Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তুতুলের মা – সুকুমার ভট্টাচার্য

    অবনীর চাকরি হাওড়াতে। একটা নামকরা কারখানায়। আটটা-পাঁচটা ডিউটি। বাড়ি থেকে বার হয় সেই সাত সক্কালে। ফেরে বিকেল ছ’-টার তারকেশ্বর লোকালে। শ্যাওড়াফুলিতে নেমে বাড়ি পৌঁছোতে পৌঁছোতে সন্ধ্যে উতরে যায়।

    স্টেশন চত্বর ছেড়ে রাস্তায় একটু হাঁটলেই পড়ে বংশীর চায়ের দোকান পাড়ারই ছেলে। লেখাপড়া করেছে। চাকরি-বাকরি তেমন না পেয়ে চায়ের দোকান দিয়েছে রাস্তার ধারে। অবনী প্রতিদিন সন্ধ্যেয় ট্রেন থেকে নেমে ঢোকে বংশীর চায়ের দোকানে। এক কাপ নিয়ে একটু বসে। এটা-ওটা কথা হয়। তারপর উঠে পড়ে।

    সেদিন বংশীর দোকানে যেতেই বংশী বললে, ‘থাক, আজ আর বসতে হবে না অবনী। বাড়ি চলে যা। ছেলেটাকে নিয়ে তোর মা খুব অস্থির হয়ে পড়েছেন। তোর বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ঘরবার করছেন দেখে এসেছি।’

    ‘সে কী! কী হল আবার?’ ব্যস্ত হয়ে উঠল অবনী।

    ‘তেমন মারাত্মক কিছু না। ব্যাপারটা সামলে গেছে। না হলে বেশ ভালোই ঝামেলা বাধতো।’

    ‘মানে?’

    ‘মানে আর কী? দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর, তোর মা ছেলেটাকে নিয়ে একটু শুয়ে ছিলেন। বুড়ো মানুষ, যাকে বলে একটু চোখ লেগে গেছিল আর কী! সেই ফাঁকে ছেলে একেবারে বিছানা ছেড়ে বাইরে। বাইরে মানে, একেবারে বাড়ির বাইরে। তোদের বাড়ির সামনে রঞ্জিতবাবুদের জমিটায় যে ফ্ল্যাট বাড়িটা উঠছে— তার ইট এসেছিল এক লরি। মাল খালাস করে মজুররা গেছিল চা খেতে। বোধহয় দুলু ঘোষের দোকানে। এর ফাঁকে তোর ছেলে গিয়ে চড়ে বসেছে লরির পেছনে। তারা তো কিছু‍ই জানে না। বেশ কিছু দূর চলে যাবার পর দেখে, একটা বাচ্চা বসে। মহা বিপদ! কাদের ছেলে, কোথা থেকে এল, কী ঠিকানা— হাজার জিজ্ঞাসা। ছেলে কিছুই বলতে পারে না।’

    ‘তারপর?’ রুদ্ধশ্বাস অবনী।

    ‘এদিকে তোর মা চোখ খুলে দেখেন, ছেলে নেই। এঘর-ওঘর, দালানে না পেয়ে হইচই ফেলে দিলেন। নীচের ভাড়াটেদের ছেলে-বউরা গিয়ে তাঁকে সামাল দেয়। এদিকে হইচই পড়ে যায় পাড়ায়। খোঁজাখুঁজি শুরু হয়ে যায় চারদিকে। কোথাও না পেয়ে সবার মুখই আমসি। তুই ফিরলে, তোর মা মুখ দেখাবেন কী করে— এই ভেবে শুরু করে দিলেন কান্না। এমন সময় সেই লরি এসে হাজির। তখন দেখা গেল, তোর ছেলে সেই লরি থেকে নামছে। বলছে, এটাই আমাদের বাড়ি। পাঁচজনকে জিগ্যেস করে লরি ড্রাইভার নিশ্চিন্ত হয়ে, ছেলেকে তোর মায়ের হাতে তুলে দেয়।’

    ‘বলিস কী, এত কাণ্ড হয়ে গেল?’

    ‘হ্যাঁ। এখন যত তাড়াতাড়ি পারিস বাড়ি যা। তোকে দেখলে তোর মা হয়তো একটু সুস্থির হবেন।’

    অবনী নেমে পড়ল দোকান থেকে। প্রতিদিনকার মতো হাঁটতে আর ভালো লাগল না। একটা রিকশা ধরে নিল। মনটা ভারী হয়ে উঠেছে। মাথা ঘুরতে লাগল সব কথা ভেবে। এখনও দু-মাস হয়নি বিশ্রী অঘটন ঘটে গেছে বাড়িতে। বীণা, মানে তুতুলের মা অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছে। আবার এরই মধ্যে সবার চোখ এড়িয়ে ছেলেটা নিপাত্তা হয়ে যাবার দাখিল হয়েছিল।

    অঘটনের সেই দিনটা ছিল সোমবার। আগের দিন ছিল রবিবার, অফিস ছিল না। অনেকদিন ধরেই বীণা বলে আসছিল, ‘বারান্দার আলোটা জ্বলছে না। ওটা ঠিক করে দাও।’ কিন্তু অবনীর আর সময় হয় না সারাবার। সেদিন কী মনে হল, আড্ডা দিতে না বেরিয়ে, বারান্দার গোটা ওয়ারিংটাই বদলে দিয়েছিল। অনেকদিনের কিছু পুরোনো তার ছিল, তাই দিয়েই করে দিয়েছিল। সেই তারে নিশ্চয় কোথাও কিছু গোলমাল ছিল। পরের দিন অবনী অফিস বেরিয়ে যাবার পর, বীণা চানটান সেরে ভিজে কাপড় শুকোতে দিতে গেছিল। ভিজে কাপড়ের ছোঁয়া লাগে সেই তারে। সঙ্গেসঙ্গে শক খেয়ে আছড়ে পড়ে বারান্দার রেলিং-এর ওপর।

    সাবেক কালের পুরোনো বাড়ির রেলিং, বীণার শরীরের ভার নিতে পারেনি। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সবেগে নীচের দিকে মাথা করে বীণা গিয়ে আছড়ে পড়ে নীচের উঠোনে। অফিসে টেলিফোন পেয়ে ছুটে আসে অবনী। বাড়ি ফিরে দেখে সব শ্রেয়। বীণা আর নেই।

    তারপর দিন যায়। পারলৌকিক কাজকর্মও মিটে যায় এক সময়। অবনী তার মায়ের ওপর ছেলে তুতুলের সব ভার দিয়ে, আবার অফিস করতে শুরু করে। দিন একরকম চলে যাচ্ছিল। তারপর এই এক ব্যাপার ঘটল। তুতুল যদি সত্যি সত্যিই আর না ফিরতো, তাহলে কি হত? উঃ ভাবতে পারে না অবনী!

    মাকেও কোনো দোষ দেওয়া যায় না। ছেলেরা, এমনিতেই একটু বেশি মাত্রায় দস্যি হয়। আর মায়েরও যথেষ্ট বয়েস হয়েছে। তিন-চার বছরের দস্যির দস্যিপনার সামাল দেওয়া রীতিমতো কষ্টকর তাঁর পক্ষে। কী যে করা যায়!

    বাড়ি পৌঁছে ক্লান্ত শ্লথ গতিতে উঠে গেল দোতলায়। একেবারে নিজের ঘরে। তাকে দেখে তুতুল হইচই করে ছুটে এল। ঝাঁপিয়ে পড়ে জড়িয়ে ধরল। অবনী গিয়ে বসল সোফা কাম বেডটার ওপর। তুতুল কলবল করে বলল, ‘জানো বাপি, আজ কি হয়েছে?’

    অবনী গম্ভীরভাবে বলল, ‘জানি। আমি কোনো কথা বলব না তোমার সঙ্গে। অনেকবার বলেছি, ঠাকুমার বয়েস হয়েছে। একা সব দিক সামলাতে পারেন না। তার ওপর তুমি যদি অমন এক একটা ঝামেলা পাকাও, তাহলে উনি কী করবেন?’

    ‘বাঃ রে! আমি তো ঘুমিয়েই ছিলাম।’

    ‘ঘুমিয়ে আর রইলে কোথায়?’

    অবনীর কথার ভাব দেখে থমকে গেল তুতুল। চোখ ছল ছল করে উঠল। সোজা গিয়ে গড়িয়ে পড়ল বিছানায় বাপির ওপর অভিমানে।

    অবনীর মা এসে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘শুনেছিস, আজ কী হয়েছে? অবনী ঘাড় নেড়ে বললে, ‘শুনেছি। প্রতিদিন এরকম কিছু-না-কিছু ঘটতে থাকলে, আমায় চাকরি-বাকরি ছেড়ে ঘরেই বসে থাকতে হবে।’

    এ কথার আর কী জবাব আছে! চুপ অবনীর মা। চুপ অবনী। অনেক পরে মা বললেন, ‘তোকে একটা কথা বলব?’

    মায়ের গলায় একরাশ কুণ্ঠা। অবনী তাকাল তাঁর দিকে। মা বললেন, ‘কথাটা বেশ ক-দিন ধরে বলব বলব করছি। বলে উঠতে পারিনি। বউমার ব্যাপারে তোর কী মনে হয়?’

    অবাক অবনী। বলে, ‘বউমার ব্যাপারে।’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কই তেমন কিছুই তো মনে হয় না। তুমি কী বলতে চাইছ?’

    ‘হাজার হলেও অপঘাতে মৃত্যু তো?’

    ‘হ্যাঁ, তা কী হয়েছে?’

    ‘না, এমন কিছু হয়নি।’ বলে একটু ইতস্তত করেন অবনীর মা। তারপর সরাসরি জিগ্যেস করেন, ‘সত্যি কথা বল তো, তুই কি কোনোদিন বউমাকে দেখেছিস? একা ঘরে ছেলেটাকে নিয়ে তো রাত কাটাস!’

    সঙ্গে সঙ্গে মুখটা যেন কেমন হয়ে গেল অবনীর। মাথা নেড়ে বললে, ‘না তো! কেন, তুমি দেখেছ নাকি তাকে?

    মাথা নাড়লেন মহিলা, ‘না দেখিনি, তবে—’

    ‘তবে কী?’

    ‘সারা দিন তো প্রায় একা একাই থাকি ছেলেটাকে নিয়ে। সময়ে অসময়ে কেমন যেন মনে হয়। মনে হয়, তারই মতো কেউ যেন এঘর-ওঘর করছে। অনেকদিন ধরেই লক্ষ করছি। তোকে বলব বলব করেও বলিনি।’

    ‘ওঃ এই কথা!’ স্বস্তি বোধ করল অবনী, ‘ও তোমার মনের ভুল। অনেক দিন তো একসঙ্গে ছিলে, তাই মনে পড়লেই মনে হচ্ছে, সে ঘরের মধ্যেই আছে।’

    ‘তাই কি!’ বলে ধীরে ধীরে মাথা নাড়লেন অবনীর মা, বললেন, ‘কিন্তু সেই গন্ধটা!’

    ‘গন্ধ!’ আবার চোখ বড়ো বড়ো হল অবনীর।

    ‘হ্যাঁ, গন্ধ। বউমা মাথায় কী যেন একটা তেল মাখত, সেই গন্ধটা। মাঝে মাঝে ঘরে ঢুকলেই, সেটা পাওয়া যায়। ঘরের বাতাস একেবারে ভারী।’

    ‘সে-ও একটা অভ্যাসের ব্যাপার!’ উড়িয়ে দেয় অবনী, ‘আগে পেতে গন্ধটা, তাই এখনও মনে হয় পাচ্ছো। ও কিছু নয়, মনের ভুল।’

    ‘ভু-ল!’ চুপ করে গেলেন অবনীর মা। রান্নাবান্না পড়ে আছে। উঠে গেলেন তিনি।

    অনেক রাত্তিরে খাওয়া-দাওয়া সেরে অবনী ঘরে ঢুকল। দেখল, কোলবালিশের ওপর পা তুলে দিয়ে তুতুল ঘুমোচ্ছে। আগেও ওইভাবে মায়ের গায়ের ওপর পা তুলে দিয়ে ঘুমোত। অভ্যেসটা যায়নি। অপলকে ছেলেটার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে অবনী। এক সময় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তার পাশে শুয়ে পড়ে। আর ঠিক সেদিনই, ‘মা মা’ করে ককিয়ে কেঁদে উঠল তুতুল।

    ঘুম ভেঙে গেল অবনীর। ধড়মড়িয়ে উঠে বসল। সঙ্গে সঙ্গে কে যেন চকিতে উঠে পড়ল তুতুলের পাশ থেকে। দ্রুত নেমে দাঁড়াল মেঝের ওপর। আচমকা একটা শিরশিরানি বয়ে গেল সারা শরীরে। ‘কে. আপনি?’ গোছের কিছু-একটা জিগ্যেস অারবার এক লাগেই ছায়ামূর্তির মতো অস্পষ্ট অবয়বটা মিলিয়ে গেল। সমস্ত ঘরটা তখন জুঁই ফুলের গন্ধে ম-ম করছে।

    কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে রইল অবনী। মনে হলো, সে কি কিছু ভুল দেখেছে? সত্যিই কি কেউ বসেছিল তুতুলের পাশে? যখন ভাবছে, ঠিক তখনি তার নাকে এসে পৌঁছোল একটা গন্ধ। অবনীর মনে হলো, হ্যাঁ ঠিক, এই গন্ধটাই বীণার মাথা থেকে পাওয়া যেত। কী যেন নাম, সেই তেলটার? ওই মুহূর্তে মনে এল না। কিন্তু মনে পড়ল মায়ের কথা। মা এই গন্ধটার কথাই বলেছিলেন সন্ধেবেলা।

    হাসি মুখে তাকিয়ে আছে বীণা।

    সে আমল দেয়নি।

    বিছানা ছেড়ে নেমে পড়ল অবনী। পায়ে পায়ে বাইরের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল। রাত শেষ হয়ে এসেছে। তবুও মাথার ওপর তারাভরা আকাশ। চারপাশের ঘরবাড়ি সব নিঝঝুম। অনেকদিন পর নতুন করে মনে পড়ল বীণাকে। কি জানি কেন, তার মনে হল, বীণা যায়নি কোথাও। সে হয়তো এখানেই আছে।

    পুব আকাশ আলো করে দিবাকরের আগমন প্রকট হল। অবনী হাত-মুখ ধুতে কলতলায় নেমে গেল। চোখে-মুখে জল দেওয়ার পর সচেতন মন আবার সক্রিয় হয়ে উঠল। গত রাতের ঘটনাটাকে আর কিছুতেই বুদ্ধি দিয়ে মেনে নিতে পারে না। যে নেই, তার উপস্থিতির কোনো প্রশ্নই ওঠে না। ভাবনাটাকে বাড়তে দেওয়া মানেই, নিজের দুর্বলতাকে প্রকট করে তোলা।

    এই ভাবনায় সকালটা প্রায় গুম হয়ে রইল সে। পরে সময় হলে চান-খাওয়া করে অফিস বেরিয়ে গেল। বেরোবার সময় শুধু বলে গেল মাকে, ‘তুতুল রইল। একটু সজাগ থেকো। আর হ্যাঁ, সেই গন্ধটন্ধ কী যেন পাও বলেছিলে, দেখো তো সে সব পাও কিনা?’

    সারাটা দিন একটা উদ্‌বিগ্ন মন নিয়ে কেটে গেল। কোনো কাজেই তেমন মন লাগে না। ছুটির পরেই বেরিয়ে পড়ল বাড়ির দিকে। ট্রেন থেকে নেমে প্রতিদিনকার মতো ঢুকল বংশীর চায়ের দোকানে। যদি কোনো খবর থাকে, সেটা বংশীই কানে তুলে দেবে। কিন্তু না, বংশী কোনো কিছুই বলল না। নিশ্চিন্ত হল অবনী। তাহলে বলার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। চা খেয়ে নিশ্চিন্ত মনে পথে নেমে পড়ল সে।

    বাড়িতে ঢোকার কিছু পরেই কিন্তু মায়ের অভিযোগ পেল। সেই একই ব্যাপার। তুতুল সেদিন দুপুরেও ঠাকুমাকে কিছু না জানিয়ে চুপি চুপি বেরিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছিল বাড়ি থেকে। খাওয়ার পর অবনীর মা তাকে নিয়ে একটু শুয়েছিলেন। যথারীতি আর চোখ লেগে গেছিল। এক সময় জেগে ওঠে তুতুল। কোনোরকম শব্দ না করে, পা টিপে টিপে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে যায়। কিন্তু ভাগ্যি ভালো নীচের ভাড়াটেদের এক বউয়ের চোখে পড়ে যায়। মহিলা সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। বলেন, ‘এই ভরদুপুরে কোথায় যাচ্ছিস রে তুতুল?’

    থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে ছেলে। বলে, ‘মার কাছে।’

    বুক ধড়াস করে ওঠে মহিলার, বলেন, ‘মার কাছে! সেকী, কোথায় তোর মা?’

    ‘ওই তো।’ বলে ছেলে সদর দরজা দেখিয়ে দেয়।

    সে বউ বড়ো বড়ো চোখ করে তাকায় সদর দরজার দিকে। কোথায় কে? দুপুরের কাঠফাটা রোদে চারদিক তখন জ্বলছে। বিস্ময় কাটিয়ে মহিলা তখন বলেন, ‘ঠিক আছে, বিকেল হোক, তখন যাস। এত রোদে কেউ বাড়ির বার হয় না।’

    বলে তাকে নিয়ে গিয়ে হাজির করলেন দোতলায়। ঠাকুমার কাছে। বলেন, ‘কাকিমা, এবার তোমার দুপুরের শোয়া ছাড়ো। এই দ্যাখো, ছেলে আজও ফাঁকতালে বেরিয়ে যাচ্ছিল বাড়ি থেকে।’

    শুনে গুম হয়ে গেল অবনী। একটা অসহায় ভাব ফুটে উঠল তার মুখে। ঠাকুমার পিছু পিছু এসে তুতুলও দাঁড়িয়েছিল। তাকাল তার দিকে অবনী। সরল শিশু সোজা মনে বলে দিয়েছে, মায়ের কাছে যাচ্ছিল। কিন্তু সেটা যে অসম্ভব, সে জানেই না। তবু একটা প্রশ্ন রয়েই যায়, ওর মা কি সত্যিই এসেছিল? তুতুল কি সত্যিই দেখতে পেয়েছিল তার মাকে?

    এরকম হাজার প্রশ্ন মাথা চাড়া দিল অবনীর মনে। কাল রাত্তিরের ঘটনাটা নতুন করে মনকে নাড়া দিয়ে গেল। কাল রাত্তিরেও তো প্রায় অমনি ব্যাপার ঘটেছিল।-তুতুলের দেখা কিংবা বলায় হয়তো ভুল আছে, কিন্তু অবনীর দেখায় কি কিছু ভুল ছিল? নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করে অবনী।

    রাত্তিরে খাওয়া-দাওয়ার পর শুতে গেল অবনী। এটা-ওটা কথার পর সরাসরি তুতুলকে জিগ্যেস করে, ‘হ্যাঁরে তুতুল, আজ নাকি তোর মা এসেছিল দুপুরে?’

    তুতুল বলে, ‘মা তো রোজই আসে দুপুরবেলায়। ঠাকুমা যখন ঘুমোয়!’

    ‘তাই নাকি। তুই ঠিক দেখেছিস তো?’

    ‘হ্যাঁ।’

    রুদ্ধশ্বাস প্রশ্ন অবনীর, ‘না কি তোকে ডেকেছিল?’

    ‘না।’ মাথা নাড়ে তুতুল, ‘আমিই যাই মার কাছে। কিন্তু ধরতে পারি না। মা পালিয়ে যায়।’

    চুপ অবনী। তুতুলের মাথায় বিলি কাটতে কাটতে অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। হঠাৎ একটা কিছু মনে হতেই বলে, ‘হ্যাঁরে তুতুল—’

    তুতুল ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্তু অবনীর চোখে আর ঘুম আসে না। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে চোখ পড়ল দেওয়ালে। বীণার এনলার্জ করা ফটোটার ওপর একটা শুকনো মালা ঝুলছে ছবিটাতে। হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে আছে বীণা। উঠে বসল অবনী। অনেকক্ষণ অপলকে তাকিয়ে থাকার পর অস্ফুটে একটা কথাই বার হয়ে এল তার মুখ দিয়ে- তুমি হাসছ! ভাবতে পারো আমাকে কী বিপদে ফেলেছ? তুমি কী কিছুই পারো না! যাতে আমি একটু স্বস্তিতে থাকতে পারি?’

    এ কথাটা শেষ হওয়া মাত্র এক ঝলক এলোমেলো হাওয়া জানলা দিয়ে এসে আছড়ে পড়ল ঘরের ভেতর। তার পরেই সেই গন্ধ। সেই জেসমিন হেয়ার অয়েলের সুবাস। বিস্ময়ে অবনীর দেহ-মন যেন অবশ হয়ে এল। পরদিন মাকে সব কথা খুলে বলল অবনী।

    ‘দেখো, এসব কথা বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু কি জানি কেন, আমার মনে হয় তুতুলের মায়ের ব্যাপারটা খুবই রহস্যজনক। আমার ধারণা, মানুষ মারা যাওয়ার পর তার কোনো অস্তিত্বই থাকে না। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যাপারটা দেখছি উলটো। তুমি সেদিন আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলে, আমি তাকে দেখতে পাই কিনা? বলেছিলাম না, কিন্তু আজ বলছি, ওই গন্ধের ব্যাপারটা আমি টের পেয়েছি। ওই তেলটা বীণা ব্যবহার করত। জেসমিন হেয়ার অয়েল।’

    শুনে গম্ভীর হলেন অবনীর মা। বললেন, ‘কি জানি, কাজকর্ম তো ভালোভাবেই করেছি। তবু কেন যে এমন হচ্ছে, কিছু মাখায় ঢোকে না।’

    ‘তার উদ্দেশ্যটাই বা কী? বার বার এভাবে তুতুলকে দেখা দেওয়া বা ডাকা— আমার মোটেই ভালো মনে হচ্ছে না। আর সে ছেলেও বেরিয়ে পড়ছে বাড়ি থেকে।’

    মাথা নাড়লেন অবনীর মা, ‘না, আমিও এর মাথামুণ্ডু কিছু বুঝতে পারছি না। তবে—’

    অবনীর মা হঠাৎ থেমে গেলেন। অবনী তাঁর দিকে তাকাতে বললেন, ‘তবে ছেলে-মেয়ের ওপর মায়েদের একটা টান থাকে। হয়তো ছেলেটার টানেই বার বার ছুটে আসে দেখতে!

    ‘তাও কি সম্ভব?’

    ‘জানি না। কিন্তু একটা জিনিস ভেবে দেখ, মা মারা গেলে, বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা কত অসুখ-বিসুখে রাজভোগের পর সিমায়ের কথা ভেবে ভেবে হেদিয়ে পড়ে। সেদিক থেকে আমাদের ছেলে কিন্তু ভালোই আছে।’

    ‘হুঁ। এক পালাই পালাই ভাব ছাড়া, ও কিন্তু আমাদের অন্য কোনো অসুবিধেয় ফেলেনি।’

    এর পর আর কথা হয়নি। অফিস বেরোতে হবে। উঠে পড়ে অবনী।

    গতানুগতিকভাবে কটা দিন পার হয়ে গেল। এমন কিছুই ঘটেনি যা নিয়ে উৎকণ্ঠা বা ভাবনা হতে পারে। অবনী ও অবনীর মা অনেকটা স্বস্তির শ্বাস ফেললেন।

    কিন্তু একদিন, তখন বেলা বারোটা-সাড়ে বারোটা হবে, হঠাৎ বেয়ারা এসে বলল, ‘অবনীবাবু, আপনার ফোন।’

    বুকটা ধড়াস করে উঠল অবনীর। তাড়াতাড়ি গিয়ে রিসিভারটা কানে তুলতেই, পেল বংশীর গলা, ‘কে বলছেন? অবনী ঘোষকে একবার দিন না।’

    ‘হ্যাঁ, আমি অবনী বলছি।’

    ‘এই আমি বংশী বলছি। শেওড়াফুলি থেকে। তুই এখুনি বাড়ি চলে আয়। না না, বিপদ তেমন কিছু হয়নি। সামলে গেছে। কিন্তু মাসিমা, হ্যাঁ, তোর মা খুব ভেঙে পড়েছেন। তোর এখুনি বাড়ি আসা দরকার।

    ‘হলোটা কী?’

    ‘ফোনে অত কথা বলা যায় না। তুই চলে আয়, আমি দোকানে তোর জন্যে অপেক্ষা করছি।’

    এমন কি হল যার জন্যে অফিসে ফোন? উদ্‌বেগে অস্থির হয়ে উঠল অবনী। ছুটি নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে পড়ল। কিন্তু পথ তো কম নয়। যাই হোক, এক সময় গিয়ে পৌঁছোল শেওড়াফুলি। স্টেশন থেকে বেরোতেই দেখল, বংশী।

    ‘তোর জন্যেই অপেক্ষা করছি।’

    ‘বুঝতে পারছি। তা কী ব্যাপার?’ কৌতূহল আর উদ্‌বেগ অবনীর গলায়।

    ‘না, তেমন কিছু নয়। তবে হলে আর রক্ষে ছিল না। তোর বউয়ের যে দশা ঘটেছে, প্রায় তেমনি ব্যাপার। দোতলার যে জায়গাটায় সেই অঘটনটা ঘটেছিল, ঠিক সেই জায়গাটায় গিয়েই, ছেলেটা পড়ো পড়ো হয়েছিল দোতলার বারান্দা থেকে।’

    ‘ব-বলিস কী রে!’ চোখ বড়ো বড়ো হয়ে উঠল অবনীর, ‘তারপর?’

    ‘অত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই। বলেছি তো, অবস্থাটা সামলে গেছে এবারের মতো। বারান্দাটার ওই ভাঙা জায়গাটা আজ পর্যন্ত সারাসনি। বাচ্চা ছেলে নিয়ে ঘর। কখনো অমন করে রাখে?’

    মনে মনে ত্রুটি মেনে নেয় অবনী। পথ চলতে চলতে বংশী বলে, ‘বেলা এগারোটা নাগাদ রান্নাবান্না সেরে তোর মা তুতুলকে বলেন চান করে আসতে। কিন্তু সে ছেলে বলে, মা চান করাবে। ঠাকুমার কাছে সে চান করবে না। একেবারে জিদ ধরে বসে। তখন তিনি জোর করে জামা- প্যান্ট ছাড়িয়ে, তেল মাখিয়ে কলঘরে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ছেলে কিছুতেই যাবে না। তিড়িং-বিড়িং লাফায় আর ঠাকুমা জোর করে টেনে নিয়ে যান। বারান্দার ওই ভাঙা জায়গাটার পাশ দিয়ে যাবার সময়, তুতুল ঠাকুমার হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে পালাবার চেষ্টা করে। কিন্তু যাবে কোথায়? সামনেই তো সেই রেলিং-ভাঙা জায়গাটা। টাল সামলাতে না পেরে সেখানেই গিয়ে পড়ল মুখ থুবড়ে। কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত অংশটা বারান্দার বাইরে। মাথাটা নীচের দিকে। তোর মা খুব জোরে একটা পা চেপে ধরেছিলেন দু-হাত দিয়ে। শুরু করে দেন পরিত্রাহি চিৎকার। বাঁচাও, বাঁচাও!

    ‘আওয়াজ শুনে নীচের ঘরের মেয়ে-বউরা বেরিয়ে পড়ে। দেখে ওই অবস্থা। তারা সঙ্গে সঙ্গে দুদ্দাড়িয়ে উঠে আসে ওপরে। চেপ্-পে ধরে তুতুলের পা দুটো। তারপর আস্তে আস্তে টেনে তোলে বারান্দার ওপর! ওঃ, কী বিপত্তি হত বলতো, যদি না তোলা যেত ছেলেটাকে?

    ঘটনার বিবরণ শুনে পা যেন আর চলতে চায় না। অনেক পরে কোনোরকমে জিগ্যেস করে, ‘এখন কী অবস্থা?

    ‘এখন আর কি, সবই ঠিক আছে। কিন্তু তোর মা খুব মুষড়ে পড়েছেন। খাওয়াদাওয়া করেননি। মুখ গুঁজে শুয়ে আছেন বিছানাতে। ছেলেটাকে অবশ্য খাইয়ে দিয়েছে নীচের ঘরের বউরা। তিনি শুধু একটা কথাই জিগ্যেস করেছেন সবার কাছে, ছেলেটা অমন অদ্ভুত বায়না ধরল কেন? মায়ের কাছে চান করব। মা-যে অনেকদিন নেই— সেটা তো সে জানেই। তা এ কথার কি উত্তর দেবে লোকে?

    অবনীরও সেই একই জিজ্ঞাসা। হঠাৎ এমন বায়নায় পেয়ে বসল কেন তুতুলকে? তবে কি বীণা আবার দেখা দিয়েছিল তাকে? এ কথা বলা যায় না বংশীর কাছে। চুপ করে চলতে লাগল সে বংশীর পাশে পাশে।

    বাড়ি পৌঁছোতে অনেকেই এগিয়ে এল। যে যেমনভাবে পারল, ঘটনার বিবরণ দিয়ে গেল। বলতে গেলে সে এক কলরব। বিশেষ করে তারা, যারা উদ্ধারের কাজে এগিয়ে এসেছিল। অবনী চুপ করে সব শুনল। সকলকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উঠে গেল দোতলায়। বসল গিয়ে নিজের ঘরে।

    তুতুল ঘুরঘুর করছিল ঘরের ভেতরেই। এক সময় ডেকে জিগ্যেস করল, ‘হ্যাঁরে, কি ব্যাপার বল তো? তোর মা কি আজ এসেছিল? দেখেছিস তাকে?’

    বেচারি এমনিতেই খুব মুষড়ে পড়েছিল। বাবাকে সামনে পেয়েও তাই চুপ করে ছিল। এখন চোখ তুলে তাকাল অবনীর দিকে। বলল, ‘এসেছিল তো। বলল, ঠাকুমা ডাকছে, যাচ্ছিস না কেন চান করতে? চল, আমি তোকে চান করিয়ে আনি।’

    কথা শেষ হওয়ার পরে পরেই অবনীর মা ঘরে ঢুকলেন। হাতে চায়ের কাপ। বললেন, ‘তোকে একটা কথা না বললেই নয়। নীচের বউমারা যে যাই বলুক, তুতুলকে অমন বিপদের হাত থেকে আজ বাঁচিয়ে দিল বউমা।’

    চোখ বড়ো বড়ো হয়ে উঠল অবনীর, ‘বউমা!

    ‘হ্যাঁ। হাজার হলেও ছেলের মা তো? নিয়তির টানে ফেলে চলে যেতে হয়েছে অসময়ে। কিন্তু আমি এখন বুঝতে পারছি, সে যায়নি কোথাও। এখানেই, এই বাড়িতেই সে আছে।

    অবনীর মুখটা যেন কেমন হয়ে গেল। বললে, ‘বুঝলে কী করে?’

    ‘বুঝতে আমি পেরেছি। দেখ, ওই ছেলে যখন পড়ে গেল, আমি কি পারি তাকে টেনে রাখতে? আমি স্পষ্ট দেখলাম, একটা হাত, আমার হাতের পাশ দিয়ে তুতুলকে টেনে রেখেছে। নীচের বউমাদের ওপরে উঠে আসতে যে সময়টা লেগেছে, সে সময়টা বউমাই তাকে রক্ষে করেছে।’

    অবনী বোকার মতো তাকিয়ে রইল তার মায়ের দিকে। ঠিক সেই মুহূর্তে তার মুখ দিয়ে কোনো জবাব বার হল না।

    [ শুকতারা, আষাঢ় ১৪১০ (জুন ২০০৩)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }