Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জামাই – মনোজ বসু

    অনেক দিনের কথা। খুলনা অবধি নতুন রেললাইন বসেছে। একটা স্টেশন ঝিকরগাছি।

    শ্রাবণ মাস। সারাদিন ঝুপঝুপে বৃষ্টি। সন্ধ্যা থেকে একটুখানি ধরেছে। রাত্রি সাড়ে আটটায় কলকাতার ট্রেন ঝিকরগাছি এসে থামল। দুর্যোগে মোটে ভিড় নেই। জন তিন-চার গাড়িতে উঠল। নামল একটিমাত্র যুবাপুরুষ। নাম বিনোদ। কাছাকাছি সাদিপুর গাঁয়ের মাখনলাল করের জামাই। তাঁর ছোটো মেয়ে চঞ্চলার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে বছর দুই আগে।

    পুনায় থাকে বিনোদ, মিলিটারিতে জামাই চাকরি করে। সম্প্রতি বাসা পেয়েছে। বউকে নতুন বাসায় নিয়ে যাবে। এক হপ্তার ছুটি নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছে। এর পর ভাদ্র মাস পড়ে যাবে। শ্বশুর-শাশুড়ি তখন মেয়ে পাঠাবেন না। সেইজন্যে তাড়াতাড়ি।

    স্টেশনে নেমে বিনোদ গেট পেরিয়ে বেরুল। গেটে লোক নেই, কেউ টিকিট চাইল না। তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে, কোনো দিকে জনমানব দেখা যায় না। আরও দু-বার সে শ্বশুরবাড়ি এসে গেছে, পথ মোটামুটি জানা। তবু ভালো করে একবার স্টেশনমাস্টারের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে নেবে।

    অফিসঘরের দরজা ঝাঁকাচ্ছে— মাস্টারমশায়, মাস্টারমশায়-

    দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। আলো জ্বলছে। স্টেশনমাস্টার আছেন অতএব অফিসে। সাড়া দিচ্ছেন না।

    শুনুন একবারটি মাস্টারমশায়—

    পয়েন্টসম্যান এল হঠাৎ কোন দিক থেকে। গায়ে নীল কোট; তার উপর মোটা কম্বল জড়ানো। তা সত্ত্বেও হি-হি করে কাঁপছে। বলে, ডাকেন কেন বাবু? মাস্টারমশায় জ্বরে বেহুঁশ। গাড়ির ছাড় গার্ডসাহেব আজ আমার কাছ থেকে নিয়ে নিল। উনি উঠতে পারবেন না, আমায় বলুন কী দরকার।

    সাদিপুর থেকে আমার জন্য পালকি আসার কথা। দেখতে পাচ্ছিনে তো।

    ভ্রূভঙ্গি করে পয়েন্টসম্যান বলে, পালকি চাচ্ছেন বাবু, বলি পালকিটা বইবে কারা? বেয়ারা জুটবে কোথা? ম্যালেরিয়ার নতুন আমদানি- ঘরে ঘরে মেয়েমর্দ সকলের জ্বর। একবাটি বার্লি রেঁধে দেবার মানুষ জোটে না, আপনার মাথায় পালকির শখ চাপল এখন।

    হাঁসফাস করছিল লোকটা— বিনোদের সামনে সেইখানে মেঝের উপর বসে পড়ল। বলে, আগের লোকটা মারা গেল জ্বরে। পরশুদিন আমায় এই স্টেশনে পাঠাল। আমাকেও জ্বরে ধরেছে। কপালে কী আছে জানিনে।

    দু-মাসের মধ্যে বিনোদ শ্বশুরবাড়ির কোনো চিঠিপত্র পায়নি। মন বড়ো উতলা। স্টেশনমাস্টার পুরোনো লোক, তিনি হয়তো খবরাখবর কিছু বলতে পারতেন। এ লোক একেবারে নতুন, একে জিজ্ঞাসা করে লাভ নেই।

    সারাদিন খাওয়া হয়নি বিনোদের। বড়ো ক্লান্ত। একবার ভাবল, রাত্রিটা স্টেশনে কাটিয়ে সকালবেলা বেরুবে। কিন্তু সামান্য পথ, মাইল তিনেকের বেশি নয়। মশা ঝাঁকে ঝাঁকে এসে পড়ছে— যা গতিক, রাতের মধ্যে চোখ বুজতে দেবে না। তার চেয়ে কোনোরকমে পথটুকু কাটিয়ে শ্বশুরবাড়ির খাটের উপর গদিয়ান হয়ে পড়া ভালো।

    .

    পথে নেমে পড়ল বিনোদ। হনহন করে চলেছে। হাতঘড়িতে ন-টা। সন্ধ্যারাত্রি বলা যায়। এরই মধ্যে চারিদিক একেবারে নিশুতি। রাস্তার জল কলকল করে নালায় পড়ছে। ব্যাং ডাকছে গ্যাঙর-গ্যাং। বাদুড়ের ঝাঁক উড়ছে মাথার উপরে।

    .

    চাঁদ দেখা দিল আকাশে। মেঘ ভাঙা ঘোলাটে জ্যোৎস্না। অদূরে কেয়াঝাড়। ছত্রাকার কেয়া পাতার নীচে মানুষ যেন! মানুষটা কাঁটাবনের মধ্যে মোটা কেয়া গুঁড়ির উপর আরামে পা ছড়িয়ে বসে আছে। স্টেশন থেকে বেরিয়ে এতক্ষণের মধ্যে প্রথম এই মানুষ।

    বিনোদ ব্যাকুল হয়ে জিজ্ঞাসা করে, সাদিপুরে মাখনলাল করের বাড়ি যাব। যাচ্ছি তো ঠিক?

    উঁহু—। শঙ্খের মতন আওয়াজে মানুষটা জবাব দেয়— সাদিপুর যাবে তো এই দিকে চলে এসো। ডাকছি, আসছ না কেন?

    পথ কোথা গহিন জঙ্গলের মধ্যে। পাগল নিশ্চয়— নয় তো রাত্রিবেলা ঘরবাড়ি ছেড়ে এমন জায়গায় কেন? মিলিটারি মানুষ বিনোদ— সে কিছু গ্রাহ্য করে না। নিরুত্তরে অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে আরও জোরে গটমট করে চলল।

    দীর্ঘ একটা খেজুরগাছ ঝড়ে বেঁকে গেছে। কাত হয়ে আছে সেটা রাস্তার উপর গাছটা আগেও দেখেছে, বিনোদের মনে পড়ল। ঠিক পথেই যাচ্ছে তবে, পথ হারায়নি। যেই মাত্র গাছের নীচে আসা, গাছটা নুয়ে এসে বিষম জোরে মাটিতে আছড়ে পড়ল। সঙ্গেসঙ্গে আবার আগেকার অবস্থায়— তেমনি কাত হয়ে আছে রাস্তার উপর। আর যেন খলখল হাসি শুনতে পায় বাতাসে। বিনোদ ছুটে বেরুল, তাই রক্ষা! নইলে গাছ ঠিক মাথার উপরে পড়ত, মাথা ফেটে চৌচির হয়ে যেত। অল্পের জন্য বেঁচে গেছে।

    খুব খানিকটা গিয়ে পিছনে তাকায়। খেজুরগাছ যেমন তেমনি আছে, পাতা ঝিলমিল করছে জ্যোৎস্নায়। সাহসী মানুষ বিনোদ— প্যারেড করে, বন্দুক চালায়। ভাবছে, চোখের ভুল। বম্বে মেল আজ বড্ড লেট ছিল— হাওড়া স্টেশনে নেমেই শিয়ালদা মুখো ছুটতে হল। খাওয়া-দাওয়া হয়নি সমস্তটা দিন। ক্ষিধে-তেষ্টায় অবসন্ন হয়ে মাথা ঘুরছে, আর এই সমস্ত আজব জিনিস দেখছে। আসলে কিছুই নয়।

    .

    শ্বশুরবাড়ি পৌঁছে গেল। অবস্থা ভালো এঁদের, পাকা কোঠাবাড়ি। বৈঠকখানা অন্ধকার। শীতকালে বড়োদিনের সময় বিনোদ এসেছিল, দিনরাত লোক গিজগিজ করত তখন। রাতদুপুর অবধি পাশা খেলার হুল্লোড়। আজ কেউ নেই। সেটা হয় তো ওই পয়েন্টসম্যানের মুখে যা শোনা গেল— জ্বরজারির মধ্যে আড্ডা দেওয়ার পুলক নেই মানুষের। বাড়ির কর্তারাও হয়তো জ্বরের তাড়সে ভিতর-বাড়ির বিছানায় পড়ে কোঁ-কোঁ করছেন।

    ভিতর-বাড়ির দরজাটা হাঁ-হাঁ করছে। জামাই ঢুকে গেল ভিতরে। বারান্দা দিয়ে যাচ্ছে শব্দসাড়া করে। কাশছে। একজন কেউ বেরিয়ে আসুক। কী আশ্চর্য, গেলেন কোথা সব?

    এইরকম ভাবছে। কোন দিক থেকে ঘোমটা দেওয়া এক বউ এসে সামনে দাঁড়াল। বিনোদ হকচকিয়ে যায়। তাড়াতাড়ি পরিচয় দিল, এ বাড়ির ছোটো জামাই আমি— বিনোদ।

    খিলখিল খিলখিল উচ্ছলিত হাসি। হাসতে হাসতে ঘোমটা খুলে ফেলে চঞ্চলা। বিনোদের সঙ্গে এই মেয়ের বিয়ে হয়েছে।

    চঞ্চলা আগে আগে চলেছে। মস্তবড়ো বাড়ি। আরও কত বারান্দা কত সিঁড়ি উঠান পার হয়ে চলল। একসময়ে বিনোদ সেই আগের প্রশ্ন করে, মানুষ দেখিনে– গেলেন কোথা এঁরা সব?

    চঞ্চলা বলে, ঝিকরগাছি আমার এক পিসির বাড়ি। পিসির মেয়ের বিয়ে আজ। বাড়িসুদ্ধ সেখানে চলে গেছেন।

    একবার ঢোক গিলে বলে, আমারও যাবার কথা। কিন্তু জ্বর থেকে উঠে সবে কাল অন্নপথ্য করেছি কিনা—

    ঘরের মধ্যে এসে গেছে দু-জনা। কুলুঙ্গিতে প্রদীপ। প্রদীপের আলোয় বিনোদ চঞ্চলার দিকে ভালো করে তাকাল। অসুখ করেছিল, চেহারায় তা বোঝা যায় না। আগে যেমন দেখে গেছে, তেমনি। চঞ্চলার চেহারা ও স্বাস্থ্য চমৎকার।

    বিনোদ বলে, এত বড়ো বাড়ির মধ্যে একলা একটি প্রাণী ভয় হচ্ছে না তোমার?

    একলা কেন হব? বুড়ো দরোয়ান আর গোবিন্দ চাকর রয়েছে। তারা বৈঠকখানায়। সৌদামিনী ঝি-ও আছে। শরীর খারাপ বলে সকাল সকাল শুয়ে পড়েছে, ডাক দিলে এসে পড়বে।

    পালঙ্কের বিছানায় চেপে বসে বিনোদ অভিমান ভরে বলে, আজ এসে পৌঁছোব, স্টেশনে পালকি রাখবার জন্য চিঠি দিয়েছিলাম। পালকি না জুটুক, স্টেশনে অন্তত বুড়ো দরোয়ানকে পাঠালে পারতে।

    চঞ্চলা ঘাড় নাড়ল—চিঠি পৌঁছোয়নি, পৌঁছোবার উপায়ও নেই। পোস্টমাস্টার— পিওন দুটোই মারা গেছে। যে রানার ডাক বয়ে আনত, সে-ও নাকি নেই।

    সাংঘাতিক ম্যালেরিয়া। জ্বরজারি কাকে বলে এ অঞ্চলের লোক আগে জানত না। পাথরে কোঁদা নিরেট দেহ যেন মানুষের। রেললাইন হয়ে অবধি এই কাণ্ড। গাঙ-খালের মুখ বন্ধ করে রাস্তা বেঁধেছে। খানাডোবা চারিদিকে। বর্ষার জল পড়তে না পড়তে নরক গুলজার। মানুষজন উজাড় হয়ে গেল।

    কথাবার্তার মধ্যে একসময় বিনোদ বলে, তোমার কাছে বলতে কী— সারাদিন ভাত জোটেনি, বিষম ক্ষিধে পেয়েছে। ক্ষিধের চোটে মুখে আমার কথা সরছে না। তাড়াতাড়ি চাট্টি ভাত ফুটিয়ে দিতে পার তো দেখ।

    চঞ্চলা ব্যস্ত হয়ে উঠে পড়ল— ছি ছি, আগে বলতে হয়! চালে-ডালে খিচুড়ি চাপিয়ে দিইগে, তাড়াতাড়ি হবে। তরকারির হাঙ্গামায় যাব না। শুয়ে থাকো তুমি, বিশ্রাম করো। এসে ডাকব তোমায়।

    চলে গেল চঞ্চলা। যেন উড়ে বেরিয়ে গেল পাখির মতন।

    .

    এই ঘরটায় বিনোদ আগেও থেকে গেছে। পিছনে খিড়কির বাগান। কদম ফুল ফুটেছে, খোলা জানলায় মিষ্টি গন্ধ আসছে। কুলুঙ্গির প্রদীপটা হঠাৎ দপদপ করে। আলো নাচে দেয়ালে দেয়ালে। চমক লাগে— অনেক লোকের আনাগোনা যেন বাইরে, ফিসফিস কথাবার্তা।

    কে রে, গোবিন্দ নাকি ওখানে?

    জবাব নেই। একা গোবিন্দ কিংবা দু-জন চার জন মানুষ নয়। অনেক, অনেক। বাড়ির সকলে নিমন্ত্রণে গিয়েছে। এত লোক তবে কোথা থেকে আসে?

    উঁকি দিয়ে দেখল জানলার বাইরে। জ্যোৎস্না উজ্জ্বল হয়েছে এখন। না, কিছুই নয়। কিন্তু যেই মাত্র ভিতর দিকে সরে আসে, আবার সেই পাতার খসখসানি। ভিড় জমেছে বুঝি জানলায়, ঠেলাঠেলি করে তার দিকে উঁকি দিচ্ছে। চাপাগলায় শলাপরামর্শ।

    উঠে গিয়ে বিনোদ দড়াম করে জানলার করাট বন্ধ করল। একলা ঘরে গা ছমছম করছে। চঞ্চলার কাছে একথা বলা যাবে না। হাসবে। ঠাট্টা করবে— এই বীরপুরুষ তুমি, এই সাহস নিয়ে লড়াইয়ের পাঁয়তারা কষে বেড়াও!

    তার চেয়ে কোথায় চঞ্চলা রান্নাঘরে খিচুড়ি চাপিয়েছে— চলে যাওয়া যাক সেখানে। রান্না চলবে আর গল্প হবে দু-জনায়।

    পা-টিপে-টিপে নিঃসাড়ে যাচ্ছে। হঠাৎ ঢুকে পড়ে চঞ্চলাকে চমকে দেবে।

    .

    কিন্তু— ওরে বাবা, কী সর্বনেশে কাণ্ড গো! রান্নাঘরে ঢুকতে গিয়ে বিনোদ পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। রান্না করছে চঞ্চলা— উনুন জ্বালাবার কাঠকুটো নেই বুঝি, সেইজন্য নিজের পা দুখানা ঢুকিয়ে দিয়েছে উনুনের ভিতর, দাউদাউ করে পা জ্বলছে! উনুনের উপর কড়াইতে খিচুড়ি ফুটছে টগবগ করে। চঞ্চলা আঙুল দিয়ে এক-একবার তুলে টিপে দেখছে সিদ্ধ হল কি না। গরম খিচুড়ির মধ্যে ইচ্ছামতো আঙুল ডুবিয়ে দিচ্ছে, পা জ্বলছে ওদিকে উনুনের ভিতরে।

    মশলা বাটবে। কোণের দিকে শিল-নোড়া। চঞ্চলার উঠবার জো নেই পা তুললেই তো নিভে যাবে উনুন। হাত বাড়াল শিল-নোড়া আনবার জন্য। হাত ক্রমেই লম্বা হচ্ছে। লম্বা হয়ে শিল-নোড়া ধরল। তারপর ছোটো হচ্ছে। হতে হতে আবার স্বাভাবিক আকারে এল। কাছে এনে শিল পেতেছে। হাত লম্বা করে তখন তাকের উপরের মশলার ডালা নামিয়ে আনল। এক জায়গায় বসে সমস্ত হচ্ছে। ঘটঘটর করে চঞ্চলা বাটনা বাটে এবার।

    বিনোদ রুদ্ধনিশ্বাসে দেখে সব তাকিয়ে। পা দুটো খুঁটির মতন অনড় হয়ে গেছে। দেখছে একদৃষ্টিতে।

    খিচুড়ি নামিয়ে চঞ্চলা থালায় ঢালে। পিঁড়ি পেতে ঠাঁই করল, জলের গেলাস দিল পাশে। পাতিলেবুর কথা মনে হল বুঝি এইসময়। জানলার গরাদ দিয়ে হাত বের করে দেয়। লম্বা হচ্ছে হাত— আরও, আরও। হাত পঞ্চাশ তো হবেই।

    পাঁচিলের প্রান্তে পাতিলেবুর গাছ— বিনোদের দেখা আছে। ডান হাত সেই অবধি বাড়িয়ে পটপট করে গোটা চারেক লেবু ছিঁড়ে হাত আবার গুটিয়ে আনে। বঁটি পেতে লেবু কাটছে।

    হঠাৎ বিনোদ যেন সংবিৎ পেয়ে যায়। উঠি-কি-পড়ি ছুটছে। শ্বশুরবাড়ির বাইরে, একেবারে রাস্তার উপর। রাস্তা ধরে ছুটছে। মানুষ দেখা যায় না, কিন্তু চারিদিক থেকে কলরব। বহুকণ্ঠে ডাকাডাকি করছে— পালাস কোথা? দাঁড়া! ভালোর তরে বলছি, দাঁড়িয়ে যা—! খলখল করে হাসি।

    বাঁশতলার অন্ধকার। ছুটতে ছুটতে অন্ধকার কাটিয়ে বিনোদ ফাঁকায় এল। কী আশ্চর্য, তার সামনে-পিছনে ডাইনে-বাঁয়ে চারদিকে চারটে বউ। সে যত ছোটে, বউগুলোও ছোটে ততই। ছায়াকে যেমন ছেড়ে পালানো যায় না, তেমনি এরা।

    সামনের বউটা একসময় থমকে দাঁড়ায়। গায়ের উপরে বিনোদ হুমড়ি খেয়ে পড়ছিল, কোনোরকমে সামলে নিল। রক্ষা নেই, এইবারে ধরল। তাকিয়ে দেখে, অন্য তিন বউও সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে গেছে।

    সামনের বউটা ঘুরে দাঁড়ায় বিনোদের দিকে। এতক্ষণে মুখের ঘোমটা তুলল। তারই স্ত্রী চঞ্চলা— রান্না করছিল যে বসে বসে। ডাইনে-বাঁয়ে ও পিছনে মুখ ঘুরিয়ে দেখে, তারাও সব ঘোমটা খুলেছে। চঞ্চলা সবাই। এক চঞ্চলা চারজন হয়ে গেছে। পালাবার পথ নেই কোনো দিকে। বিনোদের গায়ে ঘাম দেখা দিয়েছে। চারজনের আটখানা হাত অক্টোপাসের মতো টুটি চেপে ধরে বুঝি এইবার। হাতগুলো সত্যি লম্বা হচ্ছে একটু একটু করে, তার দিকে এগিয়ে আসছে। ফাঁকার মধ্যে বেঘোরে প্রাণটা গেল— হায় ভগবান!

    চেতনা হারিয়ে বিনোদ পড়ে যায় আর কী পথের উপর! কিন্তু, না— হাতের মুঠিতে গলা চেপে ধরে না, হাতের আঙুলের কোমল স্পর্শ তার দেহে। সর্বাঙ্গ জুড়িয়ে গেল।

    চঞ্চলার চোখে জল। চারজনের একসঙ্গে জল এসে গেছে চোখে। বলে, দেখ, একজন আমি চারজন হয়ে চার দিক থেকে ঠেকিয়ে নিয়ে এলাম। নয় তো রক্ষা ছিল না। প্রাণ নিয়ে ফিরে আসতে দিত না ওরা।

    বিনোদ বলে, ওরা কারা?

    চঞ্চলা বলে, আমি মরে গেছি। আমার ভাই-বোন বাপ-মা সবাই। মহামারিতে এত বড়ো গাঁয়ের মধ্যে একটি প্রাণী বেঁচে নেই। বেঁচে থাকতে এখানকার মানুষ গাঁয়ের মধ্যে চোর ডাকাত ঢুকতে দিত না। মরার পরে তেমনি এখন জ্যান্ত মানুষ ঢুকতে দেয় না। ঢুকে পড়লে গলা টিপে মেরে দলের মধ্যে নিয়ে নেবে। তোমায় যে পারেনি, সে কেবল আমার জন্যে। তুমি বেঁচে থাক, শতেক পরমায়ু হোক। এই কম বয়সে কেন তুমি মরতে যাবে?

    হাঁপাচ্ছিল চঞ্চলা ছুটোছুটির ক্লান্তিতে। খানিক দম নিয়ে বলে, গোড়ায় পিছু পিছু আসছিলাম। কিন্তু ভরসা হল না। কেউ এসে টপ করে যদি ধরে নেয়। সামনের দিক দিয়ে কিংবা ডাইনে-বাঁয়ে একজনে চারজন হয়ে চতুর্দিক ঘিরে নিয়ে এসেছি। সে যে কী কষ্ট! আর ভয় নেই, সাদিপুরের সীমানা ছাড়িয়ে এসেছি। একটুখানি গিয়েই স্টেশন।

    চার বউ চার পাশ থেকে মাথা নুইয়ে চারখানা ডান হাত বের করে বিনোদের পায়ের ধুলো নিল। পলকের মধ্যে দেখে, ফাঁকা মাঠের মধ্যে একলা সে দাঁড়িয়ে। কোনো দিকে কেউ নেই।

    [ শারদীয়া (দেব সাহিত্য কুটীর), ১৯৬১ ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }