ রাজাকে পূর্বদিকে অগ্রসর হতে হয়।

    আপনাদের হয়তো মনে আছে, রাজা ওয়েনের নাতি তার ভাইদেরকে ঝৌ রাজত্বের বিভিন্ন অংশে পাঠিয়েছিলেন, সরকারি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের উদ্দেশ্য মাথায় রেখে। সেই ছোট ছোট চৌকিগুলো ততদিনে বড় হয়ে ছোট ছোট রাজত্বে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। যারা তখন এই শহরগুলো শাসন করছেন, তারা সেই মূল রাজকীয় ভাইদের বংশধর হলেও রক্তসম্পর্কের দিক দিয়ে মূল রাজপরিবার থেকে অনেকটাই দূরে চলে গেছেন। রক্তসম্পর্কের কারণে নয়, বরং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই তারা রাজাকে টোল দিয়ে যাচ্ছিলেন।

    অবধারিত ভাবেই, ‘৯ এলাকার প্রভুরা’ সেই প্রাচীন আমলের সীমানা মেনে মোটামুটি নিরপেক্ষভাবে শাসকের ভূমিকা পালন করছিলেন। তাদের রাজধানী শহরগুলোতে প্রত্নতাত্ত্বিকরা ব্রোঞ্জের তৈরি বিভিন্ন উপকরণ পেয়েছেন, যেগুলোর ওপর সেই প্রভুরা নিজেরাই শিলালিপি তৈরি করেছেন। এককালে এ-ধরনের শিলালিপি তৈরির একচ্ছত্র অধিকার ছিল শুধু রাজার। কিন্তু ততদিন ঝৌ রাজা সেই আধিপত্য হারিয়েছেন। এই শিলালিপি থেকে জানা যায়, স্থানীয় প্রশাসকরা তাদের নিজেদের বিভিন্ন উৎসব ও কৃষ্টি উপভোগ করছিলেন, যেগুলোর সঙ্গে রাজার কোনো যোগসূত্র ছিল না। তারা ‘স্বর্গের মুখপাত্র’ হিসেবে রাজার উদ্যোগের জন্য অপেক্ষা করতেন না, নিজেরাই নিজেদের দেখভাল করতেন।

    অপরদিকে, ঝৌ-এর কেন্দ্রীয় প্রশাসন ধীরে ধীরে অবকাঠামোগত দিক দিয়ে উন্নতি করছিল। কারও ব্যক্তিগত বিশ্বস্ততার ওপর নির্ভর না করে কর্মকর্তাদের কঠোর আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল তখন। আগে সভাসদদের ‘লর্ড’ (প্রভু) বলে সম্বোধন করা হত এবং তারা প্রত্যেকেই রাজার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য গড়পড়তা দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু নতুন প্রক্রিয়ায় তাদের সুনির্দিষ্ট পদবি দেওয়া হত, যেমন ‘ভূমি প্রশাসকের একধরনের কাজ ছিল, আবার ঘোড়া- প্রশাসকের কাজ ছিল পুরোপুরি ভিন্ন।

    আগের স্বর্গীয় ম্যান্ডেটের মতো এই আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার পেছনেও যুক্তি ছিল এটি রাজার ক্ষমতাকে সুরক্ষিত রাখবে। তবে বাস্তবে এতে তার কর্তৃত্ব আরও কমছিল। কারণ, এই ব্যবস্থা এটাই প্রমাণ করে যে শুধু চারিত্রিক দৃঢ়তা দিয়ে তিনি আর মানুষের বিশ্বস্ততা দাবি করতে পারছিলেন না—আইন-কানুন ও আমলাতন্ত্র দিয়ে তা আদায় করে নিতে হচ্ছিল।

    খুব শিগগির এই ‘প্রভুদের’ সঙ্গে (অনেক অনুবাদে ‘ডিউক’ বলা হয়েছে) রাজার সমস্যা দেখা দিল। সিমা কিয়ানের বয়ান মতে, মু’র ছেলে কাং মি নামের একটি ছোট রাজ্যের প্রভুর সঙ্গে দেখা করতে রাজকীয় সফরে গেলেন। মি’র ডিউক তার হারেমের জন্য একই পরিবার থেকে তিন সুন্দরী নারী সংগ্রহ করেছিলেন। এমনকি, ডিউকের মাতাও এহেন আচরণকে অতিরিক্ত মনে করেন। তিনি তাকে বকা দিয়ে বলেন, ‘একই গোত্র থেকে তিন কন্যা নিয়ে আসা অতিরিক্ত! একজন রাজাও এমন আচরণ করে না, আর তোমার তো করাই উচিত না। তুমি একজন নীচ ও দুরাচার ব্যক্তি!’

    মা উপদেশ দেন এই তিন নারীকে রাজার হাতে তুলে দিতে। ডিউক এতে রাজি হলেন না। এবং যতদূর জানা যায়, কুং রাজাও কোনো ঝামেলা ছাড়াই তার সফর শেষ করে রাজধানীতে ফিরে গেলেন। তবে ঠিক এক বছর পর, তিনি তার সৈন্যসামন্ত নিয়ে এসে ডিউক মি-কে হত্যা করেন। তিনি তার রাজ্যের কোনো প্রভুকে তার চেয়েও বেশি বিলাসবহুল জীবনযাপন করার সুযোগ দিতে চাইতেন না।

    তার উত্তরসূরি রাজা ইহ-এর আমলে বাইরের শত্রুরা তার ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করল। বাঁশের গায়ে লিখে রাখা ইতিহাস আমাদের জানায়, যাযাবর গোত্ররা ঝৌ-এর রাজধানীতে আক্রমণ চালায়। তারা কখনোই শ্যাং কিংবা ঝৌদের আধিপত্য মেনে নেয়নি এবং মেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছেও তাদের ছিল না।

    যাযাবারদের পিটিয়ে বিদেয় করে দিলেও বাইরের হুমকির সঙ্গে যুক্ত হয় ভেতর থেকে আসা বিশ্বাসঘাতকতা। ইহ’র ভাই হিয়াও সিংহাসন দখল করে নেন। এই উৎখাতের বিস্তারিত ইতিহাস জানা যায় না, কিন্তু সেই ‘বাঁশের’ ইতিহাস আমাদেরকে বলেছে (না, কীভাবে এক ভাই আরেক ভাইকে বাঁশ দিয়েছে, সেভাবে লেখা হয়নি সেটি) যে, রাজা ইহ হঠাৎ করে রাজধানী ছেড়ে চলে যান এবং কোনো এক বিচিত্র কারণে তার ছেলে ই সিংহাসনের আইনি দাবিদার হওয়া সত্ত্বেও ভাইয়ের মাথায় ওঠে মুকুট।

    নির্বাসিত অবস্থায় ইহ’র মৃত্যু হয়। পরিশেষে উৎখাতকারী রাজা হিয়াও এরও মৃত্যু ঘটে। ইহ’র ছেলে ই প্রভুদের মৈত্রীর সহায়তায় ক্ষমতা দখল করেন। সিমা কিয়ানের ভাষায়, প্রভুরা ই’র ‘ক্ষমতায়ন’ করেন। তবে এই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তিনি প্রভুদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। হোয়াংহো নদের উত্তরাঞ্চলের কি’র ডিউকের সঙ্গে বেশ ভালো ঝামেলা হয় ই’র। কি রাজ্যটি ধীরে ধীরে বেশ শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছিল। ই অবশেষে রাজকীয় বাহিনী নিয়ে কি আক্রমণ করতে এলেন। বাঁশের ইতিহাস মতে, তিনি কি’র ডিউককে আটক করেন এবং একটি ব্রোঞ্জের তৈরি বড় পাত্রে জ্যান্ত সিদ্ধ করে মারেন।

    পরের বছর ই’র মৃত্যু হয়। তিনি তার ছেলে লি’র কাছে সিংহাসন রেখে যান। রাজার সঙ্গে গোত্রপ্রধানদের বিবাদ চলতে লাগল এবং একাধিকবার তা সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য বাধ্য হয়ে লি একের পর এক যুদ্ধে অংশ নিতে লাগলেন, এবং ক্রমশ তার মধ্যে স্বৈরাচারী শাসকের সব বৈশিষ্ট্য দেখা দিতে লাগল। সিমা কিয়ানের মতে, তার নিজের প্রজারাই তার সমালোচনা করতে শুরু করে। মরিয়া হয়ে রাজা একজন গ্র্যান্ড ইনকুইজিটর (প্রধান জেরাকারী) বা ‘জাদুকর’ নিয়োগ দিলেন, যার কাজ ছিল রাজার প্রতি বিশ্বস্ত নয়, এমন ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা। এ অপরাধে যারা দুষ্ট, তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দেওয়া হত।

    ‘সমালোচনা থেমে যায়, কিন্তু সামন্তপ্রভুরা রাজসভায় আসা বাদ দিলেন’, জানান সিমা কিয়ান। রাজা আরও একরোখা হয়ে যান। রাজধানীতে তার বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দটাও করতেন না, শুধু সড়কে একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকতেন।

    চীনের বাসিন্দারা রাজার শোষণমূলক নীতিমালার জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হতে এক সময় তাদের ওপর ভিন্ন একধরনের দুর্ভাগ্য নেমে এল। খরা, দুর্ভিক্ষ, বন্যা, অতিবৃষ্টির কারণে প্রচুর পরিমাণে ফসল ধ্বংস হল। লি’র রাজত্বের সময় লেখা একটি গানে সে আমলের দুর্দশার কথা উঠে এসেছে :

    মৃত্যুর বৃষ্টি ও বিপদ নেমে এসেছে স্বর্গ থেকে
    রাজা ও তার সিংহাসনকে ভাসাতে,
    শস্যের কাণ্ড ও মূল ভেদ করেছে কেঁচো
    সমগ্র ভূখণ্ডে এসেছে ক্ষুধা আর দুর্দশা!

    অন্যান্য গানেও ক্ষুধা, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে। যেসব প্রভু তখনও রাজার প্রতি অনুগত ছিলেন, তারা লি’কে জানান, ‘বিস্ফোরণ আসন্ন’। তারা বলেন, ‘মানুষের মুখ বন্ধ রাখা নদীর গতিপথ আটকে দেওয়ার চেয়েও খারাপ।’

    শাও’র ডিউকও রাজাকে একই ধরনের সতর্কবাণী দেন।

    তবে এতেও লি ভ্রুক্ষেপ করেননি। তিনি তার প্রধান জেরাকারীকে প্রত্যাহার করতে রাজি হননি। বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রচুর পরিমাণে বিক্ষোভকারী এসে রাজপ্রাসাদ ঘিরে ফেলে ফটক ধরে নাড়াতে শুরু করে। লি কোনোমতে রাজধানী থেকে পালিয়ে গ্রামাঞ্চলের দিকে চলে যান। তার তরুণ উত্তরসূরি ছেলের ভাগ্য এতটা সুপ্রসন্ন ছিল না। শহরে আটকে পড়া এই যুবক তার বাবার বিশ্বস্ত উপদেষ্টা শাও’র ডিউকের শরণাপন্ন হন। সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর জীবন বাঁচাতে শাও’র ডিউক তার নিজের ছেলেকে সিংহাসনে বসালেন।

    এই বিকল্প ‘রাজা’ খুব শিগগির মারা গেলেন। এভাবেই শাও’র ডিউক রাজার প্রতি তার বিশ্বস্ততার প্রমাণ রাখতে নিজের ছেলের জীবন উৎসর্গ করলেন। তিনি তার নিজের বাসায় গোপনে রাজপুত্র হুয়ানকে লালনপালন করতে লাগলেন। ঝৌর শাসন তখন বিভিন্ন রিজেন্টের (রাজ-প্রতিনিধি) কাছে চলে গেল। অবশেষে নির্বাসিত লি মারা গেলেন এবং তার উত্তরাধিকারী রাজা হুয়ান এসে আবারও সিংহাসনের দখল নিলেন।

    অর্থাৎ, বাস্তবে রাজা থেকে তার ছেলেদের রাজা হওয়ার চক্র তখনও বিঘ্নিত হয়নি। সিমা কিয়ান জোর দিয়ে জানান, লি’র মতো তার ছেলে হুয়ানও একরোখা রাজা ছিলেন। তিনিও তার উপদেষ্টাদের কথায় কান দেননি।

    হুয়ানকেও বড় আকারে যাযাবরদের হামলার মুখোমুখি হতে হয়।

    নতুন রাজার জন্য যাযাবরদের নিরন্তর হামলা এক বড় আকারের মাথাব্যথার কারণে পরিণত হয়। উত্তর ও পশ্চিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে যাযাবর গোত্রদের আবির্ভাব হতে থাকে। তারা খুব সম্ভবত ইন্দো-ইউরোপীয় ছিল। তাদের সঙ্গে হোয়াংহো নদীর তীরের যাযাবরদের কোনো মিল ছিল না। এই যাযাবররা ঘোড়ার পিঠে চড়ে জীবন কাটিয়ে দিতে অভ্যস্ত ছিল। তারা এক পর্বত থেকে আরেক পর্বতে ঘুরে ঘুরে তির দিয়ে পশু শিকার করে মাংসের অভাব মেটাতেন। যখন পেটে ক্ষুধার আগুন জ্বলত বা স্বাদ বদলের জন্য খাদ্যশস্যের প্রয়োজন পড়ত, তখন তারা ঝৌ চাষিদের ক্ষেত-খামার ও গোলাগুলোতে হামলা চালাতেন।

    হুয়ানের আমলে সবচেয়ে ভয়ংকর গোত্রগুলো পশ্চিম থেকে আসত।

    ঝৌ জাতির মানুষরা তাদেরকে ‘জিয়ানইউন’ নামে ডাকলেও এটি সম্ভবত কোনো গোত্রের নাম ছিল না। সামগ্রিকভাবে সব হামলাকারী যাযাবরদেরকে এই নামে ডাকা হত।

    রাজা হুয়ান তার শাসনামলের পঞ্চম থেকে দ্বাদশ বছর পর্যন্ত জিয়ানইউনদের বিরুদ্ধে একের পর এক সামরিক অভিযান চালাতে লাগলেন। এভাবে তিনি তার রাজ্যকে বাইরের শত্রুর হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতেন। অন্য সব হামলাকারীদের চেয়ে জিয়ানইউনরা ভিন্ন ছিলেন, কারণ তারা যুদ্ধে রথের ব্যবহার করতেন এবং এ কারণে সেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে চলত।

    অবশেষে জিয়ানইউনরা পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং কিছু সময়ের জন্য তারা ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে যায়। কিন্তু এই যাযাবরদের বিরুদ্ধে জয়ী হলেও নিজ দেশবাসীর কাছে হুয়ানের ভাবমূর্তির কোনো উন্নয়ন হয়নি। অল্প সময়ের মাঝে তাকে আবার সামন্তপ্রভুদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়তে হয়। তার ধনসম্পদের পরিমাণও কমতে থাকে। এক উপাখ্যানে বলা হয়, ‘অসংখ্য প্রভু রাজকীয় নির্দেশনার বিরুদ্ধে যেয়ে বিদ্রোহ করে।’

    রাজত্বের ৪৬ বছর পার করার পর হুয়ান মারা যান। তার ছেলে ইউ সিংহাসনে বসেন এবং ঝৌ সাম্রাজ্যের পতনের সম্ভাবনা জোরদার হয়। ইউ’র অভিষেকের প্রায় পরপরই এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প হয় এবং এর ফলে ভূমিধসের সূত্রপাত ঘটে। পাহাড় থেকে নেমে আসা পাথরের টুকরো সব নদীর গতিপথ বন্ধ করে দেয়। ফলে শহরে সুপেয় পানির সরবরাহ প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়।

    এক সভাসদ দুঃখের সুরে বলেন, ‘যখন নদীর পানির উৎস বন্ধ হয়ে যায়, তখন নিশ্চিতভাবেই রাজ্য ধ্বংস হয়।’

    সে বছরই তিনটি নদী পুরোপুরি শুকিয়ে যায় এবং আরও ভূমিধসের সূত্রপাত ঘটে।

    ইউ’র দাদা লি মানুষের মুখ বন্ধ করেছিলেন। একইভাবে, ইউ’র আমলে নদীর মুখ বন্ধ হল। স্বভাবতই, এই দুই ঘটনার মাঝে মিল খুঁজে পান ইতিহাসবিদরা। কেউ কেউ দাবি করেন, ঝৌদের পাপের ফল হিসেবেই এত অশান্তি। মনে হলো যেন, ঈশ্বর তার স্বর্গীয় ম্যান্ডেট সরিয়ে নিয়ে গেছেন চীনের শাসকদের কাছ থেকে।

    ইউ নিজেও ছিলেন একজন আরামপ্রিয় ও চরিত্রহীন শাসক। জ্যেষ্ঠ স্ত্রীর ঔরসে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তিনি হারেমের নারীদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি রানী ও তার পুত্রকে বিদায় করে তার এক রক্ষিতা ও জারজ সন্তানকে উত্তরাধিকারী বানাতে তৎপর হয়ে পড়েন। তার উপদেষ্টারা এই উদ্যোগে বাধা দেন, কিন্তু ইউ জোরাজুরি করতে থাকতেন। একপর্যায়ে উপদেষ্টারা ক্ষান্ত দেন। একজন বলেন, ‘দুর্যোগ ঘনীভূত হয়েছে এবং এ বিষয়ে আমাদের কিছুই করার নেই।’

    নতুন রানীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে এই রক্ষিতা পুরো রাজপরিবারকে ছারখার করে দেন। তার প্রিয় শখ ছিল সিল্কের কাপড় ছিঁড়ে ফেলা। ফলে রাজপ্রাসাদে গজের পর গজ মূল্যবান সিল্ক আসতে লাগল। মজার বিষয় হচ্ছে, এই দামি শখ থেকেও তিনি খুব একটা আনন্দ পেতেন না-তার মুখে কখনোই হাসি দেখা যেত না, বা তিনি কখনো শব্দ করে হেসে উঠতেন না।

    কথিত আছে, একবার ইউ তার রক্ষিতা-স্ত্রীকে আমোদিত করার জন্য সিদ্ধান্ত নিলেন রাজপ্রাসাদের সব আলো জ্বালাবেন এবং জোরে ড্রাম বাজাবেন। বস্তুত এটি ছিল যাযাবর বাহিনী আক্রমণ করার সতর্কবাণী। স্বভাবতই, এত ডামাডোল শুনে রাজার প্রতি বিশ্বস্ত সব প্রভু তাদের সৈন্যসামন্ত নিয়ে রাজপ্রাসাদ প্রতিরক্ষা দিতে চলে আসেন।

    তবে প্রভুরা এসে কোনো যাযাবর পেলেন না। তাদের বিস্মিত মুখভঙ্গি দেখে রক্ষিতা রানী খুবই আনন্দ পেয়েছিলেন। সম্ভবত সেবারই তিনি প্রথমবারের মতো জোরে হেসে উঠেন।

    তবে রাখাল বালকের গল্পের মতো, খুব শিগগির যাযাবর যোদ্ধারা এল। এই দলটি ‘কুয়ান রং’ নামে পরিচিত ছিল। তারা ঝৌ ভূখণ্ডের উত্তর ও পশ্চিম দিক থেকে এসেছিলেন।

    সীমানা পেরিয়ে এসে তারা শহরে হামলা চালালেন। তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন রাজা ইউ’র প্রথম স্ত্রীর আত্মীয়স্বজনরা। বৈধ রানীকে উৎখাত করায় তার আত্মীয়রা স্বভাবতই ইউ’র ওপর খেপে ছিলেন। ফলে প্রথমবারের মতো চীনের ইতিহাসে ভেতরের ও বাইরের শত্রুরা একাট্টা হয়ে কাজ করতে লাগলেন। এই যৌথ হামলায় পুরো সাম্রাজ্য কেঁপে উঠল।

    রাজা ইউ এবারও প্রাসাদের সব বাতি জ্বালিয়ে দিলেন। কিন্তু সামন্তপ্রভুরা এতে পাত্তা দিলেন না। একই ভুল দুইবার করতে চাইলেন না তারা।

    ফলাফল, একাই যুদ্ধ করে গেলেন ইউ এবং শত্রুর হাতে নিহত হলেন। যাযাবররা রাজপ্রাসাদে লুটতরাজ চালাল, সেই রক্ষিতাকে অপহরণ করল এবং নিজেদের বাসস্থানে ফিরে গেল।

    ৭৭১ সালে এভাবেই ঝৌরাজের পতন হলো। পশ্চিমাঞ্চলে ঝৌদের আধিপত্যেরও এখানেই সমাপ্তি। তবে তখনও ঝৌ রাজবংশের নির্বাণ হয়নি। কিছু প্রভু তখনও ইউর জ্যেষ্ঠসন্তান পি’ইং-এর প্রতি অনুগত ছিলেন, যাকে রক্ষিতার ছেলের জন্য নিজের উত্তরাধিকার ত্যাগ করতে হয়েছিল।

    এই প্রভুরা মিলে পি’ইংকে রাজা হিসেবে ঘোষণা দিলেন।

    তবে রাজধানী শহর হাও পি’ইং-এর জন্য নিরাপদ ছিল না। যাযাবররা চলে গেলেও পশ্চিম সীমান্ত তখনও সুরক্ষিত ছিল না এবং হাও এই সীমানার খুব বেশি কাছে ছিল। রাজা পি’ইং সিদ্ধান্ত নিলেন দেশের আরও পূর্বদিকে, নিরাপদ অবস্থানে চলে যাবেন। সেখানে লোইয়াং শহরে বসে তিনি তার প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করলেন। এই শহরটি ঝৌ’র ডিউক কয়েক শত বছর আগে নিৰ্মাণ করেছিলেন।

    চি’ইন নামের একটি ছোট গোত্রের প্রধান পি’ইংকে নিরাপদে তার নতুন রাজধানীতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তার সেনাদল পাঠালেন। তখনও চি’ইন গোত্রের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না। তবে এই উদ্যোগে খুশি হয়ে নতুন রাজা পি’ইং চি’ইন গোত্রের প্রধানকে পদোন্নতি দিয়ে প্রভুর পদ দিলেন। তিনি চি’ইনের নতুন ডিউককে তার নতুন পদের সঙ্গে মানানসই উপহার হিসেবে প্রচুর পরিমাণে জমি দিলেন, যার মধ্যে ছিল সদ্য-পরিত্যক্ত পুরনো রাজধানী। ঝৌদের মাতৃভূমির বেশিরভাগ অংশ তখন নিম্নপর্যায়ের প্রভুদের হাতে চলে গেছে। রাজা পি’ইং তার নতুন পূর্বাঞ্চলীয় রাজধানীতে বসে তার প্রতি অনুগত অল্পকিছু ডিউকের সমর্থনপুষ্ট হয়ে ছোট এক রাজ্য শাসন করতে লাগলেন। পশ্চিমা ঝৌ রাজবংশের পতন হলেও পূর্বাঞ্চলে গড়ে ওঠে নতুন এক ঝৌ সাম্রাজ্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }