Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প774 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. সকালবেলা নেড়ুকে হাতের লেখা

    সকালবেলা নেড়ুকে হাতের লেখা মক্‌শ করতে হয়। পুবের উঠোনের রোদ যতক্ষণ না পেয়ারাতলার ঠিক নিচেটায় এসে পড়বে ততক্ষণ পর্যন্ত নেড়ুকে সেই দুরূহ কর্তব্যটি করেই চলতে হবে, এই নির্দেশ আছে তার উপর। ঋতুভেদে সীমানার কিছু ভেদ হয়, আপাতত ওই পেয়ারাতলা।

    অবশ্য তার প্রতি আরও নির্দেশ আছে।

    সেটা হচ্ছে তালপাতার গোছাগুলি ও দোয়াত-কলম নিয়ে বসার সময় এবং মকশ’র পর সেগুলি তুলে রাখার সময় ভক্তিভরে মা সরস্বতীকে প্রণাম করা। প্রণাম-মন্ত্রের সঙ্গে প্রার্থনা-মন্ত্রও যুক্ত করা আছে।

    দেবীর প্রসন্নতা লাভের উপায় স্বরূপ বিদ্যা অনুশীলনের চাইতে স্তবস্ততি প্রণাম প্রার্থনার উপরই নেড়ুর আস্থা বেশী। কাজেই শব্দবোধের পাতা যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি মুড়ে ফেলে, নিঃশব্দ স্তুতিতেই সময় বেশি যায় তার। চোখটা বুজে রেখেও তেরছা কটাক্ষের কৌশলে পেয়ারাতলার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে পরম ভক্তিভরে মন্ত্রোচ্চারণ করছিল সে পাততাড়িটি কপালে ঠেকিয়ে

    ত্বং ত্বং দেবী শুভ্রবর্ণে,
    রত্নশোভিত কুণ্ডলকর্ণে।
    কণ্ঠে লম্বিত গজমোতিহারে,
    দেবী সরস্বতী বর দাও আমারে।
    লাগ লাগ বাণী কণ্ঠে লাগ–
    যাবজ্জীবন তাবৎ থাক্।
    দুষ্ট সরস্বতী দূরে যাক।
    আমি থাকি গুরুর বশে,
    ত্রিভুবন পূরিত আমার যশে।

    দেবী-স্তবের কালে কিন্তু নেড়ু ভাবছিল দেবের কথা। সূর্যদেব।

    আশ্চর্য! নিষ্ঠুর সূর্যদেবতাকে এত আন্তরিকভাবে মাতুল সম্বোধন করেও ভাগ্নের প্রতি তার মমতার কোনও প্রকাশ দেখতে পায় না নেড়ু। পেয়ারাতলার নিচেটায় আসার যেন কোনও গরজই নেই তার। অথচ তিনি সামান্য একটু কৃপা-দৃষ্টিপাত করলেই, করা মাত্রই, নেড়ুর আজকের মত যন্ত্রণা শেষ হয়। বার বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একই স্তবস্তুতি কতক্ষণ ধরেই বা করা যায়?

    তবু কপাল থেকে কলম তালপাতা নড়ায় না নেড়ু, ঠেকিয়েই থাকে, এইমাত্র ঠেকানোর ভঙ্গীতে।

    খুব যে বিদ্যে হচ্ছে! আহা মরে যাই, ছেলের কী ভক্তি রে!

    সত্যবতীর শানানো গলা বেজে ওঠে।

    বুকটা কেঁপে ওঠে নেড়ুর।

    উঃ, যা মেয়ে ও! আর যা জেরা! তথাপি বাইরের প্রকাশে সত্যকে কোন স্বীকৃতি দেয় না নেড়ু,–একই ভাবে চোখ বুজে বিড়বিড় করতে থাকে।

    সত্যবতী হি-হি করে হেসে ওকে একটা ঠেলা দিয়ে বলে, এখন যে বড় চোখ বোজা হচ্ছে? এতক্ষণ কি করছিলি? হুঁ বাবা, খালি চোখ পিটপিট আর পেয়ারাতলার দিকে তাকাসনি!

    আঃ সত্য! নেড়ু এবার পাতা কলম কপাল থেকে নামিয়ে সযত্নে জলচৌকির উপর স্থাপিত করে বিরক্তি-ব্যঞ্জক গম্ভীর স্বরে বলে, নমস্কারের সময় গোলমাল করছিস কেন?

    নমস্কার তো তুই সকাল থেকেই করছিস! এক পোর বেলা হয়ে গেল সেই এস্তক নমস্কারই হচ্ছে! দেখি নি যেন!

    ইঃ, দেখেছিস তুই! নেড়ু উঠোনের দিকে তাকিয়ে দেখে। মনে হচ্ছে যেন মাতুল সূর্যদেব এতক্ষণে সদয় হয়েছেন, পেয়ারাতলার ঠিক নিচেটাতে কৃপাকটাক্ষ করছেন। অতএব বুকের বল বাড়ে তার। দৃপ্তকণ্ঠে বলে, কত মক্শ করলাম তখন থেকে!

    কই দেখি কত! বলেই সত্য একটা কাজ করে বসে। হাতটা একবার মাথায় মুছে নিয়ে চট করে মা সরস্বতীর উদ্দেশে একটা প্রণাম নিবেদন করে নেড়ুর এইমাত্র রক্ষিত তালপাতার গোছায় এক টান মারে।

    অ্যাই অ্যাই, ও কী হচ্ছে! শিহরিত নেড়ু ভয়ঙ্কর একটা ভয়ের সুরে বলে ওঠে, সত্য? তুই তালপাতায় হাত দিলি?

    দিলাম তা কি! নির্ভীক স্বর সত্যর, আমি তো মা সরস্বতীকে পেন্নাম করে হাত দিয়েছি।

    পেন্নাম করলেই সব হল? তুই না মেয়েমানুষ? মেয়েমানুষের তালপাতায় হাত ঠেকলে কি . জানিস না?

    সত্য ইতিমধ্যে নেড়ুর সারা সকালের শ্রমফল নিরীক্ষণ শুরু করে দিয়েছে। বলা বাহুল্য খানি মাত্র পাতা কালি-কলঙ্কিত, বাকী সবগুলিই নিষ্কলুষ নিষ্কলঙ্ক। কাজেই আর একবার হি হি-র পালা।

    খুব যে বলছিলি অনেক মকুশ করেছিস? কই কোথায়? দোয়াতে বুঝি কালির বদলি জল ভরেছিস? তাই চোখে ঠাহর হচ্ছে না?

    সত্যর বিদ্রপের ভঙ্গী বড় তীক্ষ্ণ, কারণ উক্ত মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে চোখের তারা পাতার যতটা সম্ভব কাছে নিয়ে এসেছে সে, মুখে কৌতুকের আলোর ঝলমলানি।

    এটা সহ্য করা শক্ত।

    নেড়ু এক হ্যাঁচকায় নিজ সম্পত্তি কেড়ে নিয়ে ক্রুদ্ধকণ্ঠে বলে, বেশ থাক্। আমার বিদ্যে না হোক তোর কি? নিজের কি হয় দেখ। বলে দিচ্ছি গিয়ে সবাইকে, তালপাতে হাত দিয়েছিস তুই।

    আর কেউ হলে সবাইকে বলে দেওয়ার ভীত-প্রদর্শনেই কাবু হয়ে পড়ে এবং আপসের সুরে আচ্ছা বেশ ভাই দেখলাম! ইত্যাদি অভিমানসূচক বাণী উচ্চারণ করে শত্রুপক্ষের মন নরম করে থাকে। কিন্তু সত্যর মনোভাব আপসহীন। তাই ভিতরে যাই হোক, বাইরে বিন্দুমাত্র বিচলিত ভাব দেখায় না সে, সমান জোরের সঙ্গেই বলে, বলে দিবি তো দিবি, সবাই আমার কি করবে শুনি? শূলে দেব?

    দেয় কিনা দেখিস! চালাকি নয়!

    কেন, মেয়েমানুষ তালপাতে হাত দিলে কি হয়? কলকেতায় তো কত মেয়েমানুষ লেখাপড়া করে।

    তোকে বলেছে করে! পড়লে চোখ কানা হয়ে যায় তা জানিস?

    কক্ষনো না, মিছে কথা! বড্ডই তুই জানিস! যারা পড়ছে তারা সব অমনি কানা হয়ে যাচ্ছে।

    কলকেতা নামক অ-দৃষ্ট সেই দেশটায়, কদাচ কখনও যেখানের নাম কানে আসে, সেখানে সত্যিই কোনও মেয়েমানুষ লেখাপড়া করে কিনা এবং করলে তাদের চক্ষুযুগলকে দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন রাখতে পারে কিনা, এ সম্পর্কে নেড়ুর স্পষ্ট কিছু জানা নেই, তবু নিজের অভিমতকে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রাণপণ চেষ্টা করে সে, এখন না যাক–আসছে জন্মে যাবে। অমনি না!

    আসছে জন্মে। হি-হি-হি! তাদের আসছে জন্মটা তুই দেখে এসেছিস বুঝি? আমি এই তোকে বলে দিচ্ছি নেড়ু, ওসব কিছু হয় না। বিদ্যে তো ভাল কাজ, করলে কখনও পাপ হতে পারে?

    লেখাপড়ার ব্যাপারে বুদ্ধি না খুললেও কূটতর্কের ব্যাপারে নেড়ু ওস্তাদ, তাই সে অকাট্য একটি যুক্তি প্রয়োগ করে, নারায়ন-পুজোও তো ভাল কাজ, করে মেয়েমানুষেরা? ছুঁতে তো পায় না। ভগবান বলে দিয়েছে ভালো কাজগুলো বেটাছেলেরা করবে, খারাপ কাজগুলো মেয়েমানুষরা করবে, বুঝলি?

    হ্যাঁ, বলেছে ভগবান তোর কান ধরে! ঝঙ্কার দিয়ে ওঠে সত্য, ভগবান কখনো অমন একচোখা নয়। ওসব বেটাছেলেরাই ছিষ্টি করেছে।

    বচসার শব্দ খুব মৃদু হচ্ছিল না, শব্দে আকৃষ্ট হয়ে পুণ্যি এসে দাঁড়ায় এবং সকৌতূহলে প্রশ্ন করে, কি ছিষ্টি করেছে রে বেটাছেলেরা?

    সত্য মুহূর্তে অনুত্তেজিত ভাব পরিগ্রহ করে বলে, কিছু না, শাস্তরের কথা হচ্ছে।

    শাস্তর!

    পুণ্যি হালে পানি পায় না।

    সহসা এখানে শাস্ত্রালোচনা শুরু হল কী বাবদ, সেটা অনুধাবন করতে চেষ্টা করে। ইত্যবসরে নেড়ু সেই বলে দেওয়ার সুরে বলে ওঠে, সত্যর সাহসখানা শুনবি পুণ্যিপিসী? তালপাতে হাত দিয়েছে, আবার বলছে দিয়েছি তো হয়েছে কি!

    তালপাতে হাত!

    এটা আবার আর এক আকস্মিকতা। তালপাতাটা কি জাতীয় সহসা সেটা হৃদয়ঙ্গম করতে পারে পুণ্যবতী।

    তালপাতা কি রে? প্রশ্ন করে সত্যর মুখের দিকে তাকিয়ে।

    তাকে হাঁ করে দিয়ে সত্য হেসে উঠে দেওয়ালে পোঁতা পেরেক গোঁজা একখানা তালপাতার হাতপাখা পেড়ে নিয়ে বলে ওঠে, এই যে এই! দেখ, এখন হাতে পোকা পড়ল কিনা আমার!

    সত্য! নেড়ু চোখ পাকিয়ে বলে, মা সরস্বতীকে নিয়ে তামাশা করছিস তুই?

    প্রত্যেক সময় প্রত্যেক ব্যাপারেই সত্য জিতে যায়, নেড়ু হারে। নেড়ুর মজ্জায় অবস্থিত পৌরুষবোধ এতে যথেষ্টই আহত হয়, আজ সহসা সত্যকে শাসন করবার একটা ছুতো পেয়ে নেড়ুর আর উল্লাসের সীমা নেই। তাই সহসা করতলগত সেই শক্তিটাকে অবহেলায় বাজে খরচ করে ফেলতে পারছে না, রীতিমত করে ভাঙিয়ে খেতে চাইছে চেখে চেখে।

    এবার আর হাসে না সত্য, বিরক্তি প্রকাশ করে, সেই ওর অভ্যস্ত ভঙ্গীতে জোড়াভুরু কুঁচকে, হাঁদার মতন কথা কস নে নেড়ু। তামাশা আমি মা সরস্বতীকে করছি না, করছি তোকে। তালপাতে একটু হাত দিয়েছি তো কী কাণ্ডই করছি। যেন সগৃগো মত্য রসাতলে গেছে! শুধু হাত দেওয়া কেন, আমি তো লিখতেও পারি।

    লিখতেও পারিস!

    যুগপৎ নারী-পুরুষ দুই কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এই সর্পাহত-কণ্ঠবৎ শব্দ। আড়ষ্ট হয়ে গেছে পুণ্যি আর নেড়ু।

    কিন্তু নিষ্ঠুর সত্য ওদের এই আঘাতপ্রাপ্ত চিত্তেই আরও আঘাত হেনে বসে, পারিই তো, এই দেখ।

    ঝপ করে আলোচ্য তালপত্রখণ্ডের একখানা টেনে নিয়ে দোয়াতে কলম ডুবিয়ে পরিপাটি করে লিখে ফেলে সত্য, কর খল ঘট। লিখে অদৃশ্যের উদ্দেশ্যে আর একটা প্রণাম ঠুকে বলে, আরও কত লিখতে পারি?

    বিস্ময়ের ঘোর কাটতে কিছুক্ষণ লাগে। পুণ্যির চাইতে নেড়ুই বেশী বিস্ময়াহত। যে দুরূহ কর্মের চেষ্টায় তার ঘাম ছুটে যায়, এত অনায়াসলীলায় সেটা করে ফেলে সত্য!

    তাছাড়া কেমন করে?

    মা সরস্বতী কি সহসা ওর উপর ভর করেছেন? যেমন নাকি শুনতে পাওয়া যায় কবি কালিদাসের উপর করেছিলেন?

    লেখা শব্দ কটির উপর চোখ রেখে ঝিম হয়ে তাকিয়ে থাকে নেড়ু। আর পুণ্যি স্পর্শ বাচিয়ে তালপাতাখানার উপর ঝুঁকে পড়ে বিস্ফারিত নেত্রে বলে, কোথ থেকে শিখলি রে সত্য? কে শেখালে?

    শেখাতে আবার কার দায় পড়েছে, আমি নিজে নিজেই শিখেছি! দেখে দেখে!

    নিজে নিজেই শিখেছিস? দেখে দেখে?

    না তো কি?

    দো’ত কলম পেলি কোথা?

    দো’ত কলম কে দিচ্ছে! সত্য ঝোঁকের মাথায় তার গোপন কথাটি প্রকাশ করে বসে, বটপাতার ঠুলি গড়ে, তার মধ্যে পুঁইমেটুলির রস গুলে কালির মতন করি।

    তাজ্জব বনে যাওয়া দুটি প্রাণী ক্ষীণকণ্ঠে বলে, আর পাত কলম?

    তোরা আর হাঁ-করা কথা কস নে বাপু। পৃথিবীর তালগাছ কি কেউ সিঁদুকে বন্ধ করে খেছে, না আকিঞ্চন করে খুঁজলে একটা শরকাঠি মেলে না?

    গিন্নীর মতন মুখ করে ঝঙ্কার দিয়ে ওঠে সত্য।

    এতক্ষণে বুঝি হদিস পায় পুণ্যি। তা সেও গিন্নীদের মত গালে হাত দিয়ে বলে, তাহলে তুই শুকিয়ে মশ করিস? উঃ ধন্যি বাবা! কাউকে টেরই পেতে দিস না? কখন হাত পাকাস?

    সত্য রহস্যের হাসিতে মুখ রঞ্জিত করে বলে, যখন তোরা থাকিস না।

    কিন্তু সত্য! পুণ্যি চিন্তিত স্বরে বলে, খেয়াল করে তো করছিস, দেখে আহ্লাদও হচ্ছে, কিন্তু হাজার হোক মেয়েমানুষ, এতে তোর পাপ হবে না?

    কেন, পাপ হবে কেন? সত্য সহসা উদ্দীপ্ত তেজের সঙ্গে বলে ওঠে, মেয়েমানুষরা যে রাতদিন ঝগড়া কেদল করছে, যাকে তাকে গালমন্দ শাপমন্যি করছে, তাতে পাপ হয় না, আর বিদ্যে শিখলে পাপ হবে? বলি স্বয়ং মা সরস্বতী নিজে মেয়েমানুষ নয়? সকল শাস্তরের সার শাস্তর চার বেদ মা সরস্বতীর হাতে থাকে না?

    নেড়ুর আর বাক্যস্ফুর্তি নেই।

    এত বড় অকাট্য যুক্তির সামনে পড়ে গিয়ে যেন বিরাট একটা দৃষ্টির দরজা খুলে যায় তার চোখের সামনে।

    সত্যিই তো বটে, মা সরস্বতীটি স্বয়ং নিজেই তো মেয়েমানুষ।

    এতবড় স্পষ্ট সত্য কি করে এত দিন তার দৃষ্টির বাইরে ছিল? আর এই সত্যবতীটাই বা কেমন করে উদঘাটন করে ফেলেছে সেই সবাইয়ের ভুলে থাকা, অথচ পরম স্পষ্ট কথাটাকে।

    নে পুণ্যি, ঘাটে যাই চ।

    আলোচনায় ইতি টেনে দিয়ে উঠে পড়ে সত্যবতী, আর দেরি করলে গিন্নীরা ভাত গেলবার জন্যে হাক পাড়বে, ভাল করে চানই হবে না।

    কথাটা মিথ্যা নয়, জলে পড়লে সহজে আশ মিটতে চায় না এদের। সাঁতার দিতে দিতে হাঁপিয়ে না পড়া পর্যন্ত ভাল করে চান হয় না।

    চ, বলে উঠে পড়ে পুণ্যি, কিন্তু নেড়ুর সঙ্গে চোখে চোখে একটা ইশারা হয়ে যায় তার।

    কিন্তু না, অসদভিপ্রায় ছিল না তাদের, বলে দেওয়ার মনোভাবও ছিল না আর। সত্যর কিন্তু প্রকাশ করে সকলকে চমৎকৃত করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল।

    সত্য যে তাদেরই একজন।

    সত্যর মহিমায় তো তাদেরই মহিমা!

    .

    কিন্তু সদভিপায়ের ফল কি সব সময় সুস্বাদু হয়?

    হয় না।

    হয় না, সেটাই আর একবার প্রমাণিত হয়ে গেল নেড়ুর সত্যোদঘাটনে।

    হুলুস্থুল পড়ে গেল অন্দর-বাড়িতে।

    প্রচ্ছন্নে বইতে লাগল রামকালীর মেয়েকে আশকারা দেওয়ার সমালোচনা আর প্রত্যক্ষে ছিছিক্কার পড়তে লাগল সত্যর বুকের পাটার!

    ও কি ভেবেছে শ্বশুরঘর করতে হবে না ওকে?

    করতে হবেও না, শিবজায়া তীক্ষ্ণকণ্ঠে বলেন, শ্বশুররা টের পেলে উদ্দিশে হাতজোড় করে ত্যাগ করবে ও বৌকে।

    মোক্ষদা বলেন, হারামজাদী যখনই জটার নামে ছড়া বেঁধেছিল, তখনই সন্দ হয়েছিল আমার। এখন বুঝছি।

    রাসুর মা কোনদিনই কোন কথায় বড় থাকে না, কাজের পাহাড় নিয়েই কাটায় সারা দিন, কিন্তু আজকের অপরাধের আবিষ্কর্তা নাকি স্বয়ং তারই পুত্ররত্ন, তাই বোধ করি কিছুটা দাবি অনুভব করে কথা বলার।

    আস্তে আস্তে বলে, একে তো ঘরের একটা বৌ, যা নয় তাই কেলেঙ্কারি করে গালে-মুখে চুনকালি দিয়ে জন্মের শোধ লোকের কাছে হেয় করে রেখে গেল, আবার ঘরের মেয়েরাও যদি যা ইচ্ছে তাই করতে থাকে-

    কথা শেষ করে না রাসুর মা, শুধু দুটো পাতকই যে একই গর্হিতের পর্যায়ে পড়ে সেইটুকুরই ইশারা দেয়।

    কাঠ হয়ে তাকিয়ে থাকে ভবনেশ্বরী।

    শুধু কাশীশ্বরীই নীরব। তাঁর আর মুখ নেই।

    সমালোচনার উদ্দমতা কিছুটা স্তিমিত হলে দীনতারিণী প্রায় মিনতির ভঙ্গীতে বলেন, যাক গে বাবা, এই নিয়ে আর বেশী কথাকথিতে কাজ নেই সেজঠাকুরঝি। প্রবাদে বলে, কথা কানে হাঁটে। কোন্ সূত্রে কার দ্বারা চালিত হয়ে কুটুমবাড়ির কানে উঠবে, হয়ত সেই নিয়ে কি বিপত্তি বাধবে কে বলতে পারে! একে তো

    দীনতারিণীও কথায় একটা অকল্পিত সম্ভাবনা উহ্য রেখে টেনে ছেড়ে দেন। কাশীশ্বরীর সামনে আর শঙ্করীর কথা স্পষ্ট করে তোলেন না।

    তবু মোক্ষদা উচ্চ চীৎকারে ভবিষ্যদ্বাণী করতে ছাড়েন না, সে তুমি যতই সাবধান হও বড়বৌ, আমি এই আগবাড়িয়ে বলে দিচ্ছি, ও মেয়ের কপালে অশেষ দুঃখ আছে। আজ নয় তুমি আমি চেপে গেলাম, কিন্তু ওকে নিয়ে যারা ঘর করবে, তাদের কি আর গুণ বুঝতে বাকী থাকবে? হবে না তো কি, বাপে শাসন না করলে কি আর বেয়াড়া মেয়ে-ছেলে শায়েস্তা হয়?

    দীনতারিণী অকূলের কূল হিসেবে মিয়মাণভাবে বলেন, তা তুমি না হয় রামকালীকে বুঝিয়ে বলো?

    রক্ষে করো বড়বৌ। আমি আর হেয় হতে চাই না। আমি লাগাতে যাব, আর তিনি মেয়েকে শাসন তো দূরের কথা, উলটে আরও আশকারা দেবেন।

    অগত্যাই দিশেহারা দীনতারিণী ভুবনেশ্বরীর প্রতিই দৃষ্টিক্ষেপণ করেন, তা তুমিও তো সময়ান্তরে যখন তার মনমেজাজ ঠাণ্ডা দেখবে, একটু বুঝিয়ে বলতে পার মেজবৌমা? সত্যি যে মেয়ে তোমার স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছে। পরের ঘরে পাঠাতে তো হবে?

    ভুবনেশ্বরী অবশ্য এ কথার কোন উত্তর দেয় না। দেওয়া সম্ভব নয় তার পক্ষে। যদিও তার মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে, তবু গুরুজনের সমক্ষে স্বামী সম্পর্কে উল্লেখই যে যারপরনাই লজ্জাজনক। ভুবনেশ্বরী যে রামকালীর সঙ্গে কথা কয়, এত বড় লজ্জার কথাটা শাশুড়ী এই লোকসমাজে প্রকাশই বা করে বসলেন কেন? ছি ছি!

    লজ্জা প্রতিকারের আর কিছু না দেখে মাথার ঘোমটাটাই আর খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মাথা হেঁট করে ভুবনেশ্বরী।

    তা মাথাটা আর ভুবনেশ্বরী উঁচু করতে পায় কখন?

    স্বামীকেও যে তার বড় ভয়।

    তবু বড়ই চিন্তাগ্রস্ত হচ্ছে সে মেয়ের ভবিষ্যৎ ভেবে। অহরহ সকলেই যে বলছে–ও মেয়ে শ্বশুরঘর করতে পারবে না।

    .

    আসামী এক, বিচারকও এক, শুধু কাঠগড়া আর অভিযোক্তা আলাদা।

    তবে আসামীকে প্রথমেই হাজির করে না ভুবনেশ্বরী, তাকে শাসিয়ে রেখে এসে, অনেক কৌশলে ভয়ানক একটা দুঃসাহসিক চেষ্টায় দিনের বেলা একবার স্বামীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ করে ফেলে সে। রামকালী যখন মধ্যাহ্ন-বিশ্রাম করছেন, সে সময় কাছে এসে ঘোমটা দিয়ে দাঁড়ায়।

    রামকালী ঈষৎ আশ্চর্য হয়ে বলেন, কিছু বলবে?

    স্বামীর স্নেহকোমল সুরে সহসা চোখে জল এসে যায় ভুবনেশ্বরীর, উত্তর দিতে পারে না, শুধু ঘোমটাটা একটু কমায়।

    কি হল? রামকালী মৃদু কৌতুকে বলেন, বাপের বাড়ি যেতে ইচ্ছে হচ্ছে?

    না। ভুবনেশ্বরী মাথা নেড়ে বাষ্পরুদ্ধ স্বরে বলে, বলছি সত্যর কথা।

    সত্যর কথা! কেন? আর একটু হাসেন রামকালী, আবার কি মহা অপরাধ করে বসল সে?

    করছে তো সব সময়। অভিমানের আবেগে কথায় জোর আসে ভুবনেশ্বরীর, তুমি তো সবই হেসে ওড়াও। কথা শুনতে হয় আমাকেই।

    বাজে কথা গায়ে মাখতে নেই মেজবৌ।

    বাজে? মেয়ে কি করেছে শুনলে আর

    কি করেছে?

    লিখেছে।

    লিখেছে! লিখেছে কি?

    তা জানি না। নেড়ুর তালপাতে কি সব বইয়ের কথা লিখেছে। আবার নাকি আস্পদ্দা করে বলেছে, আরও অনেক লিখতে পারে। বুকের পাটা কত, বাগান থেকে তালপাতা কুড়িয়ে শরকাঠি যোগাড় করে পুইমেটুলির রস দিয়ে লেখা শিখেছে!

    এর পর রামকালী চমকৃত না হয়ে পারেন না। বলেন, তাই নাকি? গুরুমশাইটি কে? নেড়ুই নাকি?

    নেড়ু? নেড়ু বলেছে সাতজন্ম চেষ্টা করলেও নাকি অমন হরফ সে লিখতে পারবে না!

    বটে! কই তাকে একবার ডাক তো দেখি? আসামী পাশের ঘরেই অবস্থান করছে, ভুবনেশ্বরী তাকে চোখ রাঙিয়ে বসিয়ে রেখে এসেছে।

    স্বামীকে যে খুব বেশী দুশ্চিন্তিত করতে পেরেছে ভুবনেশ্বরীর এমন ভরসা হয় না, শাস্তির মাত্রা কি আর তেমন গুরু হবে? অথচ লঘু শাস্তিতে কাজ হবে বলে মনে হয় না, কারণ সত্যর ভাব যথারীতি অনমনীয়। তাই স্বামীকে একটু তাতিয়ে তোলবার আশায় বলে, ডাকছি, বেশ ভাল করে শাসন করে দিও। শুধু যে আস্পদ্দার কাজ করেছ তাও তো নয়, আলাত পালাত কত সব তক্ক রেছে। কলকাতায় নাকি অনেক মেয়েমানুষ আজকাল লেখাপড়া শিখছে, তাদের তো কই চোখ না হচ্ছে না, বিদ্যের দেবী মা সরস্বতীই তো নিজে মেয়েমানুষ, এই সব বাচালতা। তুমি একটু উচিত শিক্ষা দিয়ে বকবে মেয়েকে, বুঝলে?

    শেষাংশে মিনতি ঝরে পড়ে ভুবনেশ্বরীর কণ্ঠে।

    সরে গিয়ে পাশের ঘর থেকে ইশারায় ডাকে মেয়েকে। স্বামীর সামনে তো আর গলা খুলতে পারে না।

    .

    সত্য এসে হেঁটমুণ্ডে দাঁড়ায়।

    কাঠগড়ায় এসে দাঁড়াবার সময় এটাই পদ্ধতি সত্যর। উত্তরদানকালে মুখ তোলে।

    রামকালী প্রথমটায় একটুও অন্তত ধমকে দেবেন এ আশা ছিল ভুবনেশ্বরীর, কিন্তু তিনি তাকে হতাশ করলেন। ভাবলেশশূন্য কণ্ঠে সহজভাবে বললেন, তুমি নাকি লিখতে শিখেছ?

    মুখটা অবশ্য একটু পাংশু হল সত্যবতীর।

    কই, কি লিখেছ দেখি?

    অস্ফুটে যা উত্তর দেয় সত্য তার অর্থ এই–অপরাধের পর আর সেই অপরাধের চিহ্ন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। নেড়ু জানে।

    আচ্ছা ঠিক আছে। আবার লিখতে পার?

    সত্যবতী মুখ তুলে তাকায়।

    কই বাপের চোখে তো রুদ্ররোষের চিহ্ন নেই। তবে বোধ হয় তেমন রাগ করেন নি। তাই জবাবে সম্মতিসূচক ঘাড় নাড়ে সত্য।

    আচ্ছা কই, লেখো দিকি।

    হাত বাড়িয়ে চৌকির পাশে অবস্থিত জলচৌকিতে রক্ষিত দোয়াত কলম ও খসখসে একখানা বালির কাগজ টেনে নেন রামকালী, বলেন, লেখো–যা শিখেছ লেখো।

    এ কী! এ যে হিতে বিপরীত!

    ধমক চুলোয় যাক, মেয়ের হাতে আবার কাগজ কলম তুলে দিচ্ছেন রামকালী! নাটকের শেষ দৃশ্যের জন্যে?

    অবশ্য এমনও হতে পারে, যাচাই করে দেখছেন নেড়ুর কথার সত্যতা।

    সত্যি, আগাগোড়া ব্যাপারে নেড়ুর চালাকি হতে পারে।

    কিন্তু তাই কি? হতচ্ছাড়া মেয়ে তো অস্বীকারও করছে না।

    ততক্ষণে সত্য ঘাড় গুঁজে দু-তিনটি শব্দ লিখে ফেলেছে। অবশ্য তালপাতার নিয়মে অধিক জোর প্রয়োগে কাগজগাত্রে সামান্য সামান্য ক্ষতের সৃষ্ট হল, কিন্তু লেখা হল।

    রামকালী সেটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারকয়েক দেখে কোনও মন্তব্য না করে শান্তভাবে বলেন, কলকাতায় অনেক মেয়ে লেখাপড়া করছে, এ কথা তোমায় কে বললে?

    ছোটমামী।

    তাই নাকি? তিনি কোথা থেকে–ও তিনি যে কলকাতারই মেয়ে! তাই না?

    এ উদ্দেশটা ভুবনেশ্বরীকে। কিন্তু ভুবনেশ্বরী তো আর কত বড় মেয়ের সামনে গলা খুলে কথা বলতে পারে না, ঘাড় কাত করে সায় দেয়।

    তা তিনি জানেন লেখাপড়া? তোমার মামী?

    একটু একটু জানেন। বেশি করে কবে আর শিখতে পেল বেচারা? শুধু বলছিল, একজন মেম নাকি দেশী ইস্কুল খুলেছে, আর একজন সায়েব বিলিতী ইস্কুল খুলে দিয়েছে, কলকাতার মেয়েরা আর মুখ্যু থাকবে না।

    মেয়েদের লেখাপড়া শিখে লাভ কি? তারা কি নায়েব গোমস্তা হবে? সকৌতুক হাস্যে মেয়েকে প্রশ্ন করেন রামকালী।

    এবার সত্যবতীর তেজের পালা। সব সইতে পারে সে, সইতে পারে না ব্যঙ্গ।

    নায়েব গোমস্তা হতে যাবে কেন? লেখাপড়া শিখে নিজে নিজে রামায়ণ মহাভারত পুরাণ বই টই পড়তে পারে তো? কবে কথকঠাকুর কোথায় পড়বেন বলে অপিক্ষে করে থাকতে হয় না।

    মেয়ের এই ক্রুদ্ধমূর্তি আর সগর্ব উক্তি কি রামকালীর খুশির খোরাক হয়? তাই আরও একটু উত্তপ্ত করতে চান তাকে?

    তা মেয়েমানুষের এত বেদপুরাণ জানবার দরকারই বা কি?

    এবার সত্যবতী স্থান পাত্র বিস্মৃত হয়ে নিজ মূর্তি ধরে, এত যদি না দরকারের কথা তো মেয়েমানুষের জন্মাবারই বা দরকার কি, তাই বল তো বাবা শুনি একবার?

    মেয়ের এই দুঃসাহসে ভুবনেশ্বরীর বুক থরথর করে, অত বড় মানুষটার মুখে মুখে এতখানি চোপা!

    হবে না, হবে না–এ মেয়ের ককখনো শ্বশুরবাড়ি ঘর করা হবে না।

    কিন্তু ভুবনেশ্বরীকে চমকে দিয়ে সহসা হেসে ওঠেন রামকালী, বেশ সশব্দেই।

    তার পর মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলেন, তুমি লেখাপড়া শিখতে চাও?

    চাই তো, পাচ্ছি কোথায়?

    ধরো যদি পাও?

    তা হলে রাতদিন লেখাপড়া করব।

    অতটা করতে হবে না। নিয়ম করে কিছুক্ষণ পড়লেই হবে। কাল থেকে দুপুরবেলা এই সময় আমার কাছে পড়বে।

    পড়বে!

    ভুবনেশ্বরী আর কথা না বলে পারে না।

    হ্যাঁ, পড়বে লিখবে! পুঁইমেটুলির কালি দিয়ে নয়, সত্যিকার দোয়াত কলমই দেব ওকে।

    বাবা!

    সত্যর মুখ দিয়ে মাত্র এই দুটি অক্ষর সম্বলিত শব্দটা বেরোয়। আর ভুবনেশ্বরীর দু চোখে শ্রাবণ নামে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article দশটি উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }