Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রতিনায়ক : সিরাজুল আলম খান – মহিউদ্দিন আহমদ

    মহিউদ্দিন আহমদ এক পাতা গল্প554 Mins Read0
    ⤷

    ১.১ নিউক্লিয়াসের খোঁজে

    পর্ব ১ নিউক্লিয়াস

    নিউক্লিয়াসের খোঁজে

    শ্রাবণ মাসের ৬ তারিখ শুক্রবার, ২১ জুলাই ১৯৭২। মনে হচ্ছিল বৃষ্টি হবে অঝোরে। কিন্তু অবাক করা সকাল। আকাশে টুকরো টুকরো মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে, কোথাও সাদা, কোথাও ধূসর। কিন্তু রোদ আছে।

    মাত্র সাত মাস হলো দেশ স্বাধীন হয়েছে। মনটা ফুরফুরে থাকার কথা। ভোর থেকেই মুহসীন হলে উত্তেজনা। ছাত্রলীগের তিন দিনের সম্মেলন শুরু হবে। কয়েকজন সঙ্গীসাথি নিয়ে রওনা দিলাম। পল্টন ময়দানে হাজি চান মিয়া ডেকোরেটরের বানানো বিশাল শামিয়ানার নিচে শুরু হলো সম্মেলন কাঁটায় কাঁটায় ১০টায়। শুরুতে ছিল কিছু আনুষ্ঠানিকতা। উদ্বোধন করার কথা ছিল মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ছাত্রলীগ নেতা স্বপন কুমার চৌধুরীর বাবার। তিনি আসেননি। তার বড় ভাই অধ্যাপক রূপেন চৌধুরী চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছেন। কিন্তু তিনি পল্টনে না এসে চলে গেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। ওখানে সম্মেলন চলছে ছাত্রলীগের আরেক গ্রুপের। উদ্বোধন ছাড়াই শুরু হলো আমাদের সম্মেলন।

    আ স ম আবদুর রব আর শাজাহান সিরাজ ছাত্রলীগ থেকে বিদায় নিচ্ছেন। তারা কিছু কথাবার্তা বললেন। তারপর ঘণ্টাখানেকের বিরতি। ওই সময় লাল মলাটের একটা বুকলেট বিলি করা হলো। রাজনৈতিক রিপোর্ট। আমরা তখন দিল্লি-মস্কোর চোখ দিয়ে দুনিয়া দেখার চেষ্টা করছি। পুস্তিকায় তার ছাপ আছে। এক জায়গায় মন্তব্য ছিল, ‘পীত সাম্রাজ্যবাদী চীন।’ এই শব্দচয়ন আমাদের অনেকেরই ভালো লাগেনি। কিন্তু চোখ আটকে গেল অন্য একটি বাক্যে, ‘১৯৬২ সাল থেকেই ছাত্রলীগের ভেতরে একটি নিউক্লিয়াস বাংলাদেশের স্বাধীনতার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছিল।’

    ১৯৬৯ সালের শেষ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দেখেছি, ছাত্রলীগের মধ্যে দুটি স্রোতধারা। একটির কেন্দ্রে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শেখ ফজলুল হক মনি, অন্যটির মধ্যমণি ছাত্রলীগের আরেক সাবেক নেতা সিরাজুল আলম খান। আমি কেমন করে জানি সিরাজুল আলম খানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া ঘরানার মধ্যে ঢুকে গেছি। আমি জানতাম এমন একটা প্রক্রিয়ার কথা, যেখানে আমরা সরাসরি স্বাধীনতা ও সমাজতন্ত্রের কথা বলতাম। অন্য গ্রুপের বন্ধুরা আমাদের নিয়ে মশকরা করত। বলত, পাতিবিপ্লবী।

    বিজ্ঞানে নিউক্লিয়াস বলতে যা বোঝায়, রাজনীতিতে তার রূপ হয়তো আলাদা। এটা এমন একটা প্রক্রিয়া, যাকে একজন বা একটি ছোট গ্রুপ সঞ্চালন করে, নিয়ন্ত্রণ করে। তখন থেকেই জানি, শেখ মুজিব হলেন আসল নেতা। তার সবচেয়ে আস্থাভাজন শিষ্য হলেন সিরাজুল আলম খান। আমরা শেখ মুজিবকে বলি বঙ্গবন্ধু আর সিরাজুল আলম খানকে বলি সিরাজ ভাই। স্বাধীনতার পর তিনি কলকাতা থেকে ফিরে এলেন। তখন লক্ষ করলাম, অনেকেই তাকে ‘দাদা। বলতে শুরু করেছে। দাদা’ শব্দটির ব্যাপারে আমার অ্যালার্জি ছিল। উগান্ডার স্বৈরশাসক ইদি আমিনকে দাদা নামে সম্বোধন করা হতো।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    ঢাকার
    ঢাকায়
    ডাকা
    ঢাকা
    বিজ্ঞান
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Books

     

    আমার ধারণা ছিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে তিনি নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি করেন, অন্তত প্রকাশ্যে। কিন্তু সিরাজুল আলম খানকে দিয়ে তিনি অনেক কাজ করান। সিরাজ হলেন বঙ্গবন্ধুর ডান হাত। কিন্তু যখন শুনলাম বঙ্গবন্ধু পল্টনের সম্মেলনে অতিথি হিসেবে না এসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলে গেছেন, তখন বিষম ধাক্কা খেলাম মনে। এটা কী হলো? এমনটা হবে তা তো আগে কেউ বলেনি?

    দিন যায়, মাস যায়, বছর গড়ায়। ছাত্রলীগের এই সিরাজপন্থী গ্রুপ থেকে তৈরি হলো জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল। সংক্ষেপে জাসদ। জাতীয় সমাজতন্ত্র তো হিটলারের আদর্শ ছিল! এই নামের ভূত আমাদের ঘাড়ে চাপল কেন? এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পেলাম না। কিন্তু নিউক্লিয়াস শব্দটি চাউর হতে থাকল। জানতে পারলাম, এটি ছিল তিনজনের একটি চক্র বা সেল। সিরাজুল আলম খান ছাড়াও আরও ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমদ। বাহাত্তর সালেই এই নিউক্লিয়াস ভেঙে যায়। আবদুর রাজ্জাক থেকে যান আওয়ামী লীগে। কাজী আরেফের সঙ্গে সিরাজুল আলম খানের রাজনৈতিক বিচ্ছেদ ঘটে ১৯৮৪ সালের দিকে।

    .

    ২

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ছাত্রত্ব শেষ হলো ১৯৭৫ সালে এমএ পরীক্ষা দেওয়ার মধ্য দিয়ে। তার বছরখানেকের মধ্যেই আমি রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিই। আমি বুঝলাম, এটা আমার পথ নয়। কিন্তু রাজনীতির প্রতি আগ্রহ রয়েই গেল। সিরাজুল আলম খানের সঙ্গে। আমার পরিচয় ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে। তাকে আমি অনেকবার বলেছি, ‘আপনার কাজ, আপনার অভিজ্ঞতার কথা লিখুন।’ সবাই জানুক। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তো লিখতে পারি না।’ আসলেও তাই। তিনি বলেন, অন্যেরা লেখে। অথবা অন্যেরা লেখে, তিনি দেখে দেন কখনো-সখনো।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    ঢাকার
    বিজ্ঞানে
    ডাকা
    ঢাকায়
    ঢাকা
    নতুন উপন্যাস
    নতুন বই
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    ১৯৬৭-৬৯ সালে আমি ঢাকা কলেজে পড়েছি। আমার ক্লাসের বন্ধুদের মধ্যে যারা বেশি রকম রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল, তারা হলো শেখ কামালউদ্দিন, রেজাউল হক মুশতাক ও নিজামুদ্দিন আজাদ। মুশতাক ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিল। আজাদ ছিল কলেজ শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। কামাল ছাত্রলীগের হলেও সে কোনো পদে ছিল না। শেখ মুজিবের ছেলে হিসেবে তার অন্য রকম একটি পরিচিতি দাঁড়িয়ে যায়। ওই সময় শেখ মুজিব কারাবন্দী থাকায় কামালের ওপর আমাদের সবার মমতা ছিল।

    আজাদের সঙ্গে সখ্যের কারণে আমি ছাত্র ইউনিয়নে ভিড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু উনসত্তরের গণ-আন্দোলন আমাকে অনেক বদলে দিয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়ার সময় মুহসীন হল ছাত্র সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই ১৯৭০ সালে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আজাদ শহীদ হয়। পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে কামালকেও আমরা হারাই। মুশতাক তত দিনে রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি আর যুক্ত ছিল না। তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল বরাবর।

    ১৯৮৩ সালে আমি জাসদকে নিয়ে একটি গবেষণার কাজ শুরু করি। অক্টোবরের এক সকালে মুশতাককে সঙ্গে নিয়ে আবদুর রাজ্জাকের ধানমন্ডির বাসায় যাই। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন বড় নেতা, সাধারণ সম্পাদক। শেখ হাসিনা দলের সভাপতি। তাঁদের মধ্যকার রসায়নটি কাজ করেনি। তিনি আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হলেন। আরেক বহিষ্কৃত নেতা মহিউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে তিনি তৈরি করলেন বাকশাল নামে আরেকটি দল। রাজ্জাক সাহেবের বাসায় লোকজনের ভিড়। একজনের পর একজন আসছেন আর যাচ্ছেন। জননেতাদের বোধ হয় এমনই জীবন। আমি দেখলাম, যে উদ্দেশ্যে আসা, অর্থাৎ তার একটি সাক্ষাৎকার নেওয়া, সেটি এই হট্টগোলের মধ্যে সম্ভব নয়। তাঁকে নিয়ে চলে এলাম মুশতাকের ভূতের গলির বাসায়। সেখানে তার সঙ্গে কথা হলো চার-পাঁচ ঘণ্টা। তিনি মেলে ধরলেন নিউক্লিয়াস-বৃত্তান্ত :

     

    আরও দেখুন
    ডাকা
    ঢাকায়
    ঢাকা
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞান
    ঢাকার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গল্প
    বই পড়ুন
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    “এটা ঠিক যে আমরা নিউক্লিয়াস তৈরি করেছিলাম। চিন্তাটা হয়েছিল ১৯৬২ সালে। ১৯৬৪ সালে তার একটা স্ট্রাকচার দাঁড় করানো হয়। সিরাজ ভাই রূপকার, বিষয়টা এমন নয়। আমাদের মধ্যে কাজ ভাগ করা ছিল। সিরাজ ভাই ছিলেন আমাদের থিওরেটিশিয়ান। আমি রিক্রুটিংয়ের কাজ দেখতাম। আরেফ ছাত্রলীগের মধ্যে আমাদের চিন্তার প্রসার ঘটাত। এরপর চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে আমাদের সঙ্গে যোগ দেয়। আবুল কালাম আজাদ। আমরা আঙুল কেটে রক্ত দিয়ে শপথ নিই, দেশ স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত আমরা ব্যক্তিগত সুখ-সুবিধার পেছনে ছুটব না। বিয়ে করব না। আমাদের না জানিয়ে আবুল কালাম আজাদ স্কুলপড়ুয়া একটা নাবালিকাকে বিয়ে করলে আমরা তাকে বহিষ্কার করি। মুজিব ভাইকে সামনে রেখেই আমরা এটা শুরু করি। তিনিই আমাদের নেতা। এ ব্যাপারে তাকে আমরা কিছুটা জানিয়েছিলাম ১৯৬৬ সালে। ১৯৬৯ সালে তাকে ডিটেইল জানানো হয়।

    আমাদের সেলটির নাম দেওয়া হয় ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’। নামটি গোপন ছিল। কাজকর্ম হতো খুবই গোপনে।

    আমরা ‘বিপ্লবী বাংলা’ নামে হাতে লেখা একটা বুলেটিন বের করি সাইক্লোস্টাইল করে এর কপি করা হতো। দুটো সংখ্যা বেরিয়েছিল।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    বিজ্ঞান
    ঢাকার
    ঢাকায়
    ডাকা
    ঢাকা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বই

     

    সিরাজ ভাইকে আমরা নেতা মানতাম। তবে তার পারসোনাল লাইফের অ্যানার্কি আমরা পছন্দ করতাম না।”[১]

    ১৯৬৪ সালের পুরো সময়টা সিরাজুল আলম খান ও আবদুর রাজ্জাক কাটিয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। আবুল কালাম আজাদও তখন কারাগারে। তারা কী ধরনের স্ট্রাকচার দাঁড় করিয়েছিলেন, তা নিয়ে তারা কেউই মুখ খোলেননি। যত দূর জানা যায়, তাঁদের মধ্যে একটা ককাস গড়ে উঠেছিল। এটাকেই ১৯৭১ সালের পর তাঁরা নাম দিয়েছেন নিউক্লিয়াস।

    ‘নিউক্লিয়াস’ শব্দটি একাত্তরের আগে কখনো শোনা যায়নি বা আলোচনায় আসেনি। কাজী আরেফ আহমদের সাংগঠনিক কার্যক্রম ছিল ঢাকা শহরের মধ্যেই, প্রধানত জগন্নাথ কলেজকে কেন্দ্র করে। বৃহত্তর পরিসরে অন্যান্য জেলা শহরের ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগের সুযোগ তখন ছিল না। তবে এটা ঠিক যে এই ‘ককাস’ পরে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে একটি প্রভাববলয় তৈরি করতে পেরেছিল।

    .

    ৩

    সিরাজুল আলম খানের ব্যক্তিগত জীবনের ‘অ্যানার্কি’ বলতে আবদুর রাজ্জাক কী বোঝাতে চেয়েছেন, তার ব্যাখ্যা দেননি। আমিও জানতে চাইনি। তবে তাকে নিয়ে অনেক মুখরোচক গল্প চালু ছিল। মোদ্দা কথা, তার চালচলন আর দশজনের মতো ছিল না। তাকে অনেকেই আড়ালে-আবডালে ‘কাপালিক’ নামে ডাকতেন। কীভাবে এ নাম চালু হয়েছিল, তা জানার জন্য একদিন তাকেই সরাসরি জিজ্ঞেস করেছিলাম।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানে
    ঢাকায়
    ডাকা
    ঢাকা
    বিজ্ঞান
    ঢাকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    অনলাইন বই
    বইয়ের
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    আপনাকে তো অনেকেই ‘কাপালিক’ বলে। এটা কেন বলে?

    ‘ওই যে বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছে না? ওই নিয়েই বোধ হয়।’

    বঙ্কিমচন্দ্রের একটি উপন্যাসে ‘কাপালিক’ নামে একটি চরিত্র আছে। সে শবসাধনা করে। মানে, লাশ নিয়ে জীবনযাপন। তার সঙ্গে আপনার মিল কোথায়?

    সিরাজুল আলম খান আর কথা বাড়াননি। [২]

    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে আধুনিক বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ হিসেবে মনে করা হয়। তার একটি জনপ্রিয় উপন্যাস হলো কপালকুণ্ডলা। এ উপন্যাসের একটি চরিত্র হলো কাপালিক। কাপালিক আর দশজন মানুষের মতো নয়। সে মৃতদেহ নিয়ে তান্ত্রিক সাধনা করে। তবে তার আছে প্রচণ্ড আকর্ষণশক্তি। এ উপন্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো নবকুমার। প্রথমবার কাপালিক দর্শনে নবকুমারের মনের ভাব বর্ণনা করতে গিয়ে বঙ্কিম লিখেছেন :

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    ডাকা
    ঢাকার
    ঢাকা
    বিজ্ঞানে
    ঢাকায়
    নতুন উপন্যাস
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    “…কটিদেশ হইতে জানু পর্যন্ত শার্দূলচৰ্ম্মে আবৃত। গলদেশে রুদ্রাক্ষমালা, আয়ত মুখমণ্ডল শ্মশ্রুজটাপরিবেষ্টিত। সম্মুখে কাষ্ঠে অগ্নি জ্বলিতেছিল–সেই অগ্নির দীপ্তি লক্ষ্য করিয়া নবকুমার সে স্থলে আসিতে পারিয়াছিলেন। নবকুমার একটা বিরাট দুর্গন্ধ পাইতে লাগিলেন; ইহার আসন প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া তাহার কারণ অনুভূত করিতে পারিলেন। জটাধারী এক ছিন্নশীর্ষ গলিত শবের ওপর বসিয়া আছেন। আরও সভয়ে দেখিলেন যে, সম্মুখে নরকপাল রহিয়াছে, তন্মধ্যে রক্তবর্ণ দ্রব পদার্থ রহিয়াছে। চতুর্দিকে স্থানে স্থানে অস্থি পড়িয়া রহিয়াছে–এমন কি, যোগাসীনের কণ্ঠস্থ রুদ্রাক্ষমালা মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অস্থিখণ্ড গ্রথিত রহিয়াছে। নবকুমার মন্ত্রমুগ্ধ হইয়া রহিলেন। অগ্রসর হইবেন, কি স্থান ত্যাগ করিবেন, তাহা বুঝিতে পারিলেন না। তিনি কাপালিকদিগের কথা ত ছিলেন। বুঝিলেন যে, এ ব্যক্তি কাপালিক।” [৩]

    এ অঞ্চলে কাপালিক নামে একটি সম্প্রদায় আছে। তারা মহাদেব বা শিবকে আদর্শ মনে করে। তাদের জীবনযাত্রা অন্যদের থেকে আলাদা। কঠোর কৃচ্ছসাধনই জীবনের ব্রত। তারা গৃহী নয়, সন্ন্যাসী। তারা অনেকেই শ্মশানচারী।

    সিরাজুল আলম খানের কাপালিক নাম হওয়ার একটি প্রেক্ষাপট পাওয়া যায় ঢাকা কলেজে তাঁর সতীর্থ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছ থেকে। ওই সময় কলেজে কপালকুণ্ডলা নাটকটি মঞ্চস্থ হয়েছিল। নারী চরিত্রে অভিনয় করার জন্য কোনো নারী পাওয়া যায়নি বা আনা হয়নি। ছেলেদের কলেজ। ‘কপালকুণ্ডলা’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সিরাজুল আলম খান। যদিও কাপালিক’ ওই নাটকের আলাদা একটি চরিত্র, অনেকে তখন থেকেই সিরাজকে কাপালিক নামে ডাকা শুরু করে।

     

    আরও দেখুন
    ঢাকা
    ঢাকার
    বিজ্ঞান
    ডাকা
    বিজ্ঞানে
    ঢাকায়
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস

     

    সিরাজুল আলম খান কখন খান, কখন ঘুমান, তার ঠিকঠিকানা নেই। চালচলনে খ্যাপাটে, বোহিমিয়ান, লম্বা চুল-দাড়ি-গোঁফ, অতি সাধারণ বেশভূষা, কম কথা বলা–এসব তাঁকে একধরনের বিশিষ্টতা দিয়েছিল। এর আকর্ষণ-বিকর্ষণ শক্তি দুই-ই ছিল। অনেকেই তাকে এড়িয়ে চলতেন। আবার অনেকেই সম্মোহিত হতেন।

    সিরাজুল আলম খানের চালচলন অনেকেই পছন্দ করতেন না। উচ্চমাধ্যমিকে দ্বিতীয় বর্ষে ওঠার পর ১৯৫৭ সালে ঢাকা কলেজের হোস্টেল পুরান ঢাকার বান্ধব কুটির থেকে নিউমার্কেটের কাছে কলেজ চত্বরে স্থানান্তরিত হয়। সেখানে কেউ তার রুমমেট হতে রাজি হচ্ছিল না। শেষমেশ এগিয়ে আসেন মাগুরার মাহফুজুল হক (নিরো)। তিনি সিরাজকে তাঁর কামরায় থাকতে বলেন। নিরো ছাত্র ইউনিয়নের সংগঠক ছিলেন।

    সিরাজুল আলম খান ছিলেন অন্তর্মুখী। সাধারণ মানুষকে একটা ধারণা দেওয়া হতো, তিনি প্রচারবিমুখ। এখন অবস্থা পাল্টেছে। অনেক বছর ধরেই তিনি তাঁর নিউক্লিয়াস-তত্ত্ব প্রচার করছেন, নিজে লিখছেন না। তবে ডিকটেশন দিয়ে অন্যদের দিয়ে লেখাচ্ছেন। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে তাঁর উদ্যোগে ও প্রশ্রয়ে ছাপা হয়েছে অগুনতি বই, বেশির ভাগই আধা ফর্মা বা এক ফর্মার, সেখানে তুলে ধরা হচ্ছে ‘নিউক্লিয়াসের বিবরণ। তিনি দাবি করছেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত-লেখক কামরুদ্দীন আহমদ ও অধ্যাপক আহমদ শরীফ নিউক্লিয়াসের পরামর্শদাতা ছিলেন। ঢাকা ছাড়িয়ে তাদের এই নেটওয়ার্ক জেলা পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছিল।

     

    আরও দেখুন
    ঢাকায়
    বিজ্ঞান
    ডাকা
    ঢাকার
    ঢাকা
    বিজ্ঞানে
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বই পড়ুন

     

    .

    তথ্যসূত্র

    ১. আবদুর রাজ্জাক।

    ২. সিরাজুল আলম খান

    ৩. বঙ্কিম রচনাবলী : উপন্যাস সমগ্র, মুক্তধারা, ঢাকা, ১৯৭৮, পৃ. ৬

    ৪. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

    ৫. সিরাজুল আলম খান

    ৬. ওই

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমূলধারা ’৭১ – মঈদুল হাসান
    Next Article ১৯৮৪ (নাইন্টিন এইটি-ফোর) – জর্জ অরওয়েল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }