Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গুপ্তধনের চাবি – কমল লাহিড়ী

    চিঠিটা হাতে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে রইল অরিন্দম। আজ সারাদিন পরিশ্রমও হয়েছে। তারপর পরিতোষ বলেছিল, ওর সেজদির বাড়িতে নিয়ে যাবে। কিন্তু অফিস থেকে মেসে ফিরে পিসিমার এই চিঠিটাই সব গোলমাল করে দিল।

    কিছুই ভালো লাগছে না। ‘চা-টাও ঠান্ডা হয়ে গেল। মেসের ঠাকুর চা দিতে এসে চিঠিটা দিয়েছে। পরিতোষটাও এখনও ফিরল না। একটু যে পরামর্শ করবে তার উপায় নেই।

    নীল রঙের ইনল্যান্ডখানা আবার খুলে পড়তে লাগল অরিন্দম। প্রিয়নগর থেকে পিসিমাই লিখেছেন:

    পরম কল্যাণবর,

    বাবা অমু, এর আগের চিঠিতেও তোমাকে একবার তাড়াতাড়ি আসিতে লিখিয়াছিলাম। কিন্তু ছুটি না পাওয়ায় তুমি আসিতে পারো নাই। সব কথা খোলাখুলি লিখিতেও পারি না। তোমার সঙ্গে একবার দেখা হওয়া বিশেষ দরকার। আমার মন ভালো না। যত সত্ত্বর পারো একবার আসিও। খুবই বিপদে পড়িয়াছি। আমার স্নেহাশীর্বাদ নিও।

    ইতি— পিসিমা

    চিন্তার রেখা ফুটে উঠল অরিন্দমের চোখে-মুখে। একটা কথা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না। এই তো দু-মাস আগেই পিসিমার সঙ্গে দেখা করে এসেছে। নতুন চাকরি। কথায় কথায় তো ছুটি পাওয়া যায় না। হঠাৎ যে পিসিমার কী এমন দরকার পড়ল!

    মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই একমাসের ব্যবধানে, বাবা-মা দু-জনকে হারিয়ে অরিন্দম নিঃসন্তান পিসিমার কাছে আশ্রয় পেয়েছিল। পিসেমশাইও খুব ভালোবাসতেন। প্রিয়নগর গ্রাম হলেও, শহরতলির অনেক সুবিধে ছিল। কলকাতার এক বেসরকারি ফার্মে চাকরি করতেন পিসেমশাই। ভালোই কাটছিল দিন। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বেরনোর দিন আবার একটা প্রচণ্ড ধাক্কা এল ওর জীবনে।

    গত বছরের ঘটনা। পরীক্ষার রেজাল্ট জেনে খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরছিলেন পিসেমশাই। আনন্দ আর উত্তেজনায় একটু অসতর্ক হয়ে পড়েছিলেন। শিয়ালদহ স্টেশনের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় দৈত্যের মতো বাসটা পিসেমশাইকে চাপা দিয়ে চলে যায়।

    পুলিশের কাছে খবর শুনে প্রথমে হতবাক হয়ে গিয়েছিল অরিন্দম। পিসেমশাইয়ের পকেটের ডায়েরি থেকেই ঠিকানা পাওয়া গেছে। খবর শুনে পিসিমা অজ্ঞান হয়ে যান। শেষে অবশ্য সব কিছু পিসিমাই সামাল দেন। শক্ত হাতে হাল ধরে পিসেমশাইয়ের প্রভিডেন্ড ফান্ড ইত্যাদির ব্যবস্থা থেকে শুরু করে, অরিন্দমের এই চাকরিটাও পিসেমশাইয়ের অফিসের লোকজনকে ধরে করে দিয়েছিলেন। প্রিয়নগর থেকে যাওয়া-আসার কষ্ট হবে বলে, কলকাতার মেসে থাকার ব্যবস্থাও করেছিলেন। ধীরে ধীরে সব কিছু অরিন্দমও মানিয়ে নিয়েছিল।

    ঠাকুরকে আর এক কাপ চা দেবার কথা বলতে যেতেই পরিতোষের সঙ্গে দেখা হল। ওরা দু-জন এক ঘরে থাকে। চাকরিও এক অফিসে। ঘরে ঢুকেই পরিতোষ বলল, কী রে এখনও রেডি হোসনি, সাড়ে ছ-টা বাজে প্রায়। কথার জবাব না দিয়ে পরিতোষের দিকে পিসিমার চিঠিটা এগিয়ে দিল অরিন্দম।

    বোকার মতো পিসিমার চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করল পরিতোষ। তারপর অরিন্দমের কাঁধে হাত রেখে বলল, তাহলে তো তোর যাওয়া হবে না। তা এখন কি ট্রেন আছে?

    রাত আটটায় একটা গাড়ি আছে। তবে প্রিয়নগর পৌঁছতে বেশ রাত হয়ে যাবে। তাই ভাবছি।

    আর ভেবে কাজ নেই। নিশ্চয়ই পিসিমার কোনো বিপদ-টিপদ হয়েছে। চিঠিতে তো সব লেখা যায় না। দেরি না করে তুই বরং আজই বেরিয়ে পড়। একটা দরখাস্ত শুধু লিখে দিয়ে যা। আমি কাল অফিসে বড়োবাবুকে দিয়ে দেব।

    শেষ পর্যন্ত রাত্রের ট্রেনেই যাওয়া স্থির ঠিক করল অরিন্দম। জিনিসপত্র একটা ছোটো হাত ব্যাগে গুছিয়ে অরিন্দম ঠাকুরের নাম স্মরণ করে রাস্তায় নামল।

    নির্দিষ্ট সময় থেকে আধ ঘণ্টা দেরি করে ট্রেন ছাড়ল। ওভারহেড তারে কারেন্ট না থাকার ফলে সব ট্রেনই দেরি করে ছাড়ছে। প্রিয়নগর স্টেশনে যখন গাড়ি পৌঁছোল তখন রাত সাড়ে এগারোটা বেজে গেছে। রাত্রের ট্রেনে খুব বেশি লোকজন নামে না। আজ নামল শুধু তিনজন। দু-জন যাত্রী একসঙ্গে কথা বলতে বলতে অরিন্দমের সামনে দিয়ে চলে গেল।

    প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে একটু চিন্তা করল অরিন্দম। স্টেশন মাস্টারমশাই-এর ঘরের দরজাও বন্ধ। সামনের দিকে একটা কুকুর কান্নার সুরে ডেকে উঠতে চমক ভাঙল অরিন্দমের। কয়েক পা এগিয়ে গিয়েও থমকে দাঁড়াল। স্টেশনের বাইরে কাঠ-বাদাম গাছটার নীচে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। মনে সাহস এনে বাদাম গাছটার দিকে পা চালাল অরিন্দম।

    আকাশে সরু একফালি চাঁদ ছিল। কিন্তু একখণ্ড কালো মেঘ এসে ঢেকে দিল। স্টেশন থেকে পিসিমার বাড়ি দু-মাইলের মতো রাস্তা। কয়েকটা সাইকেল রিকশাও থাকে। আজ ট্রেনের দেরি দেখে বোধ হয় চলে গেছে। বাদাম গাছটার কাছে এসে দাঁড়াল অরিন্দম। তারপর সামনের দিকে তাকাতেই চমকে উঠল। না চোখের ভুল তো নয়! বাদাম গাছের আড়াল থেকে ঠিক পিসিমার মতো কে একজন সরে গেল। অরিন্দম কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিসিমা ওর সামনে এসে বললেন, অমু এলি বাবা। ট্রেনটা যা দেরি করল। মুখপোড়া যতীনটা সেই যে আমাকে রেখে ভাড়া খাটতে গেল আর ফেরার নাম নেই। তা তুই আমার সঙ্গে হেঁটেই চল। এইটুকুন তো রাস্তা পারবি না হাঁটতে। পিসিমার কথা শুনে হেসে ফেলল অরিন্দম। কিন্তু পরক্ষণেই অনেকগুলো প্রশ্ন একসঙ্গে মাথায় ভিড় করে এল। এত রাত্রে পিসিমা স্টেশনে এসেছেন। যতীন অবশ্য ওদের চেনা লোক রিকশা চালায়। ওদের বাড়ির কাছেই থাকে। কিন্তু সেই-বা গেল কোথায়?

    প্রশ্নগুলো মনের মধ্যে তোলপাড় শুরু করল। পিসিমাকে প্রণাম করতে যেতেই তিনি একটু সরে গিয়ে বললেন, থাক থাক, রাস্তায় প্রণাম করতে নেই। তুই আগে বাড়িতে চল।

    তুমি এত রাত্রিতে স্টেশনে এলে কেন?

    দেখ ছেলের কথা। তোকে চিঠি দিয়েছি না। আমার মন বলছিল তুই আজ ঠিক আসবি। তাই তো যতীনকে নিয়ে রাত্রের ট্রেন দেখতে এলাম। তা সে আবার আমাকে নামিয়ে দিয়ে পলাশপুরে ভাড়া খাটতে গেল। ট্রেন আসার দেরি আছে শুনে আমিও না করিনি।

    পিসিমার কথা শুনে মাথার মধ্যে আবার ঝিম-ঝিম করে উঠল। কিন্তু এখানে দাঁড়িয়ে আর কিছু প্রশ্ন নয়। খিদেও পেয়েছে। ব্যাগটা ভালো করে ধরে একটু হেসেই অরিন্দম বলল, তুমি না সত্যি পাগল। আমি আসতে পারি ভেবে, এই রাতদুপুর অবধি স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছ? নাও আর দেরি না করে চলো, আমার ভীষণ খিদে পেয়েছে।

    হ্যাঁ বাবা তাই চল, বাড়ি গিয়েই সব কথা হবে। তোর খাবার আমি ঢাকা দিয়ে এসেছি। অরিন্দমের সঙ্গে বাড়ির দিকে পা চালাল পিসিমা।

    স্টেশনের সীমানা পেরিয়ে মাটির রাস্তা। পিসিমা আগে আগে হাঁটছেন। অরিন্দমের মনের মধ্যে অনেক কথার ভিড় জমলেও কিছু বলতে পারছে না। কী মনে হওয়ায় পিসিমা ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, তোর অফিসে বলে এসেছিস তো অমু। কয়েক দিন এখানে থাকতেও হতে পারে।

    হ্যাঁ, পরিতোষের কাছে একটা দরখাস্ত লিখে দিয়েছি। তা তোমার এমনকী দরকার পড়ল একটু খুলে বলো তো। অরিন্দম একটু বিরক্তভাবে প্রশ্ন করল।

    এবার অরিন্দমের পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে পিসিমা তাঁর বিপদের কথা বলতে লাগলেন। চাপা স্বরে ফিসফিস করে পিসিমা যা বললেন তার কিছুটা অরিন্দম আগেই আন্দাজ করেছিল।

    শ্বশুরের আমলের পাঁচটা নবাবি মোহর ছিল পিসিমার কাছে। অরিন্দমকে কয়েক বার দেখিয়েওছেন সে মোহর। এখনকার বাজারদরে মোহরগুলোর বেশ কয়েক হাজার টাকা দাম হবে। অরিন্দমকে কয়েক বার বলেছিলেন পিসিমা মোহর ক-টা কলকাতায় নিয়ে বিক্রি করে টাকা ব্যাঙ্কে রেখে দিতে। কিন্তু অরিন্দম সেকথায় কান দেয়নি। গত সপ্তাহে পিসিমা নাকি নিজেই একটা মোহর নিয়ে হরেন স্যাকরার দোকানে গিয়েছিলেন দাম যাচাই করতে। সেখানে আবার তখন গ্রামের কয়েকটি বখাটে ছেলে বসেছিল। মোহর দেখে হরেন স্যাকরা চমকে উঠেছিল প্রথমে। তারপর ছেলেদের দিকে তাকিয়ে, চুপি চুপি মোহরটা পিসিমার হাতে দিয়ে পরে আসতে বলেছিল।

    উৎপাত শুরু হল সেই রাত্রি থেকেই। হরেন স্যাকরার দোকানের সেই বখাটে ছেলেদের মধ্যে একজন রাজেন, পিসিমার কাছে এসে মোহরের কথা জিজ্ঞাসা করল। আর কলকাতায় গিয়ে বিক্রি করে দেবার কথাও বলল। পিসিমা তো অনেক বকাঝকা করে তাকে তাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু রাজেন পরদিন থেকেই তার দলবল নিয়ে রাত্রে উৎপাত শুরু করল। গ্রামের মাতব্বরদের বলেও ফল হয়নি। পরশু নাকি রাজেন পিসিমাকে ভয় দেখিয়ে গেছে, ওকে মোহর বিক্রি করতে না দিলে পিসিমা খুব বিপদে পড়ে যাবেন। তাই ভয় পেয়ে পিসিমা অরিন্দমকে আসতে লিখেছেন।

    কথা শেষ করে পিসিমা বললেন, এখন তুই এসে গেছিস, যা ব্যবস্থা করতে হয় কর।

    ওরা যে এরকম করছিল, তুমি সুমনদের দিয়ে পুলিশে খবর দিলে না কেন? সুমন অরিন্দমের স্কুলের বন্ধু। ওর বাবাও পিসেমশায়ের বন্ধু ছিলেন। তাই সুমনের নামটা অরিন্দমের মাথায় এল! তা ছাড়া বিপদে-আপদে ওরাই তো আগে ছুটে আসে।

    একগাল হেসে পিসিমা বলেন, ওমা পুলিশ আবার কী করবে। এসব কথা কি পাঁচকান করতে আছে। ওই রাজেন ছোঁড়াকে আমি ঢিট্ করে দিয়েছি কথায়। ও আমার আর কিছুই করতে পারবে না। তোর পিসের ছোটো সিন্দুকের চাবি আমি লুকিয়ে রেখেছি। মোহরগুলো সেখানেই আছে। তুই বাবা চাবিটা নিয়ে ওগুলো উদ্ধার কর তাহলেই আমার শান্তি। শেষের কথাগুলো বলতে বলতে পিসিমার গলা ধরে এল।

    রাগে ঘৃণায় বিষিয়ে উঠল অরিন্দমের মন। দিন দিন দেশটা কী হয়ে উঠছে! অসহায়া বৃদ্ধা মহিলার উপর অত্যাচার করছে বখাটে ছেলেরা আর গ্রামের বয়স্ক লোকেরা তা দেখছে।

    কথা বলতে বলতে বাড়ির কাছাকাছি এসে গেল। আবার কয়েকটা কুকুর একসঙ্গে বিশ্রীভাবে ডেকে উঠল। সোজা রাস্তায় না গিয়ে পুকুরের পাশে বাঁশ ঝোপের দিকের রাস্তায় এগিয়ে যাচ্ছেন পিসিমা। কথা না বলে পিছনে হাঁটছে অরিন্দম। বাঁশঝোপের রাস্তা দিয়ে বাড়ির পিছন দিকে ঢুকল ওরা।

    সমস্ত বাড়িটা অন্ধকারে ঢাকা। পকেট থেকে দেশলাই বের করে জ্বেলেই চমকে উঠল অরিন্দম। পিসিমা কোথায় গেলেন! এই তো একটু আগেই পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন।

    —পি-সি-মা— কাঁপা কাঁপা গলায় ডেকে উঠল অরিন্দম।

    হঠাৎ সামনের দিকে হাসির আওয়াজ হতে ভয় পেয়ে ঘুরে দাঁড়াল অরিন্দম। বড়ো ঘরের দরজা ধরে দাঁড়িয়ে পিসিমা তখন ওকেই ডাকছেন, আচ্ছা ভীতু ছেলে তো তুই। উঠোনে দাঁড়িয়ে কী ভাবছিস? এতদিন এ বাড়িতে কাটালি আজ কি সব নতুন ঠেকছে! আয় ঘরে আয়— আমি তোর খাবার আনছি।

    পিসিমা যে কখন গিয়ে ঘরের দরজা খুললেন সেটা বুঝে উঠতে পারে না অরিন্দম। ট্রেন থেকে প্রিয়নগরে নামার পর থেকেই একের-পর-এক অদ্ভুত সব কাণ্ড ঘটছে আজ। আর কিছু ভাবতেও পারছে না অরিন্দম।

    ঘরে ঢুকে ব্যাগ থেকে একটা মোমবাতি বের করে ধরাল। গ্রামে আসার জন্যই সঙ্গে এনেছিল। মোমবাতি জ্বেলে মুখ তুলতেই আবার চমকে উঠল। ঘরে তো পিসিমা নেই। এবার খুবই ভয় পেয়ে গেল ও; যদিও এখানকার সবই চেনা। ছোটোবেলা থেকে এই ঘরে পিসিমার কাছে থেকেছে, কিন্তু আজ পিসিমার হাঁটাচলা কথাবার্তা সবই যেন কেমন ধোঁয়াটে লাগছে।

    মোমবাতি হাতে বাইরের বারান্দায় আসতেই আর একদফা চমক। হাতে খাবারের থালা নিয়ে পিসিমা ওর দিকে তাকিয়ে আছেন। রান্নাঘরের দরজাটাও খোলা। এবারে হেসে ফেলল অরিন্দম। পিসিমা যে ওরই জন্য খাবার আনতে রান্নাঘরে গেছেন সেই কথাটাই মনে পড়েনি।

    পিসিমার মুখের দিকে তাকিয়ে হেসে নীচে নামে অরিন্দম। লেবুতলা পেরিয়ে পাতকুয়ো থেকে জল তুলে মুখ-হাত ধুয়ে আবার ঘরে ঢোকে। খাবারের থালা সাজিয়ে পিসিমা তক্তপোশের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন। চারখানা রুটি-তরকারি। একবাটি দুধ আর কলাও রয়েছে। রুটি ছিঁড়ে মুখে দিয়ে অরিন্দম বলল, তোমার খাবারটাই দিয়ে দিলে তো?

    ওমা আমার যে একাদশী আজ। এগুলো তোর জন্যই করে রেখেছি। তাড়াতাড়ি খেয়ে নে। আরও কথা আছে। আমি যাই রান্নাঘরটা বন্ধ করে হাত ধুয়ে আসি। ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন পিসিমা। একঝলক ঠান্ডা শীতল হাওয়া এসে ঝাপটা মারল অরিন্দমের চোখে-মুখে।

    খিদেও পেয়েছিল। চারখানা রুটি তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল। পিসিমা তো অনেকক্ষণ গেছেন। জলের গ্লাস হাতে নিয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে পড়ল অরিন্দম। রান্নাঘরের পাশে, ঘোড়া নিমগাছটার কাছে দাঁড়িয়ে পিসিমা যেন কী করছেন। আস্তে আস্তে বারান্দা থেকে নীচে নেমে একটু জোরে অরিন্দম বলল, অন্ধকারে ওখানে কী করছ পিসিমা?

    অরিন্দমের ডাক শুনে ঘুরে তাকালেন পিসিমা। তারপর কয়েক পা এগিয়ে এসে বিষণ্ণ করুণ সুরে বললেন, না রে নিতে পারেনি। যেমন রেখেছিলাম তেমনি আছে। তুই একটু এগিয়ে আয় অমু।

    প্রায় যন্ত্রচালিতের মতো এবার পিসিমার দিকে এগিয়ে যায় অরিন্দম। ঘোড়া নিমগাছের কাছে গিয়ে ফিস ফিস করে পিসিমা বলেন, ওই যে উঁচু মতো জায়গাটা দেখছিস, সিন্দুকের চাবিটা ওখানেই আছে। মাটি খুঁড়ে তুই ওটা বের করে নে অমু। আর দেরি করিস না।

    কথাগুলো বলেই নিমেষের মধ্যে যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেলেন পিসিমা। নিমগাছের ডালটাও হাওয়ায় দুলে উঠল। একটা হিম শীতল হাওয়া আবার অরিন্দমের মুখে লাগল। নিমগাছের উপর পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দ হল। অরিন্দমের কানে তখন পিসিমার চাপাস্বরে বলা কথাগুলোই বাজছে। ভয়ে উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে এবার পি-সি-মা— বলে ভীষণ জোরে ডেকে উঠল অরিন্দম। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কুকুরের কান্নার আওয়াজ ভেসে এল। নিজেকে আর ধরে রাখতে পারল না অরিন্দম। জ্ঞান হারিয়ে টলে পড়ে গেল মাটিতে।

    আস্তে আস্তে ভোরের আলো উঁকি দিচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও চোখ দুটো খুলতে পারছে না অরিন্দম। মাথাটা ভীষণ ভারী। ঘরের মধ্যে যেন কথার শব্দ। মনে জোর এনে ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকাল অরিন্দম। মাথার কাছেই সুমন বসে আছে। পাঁচুকাকা শিবেন জেঠু আরও কয়েক জন দাঁড়িয়ে কী যেন বলছেন। বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে বিছানায় বসতেই চাপা গুঞ্জন ভেসে উঠল ঘরে। শিবেন জেঠুই এগিয়ে এলেন অরিন্দমের কাছে।

    বোকার মতো তাঁর মুখের দিকে তাকাতে মাথায় হাত দিয়ে সান্ত্বনার সুরে শিবেন জেঠু বললেন, শক্ত হও অমু, এখন তোমার অনেক কাজ।

    ধড়মড় করে উঠে বসে চিৎকার করে উঠল অরিন্দম, কী হয়েছে সুমন— আমার পিসিমা কোথায়? অরিন্দমের দিকে তাকিয়ে অন্যদিকে মুখ ঘোরাল সুমন। শিবেন জেঠু এগিয়ে এসে অরিন্দমকে ধরে ফেললেন।

    সুমন আর শিবেন জেঠুর কাছেই ঘটনাটা শুনল অরিন্দম। পিসিমার সব কথাই ঠিক। রাজেন নাকি সেই মোহরের জন্য ক-দিন পিসিমাকে ভয় দেখিয়েছিল। তবে এতবড়ো অঘটন যে ঘটে যাবে সেকথা কেউ ভাবেনি। কাল দুপুরের দিকে রাজেন নাকি পিসিমার কাছে এসে মোহরের কথা বলে। এক কথা দুই কথায় পিসিমা চিৎকার করে উঠতেই দুই হাত দিয়ে রাজেন পিসিমার গলা টিপে ধরে। পিসিমা ও গায়ের জোরে লড়ছিলেন। গলা ছেড়ে রাজেন পিসিমাকে জোরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসে। রাজেন তখন পালিয়েছে। কিন্তু প্রচণ্ড উত্তেজনায় পিসিমা হার্টফেল করে মারা যান।

    পুলিশও এসেছিল। তবে ডাক্তারবাবু আর পঞ্চায়েত প্রধানের জন্য কোনো ঝামেলা হয়নি। শিবেন জেঠুই সব ব্যবস্থা করেছেন। সুমন-কল্যাণ-পলাশদের নিয়ে পিসিমার দেহ কাল রাত্রে দাহ করা হয়েছে। অরিন্দমকে খবর দিতেও লোক পাঠিয়েছেন কলকাতায়।

    সব কথা শুনে আবার চিৎকার করে কেঁদে উঠতে ইচ্ছে হয়েছিল অরিন্দমের। কিন্তু তার আগেই সুমন বলল, কাল যখন রাত তিনটের সময় আমরা পিসিমাকে দাহ করে বাড়িতে ফিরে আসছিলাম, তখনই তোকে ঘোড়া নিমগাছতলার কাছে পড়ে থাকতে দেখি। কিন্তু তুই গ্রামে এলিই বা কখন আর ওই ঘোড়া নিমগাছের কাছে গিয়েছিলিই বা কেন?

    সুমনের কথার জবাব না দিয়ে এবার তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে নামে অরিন্দম তারপর সবাইকে অবাক করে— পাগলের মতো ছুটে যায় সেই ঘোড়া নিমগাছের কাছে। একটা লাঠি নিয়ে মাটির ঢিপিটা খুঁড়তেই একটা ছোটো মতো কৌটো বেরিয়ে পড়ে। উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে কৌটোর মুখটা খুলতেই একটা চাবি দেখতে পায় অরিন্দম।

    চাবিটা বুকের কাছে চেপে ধরে এতক্ষণে অরিন্দম ছোট্ট ছেলের মতো ফুলে ফুলে কাঁদতে থাকে।

    [ ভূত পেত্নী রক্তচোষা (দেব সাহিত্য কুটীর), ১৯৮৪ ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }