Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বন্ধ দরজা – মণিলাল মুখোপাধ্যায়

    সর্বাণী আর মৃন্ময়ী দুই জা। সর্বাণীর ছেলে অপূর্ব। মৃন্ময়ীর ছেলে সৌরভ। পড়াশুনায় অপূর্ব খুবই ভালো। কোনোবার পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেনি। এ ব্যাপারে অপূর্বর মা সর্বাণীর একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পড়ার ব্যাপারে পান থেকে চুন খসার উপায় নেই। একটু এদিক-ওদিক হলেই ছুটে আসে সর্বাণী, অপু, অপু ছ-টা বাজতে চলল, এখনও উঠিসনি। ওঠ, ওঠ। কত বেলা হয়ে গেছে বল তো?

    শুধু পড়ার ব্যাপারেই নয়, অপূর্বর স্বাস্থ্য, খাওয়া-দাওয়া, খেলাধুলা, বিশ্রাম সবদিকে সর্বাণীর সজাগ দৃষ্টি।

    সৌরভ লেখাপড়ায় তত ভালো নয়। পরীক্ষায় পাস করে ঠিকই কিন্তু গর্ব করার মতো নয়।

    একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করা যায় ছেলেদের প্রতি দুই মা-এর আচরণের মধ্যে। সর্বাণী পড়াশুনার ব্যাপারে সৌরভকেও ছেড়ে কথা বলত না। পড়াশুনার ব্যাপারে সে খুবই স্ট্রিক্ট। মৃন্ময়ী কিন্তু ঠিক উলটো। সর্বাণী অপূর্বকে কড়া কথা বললেই মৃন্ময়ী আস্কারা দেয়। আহা, একটু ঘুমোবে না। বাচ্চা ছেলে। খেলে আসতে দেরি হলে বলত, তা একটু খেলবে বই কী! দিনরাতই তো পড়ছে। টিভি-র কাছে গেলেই সর্বাণী বকাবকি শুরু করে। আর মৃন্ময়ী? ছুটে এসে বলে, দেখুক না টিভি। ছেলেটার তো একটু বিশ্রামের দরকার। ওরও তো একটু আনন্দ করতে ইচ্ছে করে।

    দেখে সর্বাণী ছাড়া সবাই ভাববে অপূর্বর প্রতি মৃন্ময়ীর ভালোবাসা নিজের ছেলে সৌরভের চেয়ে কম নয়। সবাই বলাবলি করে, কাকিমা নয় যেন নিজের মা। অপূর্বর বাবা নিরঞ্জনও মৃন্ময়ীকে একটুও সন্দেহ করত না। বরং সর্বাণীর কড়াকড়ির জন্যে মনে মনে রাগ হত। বকাঝকা করলে নিরঞ্জন সামনে থাকত না। সেখান থেকে সরে পড়ত।

    সর্বাণী কিন্তু বুঝতে পেরেছিল অপূর্বর প্রতি মৃন্ময়ীর বাড়াবাড়ি রকমের ভালোবাসার পিছনে আছে ঈর্ষা। ওর আস্কারা অপূর্বর পা পিছলে যাবার পথ। অথচ কেউ বুঝতে পারবে না মৃন্ময়ীর মনের কথা, এমনকী অপূর্বও নয়। মৃন্ময়ী চায় অপূর্বর ভবিষ্যৎকে রক্ত-মাংসসমেত চিবিয়ে খাওয়া। সর্বাণীর মুশকিল হল কী, ও কাউকে এমনকী অপূর্বর বাবা নিরঞ্জনকেও বোঝাতে পারত না যে মৃন্ময়ী অপূর্বর ক্ষতিই চায়, ভালো চায় না মোটেই। সর্বাণী যখন নিরঞ্জনের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথাবার্তা বলে মৃন্ময়ী আড়াল থেকে সব শোনে আর সাফল্যের আনন্দে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে।

    সেদিন অপূর্ব স্কুল থেকে ফিরে খেলতে গিয়েছিল। ফিরতে মিনিট কুড়ি দেরি হয়েছে। ছুটে যায় সর্বাণী, অপু, কত দেরি করে ফিরলি বল তো! ছ’টা থেকে পড়তে বসার কথা।

    ছুটে আসে মৃন্ময়ী, তা বলে একটু খেলবে না? তুমি অযথা ওকে বকাবকি করো। আমি সৌরভকে বলেছি। নিশ্চয়ই খেলবি। একটু-আধটু খেললে কী ক্ষতিটা হবে শুনি?

    একটু-আধটু নয়, কুড়ি মিনিট। আরাম, আলস্যকে প্রশ্রয় দিলে ওরা ঘাড়ে চেপে বসবে।

    নিরঞ্জনও বাদানুবাদের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে, না, না, সর্বাণী। ওটা ঠিক নয়। বউমা তো ঠিক কথাই বলেছে।

    সর্বাণী গম্ভীর হয়ে যায়, ঠিক নয়। একটা রুটিন অনুযায়ী না চললে ক্ষতিই হবে।

    মৃন্ময়ী হারবে না, একটু-আধটু এদিক-ওদিক হলে কিছু হবে না। রাগ করো না দিদি, তোমার সব তাতেই বাড়াবাড়ি।

    —আমারও ওই একই কথা। অত বাড়াবাড়ি ভালো নয়। বলে নিরঞ্জন। সামান্য ব্যাপারটা ক্রমশ আরও খারাপের দিকে যখন এগোতে লাগল তখন নিরঞ্জন ক্লাবে চলে গেল। অপূর্ব ঘরের দরজা বন্ধ করে পড়তে বসল। সৌরভ ওর বাবার সঙ্গে টিভি দেখতে লাগল।

    সর্বাণী যখন নিরঞ্জনকে আসল ব্যাপারটা বোঝাতে ব্যর্থ হল তখন একটা মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতে লাগল। মৃন্ময়ী এটা লক্ষ করল তারপর সর্বাণীর সামনে জয়ের গর্বে এমন হাসতে শুরু করল যে সর্বাণীর সারা গা-টা চিড়বিড় করতে লাগল। মৃন্ময়ীকে দেখে ওর মনে হল ও একটা রাক্ষসী। ও মায়াবিনী। স্নেহের ছদ্মবেশ ধরে অপূর্বর হাড়গুলোকে চিবোচ্ছে। মৃন্ময়ীর হাসিটা কী বিশ্রী! কী ভীষণ সাংঘাতিক! দাঁতগুলো ভয়ংকর। আর তার মাঝে মাঝে রক্ত লাল টুকটুকি। সর্বাণীর ভয় হয়। একটা দারুণ আতঙ্ক যেন ওকে গ্রাস করে।

    মৃন্ময়ী হাসি থামায় তারপর ক্রূর দৃষ্টিতে সর্বাণীর দিকে চায়। চোখ দিয়ে ঝরছে আগুন, কী হল? জিততে পারলে না তো? তুমি কী ভেবেছ অপূর্বকে আমার হাত থেকে বাঁচাতে পারবে? কারও সাধ্য নেই তোমার ছেলেকে রক্ষা করে।

    শিউরে ওঠে সর্বাণী, কে তুই সর্বনাশী? কী চাস তুই?

    —আমি চাই তোমার অপূর্বর জীবনটাকে কড়মড় করে চিবিয়ে খেতে। হ্যাঁ, আমি তাই চাই। ও পথে পথে ভিক্ষে করবে আর তাই দেখে আমি দু-হাত তুলে নাচব। তারপর একদিন যখন বাড়িতে কেউ থাকবে না, ধীরে ধীরে অন্ধকারে ঢেকে যাবে চারধার আমি চুপি চুপি ওর ঘরে ঢুকব তারপর—

    চিৎকার করে ওঠে সর্বাণী, চুপ কর, চুপ কর শয়তানি! সত্যি বল কে তুই?

    অপূর্ব পড়ার ঘর থেকে বেরিয়ে আসে, মা, তুমি চিৎকার করলে?

    মৃন্ময়ী সর্বাণীকে কথা বলতে দেয় না, দেখ না বাবা, তোর মাকে আমি কিছুতেই বোঝাতে পারছি না যে পড়াশুনার সঙ্গে একটু-আধটু আনন্দও করতে হবে বই কী। তা ছাড়া যারা পড়াশুনা করে তারা খেলাধুলাও করে। যে রাঁধে সে কি চুল বাঁধে না?

    অপূর্ব বলল, মা, আমি পড়তে যাচ্ছি।

    —হ্যাঁ হ্যাঁ, পড়তে যা বাবা। বলছি সেই থেকে অত চিৎকার চেঁচামেচি করো না, অপু পড়ছে, তা তোর মা কিছুতেই শুনবে না।

    দিন দুই পরের কথা। রাত তখন সাড়ে দশটা। এক আকাশ মেঘ। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। ঝির ঝির করে বৃষ্টি হচ্ছে সন্ধে থেকে। একটা কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বইছে। যে-যার বিছানায় শুয়ে পড়েছে। শুধু সর্বাণী খাওয়া-দাওয়ার পর রান্নাঘর পরিষ্কার করছে, আর অপূর্ব পড়ছে। এক সময় ওরও দু-চোখ ঘুমে জড়িয়ে এল। টেবিলের উপর মাথাটা রেখে ঘুমিয়ে পড়ল। আর ঠিক তারপরই মৃন্ময়ী ওর ঘর থেকে বেরিয়ে এল। চুপি চুপি ঢুকে পড়ল অপূর্বর পড়ার ঘরে। পা টিপে টিপে এগিয়ে গেল অপূর্বর টেবিলের কাছে। এরপর মাথাটা ওর চোখের কাছে নিয়ে যায়। স্থির দৃষ্টিতে সর্বাণী রান্নাঘরের কাজ সেরে অপূর্বর পড়ার ঘরে পা দিয়েই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। দেখল মৃন্ময়ী অপূর্বর মাথার ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে ওর দিকে চেয়ে আছে কটমট করে।

    —মৃন্ময়ী!

    তড়িৎ গতিতে মৃন্ময়ী ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। যাবার আগে সর্বাণীর চোখ দুটোর সামনে মুখটা নিয়ে যায়। কী ভয়ংকর চাহনি! চোখ দুটো যেন জ্বলছে! এরপর হাওয়ার বেগে ঢুকে পড়ে নিজের ঘরে। ঘরে খিল দেওয়ার শব্দ বাইরের বাতাসের গর্জনকেও ছাপিয়ে যায়। সর্বাণী নিরঞ্জনকে ঘটনাটা বলল। নিরঞ্জন হাসল, তোমার মৃন্ময়ীফোবিয়া হয়েছে। বউমা অপুকে সৌরভের চেয়ে কম ভালোবাসে না।

    সর্বাণীর মানসিক যন্ত্রণা বেড়ে যায়। কেউ ওর কথা বুঝতে চাইছে না।

    সকালে জলখাবার দেওয়া হল। মুড়ির সঙ্গে তেলেভাজা। অপূর্বর বাটিতে বেশ ক-টা চপ। অপূর্ব তেলেভাজা খুব ভালোবাসে।

    মৃন্ময়ী বাটিটা সামনে রেখে অপূর্বর মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে বলে, অপু, খেয়ে নে বাবা। তোর কাকা এনেছে। তুই ভালোবাসিস তো, তাই তাড়াতাড়ি খা। এখনি

    মৃন্ময়ীর কথা শেষ হতে না হতেই সর্বাণী ঝড়ের বেগে ঘরে ঢোকে। ছোঁ মেরে বাটিটা কেড়ে নিয়ে বলে, এতগুলো। তোর শরীর খারাপ করবে। সামনেই পরীক্ষা।

    মৃন্ময়ী সোহাগ দেখায়, খেলেই বা দিদি। একদিন দুটো চপ বেশি খেলেই কি শরীর খারাপ করবে? ছেলেটাকে দুটো খেতেও দেবে না?

    নিরঞ্জন হাসে, বউমা আমার সাক্ষাৎ অন্নপূর্ণা। অপুকে কারও চেয়ে কম ভালোবাসে না।

    অপূর্ব গোঁ ধরে। দাও, ওমা দাও না। আমি সবকটা খাব।

    —অসুখ করবে, বাবা।

    —তুমি কী আমাকে খেতেও দেবে না?

    মৃন্ময়ী সর্বাণীর হাত থেকে বাটিটা কেড়ে নিয়ে অপূর্বকে দেয়, তুই খা বাবা। বেচারা চপ কত ভালোবাসে। আমি বলছি তুই খা। কিচ্ছু হবে না।

    রান্নাঘরে এল সর্বাণী। একটু পরেই ঢুকল মৃন্ময়ী।

    নিজে দাঁড়িয়ে থেকে অপুকে খাইয়ে এলাম। সবগুলো।

    এরপর সর্বাণীর দিকে চেয়ে মিটিমিটি হাসে, কী হবে বুঝতে পারছ?

    অপূর্বর শরীর খারাপ হল। সর্বাণীর যত্নে সেরে উঠল ঠিকই, তবে পড়াশুনার কিছুটা ক্ষতি হল।

    দিন সাতেক পরের কথা। গণিতে অপূর্ব একটু পিছিয়ে পড়ছে। সৰ্বাণী নিরঞ্জনকে বলল, ওর একজন গণিতের মাস্টারমশাই চাই। তুমি একবার জনার্দনবাবুর কাছে যাও। সপ্তাহে একটা দিনও যদি অপুকে বাড়িতে এসে পড়ান তাহলে গণিতে ভালোই করবে। এক্সকুসিভ

    নিরঞ্জন জনার্দনবাবুকে ধরে সব বন্দোবস্ত করল। সামনের মাস থেকে পড়াতে আসবে। কথাটা চাপা থাকে না। মৃন্ময়ী সব শুনল। কিছুক্ষণ কী সব ভাবল। ঈর্ষায় মনটা জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। একটা কিছু করতেই হবে, মনে মনে ভাবে মৃন্ময়ী।

    নির্দিষ্ট দিন এল। নিশ্চিন্ত সর্বাণী। নিরঞ্জনও উদ্‌বেগমুক্ত। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও জনার্দনবাবুর দেখা নেই। সর্বাণী টেনশনে ঘরবার করে। নিরঞ্জন বলে, আসবে গো আসবে। উনি আমাকে কথা দিয়েছেন।

    ঠিক এই সময় জনার্দনবাবু বাড়িতে ঢোকে। নিরঞ্জন স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়ে, দেখলে তো। বললাম আসবে।

    নিরঞ্জন আর সর্বাণী এগিয়ে যায়, আসুন মাস্টারমশাই আসুন। চলুন। বৈঠকখানায় পড়বে তো?

    সর্বাণী বলে, হ্যাঁ, বৈঠকখানায়।

    -–না, শোবার ঘরে।

    মৃন্ময়ী বেরিয়ে এসে বলে।

    সর্বাণী বলল, বৈঠকখানাতেই ভালো। নিরিবিলি হবে।

    মৃন্ময়ী সর্বাণীর দিকে একবার তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে চেয়ে বলে, না, না, শোবার ঘরে।

    জনার্দনবাবু বলে, তাই হবে। শোবার ঘরেই পড়বে।

    জনার্দনবাবু মৃন্ময়ীর ঘরের দিকে এগোতেই সর্বাণী বলে, ওদিকে কোথায় যাচ্ছেন! অপু এ ঘরে আছে।

    —অপুকে তো নয়। মৃন্ময়ীদেবী বললেন, অপু পড়বে না। সৌরভকে পড়াতে হবে। আচ্ছা নমস্কার। চলুন মৃন্ময়ীদেবী।

    থ’ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে নিরঞ্জন আর সর্বাণী।

    সপ্তাহ দুয়েক কাটল না হার্ট অ্যাটাকে মারা গেল সর্বাণী। সংসারটা যেন চলতে চলতে হঠাৎ থেমে যাবার উপক্রম হল।

    সুবিধে হল মৃন্ময়ীর। নিরঞ্জন বাইরে যায় কাজে। রাহুর মতো সে ধীরে ধীরে অপূর্বকে গ্রাস করতে এল। লাটাইয়ের সুতোর মতো প্রশ্রয়ের মাত্রাটা বাড়াতে লাগল। ফলে প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়ে বসল অপূর্ব। বন্ধুবান্ধব জুটতে লাগল। টিভি খুলে ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে বসে সন্ধেবেলা। খেলার মাঠ থেকে ফিরে আসতে দেরি হয়। মৃন্ময়ীর আস্কারায় জোঁকের মতো প্রলোভন ওর রক্ত চুষতে শুরু করল। ওর দুর্বলতা ক্যান্সারের মতো বেড়ে চলল। গণিতে ফেল করল অপূর্ব।

    মাথায় হাত দিয়ে বসল নিরঞ্জন। সর্বাণীর অভাবটা হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারল। সজল চোখে স্ত্রীর ফোটোর সামনে দাঁড়িয়ে বলল, তোমার অপূর্বকে আমি মানুষ করতে পারছি না সর্বাণী। তুমি ওকে দেখ।

    অ্যালার্ম ঘড়িটার মাথাটা টিপে টেবিলের একপাশে সরিয়ে রেখে শুয়ে পড়ল অপূর্ব। ঘুমটা আজকাল আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। ভোরবেলা আর ওঠাই হয় না।

    ভোর পাঁচটা। বাড়ির সবাই ঘুমোচ্ছে। বাইরে তখনও ফিকে অন্ধকার। ভেতরে রাত। হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দে বেজে উঠল অ্যালার্ম। ধড়মড় করে উঠে পড়ে অপূর্ব। দু-হাতে চোখ রগড়ায়। ঘুম ভাঙানো ঘড়িটার দিকে চোখ যায়। ত্রস্তপায়ে এগিয়ে যায় ঘড়িটার দিকে। না, তো। মাথাটা রাতে যেমন টিপে বসিয়ে দিয়েছিল সেইরকমই আছে। অথচ ওর মনে হল অ্যালার্ম বাজছিল আর সেই শব্দেই ওর ঘুমটা ভেঙে গেছে। মায়ের ছবিটার দিকে তাকায় অপূর্ব। আজই ওর প্রথম মনে হচ্ছে মায়ের দু-চোখে যেন স্নেহ, ভালোবাসার বন্যা। আপন মনেই বলল, পড়তে বসছি, মা। আগে তোমায় ভুল বুঝেছিলাম। আর তোমায় কষ্ট দেব না।

    মৃন্ময়ী লক্ষ করল অপূর্ব আবার আগের মতো সিরিয়াস হয়ে উঠেছে। মনে মনে প্ল্যান আঁটে কী করে ওর উন্নতির পথে কাঁটা ছড়িয়ে দেওয়া যায়। এক ডিশ তেলেভাজা নিয়ে রান্নাঘর থেকে বেরোতে যাবে হঠাৎ বাতাসের ঝাপটায় ডিশটা হাত থেকে ছিটকে পড়ল, আর নাকে হাত দিয়ে ‘বাবাগো মাগো’ বলে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে দিল।

    অপূর্বর স্কুলে থেকে ফেরার সময় হয়েছে। মৃন্ময়ী টেবিলের উপর খাবার রেখে দিল, আর এক গ্লাস জল। জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিল ঘুমের ট্যাবলেট। মনে মনে ভাবে, দেখব কীরকম পড়াশুনা করে।

    অপূর্ব এসে ওর জন্যে রাখা হালকা খাবার খেয়ে গ্লাসের ঢাকা খুলে দেখল, জল নেই। ভাবল কাকিমা জল রাখতে ভুলে গেছে। ঘড়া থেকে জল গড়িয়ে খেয়ে খেলতে গেল। কিছুক্ষণ পরেই ফিরে এসে পড়তে বসল।

    মৃন্ময়ী মাঝে মাঝে এসে দেখে যায়। রান্নাঘরে বসে বসে ভাবে। এমনটা তো হবার কথা নয়। এতক্ষণে ঘুমিয়ে পড়ার কথা। ঠিক এই সময় লোডশেডিং। ঘরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। মৃন্ময়ী দেশলাই নেবার জন্যে হাত বাড়ায়, কিন্তু ওর মনে হল দেশলাইটা সরে গেল। উঠে পড়ে হাতড়ে হাতড়ে ঘরের কোণে গেল। ওইখানেই লন্ঠন থাকে। কিন্তু অনেক খুঁজেও পেল না। হঠাৎ একটা দারুণ আতঙ্ক ওকে গিলতে এল। ও উঠে পড়ে দরজা খুঁজতে লাগল। রান্নাঘর থেকে পালাতে হবে। কিন্তু কোথায় দরজা! চারদিকে শুধু দেওয়াল। জানলা নেই, দরজা নেই, বেরোবার কোনো পথই নেই। হঠাৎ মনে হল কে যেন হাসছে। চিৎকার করে মৃন্ময়ী, কে তুমি? কে হাসছো? কান খাড়া করে শোনে। না, কেউ হাসছে না তো। অপূর্ব পড়ছে। তাহলে কারেন্ট তো যায়নি! এখানেই শুধু অন্ধকার। রান্নাঘরের বাল্বটা কেটে গেছে। কিন্তু দরজা? দরজা কই? এই অন্ধকার থেকে ওধারের আলোর মধ্যে যাবার দরজাটা যখন কিছুতেই খুঁজে পেল না তখন চিৎকার করে কাঁদতে লাগল।

    আজও মানসিক হাসপাতালের ঘরে মৃন্ময়ীর চিৎকার শোনা যায়, দরজা কোথায়? আমি ঘর থেকে বেরোতে চাই। কোথায় দরজা? কে আমার ঘরের দরজা নিয়ে গেল? আমার ঘরের দরজা?

    [ ছুটির হাসি (নির্মল বুক এজেন্সী), ২০০৫ (প্রথম প্রকাশকাল অজ্ঞাত) ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }