Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথিবীর ইতিহাস ২ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    ইশতিয়াক খান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮৪. উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ক্ষমতার ভ্রান্তি

    অধ্যায় ৮৪ – উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ক্ষমতার ভ্রান্তি

    ১৩৮ থেকে ২২২ সালের মাঝে মার্কাস অরেলিয়াস এক বহুলপ্রচলিত রাজকীয় প্রথা ভঙ্গ করেন এবং হান রাজবংশের পতন হয়।

    হাড্রিয়ানের শান্তিকামী শাসনের মাঝে ১৩৮ সালে তিনি অ্যান্টোনিয়াস পিয়াস নামের এক মধ্যবয়সি রাজনীতিবিদকে দত্তক নিয়ে তাকে উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্বাচন করেন। তিনি কনসাল ও গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন এবং তার বয়স ছিল ৫২। তার পালক পিতার বয়স ৬২।

    একইভাবে অগাস্টাস টাইবেরিয়াসকে এবং ক্লডিয়াস নিরোকে দত্তক নিয়েছিলেন। এখানে লালন-পালনের কোনো বালাই ছিল না। এটি আইনের মাধ্যমে ‘রক্ত-সম্পর্ক’ প্রতিষ্ঠা করার একটি প্রক্রিয়া ছিল। হান রাজবংশের খোজারাও এভাবে নিজেদের মধ্যে গোত্র তৈরি করতেন।

    রোমান সম্রাটদের জন্য এটা ছিল বিশেষ সুবিধা। একাধারে পিতা-পুত্রের সম্পর্কের মাধ্যমে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর হত, আবার অপরদিকে ‘যোগ্য মানুষের কাছেই ক্ষমতা যাচ্ছে”, এই কথা বলে প্রজাতন্ত্রের ধ্যানধারণাকেও টিকিয়ে রাখা যেত।

    এই দত্তক নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রোমান সম্রাটরা ‘সন্তানের’ বদলে ‘সন্তান হিসেবে যাকে চাইতেন’, তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারতেন।

    হাড্রিয়ানের মতো পিয়াসের শাসনামলও ছিল নিরুত্তাপ। ১৪৮ সালে রোমের ৯০০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা ছিল তার সবচেয়ে বড় সাফল্য। পিয়াস দুইজন ‘উত্তরাধিকারী’কে দত্তক নিয়েছিলেন : তার ভাইপো মার্কাস অরেলিয়াস ও তার চেয়ে নয় বছরের ছোট লুসিয়াস ভেরাস।

    ১৬১ সালে পিয়াস মারা যান। তখন মার্কাস অরেলিয়াসের বয়স ছিল ৪০। তবে তিনি রাজনীতির চেয়ে দর্শনে বেশি আগ্রহী ছিলেন। তিনি রোমের সম্রাট হতে চাননি। ফলে, তার ছোটভাই লুসিয়াস ভেরাসকে (তৎকালীন কনসাল) তিনি সহ-সম্রাটের দায়িত্ব দিলেন।

    প্রায় তাৎক্ষণিকভাবেই এই দুই সম্রাটকে যুদ্ধে যেতে হল। চতুর্থ ভলোগাসেসের নেতৃত্বে পার্থিয়ানরা আবারও রোমের জন্য হুমকির সৃষ্টি করেছিল। তিনি সহজেই আর্মেনিয়া দখল করেন এবং সিরিয়ার বিরুদ্ধে হামলা চালান।

    পার্থিয়ানরা সিরিয়ায় ইহুদিদের সহায়তায় রোমান সেনাদের পরাজিত করেন। লুসিয়াস ভেরাস রোমান সেনাবাহিনী নিয়ে পূর্বে যুদ্ধযাত্রা করলেন। মার্কাস অরেলিয়াস রোমের সুরক্ষা নিশ্চিত করলেন।

    ১৬২ সালে লুসিয়াস সিরিয়া এসে পৌঁছালেন এবং পার্থিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলেন। তিনি নিজে আর্মেনিয়া দখল করলেন। তার অপর এক সেনাপতি দক্ষিণ-পশ্চিমে আরেক ডিভিশন সেনা নিয়ে মেসোপটেমিয়ায় হামলা চালিয়ে তেসিফন দখল করলেন।

    চতুর্থ ভলোগাসেস পিছু হটলেন। রোমানরা তার প্রাসাদ দখল করে সেটা ধ্বংস করে দিল।

    ১৬৬ সালে বীরের বেশে রোমান সেনারা দেশে ফিরলেও তারা সঙ্গে করে মহামারির জীবাণু নিয়ে এসেছিল।

    রোগটি ছিল গুটিবসন্ত। ৩ বছর ধরে এটি চলতে থাকে। প্রতিদিন দুই হাজার করে মানুষ মারা যাচ্ছিল।

    এই অসুস্থতার মাঝে রোমে সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পোড়ে। দানিউবের তীরের গোত্রগুলো এই সুযোগে রোমে হামলা চালাতে এল।

    উভয় সম্রাট এই হুমকির জবাব দিতে গেলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ভেরাসের খিঁচুনি হতে লাগল। তাকে রোমে ফিরিয়ে নেওয়ার আগেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

    মার্কাস অরেলিয়াস দেশে ফিরে তার পাতানো ভাইয়ের শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করলেন। এরপর তিনি দানিউবে ফিরলেন। তার শাসনামলের বাকি সময়টুকু তিনি সেখানেই কাটিয়ে দেন। শুধু গুরুতর প্রয়োজনে রোমে এবং একবার পূর্বসীমান্তে জার্মান প্রদেশের তথাকথিত বিদ্রোহ দমন করতে তিনি এ অঞ্চল ত্যাগ করেন।

    মার্কাস রোমে বেশি সময় না-কাটালেও শাসক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন। তার ১৪টি সন্তান ছিল। তবে শুধু কমোডাস ৪ বছরের বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকেন। ১৭৬ সালে কমোডাসের পাঁচ বছর বয়সে তাকে তার উত্তরাধিকারী এবং ১৫ বছর বয়সে সহ-শাসক হিসেবে নির্বাচন করেন। ক্যান্সার-আক্রান্ত মার্কাস আর বেশিদিন বেঁচে ছিলেন না। ১৮০ সালে মাত্র সাতদিনের অসুস্থতায় তিনি মারা যান।

    ১৯ বছর বয়সি সম্রাট কমোডাস জার্মানদের সঙ্গে সন্ধি করে এই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে রোমে ফিরেন।

    ডমিশিয়ানের পর তিনিই প্রথম বৈধ সন্তান হিসেবে বাবার ছেড়ে যাওয়া সিংহাসনের দখল পান।

    যোগ্য ব্যক্তিকে উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্বাচন ও দত্তক নেওয়ার প্রথা ভেঙেছিলেন মার্কাস। কিন্তু তার এই সিদ্ধান্তে রোমে বিপর্যয় নেমে আসে।

    অভিষেকের দিন থেকেই কমোডাস উদ্ভট আচরণ করতে থাকেন। রোমে ফেরার পথে তিনি তার পুরুষ-প্রেমিককে রথে নিয়ে আসেন এবং সবার সামনে তাকে চুমু খান। রোমে সমকামিতা অস্বাভাবিক না হলেও এটাকে ‘গ্রিকদের’ বদভ্যাস হিসেবে দেখা হত।

    তার একের পর এক অদ্ভুত কাজ কালজয়ী উপাখ্যানে পরিণত হয়। তিনি ৩০০ ছেলে ও ৩০০ মেয়ে নিয়ে একটি হারেমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গ্ল্যাডিয়েটর হিসেবে লড়তে পছন্দ করতেন। তিনি তার এক বোনকে হত্যা করেন এবং আরেক বোনের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি নারীদের পোশাক পরে রোমে ঘুরে বেড়াতেন।

    রোমের মানুষ নিশ্চিত হল, এই ‘পিশাচ’ মার্কাস অরেলিয়াসের মতো মহান ব্যক্তির রক্ত হতে পারে না—সম্ভবত তার মা কোনো গ্ল্যাডিয়েটরের সঙ্গে শুয়েছিলেন, যার ফলে তার জন্ম হয়। ১৯২ সালে তাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়।

    তার মৃত্যুর পর দেশে গৃহযুদ্ধ লেগে যায়।

    যুদ্ধশেষে দানিউব ফ্রন্টের সেনাপ্রধান সেপটিমাস সেভেরাস শাসকের দায়িত্ব পান।

    অন্য অনেক সম্রাটের মতো তিনিও রোমে এসে তার নিজের ফ্রন্টের সেনাদের প্রিটোরিয়ান গার্ডের সদস্য করে আগের সদস্যদের ভাগিয়ে দেন।

    তিনিও গতানুগতিকভাবে পার্থিয়ানদের বিরুদ্ধে লড়েন, ব্রিটেনে যেয়ে স্কটদের ওপর হামলা চালান এবং সীমান্তে প্রতিরক্ষা দেন।

    ১৯৮ সালে তিনি তার বড়ছেলে কারাকাল্লাকে উত্তরাধিকারী নির্বাচন করেন।

    ২০৯ সালে তিনি তার ছোটছেলে গেতাকে বড়ভাইয়ের সঙ্গে সহ-শাসক বানান।

    কারাকাল্লা ইতোমধ্যে তার শ্বশুরকে হত্যা করেন, স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেন এবং নিজের পিতাকে হত্যার চেষ্টা করেন। তা সত্ত্বেও, বাবার চোখে তিনিই ছিলেন প্রথম পছন্দ।

    মার্কাস অরেলিয়াসের ভুলের বোঝা রোম তখনও বহন করছিল। ক্যালিগুলা ও তার পরের সম্রাটদের অত্যাচারে রোম সাম্রাজ্যের পতন অবশ্যম্ভাবী—এমনটাই ভেবেছিলেন সবাই। কিন্তু রোমানরা সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াল। অসম্ভব মনে হলেও, রোমানরা সাম্রাজ্যবাদী শাসনব্যবস্থার সঙ্গে প্রজাতান্ত্রিক উপকরণের যোগসূত্র ঘটাতে সক্ষম হল, এবং একই সঙ্গে পরিবারতন্ত্রকেও টিকিয়ে রাখল, যা চীনের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

    ১৮৪ সালে হলুদ পাগড়ি বিদ্রোহ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেল।

    এই যুদ্ধে ঝাং পরিবারের তিন ভাই নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন : জিয়াও (জু), বাও ও লিয়াং। প্রাচীন চীনা সাহিত্য ‘রোমান্স অব দ্য থ্রি কিংডমস’-এ তাদের বিষয়ে বলা হয়েছে। তাদের নীতি ছিল, ‘হান (পরিবার) ধ্বংস হয়েছে, বিদ্রোহ জী উঠবে; বিশ্বে উন্নয়ন আসুক!’

    তারা চাইতেন ধনীদের থেকে জমি ছিনিয়ে নিয়ে দরিদ্রদের মাঝে তা বণ্টন করতে।

    একাদশ শতাব্দীতে চীনা শিক্ষাবিদ ও কূটনীতিক সিমা গুয়াং “জিঝি টংজিয়ান’ নামে একটি ইতিহাস বই লেখেন। সেখানে হলুদ পাগড়ি বিদ্রোহ সম্পর্কে সবচেয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়।

    হোয়াংহো নদীর দক্ষিণে শাংডং উপদ্বীপে যুদ্ধ শুরু হয়। শুরুতে হলুদ পাগড়ি বিদ্রোহীদের সরকারি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য করে।

    ১৮৪ সালে হান কর্মকর্তারা ‘শান্তি অর্জিত হয়েছে’ বলে ঘোষণা দেন, কিন্তু বিদ্রোহীরা হাল ছাড়েনি। ১৮৯ সালে রাজধানী লোইয়াং পর্যন্ত বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে যায়।

    সে বছরের মে মাসে সম্রাট লিংদি মারা যান। তিনি কোনো উত্তরাধিকারী রেখে যাননি। তার অবর্তমানে তার বিধবা স্ত্রী ও খোজা নেতা জিয়ান শির ঘাড়ে এই দায়িত্ব ন্যস্ত হয়। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি জিয়ান শিকে লোইয়াং-এর সশস্ত্র বাহিনীর নেতা নির্বাচন করেন, যার ফলে এই খোজা দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষে পরিণত হন।

    লিংদির ১৫ বছর বয়সি ছেলে শাওদিকে সিংহাসনে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এবার ক্ষমতাবান জিয়ান শী তার নিজের অবস্থানকে আরও বলিষ্ঠ করতে হানের প্রধান সেনাপতিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

    এ সংবাদ পেয়ে যান প্রধান সেনাপতি—জবাবে তিনি প্রাসাদের সব খোজাকে হত্যার প্রক্রিয়া শুরু করেন। খোজারা এই খবর পেয়ে গেলে প্রাসাদে উভয়পক্ষের মাঝে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। একপর্যায়ে খোজারা প্রধান সেনাপতিকে ধরে তার শিরশ্ছেদ করতে সক্ষম হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অপর এক সেনাপতি প্রাসাদের সব তোরণ বন্ধ করে গণহারে খোজাদের মারতে শুরু করেন। সিমা গুয়াং বলেন, ‘সব মিলিয়ে দুই হাজার মানুষ মারা যায়। তাদের মধ্যে অসংখ্য সাধারণ মানুষ ছিল, যাদেরকে ভুল করে হত্যা করা হয়।’

    এই গোলযোগের সুযোগ নেন প্রাসাদের বাইরে থাকা অপর এক হান সেনাপতি। তুং চো হলুদ পাগড়িদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ক্ষান্ত দিয়ে প্রাসাদ-অভিমুখে যাত্রা করেন। তিনি রাজার বিধবা স্ত্রীকে আটক করেন এবং নিজেই মন্ত্রী নিয়োগ দিতে শুরু করেন। সেনাবাহিনীকে নিজের কাজে লাগান তিনি ১৫ বছর বয়সি সম্রাট ও তার ছোটভাই প্রাসাদ ছেড়ে পালালেন। কিন্তু পরে আবার ফিরে এসে তুং চাওর কাছে আশ্রয় চাইলেন। তুং চো ১৫ বছর বয়সি শাওদিকে বিপজ্জনক বিবেচনা করে হত্যা করলেও ছোটভাই জিয়ানদিকে রেহাই দিলেন।

    ইতোমধ্যে সাও সাও নামে অপর এক সেনাপতি চাং’আন নামক অবস্থানে তুং চোকে হত্যা করেন।

    সাও এরপর জিয়ানদিকে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

    সাও তার নিজের মেয়ের সঙ্গে তরুণ সম্রাটের বিয়ে দেন।

    ২০৫ সালে অবশেষে হলুদ পাগড়িরা সাওর কাছে পরাজিত হল। তবে বেশ কয়েক দশকের দুঃশাসন ও অব্যবস্থাপনায় চীনের পরিস্থিতি ততদিনে নাজুক। জিয়ানদি লোইয়াং-এ ফিরে সিংহাসনে বসলেন, কিন্তু তার হাতে তেমন কোনো ক্ষমতা ছিল না। পুরো সাম্রাজ্যজুড়ে অসংখ্য ‘রাজার’ মাঝে সংঘাত শুরু হয়।

    সাও উত্তরাঞ্চলের দখল নিতে পারলেও হানদের সমগ্র ভূখণ্ডকে একীভূত করতে ব্যর্থ হলেন।

    ২০৮ সালে বড় পরাজয়ের মুখে পড়েন সাও।

    চীনকে একীভূত করার স্বপ্ন ভেঙে যায়। তিনি পালিয়ে গেলেন এবং শুধু উত্তরাঞ্চলই হান রাজার কাছে থেকে যায়।

    ২২০ সালে জিয়ানদি মারা যাওয়ার আগে সাও’র ছেলের কাছে ক্ষমতা দিয়ে যান। ৪২৬ বছর পর এভাবেই হান রাজবংশের সমাপ্তি আসে।

    চীন ততদিনে একাধিক অংশে বিভক্ত হয়েছে। সাওর ছেলে সাও পেই উত্তরের প্রাচীন হান ভূখণ্ড শাসন করছিল। দক্ষিণে সাওর দুই প্রতিপক্ষ শাসন করছিল। ইয়াংজি উপত্যকায় সান চুয়ান (উ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা) এবং দক্ষিণ- পশ্চিমে লিউ পেই, শু হান রাজবংশের প্রথম রাজা। হান রাজবংশকে প্রতিস্থাপন করল এই ‘থ্রি কিংডমস’ বা তিন রাজবংশ। পরবর্তী ৩০০ বছর চীনে যুদ্ধ ছাড়া আর কিছু দেখা যায়নি।

    পশ্চিমে সেপটিমাস সেভেরাস মারা গেছেন। তার দুই ভাই কারাকাল্লা ও গেতা সহ-শাসকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। গেতাকে হত্যা করে তার মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেন কারাকাল্লা।

    পিতার মৃত্যুর পর প্রিটোরিয়ান গার্ডদের সহানুভূতি ও সমর্থন আদায় করতে বেগ পেতে হয় কারাকাল্লার। তারা গেতার মৃত্যুকে সহজভাবে নেয়নি।

    তবে টাকার জোরে তিনি সেই সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হন।

    তিনি সব জায়গা থেকে গেতার নাম মুছে ফেলেন। এমনকি, তার জন্মদিন পালনও হয়ে পড়ে ব্রাত্য একটি বিষয়।

    তারপর তিনি ঘোষণা দিলেন, সাম্রাজ্যের সব মুক্ত মানুষকে রোমের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

    ৩০০ বছর আগে এ-ধরনের এক প্রস্তাবে রোমে যুদ্ধ লেগে গিয়েছিল, যখন ইতালীয় শহরগুলোকে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গ আসে। কিন্তু এবার কোনো ঝামেলা ছাড়াই এই আইন পাস হল।

    ততদিনে সব মিলিয়ে রোমের নাগরিকত্ব তার অর্থ হারিয়েছে। রোমানদের ক্ষেত্রে ভোটাধিকার কোনো বিষয় ছিল না।

    কারাকাল্লার হাতে রোমান-পরিচয়ের তিনটি অর্থ ছিল। প্রথমত আপনাকে সম্রাটের অনুগত থাকতে হবে। বাকি সব রোমান নাগরিকের মতো আপনারও কিছু অধিকার থাকছে। আপনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে রোমের কাছে আপিল করতে পারবেন (গণহত্যার শিকার হলে ভিন্ন কথা)। আপনার বিয়ে আর অন্যান্য চুক্তিগুলো রোমের যেকোনো আদালতে বৈধতা পাবে। আপনার শিশুরা নিশ্চিতভাবে উইল অনুযায়ী আপনার প্রয়াণের পর সম্পত্তির মালিকানা পাবে। বিনিময়ে আপনাকে সরকারি কর পরিশোধ করতে হবে। কারাকাল্লার কাছে অর্থ ছিল না। ঘুস দিয়ে তিনি কোষাগার খালি করে ফেলেন। তার আরও বেশি ‘নাগরিক’ দরকার ছিল, যাতে করের পরিমাণ বাড়ে।

    রোমের নাগরিকত্বের মূল অর্থ ছিল কর-পরিশোধের বিনিময়ে আইনি সুরক্ষা পাওয়া।

    ২১৬ সালে পার্থিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যান কারাকাল্লা।

    ২১৭ সালের এপ্রিলে হামলা চালানোর আগে কারাকাল্লার হঠাৎ পেট খারাপ হয়। তিনি তার এক দেহরক্ষীর সঙ্গে যাত্রা করার সময় পেটে ব্যথা হলে ঘোড়া থেকে নেমে সড়কের পাশে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যান। সেসময় কী কারণে কেউ জানে না, সেই দেহরক্ষী তাকে পেছন থেকে হত্যা করেন।

    কিছু দূরে থাকা ঘোড়সওয়ার সেনারা এই আততায়ীকে জ্যাভেলিন (বল্লম) ছুড়ে হত্যা করেন। কারাকাল্লার মরদেহ ভস্মীভূত করে তার ছাই রোমে পাঠানো হয়। ২৯ বছর বয়সে মারা যাওয়ার আগে তিনি ছয় বছর রোম শাসন করেন।

    পূর্ব লেজিওনের সেনাপতি ম্যাকরিনাস নতুন সম্রাট হলেন। ২১৭ সালের বসন্তে তিনি পার্থিয়ান সীমান্তে যুদ্ধ করেন। কিন্তু পার্থিয়ার রাজা পঞ্চম আরতাবানাস তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। যুদ্ধে জিততে না পেরে ম্যাকরিনাস তাদের সঙ্গে সমঝোতা করেন। বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন।

    কিন্তু একজন সেনাপতি-সম্রাটের এহেন আচরণে সেনাবাহিনীতে ক্ষোভ দানা বেধে উঠল। কারাকাল্লার চাচাতো ভাই এলাগাবালুস (যিনি দেখতে কারাকাল্লার মতোই ছিলেন এবং গুজব মতে, তিনি তার অবৈধ সন্তান) সিংহাসনের নতুন উত্তরাধিকারী হিসেবে আবির্ভূত হলেন। তিনি ছিলেন লম্বা, দেখতে সুন্দর এবং তার বয়স ছিল ১৪।

    ১৬ মে সেনারা ম্যাকরিনাসের বদলে এলাগাবালুসকে সম্রাট হিসেবে ঘোষণা দেয়।

    ম্যাকরিনাস থ্রেসে পালিয়ে যাওয়া চেষ্টা করতে যেয়ে আটক ও নিহত হন।

    এলাগাবালুস সম্রাট হিসেবে তেমন সুবিধার ছিলেন না। খুব অল্পদিনেই তার ভোগ-বিলাস ও উদ্ভট কাজের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়ে সেনাবাহিনী।

    ২২২ সালে প্রিটোরিয়ান গার্ডরা সম্রাটের পদের জন্য আরেকজন ব্যক্তিকে খুঁজে পায়। এলাগাবালুসকে খুঁজে বের করতে যান তারা। খবর পেয়ে এক গণশৌচাগারে লুকিয়ে থাকেন এলাগাবালুস, কিন্তু তারা তাকে সেখান থেকে বের করে এনে হত্যা করে এবং তার লাশ নর্দমায় নিক্ষেপ করে। তারপর যথারীতি তার মরদেহ তিবার নদীতে ছুড়ে ফেলা হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মজা – ইলমা বেহরোজ
    Next Article পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    Related Articles

    ইশতিয়াক খান

    পৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }