Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৩. যুদ্ধ ও বৈবাহিক সম্পর্ক

    অধ্যায় ৩৩ – যুদ্ধ ও বৈবাহিক সম্পর্ক

    খ্রিস্টপূর্ব ১৩৪০ থেকে ১৩২১ সালের মাঝে অ্যাসিরীয় ও হিট্টিটরা মিটানিদের ধ্বংস করল। তুতানখামুন মিশরের ধর্মীয় সংস্কারকে বিদেয় করলেন এবং একজন হিট্টিট রাজপুত্র ‘প্রায়’ ফারাওতে পরিণত হলেন।

    মিটান্নিদের ভূমিতে রাজা টুশরাট্টা ক্রমশ হিট্টিটদের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছিলেন। তাদের প্রাণশক্তিতে ভরপুর নতুন রাজা সুপ্পিলুলিউমা টাউরাস পর্বতমালার ওপর পাশে নিজের সেনাবাহিনী গড়ে তুলছিলেন। টুশরাট্টার জন্য হিট্টিটদের তার ভূমি থেকে দূরে রাখা খুবই জরুরি ছিল।

    মিত্র হিসেবে সবচেয়ে যৌক্তিক বিকল্প ছিল মিশরীয়রা। তখনও আখেনাতেন সে-অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন। তিনি একই সঙ্গে টুশরাট্টার ভাগ্নেও ছিলেন এবং একই সঙ্গে আরও জটিল কিছু আত্মীয়তার সম্পর্কও ছিল তাদের মাঝে। দুই প্রজন্ম ধরে মিটান্নি নারীরা মিশরের রাজপরিবারের সদস্যদের বিয়ে করে আসছিলেন।

    টুশরাট্টা আরও একটি বিয়ের প্রস্তাব দেন। তিনি ফারাওর সঙ্গে নিজের মেয়ের বিয়ে দিতে চাইলেন এবং আখেনাতেন সে প্রস্তাবে রাজিও হলেন। ফলে টুশরাট্টার মেয়ে দক্ষিণের দিকে যাত্রা করলেন।

    তবে মিটান্নি রাজা ধীরে ধীরে তার ভাগ্নের ওপর বিরক্ত হতে লাগলেন। দুই রাজার পত্র-বিনিময়ে দেখা যায় টুশরাট্টা অভিযোগ করেছেন, বিয়ের খরচ হিসেবে পাঠানো স্বর্ণ যথেষ্ট নয়। এক চিঠিতে তিনি বলেন, ‘একে দেখে সোনা বলে মনে হচ্ছে না।’ আরেক চিঠিতে তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমার দেশের মানুষরা বলে, আপনার দেশে ধুলার চেয়েও সোনা বেশি সাধারণ একটি পণ্য। তার মানে কী, এই যে আপনি আমাকে এত বেশি ভালোবাসেন যে এত সাধারণ একটি জিনিস আমাকে না পাঠিয়ে ধুলো পাঠিয়েছেন?’

    এই তিক্ত মন্তব্যের পর তার নতুন জামাতার কাছে পাঠানো প্রতিটি চিঠিতে বিরক্তির পরিমাণ আরও বাড়তে দেখা যায়। তিনি আখেনাতেনকে মনে করিয়ে দেন, তার পিতা আমেনহোটেপ চতুর্থ টুশরাট্টার বন্ধুত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন তবে একথা বলাতে হিতে বিপরীত হয়েছে বলেই মনে হয়, কারণ আখেনাতেন সকল বিষয়ে তার পিতাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি যত্নবান ছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার প্রতিনিধিরা ফারাওর দরবারে ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে ধর্না দিচ্ছেন, কিন্তু ফারাও তাদের দিকে নজর দিচ্ছেন না। এছাড়াও, ৬ বছর আগে দূত মারফত পাঠানো প্রশ্নের উত্তর বহনকারী চিঠিটি তখনও এসে পৌঁছেনি—এমন দাবিও করেন টুথমোসিস।

    বিয়ের সম্পর্কে জড়ালেও ধীরে ধীরে মিটানিদের সঙ্গে মিত্রতা ছিন্ন করছিলেন আখেনাতেন। তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কল্যাণে আগেভাগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন উত্তরের বাতাস কোন্ দিকে বইছিল। হিট্টিটরা অস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছিল। তারা খুবই শক্তিশালী একটি জাতি ছিল এবং তাদের রাজা সুপ্পিলুলিউমাও ছিলেন একজন তুখোড় রণকৌশলী। হিট্টিট রাজা ইতোমধ্যে নতুন ফারাও সিংহাসনে বসার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তার উদ্দেশে বিভিন্ন উপহার পাঠাতে শুরু করে দিয়েছিলেন। তবে আপাতদৃষ্টিতে এই সৌহার্দ্যমূলক আচরণের নেপথ্যে ছিল আখেনাতেনকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘মনে রেখো, মিশর ও হাটুসাসের মধ্যকার গোপন চুক্তি কিন্তু এখনও কার্যকর রয়েছে।’ কিছুদিনের মাঝেই সুপ্পিলুলিউমা লিখলেন, ‘যেভাবে আপনার পিতা আর আমি দুই জাতির মাঝে শান্তিরক্ষায় আগ্রহী ছিলাম, ঠিক একইভাবে আমরা একে অপরের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারি। আসুন আমরা একে অপরকে সহায়তা করি।’

    আখেনাতেন মিটান্নি ও হিট্টিটদের মধ্যে পরের রাজ্যটিকেই বেছে নিলেন মিত্র হিসেবে।

    টুশরাট্টা গোপন চুক্তির ব্যাপারে খুব সম্ভবত কিছুই জানতেন না। তবে খুব শিগগির তিনি নিজের চোখে এর ফলাফল দেখতে পেলেন। সুপ্পিলুলিউমা নিশ্চিত ছিলেন মিটান্নির প্রতিরক্ষায় মিশর এগিয়ে আসবে না। তিনি পূর্বদিকে অবস্থিত রাজধানী ওয়াশুক্কানির উদ্দেশে সেনাবাহিনী নিয়ে যাত্রা করলেন। টুশরাট্টা দক্ষিণ থেকে সাহায্য আসার জন্য বৃথা অপেক্ষা করলেন। আখেনাতেনের রাজসভা তাদের প্রতিরক্ষায় একটা আঙুলও তুলল না।

    সাহায্য তো এলই না, বরং নিজেদের ঘরেই আগুন জ্বলতে দেখলেন টুশরাট্টা। দীর্ঘদিন ধরে মিটানিদের অধীনস্থ আসসুরকে অস্ত্রসহায়তা দিয়ে আসছিল মিশরীয়রা। সুযোগ পেয়ে অ্যাসিরীয়দের রাজা আসসুর-উবাল্লিত (খুব সম্ভবত আমেনহোটেপ তৃতীয়র কাছ থেকে যে রাজা প্রথম সাহায্য পেয়েছিলেন, তার নাতি) সেনাবাহিনী জড়ো করে হিট্টিটদের সঙ্গে যোগ দিলেন এবং দক্ষিণপ্রান্ত থেকে ওয়াশুক্কানিতে আক্রমণ করলেন।

    দক্ষিণ ও পশ্চিম, দুইদিক থেকে আগ্রাসনের শিকার হয়ে টুশরাট্টা উত্তর মেসোপটেমিয়া থেকে তার সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে নিলেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে আসসুর-উবালিত সে অঞ্চলকে আসসুরের অংশ হিসেবে ঘোষণা করলেন। শামসী-আদাদের রাজত্বের পর প্রথমবারের মতো আসসুর একটি প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হল। সে মতে, তার পরবর্তী চিঠিতে আসসুর-উবালিত মিশরের কাছে দাবি জানালেন তাকে ‘মহান রাজার’ উপাধি ফিরিয়ে দিতে। একই সঙ্গে তিনি আরও ধনসম্পদের আর্থিক সহায়তা চাইলেন। ‘আসসুর-উবালিত, আপনার ভাই এবং অ্যাসিরীয়ার রাজা, মহান রাজার কাছ থেকে এসেছে এই বার্তা। আপনার দেশে সোনা হচ্ছে ধুলোর মতো সহজলভ্য; চাইলেই যে-কেউ তা সংগ্রহ করতে পারে। তাহলে কেন এটির ব্যাপারে আপনার এত কার্পণ্য? আমি নতুন এক রাজপ্রাসাদ বানাচ্ছি, যার জন্য অনেক স্বর্ণের প্রয়োজন। যখন আমার পূর্বসূরি আসসুর-নাদিনাহহে আপনার পিতার কাছে পত্র দিলেন, তখন তিনি ২০ ট্যালেন্ট (১ ট্যালেন্ট = ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওজনের সমপরিমাণ বা গড়ে ৫০ কেজি) সোনা পাঠিয়েছিলেন। যদি আপনি আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়তে চান, তাহলে একই পরিমাণ সোনা পাঠাবেন।’

    তবে টুশরাট্টার চিঠিগুলোর মতো এই চিঠিতে আখেনাতেন একটুও অপমানিত বা রাগান্বিত হননি। খুব সম্ভবত আখেনাতেন অ্যাসিরীয়দের কাছ থেকে এ-ধরনের আচরণই প্রত্যাশা করছিলেন।

    ইতোমধ্যে, পশ্চিমের যুদ্ধক্ষেত্রে টুশরাট্টার পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছিল। অপ্রত্যাশিতভাবে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে হিট্টিটরা ওয়াশুক্কানির প্রাচীরের একেবারে কাছাকাছি চলে এসেছিল।

    এ-ধরনের হামলার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না টুশরাট্টা। প্রাচীর ভেঙে শত্রুপক্ষ অনুপ্রবেশ করার আগে রাতের আঁধারে অল্পকিছু সঙ্গীসাথিসহ শহর ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। তবে তার সঙ্গী নির্বাচনে ভুল ছিল; তাদেরই একজন ছিলেন আততায়ী, যার নির্মম আঘাতে নিহত হন হিট্টিটদের নেতা।

    তার উত্তরাধিকারী বড়ছেলে বুঝতে পারলেন, এই প্রবল আক্রমণের প্রতিরোধ করতে যাওয়া বৃথা। তিনি শত্রুপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন এবং তার সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করা হল। তবে তিনি কোনো সিংহাসন পেলেন না। বস্তুত, ওয়াশুক্বান্নির পতনের পর মিটানিদের আর কোনো অস্তিত্বই রইল না। হুররিয়ান নামের একটি উপজাতিভিত্তিক সেনাবাহিনী মিটান্নিদের পক্ষে ছিল, তবে তারাও হিট্টিটদের অগ্রসরের মুখে ইউফ্রেটিসের অপর পারে সরে গেল। তারা জাগরোস পর্বতমালা থেকে এসেছিল, সেখানেই তারা ফিরে গেল এবং লুকিয়ে থাকল। ছোট ও দুর্বল বাহিনী হওয়ায় সে আমলের বড় বড় শক্তিগুলো তাদেরকে কমবেশি উপেক্ষা করল।

    ইতোমধ্যে সুপ্পিলুলিউমা দক্ষিণে ভূমধ্যসাগরের তীর ধরে আগাতে লাগলেন। যতদূর পর্যন্ত মিশরীয়দের সঙ্গে বিবাদে না জড়িয়ে আগানো যায়, তিনি ততদূর এগোলেন। মিটান্নিদের দখলে থাকা অনেকগুলো শহর দখল করে নিলেন। তবে এ যাত্রায় তিনি নির্বিঘ্নে ‘মিত্র’ মিশরের ভূখণ্ডের ভেতর দিয়ে সেনা নিয়ে পার হয়েছেন, তবে কোনো যুদ্ধে জড়াননি।

    আখেনাতেনও তার এই সাম্রাজ্য-বিস্তারে কোনো আপত্তি জানাননি। তবে ততদিনে, বন্ধুত্ব থেকে নয়, বরং বাস্তবতাকে উপলব্ধি করেই তিনি চুপচাপ থেকেছিলেন। মিশরীয় বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে কোনো যুদ্ধে যায়নি। আমেনহোটেপ চতুর্থর আমল থেকেই তারা শুয়ে-বসে সময় কাটাচ্ছিল এবং আখেনাতেনের আমলে তো তাদের শরীরে রীতিমতো মেদভুঁড়ি জমে গেছে! সেনাবাহিনী যুদ্ধে অনভ্যস্ত ছিল এবং ভূমধ্যসাগরের উপকূল থেকে সারা মিশরে মহামারি ছড়িয়ে পড়ছিল। প্লেগের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে আসে দুর্ভিক্ষ। একজন নিম্নপর্যায়ের সেমাইট রাজা উপঢৌকন হিসেবে তামা পাঠানোর সময় ক্ষমা প্রার্থনা করে লেখেন, প্লেগের কারণে তার শ্রমিকবাহিনী সংখ্যায় অনেক কমে গেছে, ফলে খনি থেকে যথেষ্ট পরিমাণ ধাতুর উত্তোলন সম্ভব হয়নি।

    রাজকীয় পরিবারেও নেমে এসেছিল দুর্দশা। আখেনাতেনের শাসনামলের ১৪তম বছরে তার প্রথম ও প্রধান স্ত্রী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। অল্পদিন পরে ২য় স্ত্রীও দেহত্যাগ করেন। আখেনাতেনের ৩ জন মেয়ে ছিল, কিন্তু কোনো ছেলে ছিল না। সে-যুগের প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী, আখেনাতেন ঠিক করলেন একজন পুরুষ বংশধর পেতে শেষ ভরসা হিসেবে ৩ রাজকন্যাকে অন্তঃসত্ত্বা করতে হবে।

    দৈবক্রমে, তার এই কৌশল ব্যর্থ হয়। ৩ মেয়েই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন এবং মেজোমেয়ে প্রসবকালে মারা যান।

    আখেনাতেন তার বড়মেয়েকে তার এক দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দিলেন তড়িঘড়ি করে এবং সেই তরুণকে তার উত্তরাধিকারী ঘোষণা করলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে বড় রাজকন্যা মহামারির আঘাতে মারা গেলেন। অল্পদিন পরে অসুস্থ হয়ে বৃদ্ধ ফারাও নিজেও মেয়েকে অনুসরণ করলেন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, সেই অখ্যাত চাচাতো ভাই সিংহাসনে বসলেন। তবে তিনিও অল্পদিনের মাঝে মৃত্যুবরণ করলেন। পুরো রাজপ্রাসাদ ততদিনে মহামারিতে আক্রান্ত।

    সভাসদরা রাজা হিসেবে ৯ বছরের বালক তুতানখাতেনকে নির্বাচন করলেন। তার শরীরে কোনো রাজকীয় রক্ত ছিল কি না, তা খুবই অস্পষ্ট। তবে নিশ্চিতভাবেই তিনি আখেনাতেনের সন্তান ছিলেন না। সে সম্ভবত রাজপ্রাসাদে বেড়ে উঠেছিল। নয় বছর বয়সে তাকে তার বিদ্যালয়কক্ষ থেকে একপ্রকার ধরে এনে ফারাও বানিয়ে দেওয়া হল। সিংহাসনের দাবিকে দৃঢ় করতে তার সঙ্গে আখেনাতেনের একমাত্র জীবিত, ও সবচেয়ে ছোটমেয়ের বিয়ে দেওয়া হল, যে ছিল তার চেয়ে বয়সে অনেক বড়। সে রাজকন্যারও একটি মেয়ে ছিল, যার বাবা ছিলেন প্রয়াত আখেনাতেন।

    তুতানখাতেনের চারপাশে ছিল বিভিন্ন উপদেষ্টা ও সভাসদ, যারা মিশরকে উত্তরের দখল ছাড়তে দেখেছেন। তারা একইসঙ্গে দেখেছেন একদিকে মহামারিতে দেশের মানুষ মরে সাফ হয়ে যাচ্ছে, অপরদিকে আখেনাতেন আতেনের উদ্দেশে মন্দির নির্মাণে ব্যস্ত। তুতানখাতেন তার ৯ বছরের ছোট জীবনে নিজের চোখে পুরো রাজপরিবারকে একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছেন। তার কাছে সিংহাসনকে এক মৃত্যু-পরোয়ানা বলে মনে হলে খুব একটা অবাক হওয়ার কিছু নেই। এবং এর সঙ্গে ‘পুরাকালের দেব-দেবীদের’ অভিশাপকে দায়ী করলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।

    সুতরাং, তিনি উত্তরে সুপ্পিলুলিউমার যুদ্ধযাত্রাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করলেন এবং তার প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জরুরি বিষয়গুলোর সমাধানে মনোযোগ দিলেন। প্রথমেই তিনি তুতানখাতেন নাম পরিত্যাগ করে নিজের নতুন দিলেন তুতাংখ- আমুন বা তুতানখামুন। এই নামের মাধ্যমে তিনি প্রাচীন উপাস্য আমুনের প্রতি আবারও আনুগত্য প্রকাশ করলেন। তিনি তার উপদেষ্টাদের কথা অনুযায়ী সবধরনের স্মৃতিস্তম্ভ ও শিলালিপি থেকে আখেনাতেনের নাম মুছে ফেললেন। তার মূর্তিগুলোও ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা নিলেন। বৃহত্তম শহর আতেনের নতুন নাম হল আমারনা। এসব কাজ শেষ হওয়ার পর সময় এল আবারও বৈশ্বিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করার।

    মিটান্নিরা তখন আর কোনও হুমকির উৎস নয়। কিন্তু হিট্টিটরা তখন অত্যন্ত শক্তিধর হয়ে উঠেছে এবং তারা মিশরের উত্তরাঞ্চলের জন্য ঝুঁকি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছিল। আসসুর-উবাল্লিত আসসুর শহরে বসে সম্রাটের মতো আচরণ করছিলেন। মেসোপতেমিয়ার দক্ষিণ-অংশে ব্যাবিলনের কাসসাইট গোত্রপ্রধান বুর্নাবুরিয়াশ প্রথম সিদ্ধান্ত নিলেন প্রতিবাদ জানানোর। তিনি তরুণ তুতানখামুনের কাছে ফরিয়াদ জানালেন, নতুন রাজার উচিত আসসুর-উবালিতকে সম্মান না দেওয়া। এবং তার নিজেকে ‘মহান রাজা’ হিসেবে অভিহিত করা একেবারেই উচিত কাজ নয়। এছাড়াও, তুতানখামুনের উচিত নয় আসসুরের কাছ থেকে কোনো দূত বা বার্তা গ্রহণ করা, কারণ তাদের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির চর্চা করার কোনও অধিকার নেই। বুর্নাবুরিয়াশ বলেন, ‘আমি এসব অ্যাসিরীয় দূতদের আপনার কাছে পাঠাইনি। তাহলে কেন, তারা তাদের নিজেদের অধিকারবলে আপনার দেশে গেছে? যদি আপনার আমার প্রতি কোনো অনুরাগ থাকে, তাহলে তাদেরকে আপনি কোনো ছাড় দেবেন না। তাদেরকে ঘাড় ধরে খালিহাতে আমার কাছে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন।’

    তবে তুতানখামুন তার এই উপদেশ অবজ্ঞা করেন, কারণ অ্যাসিরীয় দূতরা সময়ে সময়ে মিশরের রাজসভায় ধর্না দিতে লাগলেন। আসসুর-উবালিত রাজার মতোই জীবন যাপন করতেন। তিনি তার পূর্ণশক্তি ধরে রেখে এক বিশাল সেনাবাহিনী তৈরি করলেন এবং প্রায় ৩০ বছর প্রবল প্রতাপের সঙ্গে রাজ্য শাসন করলেন।

    অবশেষে বুর্নাবুরিয়াশ বুঝতে পারলেন, অ্যাসিরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে তিনি মিশরকে পাশে পাবেন না। তখন তিনি অন্য এক কৌশলে আগালেন। তিনি আসসুর-উবালিতের কাছে প্রস্তাব পাঠালেন নিজের কন্যাসন্তানকে ব্যাবিলনের রাজপুত্র কারাইনদাসের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার। আসসুর-উবালিত সহজেই রাজি হয়ে গেলেন। তিনি ভাবলেন এই বিয়ে তার নতুন রাজত্বকে দক্ষিণের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেবে। মহাধুমধামে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হল। বুর্নাবুরিয়াশের ছেলে কারাইনদাস শিগগির পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন এবং দুই রাজ্য, অ্যাসিরীয়া ও ব্যাবিলনের দৈনন্দিন কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে চলতে লাগল।

    এই শান্তি ততদিনই টিকে ছিল, যতদিন বুর্নাবুরিয়াশ বেঁচে ছিলেন। তার মৃত্যুর ঠিক আগে, তিনি তার পুত্রের বদলে তার নাতিকে উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্ধারণ করে দিলেন। এই নাতি ছিলেন অর্ধেক অ্যাসিরীয় ও অর্ধেক ব্যাবিলনীয়। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন, মিশ্ররক্তের নাতি আসসুরের সিংহাসনেও বসতে পারবে কোনোদিন। সেক্ষেত্রে ব্যাবিলন ও আসসুর একই পতাকার নিচে চলে আসত।

    কিন্তু কোনোকিছুই তার পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। নাতিকে উত্তরাধিকারী বানিয়ে প্রকারান্তরে তিনি তার বিরুদ্ধে মৃত্যুপরোয়ানা জারি করলেন। সেনাবাহিনীর সদস্য কাসসাইটরা বিদ্রোহ করলেন। তাদের মতে, নতুন রাজার শরীরে দুই জাতের রক্ত মিশ্রিত ছিল এবং ব্যাবিলনের সিংহাসনে বসার কোনো অধিকার তার ছিল না। তারা প্রাসাদে আক্রমণ চালিয়ে তাকে হত্যা করেন এবং একটি সামরিক সরকারকে ক্ষমতায় বসান।

    এই পরিস্থিতিতে আসসুর-উবালিত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। সেসময় তার নেওয়া উদ্যোগগুলো সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা যায় না। অল্পকিছু চিঠি ও শিলালিপি থেকে ধারণা করা যায়, তিনি তার নাতির হত্যাকারীকে খুঁজে বের করে হত্যা করেছিলেন। তারপর একজন নতুন রাজার হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়। তবে এই রাজা কে ছিলেন, তা আর আজ সুনির্দিষ্টভাবে বলা যায় না। এমনকি, এই রাজার ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আসসুর-উবালিতের ভূমিকা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

    তবে এটুকু হলফ করে বলা যায়, অ্যাসিরীয়া ব্যাবিলনের কর্তৃত্ব দখল করার কোনো চেষ্টা করেনি।

    শেষপর্যন্ত একজন কাসসাইট রাজা (খুব সম্ভবত বুর্নাবুরিয়াশের সবচেয়ে ছোটছেলে) শহরের সিংহাসনে বসেন। এসব গোলযোগের একপর্যায়ে কারাইনদাসকেও সম্ভবত হত্যা করা হয়।

    অ্যাসিরীয় ও ব্যাবিলনীয়দের বিবাহবন্ধনের মাধ্যমে একত্রীকরণই সে-যুগের একমাত্র উদ্ভট বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল না।

    এক যুগেরও কম সময় ক্ষমতায় থেকে হঠাৎ করে, অপ্রত্যাশিতভাবে তুতানখামুন মারা গেলেন। তবে তিনি ঠিক কীভাবে মারা গেলেন, তা কখনোই কেউ জানতে পারেনি। হয়তো তিনি তিরের আঘাতে দেহত্যাগ করেন। তবে তাকে অনেক শানশওকতের সঙ্গে সমাধিস্থ করা হয়।

    হয়তো তার পূর্বসূরিদের কবরও তার মতোই ঐশ্বর্যে ভরপুর ছিল। তবে অন্যদের মতো, তার কবরটি লুটপাট হয়নি। অন্তত ১৯২২-এর নভেম্বরের আগে না।

    তার কোনো সন্তান ছিল না। স্ত্রী আখেসেনামুন দুইবার অন্তঃসত্ত্বা হয়েছিলেন, তবে দুবারই তিনি মৃত সন্তানের জন্ম দেন। অশেষ যত্নের সঙ্গে মৃত দুই সন্তানকে বাবা তুতানখামেনের পাশে মমিকরণের পর কবর দেওয়া হয়েছিল।

    স্বামীর মতো আমুনকে সম্মান জানাতে নিজের নাম বদলিয়েছিলেন আখেসেনামুন। তার স্বামীর অকালমৃত্যুতে তিনি পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েন। তার কোনো ছেলেমেয়ে ছিল না এবং পুরো রাজপরিবারে কোনো পুরুষ-আত্মীয়ও ছিল না। স্পষ্টতই, তিনি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

    মিশরের রাজসভায় উচ্চাভিলাষী মানুষের অভাব ছিল না। তাদের মাঝে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন তার নিজের নানা, ‘এই’। এই ছিলেন আখেনাতেনের মুখ্যমন্ত্রী। তুতানখামুনের উপদেষ্টা হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন এবং তখনও তিনি বহাল তবিয়তে রাজসভার সদস্য রাজপ্রাসাদে জীবন যাপন করছিলেন। তিনি ছিলেন একজন বৃদ্ধ ও সন্দেহজনক চরিত্র। কাকে কোথায় সমাধিস্থ করা হয়েছে, তার খুঁটিনাটি তার নখদর্পণে ছিল। সেনাপ্রধান হোরেমহেবও সমপর্যায়ের শক্তিমান ছিলেন। তিনি আমেনহোটেপ তৃতীয়র আমল থেকে সেনাবাহিনীতে কাজ করে আসছিলেন। যদিও দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফারাওর সেবায় নিয়োজিত ছিলেন, তার বয়স তখনও ৪০-এর কোঠা পেরোয়নি। তার একমাত্র সীমাবদ্ধতা ছিল, তিনি ‘এই’ এর মতো কূটবুদ্ধিসম্পন্ন ছিলেন না।

    আখেসেনামুন এই দুইজনের ভয়ে অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়েন, এবং মরিয়া হয়ে এক ভয়ংকর পরিকল্পনা আঁটেন। তিনি হিট্টিট রাজা সুপ্পিলুইলিউমার কাছে চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেন তার যেকোনো একজন ছেলেকে মিশরে পাঠাতে। তিনি হলফ করে জানান, তিনি যদি এটি করেন, তাহলে আখেসেনামুন সেই সন্তানকে বিয়ে করে ফারাও বানাবেন।

    মিশরে এ চিঠির কোনো অনুলিপি খুঁজে পাওয়া যায়নি, যার অর্থ, এটি একটি গোপন ব্যবস্থা ছিল। হিট্টিটদের রাজধানী হাটুসাসের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা চিঠিতে লেখা ছিল

    ‘আমার স্বামী মারা গেছেন এবং আমার কোনো ছেলে নেই। কিন্তু আপনার অসংখ্য ছেলে আছে। আপনি যদি তাদের মধ্য থেকে একজনকে আমার কাছে পাঠান, তাহলে আমি তাকে স্বামী হিসেবে বরণ করে নেব। আমি চাইলেই আমার কোনো ভৃত্যকে স্বামী হিসেবে বেছে নিতে পারছি না এবং আমি খুবই ভীত।’

    এই চিঠি একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল, এবং এটি হাতে পেয়ে সুপ্পিলুলিউমা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। হ্যাঁ, মিশরের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু এতটা তিনি প্রত্যাশা করেননি। তার নিজস্ব নথিতে প্রকাশ, চিঠি পেয়ে তিনি বেশ কয়েকজন গুপ্তচরকে দক্ষিণে পাঠান। তাদের কাজ ছিল যাচাই করা, আখেসেনামুন-এর প্রস্তাবে কোনো মিথ্যাচার লুকিয়ে আছে কী না। গুপ্তচররা যখন খবর আনলেন যে প্রকৃতপক্ষে মিশরের মসনদের কোনো পুরুষ দাবিদার নেই, তখন সুপ্পি লিউমা প্রস্তাব মেনে নিলেন এবং তার এক সন্তানকে দক্ষিণে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করলেন।

    তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, হিট্টিট রাজপুত্র কখনোই তার হবু স্ত্রীর মুখ দেখার সুযোগ পাননি। হোরেমহেব মিশরের সীমান্তে তাকে অভ্যর্থনা জানানোর ব্যবস্থা করেন। আখেসেনামুনের প্রস্তাবে একমত পোষণ করে সুপ্পিলুলিউমা একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সে চিঠি ও তার পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য ততদিনে আখেসেনামুন সবাইকে জানিয়েছেন, এবং তাতেই সব ভেস্তে যায়।

    ১৩ বছর বয়স থেকে সেনাবাহিনীতে কাজ করে হোরেমহেব এটুকু বুঝেছিলেন, সবসময় সম্মুখযুদ্ধ প্রত্যাশিত ফল এনে দেয় না এবং এতে ঝুঁকির পরিমাণও বেশি।

    হিট্টিট রাজপুত্র এক বদ্বীপের ওপর দিয়ে তার বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান।

    এরপর মিশরের মসনদকে ঘিরে ঠিক কী ধরনের দরকষাকষি চলেছে, তা অজানা। তবে এ ঘটনার পরপরই এই তার প্রয়াত নাতির স্ত্রীকে বিয়ে করে নিজেকে ফারাও হিসেবে ঘোষণা করলেন। তার প্রথম কাজ ছিল সুপ্পিলুলিউমাকে চিঠি লিখে জানানো, রাজপুত্রের মৃত্যুর সঙ্গে তার কোনো যোগসূত্র নেই। তিনি এ ঘটনার পুরো দায় হোরেমহেবের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন। সুপ্পিলুলিউমা এ ঘটনা বিশ্বাস না-করলেও পুত্রের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার মতো কোনো সুযোগ তিনি পাননি। তিনি সেনা নিয়ে দক্ষিণে যাত্রা করার আগেই হিট্টিটদের ঘাঁটিতে মহামারি আক্রমণ করল এবং সর্বকালের সর্বসেরা হিট্টিট রাজা দেহত্যাগ করলেন।

    অল্পদিনের মাঝে ‘এই’ বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেলেন। ৪ বছরও তিনি দেশ শাসন করতে পারেননি। প্রত্যাশিতভাবেই, ‘এই’-কে কবর দেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই হোরেমহেব নিজেকে ফারাওর পদে অধিষ্ঠিত করলেন। তবে তার আমলে আখেসেনামুনের কপালে কী ঘটে, সে-বিষয়টি পুরোপুরি রহস্যময়। বস্তুত, মিশরের ইতিহাসে বৃদ্ধ ‘এই’-কে বিয়ে করার পর আর কখনোই তার বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }