Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    অমিতাভ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প518 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রসাদবাবুর ভয় – প্রচেত গুপ্ত

    একটাই ঘর। দোতলায় ছাদের উপর। ঘর খুব বড়ো। একজন কেন, পাঁচজন হাত-পা ছড়িয়ে থাকতে পারে। ঘরের সঙ্গে লাগোয়া ছাদটাও বড়ো। শহরের এ পাড়াটা বেশ নিরিবিলি। গাছপালা অনেক। এই বাড়ির চারপাশেও গাছ। ভিতরে একটা ছোটো মতো বাগান রয়েছে। তবে সে বাগানে ফুল-ফলের গাছ কিছুই নেই, শুধুই আগাছা। থাকার মধ্যে রয়েছে শুধু ঝাঁকড়া একটা নারকেল গাছ। গাছটা বাড়ির গা ঘেঁষে একেবারে ছাদ পর্যন্ত উঠে এসেছে। ছাদের ছোট্ট পাঁচিল টপকে ডালপালা নিয়ে ঝুঁকে পড়েছে ছাদের উপর। বাড়ি দেখে প্রসাদবাবুর মনটা ভালো হয়ে গেল। ভগ্নীপতি কিঙ্কর আর বোন ছন্দাকে মনে-মনে ধন্যবাদ জানালেন। এ বাড়িটায় না এলে মস্ত বোকামি হয়ে যেত। এমন চমৎকার ঘর, এমন চমৎকার ছাদ কোথায় পাওয়া যাবে! এর পরেও প্রসাদবাবুর মন হালকা খচখচ করে উঠল। কারণ কী?

    কারণ, চুয়ান্ন বছরের প্রসাদবাবু একজন ভীতু মানুষ। অন্ধকার ঘর, খাটের তলার খুটখাট, দরজার ক্যাঁচকোঁচে তিনি চমকে ওঠেন। তাই ছাদ দেখেও একটু ঘাবড়ে গিয়েছেন। ছোটোদের ভূতের ভয় মানায়। কিন্তু বড়োরা ভূতে ভয় পেলে সেটা বিরাট একটা হাসি-ঠাট্টার ব্যাপার হয়। আমাদের এই প্রসাদবাবুর বেলাতেও তাই হয়েছে। সবাই তার ভূতের ভয় নিয়ে মজা করে। হয়তো কোনো একদিন অফিসে ফাইল নিয়ে ক্যাশ ডিপার্টমেন্টে গিয়েছেন। সেখানে কাজ করেন শিশিরবাবু। তিনি ফাইল সরিয়ে নীচু গলায় বলেন, ‘হিসেব-টিসেব পরে হবে দাদা। আগে বলুন, কাল রাতে ওরা কেউ এসেছিল নাকি?

    প্রসাদবাবু অবাক হয়ে বলেন, ‘কারা? রাতে কারা আসবে?’

    শিশিরবাবু ঝুঁকে পড়েন, আরও গলা নামিয়ে বলেন, ‘আরে বাবা, রাতবিরেতে আপনার কাছে যারা আসে তাদের কথা বলছি। ওই যে লম্বা-লম্বা হাত, উলটো দিকে গোড়ালি… কেউ এসেছিল নাকি?’

    প্রসাদবাবু শুকনো হেসে বললেন, ‘ঠাট্টা করছেন?

    শিশিরবাবু হেসে ফেলেন। বলেন, ‘না, না। ঠাট্টা করব কেন? ভূত খুব সিরিয়াস একটা বিষয়। সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কখনো ঠাট্টা করা যায়? আমার ছোটো ছেলেটা ক্লাস ফাইভে পড়ছে। সেও ঠিক আপনার মতো। ভূত নিয়ে হাসিঠাট্টা একেবারে সহ্য করতে পারে না। হা হা!’ অফিসের বাইরেও একই কাণ্ড। পাড়াতেও অনেকে তার ভয়ের কথা জানে। সেদিন সন্ধেবেলা অফিস থেকে ফিরছিলেন প্রসাদবাবু। গলির মোড়ে জটলা করে দাঁড়িয়েছিল পাড়ার ছেলেরা। প্রসাদবাবুকে দেখে চুপ করে গেল। পল্টু গম্ভীর গলায় বলল, ‘প্রসাদকাকু নাকি?’

    প্রসাদবাবু থমকে গেলেন। বললেন, ‘কিছু বলবে পল্টু?’

    পল্টু সিরিয়াস গলায় বলল, ‘না তেমন কিছু নয়, আপনাকে একটু সাবধান করে দিচ্ছিলাম।’

    ‘সাবধান! কীসের জন্য? গোলমাল-টোলমাল কিছু হয়েছে না কি?’

    পল্টু গলা গম্ভীর করে বলল, ‘না, এখনও হয়নি। তবে হতে পারে। আজ অমাবস্যা কিনা। ভূতেদের ফেভারিট তিথি। এ জন্যই আপনাকে বলছিলাম যে সাবধানে থাকবেন কাকু।

    ছেলেরা সবাই হেসে উঠল। প্রসাদবাবু মাথা নামিয়ে হাঁটতে লাগলেন।

    শুধু বাইরের লোক নয়, নিজের লোকেরাও প্রসাদবাবুকে ছাড়ে না। আসানসোল থেকে বিচ্ছু ভাগনে ফোন করে বলে, ‘মামা, নেট সার্চ করে দেখলাম, জাপানে একটা দারুণ জিনিস বেরিয়েছে। ঘোস্ট লক। ভূত ঠেকাতে তালা। জানলা-দরজায় লাগালে ঘরে ভূত ঢুকতে পারবে না। যদি বলো তো একটা অর্ডার দিই।’

    প্রসাদবাবুর রাগ হয়। ইচ্ছে করে ভাগনেকে একটা ধমক দিতে। কিন্তু পারেন না। কারণ, দোষ তো আর অন্য কারও নয়, দোষ তাঁর নিজের। বড়ো বয়সে ভূতে ভয় পেলে সকলেই রসিকতা করবে। ব্যাপারটাও বিচ্ছিরি। বয়সকালের নানা অসুখ আছে। বাত, দাঁত ব্যথা, কান কটকট। সেসবের ওষুধ আছে। ভূতের ভয় কাটানোর কোনো ওষুধ নেই। প্রসাদবাবু রোজই মনে-মনে প্রতিজ্ঞা করেন, আর নয়, এবার মনে জোর এনে ভয়ের অসুখ সারাবেন। কিন্তু পারছেন না। কী লজ্জার কথা!

    প্রসাদবাবুর পুরো নাম প্রসাদরঞ্জন প্রামাণিক। সহজ, সরল, ছা-পোষা মানুষ। কলকাতা থেকে বেশ খানিকটা দূরের এই শহরে ছোটোখাটো একটা চাকরি করেন। ঠিক সময়ে অফিসে আসেন। টিফিনের সময়ে অফিসের নীচে নেমে ফুটপাথের দোকান থেকে টোস্ট আর কলা কিনে টিফিন সারেন। সহকর্মীরা বলেন, ‘ও প্রসাদদা, পাউরুটি-কলা ছেড়ে একদিন অন্য কিছু হবে নাকি? একটা ফিশফ্রাই বলি?’

    প্রসাদবাবু অল্প হেসে দু-পাশে মাথা নাড়েন। বলেন, ‘না ভাই, আমার এই পাউরুটিই ভালো।’

    প্রসাদবাবু সাধারণ খাবার পছন্দ করেন, সাধারণভাবে থাকেন। যাকে বলে ‘সিম্পল লিভিং’। বিয়ে-থা করেননি। নিজের লোক বলতে, বোন- ভগ্নীপতি। তারা থাকে আসানসোলে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রসাদবাবু ‘সুখে আছি’ নামের একটা মেসবাড়িতে ছিলেন। স্টেশনের ঠিক পাশেই। বাড়িটা অতি পুরোনো। মেসের মালিক ‘সারাচ্ছি, সারাব’ করেছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছু করেননি। একদিন সকালে ‘সুখে আছি’তে একটা কাণ্ড ঘটল। খাওয়ার ঘরে সবাই খেতে বসেছে। অফিস যাওয়ার তাড়া। হঠাৎ ছাদ থেকে ঝিরঝির করে বালি, সুরকি ইত্যাদি ডাল, মাছের ঝোলের উপর ঝরে পড়তে লাগল। মেসের মালিক চিৎকার করে উঠলেন, ‘ভূমিকম্প! ভূমিকম্প!’ খাওয়া-টাওয়া ফেলে সবাই ছুটল বাড়ির বাইরে। দু-একজন ভাতের থালাও হাতে নিয়ে ছুটল। একটু পরেই বোঝা গেল, ভূমিকম্প-টুমিকম্প বাজে কথা। পুরোনো মেসবাড়ি এবার ভিতর থেকেও ভেঙে পড়তে শুরু করেছে। চুন-সুরকি ফেলে ওয়ার্নিং দিচ্ছে। এর পর মাথায় ইট-পাথর, লোহা-লক্কড় ফেলবে। এর পরই ‘সুখে আছি’ মেস খালি করে মেরামতের

    কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হতে সময় লাগবে। বছরখানেকও লাগতে পারে। যাঁরা মেসে ছিলেন, তাঁরা নিজেদের মতো ব্যবস্থা করে নিলেন। এই ছোটো শহরে আর দ্বিতীয় মেস নেই। কেউ গেলেন আশেপাশের আত্মীয়ের বাড়িতে। কেউ দলবেঁধে বাড়ি ভাড়া করলেন। কেউ আবার হোটেল ঘর নিলেন। প্রসাদবাবুও তাই করলেন। আপিসের কাছাকাছি একটা হোটেলে উঠলেন। কিন্তু খরচে পোষাতে পারলেন না। তার উপর হোটেলের খাওয়াও তাঁর একেবারে সহ্য হল না। সারাদিন ঢেকুর উঠতে শুরু করল।

    এরকম সময় আসানসোলে বসে এই বাড়িটার ব্যবস্থা করে দিল কিঙ্কর আর ছন্দা। বাড়ির মালিক আসানসোলে চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে সেখানেই থাকেন। এক বছর হল বাড়িটা ফাঁকা পড়ে আছে। অনেকদিন ধরে নিজের একজন পছন্দসই ভাড়াটে খুঁজছিলেন। ছাদের ঘরে থাকবেন। বয়স্ক মানুষ, যিনি ভাড়া থাকবেন, অথচু পুরোপুরি ভাড়াটে হবেন না। বাড়িটা একটু দেখভালও করবেন। ছেলেপিলেরা পাঁচিল টপকে বাগানে ঢুকলে ধমক দেবেন, ভবঘুরেরা বারান্দায় উঠে আস্তানা গাড়তে চাইলে তেড়ে যাবেন, রোববার করে লোক ডেকে বাগানের আগাছা কাটবেন। প্রস্তাবটা লুফে নিল কিঙ্কর। কারণ ভাড়া অতি যৎসামান্য। কিঙ্কর প্রসাদবাবুকে টেলিফোনে সব বলল। প্রসাদবাবু বললেন, ‘বাড়ি দেখভাল করতে হবে মানে? এটা আমার পছন্দ নয় কিঙ্কর। উটকো ঝামেলা!

    কিঙ্কর বিরক্ত গলায় বলল, ‘চুপ করুন! বাড়ি দেখভাল মানে কী আর লাঠি হাতে রাত জেগে পাহারা? একটু-আধটু হাঁকডাক দিলেই হবে। বাড়ির মালিক ভয় পাচ্ছে, খালি বাড়ি দেখে এরপর চোর-ডাকাত দরজা, জানলা খুলে নিয়ে না-যায়। এজন্যই একজনকে চাইছে। বছরখানেক আগে ওই বাড়িতে কী যেন একটা গোলমাল হয়েছিল। তারপর থেকে বাড়ি বন্ধ।’

    প্রসাদবাবু ঢোক গিলে বললেন, ‘কী গোলমাল?

    কিঙ্কর আরও বিরক্ত হয়ে বলল, ‘আমি জানি না। আপনি বোনের সঙ্গে কথা বলুন।’

    ছন্দা টেলিফোন ধরে দাদার উপর রাগ দেখাল। বলল, ‘কী গোলমাল জেনে তোমার কী হবে দাদা?’

    প্রসাদবাবু মিনমিন করে বললেন, ‘চুরিটুরি নয় তো?’

    ‘চুরি, ডাকাতি, খুন যাই হোক, তোমার কী? কিচ্ছু না। তোমার সস্তায় বাড়ি চাই। ব্যস! সব গোলমাল মিটে গেল। এই সপ্তাহেই মালপত্র নিয়ে ওখানে চলে যাবে। ওই ঘর কিন্তু মোটেও ফাঁকা থাকবে না, এই বলে দিচ্ছি। দেখবে, তোমার পুরোনো মেসেরই কেউ ডবল ভাড়া দিয়ে নিয়ে নিয়েছে। তখন মাথা চাপড়াতে হবে। আজই তোমার ভগ্নীপতি বাড়ির মালিককে একমাসের অ্যাডভান্স ভাড়া দিয়ে দিচ্ছেন। পরশুর মধ্যেই লোক মারফত তোমার কাছে চাবি চলে যাচ্ছে। শুনেছি নিরিবিলি জায়গা। ছাদের উপর ঘর বলে রোদ-হাওয়া ফ্রি। কোনো ঝামেলা নেই। তুমি মেসবাড়ির অন্ধকার ছোটো-ছোটো ঘরে থাকতে বলেই তোমার ওইসব ভূতটুতের ভয়। খোলামেলা জায়গায় থাকবে, আজেবাজে ভয় পালাবে। তা ছাড়া খাওয়া নিয়ে চিন্তা নেই। ওই বাড়িতে একসময় কাজ করত বীণার মা, সে তোমার রান্নাবান্না করে দেবে। আমি বলে রাখব।’

    প্রসাদবাবু বললেন, ‘বাড়িতে গেলাম না, তার আগেই রান্নার লোক ঠিক করে ফেললি।’

    ছন্দা কিছু একটা বলতে গিয়ে চুপ করে গেল। বলল, ‘তুমি অত ভেবো না। আমি নিজে গিয়ে তোমার নতুন বাড়ি গুছিয়ে দিয়ে আসব। ওকে ছুটি নিতে বলেছি।’

    প্রসাদবাবু বুঝলেন আর কোনো উপায় নেই। বোন-ভগ্নীপতির ঠিক করে দেওয়া বাড়িতে উঠতেই হবে। বেচারিরা অতদূর থেকে বাড়ি খুঁজে দিয়েছে এটাও একটা কথা। দিন-তিনেক পর এক ভোরবেলা মালপত্র নিয়ে নতুন বাড়িতে উঠে এলেন প্রসাদবাবু। এসে দেখলেন, সত্যি অসুবিধে কিছুই নেই। একতলা বাড়ি। নীচটা বড়ো-বড়ো তালা দিয়ে বন্ধ। পাশ দিয়ে ছাদ পর্যন্ত উঠে গিয়েছে লোহার সিঁড়ি। উঠে গেলে ছাদ, একপাশে ঘর। ঘর দেখে প্রসাদবাবু চমকে উঠলেন। ঘর তো বিরাট! হেসেখেলে গড়াগড়ি দিয়ে থাকতে পারবেন। ঘরের কোণে খাট। খাটের মাথার কাছে জানলা। জানলা খুলতেই ছাদ। সেটাও বড়ো। ভোরের নরম রোদ পড়েছে। নারকেল গাছটা ঝুঁকে আছে শান্ত ভঙ্গিতে। একটু-একটু দুলছে। বাঃ! অল্পক্ষণের মধ্যেই মনের খচখচানি দূর হয়ে গেল প্রসাদবাবুর। তিনি মনে- মনে ঠিক করলেন, এবার বদলে যাবেন। ভূতটুতের ছেলেমানুষি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলবেন একদম। সবাই চমকে যাবে। হাসিঠাট্টা বন্ধ হয়ে যাবে। আজ সন্ধেবেলা অফিস থেকে ফিরে মাদুর পেতে ছাদটায় খানিকক্ষণ বসে থাকলে কেমন হয়?

    বেলা একটু বাড়তেই এগারো-বারো বছরের একটা মেয়ে এসে হাজির হল। মিষ্টি দেখতে। গায়ে একটা ফুলকাটা ফ্রক। ঘাড়ের দু-পাশে দুটো বিনুনি ঝুলছে। তাতে লাল রঙের দুটো সস্তার ফিতে। কপালে ছোট্ট একটা কালো টিপ। প্রসাদবাবু বললেন, ‘তুই কে?’

    মেয়েটা হাসি-হাসি মুখে বলল, ‘আমি বীণা।’

    প্রসাদবাবু বললেন, ‘বীণা কে?’

    মেয়েটা ফিক করে হেসে বলল, ‘বীণার মায়ের মেয়ে।’

    প্রসাদবাবুর এবার মনে পড়ে গেল। বীণার মা মানে যে মহিলা তার রান্না করবে। প্রসাদবাবু বললেন, ‘তোর মা কোথায়?’

    বীণা বলল, ‘মায়ের জ্বর হয়েছে। আমায় বললে, তুই গিয়ে রান্না করে দিয়ে আয়, নইলে নতুন মানুষ, বিপদে পড়বে।’

    প্রসাদবাবু অবাক হয়ে বললেন, ‘তুই কী রান্না করবি? এইটুকু মেয়ে। বীণা হেসে বলল, ‘এইটুকু মেয়ে বলে এইটুকু-এইটুকু রান্না পারব। ভাত, ডাল, আলুভাজা। চলবে?’

    প্রসাদবাবু মেয়েটার কথা শুনে মজা পেলেন। বললেন, ‘ডাল-ভাতে খুব হবে। তুই বেশ গুছিয়ে কথা বলতে পারিস তো বীণা!

    গুছিয়ে রান্নাও করতে পারি। হি হি।’

    প্রসাদবাবুও হাসলেন। বললেন, ‘তুই কথায়-কথায় হাসিস কেন?’

    বীণা একমুখ হেসে বলল, ‘মনে হয় হাসির রোগ আছে।’

    প্রসাদবাবু চোখ পাকিয়ে তাকালেন। বীণা রান্নাঘরে ছুটে পালাল। রান্নাঘর পাশেই। বীণা ছুটে যাওয়ার সময় একটা ঝমঝম আওয়াজ পেলেন প্রসাদবাবু। মেয়েটা ঘুঙুর পরেছে নাকি? কই চোখে পড়ল না তো। কে জানে, ছোটো মেয়েরা ছোটাছুটি করলে বোধ হয় এরকম ঘুঙুরের আওয়াজ হয়। প্রসাদবাবু হেসে ফেললেন। অফিস যেতে হবে। খানিক পরে খবরের কাগজ রেখে স্নানে গেলেন। এ বাড়িতে জলের সমস্যা নেই। সময় নিয়ে স্নান করা গেল। ‘সুখে আছি’ মেসে জলের টানাটানি ছিল। মাথাপিছু এক বালতি পাওয়া যেত। খেতে বসলেন প্রসাদবাবু। বীণা রান্না খারাপ করেছে। সবেতেই গাদাখানেক চিনি। ছোটো মেয়ে কতটা আর পারবে। খাওয়া শেষে প্রসাদবাবুকে মুখ ধোওয়ার জল এগিয়ে দিল বীণা। বলল, ‘রান্না ঠিক হয়েছে?

    প্রসাদবাবু বললেন, ‘ঠিক আছে।’

    ‘রাতের রুটি করতে কখন আসবি?’ বীণা বলল, ‘আমি আর আসব না। রাতের রুটি-তরকারি করে গেলাম। কাল থেকে মা আসবে। বীণার মা। হি হি।’

    বীণার হাসি শুনে প্রসাদবাবুর ভালো লাগল। তবু বললেন, ‘ফাজিল মেয়ে আবার হাসে! চড় খাবি এবার। ঠিক আছে, তুইও মায়ের সঙ্গে-সঙ্গে মাঝেমধ্যে চলে আসিস।’

    ‘কী জানি, মা আমাকে আসতে দেবে কি না। মনে হয় না দেবে।’ প্রসাদবাবু বললেন, ‘আমি বলে দেব।’

    প্রসাদবাবু অফিস যাওয়ার জন্য বেরিয়ে ঘরে তালা দিলেন। বীণা দাঁড়িয়ে ছিল ছাদের এক কোণে। প্রসাদবাবু বললেন, ‘কী রে, বাড়ি যাবি না?’

    ‘আমি একটু থাকব এখানে? এই বেশি না, খানিকক্ষণ।’ দু-আঙুল ফাঁক করে ‘খানিকক্ষণ’ সময়টা দেখাল বীণা।

    প্রসাদবাবু ভুরু কুঁচকে বললেন, ‘থাকবি? কী করবি?’

    বীণা আবদারের ঢঙে বলল, ‘ছাদে খেলব।

    ‘বাড়ি গিয়ে খেল।’

    বিনুনি ঝাঁকিয়ে বীণা বলল, ‘মা খেলতে দেবে না, কাজে পাঠিয়ে দেবে।’ এমনিতেই মেয়েটাকে খুব পছন্দ হয়েছে প্রসাদবাবুর, এখন মনটা আরও নরম হয়ে গেল। আহা রে! ছোটো মেয়ে। কাজকর্ম করে খেলতে চাইছে। হেসে বললেন, ‘সে না হয় থাকবি। কিন্তু খেলবি কার সঙ্গে? একা?

    বীণা উৎসাহ নিয়ে বলল, ‘একাই খেলব। ছক কেটে এক্কা-দোক্কা খেলব। আর ওই যে গাছটা আছে, নারকেল গাছটা, ওর সঙ্গেও খেলব। দ্যাখো না, আমার সঙ্গে একবার খেলবে বলে একেবারে ছাদে উঠে এসেছে। হি হি। আমরা হাত ধরাধরি করে নাচব, লাফাব। দুজনে আগেও খেলেছি।’

    এগিয়ে গিয়ে গাছের পাতাগুলো ধরে নাড়া দিল বীণা। ডালপালা দুলে উঠল। সাড়া দিল। প্রসাদবাবু মনে-মনে বললেন, ‘পাগল মেয়ে।’ মুখে বললেন, ‘ঠিক আছে, খেল। আমি চললাম। তুই যখন যাবি সিঁড়ির মুখের গ্রিলের দরজাটা ভালো করে বন্ধ করে দিয়ে যাবি, আর তোর মা কাল যেন তাড়াতাড়ি আসে। দেরি হলে অফিসে লেট হয়ে যাবে।

    লোহার সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামার সময় প্রসাদবাবু গুনগুন করে গান করতে লাগলেন। কত বছর পর যে তিনি নিজের মনে গান করলেন।

    অফিসের কাউকে নতুন বাড়ির কথা ভাঙলেন না প্রসাদবাবু। তিনি ঠিক করেছেন, রবিবার সন্ধেবেলা অফিস আর ‘সুখে আছি’ মেসের কয়েক জনকে ডাকবেন। ছাদে বসে গল্পগুজব হবে। সঙ্গে চা আর একটা করে ফিশ ফ্রাই? একটু খরচ হয়ে যাবে ঠিকই। তা হোক। চমৎকার বাড়ি দেখাতে একটু খরচ করতে হয়। বীণার মাকে বলতে হবে, মেয়েটাকে যেন সেদিন সঙ্গে নিয়ে আসে। সবাইকে চা দেবে। অফিস থেকে বেরনোর সময় ভগ্নীপতিকে একটা ফোন করতে গেলেন প্রসাদবাবু। বাড়িটার জন্য একটা ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। ফোন পাওয়া গেল না। ঠিক আছে কালই হবে। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। বরং একটা রাত কাটুক।

    বাড়ি ফিরে প্রসাদবাবুর মন আরও ভালো হয়ে গেল। ছাদটা একেবারে ঝকঝক করছে। বোঝাই যাচ্ছে, বীণার কাজ। খেলা শেষে ঝাঁট দিয়ে গিয়েছে। একপাশে ইট দিয়ে আঁকা এক্কা-দোক্কা খেলার অস্পষ্ট ছক। প্রসাদবাবু মুচকি হাসলেন। নিজের হাতে চা বানিয়ে এনে ছাদে মাদুর পেতে বসলেন। ফুরফুর করে হাওয়া দিচ্ছে। ঘরে ফেরা পাখির কিচিরমিচির ডাক। ধীরে-ধীরে সন্ধে নামল। আকাশ ভরা তারা। মস্তবড়ো একটা চাঁদ। নারকোল গাছের পাতায় হাওয়া লেগে ফিসফিস করে আওয়াজ হচ্ছে। বেশ লাগছে। এভাবে আকাশ, গাছপালা, পাখি অনেকদিন দেখা হয়নি। না, কিঙ্কর আর ছন্দা কাজটা ভালো করেছে। প্রসাদবাবু হাত বাড়িয়ে নারকেল গাছের পাতা ছুঁলেন। পাতার দল হাওয়ায় সরসর করে সরে গেল, ফিরে এলও আবার। যেন প্রসাদবাবুর সঙ্গে খেলতে চাইছে। অনেক রাত পর্যন্ত ছাদেই বসে রইলেন প্রসাদবাবু। নিজেই অবাক হয়ে গেলেন প্রসাদবাবু, কই ভয়টয় কিছু করছে না তো। ভয় সব পালিয়েছে না কি? নিশ্চয় পালিয়েছে। ছন্দা ঠিকই বলেছে, এতদিন অন্ধকার ঘুপচি ঘরে থাকতে-থাকতে মনের ভিতরেও অন্ধকার বাসা বেঁধেছিল। এই খোলামেলা পরিবেশ তাকে মুক্ত করেছে। প্রসাদবাবু মনে-মনে হেসে উঠলেন।

    না, ভয় পালায়নি। ভয় ফিরে এলও অনেক রাতে। তবে সেটা প্রসাদবাবুর পরিচিত ভয় নয়। অপরিচিত ভয়। অনেক তীব্র। হাড় হিম হয়ে যায়। রাত তখন ক-টা? একটা? নাকি দুটো?

    নতুন বাড়িতে সাধারণত প্রথম দিন ঘুম আসতে দেরি হয়। এই বাড়িতে প্রসাদবাবু কিন্তু বিছানায় শুয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ঘুম ভাঙল এক ধরনের অস্বস্তিতে। প্রসাদবাবু বুঝতে পারলেন, অস্বস্তি নয়, আওয়াজ। হালকা একটা আওয়াজে ঘুম ভেঙেছে। ঝম ঝম…। আওয়াজটা আসছে থেমে-থেমে। কে যেন ঘুঙুর পায়ে হাঁটছে। হাঁটছে না লাফাচ্ছে। কে লাফাচ্ছে? কোথায় লাফাচ্ছে? গলা শুকিয়ে গেল প্রসাদবাবুর। তিনি চোখ খুললেন। ঘর অন্ধকার। অন্ধকার কেন। ঘর অন্ধকার থাকার কথা নয়। রাতে আলো জ্বেলে শুয়ে ছিলেন। নতুন জায়গায় তিনি ঝুঁকি নেননি। চোর-ডাকাত থাকতে পারে। আলো দেখলে ভয় পাবে। ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসলেন প্রসাদবাবু। আলো কে নেভাল? লোডশেডিং? হতে পারে। মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে না। প্রসাদবাবু বুঝলেন ঝম ঝম আওয়াজটা আসছে ছাদ থেকে। কখনো জোরে, কখনো মিলিয়ে যাচ্ছে। শরীরের অস্বস্তিটা এবার ভয়ের চেহারা নিল। অন্য কোনো সময়ে এর ছিটেফোঁটা ভয় পেলেও প্রসাদবাবু চাদর মুড়ি দিয়েছেন, আজ কিন্তু উঠে বসলেন। একবার ছাদে গিয়ে দেখলে কেমন হয়? কথাটা ভাবতেই প্রসাদবাবুর মন একসঙ্গে দুটো উত্তর দিল। একবার বলল, ‘কিছু হয়নি। সব মনের ভুল। নিজে গিয়ে দেখে এসো। ভয় পেলে চলবে না। ভয়ের দিন তোমাকে শেষ করতে হবে।’ তারপরেই বলল, ‘যেয়ো না, যেয়ো না, বাইরে বিপদ আছে।’

    দোনামোনার মধ্যেই খাট থেকে নামলেন প্রসাদবাবু। অন্ধকারে টলতে- টলতে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। পা দুটোকে মনে হচ্ছে পাথর। কাঁপা হাতে দরজার ছিটকিনি খুলতে অনেকটা সময় গেল। খোলা দরজা দিয়ে কয়েক পা বেরিয়ে এসে দাঁড়ালেন। নির্জন, অন্ধকার ছাদ। আকাশে চাঁদ নেই, অসংখ্য তারা। ছাদ জুড়ে নরম আলো পড়েছে কুয়াশার মতো। সেই আলো সাদা আর নীলে মেশা। বেশ লাগছে দেখতে। মনে সাহস এনে চারপাশে ভালো করে তাকালেন প্রসাদবাবু। না, কেউ নেই। ঘুঙুরের আওয়াজটাও আর শোনা যাচ্ছে না। দূরে বড়ো রাস্তা দিয়ে ট্রাক চলে যাওয়ার আওয়াজ ভেসে এল। নিশ্চিন্ত হলেন প্রসাদবাবু। নিজের মনেই পিঠ চাপড়ালেন। ভাগ্যিস চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকেননি। তা হলে ভয়টা বেড়ে যেত। কাল সকালেই এই চমৎকার বাড়ি ছেড়ে পালাতেন। ঘুরে দাঁড়িয়ে ফের ঘরে ঢুকতে গেলেন প্রসাদবাবু, আর তখনই চোখ পড়ল নারকেল গাছটার দিকে। নিমেষে ঠান্ডা একটা স্রোত বয়ে গেল শরীরের মধ্যে দিয়ে। ওটা কী! গাছ তো নয়, অন্য কিছু। একটা মানুষ যেন ঝাপসা চুল। হাসছে। অন্ধকারের চোখ-মুখ। অন্ধকারের হাসি। ডালপাতাগুলো লম্বা হাতের মতো বাড়িয়ে রেখেছে। পেতে রেখেছে ছাদের উপর। হাওয়ায় দুলছে তারা। আওয়াজ হচ্ছে খসখস খসখস…। খামচে ধরার আগে বাঁধানো ছাদে যেন নখ শানাচ্ছে। চোখের পাতা ফেলতে পারছেন না প্রসাদবাবু। তাকে কে যেন মাথার ভিতরে বলছে, ‘চলে যাও, পালিয়ে যাও। ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে ফ্যালো এখনই।’ কণ্ঠস্বরটা বাচ্চা মেয়ের মতো। চেনা, কিন্তু চিনতে পারছেন না প্রসাদবাবু। তিনি বুঝতে পারছেন, এখনই ঘরে ঢুকে যাওয়া দরকার। খুব দরকার।

    কিন্তু পারছেন না। নারকেল গাছের ডালপাতা তাঁকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। তারপর হাত ধরে টান দিল। তিনি সম্পূর্ণ নিজের অনিচ্ছায় এগিয়ে যেতে লাগলেন ছাদের কিনারার দিকে। আর কয়েক পা গেলেই ছাদের ছোট্ট পাঁচিল। পাঁচিল টপকালেই….।

    জ্ঞান হারানোর আগে প্রসাদবাবু স্পষ্ট শুনতে পেলেন, গাছটা বাচ্চা একটা মেয়ের গলায় হেসে উঠল। গলাটা এবার চিনতে পারলেন প্রসাদবাবু। ছোট্ট মেয়ে বীণা।

    পরদিন সকালে ছাদের ধারে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া গেল প্রসাদবাবুকে। পেল আসানসোল থেকে আসা প্রসাদবাবুর বোন ছন্দা আর ভগ্নীপতি কিঙ্কর। তারা প্রসাদবাবুকে না জানিয়ে কাল রাতে ট্রেনে উঠেছিল। পরিকল্পনাটা কিঙ্করের। একেবারে বাড়িতে হাজির হয়ে প্রসাদবাবুকে চমকে দেবে। এই কারণে দু-দিন অফিস থেকে ছুটি নিয়ে এসেছে। ছন্দার কাজও আছে। দাদার জন্য বাড়িটা একটু গুছিয়ে দিয়ে যাবে। রান্নার একজন লোক চাই। খুঁজতে হবে। বীণার মা থাকলে কোনো চিন্তা ছিল না। কিন্তু এ শহরের পাট চুকিয়ে সে চলে গিয়েছে। এক বছর আগে পর্যন্ত এ বাড়িতে বন্ধ দরজা খুলে ঝাড়পৌঁছ করতে আসত। সঙ্গে তার বারো বছরের মেয়েটাও থাকত। ছাদে খেলত। একদিন খেলতে খেলতে এই বাড়ির ছাদ থেকেই পড়ে মারা যায় বেচারি! তার মা তখন একতলায় ছিল। বাড়ির মালিকের কাছে ছন্দা শুনেছে, বীণা মেয়েটা ছিল ভারি সুন্দর। কথায়-কথায় হাসত। বায়না করায় একজোড়া ঘুঙুর কিনে দিয়েছিল তার মা। মেয়েটা সেই ঘুঙুর পরে লাফিয়ে বেড়াত। আওয়াজ হত ঝম-ঝম। বীণা যে কী করে ছাদ থেকে পাঁচিল টপকে পড়ল তা নিয়ে রহস্য রয়ে গিয়েছে। কেউ যেন হাত ধরে টান দিয়েছিল। নইলে পাঁচিল টপকাবে কেন? যদিও এসব কথা প্রসাদবাবুকে বলেনি তার বোন। একেই তিনি ভীতু মানুষ…।

    কিঙ্কর ডাক্তার ডাকতে ছুটল।

    [ আনন্দমেলা, ২০ মার্চ ২০১১ ]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Our Picks

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026

    এক বুড়ো আর সমুদ্র – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

    February 18, 2026

    মৃত কৈটভ ২ – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }