Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বেগম কুঠি – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    অফিসের কাজে গিয়েছিলাম উত্তর বিহারের এক ছোটো শহরে। এক দিনেই কাজ শেষ হয়ে গেল। মাঝখানে দিন দুয়েক ছুটিও ছিল। বাড়ি ফেরবার কোনো তাড়া ছিল না। কী করে সময়টা কাটাব তাই ভাবছি, হঠাৎ মনে পড়ে গেল।

    আমার দূর সম্পর্কের এক মামাতো বোন। পূরবী। বছর দশেক আগে এই শহরের কাছাকাছিই কোথায় বিয়ে হয়েছিল। পূরবী বিয়ের পর তার শ্বশুরবাড়ি যাবার জন্য আমাকে অনেকবার চিঠি লিখেছিল। চিঠির উত্তর দিয়েছিলাম, কিন্তু তার কথা রাখা সম্ভব হয়নি। বোধ হয় রাগ করেই পূরবী চিঠি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। অনেক বছর তার কোনো খবর পাইনি।

    সেই সুযোগ যখন এসেছে আর হাতে সময়ও আছে, তখন ভাবলাম পূরবীর ওখানে একবার ঘুরেই আসি। খবর না দিয়ে গিয়ে তাকে একেবারে চমকে দেব।

    ডায়েরি খুলে পূরবীর ঠিকানাটা দেখে নিলাম। সুলতানপুর। বাড়ির নাম বেগম কুঠি।

    সুলতানপুর এখান থেকে মাইল তিনেক। বাস চলে।

    ভাবলাম যাবার আগে বোনের জন্য কিছু জিনিস নিয়ে যাই। এই প্রথম যাচ্ছি, কাজেই একেবারে খালি হাতে যাওয়াটা শোভন হবে না। কিন্তু নিয়ে যাবার মতন জিনিস এই ছোটো শহরে পাওয়া সম্ভব নয়।

    কিছু কাচের চুড়ি, এক বাক্স মিষ্টি আর দুটো কারুকার্যকরা কাঠের ফুলদানি নিয়ে বিকেলবেলা বাসে চড়ে বসলাম।

    সুলতানপুর আরও ছোটো শহর। এখানে গুটিপোকার চাষ হয়। রেশমের কারবার। শুনেছিলাম পূরবীর স্বামী অদিতিবাবু গুটিপোকার ব্যাপারে একজন বিশেষজ্ঞ। এই নিয়ে গবেষণা করছেন।

    বেগম কুঠি যখন পৌঁছোলাম, তখন বিকেলের আলো স্নান হয়ে এসেছে। অনেকখানি জায়গা নিয়ে দু-তলা বাড়ি। চারদিকে বাগান। বড়ো বড়ো গাছে ভরতি বোধ হয়, একসময়ে মোগল সুবাদারের কোনো বউ থাকত এখানে। তখন সুবাদারদের দোর্দণ্ড প্রতাপ। দিল্লি অনেক দূর, কাজেই লোকেদের কাছে তারাই বাদশার সামিল ছিল। তাদের পরিবারদের লোকে বেগমের সম্মান দিত।

    গেটের কাছেই দুটি ছোটো ছেলের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। কাছাকাছি বয়সের দু-জন। ছুটে ছুটে প্রজাপতি ধরবার চেষ্টা করছে।

    আমাকে দেখে খেলা থামিয়ে তারা থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। একজন হিন্দিতে বলল, কাকে চান?

    বললাম, পূরবীকে চাই। আমার বোন পূরবী।

    অপেক্ষাকৃত কম বয়সের ছেলেটা হাততালি দিয়ে বলে উঠল, আরে, ও তো আমার মা।

    একটু লজ্জা পেলাম, কারণ পূরবীর সন্তান থাকতে পারে এ সম্ভাবনার কথা একবারও মনে হয়নি। লজ্জা পেলাম এই জন্য যে এদের জন্য কিছু খেলনা হাতে করে আসা উচিত ছিল।

    বড়ো ছেলেটি বলল, আসুন। মা বাগানে আছে।

    সব কথাবার্তাই কিন্তু হিন্দিতে চলল।

    একটা নিমগাছের কাছ বরাবর আসতেই চমকে উঠলাম।

    আরে পানুদা যে!

    চেয়ে দেখি পূরবী দাঁড়িয়ে রয়েছে। আগের চেয়ে একটু ভারী হয়েছে শরীর। একটু ফর্সাও হয়েছে।

    কোথায় ছিলে?

    নিমগাছে। তোমায় দেখে সড়াৎ করে নেমে এলাম।

    কথাটা বলে পূরবী মুখে আঁচল চাপা দিয়ে হেসে লুটিয়ে পড়ল।

    পূরবী চিরকালই এইরকম। ছোটোবেলা থেকে। মজার মজার কথা বলবে আর হেসে লুটিয়ে পড়বে। এতদিন পরেও ওর স্বভাব বদলায়নি।

    তারপর, হঠাৎ যে বোনের কথা মনে পড়ল?

    কাছাকাছি একজায়গায় অফিসের কাজে এসেছিলাম, ভাবলাম ঘুরে যাই।

    অভিমানে পূরবী মুখটা ভার করল, ও, তাই বলো, শুধু বোনকে দেখতে আসোনি? বোনের কথা মনে ছিল না?

    হেসে বললাম, বোনের কথা মনে না থাকলে আর চলে এলাম কী করে? নে, বড্ড তেষ্টা পেয়েছে, একটু চা খাওয়া।

    মিষ্টির বাক্সটা একটা ছেলের হাতে তুলে দিলাম। চুড়ি আর ফুলদানি দিলাম পূরবীকে। বললাম, তোর ছেলেদের কথা আমার জানা ছিল না। তুই তো লিখিসনি কিছু!

    তোমায় যখন চিঠি লিখতাম তখন এরা হয়নি যে।

    এরা বাংলা বলতে পারে না?

    কী করে পারবে। ধারে-কাছে কোনো বাঙালি পরিবার তো নেই। ওদের নামগুলো শুনবে?

    কী?

    বাবুয়া আর ছবুয়া।

    ভালো নাম?

    ভালো নাম হয়ইনি। এসো, বাড়ির মধ্যে এসো।

    বাড়ির মধ্যে ঢুকলাম। সাজানো গোছানো ঘর। একটা চেয়ারে বসলাম। ছেলেদুটিকে কাছে ডাকলাম, কিন্তু তারা এল না।

    একজন বলল, বাড়ির মধ্যে ভালো লাগে না। ভয় করে। আমরা বাগানে যাচ্ছি।

    দু-জনেই ছুটে বেরিয়ে গেল।

    প্রায় আধ ঘণ্টা পর পূরবী এল। এক হাতে থালায় গোটা কয়েক লাল আটার লুচি আর তরকারি, আর এক হাতে কাচের গ্লাসে দুধ।

    কীরে চা কী হল?

    এখানে চা কেউ খায় না। খুব ভালো দুধ পাওয়া যায়, তাই সবাই দুধ খায়।

    ও, এইবার বুঝতে পারছি তুই এত মোটা হলি কী করে। খাঁটি দুধে চর্বি বাড়ায়।

    পূরবী আবার হাসতে আরম্ভ করল। তবে থালা বাটি আর গ্লাস তার আগেই আমার সামনে নামিয়ে রেখেছিল।

    তোর ছেলেরা এইরকম বাগানে বাগানে ঘোরে? বাড়িতে ঢুকতে চায় না?

    পূরবী সঙ্গে সঙ্গে গম্ভীর হয়ে গেল। থেমে থেমে বলল, ভালোই করে পানুদা। বাড়ির মধ্যে না ঢোকাই ভালো। আমি ঢুকেছি আমারই যেন শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।

    ব্যাপারটা কিছুই বুঝতে পারলাম না। চারদিকে অবশ্য প্রচুর খোলা জায়গা। অবারিত বাতাস। সেই তুলনায় বাড়ির মধ্যে একটু গুমোট। পূরবী বোধ হয় তারই ইঙ্গিত দিল। কিন্তু অন্ধকার হয়ে এসেছে, এসময় বাগানের মধ্যে ছেলেদের ঘোরাফেরা না করাই ভালো। সাপ থাকতে পারে, কত রকমের বিষাক্ত কীট।

    আমি অন্য প্রসঙ্গ আরম্ভ করলাম।

    হ্যাঁরে, অদিতিবাবু কখন ফেরেন?

    ওর ফেরারও কিছু ঠিক নেই। বাইরে বাইরেই বেশি থাকে।

    উনি কী একটা গবেষণা করছিলেন, না?

    হ্যাঁ, ওই সব গুটিপোকা নিয়ে। তা গুটিপোকা তো অনেক মরে গেছে।

    মরে গেল? কী করে?

    আবার পূরবীর মুখের ওপর গাম্ভীর্যের ছায়া নামল। পিছিয়ে গিয়ে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, চলি পানুদা তোমার খাবার ব্যবস্থা করি গে।

    পূরবী বেরিয়ে গেল।

    এতক্ষণ লক্ষ করিনি, ঘরের কোণে একটা হ্যারিকেন জ্বলছিল। বাইরে অন্ধকার গাঢ় হবার সঙ্গে সঙ্গে হ্যারিকেনের দীপ্তি উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

    আস্তে আস্তে বেরিয়ে বাইরের রোয়াকে গিয়ে দাঁড়ালাম।

    নিকষকালো অন্ধকার। কোথাও আলোর ক্ষীণ দীপ্তিও নেই। ওপরের দিকে চেয়ে দেখলাম, দু-তলার কোনো ঘরে আলো জ্বলছে না।

    একটু দূরে একতলা একটা ঘর। সম্ভবত সেটাই রান্নাঘর। কিন্তু সেখানেও ঘুটঘুটে আঁধার।

    তাহলে রান্নার ব্যবস্থা করতে পূরবী গেল কোথায়?

    এতক্ষণ পরে সব কিছু যেন একটু অস্বাভাবিক ঠেকল। মনে হল, এভাবে আমি আসাতে পূরবী যেন খুব খুশি হয়নি। আশা করেছিলাম, আমার কাছে বসে গল্প করবে। আমার মা-বাবার কথা জিজ্ঞাসা করবে। আমার বউ-ছেলে-মেয়ের খবর নেবে। কিন্তু সেসব কিছুই করল না।

    ক্ষুণ্ণমনে আবার ঘরের মধ্যে গিয়ে ঢুকলাম। রাত বাড়ছে। বাইরে একটা পেঁচা ডেকে উঠল। ঘরের কোণে একটা তক্ষকের ডাকও শোনা গেল।

    বেশ খিদে পেয়েছে। পেটের নাড়িগুলো মোচড় দিয়ে উঠল। আস্তে আস্তে পায়চারি করতে আরম্ভ করলাম। নিঃঝুম বাড়ি। বাবুয়া ছবুয়ার গলার স্বরও শোনা গেল না।

    বড্ড দেরি হয়ে গেল পানুদা। পোড়াবাড়িতে কিছু নেই। সব আনতে হল। নিজেকে ছুটতে হল দোকানে।

    ঘরের মধ্যে ঢুকতে ঢুকতে পূরবী বলল।

    তোকে? কেন, বাড়িতে কি চাকর কেউ নেই?

    আর বলো না। এ হতভাগা দেশে মানুষ আছে নাকি! নাও, বসো।

    পূরবী টেবিলের ওপর থালা রাখল। পাশে জলের গ্লাস।

    বসেই হতাশ হলাম। ক-খানা আধপোড়া রুটি, একটা কুমড়োর তরকারি আর সঙ্গে আমারই দেওয়া একটা মিষ্টি।

    এই সামান্য রান্নার জোগাড় করতেই পূরবী রাত কাবার করে ফেলল। বেশ বুঝতে পারলাম আমি অবাঞ্ছিত অতিথি। আমার এখানে আসাটা পূরবীর মোটেই মনঃপূত নয়। ঠিক করলাম, ভোরের আলো ফোটবার সঙ্গে সঙ্গেই পালাব। আর এক দিনও এখানে নয়।

    পেটে আগুন জ্বলছিল, কাজেই নির্বিচারে সেই আধপোড়া রুটিগুলোর সদ্‌ব্যবহার করলাম। মুখ ধুয়ে পূরবীকে বললাম, শোবার ব্যবস্থা করে দে। বড্ড ক্লান্ত লাগছে কাল সকালেই বরং অদিতিবাবুর সঙ্গে দেখা করব।

    এদিকের ঘরে এসো।

    পূরবী আঙুল দিয়ে পাশের ঘরের দিকে দেখাল।

    তার পিছন পিছন পাশের ঘরে ঢুকলাম। জানলা নেই, একটা ঘুলঘুলি তার নীচে একটা দড়ির খাটিয়া পাতা। বিছানার যে ব্যবস্থা তাতে রাত্রে যে ঘুম হবে, এমন আশা দুরাশা।

    একটি কথাও না বলে, মনের রাগ মনে চেপে খাটিয়ায় শুয়ে পড়লাম। শোবার সঙ্গেই দড়িগুলো আর্তনাদ করে উঠল। এপাশ-ওপাশ করতে সাহস হল না, কী জানি, যদি ছিঁড়ে যায়!

    শুয়ে শুয়ে ঘরটা নিরীক্ষণ করলাম। বোধ হয় মোগলযুগে বদমাইশ প্রজাদের শায়েস্তা করার জন্য এ ঘরটা ব্যবহৃত হত। ঘুলঘুলিটা কোনোরকমে বন্ধ করে দিলে, বাইরের আলো বাতাসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

    শরীর আর মন দুইই ক্লান্ত ছিল। নানা চিন্তা করতে করতে একসময় ঘুমের কোলে ঢলে পড়েছিলাম। হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। ঘুম না ভেঙে উপায়ও ছিল না। মনে হল, খাটিয়াটা ধরে হিড়হিড় করে কারা যেন ঘরময় টেনে নিয়ে বেড়াচ্ছে!

    চোখ খুলতেই খাটিয়াটা স্থির হয়ে গেল। ভাবলাম, ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখেছি, কিন্তু ভালো করে এদিক-ওদিক দেখেই আশ্চর্য হয়ে গেলাম।

    শোবার সময় খাটিয়াটা ঘুলঘুলির তলায় ছিল, কিন্তু এখন খাটিয়াটা একেবারে উলটোদিকে, অর্থাৎ চৌকাঠের কাছে।

    ধড়মড় করে উঠে বসলাম। আমার ওঠার সঙ্গে সঙ্গে খাটিয়াটাও যেন দু-ফিট শূন্যে উঠে আবার আস্তে আস্তে মেঝের ওপর নেমে এল।

    গতিক মোটেই সুবিধার নয়। নেমে পড়ে পাশে রাখা পাঞ্জাবিটা গায়ে দিয়ে নিলাম। জুতোজোড়াও পরলাম।

    বাইরে যেন কাদের গুঞ্জন। চাপা হাসি আর কথাবার্তার আওয়াজ। পা টিপে টিপে বাইরে এসে দাঁড়ালাম।

    অবারিত জ্যোৎস্না। চারদিক দিনের আলোর মতন পরিষ্কার। দেখতে একটুও অসুবিধা হল না। নিমগাছের তলায় চারজন বসে। পূরবী, বাবুয়া, ছবুয়া আর একজন ভদ্রলোক, তিনিই নিশ্চয় অদিতিবাবু। কিন্তু কারোরই রক্তমাংসের শরীর নয়, শুধু কঙ্কাল। সবাইয়ের মাঝখানে কী-একটা পড়ে আছে, হাত দিয়ে তুলে তুলে চারজনেই একটু একটু করে মুখে দিচ্ছে।

    বাইরে যেতে হলে ওই নিমগাছের পাশ দিয়েই যেতে হবে। উপায় নেই, যেমন করেই হোক আমাকে এই বেগম কুঠি ছেড়ে পালাতেই হবে।

    খুব সন্তর্পণে গাছের আড়াল দিয়ে এগোতে আরম্ভ করলাম। জুতোজোড়া খুলে হাতে নিয়ে। একেবারে নিমগাছটার কাছাকাছি যেতে বুঝতে পারলাম ওদের সামনে একটা মরা ছাগল। তারই নাড়িভুঁড়িগুলো টেনে টেনে বের করে সবাই মুখে দিচ্ছে মুখের দু-পাশ বেয়ে টাটকা রক্তের ধারা গড়িয়ে পড়ছে। হাত তোলা আর নামানোর সঙ্গে সঙ্গে হাড়ে হাড়ে লেগে শব্দ হচ্ছে ঠক, ঠক, ঠক!

    কোনোরকমে ফটকের বাইরে কয়েক পা আসতেই পিছনে একটা দারুণ শব্দ। চমকে ঘাড় ফিরিয়ে দেখলাম বেগম কুঠি ভেঙে পড়ছে। ইঁটের টুকরো, দরজা জানলার কাঠ ছিটকে পড়ছে চারদিকে।

    জুতো হাতে করেই তিরবেগে ছুটতে শুরু করলাম। কেবল মনে হতে লাগল পিছনে পিছনে চারটে কঙ্কালমূর্তিও ছুটে আসছে। ধরতে পারলে ওই ছাগলটায় মতনই রক্তমাখা আমার নাড়িভুঁড়িগুলো টেনে বের করে জলযোগ সারবে।

    কতক্ষণ দৌড়েছিলাম মনে নেই। শেষদিকে পথ ছেড়ে মাঠে নেমে পড়েছিলাম। কাঁটাগাছ, জল, কাদা কোনোদিকে দৃকপাত করিনি। চলতে চলতেই দূরের পেটা ঘড়িতে ঢং ঢং ঢং করে তিনটে বাজতে শুনলাম।

    আচমকা একটা লোকের সঙ্গে ধাক্কা লাগতে ছিটকে পড়ে গেলাম। মুখ দিয়ে কেবল গোঁ-গোঁ শব্দ বের হল।

    একটু পরে জ্ঞান ফিরতে দেখলাম একজন চৌকিদার আমার মুখের ওপর ঝুঁকে রয়েছে। বুঝতে পারলাম তার সঙ্গেই ধাক্কা লেগেছিল।

    সব শুনে চৌকিদার বলল, আরে রামজী, বেগম কুঠি তো সেই বড়ো ভূমিকম্পের সময় ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এক বাঙ্গালিবাবু, তার আওরত, দুই ছেলে সব বাড়ি চাপা পড়ে খতম। ও জায়গার পাশ দিয়ে কেউ যায় না। নানারকম শব্দ শোনে, হরেকরকমের মূর্তি দেখে। আমিও ওদিকে পাহারায় যাই না। আমি নিজে এক আওরতকে নিমগাছের মধ্যে মিশে যেতে দেখেছি।

    এ ঘটনার পর অনেকদিন কেটে গেছে। এখনও মাঝে মাঝে বেগম কুঠির সে রাতের ঘটনাটা স্বপ্নে দেখা দেয়। আর্তনাদ করে বিছানার ওপর উঠে বসি। বাকি রাতটা আর ঘুমাতে পারি না।

    পাড়ার দু-একজন মাতব্বর বলছে গয়ায় এদের পিণ্ড দিয়ে আসতে। ভাবছি কী করব!

    [ শুকতারা, ভাদ্র ১৩৭৪ (অগাস্ট ১৯৬৭) ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }