Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮১. উত্তরাধিকারের সমস্যা

    অধ্যায় ৮১ – উত্তরাধিকারের সমস্যা

    ১৪ থেকে ৬৯ সালের মাঝে রোম সাম্রাজ্যে উন্মাদনা বাড়তে লাগল। শহরগুলোতে আগুন লাগল এবং খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের ওপর নির্যাতন নেমে এল।

    অগাস্টাসের মৃত্যুর পর ৫৪ বছর বয়স তাইবেরিয়াসের হাতে এল সর্বময় ক্ষমতা।

    তার পূর্বসূরির মতো সিনেটের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারেননি তাইবেরিয়াস। এমনকি, তার নিজের ‘অগাস্টাস’ বা ইমপেরাটর খেতাবের দায়িত্বগুলোও সুচারুভাবে পালন করেননি তিনি।

    অগাস্টাসের মৃত্যুর আগেই তিনি তার উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করেছিলেন—তার ভাইপো জার্মানিকাস। রাইনের সেনাদলের (রোমানরা এই প্রদেশের নাম দিয়েছিল জার্মানি এবং সেখানে বসবাসকারী কেল্ট গোত্রদের জার্মান বলে অভিহিত করা হত)।

    এবার তিনি জার্মানিকাসকে রোমে ফিরিয়ে এনে কনসাল বানালেন। এরপর তাকে সিরিয়া প্রদেশের গভর্নর করে পাঠালেন I

    কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর অল্প সময় পর মারা যান জার্মানিকাস। রেখে যান তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান ক্যালিগুলাকে। তাইবেরিয়াস তার নিজের সন্তান দ্রাসাসের বদলে ভাইপোকে বেছে নিয়েছিলেন।

    পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্রাসাস কনসাল ও সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী হলেন। কিন্তু ২৩ সালে তিনিও মারা যান। তিন বছর পর রোম ছেড়ে গেলেন হতাশ তাইবেরিয়াস। প্রথমে কামপানিয়া, তারপর ক্যাপ্রিতে গেলেন তিনি। সেখানে বসেই রোমের প্রশাসনিক কাজ চালাতে লাগলেন তিনি।

    সিনেট এরকম সম্রাট চায়নি। তারা চাইতেন রোমে একজন বলিষ্ঠ শাসক থাকবে, যার ভয়ে সম্ভাব্য গোলযোগ সৃষ্টিকারীরা ভয়ে থাকবে। কিন্তু তাইবেরিয়াস এসবে মনোযোগী ছিলেন না। রোমের শাসক হিসেবে অগাথ সম্পদের মালিক হয়ে তিনি মেতে রইলেন ভোগ-বিলাস ও বিকৃত যৌনাচারে।

    সিনেট দেশশাসনের কাজ চালিয়ে গেলেও গৃহযুদ্ধের দামামা বেজে উঠছিল।

    প্রিনসেপ, বা রোমের শাসকের ব্যক্তিগত রক্ষিবাহিনী বা প্রিটোরিয়ান গার্ডের কমান্ডার লুসিয়াস এলিয়াস সেজানাস ক্ষমতা দখলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাইবেরিয়াসের মৃত্যুর পরপরই তিনি এই কাজ করবেন বলে মনস্থ করেন।

    ৩১ সালে তাইবেরিয়াস দুইটি উদ্বেগজনক তথ্য জানলেন। সেজানাসের সঙ্গে তার মৃত সন্তান দ্রুসাসের স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল এবং তারা দুইজন মিলেই দ্রুসাসকে বিষপ্রয়োগের ষড়যন্ত্র করেছিল। তাইবেরিয়াস সেজানাসকে গ্রেপ্তার ও বিচারের আদেশ দিলেন। সেজানাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হল। এরপর একইভাবে অসংখ্য মানুষকে নানা দোষে শাস্তি দিতে লাগলেন তাইবেরিয়াস।

    তাইবেরিয়াস যখন রোমানদের বিরুদ্ধে নির্দয় আচরণ চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন গ্যালিলি শহরে এক ভ্রাম্যমাণ ধর্মপ্রচারকের আবির্ভাব হল, যিনি নিজেকে জিসাস (যিশু) নামে অভিহিত করতেন। তার বক্তব্যে জেরুজালেমের একটি বড় ও শক্তিশালী উপাসক দল বেশ বিরক্ত হল। শীর্ষ উপাসক ও এথনার্চের পদ প্রত্যাহারের পর তাদের কোনো রাজনৈতিক ক্ষমতা ছিল না। এ কারণে ধর্মীয় বিষয়ে কোনো ধরনের সমস্যা তারা মেনে নিতে চাইতেন না।

    যিশুর মুখ বন্ধ করার জন্য তাদের রোমের সাহায্যের দরকার ছিল। রোমের প্রতিনিধি রাজা হেরোদ অ্যান্টিপাসের সামনে তাকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক অপরাধে অপরাধী দেখানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন ইহুদি উপাসকরা। তারা যিশুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন, তিনি নিজেকে ‘ইহুদিদের রাজা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    কিন্তু রোমে তাইবেরিয়াসের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবহিত হেরোদ কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি। এমন কোনো উদ্যোগ তিনি নিলেন না, যা দেখে মনে হতে পারে তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করছেন। তিনি যিশুকে সরাসরি রোমান প্রোকিউরেটরের কাছে পাঠিয়ে দিলেন।

    এই প্রোকিউরেটরের নাম ছিল পন্টিয়াস পিলেট। তিনি নিজেও তাইবেরিয়াসের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন ছিলেন।

    তিনি দায়িত্বে থাকাকালীন প্যালেস্টাইনে কোনো ধরনের বিপ্লব ঘটলে তা ভালো কিছু হবে না, এটুকু বুঝেছিলেন।

    তিনি যিশুকে মৃত্যুদণ্ড দিতে রাজি হলেন। যখন পিলেট যিশুকে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি নিজেকে ইহুদিদের রাজা হিসেবে দাবি করছেন কি না, তখন জিসাস কোনো হ্যাঁ-না উত্তর দিলেন না। ফলে তাকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করার শাস্তি দেওয়া হল। এটা ছিল বিপ্লবীদের জন্য রোমানদের প্রচলিত শাস্তির বিধান।

    স্পার্টাকাসের অনুসারীরাও এই শাস্তি পেয়েছিলেন।

    ৩৬ সালে আবারও একদল বিপ্লবী ধার্মিকদের মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন পিলেট। কিন্তু এ ঘটনায় প্যালেস্টানে রোম-বিরোধী মতাদর্শ জনপ্রিয়তা পায়। পিলাটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিরিয়ার গভর্নর তাকে চাকরিচ্যুত করে রোমে ফেরত পাঠালেন।

    ৩৭ সালে তাইবেরিয়াসের মৃত্যু হয়। তাকে কেউ ঘুমের মধ্যে গলাটিপে হত্যা করেছিল।

    এই খবরে রোমবাসী আনন্দে সড়কে নেমে আসে। ‘তাইবেরিয়াসকে তিবারে ফেলে দাও’ বলে রব ওঠে চারপাশে।

    ততদিন যোগ্যতার ভিত্তিতে শাসক নিয়োগের ধারা থেকে পুরোপুরি পরিবারভিত্তিক উত্তরাধিকারে ফিরে গেছে রোম। তাইবেরিয়াসের পর শাসক হলেন মৃত জার্মানিকাসের সন্তান তরুণ ক্যালিগুলা। শাসক হওয়ার আগে তার পূর্বসূরিদের মতো তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য সরকারি পদে ছিলেন না ক্যালিগুলা।

    শাসক হিসেবে বেশ কুখ্যাতি অর্জন করেন ক্যালিগুলা। তবে তার শাসনামল নিয়ে ইতিহাসবিদদের মাঝে দ্বিমত রয়েছে। কেউ তাকে উন্মাদ রাজা বলেন, কেউ তাকে পুরনো প্রথার অনুসারী বলেন।

    অপরদিকে, রোমের পূর্বসীমান্তে তৃতীয় আরতাবানাসের নেতৃত্বে পার্থিয়া বেশ উন্নতি করছিল।

    সাবেক সেলেউসিদ সাম্রাজ্যের ভূমি আর্মেনিয়া ছিল পার্থিয়া ও রোমের মাঝে ‘নিরপেক্ষ’ অঞ্চল। অগাস্টাসের আমল থেকে আর্মেনিয়া ‘রোম দ্বারা সুরক্ষিত’ ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। এই অঞ্চলকে রোমের প্রভাবমুক্ত করে তার সন্তান আরসাচেসকে আর্মেনিয়ার ক্ষমতায় বসাতে চাইলেন আরতাবানাস।

    ৩০ সালের আশেপাশে আর্মেনিয়ায় ব্যর্থ হামলা চালালেন তিনি। এই যুদ্ধে স্কাইথীয় ভাড়াটে সেনাদের নিয়ে এগিয়ে গেলেন আরসাচেস, এবং পৈতৃক প্রাণটি হারালেন। কিন্তু আরতাবানাস হাল ছাড়েননি।

    রোমের কমান্ডার তাদের সীমান্তের এত কাছে যুদ্ধবিগ্রহ চাননি। তাই শান্তি- আলোচনার আহ্বান জানালেন তিনি।

    আদতে তৃতীয় আরতাবানাসও চাইছিলেন না রোমের সঙ্গে বিবাদে জড়াতে। কারণ পার্থিয়ার পূর্বসীমান্তে নতুন এক শত্রুর আবির্ভাব ঘটেছে—কুশান রাজত্ব। রোমের সঙ্গে তড়িঘড়ি করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করলেন তিনি।

    ইয়েঝি যাযাবরদের থেকে কুশানদের আগমন।

    খ্রিস্টাব্দ ৩০ সাল নাগাদ কুশান রাজত্বের রাজা হলেন কুজুলা কাদফিসেস নামে এক উচ্চাভিলাষী ব্যক্তি। তার বিষয়ে খুব বেশিকিছু জানা যায় না। কিন্তু তিনি ৫০ বছর রাজত্ব করেন। এবং এ সময়, তিনি পার্থিয়ার ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি করেন।

    কুজুলা কাদফিসেসের অধীনে কুশানদের প্রবৃদ্ধি হতে লাগল। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধিতে হঠাৎ করেই এল বাধা। গন্ডোফারনেস নামে এক যোদ্ধা পাঞ্জাব দখল করে কাবুল পর্যন্ত তার সাম্রাজ্য বিস্তার করলেন।

    তার বিষয়ে আমরা মূলত জানতে পারি প্রায় এক শতাব্দী পরে লেখা বই ‘দ্য অ্যাক্টস অব টমাস’ থেকে। এখানে টমাস দিদিমাস নামে যিশুর এক শিষ্যের যাত্রার কথা জানা যায়।

    জেরুজালেমে টমাস গন্ডোফারনেসের সঙ্গে দেখা করেন। ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর যিশু আবারও মৃতের দেশ থেকে ফিরে এসেছিলেন তার অনুসারীদের মাঝে এবং তাদেরকে নির্দেশ দেন সারাবিশ্বে তার ধর্মশিক্ষা ছড়িয়ে দিতে। টমাসের ভাগে পড়ে ভারতে যেয়ে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের দায়িত্ব। তিনি এই দায়িত্ব খুব একটা খুশি হতে পারছিলেন না। তবে তিনি স্বপ্নে দেখলেন যিশু তাকে বলছেন, ‘ভয় পেয়ো না টমাস। ভারতে যাও এবং (ধর্ম) প্রচার করো। আমার আশীর্বাদ আছে তোমার সঙ্গে।’ কিছুদিনের মাঝেই এক ভারতীয় বণিকের সঙ্গে দেখা হয় তার। আব্বানেস নামের এই বণিককে পাঠিয়েছিলেন রাজা গন্ডোফারনেস।

    টমাসের সঙ্গে গন্ডোফারনেসের দেখা হল। পরিশেষে গন্ডোফারনেস নিজেও খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজেকে ব্যাপ্টাইজ করেন।

    গন্ডোফারনেস আদতে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন কি না, সেটা নিয়ে বিতর্ক ছিল। কিন্তু এটুকু নিশ্চিত যে ‘সে আমল থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে খ্রিস্টধর্ম জনপ্রিয়তা পাচ্ছিল।

    ৪০ খ্রিস্টাব্দে ক্যালিগুলা নিজেকে দেবতার আসনে বসালেন। তিনি রোমজুড়ে নিজের মূর্তি নির্মাণ করালেন। জোসেফাস বলেন, ‘তিনি সবাইকে নির্দেশ দিলেন তার উপাসনা করতে এবং তাকে দেবতা হিসেবে বিবেচনা করতে।’ ক্যালিগুলার এই নির্দেশ সমগ্র রোম ভূখণ্ডের জন্য প্রযোজ্য ছিল, কিন্তু জেরুজালেমের ইহুদিরা বেঁকে বসলেন। তাদের ধর্মমতে কোনো মূর্তি বা ছবির উপাসনা করা নিষিদ্ধ, তাই তারা রোমান কমান্ডারকে অনুরোধ করলেন তাদেরকে যেন এ-ধরনের কোনোকিছুতে বাধ্য করা না হয়।

    পেট্রোনিয়াস নামের এই কমান্ডার একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি রোমে চিঠি পাঠিয়ে জানতে চাইলেন, ক্যালিগুলার মূর্তিপূজা করা কি আবশ্যক কি না।

    কিন্তু রাজধানী থেকে ফিরতি চিঠিতে তিনি অপ্রত্যাশিত সংবাদ পেলেন—ক্যালিগুলা আর নেই! প্রিটোরিয়ান গার্ডরা অবশেষে তাকে হত্যা করেছেন। তিনি তিন বছর ১০ মাস প্রিনসেপস ছিলেন।

    ক্যালিগুলার মৃত্যুসংবাদ আসার ২৭ দিন পর ‘মৃত ক্যালিগুলার’ কাছ থেক আরেকটি চিঠি এল। তিনি পেট্রোনিয়াসকে হুমকি দিয়েছেন—মূর্তিপূজা শুরু না হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। এই উন্মাদ-রাজার মৃত্যুসংবাদবাহী জাহাজটি বেশি দ্রুত ছিল বলে তার মৃত্যুর সুসংবাদ(!) আগে এসেছিল

    এ পর্যায়ে এসে সিনেট ঠিক করল, সেইসকল ক্ষমতা ও দায়িত্বের সমন্বিত কার্যালয় ‘প্রিনসেপস’ বিলুপ্ত করা হবে এবং পুরনো প্রজাতান্ত্রিক কর্মকর্তাদের মাঝে দায়িত্বগুলো আবারও বণ্টন করা হবে। এই উদ্যোগে দুইপক্ষ থেকে বাধা আসে। ক্যালিগুলার চাচা ক্লডিয়াস (মৃত জারমানিকাসের ভাই) প্রিনসেপ হতে চেয়েছিলেন। প্রিটোরিয়ান গার্ডদের ঘুস দিয়ে তিনি তার পক্ষে নিয়ে আসেন। এই অভিজাত সেনারা রোমের রাজনীতিতে ক্রমশ প্রভাবশালী হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে আসলে এই বাহিনীও বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।

    অল্পদিনের মাঝেই ক্লডিয়াস প্রিনসেপস, পন্টিফেক্স ম্যাক্সিমাস ও ইমপেরাটরের ক্ষমতা কুক্ষিগত করলেন। তিনি রক্ষীদের ঘুস দিলেন, ক্যালিগুলার হত্যাকারীদের ফাঁসি দিলেন এবং পরবর্তী কর্মপন্থা ঠিক করলেন।

    তিনি নিজের অবস্থান সুসংহত করতে দেশজুড়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা দিলেন। ক্যালিগুলা যেসব জমি ও সম্পদ জোর করে দখল করেছিলেন, সব ফিরিয়ে দিলেন। ক্যালিগুলা যাদেরকে রাজদ্রোহের সন্দেহে কারাবন্দি করেছিলেন, তাদের সবাইকে মুক্তি দিলেন তিনি।

    তবে এই পরিস্থিতি বেশিদিন চলেনি। ৪১ ও ৪২ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি নির্বিচারে রোমান সিনেটর ও অভিজাত পরিবারের সদস্যদের হত্যা করতে লাগলেন। কারও কাছ থেকে কোনো হুমকির আভাস পেলেই এই কাজ করতেন তিনি। এতে তার স্ত্রী মেসালিনা ইন্ধন জোগাতেন।

    ক্লডিয়াসের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল ব্রিটেনের রাজা কারাটাকাসের মোকাবিলা করা।

    ৪৩ সাল নাগাদ কারাটাকাস দক্ষিণে যথেষ্ট পরিমাণ ভূখণ্ডের দখল নিয়েছিলেন, যা রোমের জন্য হুমকি ছিল। ক্লডিয়াস তার চার লেজিওন সেনা সেখানে পাঠালেন।

    তারা কেন্টে এসে হাজির হলে কারাটাকাসের বাহিনী বিস্ময়ে হতবাক হল—এর আগে এত বড় বাহিনী দেখেনি তারা। খুব সহজেই সেখানে একটি ঘাঁটি তৈরি করে টেমস নদীর দখল নিল ক্লডিয়াসের বাহিনী। ক্লডিয়াস নিজেই তখন হাজির হলেন। ১৬ দিন ধরে তিনি হামলায় নেতৃত্ব দিলেন। দ্বিতীয় লেজিওন পশ্চিমে ক্লডিয়াসের আস্থাভাজন কমান্ডার ভেসপাসিয়ানের নেতৃত্বে এগিয়ে গেল। ব্রিটেনে রোমান কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা ছিল ক্লডিয়াসের আমলের সবচেয়ে বড় অর্জন।

    অল্পদিনের মাঝে ক্লডিয়াসকে ব্রিটেন ছেড়ে দেশে ফিরে আসতে হল। তার স্ত্রী মেসালিনা অপর এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে ফেললেন। চটে গিয়ে দুইজনকে হত্যা করল ক্লডিয়াস। এরপর তিনি ক্যালিগুলার ছোটবোন ও তার নিজের ভাগ্নী আগ্রিপ্পিনাকে বিয়ে করলেন। এর জন্য সিনেটের বিশেষ অনুমতি নিলেন তিনি। আগের ঘরের একটি ছেলে ছিল তার। লুসিয়াস ডমিশিয়াস নামের এই সন্তানকে দত্তক নিলেন ক্লডিয়াস আর তার নাম দিলেন নিরো।

    ৫১ সালে নিরোকে উত্তরাধিকারী নির্বাচন করলেন তিনি।

    ৫৪ সালে এক ডাক্তারের সহযোগিতায় ক্লডিয়াসকে হত্যা করলেন তার স্ত্রী। মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রিনসেপস হলেন নিরো।

    ক্লডিয়াসের মতো তিনিও প্রিটোরিয়ান গার্ডদের ঘুস খাইয়ে নিজের পক্ষে রাখলেন। তিনি সিনেটকে আশ্বাস দিলেন, তাদের কিছু ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবেন—যেমনটা চেয়েছিলেন অগাস্টাস। তার শিক্ষক সেনেকা এই বক্তব্য লিখে দিয়েছিলেন।

    ক্ষমতায় টিকে থাকতে ক্লডিয়াসের দেখিয়ে যাওয়া পথেই থাকলেন নিরো। ক্লডিয়াসের ছেলে ব্রিটানিকাস (মেসালিনার সন্তান) চার মাস পর রহস্যজনকভাবে মারা গেলেন। নিরো তার মায়ের রক্ষীবাহিনী ভেঙে দিলেন এবং তাকে রাজকীয় আবাস থেকে নির্বাসন দিলেন।

    প্রথম পাঁচ বছর সেনেকার নির্দেশনায় ভালোভাবেই রোম শাসন করলেন নিরো। কিন্তু তার বয়স ২০ হওয়ার পর থেকে তার মাঝে পাগলামির লক্ষণ দেখা দেয়।

    ৫৮ সালে তিনি তার বন্ধু অথোর স্ত্রী পপিয়ার প্রেমে পড়েন। তিনি অথোকে দূরের এক প্রদেশে পাঠিয়ে পপিয়াকে তার প্রাসাদে থাকার আহ্বান জানান। নিরো ইতোমধ্যে বিবাহিত ছিলেন, কিন্তু স্ত্রীর প্রতিবাদের মাঝেও তিনি এই কাজ করলেন।

    একের পর এক পাগলামি করতে লাগলেন নিরো। ৫৯ সালে তিনি তার মাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে এই প্রচেষ্টা তাৎক্ষণিকভাবে সফল হয়নি। তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে হত্যা করানোর ব্যবস্থা করেন। তারপর তার মাথা এনে পপিয়াকে উপহার দেন। এরপর তিনি অথোর সঙ্গে পপিয়ার বিবাহবিচ্ছেদ করান এবং তাকে বিয়ে করেন।

    ইতোমধ্যে রোমান সেনারা ব্রিটেনে তাদের ইচ্ছেমতো কাজ চালিয়ে গেলেন। কারাটাকাসের পুরনো রাজধানী কামুলোডানামের ওপর তারা নতুন এক শহর নির্মাণ করলেন।

    ব্রিটেনে একাধিক বিদ্রোহ ও যুদ্ধবিগ্রহের পর রোমান কমান্ডার পলিনাস সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।

    তবে নিরোকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো কেউ ছিল না। তিনি একের পর এক নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করেন, মদ খেয়ে মাতাল হন এবং তার বিলাসবহুল জীবনযাত্রার খরচ বহন করার জন্য প্রতিটি প্রদেশে করের বোঝা বাড়াতে থাকেন। তিনিও ক্যালিগুলার মতো রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মানুষকে যথেচ্ছ শাস্তি দিতে শুরু করেন।

    ৬৪ সালে রোমে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শহরের দরিদ্র অঞ্চলগুলোতে দ্রুত এই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বাতাসের প্রবল বেগে খুব দ্রুত এই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। শহরটিতে অসংখ্য শুষ্ক কাঠের তৈরি বাড়ি ছিল, যার ফলে আগুনের লেলিহান শিখা নজিরবিহীন উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ডিও ক্যাসিয়াস বলেন, ‘গলদের সেই আগ্রাসনের পর রোমে এরকম অগ্নিকাণ্ড কেউ দেখেনি’।

    ‘সমগ্র প্যালাটাইন হিল, তাউরাস থিয়েটার ও বাকি শহরের প্রায় দুই- তৃতীয়াংশ আগুনে পুড়ে যায়। অগণিত মানুষের প্রাণ যায়’, যোগ করেন তিনি।

    সেসময় শহরে ছিলেন না নিরো। কিন্তু তিনি এতটাই নির্দয় ছিলেন যে রোমে অনেকেই ভাবল তিনিই এই আগুনের জন্য দায়ী। গুজব ছড়িয়ে পড়ল, নতুন প্রাসাদ নির্মাণের জায়গা খুঁজে পেতে নিরো আগুন ধরিয়েছেন। কেউ বললেন, নিছক আমোদের জন্য তিনি এই কাজ করেছেন।

    কথিত আছে, নিরো শহরে ফিরে রোমজুড়ে আগুনের ধ্বংসযজ্ঞ দেখে নিজেকে সংবরণ করতে পারেননি, তিনি ছাদে উঠে বাঁশি বাজান আর গান গাইতে থাকেন।

    আগুন, পাগলামি ও রাজদ্রোহের বিচারের মতো বিষয়গুলো একদল সিনেটরকে প্রলুব্ধ করল নিরোকে হত্যা করার পরিকল্পনা আঁটতে। ৬৫ সালের এপ্রিলে এই ষড়যন্ত্রের বিষয়ে খোঁজ পেয়ে যান নিরো। জড়িত সিনেটরদের হত্যা করে আরও বেশি উন্মাদনায় মেতে উঠে নিরো।

    এরকম সময়ে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে নির্যাতন শুরু হয়। নিরোর জন্য তারা ছিলেন উৎকৃষ্ট বলির পাঁঠা। মনেপ্রাণে ঘৃণাও করতেন খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের।

    নিরো যখন কোনোভাবেই রোমে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার দায় থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারছিলেন না, তখন তিনি খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের দিকে অভিযোগের তির ছুড়লেন। বিভিন্ন অভিনব কায়দায় খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন ও হত্যা করতে লাগলেন।

    ৬৬ সালে নিরো এক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি আর্মেনিয়ার দখল ছেড়ে দিলেন। পার্থিয়ার তৎকালীন রাজা প্রথম ভলোগাসেস রোমের আধিপত্য মানতে রাজি হলেন না।

    নিরো পার্থিয়ার সঙ্গে সন্ধি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি ভলোগাসেসের ভাই তিরিদাতেসকে আর্মেনিয়ার রাজা হিসেবে মেনে নিলেন।

    নিরো আর্মেনিয়া ছেড়ে দেওয়ার দুই বছর পর প্রিটোরিয়ান গার্ডের ক্যাপ্টেন জানালেন তিনি হিসপানিয়ার গভর্নরকে সমর্থন জানাবেন। তিনি ছিলেন অভিজ্ঞ যোদ্ধা ও সাবেক কনসাল গালবা। রোমান সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণভার নিয়ে ইমপেরিয়ামের দখল নেবেন তিনি, এটাই ছিল প্রত্যাশা। হিসপানিয়ার পুরো বাহিনীর পাশপাশি পার্শ্ববর্তী প্রদেশের সেনারাও গালবার প্রতি আনুগত্য দেখালেন। পাশের এই প্রদেশের গভর্নর ছিলে ওথো, যার স্ত্রীকে নিরো জোর করে বিয়ে করেছিলেন এবং পরবর্তীতে হত্যাও করিয়েছিলেন।

    নিরো বুঝতে পারলেন, সেনাবাহিনীর সমর্থন ছাড়া তিনি তার সিংহাসন হারাবেন। তিনি পালিয়ে অসতিয়া বন্দরে চলে গেলেন। সেখানে জাহাজে উঠতে চাইলেও কোনো ক্যাপ্টেন তাকে তাদের জাহাজে আরোহণ করতে দিলেন না। বন্দর ছেড়ে শহরের বাইরে চলে গেলেও শিগগির প্রিটোরিয়ান গার্ডদের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে সম্মানজনক কাজ ছিল আত্মহত্যা। তারই এক সহযোগী তার হাত ধরে তার দেহে ছোরা ঢুকিয়ে দিলেন।

    ততদিনে রোমের শাসনভার বা ক্ষমতার পটপরিবর্তনের নেপথ্যের নায়ক হয়ে উঠেছে প্রিটোরিয়ান গার্ডরা। ৭০ বছর বয়সি গালবার এ-বিষয়ে কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা না-থাকলেও তিনিই নিরোর স্থলাভিষিক্ত হলেন।

    তবে অন্য প্রিনসেপের মতো সেনাবাহিনীকে ঘুস দিতে রাজি হলেন না গালবা। অবধারিতভাবে, প্রিটোরিয়ান গার্ডরা তাকে কৌশলে হত্যা করে ওথোকে সামনে ঠেলে দিলেন।

    সিনেট অনিচ্ছাসত্ত্বেও ওথোকে ইমপেরাটর ও প্রিনসেপস হিসেবে মেনে নিল। অপরদিকে রাইন নদীতে মোতায়েন করা সেনাবাহিনী জানাল, তারা জার্মানিতে অবস্থানরত বাহিনীর কমান্ডার ভিতেলিয়াসকে ইমপেরাটর হিসেবে দেখতে চায়।

    ভিতেলিয়াস ইতালির দিকে রওনা হলেন। তার সেনারা পো নদী পার হতে একটি সেট নির্মাণ করলেন। ক্রেমোনার যুদ্ধে ওথোর অপেক্ষাকৃত ছোট বাহিনীর সঙ্গে ভিতেলাসের বাহিনীর যুদ্ধ হল।

    ওথো সহজেই পরাজিত হলেন। রাতের আঁধারে আত্মহত্যা করলেন এবং ভিতেলাস ইমপেরাটর হলেন।

    রোমে এসে ভিতেলিয়াস প্রিটোরিয়ান গার্ড ভেঙে দিলেন। এরপর নিজের অনুগত সেনাদের মাঝ থেকে নতুন করে এই বাহিনী গঠন করলেন।

    বাকি সেনাদের এই ব্যবস্থা পছন্দ হল না। তারা ভেসিপাসিয়ান নামে অপর এক রোমান জেনারেলকে তাদের নেতা বানালেন।

    ভেসপাসিয়ান রোমের ধারেকাছেও ছিলেন না। তিনি প্যালেস্টাইনে ইহুদি বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত ছিলেন। ৬৬ সালে জিলট নামে একদল বিদ্রোহী জেরুজালেমের রোমান সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল। ভেসপাসিয়ান নিজে এই বিদ্রোহ দমন করেন। এতে সাহায্য করে তার সন্তান ও কমান্ডার টাইটাস।

    রোমে ভিতেলিয়াস ভোগ-বিলাসে মেতে ছিলেন। একপর্যায়ে ভেসপাসিয়ানের বাহিনী রোমে এসে উপস্থিত হল। আবারও ক্রেমোনায় যুদ্ধ হল। এবার জয়ী হল ভেসপাসিয়ানের প্রতি অনুগত সেনাদল।

    ৬৯ সালের ডিসেম্বরে ভিতেলিয়াসের বাড়িতে ঢুকে পড়ল সেনারা। তারা তাকে হত্যা করে তিবার নদীতে তার মরদেহ নিক্ষেপ করল।

    ভেসিপাসিয়ান তার জায়গা নিতে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু জেরুজালেমের ঝামেলা পুরোপুরি না-মিটিয়ে রোমে যেতে চাননি তিনি। সিনেট তার অনুপস্থিতিতেই তাকে প্রিনসেপস বানাল — যেমন বানিয়েছিল অগাস্টাস, তাইবেরিয়াস ও ক্লডিয়াসকে।

    এই ডিক্রিতে ক্যালিগুলা, নিরো, গালবা, ওথো বা ভিতেলিয়াসের নাম উল্লেখ করা হয়নি। ইতিহাসের পাতা থেকে তাদের নাম পুরোপুরি মুছে দেওয়া হল। ইতালীয় ভাষায় ‘ড্যামনাশিও মেমোরিয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }