Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কী দেখলাম…. – অলোককৃষ্ণ চক্রবর্তী

    যাব না যাব না করেও শেষপর্যন্ত বেরিয়ে পড়লাম আমরা দু-জন— সনৎ আর আমি। হাওড়া থেকে বর্ধমান কড লাইনের লোকাল ট্রেনে চেপে সোজা শিবাইচণ্ডী স্টেশন। সেখান থেকে রিকশায় ধনেখালি ডাকবাংলো। রিকশাওয়ালা গেটের সামনে আমাদের নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। গেট বন্ধ।

    বেলা তখন একটা। ভর দুপুর। ভাদ্দর মাসের কড়া রোদ্দুর পিঠে চড়চড় করে ফুটছে আলপিনের মতোন। এই ভর দুপুরে সূর্যের গনগনে আঁচের মধ্যে কি দাঁড়িয়ে থাকা যায়! তাই আমরা দুজনেই গেটটা খুলে দেবার জন্যে একসঙ্গে হাঁক পাড়লাম। মিনিট তিনেকের মধ্যে দারোয়ান এসে আমাদের নাম জিজ্ঞেস করে খুলে দিল গেটটা। দারোয়ানের কথা মতোন তার পিছু পিছু গেলাম কেয়ার টেকারের কাছে বুকিং স্লিপটা দেখাতে। স্লিপটা দেখে ঘর খুলে দেবার নির্দেশ দিলেন তিনি। দারোয়ান ঘর খুলল।

    ঘরটা দেখে আমাদের খুব ভালো লাগল। প্রকাণ্ড ঘর। সাজানো গোছানো। আসবাবপত্রও বেশ ভালো। নতুন দু-খানা বড়ো খাট। ঘরের এক কোণে খাবার টেবিল-চেয়ার। আর একদিকে সুন্দর একটা ওয়্যারড্রোব। বাথরুমও বেশ ভালো। তা ছাড়া পুবে আর দক্ষিণে বারান্দা। বারান্দা দুটিও প্রশস্ত।

    এই বিল্ডিং থেকে অফিসের দূরত্ব বেশ খানিকটা। তবে অফিসেও বেশি লোকজন আছে বলে মনে হয় না। দারোয়ান আর ‘কেয়ারটেকার’ ছাড়া আর কাউকে তো চোখে পড়ল না এখনও। এইরকম একটা নির্জন জায়গাই আমরা চাইছিলাম।

    তা ছাড়া বাংলোটাও বেশ সুন্দর। সামনে সাজানো ফুলের বাগানে ফুটে আছে নানা রঙের ফুল। চারদিকে পাতাবাহার গাছের সে কী বাহার! গেট থেকে বিল্ডিং পর্যন্ত সুরকির পথ। পেছন দিকে গাছ-গাছালি আর একটা প্রকাণ্ড পুকুর। বাংলোটা আমাদের মনের মতোনই পেয়েছি। যে জন্যে এসেছি তার উপযুক্ত পরিবেশ।

    সবই ঠিক আছে। তবে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে কিছু জানা হয়নি। তাই জিজ্ঞেস করতে দারোয়ান বলল— সামনেই সুপার মার্কেট। ওখানে দু-তিনটে হোটেল আছে। ভাত-রুটি, ডাল-তরকারি, মাছ-মাংস সবই পাবেন আর সামনে ওই যে রাস্তার ওপারে চায়ের দোকান দেখছেন, ডাকলেই লোক চলে আসবে। ডিম, কেক, বিস্কুট, টোস্ট, চা— সব কিছু পেয়ে যাবেন।

    জোর খিদে পেয়েছিল। তাই আর দেরি না করে সুপার মার্কেটে চলে এলাম। হোটেলে খেতে খেতে আমরা নিজেদের মধ্যে কিছু আলোচনা করছিলাম। মনে হয় হোটেল-মালিক কিছু কিছু শুনতে পেয়েছেন। তাই ক্যাশ কাউন্টারে পেমেন্ট করার সময় জিজ্ঞেস করলেন- আপনারা কোথায় উঠেছেন?

    —ডাকবাংলোয়। সনৎ বলল।

    —ওঃ! বলে কেমন যেন চমকে উঠলেন ভদ্রলোক। বাংলোয় ফিরে এলাম আমরা। সেই একই নির্জনতা। অফিসেও ওই দু-জন ছাড়া আর কোনো নতুন মুখ দেখা গেল না। বেশ ভালোই হল। এরকম পরিবেশ না হলে কি কাজে মন বসে।

    তাহলে এবার এখানে আসার উদ্দেশ্যটা খুলেই বলি। আসলে আমরা দুজনেই লেখক। সামনে পুজো। পুজো সংখ্যার লেখা তো আছেই। তা ছাড়াও আছে কয়েকটি কিশোর সংকলনে লেখার চাপ। এরকম কিশোর সংকলন ইদানীং পুজোর আগে অনেকগুলো প্রকাশিত হয় কলেজস্ট্রিট পাড়া থেকে। কলকাতায় হাজার ঝামেলায় লেখালেখি ঠিকমতন হচ্ছে না দেখে এখানে চলে আসা। কিন্তু শেষপর্যন্ত লেখা শিকেয় উঠল। পাঁচ দিন থাকা তো দূরের কথা, দু’দিনেই আমরা একেবারে ঠান্ডা। য পলায়তি স জীবতির মতন অবস্থা তখন আমাদের। দু’দিন পরেই বাংলো ছাড়তে বাধ্য হলাম। সেই কথাই বলব এখন।

    খেয়ে-দেয়ে বাংলোয় ফিরে লেখার তোড়জোড় শুরু করতেই সনৎ জিজ্ঞেস করলো— আপনি কি এখন লিখতে বসবেন, অলোকদা?

    —হ্যাঁ। তুমি বসবে না?

    —একটু বিশ্রাম নিয়ে বসব ভাবছি।

    —এখন আবার বিশ্রাম কী? এসেছি তো মাত্র পাঁচ দিনের জন্যে। এর মধ্যে অনেক লিখতে হবে। অযথা সময় নষ্ট করে লাভ কী?

    —গুরুর আদেশ শিরোধার্য।

    সনৎ আমাকে কখনো গুরু, কখনো অলোকদা বলে ডাকে।

    লিখতে বসে আমি হঠাৎ সনৎকে জিজ্ঞেস করলাম— এখন কী লিখবে ঠিক করেছ?

    —ভূতের গল্প।

    —ভূতের গল্প! বিস্ময় প্রকাশ করলাম আমি।

    —হ্যাঁ। তা ছাড়া উপায় কী?

    —কেন?

    —আপনি তো জানেন কতদিন আগে থেকে প্রকাশিত কিশোর সংকলনের জন্যে লেখা চাইছে। আপনাকেও তো খুব তাগাদা দিচ্ছে।

    —তো কিশোর-সংকলনে ভূতের গল্প কেন লিখবে। আরও তো অনেক বিষয় আছে।

    —তা আছে। তবে এখন ভূতের গল্পের বাজার ভালো। তা ছাড়া এটাও তো একটা বিষয়।

    —বিষয় না ছাই। ভূত আছে বলে তুমি বিশ্বাস করো? –কেন, আপনি করেন না?

    — না।

    —কিন্তু একটা কিছু আছে বলে মনে হয়।

    —কী আছে?

    —আপনি তো জানেন আত্মা অমর। এ কথা আমাদের বেদ-উপনিষদ- পুরাণে আছে। ভারতীয় ধর্ম সাধনায় হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এর আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যাও অনেক আছে। সুতরাং, আত্মার পুনর্জন্ম যেমন হয় তেমনি অতৃপ্ত আত্মাও ভূত-প্রেত হয়ে ঘুরে বেড়ায়।

    —বোগাস। বিংশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে এসব কথা ভাব কী করে? তোমার মাথায় এই সব উদ্ভট চিন্তাভাবনা ঢুকল কী করে?

    —তা হলে যা শোনা যায়, সব মিথ্যে?

    —সব শোনা কথা সত্যি হয় নাকি?

    —তবুও ‘যত রটে কিছু বটে’ বলে তো একটা কথা আছে।

    —ও সব কথা আজকালকার দিনে অচল।

    —তবে কি ভূত-টুত বলে কিছু নেই?

    —নো। ভূত-টুত সব কল্পনা ছাড়া কিছু নয়।

    —আমারও অনেক সময় তাই মনে হয়।

    —তবুও ভূত নিয়ে লেখা চাই?

    —প্রকাশকের দাবি। কথাও দিয়েছি। এবারই শেষ। এরপর আর লিখছি না।

    —যাক, অনেক কথা হয়েছে। আর কথা নয়। এবার কাজে মন দাও।

    টানা তিনঘণ্টা লেখার পর আমরা চায়ের অর্ডার দিলাম। চা খেতে খেতে সনৎকে জিজ্ঞেস করলাম— ভূতের গল্প কদ্দূর এগোলো? ভূত কি এসে গেছে, না আসি আসি করছে।

    —আসি-আসি করছে।

    —চালিয়ে যাও।

    —গুরু, আপনি কী লিখছেন?

    —বধূহত্যা নিয়ে গল্প। শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে শেষপর্যন্ত আত্মহত্যা করতে বাধ্য হল বউটি।

    —বাঃ, সাধে কী আর গুরু বলি! গুরু-শিষ্যের কি অদ্ভুত মিল দেখুন তো। আমার ভূতের গল্পেও বউটা গলায় দড়ি দিয়ে মারা যাবে। তারপর…

    —ভয় দেখাবে। সনতের কথা শেষ হবার আগেই বললাম আমি।

    —ঠিক তাই।

    ব্যস, এবার লেখা শুরু করল।

    আবার লেখায় মন দিলাম আমরা। রাত ন-টা পর্যন্ত লিখে হোটেলে খেতে গেলাম।

    হোটেলে থেকে বেরিয়ে ফেরার পথে সনৎ বলে— মাথাটা ধরেছে। আজ আর লিখব না। সকাল-সকাল শুয়ে পড়ব।

    আমারও তাই ইচ্ছে। একে প্রথম দিন, তারপর নতুন জায়গা। তা ছাড়া শরীরটাও বেশ ক্লান্ত।

    বাংলোয় ফিরে শুতে যাবার সময় হাসতে হাসতে বললাম— সনৎ, তোমার ভূত কি এসে গেছে?

    —ভূত না, পেতনি।

    —একই কথা। তো পেতনি কি ফিল্ডে নেমেছে?

    —প্রায়।

    —শোনাও তাহলে।

    শুরু করল সনৎ—

    বউটার চোখ দুটো জবাফুলের মতোন লাল। দুশ্চরিত্র মদ্যপ স্বামী প্রায়ই মারধোর করে। প্রতিদিনই মদ খেয়ে আজেবাজে জায়গায় যায়। কোনোদিন মাঝরাতে বাড়ি ফেরে, কোনোদিন ফেরে না। আজ বাড়ি থেকে বেরুবার সময় বউটা বাধা দিয়েছিল। কিন্তু কে কার কথা শোনে! উলটে বউটাকে বেধড়ক ঠেঙিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে লম্পট স্বামীটা। বউটার হাতে মোটা শক্ত দড়ি। উন্মাদের মতো ঘরের মধ্যে পায়চারি করছে। ওপর দিকে তাকিয়ে কী যেন খুঁজছে। বারান্দা থেকে খুব উঁচু একটা টুল আনল ঘরে। তারপর গলায় দড়ি দিল। ঘরের কড়িতে দেহটা ঝুলছে। মাথাটা একদিকে একটু কাতও হয়ে পড়েছে। জিভটা বেরিয়ে আছে। জিভ কেটে টপ টপ করে তাজা রক্তের ফোঁটা ঝরে পড়ছে। আর লাল চোখ দুটো ঠেলে বাইরে এসেছে, ঝুলে পড়েছে। দেখলে মনে হয় ড্যাবড্যাবে চোখে তাকিয়ে আছে।’ সনৎ থামতেই আমি বলে উঠলাম— দারুণ বর্ণনা! একেবারে মাতিয়ে দিয়েছ।

    —এরপর প্রেতাত্মা আসবে। সনৎ বলল।

    —প্রেতাত্মা আসার আগেই যে ভয়ের বর্ণনা দিয়েছ তাতে আমারই বেশ ভয়-ভয় করছে।

    —তা হলে ঠিক আছে, গুরু?

    — বিলকুল ঠিক। আজ আর রাত করা ঠিক হবে না। শুয়ে পড়া যাক।

    দু-খানা খাটে দুজনে আলাদা শুলাম। বাথরুমের দরজাটা খুলে রাখা হল। নাইট বাল্‌ব জ্বালিয়ে টিউবটা নিভিয়ে দিলাম। মিনিট দশেক যেতে না যেতেই সনতের নাসিকা গর্জন কানে এল। আমার কিন্তু ঘুম আসছে না। চুপচাপ চিত হয়ে পড়ে আছি। হঠাৎ বাথরুমে কীসের যেন একটা শব্দ হল। ভাবলাম, ছুঁচো বা ইঁদুর-টিদুর কিছু হবে। পাশ ফিরে শুলাম। একটু পরে আবার বাথরুমের দরজার কাছ থেকে শব্দটা এল। এবার দরজার দিকে তাকাতেই মনে হল কে যেন বাথরুমে ঢুকে পড়ল। চোর- টোর নয় তো? নতুন জায়গা। হতেও পারে। তাই বিছানা থেকে সোজা উঠে গিয়ে বাথরুমে ঢুকতেই আমার চোখে-মুখে ঝাঁপিয়ে পড়ল এক ঝলক ঠান্ডা বাতাস। শরীরটা যেন শিরশির করে উঠল। বাথরুমের আলো জ্বাললাম। না, কেউ নেই। তা হলে আমারই ভুল।

    ফিরে এসে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। চোখ বুজে ঘুমোবার চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছে না। সনতের নাক ডাকা একইভাবে চলেছে। বেশ কিছুক্ষণ পরে একটু তন্দ্রার মতন এসেছে, এমন সময় দেখি জানালার পর্দা উথাল-পাথাল করছে। আশ্চর্য, বাইরে তেমন হাওয়া নেই, অথচ দুরন্ত বেগে পর্দা উড়ছে। চোখ রগড়ে ভালো করে দেখি যেমন পর্দা তেমন আছে। বিন্দুমাত্র নড়ছে না। ঘুমের বারোটা বেজে গেল। হল কী আজ! এত ভুলভাল দেখছি কেন? মনে মনে ভাবলাম নিশ্চয়ই ভূতের গল্প শোনার জন্য এরকম হচ্ছে।

    এবার আর কোনোদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে চোখ বুজলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়লাম।

    যখন ঘুম ভাঙল, রাত তখন অনেক। সুনৎ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তাই ওকে ডাকতে গিয়েও ডাকলাম না। আমার ঘুম ভেঙেছিল শব্দ শুনে। এখনও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি বাথরুমে জোরে জল পড়ার শব্দ। এ নির্ঘাত সনতের কাজ। কী জ্বালা রে বাবা! বাথরুমে গিয়ে কল খুলবে, বন্ধ করবে না। আর ঘুমোতেও পারে বটে।

    হঠাৎ জল পড়ার শব্দ বন্ধ হয়ে গেল। এবার ঘরের মধ্যে ধপ্ ধপ্ করে পায়চারি করার শব্দ শোনা গেল।

    এই প্রথম আমি ভয় পেলাম। অদ্ভুত ব্যাপার। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কতরকম আওয়াজ শুনতে পেয়েছি। একবার একটা ছায়ামূর্তিকে বাথরুমে ঢুকতেও দেখেছি। সবই চক্ষু-কর্ণের ভুল মনে করেছি। কিন্তু এবার তো বেশ কয়েক মিনিট ধরে স্পষ্ট বাথরুমে জল পড়ার শব্দ শুনতে পেয়েছি। জল পড়া আবার আপনা-আপনি বন্ধও হয়ে গেল। এখন ঘরের মধ্যে পায়ের শব্দ। কী ব্যাপার! রহস্যটা কী?

    তাই যেদিক থেকে শব্দ ভেসে আসছিল সেদিকে তাকাতেই আমার সারা দেহের রক্ত হিম হয়ে গেল।

    একটা বউ হাতে দড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে! চোখ দুটো জবাফুলের মতোন লাল!

    কোনোক্রমে বিকৃত কণ্ঠে বললাম— কে, কে ওখানে?

    বউটা আমার দিকে তাকাল। সেকী পলকহীন জ্বলন্ত দৃষ্টি! যেন চোখ দিয়ে আমায় গিলে ফেলে আর কী! সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। বুকটা ধড়ফড় করতে লাগল। হার্টফেল করার মতন অবস্থা আমার। ভয়ে আতঙ্কে চিৎকার করতে গিয়ে আমার গলার স্বর ফুটল না। সনকে জানাব, তাও পারছি না। মনে হল দেহটা ভারী হয়ে গেছে, নড়তে পারছি না। বউটা একইভাবে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। হাতে তার শক্ত দড়ি। আঁ-আঁ করতে করতে হঠাৎ আমার গলা দিয়ে খুব জোরে অস্বাভাবিক আওয়াজ বেরিয়ে পড়ল।

    —কী হল, কী হল বলে ধড়মড় করে জেগে উঠল সনৎ।

    প্রচণ্ড কাঁপা গলায় ওই যে- ওই যে ছাড়া আর কোনো শব্দই বেরুল না আমার মুখ থেকে।

    —ওই যে কী? বলে সনৎ আমার কাছে এল।

    সনৎকে হাত দিয়ে দেখাতে গেলাম। না, কেউ নেই। আমি অবাক। বাথরুমে আর ঘরে কি আপনা-আপনি ম্যাজিক হচ্ছিল?

    সব কথা খুলে বললাম সনৎকে। এ-ও বললাম তোমার বর্ণনার সঙ্গে হুবহু মিল বউটার। বাকি রাতটুকু আমরা একই খাটে জেগে কাটালাম। আশ্চর্য, তারপর আর কোনো শব্দ হয়নি বা কোনো কিছু দেখাও যায়নি।

    পরের দিন। সকালে চা খেতে খেতে সনৎ বলল— গুরু, কাল তো প্রায় সারারাত আপনার ঘুম হয়নি। আপনি আবার দিনেও ঘুমোন না। আজ সকাল সকাল শুয়ে পড়বেন। তা ছাড়া কাল রাতে যা ধকল গেছে আপনার।

    —সত্যি ধকল গেছে। কিন্তু ব্যাপারটা কী, বলো তো শিষ্য?

    –আমিও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না।

    —কী দেখলাম?

    —সত্যিই তো এটা ভাবার বিষয়, কী দেখলেন?

    —শুনেছি প্রেতাত্মা নাকি ঘুরে ফিরে দেখা দেয়?

    —আমিও তো তাই জানি।

    —তাহলে আজই তো ওদের আনাগোনার বিশেষ দিন। আজ একে শনিবার, তার ওপর ভরা অমাবস্যা।

    —ঠিকই বলেছেন। দেখাই যাক না আজ কী হয়।

    সত্যি রাত্রে যা ঘটল তা শুনলে অতি বড়ো সাহসীরাও বুকের রক্ত হিম হয়ে যাবে।

    ন-টার মধ্যেই আমি শুয়ে পড়লাম। ঘুম আসতেও বড়ো একটা দেরি হল না। মাঝরাতে অবশ্য ঘুম ভেঙে গেল সনতের গোঙানির শব্দে। সেকী অদ্ভুত আওয়াজ!

    সনৎ প্রায় অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে গোঙাচ্ছে। কোনোক্রমে তুলে খাটের ওপর বসালাম ওকে। স্বাভাবিক হতে ওর সময় লেগেছিল প্রায় আধঘণ্টা। ভয়ে চোখ-মুখ একেবারে শুকিয়ে গেছে। বললাম— চলো, বাথরুমে গিয়ে চোখে-মুখে আগে জল দাও। তারপর সব শোনা যাবে।

    —আবার বাথরুম! আঁৎকে উঠল সনৎ।

    —কেন, বাথরুমে কী হল?

    —তবে শুনুন, সেই কথাই বলছি। রাত বারোটা পর্যন্ত আমি জেগেই ছিলাম। তার মধ্যে কিছু দেখিনি, শুনিনিও কোনোরকম শব্দ। তাই শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম আপনার কথা। এরকম ভুল তো আপনার হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হল কী করে। ভাবতে ভাবতে একসময় ঘুমিয়ে পড়ি।

    ঘুম ভাঙল বাথরুমে যাবার প্রয়োজনে। খাট থেকে নেমে চোখ রগড়াতে রগড়াতে বাথরুমে যাবার জন্যে দু-চার পা এগিয়েছি, হঠাৎ মাথায় ঠক করে কী একটা লাগল। কিন্তু মাথায় লাগার মতোন কোনো জিনিস তো ঘরে নেই। তা হলে কী এটা! উপরের দিকে তাকালাম। নাইট বাবের আলোতেও স্পষ্ট দেখতে পেলাম। সনৎ থামল।

    লক্ষ করলাম সনতের মুখ ভয়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। ঠক ঠক করে কাঁপছে।

    —কী দেখলে, কী দেখলে? বলে আমি ওকে খুব জোরে ঝাঁকুনি দিলাম।

    ঝাঁকুনি খেয়ে কিছুটা স্বাভাবিক হল সনৎ। তারপর চোখ দুটো বড়ো করে আস্তে আস্তে বলল- কড়িতে সেই বউটার দেহ ঝুলছে।

    —কোন বউটা? আমি তাড়াতাড়ি জিজ্ঞেস করলাম।

    —কাল রাতে আপনি যে বউটাকে দেখেছিলেন, সেই। গলায় দড়ির ফাঁস। জিভটা বেরিয়ে আছে। জিভ কেটে টপ টপ করে রক্ত ঝরে পড়ছে। আর ওই রক্তবর্ণ চোখে কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মনে হল, আমার হৃৎপিণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে। আমি চেঁচিয়ে উঠলাম, কিন্তু গলা দিয়ে আওয়াজ বেরুল না। সেই অবস্থায় হঠাৎ দেখি বউটার হাতের মতোন দু-খানা হাত বাথরুমের দিক থেকে আমার কাছে এগিয়ে আসছে। হাতে সেই দড়ি। তখনি একটা দমকা হাওয়ার ঝাপটায় মেঝেতে পড়ে গেলাম।

    অদ্ভুত ব্যাপার তো! কাল আমি দেখলাম, আজ সনৎ। না, এখানে থাকাটা আর ঠিক নয়। ঠিক করলাম, কাল সকালেই কলকাতা ফিরে আসব। বাকি রাতটা বিছানায় বসে গল্প করে কাটালাম।

    সকালে ‘কেয়ার টেকার’ আর দারোয়ানকে সব ঘটনা খুলে বললাম। ওদের মুখ গম্ভীর হল। কোনো কথা বলল না। আমরা কলকাতা ফিরে এলাম।

    আজকালকার দিনে ভূত আছে বললে লোকে হাসবে। আমিও ভূতের অস্তিত্ব মানি না। তবে সেদিন আমরা দুজনে কী দেখলাম?

    [ ছুটির দুপুর (নির্মল বুক এজেন্সী), ২০০৪ (প্রথম প্রকাশকাল অজ্ঞাত)]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }