Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প286 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. শুভবুদ্ধির পথ ধরে

    এয়োদশ পরিচ্ছেদ
    শুভবুদ্ধির পথ ধরে

    আপনার কখনও রাগ হলে অন্যকে দুচার কথা শুনিয়ে দেন আর তাতেই আপনার মনের ভার লাঘব হয়ে যায়। কিন্তু যাকে শোনালেন তার মনের ভাবটা কেমন হয়? সে কি আপনার মত আনন্দ পাবে? আপনার ওই কলহপ্রিয়তা, ক্ষিপ্তভঙ্গী কি তাকে আপনার মতবাদ মেনে নিতে সাহায্য করবে?

    ‘আপনি যদি আমার দিতে ঘুসি পাকিয়ে আসেন’, উড্রো উইলসন একবার বলেছিলেন, তাহলে কথা দিতে পারি আমাকেও দুগুণ তৈরি দেখতে পাবেন। কিন্তু এর বদলে আপনি যদি এসে বলেন, আসুন, বসে আলোচনা করা যাক, আর আমাদের মতবিরোধ হলে, আসুন জানার চেষ্টা করি আমাদের মতবিরোধ কেন। এতে আমরা দেখতে পাবো আমাদের মধ্যে যে মতবিরোধ আছে তা খুবই কম। দেখা যাবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা একমত। শুধু আমাদের যদি একটু ধৈর্য আর ইচ্ছে থাকে তাহলে একমত হতে অসুবিধা নেই।

    উড্রো উইলসনের এই বক্তব্যের সঙ্গে জন, ডি, রকফেলার জুনিয়রের চেয়ে আর বেশি কেউ একমত হননি। সেটা ১৯১৫ সাল, রকফেলার ছিলেন কলোরাডোর সবচেয়ে ঘৃণিত মানুষ! আমেরিকার শিল্পজগতের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তাক্ত এক ধর্মঘট দুবছর ধরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল। কলোরাডোর কলহপ্রিয় শ্রমিকরা কলোরাডো লৌহ প্রতিষ্ঠানের কাছে অতিরিক্ত মজুরি দাবি করে চলেছিল। রকফেলার ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। বহু সম্পত্তি এতে ধ্বংস হয়, সৈন্যবাহিনীকেও ডাকতে হয়। প্রচুর রক্তপাত ঘটে, ধর্মঘটীদের দেহ গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায়।

    এই রকম সময়ে, আকাশ বাতাস যখন ঘৃণায় আচ্ছন্ন রকফেলার ধর্মঘটিদের নিজের মতে আনতে চাইছিলেন। আর তিনি তা পেরেও ছিলেন। কিভাবে? সেই কাহিনীই এখানে বলছি। কয়েক সপ্তাহ বন্ধুত্ব করে রকফেলার ধর্মঘটিদের প্রতিনিধিদের কাছে বক্তৃতা দিলেন। সেই বক্তৃতাকে অনেক অর্থেই একটা অপূর্ব সৃষ্টি বলা যেতে পারে। এতে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল পাওয়া যায়। এতে রকফেলারের চারপাশে যে ঘৃণার বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল সেই ভাবটি সম্পূর্ণ দূর হয়ে যায়। এর ফলে তার কিছু আবার স্তাবকও জুটে গেল। এতে এমন সুন্দর বন্ধুত্বপূর্ণভাবে সব বলা হয়েছিল যে, ধর্মঘটিরা যে মজুরি বৃদ্ধির মধ্যে ওই রক্তাক্ত পথে লড়াই করেছিল সে সম্পর্কে উচ্চবাচ্য না করেই কাজে যোগদান করল।

    নিচে সেই অপূর্ব বক্তৃতার গোড়াটি উদ্ধৃত করছি। লক্ষ করবেন কীভাবে এটা ক্রমশ বন্ধুত্বের আলো ছড়াতে শুরু করেছিল।

    মনে রাখবেন রকফেলার যাদের সামনে কথা বলেছিলেন সেইসব মানুষ কয়েকদিন আগে তাঁকে একটা টক আপেল গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে মারার কথা বলেছিল। তা সত্তেও রকফেলার যা ব্যবহার করেন তার চেয়ে ভাল কিছু আর আশা করা যায় না–তিনি যেন একদল স্বেচ্ছাসেবক ডাক্তারের সভায় কথা বলছেন। তাঁর বক্তৃতায় পাওয়া যায় এমন সব কথা, যেমন–এখানে আসতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করছি। আপনাদের বাড়িতে গিয়ে, আপনাদের স্ত্রী ছেলেমেয়েদের সঙ্গে পরিচিতি হয়ে, আমি এখানে আজ অপরিচিত অবস্থায় আসি নি, আমি এসেছি বন্ধু হিসেবে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সাধারণ স্বার্থ আর আপনাদের দয়াতেই আমি এখানে এসেছি।

    ‘এ আমার জীবনের এক স্মরণীয় দিন’, রকফেলার শুরু করেন এইভাবে। জীবনে এই প্রথম এই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রতিনিধি, অফিসার আর সুপারিন্টেন্ডেন্টদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলাম। আমি আপনাদের কথা দিতে পারি আমি এখানে এসে আজ গর্বিত আর যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন একথা আমি মনে রাখব। এই সভা যদি মাত্র দু’সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত হতো তাহলে আমি এখানে থাকলে মাত্র কয়েকজনকেই বোধহয় চিনতে পারতাম। দক্ষিণের কয়লাখনি অঞ্চলের সমস্ত শিবিরগুলি গত সপ্তাহে ভ্রমণ করার সুযোগ পাওয়ায় একমাত্র যারা ছিল না তারা ছাড়া, ব্যক্তিগতভাবে সমস্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ করে আমরা এখানে অপরিচিত অবস্থায় আসিনি, এসেছি বন্ধুভাবে। আর এই পারস্পরিক বন্ধুত্বের মধ্যেই আমি খুশি যে আমাদের সব রকম সমস্যার বিষয়ে আলোচনা করতে পারব।

    যেহেতু এটি প্রতিষ্ঠানের অফিসার এবং কর্মচারি প্রতিনিধিদের সভা, অতএব আপনাদের অনুগ্রহেই আমি এখানে এসেছি, যেহেতু আমি এর কোনটি হওয়ার মত সৌভাগ্যবান হতে পারিনি। তা সত্ত্বেও আমি অনুভব করি আমি আপনাদের সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবেই জড়িত, যেহেতু বলতে গেলে আমি স্টকের মালিক আর অংশীদারদের পক্ষে এসেছি।

    শত্রুদের বন্ধু করে তোলার জন্য এই কৌশলটা কি চমৎকার কোন উদাহরণ নয়? ধরুন রকফেলার যদি অন্য কোন পথ নিতেন? ধরুন তিনি শ্রমিকদের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দিয়ে তাদের মারাত্মক বাস্তব ঘটনাগুলো তাদের সামনে মেলে ধরতেন? ধরা যাক তিনি তার কথাবার্তায় তাদের ইঙ্গিত করতেন তাদের ভুল হচ্ছে। এটাও ধরুন তর্কশাস্ত্র অনুযায়ী তিনি প্রমাণও করতে পারলেন তাদের ভুল হয়েছে, তাহলে কি ঘটতো? এতে জন্মাত আরও ক্রোধ, আরও ঘৃণা আরও বিরোধিতা।

    আপনার প্রতি যদি কোন মানুষের ভালো ধারণা থাকে, তাহলে কখনই আপনি তাকে নিজের মত কোন তর্কশাস্ত্রের সাহায্যেই আনতে পারবেন না। ধমকদানকারী বাবা-মা, হুকুমকারী মালিক আর স্বামী বা ঘ্যানঘ্যানে স্ত্রীদের বোঝা দরকার যে মানুষ কখনই তাদের মন বদলাতে চায় না। তাদের কোনভাবেই জোর করে আপনার বা আমার মতের বশবর্তী করা যাবে না। কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ নম্র ব্যবহার করলে তাদের হয়তো কিছুটা নমনীয় করতে পারা যাবে।

    ঠিক এই কথাটাই প্রায় একশ বছর আগে বলেছিলেন আব্রাহাম লিঙ্কন :

    ‘এটা একটা পুরনো প্রবাদ যে, এক গ্যালন দুর্গন্ধ পদার্থে যত মাছি এসে বসে তার চেয়ে ঢের বেশি বসে এক ফোঁটা মধুর উপর। অতএব মানুষের ক্ষেত্রেও এটা সত্যি। আপনি যদি কোন মানুষকে আপনার মতের বশবর্তী করতে চান তাহলে প্রথমেই তাকে বুঝিয়ে দিন আপনি তার প্রকত বন্ধু। এর মধ্যেকার এক ফোঁটা মধুই তার হৃদয় আকর্ষণ করবে। আর এটাই তার হৃদয়ে পৌঁছবার একমাত্র পথ।

    ব্যবসায়ীরা আজ বুঝতে পারছেন ধর্মঘটীদের সঙ্গে বন্ধুর মত ব্যবহার করলে আখেরে কাজ দেয়। যেমন উদাহরণ হিসেবে, হোয়াইট মোটরকার কোম্পানির আড়াই হাজার কর্মচারি যখন মাইনে বাড়ানোর দাবীতে ধর্মঘট করে, সেই কোম্পানির প্রেসিডেন্ট রবার্ট এফ, ব্ল্যাক কখনই তাদের সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ করেননি বা ভীতি প্রদর্শন বা কমিউনিষ্ট আখ্যাও দেননি। বরং তিনি ধর্মঘটীদের প্রশংসাই করেন। তিনি ক্লীভল্যাণ্ডের খবরের কাগজে একটা বিজ্ঞাপন প্রচার করে জানান, কি শান্তিপূর্ণ পথেই না তারা তাদের কাজের যন্ত্র নামিয়ে রেখেছে। ধর্মঘটী পাহারাদারদের একটু আয়েসী হতে দেখে তিনি তাদের কয়েক ডজন বেসবল ব্যাট আর দস্তানা কিনে দিয়ে ফাঁকা এক মাঠে তাদের খেলতে আহ্বান জানান।

    প্রেসিডেন্ট ব্ল্যাকের ওই বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহারের ফলে যা হয় তাই হয়েছিল–তাতে অনেকেই তাঁর বন্ধু হয়ে পড়ে। এরপরেই ধর্মঘটীরা ঝাঁটা, বুরুশ এনে কারখানা সাফাই করতে শুরু করলো। একবার ব্যাপারটা ভাবুন! ধর্মঘটীরা বেশি মাইনে আর ইউনিয়নের স্বীকৃতি দাবী করেও কারখানা সাফাই শুরু করেছে। আমেরিকার শ্রমিক ধর্মঘটের ইতিহাসে এমন ব্যাপার আর কোনদিনই শোনা যায়নি। এক সপ্তাহের মধ্যেই মিটমাট হয়ে সব ঝামেলা দূর হলো–কোনরকম মনোমালিন্য বা বিদ্বেষ ছাড়াই এটা হয়।

    ড্যানিয়েল ওয়েবস্টার, যিনি দেবতার মত সুপুরুষ ছিলেন আর জিহোভার মতই কথা বলতেন, তিনি ছিলেন একজন অতি বিখ্যাত আর সফল আইনবিদ। তা সত্ত্বেও তিনি সওয়াল করতেন এই রকম বন্ধুত্বপূর্ণ পথে : ‘এটা জুরীদের বিচার করে দেখতে হবে, অথবা ‘ভদ্রমহোদয়েরা এই ব্যাপারটি ভেবে দেখলে বোধহয় ভাল হয়, বা এই ব্যাপারগুলি আশাকরি আপনাদের খেয়াল থাকবে’, বা আপনাদের মনুষ্যচরিত্র সম্পর্কে জ্ঞানের জন্যে নিশ্চয়ই এই ঘটনাগুলির গুরুত্ব অনুধাবন করবেন। কোনরকম জোর বা চাপ দিয়ে নয়। নিজের মতামত কোনবারেই তিনি অপরের উপর চাপিয়ে দিতে চাননি। ওয়েবস্টার কাজে লাগান তাঁর শান্ত, বন্ধুত্বপূর্ণ ভঙ্গীকেই, আর তাই তাঁকে খ্যাতিমান হয়ে উঠতে সাহায্য করে।

    আপনাকে কখনও হয়তো কোন ধর্মঘট মীমাংসার জন্য বা কোন জুরীকে কিছু বোঝানোর জন্য যেতে হবে না, তবে আপনি হয়তো আপনার বাড়িভাড়া কমাতে চাইতে পারেন। তাতে কি এই বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার কাজে আসবে? আসুন সেটাই একবার দেখা যাক।

    ও. এল. ঐব একজন ইঞ্জিনিয়ার। তিনি তাঁর ভাড়া কমাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর বেশ ভালোমতই জানা ছিল তাঁর বাড়িওয়ালাটি বেশ পোড় খাওয়া মানুষ। মিঃ ঐব লিখেছিলেন যে কথা তিনি আমার প্লানে বলেন, আমি তাঁকে লিখেছিলাম যে আমার লীজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার এ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে দেব। আসল সত্যটা হল আমি ছাড়তে ইচ্ছুক ছিলাম না। ভাড়া যদি কমানো যায়। আমি থেকে যেতেই চাইছিলাম। তবে অবস্থাটা নিরাশব্যঞ্জকই ছিল। বাকি ভাড়াটিয়ারা চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। প্রত্যেকেই আমায় জানায় যে ওই মালিকের সঙ্গে কথা বলাই শক্ত। কিন্তু আমি নিজেকে বললাম : ‘আমি মানুষের সঙ্গে ব্যবহারের কৌশল শিখেছি, ব্যাপারটা ওঁরই উপর কাজে লাগাতে চেষ্টা করব। দেখতে হবে ফল কি হয়।

    তিনি আর তার সেক্রেটারি আমার চিঠি পেয়েই দেখা করতে এলেন। আমি তাদের চার্লি শোয়াবের কায়দাতেই দরজার সামনে অভ্যর্থনা জানালাম। বলতে গেলে তাদের অভ্যর্থনার জোয়ারে ভাসিয়ে দিলাম। আমি একবারও বললাম না ভাড়া বড় বেশি। আমি শুরু করলাম তাঁর বাড়িটা কত আরামের এই কথা বলেই। বিশ্বাস করুন আমি সহৃদয়তার সঙ্গে আন্তরিক প্রশংসা করলাম, বাড়িটা তিনি যেভাবে রেখেছেন তার প্রশংসাও করলাম। আমি বললাম আরও একবছর আমার থাকার ইচ্ছে ছিল কিন্তু আমার সামর্থ্য নেই।

    ‘কোন ভাড়াটের কাছ থেকে এমন অভ্যর্থনা পাবেন তিনি মোটেও আশা করেন নি। একজন চৌদ্দটা চিঠি লিখেছিল। তার কয়েকটা আবার রীতিমত অপমানজনক। আর একজন লিখেছিলেন লীজ ছেড়ে দেবেন তিনি যদি না উপরের তলায় ভাড়াটিয়ার নাক ডাকা বন্ধ না করতে পারেন। আপনার মত ভদ্র ভাড়াটে পাওয়া অত্যন্ত আনন্দের’ ভদ্রলোক বললেন। এরপর আমি না চাইতেই তিনি আমার ভাড়া কিছুটা কমিয়ে দিলেন। আমি আরও চাইছিলাম, তাই একটা টাকার অঙ্ক বলতেই তিনি বিনা প্রতিবাদে তা মেনে নিলেন।

    তিনি বিদায় নেবার সময় হঠাৎ ফিরে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনার ঘর কি রকম সাজালে ভালো হয়?

    আমি যদি অন্য ভাড়াটেদের কৌশলে ভাড়া কমাবার চেষ্টা করতাম, তাহলে আমি নিশ্চিত যে অন্যরা যেমন ব্যর্থ হয়েছেন আমিও তাই হতাম। আমার নির্দিষ্ট ওই বন্ধুত্বপূর্ণ, সহানুভূতিসম্পন্ন, প্রশংসাময় কথার জন্যেই জয়ী হলাম।

    আর একটা উদাহরণ দিচ্ছি। এবার একজন মহিলার ব্যাপার। তিনি লঙ আইল্যাণ্ডের গার্ডেন সিটির নামী সামাজিক এক মহিলা, নাম মিসেস ডরোথী ডে।

    মিসেস ডে লিখেছিলেন, ‘আমি সম্প্রতি কিছু বন্ধুকে এক ভোজসভায় নিমন্ত্রণ করি। কাজটা আমার পক্ষে খুবই জরুরী ছিল। আমি সব কিছু ভালভাবে মিটুক তাই চাইছিলাম। তাই নামকরা হোটেলের প্রধান পাঁচক এমিলকেই আমায় সাহায্য করার জন্য লাগাতাম। কিন্তু এবার সে আমায় ডুবিয়ে দিল। এমিলকে কোথাও পেলাম না। ভোজটা মোটেই ভালো হলো না। সে শুধু একজন পরিবেশনকারীকে পাঠিয়েছিল কাজের জন্য। লোকটার প্রথম শ্রেণীর কাজে কোন অভিজ্ঞতাই ছিল না। সে আমার প্রধান মানী অতিথিকে সবার শেষে পরিবেশন করেছিল। একবার সে বেশ অখাদ্য খাবার মস্ত এক ডিসে পরিবেশন করলো তাঁকে। মাংসটাও বেশ শক্ত আর আলুগুলোও আঠালো। যাচ্ছেতাই ব্যাপার, আমি রেগে আগুন হয়ে গেলাম। প্রাণপণ চেষ্টায় কোন রকমে হাসিমুখে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেলাম। কিন্তু মনে মনে বলতে লাগলাম, এমিলকে একবার পাই। মনের সুখে তাকে গায়ের ঝাল ঝাড়বো’।

    ব্যাপারটা ঘটে বুধবার। পরের রাতেই মানবিক সম্পর্ক নিয়ে একটা বক্তৃতা শুনলাম। শুনতে শুনতে বুঝতে পারলাম এমিলকে গালাগাল দিয়ে কিছুই আসে যাবে না। এতে কেবল সে গম্ভীর হয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে থাকবে। এর ফলে ভবিষ্যতে তার কাছ থেকে আমি আর কোনরকম সাহায্য পাব না। আমি ব্যাপারটা তার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করতে চাইলাম। সে খাবার কেনেনি বা রান্নাও করেনি। তার কিছু পরিবেশনকারী বোকা হওয়ার জন্য সে দায়ী নয়। সম্ভবত আমি একটু তাড়াহুড়ো করেই সব ভেবে বসেছিলাম। তাই তার সমালোচনা করার বদলে আমি বন্ধুত্বের স্বরেই কথা বলতে শুরু করলাম। আমি ঠিক করলাম ওর প্রশংসা করেই শুরু করবো। এইরকম ভঙ্গীতে চমৎকার কাজ হল। পরের দিন এমিলের সঙ্গে দেখা হল আমার। এমিল মনে মনে বেশ রেগে লড়াই করার জন্যেই তৈরি ছিল। আমি বললাম, ‘দেখ, এমিল, তুমি হচ্ছে নিউ ইয়র্কের সবার সেরা পাঁচক। অবশ্য, আমি বুঝতে পারছি খাবার তুমি কেনোনি বা নিজে রান্নাও করোনি। বুধবার যা ঘটেছে তার জন্য তুমি কোনভাবেই দায়ী নও। আমি চাই তুমি ভবিষ্যতে আমায় সাহায্য করবে।‘

    সব মেঘ কেটে গেল। হাসলো এমিল, তারপর বললো সঠিক বলেছেন, মাদাম। গণ্ডগোলটা হয় রান্নাঘরে। এটা আমার দোষ নয়।

    অতএব আমি বললাম, আমি অন্য এক পার্টির ব্যবস্থা করেছি, এমিল আমার ইচ্ছা তুমিই আমায় সাহায্য করো। আমি তোমার পরামর্শ চাই। তোমার কি মনে হয় ওই রান্নাঘরে আবার রান্না করতে দেব?’

    ‘ওহ্ নিশ্চয়ই, মাদাম, অবশ্যই। এরকম ভুল আর হবে না।’

    পরের সপ্তাহে আমি আবার একটা মধ্যাহ্নভোজ দিই। এমিল আর আমি মেনু ঠিক করি। আমি আগের ভুলের একবারও উল্লেখ করিনি।

    আমরা যখন উপস্থিত হলাম, দেখলাম খাবার টেবিলে দু ডজন চমৎকার লাল আমেরিকান গোলাপ ফুল রাখা আছে। সারাক্ষণই হাজির রইল এমিল। কুইন মেরী অথবা কাল-মহারাণীকে অভ্যর্থনার ব্যবস্থা করলেও সে বোধহয় এর চেয়ে বেশি যত্ন করতে পারত না। খাবারগুলো যেমন সুস্বাদু আর তেমনই গরম ছিল। পরিবেশনও চমৎকার। একজনের বদলে চারজন পরিবেশন করছিল। শেষ কালে এমিল নিজে আইসক্রীম পরিবেশন করল।

    বিদায় নেবার সময় আমার নানা অতিথি বললেন, আপনি কি ওই পাঁচককে বশ করেছেন? এমন চমৎকার পরিবেশন আর যহ তিনি আগে কখনও দেখেন নি।

    .

    তিনি ঠিকই বলেছিলেন। আমি তাকে বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার আর আন্তরিক প্রশংসা দিয়েই বশ করি।

    অনেকদিন আগে আমি যখন খালি পায়ে গ্রামের স্কুলে যাওয়ার সময় মিসৌরীর উত্তর পশ্চিমের কোন জঙ্গল পার হতাম তখন সূর্য আর বাতাসের একটা নীতিগল্প পড়েছিলাম। তারা ঝগড়া করছিল দুজনের মধ্যে কার শক্তি বেশি তাই নিয়ে। বাতাস বলল, আমি প্রমাণ করতে পারি আমারই জোর বেশি। ওই কোট গায়ে বুড়ো লোকটিকে দেখছ। আমি বাজী রাখতে পারি তোমার চেয়ে তাড়াতাড়িই আমি ওর গায়ের কোট খোলাতে পারি।

    সূর্য তখন মেঘের আড়ালে সরে গেল আর বাতাস এমন প্রচণ্ড বেগে বইতে লাগল যেন প্রচণ্ড ঝড় উঠেছে। কিন্তু বাতাস যতই জোরে বইতে শুরু করল বুড়ো লোকটি তার কোট ততই চেপে রাখতে চাইল।

    শেষ পর্যন্ত বাতাস হতাশ হয়েই হাল ছেড়ে দিল। সূর্য তখন মেঘের আড়াল ছেড়ে বেরিয়ে এসে দয়ার্দ্র ভঙ্গিতে লোকিটর দিকে তাকিয়ে হাসলো। লোকটি তার কপাল মুছে নিয়ে গায়ের কোট খুলে ফেলল। সূর্য তখন বাতাসকে বলল তা আর দয়ার্দুভাবই ক্রোধ আর শক্তির চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী।

    এই নীতিগল্প পড়ার সময় আমি ছেলেমানুষ থাকলেও এর সত্যতা বহুদূরের বোস্টন শহরে প্রমাণিত হয়ে চলেছিল। সংস্কৃতি আর শিক্ষার প্রাচীন যে জায়গাটা আমি স্বপ্নেও কোনদিন দেখব বলে ভাবিনি। এটা বোস্টনে হাতে কলমে দেখাচ্ছিলেন ড. এ. এইচ. বি। তিনি ছিলেন নামকরা একজন চিকিৎসক, ত্রিশ বছর পরে তিনি আমার ছাত্র হয়েছিলেন। এখানে ড. বি-এর বলা কাহিনী শোনাচ্ছি।

    বোস্টনে সে সময় সংবাদপত্রে নানা ধরনের বাজে ডাক্তারী বিজ্ঞাপন প্রচুর পরিমাণে ছাপা হত। এইসব বিজ্ঞাপনে মানুষের নানা গোপন রোগ সারানোর কথা ফলাও করে লিখত আর তাদের আহ্বান জানাত। তারা পুরুষত্ব হারাবার ভয় দেখিয়ে আতঙ্কিত করত। তাদের চিকিৎসার পদ্ধতিই ছিল রোগীকে ভীত করে তোলা আর আসলে কোন রকম চিকিৎসাই না করা। এর ফলে বহু লোক মারাও যায়, কিন্তু এজন্য শাস্তি তেমন দেওয়া যায়নি। বেশির ভাগই সামান্য জরিমানা দিয়ে বা রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে ছাড়া পেয়ে যায়।

    অবস্থাটা এমনই গুরুতর পর্যায়ে নেমে আসে যে বোস্টনের সৎ লোকজন একসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। গির্জায় পাদ্রীরা বক্তৃতা দিতে আরম্ভ করলেন, খবরের কাগজের বিরুদ্ধেও বলে ঈশ্বরকে কাতর প্রার্থনা জানাতে লাগলেন। নাগরিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী, মহিলা সমিতি, গির্জা, তরুণদের ক্লাব–সবাই এর বিরুদ্ধে কোন আইন প্রণয়ন সম্ভব হলো না, রাজনৈতিক চাপের ফলে। ডঃ বি-তখন ছিলেন বোস্টনের সৎ নাগরিক সমিতির চেয়ারম্যান। তাঁর সমিতি সব রকম চেষ্টাই করেছিল। এটা ব্যর্থ হয়। ওইসব ডাক্তার অপরাধীদের বিরুদ্ধে সব লড়াই-ই হতাশ বলেই মনে হতে থাকে।

    তখন এক রাতে, প্রায় মাঝরাতের পর ডঃ বি–এমন কিছু করতে চাইলেন যা বোস্টনে আগে কেউ কখনও ভাবেনি। তিনি দয়ালুভাব, সহানুভূতি, আর প্রশংসা দিয়ে কাজ করতে চেষ্টা করলেন। তিনি চেষ্টা করলেন যাতে প্রকাশকরা ওই বিজ্ঞাপন প্রকাশ স্থগিত রাখতে চায়। তিনি ‘দি বোস্টন হেরাল্ডে’র সম্পাদককে লিখলেন, কাগজটা তিনি কত ভালবাসেন। তিনি বরাবর এটাই পড়ে এসেছেন, খবরের অংশগুলি পরিচ্ছন্ন, উত্তেজনার ব্যাপারে থাকে না, সম্পাদকীয় তো চমৎকার। কাগজটি পরিবারে পক্ষে আদর্শ। ডঃ বি-জানান যে তাঁর মতে কাগজটি নিউ ইংল্যাণ্ড আর এমন কি আমেরিকার মধ্যেও শ্রেষ্ঠ। তিনি লেখেন, ‘আমার এক বন্ধুর একটি অল্প বয়সের মেয়ে আছে। সে সেদিন একটা বিজ্ঞাপন জোরে জোরে পড়ে তার কিছু অর্থ জানতে চায়! সত্যিই আমার বন্ধুটি একটু বিহ্বল হয়ে পড়েন, কি বলবেন বুঝতে পারেন না। আপনাদের কাগজ বোস্টনের সেরা পরিবারেই যায়। আমার একজন বন্ধুর পরিবারেই যদি এইরকম ঘটে তাহলে আরও কত বাড়িতে যে ঘটছে কে জানে? আপনার যদি কোন অল্পবয়সী মেয়ে থাকে তাহলে কি চাইবেন সে ওই পড় ক? আর পড়ে সে ওই রকম প্রশ্ন করলে কি উত্তর দেবেন?

    আমি দুঃখিত যে আপনাদের এমন সুন্দর কাগজ-সবদিক দিয়েই যা আদর্শ–তাতে দেওয়া এমন বিজ্ঞাপন দেখে সবাই আতঙ্কিত। এটাও কি সম্ভব নয় আমার মত আরও পাঠক একই ভয় পাচ্ছেন?’

    দুদিন পরে বোস্টন হেরাল্ডের প্রকাশক ডঃ বি কে একটা চিঠি লিখেছিলেন। ডঃ বি–চিঠিখানা আমার ক্লাসে যোগদান করে আমাকে দেন। ডঃ বি-সেটা প্রায় ত্রিশ বছর রেখেছিলেন। সেটা এই কাহিনী লেখার সময় আমার সামনেই রয়েছে। এই চিঠির তারিখ হলো ১৩ই অক্টোবর ১৯০৪।

    এ. বি. এইচ–, এম. ডি.
    বোস্টন, মাস।
    প্রিয় মহাশয়,

    আপনার এ মাসের ১১ তারিখের চিঠির জন্যে আমি অত্যন্ত বাধিত। আপনি সম্পাদককে চিঠিটি লিখলেও আমিই জবাব দিচ্ছি। এই কাগজের তত্ত্বাবধানে থাকার পর থেকেই একটি সিদ্ধান্ত নেবার কথা আমাকে চিন্তা করতে হচ্ছিল।

    সোমবার থেকে দি বোস্টন হেরাল্ডে সবরকম আপত্তিকর বিজ্ঞাপন প্রকাশ না করার যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। কোন রকম বাজে ডাক্তারি বিজ্ঞাপন আর কোন ভাবেই প্রকাশ করা হবে না। যে সব বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে তা সংশোধন ও পরীক্ষা করেই ছাপা হবে।

    আবার আপনাকে আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ জানাই। এ চিঠি আমাদের নানাভাবে সাহায্য করেছে।

    আপনার বিশ্বস্ত,
    ড. এ. ন্যাসকেল
    প্রকাশক।

    .

    ঈশপ ছিলেন একজন গ্রীক ক্রীতদাস। তিনি ক্রোসাসের রাজসভায় থেকে খ্রীষ্টের জন্মের প্রায় ৬০০ বছর আগে অমর কিছু নীতি গল্প লিখেছিলেন। তা সত্ত্বেও যে সত্য তিনি মানব চরিত্র সম্পর্কে লিখে গেছেন তা আজ এথেন্সের ২৫ শতক পরেও বোস্টন বা বার্মিংহামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সূর্য ঢের বেশি তাড়াতাড়ি আপনার কোট খুলে নিতে পারে–তেমনই আবার দয়ার্দ্রতা, বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার বা প্রশংসা ও অন্যান্য যে কোন উপায়ের চেয়ে ঢের দ্রুত কাজ করে মানুষের মন পরিবর্তন করতে পারে।

    লিঙ্কন কি বলেছিলেন মনে রাখবেন : ‘এক ফোঁটা মধু এক গ্যালন তেতো জিনিসের চেয়ে বেশি মাছিকে আকর্ষণ করে।’

    যখন মানুষকে নিজের মতে আনতে চাইবেন তখন চার নম্বর নীতিটি ভুলবেন না :

    ‘বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার দিয়েই শুরু করবেন।‘

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি
    Next Article বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }