Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৭. অ্যাসিরীয়ার রেনেসাঁ

    অধ্যায় ৪৭ – অ্যাসিরীয়ার রেনেসাঁ

    খ্রিস্টপূর্ব ৯৩৪ থেকে ৮৪১ সালের মাঝে অ্যাসিরীয়া একটি নতুন সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পশ্চিমা সেমাইটরা তাদের স্বাধীনতা হারাতে শুরু হরে।

    আপনাদের হয়তো মনে আছে, যাযাবর আরামিয়ান গোত্রের সদস্যরা নিয়মিত মেসোপটেমিয়ায় হামলা চালাচ্ছিল। তাদের এই উদ্যোগে অ্যাসিরীয়া ও ব্যাবিলনীয়ার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয়। তবে একপর্যায়ে তারা কিছু ছোট – ছোট স্বাধীন রাজ্যে থিতু হয়। এই রাজ্যগুলোর মধ্যে সচেয়ে শক্তিশালী রাজ্যটি গড়ে ওঠে দামাসকাস শহরকে গিরে। ইউফ্রেতিস নদ থেকে অ্যাসিরীয়া পর্যন্ত বিস্তৃত সমতলভূমিতে ছিল এই শহরের অবস্থান। ইসরায়েলের রাজা ডেভিড দামাসকাসের আরামিয়ানদের আংশিকভাবে হলেও তার নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিলেন। ডেভিডের কাহিনিকার গর্ব করে লেখেন, ‘তিনি ২২ হাজার আরামিয়ান হত্যা করেন, এবং এরপর থেকে তাদের কাছ থেকে নিয়মিত নজরানা পেতে থাকেন।

    একই বছর অ্যাসিরীয়রা ইউফ্রেতিসের পশ্চিমের পুরো অঞ্চলকে ‘আরাম’ নাম দেয়, যেটি আরামিয়ান নেতাদের দখলে থাকা সকল শহরের একটি সমষ্টিগত নাম। অ্যাসিরীয়রা আরামিয়ানদের বিরুদ্ধে পুরোপুরি নিরুপায় ছিল। ডেভিডের নাতি রেহোবোয়ামের আমলে যেয়ে অবশেষে একজন অ্যাসিরীয় শাসক আরামিয়ানদের পিছু হটতে বাধ্য করেন। এই শাসকের নাম ছিল আশুর-দান দ্বিতীয়। তিনিই ছিলেন প্রথম মহান অ্যাসিরীয় রাজা, যিনি অ্যাসিরীয়াকে অন্ধকার যুগ থেকে বের করে নতুন, পুনর্জাগরণের ‘রেনেসাঁ যুগে নিয়ে আসেন।

    আশুর-দানের শিলালিপি মতে, তিনি যাযাবরদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। সেখানে বলা হয়, অ্যাসিরীয় ভূমির ওপর নির্মিত আরামিয়ান শহরগুলো পুড়িয়ে দিয়ে যেসব যাযাবর মানুষ ‘ধ্বংস ও হত্যা’ চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি ব্যবস্থা নেন। তবে বাস্তবে তিনি পুরনো অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্যের সীমানা পুনঃস্থাপন করার ধারে কাছেও যেতে পারেননি। তিনি অ্যাসিরীয়ার মূল ভূখণ্ডকে নিজের দখলে আনেন, এবং একে সুরক্ষিতও করেন। তিনি পর্বত থেকে সেসব অ্যাসিরীয় গ্রামবাসীদের ফিরিয়ে আনেন, যারা নিজ শহর থেকে ‘চাহিদা, ক্ষুধা ও দুর্ভিক্ষের’ কারণে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তিনি তাদের পুনর্বাসন করেন। তবে প্রজ্ঞাবান এই শাসক উত্তর বা পূর্ব দিকে সাম্রাজ্য বিস্তার করার কোনো প্রচেষ্টা হাতে নেননি, কারণ সেসব জায়গায় তখনও আরামিয়ানরা শক্তিশালী অবস্থানে ছিল।

    দক্ষিণে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য তাদের স্বাধীনতা ধরে রাখতে পেরেছিল, যদিও তাদের আগের সেই রমরমা অবস্থা আর বজায় ছিল না। একের পর এক ব্যাবিলনীয় পরিবার দেশটির সিংহাসনের দখল নেয় এবং রাজধানী শহরও বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর হতে থাকে। ইতোমধ্যে আরামিয়ানরা পুরনো ব্যাবিলনীয় অঞ্চলে এতটাই প্রভাব বিস্তার করেছিল যে, ব্যাবিলনের বাসিন্দাদের প্রাচীন ভাষা, আক্কাদিয়ানকে প্রতিস্থাপন করে নতুন ভাষা হিসেবে পশ্চিমা সেমাইটদের ‘আরামাইক’ প্রচলিত হতে থাকে।

    আরও তিন প্রজন্ম পর অ্যাসিরীয়ার এক মহান রাজা দেশের শাসনভার নেন। আশুর-দানের উত্তরসূরি (নাতির নাতি) আশুরনাসিরপাল দ্বিতীয় অবশেষে অ্যাসিরীয়াকে (আবারও) একটি সাম্রাজ্যে রূপান্তর করতে সক্ষম হন। তিনি নিনেভেহ শহরের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল পর্যন্ত যুদ্ধ করে এগিয়ে যান এবং এই শহরটিকে তার উত্তরাঞ্চলীয় ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলেন। তিনি টাইগ্রিস নদীর পূর্ব-উপকূল পার হন এবং পুরনো গ্রাম কালেহ যেখানে ছিল, ঠিক সে জায়গায় তার নতুন রাজধানী শহর তৈরি করেন। তিনি ঘোষণা দেন, ‘অ্যাসিরীয়ার সাবেক রাজা ও আমার পূর্বসূরি শালমানেসার কালেহ শহরটি তৈরি করেছিলেন, যেটি ক্ষয় হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সে শহরকে আমি নতুন করে নির্মাণ করছি এবং তার চারপাশে ফলের বাগান তৈরি করছি। আমি আসসুরের প্রতি ফল ও মদ নিবেদন করছি। হে আমার প্রভু, আমি পানির উৎস হিসেবে কুয়া খনন করেছি এবং এর সুরক্ষায় প্রাচীর তুলেছি।’

    সেসময় থেকে কালেহ তার সরকারের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হল। আসসুর পরিণত হল উৎসব উদযাপন কেন্দ্র। কালেহ শহরে তিনি প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি একটি রাজপ্রাসাদও নির্মাণ করলেন। পুরো প্রাসাদজুড়ে বিভিন্ন যোদ্ধা ও রাজাদের ছবি আঁকা হল, যারা তার কাছে বশ্যতা শিকার করেছেন। যে হলঘরে বসে তিনি উপঢৌকন গ্রহণ করতেন, সেখানে কতগুলো রক্ষক মূর্তি বসানো হল। এগুলো ছিল সুবিশাল ডানাযুক্ত মহিষাকৃতির মূর্তি। মূর্তির মুখাবয়ব ছিল স্বয়ং আশুরনাসিরপালের মতো করে বানানো।

    রাজপ্রাসাদের নির্মাণকাজ শেষ হলে আশুরনাসিরপাল এই আনন্দঘন মুহূর্তটিকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য একটি বড় ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন। এই অনুষ্ঠানের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে একটি শিলালিপিতে। সেখানে বলা হয়েছে, অতিথিদের ১ হাজার করে মহিষ, গরু ও ভেড়া, ১৪ হাজার আমদানি করা ও মোটাতাজা করা বিদেশি ভেড়া, ১ হাজার বকরি, ৫০০ করে পাখি ও হরিণ, ১০ হাজার করে মাছ, ডিম, পাউরুটি, বিয়ার ও ১০ হাজার ড্রাম ভর্তি মদ ও আরও অনেক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল।

    আশুরনাসিরপালের হিসেব মতে, টেবিলে ৬৯ হাজার ৫৭৪ জন অতিথি ছিলেন। তারা সবাই এই মহান রাজার সাফল্যের উদযাপন করছিলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ‘মহান রাজা, বিশ্বের রাজা, সেই সাহসী বীর, যে আসসুরের (দেবতা) সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যান, সে ব্যক্তি যার পৃথিবীর চারপ্রান্তে কোনো প্রতিপক্ষ নেই, মহিমান্বিত মেষপালক, সেই শক্তিশালী জলোচ্ছ্বাস যার বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াতে পারে না, যার হাত ধরে সব ভূখণ্ড ও পর্বতমালার দখল এসেছে’—এসব নাম ধারণ করেন।

    তবে বড় বড় কথা বলার পাশাপাশি আশুরনাসিরপাল এমন একটি কাজ করতে পেরেছিলেন, যেটি তার পূর্বসূরিরা কেউ পারেননি—তিনি যুদ্ধ করতে করতে ইউফ্রেতিস পর্যন্ত পৌঁছাতে সমর্থ হন এবং এই নদী পার হয়ে যান স্বচ্ছন্দে। তিনি বলেন, ‘আমি চামড়ার তৈরি জাহাজে করে ইউফ্রেতিস পেরিয়ে যাই। আমি লেবানন পর্বতের পাশ দিয়ে পদযাত্রা করি এবং সেই বিশাল সাগরে আমার অস্ত্র ধুয়ে নিই।’ অসংখ্য, বছর আগে সারগন একই ধরনের দাবি জানিয়েছিলেন, পারস্য উপসাগর পার হওয়ার পর।

    এই যাত্রার পর আশুরনাসিরপাল ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে পৌঁছে গেলেন। তখন এই অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন ওমরি নামের এক রাজা। বাইবেলে ওমরির বিষয়ে খুব বেশি কিছু বলা হয়নি। সেখানে বস্তুত ঈশ্বরের আইন ভঙ্গকারী হিসেবে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বুক অব ওয়ান কিংস থেকে আমরা জানতে পারি যে ওমরি অপর এক দাবিদারের কাছ থেকে উত্তরের সিংহাসন জোর করে দখল করে নিয়েছিলেন এবং তার আগের যেকোনো রাজার চেয়ে তিনি বেশি খারাপ ছিলেন। তবে রাজনৈতিক দৃষ্টিতে ওমরি একজন মহান যোদ্ধা ও নির্মাতা ছিলেন। তিনি উত্তরের নতুন রাজধানী হিসেবে সামারিয়ার গোড়াপত্তন করেন। সম্ভবত তিনিই প্রথম ইসরায়েলি রাজা ছিলেন যার কথা অন্য একটি দেশের শিলালিপিতে সমীহের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। মোয়াবাইটস নামে পরিচিত গোত্রটি জর্ডান নদীর তীরে একটি শিলালিপি রেখে যায়। এর নাম ‘মেশা শিলালিপি’। এতে দুঃখের সঙ্গে বলা হয়েছে, ওমরি ‘মোয়াবকে দীর্ঘদিন ধরে দমিয়ে রেখেছেন।’

    নিঃসন্দেহে তিনি শক্তিমান শাসক ছিলেন। আশেপাশের মোটামুটি সব ভূখণ্ড দখল করে নিলেও আশুরনাসিরপাল তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেননি।

    ততদিনে আশুরনাসিরপালের অঞ্চল ইউফ্রেতিসের পুরো তীর জুড়ে বিস্তৃত হয়ে ভূমধ্যসাগরের উপকূল ঘেঁষে বন্দরনগরী আরভাদ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। তবে তিনি কখনো টির বা সিডনের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেননি। এ অঞ্চলের রাজাদের ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তিনি এমনকি, ব্যাবিলনীয়ার বিরুদ্ধেও হামলা চালাননি। তবে তিনি দক্ষিণে ইউফ্রেতিসের তীর ধরে এগিয়ে যেয়ে অ্যাসিরীয়া ও ব্যাবিলনীয়ার সীমান্ত পর্যন্ত পৌঁছান। সেখানে তিনি ব্যাবিলনীয়দের ভয় দেখাতে সীমান্তবর্তী একটি শহরে লুটপাট চালান। তবে এতেই ক্ষান্ত দেন আশুরনাসিরপাল—আর আগাননি তিনি।

    একজন নির্দয় রাজা হিসেবে আশুরনাসিরপালের খ্যাতি(!) দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী প্রায় সব অ্যাসিরীয় রাজা তার এই ভাবমূর্তি অনুসরণ করার চেষ্টা করেন। এক শহরের জনতা তাদের অ্যাসিরীয়া থেকে নিয়োজিত প্রশাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাকে হত্যা করেছিল। তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আশুরনাসিরপাল “নেতাদের গায়ের চামড়া তুলে নেন এবং একটি পিলারের গায়ে সে চামড়া জড়িয়ে দেন। তারপর তিনি সেই পিলারের মাঝে অন্য অপরাধীদের জ্যান্ত কবর দেন। কয়েকজনকে কাঁটা দিয়ে বিদ্ধ করে পিলারের চারপাশে ফেলে রাখা হয়। শহরের ভেতর আরও অনেকের কপালে একই পরিণতি ছিল।

    আশুরনাসিরপালের নিজের বয়ানে, যেসব রাজকীয় কর্মকর্তা নগর প্রশাসককে সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল, আমি তাদের লিঙ্গ কেটে নিয়েছিলাম।” অন্যান্য সময়ে তিনি এই শাস্তির সঙ্গে নাক-কান কেটে নেওয়া, চোখ উপড়ে ফেলা ও বাগানের গাছগাছালির সঙ্গে মাথা বেঁধে রাখার মতো কাজও করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, “জ্যান্তদের দিয়ে আমি একটি পিলার বানিয়েছিলাম।” এটি ছিল অ্যাসিরীয়দের ভয়াবহ এক আবিষ্কার। বন্দিদের একে অপরের উপর দাঁড় করিয়ে তাদের গায়ে প্লাস্টার মাখিয়ে এই কলাম তৈরি করা হত। “আমি তাদের কান ও আঙ্গুল কেটে নিতাম। অনেকেরই চোখ উপড়ে নেওয়া হত। তাদের তরুণ- তরুণীদের আগুনে পুড়িয়ে মারতাম আমি”, সদম্ভে জানান আশুরনাসিরপাল।

    ২৫ বছরের ত্রাসের রাজত্বের পর আশুরনাসিরপাল দ্বিতীয় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এবং তার ছেলে শালমানেসার তৃতীয়র হাতে ক্ষমতা দিয়ে যান। শালমানেসার পশ্চিমা সেমাইটদের ভূখণ্ড দখলে মনোযোগ দেন। তিনিও তার পিতার মতো ইউফ্রেতিস পার হয়ে সমুদ্রের কাছাকাছি যে-অংশে ‘সূর্য অস্ত যায়’, সেখানে যেয়ে পৌঁছান এবং যথারীতি ‘সমুদ্রে তার অস্ত্র ধুয়ে নেন’। খুব সম্ভবত, এটি খুবই গর্বের একটি কাজ ছিল। তবে তিনি তার বাবার মতো ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় রাজত্ব থেকে দূরে থাকেননি।

    মজার ব্যাপার হল, সে আমলে ইসরায়েলের শক্তিমত্তা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ছিল। ওমরি’র ছেলে আহাব তার বাবার সিংহাসন দখল করেছিলেন। পূর্ব ও উত্তরে অ্যাসিরীয়দের আধিপত্য ছড়িয়ে পড়তে দেখে তিনি ফিনিশীয় রাজা সিডনের মেয়ের সঙ্গে একটি কৌশলগত বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। রাজকন্যা জেজেবেল ছিলেন তার প্রথম এবং প্রধান স্ত্রী, যার ফলে অ্যাসিরীয় সেনাদলের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি-ফিনিশীয় জোট বেশ শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে সক্ষম হয়।

    তবে এই কৌশল কাজে আসলেও আহাব বেশকিছু বড় ধরনের ভুল চাল চাললেন। তিনি ইসরায়েলের দেবতাকে অগ্রাহ্য করে, অন্যান্য দেবতাদের উপাসনা করার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন, যেমন ফিনিশীয় এবং বেশকিছু পশ্চিমা সেমাইট গোত্র ও শহরের বাসিন্দাদের মূল উপাস্য ‘বাআল’। এই উদ্যোগে তার টির, বিবলোস এবং অগ্রসরমান অ্যাসিরীয় বাহিনীর পথিমধ্যে থাকা বেশকিছু শহরের বন্ধুত্ব পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন ছিল। তিনি ইসরায়েলের দেবতা ইয়েহভেহ’র উপাসনা চালু রাখেননি। ইতোমধ্যে তার ফিনিশীয় স্ত্রী আব্রাহামের সকল পূজারিকে গ্রেপ্তার করে জবাই করেন। তবে ১০০ জন ধর্মীয় নেতা পালিয়ে গিয়ে পূর্বের পার্বত্য এলাকায় আত্মগোপন করেন। এই আশ্রয়স্থল থেকে তারা ‘অশুভ রাজার’ বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ইন্ধন জোগাতে থাকেন।

    আহাবের প্রতিপক্ষদের মধ্যে ছিলেন ধর্মীয় নেতা এলিজাহ। এই ‘বন্য’ স্বভাবের মানুষটি পশুর চামড়া পরে জেজেবেলের চোখে ধুলা দিয়ে পালিয়েছিলেন। তিনি জেহু নামের একজন তরুণ ইসরায়েলি কর্মকর্তাকে পরবর্তী রাজা হিসেবে ‘ঈশ্বরের পছন্দের’ দাবিদার হিসেবে ঘোষণা দেন। তিনি একইসঙ্গে জেহুকে স্বর্গীয় অনুমতি এনে দেন, যাতে তিনি আহাব, জেজেবেল ও পুরো রাজপরিবারকে হত্যা করতে পারেন।

    ইসরায়েলিদের নিজেদের মধ্যে এই কোন্দলের সুযোগ নেন আরামিয়ানদের ‘কিং অব দামাসকাস’। তিনি ৩২ জন আরামিয়ান সামন্তপ্রভুর সাহায্য নেন এবং তাদের সম্মিলিত বাহিনী নিয়ে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা চালান। এক লেখকের ভাষ্য : “ইসরায়েলিদের বাহিনীর আকার ছিল ২টি ছোট ভেড়ার পালের মতো। আর অপরদিকে, আরামিয়ানরা পুরো পল্লি অঞ্চল জুড়ে অবস্থান নিয়েছিল।”

    দুই পক্ষের মধ্যে এত ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও আহাবের নেতৃত্বে ইসরায়েলের সেনাদল বেশ ভালো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সমর্থ হয়। আরামিয়ানরা যুদ্ধের ফল হিসেবে ‘ড্র’কে মেনে নিতে বাধ্য হয়। দামাসকাসের রাজা আহাবের সঙ্গে একটি সন্ধিচুক্তি করলেন। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে তিন বছরের জন্য শান্তি নেমে এল।

    তৃতীয় বছরে শালমানেসার ইসরায়েলের সীমান্তের দিকে সৈন্য নিয়ে অগ্রসর হলেন।

    তবে এবার প্রস্তুত ছিল ইসরায়েল। আহাব তার নিজস্ব ইসরায়েলি সেনার পাশাপাশি, উপকূলের ফিনিশীয় মিত্রের কাছ থেকে পাওয়া সেনা ও দামাসকাসের রাজার পাঠানো সেনা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুললেন। এই তিন দেশের সেনার সঙ্গে যোগ দিল মিশরের ২২তম রাজবংশের পঞ্চম ফারাও ওসরকন দ্বিতীয়র বাহিনী। ফারাও অ্যাসিরিয়ার ভয়ে কাঁপাকাঁপি করছিলেন। তার ধারণা ছিল, পশ্চিমা সেমাইটদের ভূখণ্ড দখলের পর হয়তো শালমানেসার ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে তার দোরগোড়ায় এসে হাজির হবেন।

    খ্রিস্টপূর্ব ৮৫৩ সালে কারকার শহরে বিভিন্ন দেশের সৈন্যরা সংঘাতে লিপ্ত হল।

    এরপর ঠিক কী হয়েছিল, তা সঠিকভাবে জানা প্রায় অসম্ভব। শালমানেসার নিজেকে বিজয়ী দাবি করলেন। গর্ব সহকারে তিনি বললেন, “আমার শত্রুদের রক্তে উপত্যকা ভিজে উঠল এবং আমি পর্বতের চারপাশে তাদের লাশগুলো ফেলে রাখলাম।” মনোলিথ শিলালিপি নামের একটি লেখায় তিনি এসব দাবি করেন। অ্যাসিরীয়দের এঁকে রাখা ছবিতে দেখা যায়, মৃত অ্যাসিরীয় সেনাদের ওপর দিয়ে শত্রুসেনারা এগিয়ে আসছে। সাধারণত তাদের বর্ণনায় মৃত শত্রু ও জীবিত সেনা দেখা গেলেও, এসব ছবিতে ভিন্ন বাস্তবতা সম্পর্কে জানা যায়।

    শালমানেসারের এরকম দাম্ভিক দাবি সত্ত্বেও তার শাসনামলের বাকি ৩০ বছরে তিনি আর আগাতে পারেননি। ফিনিশীয় নগর, ইসরায়েলি ভূখণ্ড ও দামাসকাস—সবাই অ্যাসিরীয়ার গ্রাস থেকে মুক্ত ছিল।

    খুব সম্ভবত এই যুদ্ধেও কোনো ফল আসেনি। তবে অ্যাসিরীয়ার ক্ষয়ক্ষতি এতটাই ব্যাপক ছিল যে, বাধ্য হয়ে শালমানেসার সেনা প্রত্যাহার করে নেন। পশ্চিমা সেমাইট রাজারাও তাদের নিজ নিজ শহরে ফিরে যান। মিশরীয় বাহিনী নিজ দেশে ফিরে যেয়েই নতুন আরও একটি গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি হয়। অন্তর্কলহ নিয়ে ব্যস্ত মিশর আবারও বেশ কয়েক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে যায়।

    তবে বসে ছিলেন না আহাব। সফলভাবে দেশকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার পর তার মনোবল ও সাহস অনেক বেড়ে যায়। কারকারের যুদ্ধের পর আহাব বিশ্রাম নেন, তার মিত্র দামাসকাসের রাজার বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করার এটাই উপযুক্ত সময়। তিনি দক্ষিণে জুদাহ’র রাজা জেহোশাফাটের কাছে বার্তা পাঠালেন। তিনি তাকে অনুরোধ জানালেন তার সঙ্গে উত্তরে যাত্রা করে যৌথভাবে ইসরায়েলি সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত আরামিয়ান শহর রামোথ-গিলিয়াদে আক্রমণ চালাতে। এই শহরটি মৈত্রীচুক্তির আওতায় সুরক্ষিত ছিল।

    জেহোশাফাট ছিলেন সলোমনের নাতির নাতি। তিনি অন্যতম প্রধান গোত্র জুদাহ ও ছোট গোত্র বেঞ্জামিনের দখলে থাকা ভূখণ্ডের রক্ষাকর্তা ও শাসক ছিলেন। এই পুরো অঞ্চলটি সামগ্রিকভাবে ‘জুদাহ’ নামে পরিচিত ছিল। তার কোনো বড় আকারের সামরিক শক্তিমত্তা ছিল না। যেহেতু, রামোথ গিলিয়াদ জুদাহ’র উত্তর-দক্ষিণ সীমান্তে ছিল বিধায় জেহোশাফাটের জোট আহাবকে সেই শহরে হামলা চালাতে দেওয়ার প্রক্রিয়াগত কোনো বাধা ছিল না।

    জেহোশাফাট আহাবের সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হলেন। কিন্তু আহাবের রাজসভায় এসে বেশ অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন জেহোশাফাট। জেজেবেলের আমদানি করা ধর্মনেতা এবং টীর থেকে আসা প্রতিনিধিদের দেখে তার কাছে মনে হল তিনি যেন কোনো ফিনিশীয় রাজসভায় এসে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি অস্বস্তিতে পড়তে লাগলেন। ফিনিশীয় উপদেষ্টারা একইসঙ্গে ভবিষ্যদ্বক্তার দায়িত্বও পালন করতেন। তারা আরামিয়ানদের বিরুদ্ধে সুনিশ্চিত জয়ের পূর্বাভাস দিতে লাগলেন। কিন্তু জেহোশাফাট আহাদকে একটি নির্দোষ প্রশ্ন করলেন : ‘আপনি কি কোনো হিব্রু ধর্মনেতাকে জিজ্ঞাসা করেছেন, জেনে নিতে ইয়াহওয়েহ এই পরিকল্পনার বিষয়ে কী মনোভাব পোষণ করেন?’

    ‘হ্যাঁ। আমি একজন গুরুকে ডেকে জিজ্ঞাসা করতে পারি। কিন্তু তাকে আমি পছন্দ করি না। সে কখনোই আমার ব্যাপারে ভালো কিছু বলে না’, উত্তর দিলেন আহাব।

    জেহোশাফাটের পীড়াপীড়িতে ধর্মগুরু মিকাইআহকে ডেকে আনা হল। তিনিও সাদাসিধে উত্তর দিলেন, ‘আরামিয়ানদের আক্রমণ করেন। ঈশ্বর আপনাকে বিজয় এনে দেবে।’

    এটি একটি বুদ্ধিদীপ্ত, কিন্তু মিথ্যে উত্তর ছিল। আহাব সেটা বুঝতে পেরে বললেন, ‘কতবার আপনাকে সত্য বলার জন্য নির্দেশ দিতে হবে?’ এরপর মিকাইআহ মন্তব্য করলেন, এই আক্রমণ তো ব্যর্থ হবেই, আহাব নিজেও মারা পড়বেন।

    ‘দেখলেন? আমি আপনাকে বলেছি, সে কখনো আমার ব্যাপারে ভালো কিছু বলে না।

    এই ভবিষ্যৎবাণী সত্ত্বেও জেহোশাফাট আক্রমণে শামিল হতে রাজি হলেন। পরবর্তী ঘটনাবলি থেকে যা বোঝা যায়, তা হল, তার নিজেরও সম্ভবত আরামিয়ান সরকারের সঙ্গে কোনো একধরনের বন্দোবস্ত ছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আরামিয়ান রথ-অধিনায়করা জেহোশাফাটের রাজকীয় পোশাক দেখে তার দিকে সরাসরি ধেয়ে গেলেন। কিন্তু তখন তিনি বলে উঠলেন, ‘আমি জুদাহ’র রাজা, ইসরায়েলের নয়।’ তখন রথচালকরা তাদের গতিপথ বদলে অন্যদিকে চলে গেলেন।

    আহাব ছদ্মবেশ নিয়ে যুদ্ধ করছিলেন। তা সত্ত্বেও তার কপাল সুপ্রসন্ন ছিল না। হঠাৎ উড়ে আসা এক ঘাতক তির তার বর্মের মাঝে অনাবৃত অংশে আঘাত হানে এবং তিনি মারা যান।

    ১২ বছর পর তার ছেলে জোরাম আবারও রামোথ গিলিয়াদ দখল করার চেষ্টা চালান। আরামিয়ান বাহিনীর কাছে পরাস্ত হন তিনি। ব্যর্থ যুদ্ধের পর আহত অবস্থায় তিনি জর্ডান নদীর তীর ধরে ইসরায়েলি শহর জেজরিলে এসে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি তার ক্ষতগুলোর চিকিৎসা করান। তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলের এক ধর্মীয় নেতা জেহুকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালান। এই তরুণ কর্মকর্তাকে ১৫ বছর আগে ইলাইজাহ আহাবের পরিবারকে হত্যা করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

    জেহু এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন। মজার বিষয় হল, সেই নেতা জেহুকে খুঁজে পেলেন রামোথ-গিলিয়াদে। অর্থাৎ, তিনি ইসরায়েলের শত্রুদের মাঝেই লুকিয়ে ছিলেন। জোরাম আহত হয়েছেন, এ সংবাদ শোনার সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার রথ প্রস্তুত করলেন, কাঁধে এক বিশাল ধনুক ঝোলালেন এবং দাঁতে দাঁত চেপে জেজরিলের উদ্দেশে রওনা হলেন।

    তবে আহাবের মতো লুকিয়ে না থেকে জোরাম তার নিজের পোশাক পরলেন, রথ প্রস্তুত করলেন এবং জেহুর মোকাবিলা করার জন্য এগিয়ে গেলেন। জেহু তাকে তিরের আঘাতে হত্যা করলেন এবং জেজরিলের দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখলেন।

    তিনি জেজরিলে পৌঁছানোর আগেই রানীমাতা জেজেবেল সেখানে পৌঁছে গেলেন। তিনি আহত সন্তানের সেবা-শুশ্রূষা করার আশায় সেখানে এসেছিলেন। কিন্তু ইতোমধ্যে জোরামের মৃত্যু ও মৃত্যুদূত হিসেবে জেহুর আসন্ন আগমনের সংবাদ পেয়ে গেছেন তিনি। তিনিও তার রাজকীয় পোশাক গায়ে চড়িয়ে জানালার সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন। তার এ কাজের পেছনের কারণটি স্পষ্ট নয়। তিনি কি ভেবেছিলেন সমগ্র রাজসভা তার পেছনে এসে দাঁড়াবে, নাকি তিনি মৃত্যু নিশ্চিত জেনে এই কাজ করলেন, তা কেউ সঠিক করে বলতে পারেনি। কারণ যেটাই হোক, যখন জেহু এসে রাজকীয় বাসভবনের সামনে দাঁড়ালেন, তখন জানালা দিয়ে মাথা বের করে রানী চিৎকার করে বললেন, “তুমি কি শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছ, হে প্রভু-হত্যাকারী?’

    তবে জেহু জানতেন যে, জোরামের নিজ হাতে নিয়োগ দেওয়া কর্মকর্তাদের মনেও ততদিনে অসন্তোষ দানা বেধেছে। এই ভরসায় তিনি সাহায্যের জন্য চিৎকার করে উঠলেন। রানীমাতার নিজ আবাস থেকে ৩ খোঁজা ভৃত্য বের হয়ে এসে রানীকে জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিলেন। রানী মাটিতে পড়ে গেলেন এবং জেহু তার দেহের ওপর দিয়ে ঘোড়া চালিয়ে তাকে হত্যা করলেন। শহরের চারপাশে ঘুরতে থাকা ক্ষুধার্ত বন্য কুকুর এসে রানীকে খেয়ে ফেলল। এই আগ্রাসন থেকে শুধু তার দুই হাত, দুই পা আর খুলি বেঁচে যায়।

    দ্য বুক অব ২ কিংস এর বর্ণনা মতে, জেহু আহাবের পরিবারের বাকি সব সদস্যকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং জেজেবেলের ফিনিশীয় ধর্মনেতাদেরও হত্যা করেন। এই দুই ঘটনা ছাড়া জেহুর রাজত্ব সম্পর্কে আর তেমন কিছুই জানা যায় না। তবে তার আমলে ‘ঈশ্বর ইসরায়েলের আকার কমিয়ে দেন’, বলে জানা যায়। তিনি পরবর্তীতে দামাসকাসের রাজার কাছে পরাজিত হন। জেহু ক্ষমতায় বসার পর দামাসকাসের আরামিয়ান রাজা ইসরায়েলের ওপর থেকে তার সমর্থন প্রত্যাহার করেন। একই সঙ্গে জর্ডান নদীর পূর্বের সব অঞ্চলও দখল করে নেন।

    অবশ্য এই গুরুতর পরাজয়ের কথা বাইবেলে বলাই হয়নি।

    তবে এই ঘটনা শালমানেসার তৃতীয়র বিজয় প্রকাশ-সূচক মিনার ‘ব্ল্যাক ওবেলিস্কে’ খোদাই করা আছে। এর ওপর ডজন-ডজন পরাজিত রাজা শালমানেসারের জন্য উপহার নিয়ে আসার উদাহরণ রয়েছে। একপাশের ২য় প্যানেলে ইসরায়েলের জেহুকে দেখা যায় অ্যাসিরীয় রাজার পায়ের কাছে মাথা নোয়াতে। শালমানেসার দাঁড়িয়ে থেকে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। তাকে সূর্য থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য একজন ভৃত্য মাথার উপর ছাতা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। শালমানেসার প্রথম অ্যাসিরীয় রাজা হিসেবে ইসরায়েলের ভূখণ্ড দখল করতে সমর্থ হন। তবে তিনিই শেষ রাজা নন, যিনি এই কীর্তি গড়তে পেরেছিলেন।

    জেহু আহাবের সব পুরনো মিত্রকে হারিয়েছিলেন। আরামিয়ানরা তার বিরুদ্ধে চলে গেছিল। ফিনিশীয়রা তাদের রাজকন্যা জেজেবেল ও ধর্মনেতাদের নৃশংসভাবে হত্যা করার কারণে জেহুর ওপর চরম ক্ষিপ্ত হয়েছিল। জেহু ইসরায়েলের রাজপরিবারকে কলুষযুক্ত করার অভিযানে নেমে উল্টো তাদেরকে ‘মিত্রবিহীন’ জাতিতে রূপান্তরিত করতে পেরেছিলেন। অবশেষে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া তার আর কোনো উপায় ছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }