Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পেতনি রহস্য ও কিট্টু লাহিড়ি – হিমানীশ গোস্বামী

    সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীকে একবার ভূত রহস্য সমাধান করতে হয়েছিল, কে জানত কিট্টু লাহিড়িকেও তেমনই এক ঘটনায় জড়িয়ে পড়তে হবে? জড়িয়েই পড়েছিল বটে, তবে ভূত ঠিক নয়; কিট্টু লাহিড়ি জড়িয়ে পড়েছিল পেতনিরহস্যে! কিট্টুর দু-তিন সপ্তাহ সময়টা তেমন ভালো কাটছিল না। দু-তিন সপ্তাহ হল বাঘা কাকাও বাড়িতে নেই, তাঁর পুরোনো এক সঙ্গীর সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিখ্যাত পাহাড়ি জায়গা শিলং-এ গেছেন। সেখানে একমাস অন্তত থাকবেন। ওখানে ওঁর বন্ধু সদানন্দ মোড়ল একটা ছোটো স্কুল খুলেছেন, সেখানে নানারকম কাজকর্ম শেখানো হয়। ওখানকার বেকার ছেলেমেয়েরা যাতে কিছু শিখে পয়সা রোজগার করতে পারে এমনই উদ্দেশ্য। এগুলির মধ্যে আছে জামা-কাপড় ধোওয়া, ইস্তিরি করা ইত্যাদি। এ ছাড়া বিদ্যুতে চলে এমন সাধারণ যন্ত্রপাতি, যেমন— জল গরম করার হিটার, দরজার ঘণ্টা, ইস্তিরি এমনকী রেডিয়ো, পাখা ইত্যাদি সারাই। সম্প্রতি সদানন্দ মোড়ল একটা রান্নার ক্লাসও খুলেছেন, সেখানে কমবয়সিরা শেখে নানারকম রান্না। পর্যটন বাড়ছে, হোটেল-রেস্তোরাঁ বাড়ছে— সেখানে অনেক লোকও নেওয়া হচ্ছে। কেমন করে রান্না করতে হয়, কেমন করে সার্ভ করতে হয়— এ-সব শিখলে আজকাল কাজের অভাব হয় না। এ ছাড়া বয়স্করা বিশেষ করে মেয়েরাও নতুন নতুন রান্না শিখছেন। এইসব শিখিয়ে বাঘা কাকার আয়ও হচ্ছে ভালোই। তবে উনি ওখানে স্থায়ীভাবে যাননি, কয়েক জনকে বিশেষ ট্রেনিং দিয়ে তারা যাতে নিজেরা অন্যদের ট্রেনিং দিতে পারে এমন পরিকল্পনা করেছেন। এই সব কাজে বাঘা কাকা যখন শিলং-এ তখনই ব্যাপারটা ঘটল, তবে শিলং-এ নয়, কলকাতাতেই।

    কিট্টু একা থাকলে একটা বড়ো ঝামেলা হয়, কেন না তখন তার সুপ্রিয়া পিসি তার জন্য রোজ খাবার পাঠিয়ে দেবেনই। দু-একদিন অমন খাদ্য কোনোমতে খেলেও তিনদিন পর তার মন আর পেট দুই-ই বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এদিকে তার পিসতুতো ভাই মিহিরও নেই। এতদিন পরে তার কবিতা লেখার নেশা অনেকটা কেটে গেছে। আর তার বাবা তাকে একরকম জোর করেই একটা চাকরি জোগাড় করেও দিয়েছেন তাঁরই এক বন্ধুর প্রতিষ্ঠানে। জায়গাটা খুব দূরে নয়, চন্দননগরে। তবে সপ্তাহের মধ্যে পাঁচদিনই সেখানে থাকতে হয়। সেখানে যাবার আহ্বান সত্ত্বেও কিট্টু সেখানে যেতে চায় না। তার কারণ, মিহিরকে অনেকরকম কাজ করতে হয়। অনেক সময় তাকে বাড়িতেও পাওয়া যায় না। আবার এ-ও হয় যে, মিহিরের অফিসের লোকজন এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে। একবার কিট্টু সেখানে গেলেও তার ভালো লাগেনি একেবারেই। তাই যখন তার পুরোনো এক বন্ধু বিনোদ গুপ্ত ভায়া যাদবপুরের মশা অধ্যুষিত এক জলার ধারে তাকে যেতে বলল তখন সে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে, সুপ্রিয়া পিসিকে ফোন করে, দরজা- জানালা বন্ধ করে, বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে বিনোদের গাড়িতে উঠে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে চলল। কোথায়? – না যাদবপুরে! কোত্থেকে?— না পার্ক সার্কাস থেকে।

    বিনোদের বাড়িটি একেবারে জলার ধারে না হলেও দু-মিনিটের হাঁটা পথ। বেশ বিস্তৃত জল, জল ঘোলাটে সবুজ— মশার বাহার আছে। তবে ওই জল এমনই নোংরা যে মশারা পর্যন্ত ওই জলে ডিম পাড়ে না। যাদবপুরের মশাদের নার্সিং হোম ছোটো ছোটো গর্তের জল অথবা বাড়ির কাছাকাছি কোনো ভাঙা হাঁড়ি, ফেলে দেওয়া গাড়ির টায়ার। এ সবের মধ্যে বৃষ্টির জল জমে থাকায় এবং নিয়মিত মশা মারা বিষ না ছেটানোয় মশাদের ডিম পাড়ার খুব সুবিধা।

    তবু শান্তি পেল কিটু। এ বাড়িতে বিনোদ আছে, আছে বিনোদের স্ত্রী সুদেষ্ণা এবং তাদের আট বছরের গৌরব। সুদেষ্ণা স্কুলে পড়ায়, সেই স্কুলেই পড়ে গৌরব। বাড়িতে কাজের লোক দুজন, তবে সর্বদার জন্য নয়— সেটার অনেক সুবিধে। কিন্তু সে সব কথা থাক। কিট্টু এখানে এসে শান্তি পেয়েছে। সে ঠিক করে যতদিন থাকা যায় থাকবে।

    কিন্তু শান্তির দফা রফা হল সকাল আটটায়। টেলিফোনে সুপ্রিয়া পিসির সেই চাঞ্চল্যকর কণ্ঠস্বর— ওরে কিট্টু, আমাকে বাঁচা। আমার বড়ো বিপদ!!

    কী হয়েছে, সুপ্রিয়া পিসি? তোমার কণ্ঠ এমন উত্তেজিত কেন?

    সুপ্রিয়া পিসি প্রায় ঝংকার দিয়ে বলেন, ঝংকার দেব না তো কি? সকাল সাতটা থেকে এই এক ঘণ্টা ধরে কেবলই ভাবছি দেওয়ালে এর অবস্থান টিক টিক করে আর হাতের সাহায্যে চলে, দু-অক্ষরে — ভাবতে পারিস এমন বিপদের কথা?

    সুপ্রিয়া পিসি কথামালা নামের এক ক্রস ওয়ার্ড করেন। এটা তাঁর নেশার মতো। কিট্টু এ ব্যাপারে একেবারে অসমর্থ তা নয়। সে সুপ্রিয়া পিসিকে সাহায্য করতে করতে দিব্যি পাকা হয়ে উঠেছে। সে খুব আস্তে করে বলল, ঘড়িতে এখন ক-টা?

    ঘড়িতে ক-টা জেনে কী হবে? এই তো সবে আটটা হল। তারপরই চিৎকার করে বলে চলেন, তুই একটা শয়তান! উত্তরটা হবে ঘড়ি, তাই না? দু-হাত দিয়ে চলে, টিক টিক করে, দেওয়ালে থাকে। বলেই ফোনটা রেখে দেন তিনি।

    কিট্টু ভাবে সুপ্রিয়া পিসিকে ফোন নম্বরটা না দিলেই ভালো হত!

    কিন্তু কিট্টুর শান্তির ফের ব্যাঘাত ঘটল দুপুর নাগাদ। ওর জন্য নির্দিষ্ট করা আলাদা ঘরে প্রচুর বই যেমন ছিল তেমনই ছিল টেলিভিশনও। কিটু ক্লিক করে সেটা চালু করতেই শুনতে পেল একজন ভারি উত্তেজিত কণ্ঠে বলছেন, যাদবপুরের এক বড়ো প্রোমোটার সুরেশ্বর সুরকে তাঁর বেহালার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। আরও অদ্ভুত ব্যাপার, তিনি যে ঘরে রাত্রে ছিলেন সে ঘর ছিল ভেতর থেকে বন্ধ। তাঁর দেহ দেখে পুলিশের অনুমান তিনি প্রবল আতঙ্কে মারা গেছেন অথবা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। যদিও ঘরে বিষের শিশি বা তেমন কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্ত করলে তবেই মৃত্যুর আসল কারণটি জানা যেতে পারে। টিভির খবরে আরও জানা গেল সুর মহাশয় যাদবপুরের প্রোমোটার হলেও তাঁর বাড়ি বেহালায়। তিনি বিবাহিত হলেও তাঁর স্ত্রী সুরমা আলাদা থাকেন, তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো ছিল না বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন।

    বিকেলে কিট্টু ঘুমিয়ে পড়েছিল বই পড়তে পড়তে। এমন সময় শোনা গেল জনাকয়েক যুবক ‘জলা বোজানো চলবে না, চলবে না’ স্লোগান দিতে দিতে ঘুরছে। কিট্টু ভাবল, এ রাজ্যে জলাভূমি আর থাকবে কি না সন্দেহ।

    বিকেলে কিটু একটু পাড়ায় ঘুরে এল— একেবারে যাদবপুর রেলস্টেশন পর্যন্ত। বিকেলে চমৎকার জলখাবার আর চা খেয়ে গৌরবের সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করল। কিট্টু বুঝল, ছেলেটি ইংরেজি মাধ্যমে পড়ে। কেন না কিটু তাকে প্রশ্ন করেছিল, তুমি কি সাঁতার কাট? উত্তরে গৌরব বলেছিল, না কাকু, আমি সুইম কাটি না।

    যাই হোক, কিট্টুর দু-তিন দিন ভালোই কাটল। অবশ্য ইতিমধ্যে সুপ্রিয়া পিসি তাকে বার বার ফোন করে ক্রস ওয়ার্ডের ধাঁধার উত্তর জেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে পঞ্চম দিন সকালের খবরের কাগজ পড়ে সে একেবারে হতভম্বই হয়ে গেল। রাত্রে তিনটি খুন হয়েছে। সেই সুর যেমন খুন হয়েছিলেন প্রায় তেমনই রহস্যজনকভাবে। একজন যাদবপুরেই— নাম জয়রাম সুকুল— অবাঙালি প্রোমোটার। অন্য দুজনই লিলুয়ার। একজনের নাম মহম্মদ হালিম, অন্য একজন ললিত ভঞ্জ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল এঁরা প্রত্যেকেই যাদবপুরের বিশাল জলাভূমি ভরাট করছিলেন বে-আইনিভাবে। প্রত্যেকেই মারা গেছেন আশ্চর্য কোনো উপায়ে। কারও শরীরে বিষ পাওয়া যায়নি। আঘাতেরও চিহ্ন নেই।

    কিট্টু ভাবতে লাগল। কিন্তু এর কোনো সম্ভাব্য ব্যাখ্যা তার মনে এল না। এই সময় বাঘা কাকা থাকলে বেশ হত। কিট্টুর অনেক জটিল সমস্যা বাঘা কাকা সমাধান করে দিয়েছেন। কিন্তু সে ভেবে আর এখন লাভ কী? সেদিন রাত্রে ডিনার-এর সময় বিনোদ কিট্টুকে বলল, তোর ঘুম কেমন হয়? কিট্টু বলল, বলতে নেই ঘুম ভালোই হয়। তবে মনে দুশ্চিন্তা থাকলে প্রায়ই জেগে উঠি, খানিক বই পড়ি, আবার ছটফট করে ঘুমিয়েও পড়ি। কেন প্রশ্ন করছিস?

    এবারে সুদেষ্ণা বলল, কাল অমাবস্যা কি না, তাই একটু বলছি। প্রত্যেক অমাবস্যার রাত্রে বেশ জোরালো কণ্ঠে এখানে কিছু পেতনি হাসাহাসি করে, ঠাট্টা করে, রীতিমতো আসর বসায়। কেউ কেউ আবার গানও করে। তবে মানুষের কণ্ঠ নয় এবং সুরও যে খুব চমৎকার তাও নয়।

    সে কি কথা? ভূত কি সত্যিই আছে নাকি? কিটু প্রশ্ন করে।

    বিনোদ, হেসে বলে, ভূত আছে নিশ্চয়। যদি নাও থাকে তবে পেতনি যে আছে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তবে এই পেতনি খুর কঠোর প্রকৃতির নয়। এ অঞ্চলের কোনো মানুষকে তারা এ পর্যন্ত মারেনি ধরেনি— এমনকী ভয়ও দেখায়নি। এই পেতনিদের মনে মায়াদয়াও আছে। এ অঞ্চলে এমনও হয়েছে দুরবস্থায় পড়ে কারো হয়তো খাওয়া জুটছে না, ওরা বুঝতে পেরে রাত্রে ভালো ভালো খাবার, চাল ডাল তেল এসব রেখে আসে। পেতনিদের দয়ামায়া আছে। তবে ওঝাদের ব্যাপারে ওরা খড়গহস্ত। দু-দুটো ওঝা যজ্ঞ করতে এসেছিল, ওরা তাদের উড়িয়ে নিয়ে একবার একজনকে আন্দামানে আর অন্যজনকে সুয়েজ খালের কাছে একটা মালবাহী জাহাজে ছেড়ে দিয়ে এসেছিল। সেই থেকে এই অঞ্চলে একটি ওঝাও আসেনি। কে আসবে এমন পেতনির পাল্লায় পড়তে? ওঝারা সব ভূতের মন্ত্র জানে, কিন্তু পেতিনির মন্ত্র তাদের জানা নেই। আসলে পেতনিরা হাজার হলেও ভূতদের চেয়ে অনেক বেশি নরম স্বভাবের। ভূতেরা ভয় দেখায়— সুযোগ পেলেই দেখায়। কিন্তু পেতনিরা কাউকে ভয় দেখাতে চায় না এটা ঠিক। কিন্তু হলে কী হবে, মানুষেরা ভয় পায় ওদের কথা মনে হলেই। কাছাকাছি কোনো পেতনি এলে আরও ভয় পায়। ওই ভয় পাওয়া দেখে পেতনিরা অনেক সময় মজা পেয়ে হেসে ওঠে— আর ওদের হাসি তো আর মানুষের মতো কণ্ঠে হয় না, গলাটা কেমন কর্কশ আর খনখনে শোনায়। তারা হাসলে খলখল করে হাসে— মানুষেরা হাসে খিলখিল করে। ভূত বা পেতনি কেউই চেষ্টা করলেও খিলখিল করে হাসতে পারে না, পারে না হি-হি করে বা হো-হো করে হাসতেও।

    এই সব যে পেতনিদেরই কাজ সে বিষয়ে কিট্টু নিশ্চিন্ত’ হল, যদিও সে এর আগে পেতনি বা ভূত বা দানো এ-সবে বিশ্বাসই করত না। সে ভূত-পেতনি এ-সব নিয়ে পড়েও ছিল কিছু কিছু। সে জানতে পেরেছে পৃথিবীতে একমাত্র বঙ্গদেশেই পেতনিরা থাকে। ভারতবর্ষে ভূত আছে প্ৰায় সমস্ত রাজ্যেই। সব প্রায় একইরকম। কিন্তু ইউরোপের ভূতেরা আলাদা। ইংরেজ ভূতরা আসলে মুণ্ডুকাটা ভূত— তারা নিজেদের মুণ্ডু এক হাতে করে ঘোরে। মুণ্ডু স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারে— নাকীসুরে নয় মোটেই। এ-দিকে ফরাসি ভূতরা অবশ্য নাকীসুরে কথা বলে। আবার জার্মানিতে পলটারজাইস্ট নামে এক ধরনের ভূত আছে— তারা গৃহস্থের ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কেলেঙ্কারি করে— কিন্তু কাজটা সাবধানে করে, একটা আসবাবও ভাঙে না।

    এর মধ্যে কিট্টু ফোন করে বাঘা কাকাকে ব্যাপারটা জানিয়ে দিয়েছে। উনি তো ভারি উত্তেজিত। বলেছেন, কালই এসে যাবেন— এমন সুযোগ আর পাওয়া যাবে না। কিন্তু কী সে সুযোগ সেটা অবশ্য তিনি বলেননি।

    সেটা সেই অমাবস্যার রাত। মেঘ আকাশকে ঢেকে রাখায় অন্ধকার যেন আরও ঘনীভূত। ভূতদের ভারি প্রিয় এই জমাটবাঁধা অন্ধকার। রাতে খাওয়া-দাওয়ার পর ঘণ্টাখানেক বই পড়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল— কিন্তু ঘুম আর কিছুতেই আসতে চায় না। কিটু কেবলই ছটফট করতে থাকে।

    রাত তখন একটা বেজে গেছে।। হঠাৎই কিটু জেগে উঠল। একটা ঠান্ডা হাওয়া ঘরের মধ্যে বইতে লাগল। ঘরে কেউ এসেছে বলে মনে হল। কিট্টু ভয়ে চিৎকার করতে গেল কিন্তু কিছুতেই গলা থেকে একটু আওয়াজও বার করতে পারল না। গলা শুকিয়ে গিয়েছে। টেবিলে গেলাসে জল ছিল, অন্ধকারে সেটা দেখতে জকর্ম। এপিসিড বেড সুইচ জ্বালল— কিন্তু আলো জ্বলল না। আন্দাজে টেবিলের ধারে গিয়ে গেলাসে একটু জোরেই হাত লেগে গেল আর স্টিলের গেলাসটি জল-সমেত পড়ে গেল মেঝেয়। কী করবে সে বুঝতে পারছে না— এমন সময় কে যেন ঘরের মধ্যে খলখল করে হেসে উঠল। কিটু বুঝে নিল, এই হল পেতনি। তার এমনিতে অনেক সাহস। কিন্তু সে তো দিনের বেলায়, সূর্যের আলোর স্পষ্টতায়। এই অন্ধকারে তার বড়ো অসহায় লাগল। সে বলতে গেল, তোমরা কে? বলতে ঠিক পারল না- কেমন একটা গোঙানির মতো আওয়াজ হল মাত্র। এর পর তার জ্ঞান সম্পূর্ণ হারাল না বটে, কিন্তু যেটুকু রইল তা কোনো কিছু মনে রাখার মতো যথেষ্ট নয়। যেন সে স্বপ্ন দেখছে— আবার কখনো মনে হচ্ছে— স্বপ্ন নয়, সত্যই সব ঘটছে।

    কিট্টু বেশ বুঝতে পারল তার ঘরে যারা এসেছে তারা কিছুতেই শরীরী নয়। এরা হচ্ছে যাদের বলা হয় তেনারা, তবে ভূত নয়— পেতনি। কিন্তু কিট্টু আচ্ছন্ন ছিল বলেই হয়তো তার আতঙ্ক হল না। সে যেন সহজভাবেই বলল, আপনারা কী চান?

    এবার খলখল হাসি। তারপর একজন বেশ খোনা গলায় বলল, আমরা চাই যা তা হল আমাদের এই জলা থেকে হঠানো চলবে না। কিন্তু আমরা তোমার কাছে এসেছি তোমাকে নাচ দেখাতে। আমরা হচ্ছি— ভয় পেয়ো না— পেতনির দল। আগে ভালো মানুষের বউ ছিলাম, কেউ ভালো মানুষের মেয়েও ছিলাম। কিন্তু এখন আমাদের শরীর নেই, কেবল মন আছে। এই মনের জোরে আমরা ছায়ারূপ ধরি। দিনের বেলায় কেউ দেখতে পায় না আমাদের, আমরা যেখানে-সেখানে যাই। রাতের বেলা কেউ কেউ দেখতে পায়, কেউ কেউ পায় না। তবে একটা কথা, রাতের বেলা আমাদের ছায়ামূর্তিতে শক্তি আসে। আমরা যেকোনো জিনিস যেকোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারি- বিশেষ করে অমাবস্যার রাতগুলিতে। যাক সে কথা, আমরা এখানে এসেছি তোমাকে একটু নাচ দেখাব বলে। তোমার কাছে ঘুঙুর হবে?

    এবার সত্যিই কিট্টু একেবারেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। সে জ্ঞান ফিরে পেল পরদিন সন্ধেয় বাঘা কাকা আসার পর।

    কিট্টু খুবই দুর্বল বোধ করছে। ওকে নিয়ে চারিদিকে খুব উত্তেজনা হচ্ছে। খবরের কাগজ, টি. ভির লোকও অনেক এসেছে। যাদবপুরের প্রেত রহস্য নিয়ে আলোচনা চলছে প্রায় সর্বত্র।

    যাই হোক, বাঘা কাকা বললেন, আসল সমস্যা হল পুনর্বাসন। পেতনিদের পুনর্বাসন। কিট্টুবাবু আরশিয়ার সব পেতনির দেখা পেয়েছেন সে সব ওঁর বিভ্রম। মনটা দুর্বল ছিল, তাই রাতে খোয়াব দেখেছেন। উনি ভালো হয়ে উঠবেন দু-একদিনের মধ্যেই। ওই যে বলছিলাম, আসল ব্যাপার হল পুনর্বাসন। যাদবপুরের এই জলাটা প্রোমোটারেরা বোজাবেই। প্রোমোটার দশজন মরলে আবার দশজন গজাবে। তাতে সমস্যা কমবে না। এখানে পেতনিরা হাজার বছর ধরে আছেন। তাঁদের জন্য আমি বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করেছি— ওঁরা সম্মানের সঙ্গে সেখানে থাকবেন।

    জায়গাটা কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তরে বাঘা কাকা বললেন, শিলং-এর কাছে একটা বড়ো লেক আছে— সেখানে আছে বড়ো বড়ো মাছ। সেখানে দেড় হাজার পেতনি থাকতে পারবেন। মেঘালয় সরকার ওঁদের দিয়ে ব্যাপক পরিবহণ-এর ব্যবস্থা করে দেবেন। পেতনিরা সেখানে রাতে চার-পাঁচ ঘণ্টা ডিউটি দিলেই দু-কেজি করে মাছ পাবেন। ওঁরা হাজার লক্ষ লক্ষ প্যাকেট এ ঠিকানা থেকে ও ঠিকানায়, এ রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে, এ দেশ থেকে অন্য দেশে কয়েক মিনিটের মধ্যে পৌঁছে দেবেন।

    বাঘা কাকা বললেন, এরকম চার-পাঁচ বছর চলার পর এই সব পেতনিদের আত্মাকে তৃপ্তি দেওয়ার জন্য একটা যজ্ঞ করা হবে, তখন ওঁরা অমৃতলোকে যাত্রা করবেন। এঁদের জায়গায় তখন অন্য পেতনিদের কাজে লাগানো হবে।

    কয়েক দিন যাদবপুরে থাকার পর কিট্টু তার পার্ক সার্কাসের বাড়িতে ফিরে গেল। তার মন এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। সুপ্রিয়া পিসি তাকে দু-বার দেখে গেছেন। একদিনের ছুটি নিয়ে মিহিরও এসে ওকে সঙ্গ দিয়েছে। দু-চারদিন এরকম চলছে, সুপ্রিয়া পিসি তার জন্য রোজই নানারকম রান্না করে পাঠাচ্ছেন। বাঘা কাকার রান্নার কথা মনে পড়ে কিট্টর কান্না পাচ্ছে, কিন্তু কিছুই তার আর করার নেই, অন্তত কয়েক মাস।

    [ শারদীয়া শুকতারা, ১৪১৪ (২০০৭) ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }