Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৬. প্রচলিত ব্যবস্থার বিনির্মাণ

    অধ্যায় ৭৬ – প্রচলিত ব্যবস্থার বিনির্মাণ

    খ্রিস্টপূর্ব ১৫৭ থেকে ১২১ সালের মাঝে রোমানরা কার্থেজ ধ্বংস করে, দাসদের বিদ্রোহ দমন করে এবং প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বানচাল করে।

    ততদিনে রোমের সঙ্গে কার্থেজের বাণিজ্য আবারও শুরু হয়েছে। উত্তর- আফ্রিকার শহরটি স্বর্ণ-রুপা, মদ ও যবের ভালো উৎস ছিল। ফলে দুই শহরের মধ্যে অস্বস্তিকর হলেও কার্যকর শান্তি বজায় ছিল।

    তবে দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ শেষে কার্থেজের অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে যায়। যুদ্ধের শর্তমতে নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী হারিয়ে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে এই শহর, বিশেষত অন্যান্য হানাদারের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে সবচেয়ে ভীতিকর ছিল আফ্রিকার নুমিদিয়া রাজ্য। কার্থেজের নিচে, উত্তর-আফ্রিকার উপকূলে এই শহরের অবস্থান ছিল।

    নুমিদিয়ার রাজা মাসিনিসা ছিলেন রোমের মিত্র। তিনি কার্থেজের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেনা-সহায়তা পাঠিয়েছিলেন। বিনিময়ে রোম তাকে তার উত্তর- আফ্রিকার রাজত্ব বিস্তারে সাহায্য করে। যেহেতু শর্তমতে কার্থেজ রোমের কোনো মিত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করতে পারত না, সে-সুযোগে ধীরে ধীরে কার্থেজীয় ভূখণ্ড দখল করে নিচ্ছিলেন মাসিনিসা।

    ১৫৭ সালে বর্ষীয়ান রোমান কূটনীতিক মার্কাস কাতোর নেতৃত্বে একদল প্রতিনিধি উত্তর-আফ্রিকায় যেয়ে নুমিদিয়াসকে হুঁশিয়ারি দেন—কার্থেজকে নাজেহাল না করতে। তবে কাতো ছিলেন চরম কার্থেজ-বিরোধী। তিনি কার্থেজ সফর থেকে ফিরে এসে জানান, কার্থেজ আবারও অস্ত্র, ঐশ্বর্য জোগাড় করে শক্তি সঞ্চয় করছে। ভবিষ্যতে তারা রোমের জন্য আবারও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    তবে রোমের সব সিনেট সদস্য কাতোর দাবিতে সুর মেলাননি। তারা মত দিলেন, ৮০ বছর বয়সি কাতো আগের দিনের আতঙ্ক আবারও জাগিয়ে তুলতে চাইছেন। কিন্তু কাতো বাকি সিনেটরদের বিরক্ত করতে শুরু করলেন। তার সব বক্তব্যের শেষে বলতেন, ‘পরিশেষে, আমি বলতে চাই, কার্থেজকে পুরোপুরি ধ্বংস করা উচিত।’

    কিছুটা বাধ্য হয়েই সিনেট বাধ্য হল বারবার কার্থেজকে তাদের বিশ্বস্ততার প্রমাণ দিতে বলতে। অবশেষে, একপর্যায়ে রোম দাবি করল কার্থেজীয়দেরকে তাদের পুরনো শহর ছেড়ে চলে যেতে, অন্তত ১০ মাইল দূরে নতুন করে শহর নির্মাণ করে নিতে।

    স্বভাবতই এই অন্যায় দাবি মেনে নেয়নি কার্থেজ। ১৪৯ সালে উত্তর- আফ্রিকার উপকূলের উদ্দেশে রোমান জাহাজ রওনা হল—তাদের নেতৃত্বে ছিলেন স্কিপিও অ্যামেলিয়াস; আমাদের অতিপরিচিত স্কিপিও আফ্রিকানাসের নাতি।

    তিন বছরের যুদ্ধ শুরু হল। এই যুদ্ধকে কখনো কখনো তৃতীয় পিউনিক যুদ্ধ বলা হয়। এই যুদ্ধের শুরুর দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে কাতো মারা যান। অনেক রোমান তাকে স্মরণ করেন এভাবে, ‘ইনিই সেই ব্যক্তি যিনি কার্থেজের বিরুদ্ধে তৃতীয় ও শেষ যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন।’

    কার্থেজই রোমের একমাত্র সমস্যা ছিল না। স্পার্টা আগের মতো প্রভাবশালী ছিল না। আচাইয়ান লিগের অন্যান্য শহরগুলো তাদেরকে বেশ ঝামেলায় ফেলছিল। লিগের সিদ্ধান্তে অখুশি হয়ে স্পার্টা সরাসরি রোমের কাছে আপত্তি জানানোর সিদ্ধান্ত নিল। ততদিনে গ্রিক উপদ্বীপে খুব সম্ভবত প্রকৃত শক্তিমত্তার একমাত্র উদাহরণ ছিল রোম। তবে লিগের বাকি দেশগুলো তাৎক্ষণিকভাবে আইন পাস করল—রোমের কাছে কোনো আবেদন জানানোর এখতিয়ার থাকবে শুধু লিগের, কোনো সদস্য-দেশ আলাদা করে আবেদন করতে পারবে না।

    স্পার্টা এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাল। তারা অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যুদ্ধের হুমকি দিল। রোমে দুইপক্ষের কাছ থেকে বেশকিছু চিঠি গেল। রোমের এক দূত মেসিডোনিয়ায় একটি সমস্যা সমাধান করছিলেন। তিনি দুইপক্ষকে চিঠি দিয়ে অপেক্ষা করার আদেশ দিলেন। কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে গেছে। ১৪৮ সালে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল।

    পরের বছর রোমের কূটনীতিকরা পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে এলেন। তারা করিন্থ শহরে আলোচনার আয়োজন করে স্পার্টার পক্ষে রায় দিলেন। এতে করিন্থিয়ানরা প্রচণ্ড রাগে ফেটে পড়ল। তারা স্পার্টানদের মতো দেখতে যে- কাউকে নির্বিচারে হত্যা করা শুরু করল। রোমের কর্মকর্তারাও এই গোলযোগের মাঝে পড়ে পিটুনি খেলেন।

    স্বভাবতই, রোমান দূতরা বিষয়টিকে ভালোভাবে দেখেননি। দেশে ফিরে এমনভাবে এই মারধরের বর্ণনা দিলেন, যা শুনে সবাই ধরে নিল, তাদেরকে হত্যার চক্রান্ত করেছিলে অ্যাথেন্সবাসী।

    প্রতিক্রিয়ায় রোমান নৌবহর গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করল। সঙ্গে ছিল ২৬ হাজার সেনা, তিন হাজার ৫০০ ঘোড়সওয়ার। এই বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন কনসাল মুমিয়াস। আচাইয়ান লিগের শহরগুলো তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারল না। এক করিন্থীয় সেনাপতির আওতায় তারা যুদ্ধ করলেও খুব শিগগির রোমান আগ্রাসনে তারা সবাই পালিয়ে করিন্থ শহরে চলে গেলেন। মুমিয়াস করিন্থে আগুন ধরিয়ে দিলেন আর রোমান সেনারা তাদের সেনাবাহিনীকে পদদলিত করল।

    পরিশেষে রোম সমগ্র গ্রিসকে দখল করে নিল।

    পলিবিয়াসের মতে, গ্রিক শহরগুলোই এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

    যেখানে এককালে কার্থেজের অবস্থান ছিল, সেখানে রোমের প্রদেশ ‘উত্তর-আফ্রিকায়’ সৃষ্টি করা হল। রোম তার নাগালের মধ্যে থাকা সব প্রাচীন ক্ষমতাধর সাম্রাজ্যকে গ্রাস করে নিয়েছিল— পার্থিয়া, মিশর এবং সেলেউসিদের যা অবশিষ্ট ছিল।

    তবে সাম্রাজ্য আরও বাড়ানোর আগে রোমের অভ্যন্তরীণ কিছু কোন্দল মেটানোর প্রয়োজন দেখা দিল। নানা যুদ্ধের সাফল্যে রোমে হাজারো বিদেশি বন্দি এসে হাজির হয়েছিল। এরা রোমের বিভিন্ন প্রদেশে দাস হিসেবে অবস্থান করছিল।

    রোমে এই দাসদের বিরুদ্ধে খুবই নির্দয় আচরণ করা হত। যদিও আইন মতে, দাসদের মালিক তাদেরকে মুক্তি দিলেই তারা রোমের নাগরিক হয়ে যেতেন, কিন্তু আদতে এ-ধরনের ঘটনা তেমন একটা হতোই না।

    একপর্যায়ে দাসরা বিদ্রোহ করে বসল। প্রথম এন্না শহরের ৪০০ দাস একত্রিত হয়ে তাদের মালিককে হত্যা করল। মালিক ছিলেন অত্যন্ত নির্দয়। তারা সেই মালিকের বাড়ির সব সদস্যকে হত্যা করল—শিশুসহ। শুধু একটি মেয়ে প্রাণে বেঁচে গেল, কারণ সে তার পিতার দাসদের প্রতি দয়া দেখিয়েছিল।

    এ ঘটনার পর তারা তাদের মধ্যে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজনকে নেতা হিসেবে নির্বাচন করল। ইউনুস নামের এই দাস-নেতা তিনদিনের মাঝে (ডিওডোরাস বলেন) ছয় হাজারের বেশি দাসকে অস্ত্রে সজ্জিত করলেন। তার অধীনে প্রায় ১০ হাজার দাস যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হল। এবার তিনি রোমান সেনাপতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রার কথা বিবেচনা করতে লাগলেন।

    খুব শিগগির এই বিদ্রোহে অন্যান্য দাস-নেতারাও সেনাপতি হিসেব যোগ দিতে লাগলেন। প্রথম দাসযুদ্ধে প্রায় ৭০ হাজার থেকে দুই লাখের মতো দাস যোগ দিল। রোমের অন্যান্য অংশে এবং বেশ কয়েকটি গ্রিক শহরেও এই বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠল।

    অনেকে এই বিদ্রোহের সুযোগ নিয়েছিল, বিশেষত সিসিলিতে, যেখানে দাসরা সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিলেন। প্রায় তিন বছর ধরে চলে এই বিদ্রোহ।

    শুধু সিসিলি নয়, রোমের বেশিরভাগ প্রদেশেই ধনী ও গরিবের মধ্যে সম্পদে আকাশ-পাতাল ফারাক দেখা দিয়েছিল। রোম প্রায় সারাক্ষণই যুদ্ধ-বিগ্রহে মেতে ছিল। ফলে প্রতি বছর হাজারো পদাতিক সেনা যুদ্ধে যেতেন। যুদ্ধশেষে খুব অল্প পরিমাণ অর্থ নিয়ে এবং অনেকক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ হয়ে ফিরতেন তারা। পরবর্তীকালে এসে আর চাষাবাদে ফিরতে পারতেন না। ঋণ-দেনায় কাটত তাদের জীবন।

    অপরদিকে বণিকরা নতুন বাণিজ্যপথের সুবিধা নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে খুব ভালো করছিলেন। সরকারি কর্মকর্তারাও নতুন নতুন ভূখণ্ডের কর থেকে পাওয়া অর্থে আগের তুলনায় বেশি বেতন পাচ্ছিলেন।

    অধিকৃত ভূখণ্ডের ব্যবস্থাপনায় রোম যে কৌশল অবলম্বন করছিল, তা খুব একটা উন্নত ছিল না। প্রায় ২০০ বছর পর ‘সিভিল ওয়ারস’ নামের বইতে ইতিহাসবিদ আপিয়ান ইতালীয় ভূখণ্ডের অধিকৃত ভূখণ্ড শাসনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত লেখেন।

    রোমানরা একের পর এক ইতালীয় গোত্রকে পরাভূত করে তাদের ভূখণ্ডের অংশবিশেষ দখলে নেয়। যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো বিক্রি বা ইজারা দেওয়ার সময় ছিল না তাদের হাতে। এ-ধরনের ভূখণ্ডই পরিমাণে বেশি ছিল। তড়িঘড়ি করে রোমানরা আইন তৈরি করল, যারা এ-ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত ভূখণ্ড অধিগ্রহণ করে সেখানে উৎপাদন করতে চায়, তারা তা করতে পারে—শর্ত হল, মোট উৎপাদনের বা উপার্জনের একটি অংশ রোম সরকারকে দিতে হবে। ধনীরা অর্থ ও পেশিশক্তি কাজে লাগিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে এ-ধরনের পতিত জমিগুলোর দখল নিয়ে নেয়।

    এসব ক্ষতিগ্রস্ত জমিকে ফসল ফলানো বা অন্যান্য কাজের উপযোগী করে তুলতে ভূমি-মালিকদের অনেক শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ল। তবে রোমান আইন বলছে, এরকম নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের যেকোনো সময় সেনাবাহিনীতে ডাকা হতে পারে। তবে এই আইনের ব্যতিক্রম ছিল দাসরা। আপিয়ান বলেন, ‘এ কারণেই ধনীরা বেশি করে দাস কিনে নিয়ে বা সংগ্রহ করতে লাগল, আর দেশজুড়ে দারিদ্র্য, করের বোঝা ও সামরিক বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা বাড়তে লাগল।’

    এই দুর্বল পরিকল্পনাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সমালোচক ছিলেন টাইবেরিয়াস সেমপ্রোনিয়াস গ্রাচ্চাস নামে এক ট্রিবিউন। তিনি এই পুরো ব্যবস্থাকে ‘হাস্যকর’ বলে অভিহিত করতে লাগলেন। তিনি জনসম্মুখে দেওয়া বিভিন্ন বক্তৃতায় উল্লেখ করলেন, ‘একদিকে রোমান জেনারেলরা যুদ্ধক্ষেত্রে নিজ মাতৃভূমির জন্য লড়তে বলছেন আর অপরদিকে সেই একই সেনারা তাদের নিজেদের ঘরবাড়ি হারাতে বসেছেন দারিদ্র্যের কশাঘাতে। তারা যুদ্ধ করছে, মারাও পড়ছে, কিন্তু তা শুধু অন্যদের ধনসম্পদকে সুরক্ষিত রাখার জন্য। তাদেরকে বিশ্বের প্রভু বলা হচ্ছে, কিন্তু আদতে তারা তাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতাটুকুও অর্জন করতে পারছে না।

    টাইবেরিয়াস গ্রাচ্চাস কিছু সংস্কারের প্রস্তাব দিলেন। স্বভাবতই, তা ধনীদের বিপক্ষে গেল। তারা টাইবেরিয়াসের এই প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার জন্য অন্যান্য ট্রিবিউনদের অনুপ্রাণিত করলেন। এতে কোনো বাধা ছিল না। হালের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মতো এই ট্রিবিউনদেরও যেকোনো প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা ছিল।

    এক্ষেত্রে টাইবেরিয়াস প্রথম ট্রিবিউন হিসেবে রোমের সংবিধান লঙ্ঘন করলেন। তিনি বেশকিছু সরকারি সেবা বন্ধ করে দিয়ে বললেন, তার প্রস্তাবে ভোট দেবে দেশের জনগণ। দেশের ভালোর জন্য এ-কাজ করলেও তিনি এক বিপজ্জনক উদাহরণ সৃষ্টি করছিলেন। তিনি তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে সংবিধানকে কাঁচকলা দেখাচ্ছিলেন। গণভোটে এই প্রস্তাব পাস হল। তিনি তার শ্বশুর ও ছোটভাইকে এই আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিলেন।

    তবে শুধু তার সহকর্মী ট্রিবিউন নয়, দেশের সাধারণ মানুষও তাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে লাগল। মূলত, ট্রিবিউনদের নিয়োগ দেওয়া হয় দেশের মানুষের স্বার্থরক্ষার জন্য। কিন্তু সেই ট্রিবিউনরা যদি স্বেচ্ছাচারী আচরণ করেন বা আইনের ঊর্ধ্বে চলে যান, তাহলে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে ট্রিবিউনরা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েন।

    এই পরিস্থিতিতে ট্রিবিউনদের পুনর্নির্বাচনের দিন বড় আকারে গোলযোগ ছড়িয়ে পড়ে। ১৩২ সালে তার বিরুদ্ধে একধরনের বিপ্লব, বিদ্রোহ বা বিক্ষোভ দেখা দেয়। নিজের সহকর্মী, সাধারণ মানুষ ও অন্যান্যরা টাইবেরিয়াসকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। ৩১ বছর বয়সি ট্রিবিউন টাইবেরিয়াসের পাশাপাশি এই ঘটনায় আরও প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত হন।

    টাইবেরিয়াস গ্রাচ্চাসসহ সবার মরদেহ তিবার নদীতে ছুড়ে ফেলা হয়। আপিয়ান বলেন, ‘তিনি প্রাণ হারালেন। কারণ তিনি একটি অসামান্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আইনকে হেয় করেছিলেন।’

    ৭৬.১ দাস বিদ্রোহ

    একই বছরে সিসিলির প্রথম দাস বিদ্রোহের অবসান ঘটে। কনসাল পাবলিয়াস রুপিলিয়াস নির্দয়ভাবে এই বিদ্রোহ দমন করেন। তিনি তাউরোমেনিয়াম শহরে বিদ্রোহীদের নেতৃবৃন্দকে হত্যা করেন।

    অবস্থা বেগতিক দেখে শহরবাসীরা আত্মসমর্পণ করেন। তা সত্ত্বেও রুপিলিয়াস দাসদের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন করেন এবং তাদেরকে পাহাড়ের ওপর থেকে ছুড়ে ফেলে হত্যা করেন। তিনি দাসদের রাজা ইউনুসকে আটক করে সিসিলির এক কারাগারে আটকে রাখেন। সেখানে তিনি পচে গলে মারা যান।

    টাইবেরিয়াস গ্রাচ্চাসের মৃত্যুর ৮ বছর পর তার ভাই গাইয়াস গ্রাচ্চাস (বয়সে ৯ বছর ছোট) ট্রাইবুন হওয়ার নির্বাচনে অংশ নেন।

    জুনিয়র ট্রাইবুন হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। নির্বাচিত হয়েই তিনি তার ভাইয়ের মতো কিছু সংস্কারের প্রস্তাব আনেন, যা আরও অনেক বেশি সাহসী ছিল। তিনি প্রস্তাব করেন, সব সরকারি জমিগুলোকে দরিদ্রদের মাঝে ভাগ করে দেওয়া হোক। এছাড়া, সব পদাতিক সেনাকে সরকারের পক্ষ থেকে পোশাক দেওয়া, ইতালীয়দের রোমের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার দেওয়া এবং আরও প্রায় অর্ধ-ডজন বৈপ্লবিক সংস্কারের কথা বলেন গাইয়াস, যেগুলো প্রচলিত রোমান প্রথা থেকে যোজন যোজন দূরে।

    কিন্তু কনসালরা এসব সংস্কারে রাজি হননি। বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ গাইয়াস তার নিজের সমর্থকদের জমায়েত করে ‘কনসালদের বাধ্য’ করতে উদ্যত হলেন। ফলে দুই পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষ এক রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নিল।

    গাইয়াস গ্রাচ্চাস এই খণ্ডযুদ্ধে নিহত হলেন। হত্যাকারীরা এক কনসালের কাছে তার ছিন্নমস্তক এনে হাজির করলেন। ট্রফির মতো সাজিয়ে রাখা হল তার মাথা। এই রায়টে আরও তিন হাজার রোমান নিহত হলেন। এবারও মরদেহগুলো তিবারে নিক্ষেপ করা হল।

    টাইবেরিয়াস গ্রাচ্চাসের মৃত্যু হয়েছিল গদা ও কাঠের তক্তার লড়াইয়ে। কিন্তু তার ভাই মারা গেলেন তরবারি-যুদ্ধে।

    দুই পক্ষ ভবিষ্যতের সংঘাতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }