Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫৫. মেদেস ও পারস্যবাসীরা

    অধ্যায় ৫৫ – মেদেস ও পারস্যবাসীরা

    খ্রিস্টপূর্ব ৬৫৩ থেকে ৬২৫ সালের মাঝে আশুরবানিপাল একটি পাঠাগার তৈরি করেন এবং এলাম ধ্বংস করেন। ইতোমধ্যে মেদেস ও পারস্য একীভূত হয়ে একটি জাতি তৈরি করে।

    আশুরবানিপাল সাম্মেটিকাসকে উচিত শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হন। তবে এখানেই তার ‘ভূখণ্ড হারানো” থেমে থাকেনি। তার শাসনামলে অ্যাসিরীয়ার সীমান্ত কিছুটা সংকুচিত হয়ে পড়ে। আশুরবানিপাল একজন যোগ্য শাসক ছিলেন, কিন্তু তিনি সারগনের মতো হতে পারেননি—তার পক্ষে সম্ভব ছিল না তার সকল ক্ষমতা যুদ্ধযাত্রায় ঢেলে দিয়ে সারাক্ষণ সীমান্ত বড় করার খেলায় মেতে থাকা। তিনি অন্য একধরনের সমস্যায় ভুগছিলেন।

    তিনিই প্রথম অ্যাসিরীয় রাজা ছিলেন না, যিনি কাদামাটির তৈরি ট্যাবলেটের সংগ্রহ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তবে তিনিই ছিলেন প্রথম রাজা, যার পুরো সাম্রাজ্যজুড়ে প্রশাসনের একটি বড় দায়িত্ব ছিল সকল গলি-ঘুপচি খুঁজে, সব ধরনের ট্যাবলেট খুঁজে নিয়ে আসা। তিনি এই কাজটি বেশ গুছিয়ে করেন। তিনি তার সাম্রাজ্যের যেকোনো প্রান্তে অবস্থিত পাঠাগারে তার সেনাদের পাঠাতেন। তারা সেখানে যেয়ে এসব ট্যাবলেটের তালিকা তৈরি করতেন এবং সবধরনের ট্যাবলেটের অনুলিপি সংগ্রহ করার ব্যবস্থা নিতেন। এসব ট্যাবলেটে তন্ত্র-মন্ত্র, ভবিষ্যদ্বাণী, চিকিৎসা প্রক্রিয়া, জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষণ, গল্প ও উপাখ্যান (যার মধ্যে ছিল প্রাচীন বীর গিলগামেশের ১ হাজার বছরের কীর্তির বয়ান), ইত্যাদি। একপর্যায়ে নিনেভেহ’র পাঠাগারে প্রায় ৩০ হাজার ট্যাবলেটের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ওঠে। আশুরবানিপাল এই পাঠাগারকে তার শাসনামলের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করতেন।

    এসারহাদোন হয়তোবা মিশরের দখলদারিত্ব বজায় রাখতে পেরেছিলেন, কিন্তু আশুরবানিপালের এই অমর, চিরস্থায়ী কীর্তির ধারেকাছেও তিনি পৌঁছাতে পারেননি।

    জাগতিক বিষয়গুলোতে তিনি এতটা পারদর্শিতা দেখাতে পারেননি। এলামাইট রাজা ব্যাবিলন আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, এবং এলামের উত্তরে নতুন এক শত্রু আবারও হুমকিতে রূপান্তরিত হচ্ছিল।

    সাম্মেটিকাস যে-বছর বিদ্রোহ করলেন, সে-বছরই এলামাইট রাজা টিউম্যান ও তার বাহিনী ব্যাবিলনের উদ্দেশে রওনা হল। ধারণা করা হয়, টিউম্যানকে একটি উষ্ণ অভ্যর্থনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ততদিনে আশুরবানিপাল ও তার ছোটভাই ও ব্যাবিলনের ভাইসরয় শামাশ-শুম-উকিনের মধ্যে কিছুটা দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। তবে শামাশ-শুম-উকিনের লেখানো প্রথমদিকের শিলালিপিগুলোতে আশুরবানিপালকে ভদ্রতা করে ‘আমার প্রিয় ভাই’ ও ‘পৃথিবীর চার চতুর্থাংশের রাজা’ হিসেবে অভিহিত করে তার সুস্বাস্থ্য ও শত্রুদের বিনাশ কামনা করা হয়।

    তবে ব্যাবিলনে আশুরবানিপালের লেখানো প্রায় সমান সংখ্যক শিলালিপিতে দেখা যায়, তিনি দাবি করেছেন যে, এই শহরের বেশিরভাগ খুঁটিনাটি কাজ তিনিই তদারকি করেছেন, এবং তা বেশ কয়েক বছর ধরে। এই পরিস্থিতিতে, একটি এলামাইট সেনাদলের আগমন শুম-উকিনকে তার ভাইয়ের প্রভাব থেকে মুক্ত করতে পারত।

    যখন আশুরবানিপাল খবর পেলেন, এলামাইটরা রওনা হয়েছে, তিনি তার রাজসভার পুরোহিতদের দ্বারস্থ হলেন। তারা তাকে আশ্বস্ত করলেন যে, দেবতারা তার পক্ষেই আছেন। একথা শুনে তিনি টাইগ্রিস নদী পেরিয়ে এলামাইটদের নিজ ভূখণ্ডেই তাদের মোকাবিলা করলেন। তার বাহিনী এলামাইটদের ঠেঙিয়ে সুসা শহরে ফেরত পাঠাল। অসংখ্য এলামাইট প্রাণ হারালেন। আশুরবানিপাল দাবি করেন, তিনি এলামের নাগরিকদের লাশ দিয়ে নদীর প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং তাদের রাজা টিউম্যান পৈতৃক প্রাণ বাঁচাতে লেজ তুলে পালান।

    প্রকৃত সত্য হল, এলামের রাজা টিউম্যান আহত হয়েছিলেন। তার জ্যেষ্ঠ সন্তান বাবার হাত ধরে এক জঙ্গলে পালিয়ে যান। কিন্তু পথিমধ্যে রাজাকে বহনকারী রথ ভেঙে পড়ে যায় এবং তিনি এর কাঠামোর নিচে চাপা পড়েন। টিউম্যান মরিয়া হয়ে তার ছেলেকে বলেন, ‘ধনুক হাতে তুলে নাও আর আমাদের প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা করো’। কিন্তু সে রথের ভাঙা লাঠি রাজাকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেওয়ার পাশাপাশি তার ছেলেকেও মারাত্মকভাবে আহত করেছিল। আশুরবানিপাল বলেন, ‘আসসুরের (দেবতা) কাছ থেকে উৎসাহ পেয়ে আমি তাদের হত্যা করলাম। আমি বাবার সামনে ছেলে, আর ছেলের সামনে বাবার শিরোচ্ছেদ করলাম।’

    শিলালিপি থেকে আমরা আরও কিছুটা তথ্য পাই। আশুরবানিপাল কাটা- মাথাগুলো সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন এবং এগুলোকে তার বাগানে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। এই বাগানের সুসজ্জিত গাছগাছালির নিচে বসেই তিনি ও তার স্ত্রী মধ্যাহ্নভোজনে অংশ নিতেন। ইতোমধ্যে, শামাশ-শুম-উকিন শাসক হিসেবে টিকে রইলেন। মৃত টিউম্যানের সঙ্গে তার যোগসাজশের বিষয়ে কোনো প্ৰমাণ পাওয়া যায়নি।

    প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে, অপর এক সেনাদল নিনেভেহ অভিমুখে যাত্রা শুরু করল।

    কয়েক বছর আগেই মাদুয়া গোত্রগুলো নিজেদের সমন্বিত করে একটি মেদিয়ান রাজত্ব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিল। আশুরবানিপালের অভিষেকের কিছু সময় আগে মেদিয়ান গোত্রগুলোর মধ্যে দেইওসেস নামের এক বিচারক ন্যায়বিচার ও সততার জন্য বেশ সুনাম অর্জন করেন। তাকেই নেতা হিসেবে মেনে নেন মেদিয়ান রাজত্বের বাসিন্দারা।

    হেরোডোটাস বর্ণনা করেন, ‘হাতে ক্ষমতা পাওয়ার পর দেইওসেস দাবি করেন, রাজত্বের জন্য নতুন একটি শহর নির্মাণ করা হোক এবং সকল কার্যক্রম সেখান থেকেই পরিচালনা করা হোক। এরপর কেন্দ্রীয় শহর একবাতানা নিৰ্মাণ করা হল এবং এটি উদীয়মান এক জাতির পরিচয় হয়ে দাঁড়াল।’

    একবাতানা ছিল প্রাচীন আমলে নির্মিত শহরগুলোর মধ্যে এক অসামান্য কীর্তি। ওরন্তেস পর্বতমালার পূর্বদিকের ঢালে নির্মিত এই শহরকে ঘিরে ছিল ৭টি চক্রাকার প্রাচীর। প্রাচীরগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল, যাতে প্রতিটির শীর্ষে দাঁড়িয়ে পরবর্তী প্রাচীরের মাথা দেখা যায়। প্রাচীরের উপর বিশেষ রঙে রাঙানো অবস্থানে তিরন্দাজরা অবস্থান গ্রহণ করতে পারতেন। প্রাচীর ও রাজপ্রাসাদে সাদা, কালো, লাল, নীল ও কমলা রঙে রাঙানো হয়েছিল—একেক রঙে একেক ধরনের স্থাপনা বোঝানো হত। এছাড়া ষষ্ঠ ও সপ্তম (সর্বশেষ) প্রাচীর রুপা ও সোনায় মোড়ানো ছিল। রাজপ্রাসাদটিও স্বর্ণখচিত ছিল, সব মিলিয়ে প্রাচীন পৃথিবীতে একবাতানা ছিল এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা—সমুদ্র থেকে ৬ হাজার ফুট উপরে, পর্বতের চূড়ায় অবস্থিত এই শহরটির রঙের বাহারে একে শিশুর খেলনা মনে হলেও আদতে এটি ছিল সকল শত্রুর জন্য বড় এক হুমকি।

    খ্রিস্টপূর্ব ৬৭৫ সালে দেইওসেসের ছেলে ফ্রাওরতেস তার পিতার কাছ থেকে নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন।

    একবাতানা থেকে ফ্রাওরতেস নিকটবর্তী শহর পারসুয়ায় আক্রমণ করলেন। সেখানে থাকতেন পারসিয়ান বা পারস্যবাসীরা, যারা তাদের সামন্তপ্রভু আচামেনেসের অধীনে একটি ঢিলেঢালাভাবে সমন্বিত রাষ্ট্র ছিল। তাদেরকে পরাভূত করে দাসরাজ্য হিসেবে বিবেচনা করা হল। হেরোডোটাস মন্তব্য করেন, ফ্রাওরতেসের পতাকার নিচে ‘দুই শক্তিশালী দেশ’ আসার পর তিনি ‘একের পর এক গোত্র’ দখলের মাধ্যমে এশিয়া দখল করার দিকে দৃষ্টি দিলেন। অবশেষে তিনি একজন রাজা হয়ে উঠেছিলেন।

    ৬৫৩ সালে ফ্রাওরতেস এমনকি, জংলি স্বভাবের সিম্মেরিয়ানদের সঙ্গেও জোট বাঁধতে সক্ষম হন। আশুরবানিপাল অ্যাসিরীয়ায় যেসব সমস্যায় ভুগছিলেন, সেগুলোর সুযোগ নিতে মেদেস, পারসিয়ান ও সিম্মেরিয়ানরা একতাবদ্ধ হল।

    তবে এক্ষেত্রে হিসেবে গরমিল ছিল। সমীকরণে স্কাইথিয়ানদের ধরা হয়নি। আশুরবানিপালের বোনের সঙ্গে স্কাইথিয়ান রাজার বিয়ে হয়েছিল। এই ত্রিমুখী জোটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় স্কাইথিয়ান বাহিনী; অ্যাসিরীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি বুক পেতে দাঁড়ায় তারা। স্বভাবত সিম্মেরিয়ান, মেদেস ও পারসিয়ানদের বিদেয় করার পাশাপাশি ফ্রাওরতেসকেও হত্যা করতে সক্ষম হন স্কাইথিয়ান সেনাপতি মাদিউস। যুদ্ধের পর তিনি নিজেকে মেদেস ও পারস্যের রাজা হিসেবে ঘোষণা দেন।

    পরের বছরেই শামাশ-শুম-উকিনের ভাইয়ের প্রতি ঘৃণার বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে। তিনি ব্যাবিলনের সেনাদের কুতহাহ নামে অ্যাসিরীয়ার একটি চৌকিতে পাঠান। এটি ছিল ব্যাবিলনের ঠিক উত্তরে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি তার ভাইয়ের সেনাদের বের করে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন।

    আশুরবানিপাল পালটা আক্রমণের উদ্দেশে তার নিজ বাহিনী জড়ো করলেন। তিনি বেশ উদ্বেগের সঙ্গে সূর্যদেবতা সামাশের কাছে কিছু প্রশ্ন রেখেছিলেন, যার নথিবদ্ধ প্রমাণও আজও টিকে রয়েছে—’শামাশ, মহান প্রভু! এলামাইটরা কি যুদ্ধে যোগ দেবে?’ এ প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁবোধক ছিল, এবং বাস্তবেও শামাশ-শুম-উকিনের বিদ্রোহকে আরও জোরদার করতে তারা সেনাবাহিনী নিয়ে এগিয়ে এসেছিল। টিউম্যানের মৃত্যুর পর এলামাইট রাজ্যগুলোকে কোনো রাজা একীভূত করতে সক্ষম হননি। ধারণা করা হয়, সেনাবাহিনী নিজেরাই নিজেদের দেখভাল করছিল। শামাশ-শুম-উকিন নিজেকে ব্যাবিলনের প্রাচীরের নিরাপত্তায় লুকিয়ে রাখেন। আশুরবানিপাল খুব শিগগির তার দেবতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “শামাশ-শুম- উকিনের বাহিনী কি ব্যাবিলন ছেড়ে যাবে?’। এরপর আবারও তিনি জিজ্ঞাসা করেন, ‘অ্যাসিরীয় বাহিনী কি শামাশ-শুম-উকিনের বিরুদ্ধে জয়ী হবে?’

    এই বাহিনী যুদ্ধে জিতলেও এর জন্য অনেক বড় মূল্য চোকাতে হয়—৩ বছরের যুদ্ধে দুর্ভিক্ষ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। বর্ণনা মতে, ‘তারা ক্ষুধার তাড়নায় তাদের পুত্র ও কন্যাদের মাংস ভক্ষণ করে। অবশেষে যখন শহরের পতন হল, আশুরবানিপালের সেনারা বিদ্রোহীদের ওপর কোনো ধরনের মায়া-মমতা দেখাননি। তার দাদা সেন্নাশেরিবের মতো, তিনিও মত দিলেন, ‘ব্যাবিলনে বিপদ ছাড়া আর কিছুই নেই।’

    ‘যারা বেঁচে রইলেন, তাদেরকে ঠিক সে জায়গায় আমি হত্যা করলাম, যেখানে সেন্নাশেরিবকে হত্যা করা হয়েছিল। এবং তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশগুলো আমি কুকুর, শূকর, নেকড়ে, ঈগল ও স্বর্গীয় পাখি এবং গভীর সমুদ্রের মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করলাম’, বলেন তিনি।

    শামাশ-শুম-উকিন তার রাজপ্রাসাদে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা করলেন। তিনি তার ভাইয়ের প্রতিহিংসা থেকে বাঁচতে এই ব্যবস্থা নেন।

    আশুরবানিপাল সুষ্ঠু নিয়ম অনুযায়ী তার ভাইয়ের লাশ কবর দেওয়ার ব্যবস্থা নিলেন এবং তার এক প্রতিনিধিকে ব্যবিলনের পুতুল শাসক হিসেবে নিয়োগ দিলেন। এই লোকের নাম ছিল কানদালু। প্রায় ২০ বছর কানদালু এই দায়িত্বে ছিলেন। তবে তিনি কোনো প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন না। এ কারণে এই দীর্ঘ সময়ে ব্যাবিলনে কোনো রাজকীয় শিলালিপি লেখা হয়নি।

    এরপর আশুরবানিপাল নতুন এক যুদ্ধে অংশ নিলেন। এটাই ছিল তার আমলে সাম্রাজ্য বিস্তারকারী একমাত্র সংঘাত। পূর্বদিকে এলামাইট সিংহাসনের যোগ্য উত্তরাধিকারী নির্বাচনে গৃহযুদ্ধ বেধে যায়। এর সুযোগ নিয়ে আশুরবানিপাল দুইবার তার সেনাবাহিনী নিয়ে টাইগ্রিস নদী পার হলেন। প্রতিবারই তিনি বড় আকারে হামলা চালালেন। এলামাইট শহরে আগুন লাগল এবং পুরো অঞ্চল আশুরবানিপালের দখলে এল।

    সুসার মন্দির ও প্রাসাদ লুট করা হল। এক্ষেত্রে প্রতিহিংসাই ছিল মূল কারণ। আশুরবানিপাল নির্দেশ দিলেন, রাজকীয় কবরগুলো খুঁড়ে প্রয়াত রাজ-রাজড়ার হাড়গোড় বস্তাবন্দি করে নিয়ে যাওয়া হোক।

    ভবিষ্যতে এলামের সিংহাসনের দাবিদার হতে পারেন, এরকম সব ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে নিনেভেহতে বন্দি করে রাখা হল। অসংখ্য এলামাইট নাগরিকদের তাদের মাতৃভূমি থেকে নির্বাসন দেওয়া হল। কিছু মানুষ জুদাহ শহরের উত্তরে ইসরায়েলের প্রাচীন এক অঞ্চলে আশ্রয় পেলেন।

    তবে এতে তাদের জাতিগত পরিচয়ের খুব একটা ক্ষতি হয়নি। ২০০ বছর পর এ এলাকার প্রশাসক তার রাজার কাছে একটি চিঠি পাঠান। তিনি বলেন, ‘সুসার এলামাইট ও অন্যান্য মানুষ, যাদেরকে মহান আশুরবানিপাল নির্বাসন দিয়ে সামারিয়া ও ইউফ্রেতিসের আশেপাশের অন্যান্য জায়গায় পাঠিয়ে ছিলেন, তারা সবাই আমার পতাকার নিচে একতাবদ্ধ হয়েছে।’

    রাজ্য শাসনের ব্যাপারে আশুরবানিপালের দুই ধরনের নীতি ছিল। ঝামেলাপূর্ণ অঞ্চলের ক্ষেত্রে হয় তিনি পূর্ণমাত্রায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাতেন অথবা তাদের অস্তিত্বকে পুরোপুরি অস্বীকার করতেন। মিশর অনেক দূরে থাকা ‘অস্বীকার’ হওয়ার সুবিধা পেয়েছিল। কিন্তু এলাম একেবারে নাকের ডগায় থাকায় তাদের ভাগ্য এতটা সুপ্রসন্ন ছিল না।

    এলামের দখল নেওয়ার পরও এর উন্নয়নে কোনো কাজ করেননি আশুরবানিপাল, যেটা একটা বড় ভুল ছিল। তিনি কোনো শহর পুনর্নির্মাণ বা এর সংস্কার করেননি। তিনি অ্যাসিরীয়ার এই নতুন অঙ্গরাজ্যকে অরক্ষিত ও ভগ্ন অবস্থায় ফেলে রাখেন।

    শুরুতে খুব সতর্কতার সঙ্গে পারস্যের সামন্তপ্রভু তেইসপেস প্রাচীন এলামাইট অঞ্চল আনশানে প্রবেশ করে এটিকে নিজের বলে দাবি করেন। এটা ছিল আশুরবানিপালের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। কিন্তু এ-অঞ্চলে ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো চেষ্টাই তিনি চালাননি। তেইসপেস ছিলেন মাদিয়াস দ্য স্কাইথিয়ানের অধীনস্থ কর্মচারী। মেদেস ও পারস্য, উভয় রাজ্যের রাজা হওয়া সত্ত্বেও মাদিয়াস আপাতদৃষ্টিতে তেসপেসের এই বিদ্রোহী কার্যক্রমে কোনো বাধা দেননি।

    ৩ থেকে ৪ বছরের মাথায় তেইসপেস মারা গেলেন এবং পারস্যের দায়ভার তার পুত্র সাইরাসের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে গেলেন। বাবার মতো, ছেলেও মাদিয়াস দ্য স্কাইথিয়ানের পতাকার নিচে পারস্যের শাসন চালিয়ে গেলেন। তিনিও তার বাবার মতোই নিজেকে আনশানের রাজা হিসেবে অভিহিত করেন। আনশানকে আনুষঙ্গিক শহরের মর্যাদা দিয়ে মাদিয়াস তার শহর একবাতানার শাসন কার্যক্রম চালিয়ে গেলেন।

    আশুরবানিপালের রাজত্বের শেষ কয়েক বছরে গোলযোগ অনেক বেড়ে যায়। এসময়ের শিলালিপিগুলো কেমন যেন ছন্নছাড়া, ভবিষ্যদ্বাণীগুলো অসম্পূর্ণ। তবে এলামের প্রতি তিনি তার যুগপৎ উদাসীনতার ধারা অব্যাহত রাখেন। হয়তো তিনি অসুস্থ ছিলেন, বা তার মাঝে দেখা দিয়েছিল পাগলামির লক্ষণ। খ্রিস্টপূর্ব ৬৩০ থেকে শুরু করে ৬২৭ পর্যন্ত তার পক্ষে নিয়ে পুত্র আশুর- এতিল্লু-ইলানি রাজ্য শাসন করেন।

    সেসন, কাছাকাছি সব রাজ্য অ্যাসিরীয়দের কাছ থেকে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার তোয়াক্কা না করে নিজেদের খেয়ালখুশিমতো চলছিল। মেদেস ও স্কাইথিয়ানরা উরারতু ভূখণ্ডে সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছিল। তারা একের পর এক পথ বন্ধ করে দিচ্ছিল এবং এসময় অসংখ্য দুর্গ বেহাত হয়ে যায়। প্রায় দুই হাজার বছর পর, মাটি খুঁড়ে বের করা উরারতুর নগরকেন্দ্রগুলোতে ছররা গুলির মতো অসংখ্য স্কাইথিয়ান তির গেঁথে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। উরারতুর উত্তরের সীমান্তে তেইশাবানি শহরের (আধুনিক কালের কারমির ব্লার) ভেঙে পড়া কাঠের ছাদ আবিষ্কৃত হয়। এগুলোতেও পুড়ে যাওয়া স্কাইথিয়ান তিরের অগ্রভাগ, জ্বলে পুড়ে যাওয়া তির খুঁজে পাওয়া গেছে, যা থেকে ধারণা করা যায়, তিরের মাধ্যমেই শহরটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    পশ্চিম সেমাইটদের ভূখণ্ডে জেরুজালেমের রাজা জোসাইয়াহ অ্যাসিরীয়দের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে হামলা চালাচ্ছিলেন। মূলত যেসব জায়গা একসময় ইসরায়েলের অংশ ছিল, সেগুলোতেই তিনি এসব হামলা পরিচালনা করেন। তিনি অ্যাসিরীয়া থেকে নির্বাসিত জনগোষ্ঠীকে অপমান করার জন্য তাদের উপাসনালয়গুলোতে মৃত মানুষের হাড়গোড় ছড়িয়ে দিতেন।

    ইতোমধ্যে স্কাইথিয়ান সেনাবাহিনী জুদাহ পেরিয়ে মিশরের উদ্দেশে রওনা হল। এ পর্যায়ে সাম্মেটিকাস তাদের সঙ্গে দরকষাকষিতে অবতীর্ণ হলেন। হেরোডোটাস বলেন, ঘুস ও স্তুতিবাক্যের সমন্বয়ে তিনি তাদের অগ্রযাত্রা প্রতিহত করলেন। এবং পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি জায়গায় মেরোদাক-বালাদানের অভিশাপ তখনও সক্রিয় ছিল। মেরোদাক-বালাদানের বংশধর ও চালদিয়ান নেতা নাবোপোলাসসার তার নিজ বাহিনী নিয়ে পূর্বসূরিদের মতো ব্যাবিলনের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন।

    তবে আশ্চর্যজনকভাবে, এত কিছু ঘটে যাওয়ার পর নিনেভেহ পুরোপুরি নীরব থেকে গেল।

    অবশেষে ৬২৭ সালে আশুরবানিপাল মারা গেলেন। এরপর তার সাম্রাজ্যের প্রায় প্রতিটি অংশে গোলযোগ দেখা দিতে লাগল। আশুর-এতিল্লু-ইলাি অ্যাসিরীয়ার রাজা হলেন, কিন্তু তার ভাই নিজের আখের গোছাতে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাবিলনের দখল নিয়ে নিলেন।

    ইতোমধ্যে নাবোপোলাসসার দক্ষিণদিক থেকে তার বাহিনী নিয়ে আগাতে লাগলেন; উদ্দেশ্য, ব্যাবিলনের সিংহাসন। পরবর্তী ৬ বছর ধরে নিনেভেহ-কেন্দ্রিক অ্যাসিরীয় বাহিনী, ব্যাবিলনের অ্যাসিরীয়রা ও নাবোপোলাসসারের মধ্যে এক ত্রিমুখী লড়াই চলতে লাগল।

    এসব ভেজালের মধ্যে মেদিয়ানরা তাদের স্কাইথিয়ান অধিপতিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করল। প্রায় ২৮ বছর ধরে শোষিত হওয়ার পর তারা ঘুরে দাঁড়ায়।

    স্কাইথিয়ানরা প্রশাসক হিসেবে খুবই দুর্বল ছিলেন—তাদের শক্তিমত্তার জায়গা ছিল যুদ্ধ। এই দুই যুগেরও বেশি সময়ে তারা খুবই অজনপ্রিয় হয়ে পড়ে। হেরোডোটাস মন্তব্য করেন, ‘তারা প্রজাদের কাছ থেকে শুধু কর আদায় করেই থেমে থাকতেন না। তারা ঘোড়ায় চড়ে মানুষের সহায়-সম্পত্তি লুট করতেও পিছপা হতেন না।’

    এ-ধরনের আচরণের শিকার হয়ে ক্ষুব্ধ মেদেস তার স্কাইথিয়ান লোভকে কাজে লাগালেন। প্রয়াত ফ্রাওরতেসের ছেলে সায়ারক্সেস তখনো তার পিতার রাজত্বে বসবাস করতেন। কোনো এক কারণে স্কাইথিয়ানরা তাকে হত্যা করার কথা চিন্তা করেনি। হেরোডোটাসের মতে, সায়ারক্সেস তার স্কাইথিয়ান প্রভু ও তার দেহরক্ষীর সম্মানে এক ভোজের আয়োজন করেন। সেখানে তাদেরকে প্রচুর পরিমাণে মদ গিলিয়ে মাতাল করেন, এবং হত্যা করেন। হেরোডোটাসের শেষ কথা, ‘এভাবেই মেদেস তার রাজত্ব ফিরে পেল এবং আবারও (আগের) মানুষদের ওপর শাসন কায়েম করল’।

    মেদেস ও পারস্যবাসীদের সর্বোচ্চ রাজার সম্মান পেলেন সায়ারক্সেস। তিনি প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনীর সংস্কার ও পুনর্গঠন চালিয়ে এটিকে আরও শক্তিশালী করলেন। তিনি বিভিন্ন অস্ত্রের ব্যবহারে পারদর্শিতা অনুযায়ী পদাতিক বাহিনীকে বিভিন্ন ‘স্কোয়াড’ বা দলে বিভক্ত করলেন, যেমন বর্ণা যোদ্ধা, ঘোড়সওয়ার ও তিরন্দাজ। বড় আকারের প্রশিক্ষণ ও মহড়ার মাধ্যমে তিনি তাদেরকে প্রস্তুত করতে লাগলেন।

    পশ্চিম অংশে গোলযোগ ছাড়া আর কিছুই রইল না। উত্তরে এলোমেলোভাবে যাযাবর গোত্র ও একটি মৃতপ্রায় উরারতিয়ান রাজত্ব হানাহানি করতে লাগল। মেদেস ও পারস্যবাসীদের পুরো অঞ্চলের দখল নেওয়া তখন ছিল শুধুই সময়ের ব্যাপার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }