Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রতিনায়ক : সিরাজুল আলম খান – মহিউদ্দিন আহমদ

    মহিউদ্দিন আহমদ এক পাতা গল্প554 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা

    হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালা

    এই কাহিনির তিনটি পর্ব, যা আমাদের নিকট অতীতের বাঁকবদলের আখ্যান। ১৯৬০-এর দশক ছিল আমাদের উত্থানপর্ব, যখন বাঙালি একটি ভাষাভিত্তিক জাতিরাষ্ট্র তৈরির স্বপ্ন দেখেছে। এই দশকে এ দেশের মানুষের মনোজগতে ঘটেছে বড় রকমের পরিবর্তন। এর চূড়ান্ত ফয়সালা দেখা যায় উনসত্তরের গণ-আন্দোলন এবং সত্তরের নির্বাচনে। এরপর আর পেছনে ফিরে যাওয়ার উপায় ছিল না। ষাটের দশকের শেষ দিকে শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। তিনি হয়ে ওঠেন বঙ্গবন্ধু। সত্তরের নির্বাচনের একতরফা ফলাফলেই সংকটের ইঙ্গিত ছিল। নিয়মতান্ত্রিক পথে এর মীমাংসা হয়নি। যুদ্ধ ছিল অনিবার্য। ভূরাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতায় শুরুতেই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ভারত। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে দেখতে হবে এই প্রেক্ষাপটে।

    যুদ্ধ শেষ হয়েও শেষ হলো না। স্বাধীনতার পক্ষে সাধারণ ঐকমত্য ছিল। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ছিল আক্রমণকারী, জনগণের চোখে বিদেশি। বাহাত্তরে প্রেক্ষাপট গেল পাল্টে। চোখের সামনে পাকিস্তান আর নেই। দেশ কীভাবে চলবে, তা নিয়ে মতভিন্নতা তৈরি হলো। এ নিয়ে বেধে গেল লড়াই। একদিকে মতাদর্শের দ্বন্দ্ব, অন্যদিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় অংশীদারত্বের দাবি।

    এই সময়ের আখ্যানে জড়িয়ে আছেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তাঁদের একজন হলেন সিরাজুল আলম খান। তাঁকে নিয়ে আছে অনেক আলোচনা সমালোচনা, আছে কৌতূহল, আছে বিতর্ক ও বিভ্রান্তি। একসময় তাঁর পরিচয় হয়ে গেল রাজনীতির রহস্যমানব।

    রাজনীতির চরিত্রগুলো মঞ্চের উজ্জ্বল আলোয় দেখতে আমরা অভ্যস্ত। সেখানে দাঁড়িয়ে তারা ভালো ভালো কথা বলেন, আমরা মুগ্ধ হয়ে শুনি। মঞ্চের পেছনে থাকে সাজঘর বা গ্রিনরুম। সেখানে গেলে তাদের আসল চেহারা দেখা যায়। সুন্দর পোশাক আর প্রসাধনচর্চিত মুখ দেখে আমরা ব্যক্তিত্ব বিচার করি। হাসপাতালের অপারেশন টেবিলে সার্জন যখন কারও শরীর কাটাকুটি করেন, তখন রক্ত-মাংস-অস্থি বেরিয়ে আসে। তাকে আর সুন্দর দেখায় না। কিন্তু ওটাই তো সত্যিকার মানবদেহ। বাইরে থেকে আমরা শুধু আবরণটাই দেখি।

    সময় ও সময়ের চরিত্রগুলোর ব্যবচ্ছেদ করতে বসলে আমরা নির্মম ও স্কুল বাস্তবতার মুখোমুখি হই। সময় ও ব্যক্তিকে রঙিন মোড়কে উপস্থাপন করার। যে রেওয়াজ চালু আছে, তার মধ্য থেকে সত্য ঘেঁকে তোলা বেশ কঠিন। সত্য বেরিয়ে এলে আমরা অবাক হই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বই পড়ুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বই

     

    আত্মস্মৃতি যারা লেখেন, তারা অনেক কিছুই উল্লেখ করেন না। একজন ব্যক্তি বা একটি সময়কে নানাভাবে দেখা বা বিচার করা যায়। জীবন তো বহুমাত্রিক। এর বিশেষ একটি দিককে গুরুত্ব দিয়ে এবং অন্য দিকগুলো পাশ কাটিয়ে গেলে ইতিহাসের ওপর সুবিচার হয় না। একপেশে বয়ান থেকে একজন ব্যক্তি সম্পর্কে সরল উপসংহার টানা যায়–তিনি নায়ক অথবা খলনায়ক, বিপ্লবী অথবা প্রতিবিপ্লবী, যুগস্রষ্টা অথবা ষড়যন্ত্রকারী। ব্যক্তি কিন্তু একজনই। তার শুক্লপক্ষ-কৃষ্ণপক্ষ দুই-ই আছে। অথচ আমরা কত অনায়াসে বলে দিই, তিনি দেবতা, নয়তো দানব।

    রামায়ণের উদাহরণ দেওয়া যাক। রাক্ষসরাজ রাবণ একজন খলনায়ক। অথচ কী অপরূপ ছন্দে পরম মমতায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত সৃষ্টি করলেন। মেঘনাদবধ কাব্য, যেখানে রাবণ আর মেঘনাদ হলেন বীর, রাম-লক্ষ্মণ হলেন। হানাদার তস্কর।

    সিরাজুল আলম খান এবং তাঁর নিউক্লিয়াস’ নিয়ে একাডেমিক আলোচনা বেশি হয়নি। তাকে নিয়ে যেমন অতিরঞ্জন আছে, তেমনি আছে অস্বীকৃতি। আমিই সব করেছি’–এ রকম বাগাড়ম্বর কিংবা আস্ফালন যেমন আছে, আবার ‘আমি এত গুরুত্বপূর্ণ অথচ কিছুই জানলাম না’–এ। রকম আক্ষেপও আছে।

     

    আরও দেখুন
    Books
    PDF
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা কমিকস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বইয়ের

     

    ষাটের দশকে সিরাজুল আলম খানের উত্থান ছাত্রনেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের হাত ধরে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছায়াতলে। এ সময় আরও কয়েকজন তরুণ ছাত্রনেতা মাঠ কাঁপিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে সিরাজুল আলম খানের ফারাক এক জায়গায়–তিনি ধারাবাহিকভাবে লেগে ছিলেন। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিব গ্রেপ্তার হয়ে যাওয়ার পর মাথার ওপর ছায়াটি আর ছিল না। তখন তাকে পথ চলতে হয়েছে নিজ শক্তিতে ও বুদ্ধিতে। সঙ্গে পেয়েছেন অনেক উদ্যমী তরুণকে। সবাইকে ছাঁচে ঢেলে তিনিই তৈরি করেছেন, এমন নয়। সবার মনেই স্বপ্ন ছিল। সিরাজুল আলম খান হয়ে উঠলেন তরুণ মনের স্বপ্নের সওদাগর। তিনি নিজেই বলেছেন, শেখ মুজিবের ছয় দফা তার বুকের মধ্যে আগুন জ্বেলে দিয়েছিল। উনসত্তরে মুজিব যখন জেল থেকে ছাড়া পান, দেখলেন তার জন্য জমি তৈরি হয়ে আছে, যার ওপর ভরসা করে বীজ বোনা যায়। জমি তৈরির এ কাজটি করেছেন সিরাজুল আলম খান। শেখ মুজিবকে নেতা মেনেই তিনি এটি করেছেন। এখানে তিনি মুজিবের প্রতিদ্বন্দ্বী নন। বরং বলা যায় প্রডিজে’। এর যথার্থ বাংলা প্রতিশব্দ খুঁজে পাওয়া ভার। কাছাকাছি শব্দ হলো ‘আস্থাভাজন শিষ্য। এ ধরনের একটি সম্পর্ক ও অবস্থান দাঁড় করালে শেখ মুজিব ছোট হয়ে যান না, সিরাজুল আলম খানকেও অপাঙক্তেয় ঘোষণা করতে হয় না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা উপন্যাস
    Library
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বুক
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    নতুন উপন্যাস

     

    বাংলাদেশের উত্থান হলো একটি জনগোষ্ঠীর জেগে ওঠার মহাকাব্য। এর পরতে পরতে আছে যুগ যুগ ধরে মানুষের যূথবদ্ধ প্রয়াস। এখানে অনেক কারিগর, অনেক বীর। সিরাজুল আলম খান তেমনই একজন, একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, যিনি শ্রম-ঘাম-মেধা দিয়ে বাংলাদেশের উত্থানপর্বে নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন।

    মুক্তিযুদ্ধপর্বটি এখনো রয়ে গেছে অনেকটাই অজানা। এই সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান হলো মুজিববাহিনী। এ নিয়ে আছে অনেক ধোঁয়াশা। যুদ্ধ জয়ের প্রথম শর্ত হলো একতা। দরকার স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তির এককাট্টা হওয়া। সেটি কেন হলো না? রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের সঙ্গে থিয়েটার রোডের যোদ্ধাদের সমন্বয়ে ঘাটতি কেন ছিল? মুজিববাহিনীর আলাদা কমান্ড কাঠোমো কেন গড়ে উঠল? কেন সরকারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে দ্বন্দ্ব, অবিশ্বাস ও টানাপোড়েন তৈরি হলো? আজ হোক কিংবা কাল, এর একটা ব্যাখ্যা তো পেতে হবে।

    একাত্তর-পরবর্তী পর্বটি জটিল ও স্পর্শকাতর। প্রশ্ন উঠেছিল, দেশ কি প্রস্তুত হওয়ার আগেই স্বাধীন হয়ে গেছে? একটি স্বাধীন দেশ কীভাবে চলবে, তার জন্য কি কোনো রূপকল্প ছিল? এ তো মধ্যরাতে ক্ষমতার হাতবদল ছিল না। এত রক্ত, এত মৃত্যু, একটি জনযুদ্ধ–এসবের মধ্য দিয়ে যে রাষ্ট্রটির জন্ম হলো, তাকে গড়েপিটে তোলার কোনো ছক-নকশা তো ছিল না? অথচ আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকার চূড়ায় জায়গা পেল তড়িঘড়ি করে প্রচলিত নিয়মকানুন আর রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ঝাড়পোঁছ দিয়ে রেখে দেওয়া। ইংরেজ আর পাকিস্তানি যুগের রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কাঠামো রয়ে গেল অবিচ্ছিন্ন, অবিকল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Books
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    জন্মক্ষণেই দেশ দুই পরাশক্তির শীতল লড়াইয়ের মধ্যে পড়ে যায়। দেশের ভেতরে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। মুসলিম লীগের পুরোনো সংস্কৃতির পুনর্জন্ম হলো। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, আমরাই দেশপ্রেমিক, আমরাই দেশ চালাব, অন্যরা সব ষড়যন্ত্রকারী, দেশদ্রোহী, দুষ্কৃতী–এ রকম ভাবনা জেকে বসল। একে অন্যকে বিদেশের দালাল বলার মাতম শুরু হলো। ষড়যন্ত্রতত্ত্বের ঘেরাটোপে বন্দী হলেন সবাই। ঠিক এ সময় মঞ্চে হাজির হলো জাসদ। দলটি তরুণদের একটি বড় অংশকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল। যাদের বয়স পঁচিশের নিচে, তাদের কাছে জাসদ হয়ে উঠল একটা স্বপ্ন, রোমাঞ্চ, ক্রেজ। মধুসূদন দত্তের শব্দাবলি কী দারুণভাবে সত্য হয়ে উঠল :

    আসিতেছে দ্রুতগতি চারিদিক হতে
    ঝাঁকে ঝাকে আসে যথা পতঙ্গের দল
    দেখি অগ্নিশিখা–হ্যায়, পুড়িয়া মরিতে।
    (মাইকেল মধুসূদন দত্ত : তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য)

    তারুণ্যের এ জোয়ার শুধু ষড়যন্ত্রতত্ত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না। এ এক অভিনব উদ্ভাসন। এ ছিল যুদ্ধোত্তর প্রবণতা, যা ছিল অনিবার্য।

    একটি প্রক্রিয়া বা দল যারা পরিচালনা করেন, তারা সবাই সক্রেটিস বা আলেকজান্ডার হন না। অথবা হন না একজন স্থপতি, যিনি মাপজোক করে নকশা এঁকে তারপর দালান তৈরির সিদ্ধান্ত দেবেন। সবকিছু সাজিয়ে-গুছিয়ে ব্লু-প্রিন্ট বানিয়ে সমাজে ঝড় তোলা যায় না। করতে করতে শেখা–এ রকম একটি কথা চালু আছে। যখন আমরা শিখি না, শিখতে চাই না, তখনই তৈরি হয় সংকট। বাহাত্তরেই দেশ পড়ে গেল সংকটে।

    রাজনীতিতে আদর্শ, তিতিক্ষা, আত্মত্যাগ–এসব আছে। এর পাশাপাশি আছে উগ্রতা, একগুঁয়েমি, শঠতা ও প্রতিহিংসা। যারা নির্দিষ্ট একটি মত ও পথের যাত্রী, তারা তাদের ওপর অন্যের চাপিয়ে দেওয়া নানান বিশ্লেষণের সঙ্গে একমত হবেন না। চে গুয়েভারা স্বজনদের কাছে বিপ্লবী, প্রতিপক্ষের চোখে সন্ত্রাসী। এ দেশে অনেকেই চে হতে চেয়েছেন। তাঁরা নিজেদের বীর, বিপ্লবী মনে করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী-প্রতিপক্ষের চোখে তাঁরা পথভ্রষ্ট, হঠকারী, দুষ্কৃতী। অথবা জুতসই কোনো শব্দ হাতের কাছে খুঁজে না পেলে অপছন্দের লোককে ট্রটস্কিবাদী বলে নাকচ করে দেওয়ার লোকের অভাব নেই।

     

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস
    গ্রন্থাগার সেবা
    Books

     

    সিরাজুল আলম খানের বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযোগ–তিনি তরুণ প্রজন্মকে ভুল পথে নিয়ে গেছেন। তিনি কি জেনেবুঝে এ কাজ করেছেন? তিনি কি উন্মাদ? নিজ হাতে একটি দল তৈরি করে সেটিই আবার ছিন্নভিন্ন করে দিলেন? এ রকম অভিযোগ উঠেছে দলের ভেতর থেকেই। সবচেয়ে বড় জিজ্ঞাসা, হাজার হাজার তরুণ কিসের আশায় তাঁর সহযাত্রী হলেন? তিনি কি হ্যাঁমিলিনের বাঁশিওয়ালা? একসময় যাঁরা তাঁকে ব্যবহার করেছিলেন, তারা তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন কেন? অসহিষ্ণু উঠতি মধ্যবিত্ত, যারা একদিন তারুণ্যের এই উদ্ভাসনকে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে লড়তে দেখে পেছন থেকে হাততালি দিয়েছেন, তাঁরাই পরে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন নতুন কুশীলবের দেখা পেয়ে। একসময় তারা বলতে শুরু করলেন–এরা বড্ড বেশি বাড়াবাড়ি করছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু আন্দোলন, হরতাল, বোমাবাজি! আল মাহমুদ লিখলেন ‘আমিও রাস্তায়’ :

    দিল বাইন্ধা পথঘাট, বাস গাড়ি মোটর দোকান
    গোলমালের কারিগর ইটা মারে মুরব্বির গায়।
    সাহস দেখো না মিয়া, বে-তমিজ বান্দীর পুতেরা
    মাইনষের লওয়ের মতো হাঙ্গামার নিশান উড়ায়।
    (আল মাহমুদ : সোনালি কাবিন)

    রাজনীতি যেহেতু মানুষকে নিয়ে, রাজনীতিবিদেরা সব সময় জন আলোচনায় থাকেন। তারাও ভুল করেন। তখন সমালোচনা বা গালাগালের শিকার হন। এ থেকে কারও রেহাই নেই। এ জন্য তারা নিজেরাও দায়ী। নিজের অবস্থানটি ঠিকমতো ব্যাখ্যা করতে না পারার কারণে তারা প্রায়ই প্রশ্নবিদ্ধ হন। কেউ কেউ ভুল স্বীকার করেন না। বরং ভুলের পক্ষে সাফাই। গান। নিজেকে সবজান্তা মনে করেন, মনে করেন অভ্রান্ত। এই মানসিকতা। একধরনের অহংকার বা ইগো থেকে আসে। সোজা কথায় এ হলো নিছক গোঁয়ার্তুমি। সিরাজুল আলম খানও এর ব্যতিক্রম নন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Books
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    সিরাজুল আলম খান ও জাসদের কথা মানুষ ভুলতে বসেছিল। দলটি এখন খণ্ড-বিখণ্ড, আগের তেজ নেই। আমি বলি, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাসদ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়, ৭ নভেম্বর এর মৃত্যু হয়। এরপর থেকে এর কঙ্কালটাই টেনে বেড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সিরাজুল আলম খানও গেছেন অস্তাচলে।

    ২০০০ সালে আমি একটি উদ্যোগ নিয়েছিলাম। একটি প্রীতিসম্মিলনীর আয়োজন করেছিলাম নীলক্ষেতে আনোয়ারা রেস্টুরেন্টে। নাম দিয়েছিলাম আনোয়ারা রেস্টুরেন্ট ককাস। ষাটের দশকের শেষ দিকে, বিশেষ করে ১৯৭০-৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোতে আমরা অনেকেই সেখানে রাতে খেতে এবং আড্ডা দিতে যেতাম-রাজনৈতিক আচ্ছা। আমাদের মধ্যমণি ছিলেন সিরাজুল আলম খান। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে একধরনের নস্টালজিয়া কাজ করে। এ অনুষ্ঠান আয়োজনে আমাকে সাহায্য করেছিল প্রয়াত বন্ধু একরামুল হক। আমন্ত্রিতদের তালিকা মূলত তাঁরই তৈরি। সেখানে যাদের আসতে বলেছিলাম, তাঁরা কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিলেন :

    হু ইজ সিরাজুল আলম খান?

    এ মিটিং ডাকার উদ্দেশ্য কী?

    এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো পলিটিকস আছে?

    ও কার হয়ে কাজ করছে?

    তারপরও ৫০ জনের মতো হাজির হয়েছিলেন। সিরাজুল আলম খানও এসেছিলেন। সেদিন বিজয় দিবস, রোজার দিন ছিল। আমরা একসঙ্গে ইফতার করলাম। সিরাজুল আলম খান বললেন, বুলবুল একটা ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। এটা চালু থাকুক। ও হবে এর কো-অর্ডিনেটর। পরদিন দৈনিক জনকণ্ঠএ বিশাল নিউজ ছাপা হয়েছিল। সম্ভবত তিনিই এটা করিয়েছিলেন।

    তাঁকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ বের করার উদ্যোগ নিলাম। আমার সহযোগী হলেন রেজাউল হক মুশতাক ও আবু করিম। আবু করিম আমাদের তিনজনের নামে যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খুললেন। লেখা চাইলাম অনেকের কাছে। প্রথম লেখাটি পাঠালেন আ স ম আবদুর রব। আমি বার দুয়েক শিবনারায়ণের বাসায় গিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটা লেখা নিয়ে এলাম। আর কেউ সাড়া দেননি। আর কারও আগ্রহ দেখলাম না। বিষয়টা ওখানেই চাপা পড়ে গেল।

    সিরাজুল আলম খানের নায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। মুজিবে মোহমুগ্ধ ছিলেন তিনি। একসময় তিনি বিদ্রোহ করলেন। সঙ্গীদের চোখে তিনি হলেন প্রতিনায়ক। তৈরি হলো তাঁর কাল্ট। অর্থশাস্ত্রে মার্জিনাল ভ্যালু বা প্রান্তিক উপযোগিতার তত্ত্ব আছে। সঙ্গীরা একে একে তাঁকে ত্যাগ করায় তার প্রান্তিক মূল্যমান ঠেকে শূন্যের কোঠায়। তিনি এখন ‘রেচিড অব পলিটিকস’–রিক্ত, পরিত্যক্ত। তাকে ঘিরে যারা বিপ্লবের মন্ত্র জপেছিলেন, তাঁদের বেশির ভাগ এখন দলীয় রাজনীতি থেকে অবসরে। বাকিরা নানান শিবিরে বিভক্ত। একদা স্বপ্নবাজ অ্যাংগ্রি ইয়াংম্যানরা এখন ইতিহাসের জাবর কাটেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বই
    বাংলা গল্প
    গ্রন্থাগার সেবা
    PDF
    বাংলা কমিকস
    Library

     

    সিরাজুল আলম খান লেখালেখি করে সময় কাটান। তাঁর লেখা বিদ্বজ্জনের টেবিলে ঠাই পায় না। এ নিয়ে তার ভ্রূক্ষেপ নেই। তাঁর গুরু ও ঘনিষ্ঠজনেরা অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। একদিন তিনিও চলে যাবেন। প্রকৃতির এটাই নিয়ম।

    বেশ কিছুদিন আগে আমি তার কাছে গিয়েছিলাম। সঙ্গে ছিলেন সুমন মাহমুদ। তিনি কিছু কথা বলার আগ্রহ দেখালেন। সুমনকে বললেন রেকর্ড করতে। যথারীতি এর ভিডিও হলো। তিনি তাঁর শেষ ইচ্ছার কথা বললেন। ‘আমার মৃত্যুর পর কোনো শোকসভা হবে না। শহীদ মিনারে ডিসপ্লে হবে না লাশ। যত দ্রুত সম্ভব নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আমার গ্রামের বাড়িতে পাঠাতে হবে মরদেহ, যা ঢাকা থাকবে একটা কাঠের কফিনে। মায়ের একটা শাড়ি রেখে দিয়েছি। কফিনটা শাড়িতে মুড়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে, মায়ের কবরে।’

    মানুষ যেখান থেকে আসে, সেখানেই ফিরে যায়। কেউ কেউ জায়গা করে নেন ইতিহাসের পাতায়। কেউ নায়ক হন, কেউ হন প্রতিনায়ক। তাঁরা ইতিহাস তৈরি করেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমূলধারা ’৭১ – মঈদুল হাসান
    Next Article ১৯৮৪ (নাইন্টিন এইটি-ফোর) – জর্জ অরওয়েল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }