Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৯. সাম্রাজ্য

    অধ্যায় ৭৯ – সাম্রাজ্য

    খ্রিস্টপূর্ব ৪৪ থেকে ১৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে অক্টাভিয়ান (সিজারের উত্তরাধিকারী) প্রথম নাগরিক হলেন, পার্থিয়ানরা রোমের জীবনধারা মেনে চলতে অস্বীকার করল আর পুরো সাম্রাজ্যের মানুষ নিজেদের বুঝ দিতে লাগল যে, রোম তখনও একটি প্রজাতন্ত্র।

    সিনেটে তখনো জুলিয়াস সিজারের মরদেহ পড়ে আছে। এমন সময় সেখানে উপস্থিত হলেন মার্ক অ্যান্টনি। সময়মতো এসে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। তবে সিজারের মরদেহ যাতে নদীতে নিক্ষেপ করা না হয়, সে ব্যবস্থা করলেন তিনি।

    পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে অ্যান্টনি তার এক বন্ধুর বাসায় লুকিয়ে থাকলেন। দাসের ছদ্মবেশ ধারণ করে শহর থেকে পালালেন। অপরদিকে, ব্রুটাস ও কাসিয়াস সিজারের মৃত্যুকে একটি মর্মান্তিক, কিন্তু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে প্রচার করতে লাগলেন।

    সিনেটের পরবর্তী সভায় বড় আকারে সিজারের শেষকৃত্য আয়োজনের প্রস্তাব উঠল। তাকে এমনকি, স্বর্গীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে সম্মান দেওয়ার কথাও বলা হল। এসব উদ্যোগে রোম শান্ত রইল আর মার্ক অ্যান্টনি ফিরে আসার সাহস পেলেন। সিজারের কোনো মিত্রের কোনো ধরনের ক্ষতি করার কোনো চেষ্টা ছিল না কোথাও।

    তবে সিজারের উইল প্রকাশ পাওয়ার পর পরবর্তী কয়েক দিনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। জানা গেল, সিজার তার বিশাল সম্পদ রোমের সব নাগরিকদের মাঝে ভাগ করে দিয়ে গেছেন। তার মরদেহ রোমের সড়ক দিয়ে বহন করে নিয়ে যাওয়া হল—এতে সায় দিয়েছিলেন ব্রুটাস ও ক্যাসিয়াস। সম্মানজনক শেষকৃত্যের একটি অংশ ছিল এই কাজ। কিন্তু যখন রোমবাসীরা সিজারের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখলেন, তখন তারা ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। একটি বিক্ষোভ দানা বাঁধতে লাগল, আর এই আগুনে ঘি ঢাললেন মার্ক অ্যান্টনি।

    মার্ক অ্যান্টনির সঙ্গে ছিল একটি সেনাদল ও তার এক মিত্র মার্কাস অ্যামেলিয়াস লেপিদাস। লেপিদাস সিজার গল ও স্পেনের কাছাকাছি অঞ্চলের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। লেপিদাস তার নতুন দায়িত্বগ্রহণ করার সুযোগ পাননি।

    মার্ক অ্যান্টনি সিজারের শেষকৃত্যে একটি নাটকীয় ভাষণ দিলেন। তিনি সিজারের রক্তমাখা টোগা বের করে সবাইকে দেখালেন।

    এই দৃশ্য দেখে ক্রুদ্ধ জনতা হাতে মশাল নিয়ে রাস্তা নেমে এল। তারা ব্রুটাস আর কাসিয়াসকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকি দিতে লাগল।

    তবে রায়টের শুরুতেই তারা অ্যান্টিয়ামে পালিয়ে গেছেন। লেপিদাসের সহায়তায় মার্ক অ্যান্টনি সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিলেন। তিনি লেপিদাসকে পনটিফেক্স ম্যাক্সিমাস খেতাব দিলেন—রোমের প্রধান উপাসক।

    তবে শাসক হিসেবে মার্ক অ্যান্টনি জনপ্রিয় ছিলেন না। তার গ্রহণযোগ্যতা ও ছিল তলানিতে।

    নির্বাসিত ব্রুটাস রোমে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। অ্যান্টনির বদলে তাকে ক্ষমতা বসাতে সহযোগীর ভূমিকা পালন করছিলেন সিসেরো।

    তবে এসময় দৃশ্যপটে সিজারের উত্তরাধিকারী ও পালক পুত্র অক্টাভিয়ানের আগমন হল। তিনি ইতালি থেকে বেশ দূরে সামরিক দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু চাচার মৃত্যুসংবাদ শুনে বাড়ির পথে রওনা হলেন তিনি।

    সিসেরো অক্টাভিয়ানের সঙ্গে হাত মেলালেন। ফলে ব্রুটাস ক্ষমতার লালসা ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে অ্যাথেন্সে এক বন্ধুর বাড়িতে চলে গেলেন।

    সিজারের বন্ধু অ্যান্টনি সরাসরি তার ভাইপোর বিরোধিতা করতে পারলেন না। তবে অক্টাভিয়ানের আগমনকে তার কর্তৃত্বের প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখলেন তিনি। তিনি এই যুবককে নানাভাবে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা চালালেন। ট্রিবিউন পদে নির্বাচন করা থেকে তাকে বিরত রাখারও চেষ্টা চালালেন ‘চাচার বন্ধু’ অ্যান্টনি।

    মার্ক অ্যান্টনির সব শত্রুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে লাগলেন বুদ্ধিমান অক্টাভিয়ান। একপর্যায়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ল, মার্ক অ্যান্টনিকে হত্যার জন্য অক্টাভিয়ান আততায়ী পাঠাবেন। এতে দুইজনের সম্পর্কে বৈরীতা দেখা দিল।

    খ্রিস্টপূর্ব ৪৩ সালে মোদেনার যুদ্ধে মুখোমুখি হলেন অক্টাভিয়ান ও অ্যান্টনি এতে অক্টাভিয়ান জয়লাভ করলেও দুইজন কনসাল ও অসংখ্য সেনা হারালেন তিনি।

    অ্যান্টনি আল্পস যেয়ে সেখানে আবারো একটি সেনাবাহিনী গঠনে মন দিলেন। এ পর্যায়ে অক্টাভিয়ান তার চিন্তাধারা বদলালেন। তিনি বুঝলেন, যতদিন সিনেট ও সিসেরো প্রজাতন্ত্র ব্যবস্থার ফিরে আসার স্বপ্ন ধারণ করছে, ততদিন তারা তার পক্ষে আসবেন না। যদিও সিনেট তাকে সমর্থন দিয়েছিল, তা ছিল শুধু মার্ক অ্যান্টনিকে রোম থেকে তাড়ানোর জন্য। কিন্তু অক্টাভিয়ান প্রজাতন্ত্র চাননি, তিনিও তার চাচার মতো রাজসুলভ ক্ষমতা চেয়েছিলেন এবং এ-কাজে সিসেরো তাকে সহায়তা করবেন না।

    সিজারের পথ অনুসরণ করে তিনি মার্ক অ্যান্টনির সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করলেন।

    নভেম্বরে বোলোনার এক গোপন অবস্থানে দুইজন দেখা করে তিনদিন ধরে অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা করলেন। তারা দুইজন ও সঙ্গে মার্ক অ্যান্টনির মিত্র লেপিদাস মিলে আরেকটি ত্রিমুখী জোট বা ট্রায়ামভিরেট গঠন করলেন।

    তাদের মাঝে আনুষ্ঠানিক ও লিখিত চুক্তি হল।

    তারা প্রত্যেকে মিলে ৩০০ জনের একটি তালিকা বানালেন। এতে ছিলেন সিসেরো (অ্যান্টনির তালিকায়), অ্যান্টনির এক চাচা (অক্টাভিয়ানের তালিকায়) ও লেপিডাসের ভাই (লেপিডাস নিজেই তাকে হত্যা করতে চাইতেন)।

    তিন নেতা বড় এক সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে রোমে ফিরে এসে এই ৩০০ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে রোম দখল করে নিলেন। চুক্তি অনুযায়ী, তিনজন পুরো সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ ভাগ করে নিলেন

    অক্টাভিয়ান পেলেন পশ্চিম, অ্যান্টনি পূর্ব, আর লেপিদাস তার নিজের দখলে থাকা গল ও স্পেন হারিয়ে পেলেন সুদূর আফ্রিকা।

    লেপিদাসকে সাময়িকভাবে রোমের শাসনভার দিয়ে বাকি দুইজন ক্যাসিয়াস ও ব্রুটাসকে হত্যা করতে গ্রিসের দিকে রওনা হলেন।

    মেসিডোনিয়ায় ক্যাসিয়াস ও ব্রুটাস তাদের মুখোমুখি হলেন।

    যুদ্ধক্ষেত্রে অসুস্থ হয়ে বাড়ির পথে ফিরতে লাগলেন অক্টাভিয়ান। অ্যান্টনির বাহিনীর কাছে পরাজিত হলেন ক্যাসিয়াস। তারপর শত্রুর হাতে ধরা না দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। এরপর ব্রুটাসকেও ধ্বংস করলেন তিনি। অপরদিকে রোমান প্রদেশ সিরিয়ায় পার্থিয়ানরা হামলা চালাবে—এমন সংবাদ পেয়ে সেদিকে রওনা হলেন অ্যান্টনি।

    রাজা দ্বিতীয় ওরোদেসের নির্দেশে বড় এক বাহিনী যাচ্ছিল সিরিয়া দখল করতে। সিরিয়ায় রোমের নিয়োগ দেওয়া গভর্নর অ্যান্টিপ্যাটার বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার ছেলে হেরোদ তখন এই দায়িত্ব নিয়েছেন মাত্ৰ।

    ৪১ সালে সিরিয়া এলেন অ্যান্টনি। কিন্তু সম্ভাব্য পার্থিয়ান হামলার কথা ভুলে গেলেন তিনি। তিনি সেখানে ক্লিওপেট্রার সঙ্গে দেখা করলেন।

    ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সিরিয়াকে সুরক্ষা দেওয়ার বদলে আলেকজান্দ্রিয়ায় রওনা হলেন অ্যান্টনি।

    কয়েক মাস পরে, ৪০ সালে পার্থিয়ান হামলায় সিরিয়া কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারল না। হেরদ রোমে পালিয়ে গেলেন। তাকে না পেয়ে পার্থিয়ানরা সর্বোচ্চ উপাসক জুদিয়ার এথনার্ক হিরকানাসের দুই কান কেটে দিল। অঙ্গহানি হওয়ার ফলে তৎকালীন ইহুদি রীতি মতে তিনি সর্বোচ্চ উপাসকের পদ হারালেন।

    এই সাফল্যের পর ওরোদেসকে হত্যা করেন তার ছেলে চতুর্থ ফ্রাতেস। তাকেও তার ভাই ও বড়ছেলে মিলে হত্যা করল। ক্লিওপেট্রার কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে অ্যান্টনি রোমে ফিরে এলেন। তিনি অক্টাভিয়ানের সঙ্গে আলোচনায় বসলেন। ততদিন সুস্থ হয়েছেন অক্টাভিয়ান। পূর্বাঞ্চলে ফিরতে লাগলেন অ্যান্টনি।

    ৩৭ সালে পার্থিয়ানদের সিরিয়া থেকে ভাগিয়ে দিয়ে হেরদকে আবারও রোমের প্রতিনিধি-রাজা হিসেবে বসালেন তিনি। তিনি ছিলেন ইহুদিদের অসাম্প্রদায়িক রাজা—যার কাছে একইসঙ্গে উপাসনা ও শাসনের দায়িত্বভার ন্যস্ত হল।

    অপরদিকে, পশ্চিমে লেপিদাসকে নিশ্চিহ্ন করলেন অক্টাভিয়ান। বাকি দুই নেতার ব্যক্তিত্বের কাছে ম্লান হতে হতে বিরক্ত হয়ে পড়ছিলেন লেপিদাস।

    লেপিদাসের বাহিনী খুব সহজেই পক্ষ বদলে অক্টাভিয়ানের কাছে চলে এলেন। আপাতত রোমের সর্বময় ক্ষমতা অক্টাভিয়ান ও অ্যান্টনির কাছে রইল।

    তবে অ্যান্টনি তখন আর অত শক্তিশালী অবস্থায় ছিলেন না। পার্থিয়ার বিরুদ্ধে অভিযানে তিনি প্রচুর সমস্যায় পড়েন। মেদিয়া দখলের চেষ্টা চালিয়ে তিনি ২৪ হাজার পদাতিক সেনা ও চার হাজার ঘোড়সওয়ার হারান।

    ৩৪ সাল নাগাদ অ্যান্টনি হাল ছেড়ে দিলেন। তিনি ক্লিওপেট্রার কাছে ফিরে গেলেন। তার এই দেশত্যাগের ঘটনায় অক্টাভিয়ান সুযোগ পেলেন। তিনি অ্যান্টনিকে রোমের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করলেন এবং নিজেকে অ্যান্টনির আওতাধীন অঞ্চলের শাসক হিসেবে ঘোষণা দিলেন।

    খুব সহজেই সিনেটকে নিজের পক্ষে নিয়ে এলেন অক্টাভিয়ান। ৩২ সালে তিনি অ্যান্টনির উইলের তথ্য সিনেটের কাছে ফাঁস করলেন। জানা গেল, অ্যান্টনি তার সম্পদের বেশিরভাগ অংশ তার মিশরীয় সন্তানদের জন্য ছেড়ে যাবেন এবং তিনি তাকে মিশরেই সমাহিত করার অনুরোধ করেছেন। উইলের তথ্য ফাঁস করা অবৈধ হলেও এসব তথ্য জেনে সেটা নিয়ে আর সিনেট মাথা ঘামাল না। তারাও অক্টাভিয়ানের সঙ্গে সুর মিলিয়ে অ্যান্টনিকে বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করল।

    ক্লিওপেট্রার গর্ভে অ্যান্টনির যমজ সন্তান ছিল—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। অক্টাভিয়ান মন্তব্য করলেন, অ্যান্টনিকে ক্লিওপেট্রা ‘জাদু করেছে’।

    অ্যান্টনি এই খবর শুনে ইফেসাসে ৫০০ যুদ্ধজাহাজ, এক লাখ পদাতিক সেনা ও জুদিয়ার রাজা হেরদ সহ আরও কয়েকজন মিত্রসহ একটি সমীহ জাগানিয়া সেনাবাহিনী গঠন ক্রুলেন।

    অক্টাভিয়ানের নৌবাহিনীর সঙ্গে অ্যান্টনির বাহিনীর মোলাকাত হল গ্রিসের উত্তর উপকূলের কাছে অবস্থিত অ্যাক্টিয়ামে। সেখানে অক্টাভিয়ান অ্যান্টনির ৩০০ জাহাজ ধ্বংস করার পর তিনি ক্লিওপেট্রাকে নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে মিশরে ফিরে গেলেন।

    অ্যান্টনির বেশিরভাগ সেনা অক্টাভিয়ানের দলে যোগ দিল।

    অক্টাভিয়ান শীতকালে অ্যান্টনিকে শায়েস্তা করতে মিশরের উদ্দেশে রওনা হলেন।

    অক্টাভিয়ানের আসার খবর পেয়ে পেটের মধ্যে তলোয়ার ঢুকিয়ে আত্মহত্যা করলেন অ্যান্টনি। তবে সঙ্গে সঙ্গে মারা যাননি তিনি, দীর্ঘসময় ধরে রক্তক্ষরণের পর মারা যান তিনি। ক্লিওপেট্রাও আত্মহত্যা করেন। তবে তার মরদেহের পাশে

    কোনো ছোরা পাওয়া যায়নি বা তার শরীরে কোনো ক্ষতও ছিল না। পরে তার দাস-দাসীরা ধারণা করেন, খুব সম্ভবত তিনি স্বেচ্ছায় বিষাক্ত সাপের কামড় খেয়েছিলেন। বিষক্রিয়ায় মারা যান তিনি। আজীবন অক্টাভিয়ানের দাসত্ব বরণের চেয়ে এ-ধরনের মৃত্যু বেছে নেন তিনি।

    খ্রিস্টপূর্ব ৩০ সালে ক্লিওপেট্রা ও সিজারের সন্তানকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন অক্টাভিয়ান। সে মুহূর্তে তিনিই ছিলেন রোমের একক অধিপতি।

    খ্রিস্টপূর্ব ২৯ সালে অক্টাভিয়ান বিজয়মিছিলের আয়োজন করলেন। ততদিনে রোমের মানুষ যুদ্ধ-বিগ্রহে ত্যক্তবিরক্ত। অ্যাক্টিয়ামে অক্টাভিয়ানের বিজয় ছিল এক নতুন শুরু। পরবর্তীকালের ইতিহাসবিদরা বলেন, এই ঘটনার জেরে রোমান প্রজাতন্ত্রের মৃত্যু ঘটে এবং রোমান সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়। তবে অক্টাভিয়ান সেসময় দাবি করেন, রিপাবলিকের (প্রজাতন্ত্র) নবজাগরণ ঘটেছে।

    রোমের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পটভূমিকায় সিনেট ও অক্টাভিয়ান সমঝোতায় পৌঁছালেন। অক্টাভিয়ান চাইতেন ক্ষমতা, আর সিনেটের কাজ ছিল প্রজাতন্ত্রের ধারণাকে টিকিয়ে রাখা। কিন্তু সিনেট এটুকু বুঝেছিল যে, অক্টাভিয়ানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো ক্ষমতা তাদের নেই। আবার অক্টাভিয়ানও বুঝতেন যে, সিনেটকে বিলুপ্ত করে দিয়ে সাধারণ মানুষকে চটিয়ে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

    অক্টাভিয়ান নিজেই পরিস্থিতির একটি বর্ণনা দেন : ‘আমি গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানোর পর সবার সম্মতিতে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হই। আমার সেই ক্ষমতা থেকে আমি রাষ্ট্রকে রোমান সিনেট ও জনগণের নিয়ন্ত্রণভার ছেড়ে দিই।’

    এভাবে অক্টাভিয়ান প্রমাণ করলেন যে তিনি রিপাবলিকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রিপাবলিকও তাকে উদার হাতে নানা সুযোগ-সুবিধা দিল।

    কনসাল, ইমপেরাটরের পাশাপাশি আরেকটি উপাধি পেলেন তিনি- অগাস্টাস।

    পরবর্তীতে এই অগাস্টাস নামেই তিনি বেশি পরিচিত হন। অগাসটাসের কাছে সম্রাটের খেতাব না-থাকলেও ক্ষমতা ছিল পুরোপুরি।

    ২৩ সালে কনসাল পদে পুনর্নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হলেন না অগাস্টাস। একই বছরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন অগাস্টাস।

    খ্রিস্টপূর্ব ২০ সালে পার্থিয়ান রাজা চতুর্থ ফ্রাতেসের সঙ্গে সন্ধি করলেন অগাস্টাস। এই চুক্তির আওতায় ফ্রাতেস রোমের যুদ্ধবন্দিদের মুক্তি দিলেন। তবে রোমের কাছ থেকে কী পেয়েছিলেন, তার বর্ণনা পাওয়া যায় না। শুধু জানা যায়, অগাস্টাস তাকে একজন দাসী দিয়েছিলেন, যিনি খুব শিগগির তার প্রেমিকার ভূমিকা নেন।

    খ্রিস্টপূর্ব ১১ সাল নাগাদ অগাস্টাস সিনেটের বেশকিছু নিয়ম বদলে নিজের ক্ষমতা বাড়ালেন। আগের নিয়ম ছিল ৬০০ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৪০০ জনের কোরাম পূর্ণ না হলে কোনো কার্যক্রম চলবে না। তিনি এ নিয়ম রদ করলেন।

    একইসঙ্গে অগাস্টাস একজন উত্তরাধিকারী খুঁজে রাজবংশ সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছিলেন—একটি খুবই অপ্রজাতান্ত্রিক ধারণা।

    সিনেট তার উত্তরাধিকারীর মতামতে পুরোপুরি বিপক্ষে ছিল না। অগাস্টাসের মৃত্যুর পরপরই দেশে গোলযোগ নেমে আসুক, তা তারা চাইতেন না। কিন্তু একজন উত্তরাধিকারী, রোমের পরবর্তী ইমপেরাটর নির্বাচনের কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছিল না। এ ছাড়া, অগাস্টাসের কোনো পুত্রসন্তান ছিল না। তিনি তার জামাতাকে উত্তরাধিকারী বানাতে চেয়েছিলেন। ২৪ সালে তিনি তার ১৪ বছর বয়সি মেয়ে জুলিয়াকে তার ১৭ বছর বয়সি চাচাতো ভাই মারসেলাসের কাছে বিয়ে দিলেন। কিন্তু এক বছরের মাথায় মার্সেলাস মারা গেলেন। এরপর তার বাহিনীর এক কর্মকর্তা এগরিপ্পার সঙ্গে বিয়ে দিলেন মেয়ের। কিন্তু ১২ সালে এগরিপ্পাও মারা গেলেন।

    দুর্ভাগা মেয়েকে শান্তি না দিয়ে আবারও তাকে বিয়ে দিলে তার স্ত্রীর আগের ঘরের সন্তান তাইবেরিয়াসের কাছে।

    খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে সিরিয়ার প্রতিনিধি রাজা হেরোদ মারা গেলেন। তিনি তিন ছেলে ও এক সুবিশাল মন্দির রেখে গেলেন।

    অগাস্টাস হেরোদের কোনো এক সন্তানকে নতুন প্রতিনিধি-রাজা না-বানিয়ে প্যালেস্টাইনের তিন অংশে তিন ছেলেকে ক্ষমতা দিলেন।

    অপরদিকে পার্থিয়ান রাজা চতুর্থ ফ্রাতেসের সেই রোমান দাসীর ঘরে জন্ম নেওয়া সন্তানের বয়স ২০-এর কোঠায় পৌঁছালে তিনি রোমান কায়দায় তার বাবাকে হত্যা করলেন। পঞ্চম ফ্রাতেসের আমলের মুদ্রায় তাকে আর তার মাকে একসঙ্গে দেখা যায়, তবে সহ-শাসক বা সন্তান-মায়ের ভূমিকায় নয়, বরং খানিকটা প্রভু-রক্ষিতার ভূমিকায়। সে আমলে এ-ধরনের অনাচার খুব একটা অস্বাভাবিক ছিল না। শাসক হিসেবে এই দুইজন একেবারে জনপ্রিয় ছিল না। চার বছরের মাথায় পার্থিয়ানরা তাদেরকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয়।

    এরপর রোমের শিক্ষায় শিক্ষিত অপর এক সন্তান ক্ষমতা গ্রহণ করে নাম নেন প্রথম ভনোনেস।

    মাত্র চার বছরের মাথায় রোমের আশীর্বাদপুষ্ট প্রথম ভনোনেসকে হত্যা করে শাসনভার গ্রহণ করেন পার্থিয়ান দেশপ্রেমিক আরতাবানাস। রোমের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করছিল পার্থিয়া, কিন্তু তারা রোমের সবধরনের প্রভাব থেকে নিজেদের মুক্ত রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিল।

    ৪ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ অগাস্টাস উত্তরাধিকারী খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টা বাদ দিয়েছেন।

    জুলিয়ার নাতিরা বড় হয়ে রাজা হবে, এরকম ধারণা বা ইচ্ছে মনে পোষণ করলেও এ পরিকল্পনা কাজ করেনি। দুই নাতি অকালে মারা যায়, অপর একজন উন্মাদ হয়ে পড়েন। সেই তাইবেরিয়াসই টিকে থাকল। তিনি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবারের সদস্য করে নিলেন।

    ১৩ খ্রিস্টাব্দে টাইবেরিয়াসকে রোমের সেনাবাহিনীর দায়িত্ব দেওয়া হল। ১৪ সালের আগস্ট মাসে তাইবেরিয়াসের সঙ্গে যাত্রা করার সময় ৭৪ বছর বয়সি অগাস্টাস ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলেন। শয্যাশায়ী হয়ে পড়লেন তিনি।

    জীবনের শেষ মুহূর্তে তিনি স্বীকার করেন, প্রজাতন্ত্রের রক্ষাকর্তা হিসেবে তার ভূমিকা অভিনয় ছাড়া কিছুই ছিল না এবং সম্রাটের খেতাব না-নেওয়ার পেছনে এই অভিনয় ছাড়া আর কিছুই ছিল না। সবকিছুই তিনি করে গেছেন ‘দর্শকদের’ জন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }