Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৭. উন্নয়নের সমস্যাগুলো

    অধ্যায় ৭৭ – উন্নয়নের সমস্যাগুলো

    ১১৮ থেকে ৭৩ সালের মাঝে রোমের সব মিত্ররা নাগরিকত্বের দাবি জানান। হান রাজবংশ সাম্রাজ্যবিস্তারে অনেক অর্থ খরচ করে। সুল্লা ও মারিয়াস রোমের অভ্যন্তরে ক্ষমতার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়।

    গ্রাচ্চি ভাইদের বিপর্যয়ের পর এটুকু পরিষ্কার হল যে, আইন করে দারিদ্র্য ও ভূমিহীনতার মতো সমস্যাগুলোর সমাধান করা যাবে না। ট্রিবিউন, কনসাল ও বিচারক, বিভিন্ন যাচাই-বাছাই ও অন্যান্য নীতিমালাসমৃদ্ধ হয়েও রোমান সংবিধান দেশটিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট ছিল না। ধনীদের ইচ্ছাশক্তি ও জনপ্রিয়দের কারিশমায় পাল্লা যেকোনো সময় বিপরীতদিকে হেলে পড়তে পারে। প্রায় প্রত্যেক রোমান বক্তা “কার্থেজ ধ্বংসের আগের” স্বর্ণযুগের স্মৃতিচারণা করতে লাগলেন। সেসময় পরিস্থিতি আরও ভালো ছিল। রোমান ইতিহাসবিদ সালুস্ট বছরকয়েক পরে লেখেন, ‘কার্থেজ ধ্বংসের আগে পর্যন্ত জনগণ ও সিনেট সরকারি দায়িত্বগুলো শান্তিপূর্ণভাবে ভাগ করে নিত এবং যে যার মতো ধৈর্যধারণ করত। শত্রুরা ক্ষমতা বা গৌরবের জন্য প্রতিযোগিতা করত এবং শত্রুরা রোমকে সমীহ করে চলত। যার মাধ্যমে পুরো রাজ্যের মনোবল চাঙা থাকত।’

    তবে অনেকের মতেই, এই তথাকথিত ‘স্বর্ণযুগ’ শুধু রোমানদের কল্পনায় ছিল। তা সত্ত্বেও, সেসময় রোম সমাজকে লোভ, দুর্নীতি, গর্ব, অশ্লীল আচরণ ও উন্নয়ন থেকে আসা অন্যান্য অশুভ বিষয়গুলো আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছিল। এসবের ফলে আসে নতুন এক যুদ্ধ, যার নাম জাগারথাইন যুদ্ধ।

    উত্তর-আফ্রিকায় নুমিদিয়ার রাজা মাসিনিসা তার সন্তান মিকিসপার কাছে মসনদ ছেড়ে দিলেন। মিকিসপার ছিল দুই পুত্রসন্তান ও এক ভাইপো, যার নাম জুগুরথা। এই জুগুরথা সিংহাসনের উত্তরাধিকারীদের তালিকায় ছিলেন না। তাই মিকিসপা তার জন্য সামরিক কেরিয়ার নির্ধারণ করে তাকে নুমিদিয়ার সেনাবাহিনীর দায়িত্ব দিয়ে স্কিপিও এমেলিয়াসের সঙ্গে লড়তে পাঠালেন। সেখানে যেয়ে যুদ্ধ না করে জুগুরথা রোমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করলেন। তারা তাকে আশ্বাস দিল, রোম সরকারকে ঘুস দিলে তারা তাকে তার চাচার সিংহাসনে বসাবে। সালুস্ট বলেন, ‘রোমে অর্থ খরচ করলে যেকোনো কিছুই কেনা যায়।’

    ১১৮ সালে মিকিসপার মৃত্যুর পর জুগুরথা জোর করে সিংহাসন দখল করলেন। তার আততায়ীরা এক চাচাতো ভাইকে হত্যা করল আর আধেরবাল নামে অপর ভাই দেশ ছেড়ে পালাল। যথারীতি ক্ষমতায় বসে তিনি রোমের দূতদের মাধ্যমে ঘুস হিসেবে সিনেটরদের কাছে স্বর্ণ ও রুপা পাঠালেন। এতে বেশ ভালো কাজ হল।

    আধেরবাল রোমে উপস্থিত হয়ে সাহায্য চাইলেন। কিন্তু দেখলেন ইতোমধ্যে রোম জুগুরথার অর্থে ‘কেনা হয়ে গেছে’। তা সত্ত্বেও, সিনেট রায় দিল, দুই চাচাতো ভাই মিলেমিশে রাজ্য শাসন করবে।

    আধেরবাল নুমিদিয়ায় ফেরার পর জুগুরথা তার বিরুদ্ধে লড়াই করলেন। তাকে তার নিজের রাজধানীতে আটক করলেন। এরপর নির্যাতন করে তাকে হত্যা করলেন।

    সিনেটের পক্ষে এই অবিচার সহ্য করা সম্ভব ছিল না। ১১১ সালে জুগুরথাকে শায়েস্তা করার জন্য একজন কনসাল পাঠানো হল নুমিদিয়ায়।

    তবে এই কনসালও অন্যান্য রোমান কর্মকর্তাদের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত ছিলেন—খুব সহজেই তাকে ঘুস খাইয়ে ফেরত পাঠালেন জুগুরথা।

    একের পর এক ঘুসের অভিযোগে রোমের সাধারণ জনগণ ফুঁসে উঠতে লাগল। অবশেষে ১০৯ সালে এক রোমান কর্মকর্তা সৎভাবে জুগুরথার বিষয়টি দেখভাল করতে গেলেন।

    তার নাম ছিল গাইয়াস মারিয়াস। তিনি ছিলেন একজন ‘নতুন মানুষ’। তিনি এমন এক পরিবার থেকে এসেছিলেন, যাদের আগের কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতা বা অর্থসম্পদের ইতিহাস নেই। রোমানরা তাকে বিপুল পরিমাণ সমর্থন দিল। দুই বছর তিনি উত্তর-আফ্রিকায় যুদ্ধ করলেন। ১০৭ সালে তিনি কনসাল নির্বাচিত হলেন।

    নির্বাচনের পর আরও ৩ বছর এই যুদ্ধ চলল। তিনি তার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লুসিয়াস কর্নেলিয়াস সুল্লার সহায়তায় জুগুরথাকে ফাঁদে ফেলে আটক করতে সমর্থ হলেন।

    জুগুরথাকে পিঠমোড়া করে বেঁধে রোমে নিয়ে আসা হল। এটা শুধু রোমের জয়ের প্রতীক ছিল না, বরং ছিল অভিজাতদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রোমের সাধারণ মানুষের সততার জয়। মারিয়াসকে রোমের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আখ্যায়িত করা হল। তারপর তিনি পরপর পাঁচ দফায় কনসাল নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    তবে এটা ছিল রোমের সংবিধানের লঙ্ঘন। সংবিধান মতে, একই ব্যক্তির বারবার কনসাল হওয়ার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু মারিয়াস জনগণের চোখের মণিতে পরিণত হন। এর আগেও সংবিধানকে পাত্তা না দিয়ে ধনীরা অনেক কিছু করেছে (গ্রাচ্চি ভাইদের কথা মনে করুন)। তাহলে মারিয়াস কেন এই সুবিধা পাবেন না।

    মারিয়াস স্বয়ং হাজারো ইতালীয় মিত্রদের রোমের নাগরিকত্ব দেন। যুদ্ধে তার প্রতি সমর্থন জানানোর পুরস্কার হিসেবে তিনি এই উপহার দেন তাদেরকে। তিনি ব্যাখা দেন, ‘আমি দুঃখিত। কিন্তু যুদ্ধের শব্দ আমাকে আইনের শব্দ শুনতে বাধা দিয়েছে।’

    কনসাল হিসেবে ষষ্ঠ মেয়াদ শেষে মারিয়াস বুঝতে পারলেন, সপ্তমবারের মতো জয়লাভ করা সম্ভব হবে না। তাই তিনি নিজেই অবসরে চলে গেলেন। জুগুরথাকে পরাজিত করার পর রোম আর কোনো যুদ্ধে অংশ নেয়নি। তবে যুদ্ধ খুব বেশিদূরে ছিল না।

    উপদ্বীপে অবস্থিত ইতালীয় শহরগুলোতে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে লাগল। দীর্ঘদিন ধরে তারা রোমের নাগরিকদের মতো ভোটাধিকারসহ পূর্ণাঙ্গ নাগরিক হতে চাচ্ছিল। কিন্তু সিনেট এ-বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি করছিল। রোমে সাধারণ মানুষের মাঝে শোষিত হওয়ার যে অনুভূতি ছিল, তা ইতালির সাধারণ মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে। লাতিনরা এবং অন্যান্য মিত্ররা রোমের কার্যক্রমে অংশ নিতে চাচ্ছিল। তারা শুধু রোমের নাগরিক নয়, বরং রোলের ক্ষমতায় অংশীদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চাইছিল। এই তথ্য জানিয়েছেন ইতিহাসবিদ জাস্টিন।

    কিন্তু সিনেট এতে রাজি হল না। ফলে রোম-বিরোধী অনুভূতি আরও চাঙ্গা হল। শুরুতে রোমান আচার ও লাতিন ভাষাকে পরিত্যাগ করতে শুরু করল মানুষ। তারা ইতালির প্রাচীন ভাষায় কথা বলা শুরু করল। ইতিহাসিবিদ ই.টি. স্যালমন জানান, এই আমলের ইতালীয় শিলালিপিতে অসংখ্য প্রাচীন শব্দের ছড়াছড়ি দেখা যায়। এরপর ইতালির বেশ কয়েকটি শহর ‘ইটালিয়া’ নামে একটি জোটের অন্তর্ভুক্ত হল। খ্রিস্টপূর্ব ৯১ সালে ইতালীয়রা আসকুলাম শহরে এক রোমান কর্মকর্তাকে হত্যার পর যুদ্ধ শুরু হল।

    এই অদ্ভুত যুদ্ধের নাম দেওয়া হল ‘সোশ্যাল ওয়ার’। এটা গৃহযুদ্ধ হলেও কিছু ভিন্নধর্মী ছিল। এতে রোমের মূল বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে লড়লেন পরবর্তীতে রোমের বাসিন্দায় পরিণত হওয়া বিদেশিরা। রোম ধীরে ধীরে ইতালীয় শহরগুলোকে পরাজিত করে আবারও নিজেদের কুক্ষিগত করতে লাগল। ৯০ সালে জুলি সিজারেস গোত্রের এক অভিযাত, কিন্তু দরিদ্র কনসাল এমন এক কৌশল অবলম্বন করলেন, যা প্রায় এক শতাব্দী আগে গাও জু সফলভাবে প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। যারা এই বিদ্রোহে যোগ দিতে অস্বীকার করল, তাদেরকে তিনি নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রলোভন দিলেন। বাকি বিদ্রোহী শহরগুলোকে দমন করতে রোমান সেনাবাহিনী প্ৰস্তুত হল।

    উত্তরের শহরগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানে নেতৃত্ব দিতে প্রায় ৭০ বছর বয়সি মারিয়াস অবসর ভেঙে ফিরে এলেন। তিনি মনেপ্রাণে উচ্চাভিলাষী হলেও তার ভগ্নশরীর এতে সায় দেয়নি। তিনি ধীরে চলাফেরা করতেন, সিদ্ধান্ত নিতেন অনিশ্চয়তার সঙ্গে এবং পরিশেষে, অসুস্থ শরীরের কারণে আর আগাতেই পারলেন না তিনি। দ্বিতীয়বারের মতো অবসর নিলেন মারিয়াস।

    মারিয়াসের সাবেক সহযোগী, সেই লুসিয়াস কর্নেলিয়াস সুল্লা এই সোশ্যাল যুদ্ধে বেশ ভালো করলেন। তার বয়স মারিয়াসের চেয়ে ২০ বছর কম ছিল এবং তিনি দক্ষিণের অভিযানের দায়িত্বে ছিলেন। একের পর এক বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে তিনি রোমবাসীদের কাছে ‘মহান নেতার’ তকমা পেলেন।

    খ্রিস্টপূর্ব ৮৮ সাল নাগাদ সোশ্যাল যুদ্ধ শেষ হল এবং রোম আবারও এই উপদ্বীপের অধিকর্তা হল। ইতালীয় শহরগুলো পূর্ণ রোমান নাগরিকত্বের অধিকার পেল।

    সুল্লা কনসাল পদে নির্বাচন করে খুব সহজেই জিতে গেলেন। তিনি ভেবেছিলেন তাকেই বছরের সবচেয়ে বীরত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া হবে। উত্তর-পশ্চিমের রাজত্ব পনটাসের রাজা ইউপাটর ডাওনিসিউস এশিয়া মাইনরের আরও ভূখণ্ড ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছিলেন।

    ৭৭.২ পনটাস

    এই অভিযানে সুল্লা ছাড়া অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা কারও মাথায় একবারের জন্যেও আসেনি। বস্তুত তিনি ৩৫ হাজার সেনা নিয়ে পনটাসের কাছাকাছি এক জায়গায় প্রস্তুতিও নিতে শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এতে বাদ সাধলেন মারিয়াস।

    কমবয়সি, সাবেক সহযোগীর একের পর এক সাফল্যে পরশ্রীকাতরতায় ভুগছিলেন মারিয়াস। তিনি সিনেটের কাছে দাবি করলেন তাকে এই অভিযানের দায়িত্ব দিতে। ততদিনে তিনি বর্ষীয়ান, নিয়মিত অসুখে ভোগেন এবং স্থুল হয়ে পড়েছেন।

    অনেক রোমান তার এই প্রস্তাবকে হেসে উড়িয়ে দিতে চাইলেও মারিয়াস ছিলেন একজন পাকা রাজনীতিবিদ। তিনি এক ট্রিবিউনকে ঘুস দিলেন। সালপিকাস নামের এই ট্রিবিউন ‘অ্যান্টি-সিনেট’ নামে একটি সেনাদল গঠন করে মোটামুটি অস্ত্রের মুখেই সিনেটকে রাজি করালেন মারিয়াসকে এই দায়িত্ব দিতে। একইসঙ্গে তিনি সুল্লার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মারিয়াসের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য দুইজন ট্রিবিউনকে পাঠালেন।

    কিন্তু ট্রিবিউনদের দেখামাত্র তাদেরকে পাথর ছুড়ে মেরে ফেলল সুল্লার বাহিনীর সদস্যরা।

    প্লুটার্ক বলেন, ‘বহু বছর ধরে রোমের চকচকে পৃষ্ঠের নিচে একধরনের অসুস্থতা ছড়িয়ে পড়ছিল। এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এই রোগ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ল।’

    পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধ শুরু হল রোমে। রোমে মারিয়াস, সালপিকাস ও তার সশস্ত্র যোদ্ধারা সুল্লা ও তার বন্ধুদের হত্যা করতে উদ্যত হল। সিনেটররা তাদের প্রাণের ভয়ে সুল্লাকে আরেকটি বার্তা পাঠিয়ে তার সেনাবাহিনীসহ আত্মসমর্পণ করার অনুরোধ জানানলেন। পরিবর্তে সুল্লা তার বাহিনীকে জমায়েত করে রোমের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করলেন।

    এটা ছিল রোমের সংবিধানের আরও একটি বড় আকারের লঙ্ঘন। রোমের ভেতর প্রাচীরে ঘেরা পনেরিয়াম নামের অভ্যন্তরীণ অবস্থানটি ছিল সবধরনের ঝগড়া-বিবাদ ও গোলযোগ মুক্ত। এটা ছিল শুধুই সিনেটের এলাকা। কিন্তু সুল্লার চিন্তাধারা হল, মারিয়াস ইতোমধ্যে সালপিকাসের সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়োগ দিয়ে এই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন।

    সুল্লার কয়েকজন কর্মকর্তা পনেরিয়ামে হামলা চালাতে অস্বীকার করল। তিনি তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বাকিদের নিয়ে এগিয়ে গেলেন। সিনেট তাকে অনুরোধ করল প্রাচীরের বাইরে অপেক্ষা করতে, যাতে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান করা যায়। কিন্তু ততক্ষণে রাগে অন্ধ হয়ে গেছেন সুল্লা। তিনি হাতে মশাল নিয়ে তোরণ দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়লেন। শত্রুদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি। প্লুটার্ক বলেন, ‘দিক্‌বিদিকজ্ঞান হারিয়ে সর্বত্র অগ্নিসংযোগ করতে লাগল সুল্লা ও তার বাহিনী। নির্দোষ ও দোষী, উভয়ই আগুনে পুড়তে লাগল।’

    মারিয়াস উত্তর-আফ্রিকায় পালালেন। সালপিকাসকে আটক করা হল। এরপর সুল্লা ও তার বাহিনীর নেতৃত্বে সিনেটের অধিবেশনে সালপিকাসকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হল। মারিয়াসকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল তার অনুপস্থিতিতে।

    সুল্লা একদিকে একনায়কের মতো আচরণ করছিলেন, আবার অপরদিকে তিনি সিনেটের মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

    তবে একনায়কের আসন থেকে এক পা পিছিয়ে কনসাল নির্বাচনের আয়োজন করলেন সুল্লা। এতে জয়ী হলেন কুচিয়াস সিনা। তিনি সুল্লার বন্ধু না হলেও সহকর্মীর প্রতি বিশ্বস্ততা দেখানোর এবং সিনেটের আদেশ মেনে চলার অঙ্গীকার করলেন।

    সিনার কাছে শহরের দায়িত্ব দিয়ে সুল্লা এশিয়া মাইনরের দিকে রওনা হলেন। তারপর পূর্বে পনটাসের দিকে যুদ্ধযাত্রা করলেন।

    পৃথিবীর অপরপ্রান্তের মহান সাম্রাজ্যটিও দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল। রোমের সোশ্যাল ওয়ারের মতো চীনের শাসক সম্রাট উদি তার ৫০ বছরের শাসনামলের শেষে এসে শিশুংনুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ করে এনেছিলেন। শিয়ংনু তখনো হান ভূখণ্ড, পশ্চিমের জমি-জমা ও সিল্ক রোড দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল

    ১০১ সাল নাগাদ হানদের সেনাপতি লি কুয়াঙ্গকে চীনের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া হল। তার লক্ষ্য ছিল উত্তর-পশ্চিমের ফেরগানা বা তাই’ইউয়ান দখল। প্রায় ত্রিশ বছর ধরে লি কুয়াং হান-সম্রাটদের পক্ষে যুদ্ধ করছিলেন। তার প্রথম সামরিক অভিযান ছিল সম্রাট ওয়েন্দির আমলে, সেই শিয়ংনুদের বিরুদ্ধেই।

    লি কুয়াং বেশ কৌশলী ছিলেন। একবার তিনি বেশ কয়েক হাজার শিয়ংনু সেনাকে ধোঁকা দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    ৭৭.৩ সিল্ক রোড

    রোমান সেনাপতিদের মধ্যে তখনো কৌশলগত চিন্তার বিষয়টি অতটা প্রচলিত ছিল না। তারা মূলত বড় আকারের সেনাবাহিনী এনে শত্রুকে বিনষ্ট করার কৌশল অবলম্বন করতেন। লি কুয়াং ফেরগানার চার বছরের যুদ্ধে এই কৌশল ভালোভাবেই কাজে লাগান।

    শিয়ংনু ফেরগানায় হামলা বরদাশত করতে পারেনি। তারা অপরদিক থেকে হান সেনাবাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। লি কুয়াং-এর প্রথম হামলা সফল হয়নি। যতক্ষণে লি কুয়াং ইউ-চেং শহরে এসে পৌঁছালেন, তার সঙ্গে কয়েক হাজারের বেশি সেনা ছিল না।

    এই সামান্য সেনা নিয়েই হামলা চালালেন তিনি, যা চরমভাবে ব্যর্থ হল। মূল সেনাবাহিনীর এক-পঞ্চমাংশ নিয়ে তাকে দেশে ফিরে আসতে হল।

    এই কাহিনি শুনে প্রচণ্ড রাগে ফেটে পড়লেন সম্রাট উদি। তিনি ফেরগানা থেকে হান অঞ্চলে আসার সড়কের মাথায় কিছু সেনা মোতায়েন করলেন। তার নির্দেশ, জেড তোরণ দিয়ে কেউ দেশে ফিরতে চাইলে তাদেরকে সেখানে কচুকাটা করা হবে। লি কুয়াং এই সংবাদে থেমে যেতে বাধ্য হলেন। সামান্য সেনা নিয়ে যুদ্ধেও যেতে পারছেন না, আবার দেশেও ফিরতে পারছেন না।

    প্রায় পুরো একটা গ্রীষ্মকাল তিনি কাটিয়ে দিলেন অনিশ্চয়তার মধ্যে।

    উদি ভেবেছিলেন, তার সাম্রাজ্যের সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তিনি রাজকোষ খালি করে ভাড়াটে সেনা জোগাড় করলেন। পাশাপাশি, কারাগারে বন্দি সব কয়েদিকে মুক্তি দিয়ে সেনাবাহিনীতে যুক্ত করলেন এবং উপঢৌকন হিসেবে পাওয়া সব সেনাদেরকেও জমায়েত করলেন। এই সম্মিলিত বাহিনীকে তিনি লি কুয়াং-এর কাছে পাঠালেন।

    তবে এবার আর আগেরবারের ভুলগুলো করেননি লি কুয়াং। ইয়-চেং-এর পর ফেরগানার শাসকের রাজধানী এর-শিহ শহরের পতন হল।

    চার বছরের অভিযান শেষে ফেরগানার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেল হান সাম্রাজ্য।

    ৮৭ সালে উদি মারা গেলেন। একই বছর সুল্লা এশিয়া মাইনরের দিকে যাত্রা করলেন। সিল্ক রোড তখনো খোলা ছিল, কিন্তু হানদের রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছিল এবং সেনাবাহিনী ছিল ক্লান্ত। পরবর্তী দুই হান সম্রাট ঝাওদি ও জুয়ানদি এই সাম্রাজ্যকে খুব বেশিদূর আগাতে পারেননি।

    ইতালীয় উপদ্বীপ থেকে সুল্লা সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিনাকে তার সহকর্মীরা শহর থেকে বের করে দিয়ে তোরণে তালা লাগিয়ে দিল। প্রাচীরের বাইরে দাঁড়িয়ে সিনা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হলেন। তিনি ভেতরে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশে সেনা সংগ্রহ করতে লাগলেন। খবর পেয়ে মারিয়াস উত্তর-আফ্রিকা থেকে সেখানে এসে সিনার সঙ্গে দেখা করলেন।

    রোমের কনসালদের অজনপ্রিয়তা ও ঘুসের সম্মিলিতি প্রভাবে কিছুদিনের মাঝেই সিনা ও মারিয়াসকে রোমে ফেরার আমন্ত্রণ জানানো হল।

    মারিয়াস তার ব্যক্তিগত ধনসম্পদ ব্যবহার করে উত্তর-আফ্রিকা থেকে ভাড়াটে সেনার একটি বড় দলকে নিয়োগ দিলেন। তিনি ও সিনা একটি বড় আকারের বাহিনী নিয়ে রোমে ফিরে এলেন এবং সহজেই তোরণ দিয়ে ঢুকে পড়লেন।

    রোমের ভেতরে ঢুকে মারিয়াসের মাথা খারাপ হয়ে গেল। অন্তত, ইতিহাসবিদরা সেরকমই বলেছেন। তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা বিনাবাক্যব্যয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটাতে লাগলেন। কেউ মারিয়াসকে অভিবাদন জানালে তিনি যদি কোনো উত্তর না দিতেন, তাহলে তৎক্ষণাৎ তাকে হত্যা করা হত। এভাবেই চলছিল এই উন্মাদনা।

    একপর্যায়ে সিনাও শঙ্কেত হয়ে পড়লেন।

    অপরদিকে সুল্লা তখন এশিয়া মাইনরের দখল ফিরিয়ে নিচ্ছেন। রোমের এসব ঘটনার কথা তার কানে এসে পৌঁছালে তিনি সেনাবাহিনী নিয়ে ফিরতি যাত্ৰা শুরু করলেন।

    সুল্লা আসছে! এই হুংকারে রোমবাসী যেন নতুন করে জীবন ফিরে পেল। এতে আরও বড় আকারে প্রভাবিত হলেন মারিয়াস। তিনি অনিয়ন্ত্রিতভাবে মদ্যপান করতে লাগলেন। অল্প সময়ের মাঝে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন মারিয়াস। অবশেষে, খ্রিস্টপূর্ব ৮৬ সালের ১৭ জানুয়ারি নিজ বাড়িতে পাগলের প্রলাপ বকতে বকতে প্রাণ হারালেন তিনি।

    সুল্লা তখনও অনেক দূরে। সুতরাং আদতে মারিয়াসের এত উৎকণ্ঠিত হওয়ার কিছু ছিল না। ইতালি এসে পৌঁছালেন তিনি ৮৩ সালে। ইতোমধ্যে, সিনার ‘অরাজক’ শাসন থেকে বাঁচতে অনেকেই পালিয়ে সুল্লার কাছে এসে পৌঁছেছেন। সুল্লার মোকাবিলা করতে সিনা তার বাহিনীকে সুসংহত করে এগিয়ে গেলেন। কিন্তু পথিমধ্যে তারা বিদ্রোহ করল—মারা পড়লেন সিনা।

    মারিয়াস ও সিনার চেয়ে সুল্লার জনপ্রিয়তা বেশি ছিল, নিঃসন্দেহে। তা সত্ত্বেও রোমে এসে তাকে সংঘাতের মোকাবিলা করতে হল। মারিয়াসের ছেলে তার বাবার সমর্থকদের নিয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুললেন। কিন্তু সুল্লার সঙ্গে ছিল পম্পেই ও ক্রাসাস নামে দুই তরুণ সেনাপতি। এই ত্রিমুখী নেতৃত্ব বেশ কার্যকর হয়ে ওঠে।

    সুল্লা রোমে প্রবেশ করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ছয় হাজার কয়েদিকে তার সামনে ঠেলে দেওয়া হল-তারা সবাই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন। তিনি নির্দ্বিধায় এই ছয় হাজার কয়েদিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন। যখন তিনি সিনেটে বক্তব্য রাখছিলেন, তখন বাইরে এই কয়েদিদের হত্যা করা হচ্ছিল।

    প্লুটার্ক বলেন, ‘সুল্লা একটুও বিব্রত না হয়ে তার বক্তব্য চালিয়ে যান এবং শ্রোতাদের জানান, এসব হট্টগোলে কান না দিতে। কিছু অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।’

    এসব ঘটনায় রোমের সবচেয়ে বড় নির্বোধ ব্যক্তিটিও বুঝে গেলেন, তারা এক একনায়কের বদলে আরেক একনায়ক ডেকে এনেছেন।

    টাইবেরিয়াস গ্রাচ্চাসের মৃত্যুর পর থেকে প্রজাতন্ত্রে যে গোলযোগ শুরু হয়েছিল, তার আকার আরও বড় হয়েছিল। একনায়কদের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম ছিলেন শুধু একনায়করাই। মারিয়াস ও সিনার বন্ধু-বান্ধব, সহযোগীরা হয় মারা পড়লেন, নইলে পালিয়ে বাঁচলেন।

    সিনার তরুণ জামাতার নাম ছিল জুলিয়াস সিজার। তিনি পালিয়ে যেতে পারা ‘সৌভাগ্যবানদের’ অন্যতম ছিলেন। শুধু রাজনৈতিক কারণে নয়, সম্পদ দখল বা অন্যান্য ব্যক্তিগত কারণেও অনেকে মারা পড়লেন।

    সুল্লার দুই সহযোগীও কোনো অংশে কম নির্দয় ছিলেন না।

    পম্পেইর দায়িত্ব ছিল ইতালীয় উপদ্বীপ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া মারিয়াসের মিত্রদের খুঁজে বের করা। তিনি বিদ্রোহীদের সিসিলি ও উত্তর-আফ্রিকায় খুঁজে বের করেন এবং তাদেরকে হত্যা করেন। রোমে ফিরে তিনি তার জন্য বিজয় সংবর্ধনা আয়োজনের দাবি জানান।

    ইতোমধ্যে ক্রাসাস ব্যস্ত ছিলেন বাড়িতে বাড়িতে আগুন ধরানোর কাজে। যে বাড়িগুলো তিনি ও সুল্লা দখল করতে চাইতেন, সেগুলোতে যেয়ে আগুন ধরিয়ে দিতেন। বাড়িতে আগুন ধরার সঙ্গে সঙ্গে এক ‘জমির দালাল’ (সুল্লার নিয়োগ দেওয়া) এসে হাজির হতেন। তিনি বাড়ির মালিকের কাছ থেকে সস্তায় সেটি কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দিতেন। বাড়ির মালিক বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষতির পরিমাণকে ন্যূনতম রাখতে রাজি হতেন। ইতোমধ্যে সুল্লারই বেতনভুক্ত দমকল বাহিনীর সদস্যরা এসে আগুন নিভিয়ে ফেলতেন।

    রোম থেকে যা যা পাওয়া সম্ভব, তার সবকিছুই অর্জন করে সুল্লা অবসরে গেলেন। ৮০ বছর বয়সে নিজ দেশে ফিরে গেলেন তিনি। সেখানে এক নারীকে বিয়ে করলেন এবং এক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালেন তিনি—একই সময়ে। তবে সব মিলিয়ে তার স্বাস্থ্য ভেঙে পড়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সম্ভবত লিভার সিরোসিসে ভুগছিলেন।

    গুরুতর অসুস্থ হয়েও তিনি সুস্থ থাকার অভিনয় করে তার জীবনের শেষ বছরগুলো কাটাচ্ছিলেন। প্রজাতন্ত্রের অবস্থাও তার মতোই ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }