Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৯. বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও উপনিবেশ

    অধ্যায় ৪৯ – বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও উপনিবেশ

    খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ থেকে ৭২০ সালের মধ্যে গ্রিসে অলিম্পিক গেমস শুরু হয়। ইতোমধ্যে বাদবাকি গ্রিক শহর ও ইতালিতে রোম শহরের গোড়াপত্তন হয়।

    গ্রিক বণিকরা এইজিয়ান সমুদ্রের এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে যেতে লাগলেন। এশিয়া মাইনের উপকূল থেকে ক্রিট পর্যন্ত যেয়ে তারপর আবার মূল ভূখণ্ডে ফিরে আসা। হোমারের আমলে গ্রিক শহরগুলো থেকে আসা জাহাজগুলো বাণিজ্যিক কারণে পশ্চিমের উপদ্বীপেও যেত।

    খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ সালের আগে, যখন মাইসেনীয়রা পূর্বাঞ্চলে তাদের ক্ষমতার চরম শিখরে ছিল, তখন ইতালীয় উপদ্বীপে ছোট ছোট, বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠী বসবাস করত। তারা একে অপর থেকে দূরে দূরে থাকলেও তারা সবাই একই নকশার মাটির পাত্র বানাত। এ থেকে ধারণা করা যায়, তাদের সবার পূর্বসূরি একই।

    এই উপনিবেশগুলো অ্যাপেন্নিনেস পর্বতমালার এত কাছাকাছি ছিল যে, প্রত্নতত্ত্ববিদরা এই জনগোষ্ঠীকে ‘অ্যাপেন্নাইন সংস্কৃতি’ হিসেবে নামকরণ করেন।

    গ্রিকদের অন্ধকার যুগে, অ্যাপেন্নাইন সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা তৈরি হতে শুরু করে। শুধুমাত্র মাটির পাত্রের নকশাই নয়, অস্ত্র ও বর্মেও পার্থক্য দেখা দেয়।

    উপদ্বীপের বিভিন্ন অংশে লোহার তৈরি সরঞ্জাম ও অস্ত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং এ অঞ্চলের জনসংখ্যাও বাড়তে থাকে। একটি ছোট উপনিবেশ থেকে হাজারো জনগোষ্ঠীর শক্তিতে তারা বলীয়ান হয়। ১২০০ সালের আগ পর্যন্ত সকল ‘ইতালীয়’ তাদের মৃতদের কবর দেওয়ার চর্চা চালু রেখেছিল। কিন্তু এ পর্যায়ে এসে উত্তরের বেশকিছু গ্রামবাসী তাদের মরদেহ পোড়াতে শুরু করল।

    এই উপদ্বীপে বেশ কয়েক ধরনের আচার ও কৃষ্টি প্রচলিত ছিল, যেগুলোর মাধ্যমে প্রত্নতত্ত্ববিদরা প্রাচীন ইতালীয়দের আলাদা করতে সক্ষম হয়। যেসব গ্রামের বাসিন্দারা তাদের মৃতদের কবর দিতেন, তাদের ৩টি দল ছিল : ফোসসা, আপুলিয়ান ও মধ্য আড্রিয়াটিক। উত্তরের যেসব গ্রামবাসী তাদের মৃতদের দাহ করতেন, তাদের ছিল ৪টি দল। এরা ছিল গোলাসেক্কা, এস্তে, ভিল্লানোভান ও লাশিয়াল।

    লাশিয়াল গোত্রের সদস্যরা তাদের মৃতদের ছাই কলস-আকৃতির একটি পাত্রে সংরক্ষণ করে সেগুলোকে আবার ছোট ছোট বাড়িতে রেখে দিতেন। জীবিত অবস্থায় তারা যে-ধরনের বাড়িতে থাকতেন, মৃত্যুপরবর্তী বাড়ির নকশাও হুবহু এক হত।

    তাদের নিজেদের বাড়িগুলো খুবই সহজ-সরল ও অরক্ষিত ছিল। রোমান ইতিহাসবিদ ভাররো বলেন, তারা ‘প্রাচীর বা ফটক বিষয়ে কিছুই জানতেন না।’

    এই ক্ষুদ্র গ্রামগুলো নিরাপত্তার জন্য পাহাড়ের ওপরে স্থাপন করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একটাই মিল : সবার কথ্য ভাষা একই। তারা ‘ল্যাটিন’ নামে একটি অখ্যাত ভাষায় কথা বলতেন। উপদ্বীপে মোট প্রায় ৪০ ধরনের ভাষা ও উচ্চারণরীতি প্রচলিত ছিল।

    গ্রিস থেকে আসা জাহাজগুলো ইতালির দক্ষিণ উপকূলে এসে ভিড়ত। তারা মূল্যবান ধাতু ও শস্যের বাণিজ্য করত। তারা একইসঙ্গে পরবর্তীকালে সিসিলি নামে পরিচিতি পাওয়া দক্ষিণাঞ্চলের বড় দ্বীপটিতেও ভিড়ত। এই সফল বাণিজ্যের কারণে বিভিন্ন জায়গায় বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়, যেখানে গ্রিক বণিকরা শুধু জাহাজই ভেড়াতেন না, তারা সেখানে বছরের একটি অংশ বসবাসও করতেন।

    ৭৭৫ সাল নাগাদ উত্তর-পশ্চিমের গ্রিক শহর চালকিস ও পূর্বের শহর ইরিত্রিয়া থেকে বণিকদের একটি যৌথ দল আরও একটু উত্তরে একটি বাণিজ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করতে এলেন। আধুনিককালের নেপলস উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপরের দিকের উপকূলে এই বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হল। এটি ভিলানোভানদের বসতির কাছাকাছি ছিল। গ্রিকরা এঁকে টিরহেনিয়ান বলে অভিহিত করত। শিগগির ভিলানোভান নাগরিকদের কবরে গ্রিস থেকে আসা ফুলদানি দেখা যেতে লাগল। ভিলানোভানদের শিলালিপিতেও গ্রিক অক্ষরের অনুপ্রবেশ ঘটল।

    চালকিস ও ইরিত্রিয়ার মধ্যে শুধু বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও ভাষাগত মিলই ছিল না, এই দুই জাতি নিজেদের প্রয়োজনে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করেছিল। গ্রিক শহর অলিম্পিয়াতে অবস্থিত জিউস ও হেরার মন্দিরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গ্রিক তীর্থযাত্রীদের আনাগোনা ছিল, যে কারণে এই মন্দিরগুলোর কলেবর বাড়ানো হয়। আরও উত্তরে, ডেলফিতে একটি ভিন্নধরনের মন্দির ছিল। এখানে একটি ওরাকল ছিল, যার মাধ্যমে পুরুষ ও নারী পুরোহিতরা গ্রিকদের পক্ষে নিয়ে দেবতাদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। পরামর্শের বিষয় ছিল : গ্রিক নাগরিকদের জীবন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়া। এই সুবিধা নেওয়ার জন্য দূরদূরান্ত থেকে গ্রিকরা ডেলফিতে যেতেন। এছাড়াও, ডেলোস দ্বীপে অ্যাপোলোর মন্দির ও দেবী আর্টেমিসের মন্দিরও অনেক জনপ্রিয়তা পায়।

    এই পবিত্র ভূমিগুলো খুব দ্রুত ‘প্যান-হেলেনিক’ (সব গ্রিকদের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য বোঝানোর জন্য ইংরেজি শব্দ) হয়ে যাচ্ছিল। শুধু কাছাকাছি শহরই নয়, সকল গ্রিক ভাষাভাষীরা এসব জায়গায় দলে দলে আসতে লাগলেন। এভাবে একপর্যায়ে প্রথম গ্রিক রাজনৈতিক জোট তৈরি হয়। বেশকিছু শহর একত্র হয়ে ‘অ্যামফিকটিওনিস’ নামের সংস্থা গঠন করে, যাদের দায়িত্ব ছিল একটি মন্দির বা মিনারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। এই সংস্থাকে প্রাচীন আমলের সমবায় সমিতি বলা যেতে পারে।

    সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনাটি ছিল যখন সকল গ্রিক শহর একত্র হয়ে দেবতা জিউসের উদ্দেশে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ-ধরনের প্রথম উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৭৭৬ সালে, চালসিয়া ও ইরিত্রিয়ার যৌথ অভিযানের ঠিক এক বছরের মাথায়। পূজারিরা সবাই অলিম্পিয়া শহরে জমায়েত হয়েছিলেন।

    কয়েক শতক ধরেই অলিম্পিয়া ধর্মীয় কার্যক্রমের কেন্দ্রে ছিল। বিভিন্ন ধরনের উৎসর্গ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে দৌড় প্রতিযোগিতাও এর অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। ৭৭৬ সালে অলিম্পিয়ার উত্তর-পশ্চিমের ছোট শহর এলিসের রাজা ডেলফির ওরাকলের (ভবিষ্যদ্বক্তা) কাছে এসে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কীভাবে গ্রিক শহরগুলোর মধ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ-বিগ্রহের অবসান ঘটানো যায়। ওরাকল তাকে জানান, অলিম্পিয়ায় অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলোকে একটি আনুষ্ঠানিক উৎসবে রূপান্তর করতে। এই উৎসব চলাকালীন সর্বত্র যুদ্ধবিরতি চালু থাকবে।

    সবচেয়ে পুরনো তথ্য ও সূত্র অনুযায়ী, এরপর থেকে অলিম্পিয়াতে প্রতি ৪ বছর অন্তর এই আনুষ্ঠানিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হতে শুরু হয়। এই প্রতিযোগিতার সময় সমগ্র গ্রিক দুনিয়া জুড়ে ‘অলিম্পিক যুদ্ধবিরতি’ চালু করা হত, যার মেয়াদ ছিল অন্তত এক মাস। পরবর্তীতে এটি বাড়িয়ে ৩ মাস করা হয়, যাতে দূরদূরান্তের গ্রিকরা অলিম্পিয়াতে নিরাপদে আসা-যাওয়া করতে পারেন।

    তবে এই এলিসের রাজার প্রত্যাশা অনুযায়ী, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে শান্তি আসেনি। তবে এর মাধ্যমে গ্রিক শহরগুলো একটি বিষয় অনুধাবন করতে পারে, তা হল, ভাষার পাশাপাশি তাদের মধ্যে বড় একটি মিল আছে, তা হল, তারা সবাই একই দেবতাদের উপাসনা করেন। এছাড়াও, তারা বুঝতে পারে, যুদ্ধ ছাড়াও অন্যান্য উপায়ে তারা নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে সক্ষম।

    রোমানদের কালজয়ী ইতিহাস অনুযায়ী, ৭৭৬ সালে নুমিতর নামে এক রাজা ইতালীয় উপদ্বীপের দুইটি ল্যাটিন শহর শাসন করছিলেন। এই শহরগুলো তিবারের দক্ষিণে ছিল। প্রথম এবং অপেক্ষাকৃত পুরনো শহরটির নাম ছিল লাভিনিয়াম। লাভিনিয়ামে মানুষ বেড়ে যাওয়ার পর এর উপনিবেশ হিসেবে আলবা লাঙ্গা শহরটি আলবান পর্বতমালার পাশে নির্মাণ করা হয়।

    দুশ্চরিত্র ছোটভাই আমুলিয়াসের আক্রমণে দেশ ছেড়ে নির্বাসনে চলে যেতে বাধ্য হন বড়ভাই নুমিতর। তিনি তার পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হন। আমুলিয়াস সিংহাসন দখল করে নেন। তিনি তার ভাইয়ের ছেলেদের হত্যা করেন এবং ঘোষণা দেন, ভাইয়ের মেয়ে রাজকন্যা রিয়া সিলভিয়া আজীবন কুমারী থাকবেন। এভাবে তিনি নুমিতরের নাতি-নাতনিদের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আবারও তার সিংহাসনের ওপর কোনো ধরনের দাবি আসার পথ রুদ্ধ করলেন।

    কিন্তু এই উদ্যোগ সত্ত্বেও রিয়া সিলভিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। রোমান ইতিহাসবিদ লাইভি মন্তব্য করেন, সিলভিয়ার দাবি, দেবতা মার্স তাকে ধর্ষণ করেছেন। ‘সম্ভবত তিনি তা বিশ্বাস করতেন, কিন্তু বস্তুত তিনি তার অনুশোচনাকে লুকিয়ে রাখার একটি অজুহাত তৈরি করেছিলেন’, যোগ করেন লাইভি। তিনি যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন, যারা উৎখাতকারী রাজার জন্য হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হন। গ্রিক আত্মজীবনীকার প্লুটার্ক আরও জানান, ‘এই পুত্রসন্তানরা সাধারণ মানুষের চেয়ে আকারে ও সৌন্দর্যের দিক দিয়ে অনেকটা এগিয়ে ছিলেন’। এ বিষয়টিও আমুলিয়াসকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

    আমুলিয়াস তার দুই শিশু-নাতিকে নদীর পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করার নির্দেশ দেন। তখন তিবার নদীর পানি উপচে দেশে বন্যা হচ্ছিল। শিশু দুইজনকে হত্যার দায়িত্ব ছিল এক চাকরের ওপর। তিনি তাদেরকে নদীর তীরে ফেলে দিয়ে চলে যান। কিংবদন্তি মতে, একজন নেকড়ে-মাতা তাদেরকে খুঁজে পেয়ে লালন-পালন করে। অল্পদিন পরেই রাজার পশুপালক তাদের খুঁজে পান এবং নিজের স্ত্রীকে তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব দেন।

    এই পশুপালক তাদের নাম দেন রমুলাস ও রেমাস। তিনি তাদেরকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বড় করে তোলেন। প্লুটার্কের মতে, নির্বাসনে থাকা নুমিতর তাদের শিক্ষাদীক্ষার জন্য গোপনে অর্থ পাঠাতেন। যখন তারা বড় হল, তখন তারা তাদের দুষ্ট দাদাকে (দাদার ভাই) হত্যা করল এবং নুমিতর তার সাম্রাজ্য ফিরে পেলেন।

    দাদা সিংহাসন ফিরে পাওয়ার পর যমজ দুই ভাই আনুষ্ঠানিকভাবে তার আইনি উত্তরসূরির মর্যাদা পেলেন। লাইভির ভাষায়, দুই ভাইয়ের মনে হঠাৎ একটি খেয়াল চাপল। তারা ঠিক করলেন, যেখানে তাদেরকে ডুবে মরার জন্য রেখে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে একটি উপনিবেশ তৈরি করবেন। রাজা অনুমোদন দিলেন, তৈরি হল ‘আলবা’। এই শহরটি লাভিনিয়ামের চেয়ে বড় হয়ে গেল এবং তৃতীয় একটি শহরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল। তবে এ পর্যায়ে এসে দুই ভাই তাদের দাদা ও দাদার ভাইয়ের মতো বিবাদে জড়িয়ে পড়লেন। নতুন উপনিবেশের শাসক কে হবেন, সেটি তারা ঠিক করতে পারলেন না। তারা দেবতাদের আহ্বান জানালেন কোনো ধরনের চিহ্ন বা নিশানা পাঠাতে। এরপর থেকেই পরিস্থিতির চরম অবনতি হতে শুরু করে।

    এই উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখে রমুলাস প্যালাটাইন পর্বতে গেলেন এবং রেমাস গেলেন অ্যাভেনটাইন পর্বতে। তার এই দুই জায়গায় বসে উপাসনা করতে লাগলেন, সেই ঐশ্বরিক নিশানার অপেক্ষায়। উপাখ্যান মতে, রেমাস প্রথম নিশানাটি দেখতে পেলেন। তিনি ৬টি শকুন উড়ে যেতে দেখেন। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, দেশের জনগণ এ খবর পেতে-না-পেতেই জানা গেল, রমুলাসের সামনে দিয়ে ১২টি শকুন উড়ে গেছে। দুই জনের অনুসারীরা নিজ নিজ প্রভুকে স্যালুট করলেন। এক পক্ষ দাবি করলেন, তাদের প্রভু আগে নিশানা পেয়েছেন। অপর পক্ষের দাবি, তাদের প্রভু ‘জোরালো’ নিশানা (৬-এর জায়গায় ১২টি শকুন) দেখেছেন। দুইপক্ষের মাঝে চেঁচামেচি থেকে হাতাহাতি শুরু হল। এই গোলযোগে রেমাস মারা পড়লেন।

    লাইভি মন্তব্য করেন, রমুলাস এই নতুন উপনিবেশের চারপাশে একটি প্রাচীর নির্মাণ করছিলেন। তার এই প্রয়াসকে নিয়ে রেমাস ঠাট্টা-তামাশা করলে রমুলাস রেগে গিয়ে তাকে হত্যা করেন।

    রমুলাসের নাম অনুসারে নবনির্মিত এই শহরের নামকরণ হয়। তিনি প্যালাটাইন পর্বতকে আরও সুরক্ষিত করেন এবং নতুন শহর ‘রোম’কে সাম্রাজ্যের কেন্দ্রস্থল হিসেবে নির্ধারণ করেন। বছরটি ছিল খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সাল।

    তবে এই গল্পে কতটুকু সত্যতা রয়েছে, তা প্রশ্নবিদ্ধ। প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ থেকে ৮০০ সালের মাঝে রোম শহরের গোড়াপত্তন হয়। তবে রোমান লেখকরা বিভিন্ন জায়গা থেকে গল্প সংগ্রহ করে তাদের ইতিহাস রচনা করেছেন। রমুলাস ও রেমাসের গল্পটিও পুরনো গ্রিক কিংবদন্তির বিভিন্ন গল্প থেকে অংশবিশেষ নিয়ে রচিত। এতে এমনকি সারগন ও মোজেসের গল্পেরও প্রভাব পাওয়া যায়। লাইভি খ্রিস্টপূর্ব ৩০ সাল থেকে লেখালেখি শুরু করেছিলেন। তিনি তার লেখার শুরুতে মন্তব্য করেন, ‘রোমের গোড়াপত্তনের আগের ঘটনাগুলোর বর্ণনা মূলত বিভিন্ন কাব্য থেকে সংগ্রহ করা। এতে প্রশ্নাতীত ইতিহাসের অংশ কমই আছে।’

    এই গল্পের একমাত্র ঐতিহাসিক সত্যটি খুব সম্ভবত দুইভাইয়ের বিরতিহীন দ্বন্দ্ব। এক হাজার বছর আগে মিশরে সিংহাসনের দখল নিয়ে ওসাইরিস ও সেটের যুদ্ধগুলো রক্তসম্পর্কের আত্মীয়দের মাঝে অন্তর্কলহের উজ্জ্বল নিদর্শন ছিল। রমুলাসের গল্পে আমরা আত্মীয়দের দুইটি দলের মধ্যে যুদ্ধের আভাস পাই। প্রাচীন আমলের ধ্বংসাবশেষ থেকে আমরা একটা বিষয় জানতে পারি, সেটা হচ্ছে, রোমের সূচনা হয়েছিল দুইটি উপনিবেশের মাধ্যমে। এই উপনিবেশগুলো যথাক্রমে প্যালাটাইন ও এসকিলিন পর্বতের কাছে ছিল এবং এদের দখলে ছিলেন ল্যাশিয়াল গোত্রের দুইটি অংশ। খুব সম্ভবত একটি গোত্র রোমুলাসের সঙ্গে আলবান পর্বত থেকে নেমে এসেছিল। হয়তো তাদের উদ্দেশ্য ছিল এই ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর জন্য টাইবেরিয়ার উর্বর সমতলভূমি থেকে শস্য সংগ্রহ।

    অপর দলটি সম্ভবত সেবাইন পর্বত থেকে এসেছিল। লাইভির মতে, প্যালাটাইন পর্বতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর রমুলাস বড় একটি শহর নির্মাণ করেন। তবে জনসংখ্যার তুলনায় এই শহরের কলেবর অনেক বেশি বড় ছিল। ফলে তিনি সবধরনের যাযাবর ও পলাতক আসামিদের জন্য শহরের ফটক উন্মুক্ত করে দেন।

    এই জনগোষ্ঠী এসে রোমকে পরিপূর্ণ করল, কিন্তু একটি বড় সমস্যার সমাধান তখনো পাওয়া যায়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছিল, রোমের এই জৌলুস শুধু এক প্রজন্মের; কারণ জনগোষ্ঠীতে আনুপাতিক হারে নারীর সংখ্যা একেবারেই কম ছিল।

    দুই ভাইয়ের বিবাদের মতো, প্রতিবেশী গ্রামগুলোর মাঝেও ছিল বৈরী সম্পর্ক। তারা রোমে তাদের কন্যাদের পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালেন। তারা নতুন এই সম্প্রদায়কে ঘৃণা করতেন, এবং একই সঙ্গে নতুন এই শক্তির উত্থানে ভীত ছিলেন। রমুলাস দেবতা নেপচুনের উদ্দেশে একটি বড় উৎসবের আয়োজন করলেন এবং প্রতিবেশীদের, বিশেষত সবচেয়ে কাছের ও বড় শহর থেকে সেবাইনদের দাওয়াত দিলেন। উৎসব চরম উৎকর্ষের মুহূর্তে, সব সেবাইন পুরুষ যখন আনন্দ-উল্লাসে মত্ত, তখন রোমান পুরুষরা এসে সব সেবাইন তরুণীদের অপহরণ করে তুলে নিয়ে গেলেন।

    লাইভির বর্ণনায়, এই নারীরা কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর তাদের রাগ ভুলে যান, কারণ তাদের নতুন স্বামীরা ‘মধুমাখা কণ্ঠে কথা বলত।’ তবে সেবাইন সেনাবাহিনী প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য রোমের উদ্দেশে যাত্রা করল। তারা রাজপ্রাসাদের কাছাকাছি পৌঁছে গেল এবং প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত বাহিনীকে ছত্রভঙ্গ করে দিল। রোমানরা বাধ্য হয়ে প্রতিপক্ষের দখলে থাকা প্রাসাদে হামলা চালাল। দুই সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে একজন সেবাইন চ্যাম্পিয়ন ও মহান যোদ্ধা মেট্টিয়াস কার্টিয়াস তার বাহিনীর উদ্দেশে চিৎকার করে বললেন, ‘তাদেরকে দেখিয়ে দাও, যে মেয়েদের ধরে আনা আর পুরুষদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা এক জিনিস না।’ তিনি চিৎকার করতে লাগলেন আর একপর্যায়ে রমুলাস তার সবচেয়ে শক্তিশালী রোমান যোদ্ধাদের নিয়ে আলাদা করে তাকে আক্রমণ করার জন্য এগিয়ে গেলেন। ভয় পেয়ে মেট্টিয়াস কার্টিয়াস সেখান থেকে পালিয়ে গেলেন।

    সব মিলিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে রক্তের বন্যা বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিল। উভয় পক্ষেই প্রচুর হতাহতেরও সকল লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু এ পর্যায়ে সেবাইন নারীরা দলে দলে দুই পক্ষের যোদ্ধাদের মাঝে এসে দাঁড়িয়ে পড়তে লাগলেন। তারা এই দুই গোত্রের সদস্যদের যুদ্ধ থামানোর অনুরোধ জানালেন। তারা বললেন, এই যুদ্ধ চলতে থাকলে হয় তাদের স্বামীরা মারা পড়বেন আর নয়তো পিতারা। লাইভি বলেন, ‘তাদের এই আর্জির ফল ছিল তাৎক্ষণিক ও সুগভীর। যুদ্ধক্ষেত্রে নেমে এল নীরবতা। আর একজন সেনাও অস্ত্র ওঠালেন না। এক মুহূর্ত পর, দুই পক্ষের অধিনায়ক এগিয়ে এসে নিজেদের মধ্যে শান্তি স্থাপন করলেন। বিষয়টা এখানেও থেমে রইল না। দুইটি রাজ্য একটি একক সরকারের অধীনে একতাবদ্ধ হল এবং ক্ষমতার কেন্দ্রে চলে এল রোম।’ আলবা লংগার রাজাদের বংশধর রমুলাস ও সেবাইনদের রাজা টাইটাস টাটিয়াস যুগ্মভাবে দেশ শাসন করতে লাগলেন। তবে এ বন্দোবস্ত খুব বেশিদিন চলেনি। কয়েক বছর পর রায়ট চলাকালীন টাটিয়াস নিহত হন। বলা হয়ে থাকে, এ ঘটনায় যতটুকু দুঃখ না- পেলেই নয়, ঠিক ততটুকুই দুঃখ পেয়েছিলেন রমুলাস।

    এই কিংবদন্তিগুলো গ্রিকদের প্রভাবযুক্ত হলেও, এতে দুইটি পাহাড়ের সমন্বয়ে গঠিত প্রাচীন রোমের প্রকৃত ইতিহাসের কথাই সম্ভবত বর্ণনা করা হয়েছে। এর একটিতে সেবাইন পাহাড়ের ল্যাটিন ও অপরটিতে আলবা পাহাড়ের ল্যাটিনরা বসবাস করতেন। এছাড়াও, রোমের একেবারে গোড়াপত্তনের ইতিহাসে প্রাথমিক পর্যায়ের শত্রুতার কথাও এখানে আখ্যায়িত করা হয়েছে। উচ্চ ও নিম্ন মিশরীয়দের মতো, এই মানুষগুলোরও ছিল একই ধরনের আচার-আচরণ, ভাষা ও দেবতা। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা এঁকে অপরের শত্রু ছিল। গ্রিকরা একতাবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছিলেন আর ল্যাটিনরা তাদের নিজেদের জ্ঞাতিভাইদের অস্বীকার করার চেষ্টা করছিলেন। রোমের সবচেয়ে প্রাচীন সংস্করণে দুই মেরুর বাসিন্দা ছিলেন, যারা এঁকে অপরের ছায়াও মাড়াতে চাইতেন না। কিন্তু তারপরও, তারা একই শহরে থাকতেন।

    তবে এই উপদ্বীপের উর্বর ভূমিতে রোমই একমাত্র শহর ছিল না, যেটি বড় হচ্ছিল।

    গ্রিক বণিকরা তাদের বাণিজ্যিক কেন্দ্রের উদাহরণ দেখিয়ে নিজেদের দেশের মানুষকে এটা বোঝাতে সক্ষম হল, যে ইতালীয় উপকূল গ্রিক উপনিবেশ তৈরির জন্য বেশ উপযুক্ত একটি জায়গা। গ্রিক শহরগুলোও অভ্যন্তরীণ চাপে ছিল। ৮০০ থেকে ৭০০ সালের মাঝে এই শহরগুলোর জনসংখ্যা ৬ গুণ বেড়ে যায়। শহরের বাসিন্দাদের আরও ধাতু, পাথর, শস্য ও গবাদি পশু চরানোর তৃণভূমির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল।

    সব কিছুকে ছাপিয়ে ভূমির প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বড় হয়ে দেখা দিল। গ্রিক শহরগুলো প্রাকৃতিক বাধাবিপত্তিতে জর্জরিত ছিল—পাহাড়ের ঢাল, পাথুরে ভূমির আধিক্য অথবা সমুদ্রের উপস্থিতি। মেসোপটেমীয় সমতলভূমির মতো, গ্রিক উপদ্বীপও ছিল ‘পরিধিকৃত কৃষি ভূমি’। প্রথাগতভাবে, একটি পরিবারের ছেলেসন্তানদের মাঝে জমি সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হত। অর্থাৎ, যেকোনো পরিবারের ভূমির পরিমাণ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে কমতে থাকত। অধিক পুত্রসন্তান থাকলে জমি কমার গতিও বৃদ্ধি পেত। অর্থাৎ, গ্রিক পরিবারগুলোর পুত্রসন্তানদের জন্য আর খুব একটা ভূমি বাকি ছিল না।

    খ্রিস্টপূর্ব ৮৫০ সালের আশেপাশে কোনো একসময় বোয়েওশিয়া প্রদেশে জন্ম নেন গ্রিক কবি হেসিওড। ‘ওয়ার্কস অ্যান্ড ডেজ’ নামে কবিতায় এক দুঃখজনক ঘটনার বর্ণনা দেন। যখন তার পিতা মারা যান, তাদের খামারটি তিনি এবং তার বড়ভাই পার্সেসের মাঝে সমানভাবে বণ্টন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পার্সেস ভেবেছিলেন ভাগ হয়ে গেলে তার নিজের ও পরিবারের ভরণপোষণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ জমি থাকবে না। এ বিবাদের মীমাংসাকারী বিচারকদের তিনি ঘুস দিয়ে নিজের পক্ষে রায় নিয়ে যান।

    এটা ছিল গ্রিক শহরগুলোর একটি নিয়মিত ঘটনা। সীমিত সম্পদের কারণে গ্রিক নগরবাসীরা অনেক অন্যায় করতেন এবং ভূমির মালিক ও কর্মকর্তাদের মাঝে ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতি মহামারির আকার ধারণ করে।

    হেসিওড তার কাব্যের বেশকিছু স্তবকে একথাই বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে, কঠোর পরিশ্রমী কর্মীদের তা-ই পাওয়া উচিত, যা তাদের প্রাপ্য। যেসব খামারি নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফসলের আবাদ করেছেন, ফসল কাটার সময় তাদের নিজেদের প্রাপ্য বুঝে নেওয়া উচিত। সবাইকে ঠিকমতো ও সময়মতো বেতন দেওয়া উচিত। দুর্নীতিবাজ বিচারকদের স্বর্গীয় শাস্তিভোগ করা উচিত। কিন্তু এর কোনোটিই বাস্তবে ঘটত না। এবং এরকম বাস্তবতা আসারও তেমন কোনো সম্ভাবনা ছিল না, কারণ শহরগুলো সম্প্রসারিত হতে পারছিল না।

    এক্ষেত্রে সংস্কার নয়, উপনিবেশ স্থাপনই ছিল একমাত্র সমাধান। ৭৪০ সালের আশেপাশে গ্রিক শহরের নেতারা সব পরিবারের ছোটভাইদের নতুন ভূমিতে চাষাবাদ করতে পাঠাতে লাগলেন। সবচেয়ে পুরনো উপনিবেশ স্থাপনকারীরা ইতালির চালকিস ও ইরিত্রিয়া শহর থেকে এসেছিলেন। তারা নেপলস উপসাগরের তীরে কুমায় নামে একটি নতুন গ্রিক শহরের গোড়াপত্তন করলেন। ৭৩৩ সাল নাগাদ আরও বেশকিছু শহর তৈরি হল সেখানে। এর মধ্যে আছে কোরিন্থ, সিসিলি, সিরাকিউস, নাকসুস, লেনতিনি, কাতানা ও রেজিয়াম। ৭০০ সাল নাগাদ ইতালীয় উপকূলের শহরগুলো দেখতে গ্রিক শহরের মতোই হয়ে দাঁড়াল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }