Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤷

    শাঁকচুন্নির কারসাজি (বাংলার লোককথা)

    শাঁকচুন্নির কারসাজি

    (বাংলার লোককথা)

    বামাপদ কলকাতার এক মুদির দোকানে কাজ করত। লোকটা ছিল বড়ো ভালো। অতি বড়ো শত্তুরও তার প্রশংসা না-করে থাকতে পারত না।

    বছরের শেষে একবার করে বামাপদ দেশে আসত। যখন সে দেশের বাড়িতে পা দিত, তখন গাঁয়ের ছোটো-বড়ো সকলেই আনন্দিত হত খুব। সকলের সঙ্গেই খুব আমোদ-আহ্লাদ করত সে। তাই সকলেই খুব ভালোবাসত তাকে

    দিন কয়েক দেশে কাটিয়ে আবার সে কলকাতায় ফিরে যেত। বামাপদর মাকে একা একাই গাঁয়ে থাকতে হত। কিন্তু তবুও সে কখনো গাঁ ছেড়ে কলকাতায় যাবার কথা মুখে আনত না। স্বামীর ভিটের ওপর ছিল তাঁর এমনি টান।

    সেবারও বছরের শেষে বামাপদ দেশে ফিরল।

    বামাপদর মা তাকে বলল— ‘বাবা পদ, এবার শহরে যাওয়ার সময় কিন্তু বউমাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে এনে দিয়ে যেও। আমি আর একা একা এই ভিটেয় থাকতে পারছি না। আর আমার বয়সও হয়েছে অনেক। কবে আছি, কবে নেই। আর সংসারের এত কাজকর্ম্মই বা করে কে?

    যাবার সময় এবার তুমি
    বউকে দিয়ে যাও,
    আর কতদিন বাঁচব আমি
    যায় না বলা তাও।

    বামাপদ বলল— ‘বেশ তো! তার জন্যে আর এত চিন্তার কি আছে? আমি কাল-পরশু নাগাদ যাচ্ছি শ্বশুরবাড়ি।’

    বামাপদর বাড়ি থেকে তার শ্বশুরবাড়ি বিশ-পঁচিশ ক্রোশ। দুই-তিন দিনের পথ রেলরাস্তার ধারে নয় বলে বামাপদকে অতটা পথ হেঁটেই যেতে হবে। কিন্তু হেঁটে যেতে মন সরল না বামাপদর। সে তাই পালকি, বেহারার বন্দোবস্ত করল। বউকে আনবার জন্য একজন ঝিকে নেওয়া হল সঙ্গে। দু-দিন পরে বামাপদ শ্বশুরবাড়ি পৌঁছোল।

    শশুরবাড়ি থেকে বউকে সেইদিনই সাজগোজ করিয়ে বামাপদ রওনা হল।

    গরমের দিন। আম, জাম, লিচু পাকছে। ভীষণ গরমের মধ্যে পথ চলা প্রায় অসম্ভব।

    সকাল সকাল তারা রওনা হয়েছিল।

    কিন্তু দেখতে দেখতে দুপুর হয়ে গেল। রোদের ভীষণ তেজে পথ চলাই যায় না। সকলে হাঁপিয়ে উঠল।

    গরমকালের দুপুর রোদে
    আগুন যেন ধরে,
    পথ চলতে সবাই যেন
    ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

    পালকির বেহারারা যেটুকুও বা হাঁটতে পারছিল, ঝি তো তাও পারছিল না।

    সে তখন বামাপদকে বলল- ‘বাবু, একটু হুকুম দেন তো আমরা খানিকটা জিরিয়ে নিই।’

    বামাপদ দেখল ঠিক কথা। সে বলল— ‘বেশ, তোমরা একটু জিরিয়ে নাও আমি বরং হাটে গিয়ে কিছু খাবার কিনে আনি।’

    বেহারারা বলল- ‘বেশ বাবু, আমরা তাহলে উনুন খুঁড়ি, আপনি চাল ডাল কিনে আনুন।’

    ঝি বিশ্রাম করতে লাগল নিশ্চিন্তমনে। বেহারারা উনুন খুঁড়তে লাগল একটু দূরে। বামাপদ বাজারে গেল জিনিস কিনে আনতে। নতুন বউ পালকির মধ্যেই বসে রইল।

    এদিকে দারুণ গরমে বউ-এর খুব তৃষ্ণা পেয়েছিল। সে এক সময় ঝিকে বলল— ‘দূরের পুকুরটা থেকে একটু জল এনে দাও না। ভারি তেষ্টা পেয়েছে।

    ওই যে দূরে পুকুর দেখি
    টলটলে জল তার
    জল এনে দাও, তেষ্টাতে যে
    প্রাণ বাঁচে না আর।’

    ভীষণ গরমে ঝি এতটা পথ হেঁটে একেবারে মরার মতো ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। সে তাই গজগজ করতে লাগল— ‘বামাপদর মাকে সেই তখনই বলেছি, এতদূর দেশে ছেলের বিয়ে দিওনিকো। তা তখন গরিবের কথা গেরাহ্যি করল না।’

    বউ দেখল, ঝির সঙ্গে তর্ক করলে আর জল খাওয়া হবে না। সে তাই বলল- ‘তুমি একটু বসো ঝি, আমি নিজেই গিয়ে জল খেয়ে আসি।’

    একথা শুনে ঝি তো মহাখুশি। সে বলল- ‘তাই করো মা, তাই করো। এই তো কাছেই দীঘিটা।’

    বউ আর কথা না-বলে পালকি থেকে নেমে দীঘির দিকে এগিয়ে গেল।

    এদিকে সেই দীঘির ধারে ছিল বড়ো বড়ো কয়েকটা তালগাছ। সেই তালগাছগুলির কোটরে বাস করত কয়েকটি পেতনি।

    সেই পেতনিদের মধ্যে একটি পেতনির ঠিক সেইসময়েই দারুণ জলতৃষ্ণা পেয়েছিল। সে জল খাবার জন্যে ঘাটের দিকে আসছে এমন সময় বউয়ের সঙ্গে লাগল তার ধাক্কা।

    আর যায় কোথায়!

    পেতনি তো রেগে আগুন! কী, এতবড়ো আম্পর্দ্ধা যে আমার গায়ে ধাক্কা লাগায়!

    আমার গায়ে ধাক্কা লাগায়-
    স্পর্দ্ধা দেখি বড়ো,
    আচ্ছা মজা দেখাচ্ছি আজ,
    একটু সবুর করো।

    পেতনি তক্ষুনি নিজমূর্তি ধরে দাঁড়ায়।

    উঃ, কী বিশাল তার চেহারা! মুলোর মতো দাঁত, তালগাছের মতো পা, লম্বা লম্বা হাত, কুলোর মতো কান।

    বউ তো পেতনির মূর্তি দেখেই সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান।

    আর যায় কোথায়!

    পেতনি তক্ষুনি বউকে তুলে নিয়ে উড়তে উড়তে গিয়ে হাজির হল একেবারে সেই তালগাছের মাথায়।

    তারপর বউকে অজ্ঞান অবস্থায় সেখানে রেখে বিড়বিড় করে মন্ত্র পড়ল।

    বউয়ের আর তালগাছ থেকে নামবার ক্ষমতা রইল না।

    পেতনি তখন বউয়ের কাপড় নিয়ে নিজে সেইগুলো পরে ফেলল।

    তারপর সুন্দরী বউটি সেজে সোজা গিয়ে হাজির হল সেই পালকির সামনে।

    বউটি সেজে পেতনি তখন
    পালকি ধারে যায়
    পেতনি বলে কেউ সেখানে
    চিনলো নাকো তায়।

    ঝি বলল— ‘কি গো বউ, জল খাওয়া হল?’

    বউ হেসে বলল- ‘হ্যাঁ।’ এই বলেই সে পালকির মধ্যে গিয়ে চুপচাপ বসে রইল। একটু পরে রান্নাবান্না খাওয়া-দাওয়া শেষ করে সকলে আবার পালকি নিয়ে রওনা হল।

    বউ অজ্ঞান হয়ে সেই তালগাছের কোটরের মধ্যেই পড়ে রইল। কেউ জানতে পারল না।

    এদিকে সেদিনই সন্ধ্যায় পালকি এসে থামল বামাপদর বাড়িতে।

    বামাপদর মা তো মনের আনন্দে বউকে বরণ করে ঘরে তুললে।

    দিন যায়।

    বউয়ের কাজকর্ম দেখে বামাপদর মা খুবই খুশি। এর আগে সে দেখেছিল বউ ভীষণ আলসে। কোনো কাজকর্ম করতে পারে না।

    কিন্তু এবার দেখল কোনো কাজ করতে বলবার আগেই বউ সঙ্গে সঙ্গে তা করে ফেলে।

    তা ছাড়া আগে বউ বড়ো গম্ভীর ধরনের ছিল। সবসময় মুখ গোমড়া করে বসে থাকত। কিন্তু এবার বউ খুব চটপটে। কিছু বলবার আগেই সে হাসতে হাসতে কাজকর্ম শেষ করে হেসে-খেলে সময় কাটায়।

    বউয়ের স্বভাব বদলে গেছে—
    নয় সে কুঁড়ে আর,
    হেসে খেলে কাজ করে সে;
    মুখ করে না ভার।

    শাশুড়িও বেশ আনন্দেই দিন কাটাতে লাগল।

    বামাপদও দেখল এবার বউ যেন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুন্দরী। কী করে যে এমন হল তা সে ঠিক বুঝতে পারল না। তবে এতে সেও খুব খুশি হল।

    এমনি করে দিন যায়।

    দেখতে দেখতে কিছু দিন কেটে গেল।

    বামাপদ একদিন মা-বউকে রেখে চলে গেল কলকাতায়। যাবার সময় মাকে

    বলে গেল— ‘খুব সাবধানে থেকো।’

    মা বলল— ‘তুই কাজে উন্নতি কর বাবা। আরও বেশি টাকা পেলে আমরা সকলে মিলে শহরে গিয়ে থাকব।

    গাঁয়েতে আর মন বসে না-
    হচ্ছে অভিলাষ
    শহরেতে সবাই মিলে
    করব মোরা বাস।’

    বামাপদর মা ভাবল যে বামাপদ চলে গেলে বউ হয়তো একটু মনমরা হয়ে থাকবে। কিন্তু দেখা গেল ঠিক তার উলটো। কাজকর্মে বউ আরও বেশি মনোযোগী হল। কথা শেষ করবার আগেই সে কাজ করে ফেলে।

    একদিন বামাপদর মা দাওয়ায় বসে মশলা বাটছে।

    বউকে বলল— ‘বউ, আরও কিছু মশলা এনে দাও তো ঘর থেকে।’

    বউ সেখানে দাঁড়িয়েই বিরাট লম্বা একটা হাত বের করে দিল ঘরের দিকে।

    বামাপদর মা প্রথমে তা দেখতে পায়নি।

    সে হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে দেখতে পেল যে বউ লম্বা এক হাত বের করে ঘরের মধ্য থেকে জিনিস আনছে।

    ভয়ে বামাপদর মার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। সে তাড়াতাড়ি মুখ ঘুরিয়ে নিল। কিন্তু মনের মধ্যে সেই যে ভয় ঢুকল, তারপর আর কোনো কাজ করতে পারল না সে।

    বামাপদর মা দু-একজন পাড়াপড়শির কাছে চুপে চুপে কথাটা জানাল।

    সে বলল-

    ‘আজ সকালে দেখতে আমি পেলাম অকস্মাৎ,
    বউটি আমার মশলা আনে বাড়িয়ে তাহার হাত। বা
    সরে সে কী লম্বা দু-হাত বাড়িয়ে দিল তার-
    দৃশ্য দেখে ভয়েই আমার বুক কাঁপে বার বার।’

    কিন্তু তারা বলল- ‘না না, তুমি ভুল দেখেছ। না-হয়, তোমার বায়ু চড়ে ছিল। অমন লক্ষ্মী বউ, তার নামে এমন সব কথা বলছ!’

    শাশুড়ি কী আর করে, মনের ভয় মনেই চেপে রইল।

    …এমনি করে আরও দিন কয়েক কেটে গেল।

    একদিন বউকে রান্না করতে বলে বামাপদর মা ঘাটে গেল কাপড় কাচতে।

    একটু পরে কাপড় কাচা শেষ করে রান্নাঘরে গেল বউয়ের রান্না দেখতে।

    কিন্তু সেখানে গিয়ে সে যা দেখল তাতে তার চক্ষু স্থির হবার জো হল।

    সে দেখল বউ উনুনের সামনে বসে। তার দুটি পা উনুনের মধ্যে ঢোকানো আছে। সেই পা দুটো থেকে দাউদাউ করে আগুন বের হচ্ছে। আর সেই আগুনে ভাত, ভাল ফুটছে টগবগ করে।

    উনুনের মধ্যে কাঠ-খড় কিচ্ছু নেই।

    অবাক কাণ্ড। নিশ্চয়ই এ বউ মানুষ নয়। পেতনি, না হয় শাঁকচুন্নি।

    এ বউ মানুষ নয় দেখি অদ্ভুত-
    মানুষের বেশে কোনো হবে প্রেত-ভূত।
    কাঠ-খড় নাই কিছু, তবু কত গুণ—
    পায়ের আগুনে শুধু জ্বলিছে উনুন।

    কিন্তু কিছু বল্লেই বউ তো রেগে তাকেই শেষ করে ফেলবে। তাই চুপচাপ থেকে সে ছেলের কাছে চিঠি লিখে ফেলল। তারপর একজন প্রতিবেশীকে দিয়ে চিঠিটা ডাকঘরে পাঠিয়ে দিল।

    চিঠি পেয়ে দু-দিনের মধ্যেই বামাপদ দেশে ফিরে এল। বউ তো এত তাড়াতাড়ি বামাপদকে ফিরতে দেখে অবাক হয়ে গেল।

    বামাপদর মা সব কথা তার ছেলেকে জানাল।

    বামাপদ তো এসব কথা শুনে অবাক। এ কী করে সম্ভব হতে পারে। ঠিক তার বউয়ের মতোই তো চেহারা!

    বামাপদর মা বলল- ‘আচ্ছা চোখে দেখলে বিশ্বাস করবি তো?’

    বামাপদ বলল- ‘হ্যাঁ, চোখে দেখলে বিশ্বাস না করবার কি কারণ আছে?’

    তখন শাশুড়ি বউকে বলল— ‘বউমা, আমি এদিকের কাজে যাচ্ছি, তুমি চট করে এই কাপড়গুলি ধুয়ে আনো তো দেখি।’

    বউ কাপড়গুলি নিয়ে চলে গেল।

    একটু পরে বামাপদর মা গোপনে বামাপদকে ঘাটের ধারে নিয়ে গেল। সেখানে গিয়ে তারা দেখে বিরাট দুটো লম্বা লম্বা হাত বের করে বউ দমাদম কাপড়গুলোকে আছাড় মারছে।

    মায়ের সাথে বামাপদ
    দেখল ঘাটের কাছে-
    লম্বা বিরাট দুইটি হাতে
    বউটি কাপড় কাচে।

    বামাপদ কোনো কথা বলল না। সে বুঝতে পারল যে এ বউ তার আসল বউ নয়। নিশ্চয়ই এই পেতনি তার বউকে কোথাও লুকিয়ে রেখে নিজে বউ সেজে এসেছে।

    মা-ছেলে দুইজনে তখন যুক্তি করে একজন ওঝাকে ডেকে আনল। ওঝা আর বামাপদ দু-জনে বাইরে বসে কথা বলছিল।

    এদিকে পেতনি-বউ ঘরের মধ্যে শাশুড়িকে বলল— ‘মা, ও হতভাগা কে? তোমার ছেলের সঙ্গে গল্প করছে কেন? ওকে এক্ষুনি বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দাও!

    বলছি মাগো উচিত কথা
    ভালোই যদি চাও,
    ও লোকটারে বাড়ির থেকে
    তাড়িয়ে তুমি দাও।’

    মা বলল— ‘বউমা, কোথাকার কোন লোক বামাপদর সঙ্গে কথা বলছে, তাতে আমাদের কি বলো?’

    বউ বলল— ‘না মা। ও লোকটিকে দেখেই মনে হচ্ছে যে ও লোকটা ভালো নয়।’

    শাশুড়ি আর বউ কথাবার্তা বলছে, এমন সময় বামাপদ ওঝাকে নিয়ে বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ল।

    বউ ওঝাকে দেখেই দূরে সরে যাচ্ছিল।

    ওঝা বলল— ‘বউমা, একটু দাঁড়াতে হবে। যাচ্ছ কোথায় মা? তোমার সঙ্গে যে আমার অনেক কথা আছে।’

    বউ তখন ভীষণ রেগে নিজমূর্তি ধরে বলল- ‘কেন রে হতভাগা! তোর সঙ্গে আমার কি?’

    ওঝা বলল— ‘এই যে কী তাই দেখাচ্ছি! পালাবে কোথায়? পালাবার উপায় কি রেখেছি নাকি। চারিদিকে গণ্ডি দিয়ে রেখেছি। এখনও নিজের মঙ্গল চাও তো বলো তুমি কে? আর ওদের বউকে কোথায় আটকে রেখেছ?’

    বউ তখন ভীষণ মূর্তি ধারণ করে ওঝার দিকে ছুটে এল।

    ওঝা কতকগুলি সরষেতে কী যেন মন্ত্র পড়ে তা বউয়ের দিকে ছুড়ে মারল।

    সঙ্গে সঙ্গে বউয়ের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেল, সে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

    ওঝা তখন মন্ত্র পড়ে বউয়ের গায়ে ধুলোর বাণ মারতে লাগল।

    বউ তখন প্রাণপণে চিৎকার করতে লাগল- ‘কে কোথায় আছ রক্ষা করো। আমাকে মেরে ফেলল!

    দৌড়ে এসো, দৌড়ে এসো
    কোথায় আছ কে,
    গৃহস্থদের বউ যে আমি-
    মেরে ফেল্ল যে।’

    চিৎকার শুনে সারা গ্রামের লোক ছুটে এসে তাদের উঠোনে জড়ো হতে লাগল। ওঝাও ছেড়ে দেবার পাত্র নয়। সে বলল- ‘এখনও বলছি ওদের বউকে ছেড়ে দাও। না হলে কিছুতেই তোমার নিস্তার নেই।’

    পেতনি তখন ভয়ে ভয়ে বলল- ‘ওদের বউকে আমি গাছের কোটরে রেখে এসেছি।

    দীঘির ধারে তালের গাছে
    তোমাদের সে বউটি আছে।

    ওঝা জিজ্ঞাসা করল— ‘কতদিন?’

    পেতনি বলল— ‘যেদিন বাপের বাড়ি থেকে এখানে আসছিল ঠিক সেইদিন।’

    ওঝা তখন জিজ্ঞাসা করল— ‘সে কি এখনও বেঁচে আছে?’

    পেতনি বলল— ‘হ্যাঁ, আমি রোজ তাকে খাবার খাইয়ে আসি।’

    ওঝা এবার জোর চিৎকার করে বলল- ‘এবার তাকে এক্ষুনি এখানে এনে দাও দেখি।’

    পেতনি চুপ করে ছিল। ওঝা তার গায়ে আবার ধুলোর বাণ মারতে লাগল।

    এবার আর উপায় না দেখে পেতনি বলল- ‘দাঁড়াও বাবা, আমি এখনই তোমাদের বউমাকে এনে দিচ্ছি।’

    ওঝা বলল— ‘বেশ, সে তো খুব ভালো কথা। কিন্তু আর এক মুহূর্তও দেরি নয়।’

    পেতনি তখন সকলকে চোখ বুজতে বলল। সকলে চোখ বুজলে ‘শোঁ শোঁ’ শব্দ করতে করতে একঝলক ধোঁয়ার মতো পেতনি উড়ে চলে গেল। দেখতে দেখতে কিছুক্ষণ কেটে গেল।

    আবার শোনা গেল ‘শোঁ শোঁ’ শব্দ। দেখা গেল বামাপদর আসল বউকে কোলে করে নিয়ে আসছে পেতনি। পেতনিকে দেখাচ্ছে বিরাট একটা ধোঁয়ার কুণ্ডলীর মতো।

    বামাপদর বউ তখন অচৈতন্য।

    ওঝা তখন জিজ্ঞাসা করল— ‘তুই কি এক্ষুনি এদেশ ছেড়ে চলে যাবি, না থাকবি? যদি থাকতে চাস তাহলে আবার কিন্তু তোকে বাণ মারব।’

    পেতনি বলল- ‘না, আমি এদেশ ছেড়ে চলে যাব।’

    ওরা বলল- ‘কিন্তু আর কখনো এদেশের দিকে আসতে পারবি না।’

    পেতনি বলল- ‘আচ্ছা আমাকে এবার মুক্তি দাও।’

    ওঝা বলল— ‘যাবার আগে এই বড়ো নিমগাছটা ভেঙে দিয়ে চলে যা।’

    পেতনি বলল— ‘আচ্ছা।’

    সঙ্গে সঙ্গে শোনা গেল ভীষণ একটা ঝড়ের মতো প্রচণ্ড শব্দে একঝলক বাতাস বয়ে যাচ্ছে।

    সে কী ভীষণ শব্দ!

    একটু পরেই মড় মড় করে বড়ো নিমগাছটা উপড়ে পড়ল। পেতনিকেও আর দেখা গেল না।

    হঠাৎ যেন প্রবল ঝড়ে
    নিমগাছটা উপড়ে পড়ে;
    গ্রামবাসীরা দেখল সবাই,
    পেতনি গেছে, আর ভয় নাই।

    বউয়ের মাখায় জল ঢালতে ঢালতে তার জ্ঞান ফিরে এল।

    তাকে জিজ্ঞাসা করা হল— ‘তুমি কোথায় ছিলে এতদিন?’

    বউ বলল- ‘আমি দীঘিতে জল খেতে গেলাম। কিন্তু মাঝপথে জ্ঞান হারিয়ে গেল। তারপর আর কিছু মনে নেই।’

    বামাপদ আর তার মা এরপর আসল বউকে নিয়ে মনের সুখে ঘর সংসার করতে লাগল।

    সেই পেতনি আর কোনোদিনও তাদের ছায়া মাড়ায়নি।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }