Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প774 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৬. নবকুমার চলে গিয়ে পর্যন্ত

    নবকুমার চলে গিয়ে পর্যন্ত এই কটা দিন আরো টো-টো করে বেড়াচ্ছিল সত্য, বাঁধা গরু ছাড়া পাওয়ার ধরনে, নবকুমারের উপস্থিতিতে সামান্য যেটুকু সাবধান হতে হচ্ছিল তাও ঘুচেছিল, হঠাৎ শ্যেনদৃষ্টি মোক্ষদার মোক্ষম আবিষ্কারের ফলে স্বাধীনতা সাংঘাতিক রকম খর্ব হয়ে গেল তার।

    বিদ্রোহ করা চলছে না, উঠতে বসতে উপদেশের ঠেলা। দরজায় বসিস নি, দুজনের মাঝখান দিয়ে যাস নি, সাঁঝ-সন্ধ্যে হয়ে গেলে উঠোনে নামিস নি, শনি-মঙ্গলবারে পথে বেরোস নি পুকুরে একা যাস নি, নিষেধের বৃন্দাবন একেবারে। তাছাড়া আছে “বিধি”।

    পায়ের আঙুলে রুপোর আঙটি পরে থাকো, চলের আগায় আর শাড়ীর আচলে সর্বদা গিঠ বেঁধে রাখো, শত্রুপক্ষ জাতীয় কোনো মহিলাকে দেখলেই সরে বসো এবং নজর-খরা কোন মহিলার নজরে পড়ে গেছ সন্দেহ হলেই দেহের কোনোখানে লোহা পুড়িয়ে ছ্যাকা দাও, রাত্রে খোপা খড়কে রাখো, এইসব অনুশাসনের শাসনে চলতে হচ্ছে সত্যকে।

    সত্যকে যেন বেঁধে মারছে এরা।

    তবু সত্য যখন-তখনই ভয়ানক অঘটন ঘটিয়ে বসছে।

    যেমন অন্যমনস্কতায় পান-ধোওয়া জল মাড়িয়ে গেল, মাছ-ধোওয়া জল ডিঙিয়ে গেল, হেঁচতলায় নিজের শাড়িখানা মেলে দিয়ে বসল, এই সব সর্বনেশে কাণ্ড!

    ভুবনেশ্বরী কেবল বলে, অ সত্য, কখন কি করে বসবি, আয় না আমার কাছে, একটু বোস না!

    এক-আধবার বসে সত্য।

    হয়তো ভিতরের কোন ক্লান্তিতেই। কিন্তু বেশীক্ষণ মায়ের কাছে কাছে থাকতে তার লজ্জা করে। তাছাড়া চিরচঞ্চল চিত্ত তার দীর্ঘকাল শ্বশুরঘর করেছে অচঞ্চল ভুমিকা নিয়ে, আর সে সহজ ক্লান্তির কাছে হার মানতে রাজী হয় না, হয় না মমতার কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে।

    অতএব একদিন রামকালীর কাছে নালিশ পৌঁছায়। বলা হল, তুমি শাসন করো।

    কিন্তু রামকালী কি করলেন শাসন?

    নাকি চিকিৎসক-জনোচিত নিষেধের বাণী বর্ষণ করলেন?

    না, সে সব কিছুই করলেন না রামকালী। কেন কে জানে ভিতরে ভিতরে একটা পীড়া বোধ করছেন তিনি। কেমন যেন একটা বিমুখতা। যেন শেষ সম্বলটুকুও হারিয়েছেন, তাই মনের মধ্যে নির্লিপ্ত শূন্যতা।

    রামকালী শুধু একদিন মেয়েকে ডেকে বললেন, গুরুজনরা যা বলছেন, মন দিয়ে শুনবে। ওঁরা বোঝেন, ওঁদের কথা মেনে না চললে ক্ষতি হতে পারে।

    অভিমানে সত্য তিন দিন শুয়ে রইল।

    ভুবনেশ্বরী অনুযোগ করলে বলল, এই তো চাও তোমরা। বেশ তো, যা চাও তাই হচ্ছে।

    সত্যিই হঠাৎ চুপচাপ হয়ে গেল সত্য।

    .

    কিন্তু ক্ষতিকে কি রোধ করা গেল?

    না, রামকালী এখন গ্রহের কোপে পড়েছেন।

    রামকালী মহাগুরু নিপাতের বিপাক মুক্ত হতে পারছেন না।

    তাই রামকালীর প্রথম দৌহিত্র সন্তান পৃথিবীর আলোয় উদ্ভাসিত না হতেই অন্ধকারের রাজ্যে হারিয়ে গেল।

    তা ছাড়া আর কি কারণ?

    সত্য তো সব কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলছিল ইদানীং।

    মোক্ষদা অবশ্য বললেন, এ সেই গোড়ার কালে ধিঙ্গীপনা করার ফল। কিন্তু চিকিৎসক রামকালী তা বলেন না। রামকালীর হঠাৎ মনে হয়, এ বোধ করি তার নিজেরই অবহেলার ফল। পিতা হিসাবে না হোক, চিকিৎসক হিসেবে তার আর একটু কর্তব্য ছিল।

    তবু এটাও তো সত্যি, এ পরিবারভুক্ত আত্মীয় আশ্রিত মিলিয়ে যে গোষ্ঠীটি সে গোষ্ঠীতে বছরে গড়ে অন্তত পাঁচ-সাতটা শিশুর জন্ম হচ্ছে নিতান্ত সহজে, প্রায় কর্তা-পুরুষের অজ্ঞাতসারেই।

    না, অত্যুক্তি নয়। ওই ছেলেমেয়েগুলো একটু বড় হয়ে যখন অন্যের ট্যাঁকে চড়ে বহির্জগতে বেরোয়, তখন ওঁরা কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করেন, কার এটা?

    অতএব অপরাধটা কোথায় রামকালীর?

    এই কটা দিন আগে তেল-সন্দেশ সহকারে খবর পাঠানো হয়েছিল সত্যর শ্বশুরবাড়িতে এবং এলোকেশী হেন মানুষও খবরদাত্রীকে একখানি নতুন কাপড়দানে পুরস্কৃত করেছিলেন, বৌকে বাপের ঘরে রাখার অনুমতিও দিয়েছিলেন দীর্ঘকালের জন্যে। আবার এখন এই বার্তা পাঠাতে হবে।

    ঘটা করে সাধ দিচ্ছিলেন বৌয়ের বড়লোক বাপ, তা নয়, মূলে হাবাৎ! হয়েছিল অবিশ্যি মেয়েসন্তান, তবু প্রথম সন্তান তো! সত্য তো ভাঙ্গা হয়ে গেল। আরতো সত্য অখণ্ড পোয়াতি রইল না। কোনো শুভকর্মে নিয়ম লক্ষণের কাজে আগ বাড়িয়ে আসতে তো পারবে না সত্য।

    কড়া হুকুম দিলেন এলোকেশী, শরীর-স্বাস্থ্য একটু ভাল হলেই যেন মেয়েকে পালকি চড়িয়ে পাঠিয়ে দেন বেহাই। আহ্লাদে মেয়ে বাপের বাড়ি গিয়ে আহ্লাদেপনা করেই যে এইটি ঘটিয়েছেন, তাতে আর সন্দেহ কি!

    ঐ বচন হজম করতে হল রামকালীকে।

    এ নির্দেশ মানতেই হল।

    আবার রাসুকে যেতে হল সত্যর শ্বশুরবাড়ি, কেঁদে কেঁদে চোখ-ফোলানো ম্রিয়মাণ সত্যকে নিয়ে।

    কিন্তু রামকালীর গ্রহের কোপ কি কাটল?

    মহাগুরু নিপাতের বছর পূর্ণ হয়েও তো আরো একটা বছর কেটে গেল, তবু রামকালীর সংসারে অঘটন ঘটতেই লাগল কেন? কোনোখানো কিছু নেই, নেড়ু নামক নিরীহ ছেলেটা হঠাৎ একদিন হারিয়ে গেল, যেমন করে একদিন রামকালী হারিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু নেড়ু তো খড়মপেটা খায় নি।

    অনেক খোঁজাখুঁজি করলেন রামকালী, কুঞ্জ অনেক কাঁদলেন মেয়েমানুষের মত, নেড়ুর বার্তা পাওয়া গেল না। এর ক’মাস পরেই কাশীশ্বরী মারা গেলেন, আরো ক’মাস পরে শিবজায়ার বড় মেয়ে বিধবা হয়ে বাপের বাড়িতে এসে আশ্রয় নিল একপাল ছেলেমেয়ে নিয়ে।

    এ সমস্তই যে রামকালীর গ্রহবৈগুণ্য, একথা কেহ না বলবে?

    এর সব ‘হ্যাঁপা’ই তো রামকালীকে নিতে হচ্ছে।

    আর মজা এই, শত অসুবিধের মধ্যেও রামকালী কাউকে বলেন না, সুবিধে হবে না। শত ঝঞ্ঝাটেও বলে ফেলেন না, আর পারা যাচ্ছে না!

    বিধবা হয়ে বাপের বাড়ি আসা খুড়তুতো বোনের বিয়ের যুগ্যি মেয়ে দুটোর জন্যেও তোড়জোর করে পাত্র খুঁজতে ঘটক ঠিক করে স্যাকরা ডেকে পাঠালেন। পাত্র খোঁজা হোক, গহনাপত্রও প্রস্তুত হোক। বোনের ছেলে চারটের কথাও ভুলে থাকলেন না, যথাযথ হিসেবে তাদের কাউকে টোলে, কাউকে পাঠশালা ভর্তি করে দিলেন।

    কর্তব্যের ত্রুটি করছেন না রামকালী, করছেন না কোনো অনাচার, তথাপি বারেবারেই ভাগ্যের মার পড়ছে তার উপর।

    কিন্তু ওস্তাদের মার নাকি শেষরাত্রে, আর ভাগ্য নামক ব্যক্তিটির মত এমন ওস্তাদ আর কে আছে?

    তাই–

    রাত্রিশেষের ছায়াছন্ন আলো-আঁধারি মুহূর্তে সে তার প্রধান মারের খেলা দেখিয়ে গেল।

    ঘণ্টা কয়েকের ভেদবমিতে ভুবনেশ্বরী মারা গেল!

    রামকালী কবারেজের ডেকে কথা কওয়া ওষুধের সমস্ত মাহাত্ম্য কি ব্যর্থ হল? হয়তো ব্যর্থই হল, নিয়তিকে কে পারে ঠেকাতে? কে পারে অপ্রতিরোধ্যকে রোধ করতে? তবু চেষ্টা করবার সম.টাও যে পেলেন না রামকালী। হয়তো সময়টা পেলে আক্ষেপটা কম হত। কিন্তু লাজুক ভুবনেশ্বরী, নির্বোধ ভুবনেশ্বরী সে চেষ্টাটুকুর অবকাশ দেয় নি। সে মাঝরাত্রে বিছানা থেকে উঠে সেই যে ঘাটের ধারে গিয়ে পড়েছিল, আর উঠে আসে নি, কাউকে জানায় নি। হয়তো বা পারেও নি।

    বাণী-বুড়ী শেষরাত্রে ঘাটে গিয়ে আবিষ্কার করল এই ভয়ঙ্কর ঘটনার দৃশ্য।

    ও মা আঁ আঁ- করে চেঁচাতে চেঁচাতে এসে সে আছড়ে পড়ল। তার আর্তনাদ থেকে ব্যাপারটা বুঝতেও কিছুক্ষণ গেল লোকের।

    কিন্তু দু-পাঁচ মিনিট আগে বুঝেই বা কী এমন লাভ হত? তখন তো একেবারে শেষ সময়। চোখ মুখ বসে গেছে, নাড়ী ছেড়ে গেছে।

    রামকালী নাড়ীটায় একবার হাত দিয়েই আস্তে সেই প্রায় স্পনহীন হাতখানা নামিয়ে রাখলেন ঝুঁকে বসে রুদ্ধ-কম্পিত স্বরে বললেন, মেজবৌ, এ কী করলে?

    রাসু হাতে-ধরা প্রদীপটা রোগিণীর মুখের আরো কাছে এগিয়ে অল, ভূবনেশ্বরী কষ্টে চোখের পাতা টেনে চোখ দুটো খুলল একবার। কি একটা বলতে গেল, ঠোঁট নাড়তে পারল না। চোখের কোণ থেকে দু ফোঁটা জল রগ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল। ১৬০

    এ রোগে রোগীর শেষ অবধি জ্ঞান থাকে, চৈতন্য বিলুপ্তি ঘটে না। কিছু একটু বলবার জন্যে ভয়ঙ্কর একটা আকুলতা যে সেই মৃত্যুপথযাত্রিনীর ভিতরটাকে তোলপাড় করছে তা সেই বাতাসে– কাঁপা ক্ষীণ প্রদীপশিখার আলোতে ধরা পড়ল।

    রামকালী তেমনি রুদ্ধগম্ভীর আবেগকম্পিত গলায় বললেন, মেজবৌ, এমন কঠিন শাস্তি কেন?

    মুহর্তের জন্য রোগিণীর ভিতরকার সেই আকুলতার জয় হল। ঠোঁটটা, নড়ে উঠল। উচ্চারিত হল, ছি!

    সত্যকে না দেখেই চললে?

    হঠাৎ সেই কাঠ হয়ে আসা দেহটা বিদ্যুতাহতের মত নড়ে উঠল, একঝলক জল সেই কোটরগত চোখের চারধার থেকে উথলে উঠে গড়িয়ে পড়ল।

    রাসুর হাতে প্রদীপটা নিভে গেল বাতাসের ঝটকায়।

    গত রাত্রে সহজ সুস্থ ভুবনেশ্বরী সংসারের বহুবিধ কাজ সেরে, আগামী সকালের রসদ বাবদ তিন-তিনটে মোচা কুটে রেখে, এক জামবাটি ডাল ভিজিয়ে ঘুমোতে গিয়েছিল, আজ আর সে সেই সকালের মুখ দেখতে পেল না। ভোরের প্রথম আলো একজোড়া ঘুমন্ত চোখের ওপর এসে স্থির হয়ে পড়ে রইল ব্যর্থতার গ্লানি বহন করে।

    রাসু মেয়েমানুষের মত হাউ হাউ করে কেঁদে উঠল। কেঁদে উঠল যে যেখানে ছিল সকলেই। মোক্ষদার তীব্র তীক্ষ্ণ চিৎকার প্রথম ভোরে স্নিগ্ধ পবিত্রতাকে যেন দীর্ণ-বিদীর্ণ করে ধিক্কার দিয়ে উঠল।

    কুঞ্জ ভাসুরমানুষ, বেশী কাছে আসবেন না, দূরে বসে বুচাপড়ে বলে উঠলেন, জীবনভোর এত লোককে বাঁচালে রামকালী, সোনার প্রতিমা ঘরের লক্ষ্মীকে বাঁচাতে পারলে না? হেরে গেলে?

    রামকালী শুধু একবার সেই হাহাকারের দিকে ফিরে তাকালেন, বললেন না, যুদ্ধের অবকাশ পেলাম কই?

    অজাতশত্রু ভুবনেশ্বরীর মরণকালে তার পরমদেবতার সঙ্গে যেন ভয়ঙ্কর একটা শক্রতা সেধে গেল।

    সেজকর্তা ভাঙা-ভাঙা গলায় মন্ত্রোচ্চারণের ভঙ্গীতে বললেন, নারায়ণ নারায়ণ! অন্তিমে নারায়ণ! রামকালী, আত্মা এখানেই অবস্থান করছেন, নারায়ণের নাম কর।

    আপনারা করুন। বলে রামকালী উঠে দাঁড়ালেন।

    .

    এমন অকস্মাৎ মৃত্যুতে ঘরের পাশের লোকের সঙ্গেই দেখা হয় না, তা গ্রামান্তরের! মায়ের এ হেন মৃত্যু সত্যবতীর দেখবার কথা নয়, কিন্তু মাতৃশ্রাদ্ধও দেখা হল না তার।

    হ্যাঁ, শ্রাদ্ধ ভুবনেশ্বরীর ভাল করেই হল।

    বাড়িতে পাঁচটা বুড়ী আছে বলে যে আর কেউ তার প্রাপ্য পাওনা পাবে না, এমন নীতিতে বিশ্বাসী নন রামকালী। আয়োজন দেখে ক্ষুব্ধ মোক্ষদা রামকালীকে বললেন, আমাদের কথা না হয় ছেড়েই দিলে, কিন্তু তোমার খুড়ো এখনো বেঁচে, তার চোখের সামনে একটা কচি বৌয়ের ছেরাদ্ধয় এত ঘটা করা কি বেশ বিবেচনার কাজ হচ্ছে রামকালী?

    রামকালী পিসীর মুখের দিকে না তাকিয়েই উত্তর দিলেন, তোমাদের কথা ছেড়ে দেবার কিছু নেই, কারুর কথাই আমি ছেড়ে দিচ্ছি না, যেটা বিধি সেটাই করছি।

    মোক্ষদা একটা ঈর্ষাকাতর নিঃশ্বাস ত্যাগ করে বলেন, পাঁচটা বুড়ীর চোখের ওপর ওই কচি বৌটার সমারোহ করে ছেরাদ্ধ করাই তাহলে বিধি?।

    রামকালী তেমনি মুখ ফিরিয়েই বললেন, আত্মার বয়স নেই।

    কিন্তু চোখে যে সহ্য করতে পারা যায় না রামকালী! বললেন মোক্ষদা।

    রামকালী মৃদুস্বরে বললেন, জগতে অনেক জিনিসই সহ্য করে নিতে হয়। এ নিয়ে বৃথা আলোচনায় ফল কি?

    মোক্ষদা চুপ করে গেলেন। কথাটা সত্যি বৈকি কনিষ্ঠজনের মৃত্যুটাই যদি সহ্য করে নেওয়া যায়, তার সেই প্রিয় পরিচিত মূর্তিটা আগুনে পুড়িয়ে শেষ করে চিতায় জল ঢেলে এসেই আবার যাওয়া যায়, ঘুমানো যায়, তবে আর কোন্ মুখে বলা চলে- তার পারলৌকিক কাজটা চোখ মেলে দেখে সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই!

    কিন্তু মায়ের শ্রাদ্ধ চোখে দেখবার ক্ষমতা ছেলেমানুষ সত্যবতীর হবে না বলেই কি নিয়ে আসা হল না তাকে?

    না, তা নয়, নিজেরই তার আসা সম্ভব হল না। সে যখন মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেল, তখন দুদিনের ছেলে নিয়ে আঁতুরঘরে। ভুবনেশ্বরী যেদিন ভোরে মারা গেছেন ঠিক সেইদিনই সকালবেলা সত্যর দ্বিতীয় সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। পুত্র-সন্তান

    দু পরিবার থেকে দুজন লোক কুটুমবাড়ি এসেছে খবর জানাজানি করতে। একজন জনের, আর একজন মৃত্যুর খবর বহন করে।

    .

    কিন্তু সত্য কেন প্রসবের প্রাক্কালে বাপের বাড়ি আসে নি? বিশেষ করে বাপ যার এত বড় চিকিৎসক?

    আসে নি তার কারণ আছে। যদিও ধরতে গেলে কারণটা নিতান্তই মেয়েলী, কিন্তু এসব ক্ষেত্রে মেয়েলী প্রথা আর মেয়েলী কুসংস্কারেই জয়ী হয়, সত্যর বেলাতেও তার অন্যথা হয়নি। সত্যর প্রথমবারের ঘটনাটাই এমন অনিয়মের কারণ। বাপের বাড়িতে যখন অমন একটা অপয়া ব্যাপার ঘটে গেছে, তখন পালা বদল হোক।

    তাই এবারে দুপক্ষ থেকেই একমত হয়ে স্থির করা হয়েছিল, সত্যর এবারের সন্তান মাতুলালয়ে ভূমিষ্ঠ না হয়ে পিত্রালয়ে ভূমিষ্ঠ হবে।

    সত্য তাই ওখানেই আছে।

    ভালই আছে। বেটাছেলেটি কোলে এসেছে। এলোকেশী বড় মুখ করে লোক পাঠিয়েছিলেন বড়লোক কুটুমবাড়ি। তাকে বলে দিয়েছিলেন, শুভ সংবাদের বকশিশ হিসেবে পেতলের গামলাটা দিলে নিবি না, বলবি ঘড়া কই?

    কিন্তু ঘরা গামলা কিছুই পাওয়া হল না তার। এসে শুনল এই বিপদ।

    ওদিকে সত্যবতীও পুলকে আনন্দে আশায় গর্বে প্রত্যাশিত হয়ে বসেছিল কখন সংবাদদাতা ধড়া নিয়ে ফিরবে। কিন্তু তার ফেরা পর্যন্ত আর অপেক্ষা করে বসে থাকতে হল না! লোক এল ওদিক থেকে।

    এলোকেশী আঁতুড়ের দরজায় এসে মুখটা কঠিনে কোমলে করে বললেন, আঁতুড়ঘরে কাঁদতে নেই, কাঁদলে ছেলের অকল্যাণের ভয়, নাড়ীর দোষ হবার ভয়, সাবধান করে দিয়ে খবরটা বলি বৌমা, ভেদবমি হয়ে তোমার মা-টি মরেছেন। লুকোছাপা করে চেপে রাখবার তো খবর নয়, চতুর্থী করা না হোক, দুদিন মাছভাতটা তো বন্ধ দিতে হবে। তাই জানিয়েই দিলাম দেখি, ভটচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পাঠাই, এক্ষেত্তেরে কী বিধিব্যবস্থা!

    একটা সদ্যপ্রসূতি তরুণী মেয়ের নিঃশঙ্ক বুকে বেপরোয়া একখানা ধারালো ছুরি বসিয়ে দিয়ে নিতান্ত সহজভাবে সেখান থেকে সরে গেলেন এলোকেশী। ছুরিটার ক্ষমতার বহরও তাকিয়ে দেখে গেলেন না।

    কিন্তু পাড়ায় বেরিয়ে এলোকেশী তার প্রায় সখীমহলে এই সরেস খবরটি পরিবেশন করে বলে বেড়ালেন, দেখলি তো? মিথ্যে বলি কাঠপ্রাণ? মা মরার খবর শুনে পাট প্যাট করে তাকিয়ে বসে রইল, ডুকরে কেঁদে উঠল না!

    সত্যিই ডুকরে কেঁদে সত্যবতী ওঠে নি।

    স্তম্ভিত বিস্ময়ে শুকনো চোখ মেলে বসেই ছিল অনেকক্ষণ। তার পর কখন একসময় নবজাত শিশুটা তার দেহের ওজনের চেয়ে অনেক গুণ বেশী ওজনের চিৎকার করে উঠেছে, ধীরে ধীরে তাকে কোলে তুলে নিয়ে এদিকে পিঠ ফিরিয়ে চুপ করে বসে থেকেছে দেওয়ালের দিকে মুখ করে।

    ওদিকে যদি একটুকরো জানলা থাকত, সত্যর প্রাণটা বুঝি তাহলে সেই খোলা পথটুকু দিয়েই দষ্টির খেয়া-নৌকা চড়ে অসীম আকাশে সাঁতরে সাঁতরে আছড়ে গিয়ে পড়ত সেই তার শৈশবনীড়ে।

    যেখানে মেজবৌ পরিচয়ে চিহ্নিত একটি নিটোল মুখ, ফর্সা রং, ছোটখাটো মানুষ ভীরু কণ্ঠিত পদক্ষেপে সারাদিন শুধু সকলের মনোরঞ্জন করে বেড়াচ্ছে। আর তারই আশেপাশে এখানে সেখানে, তাকে প্রায় বিস্মৃত হয়ে দৃপ্ত পদপাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটি গাছকোমর-বেঁধে কাপড় পরা স্বাস্থ্যবতী তালিকা। কিন্তু এই আঁতুরঘরের এধারে ওধারে কোন ধারেই জানালা নেই। তিনদিকেই বেরলেপা নিরেট মাটির দেওয়াল। দৃষ্টি সেখানে অচল হয়ে থেমে থাকে।

    কেন সর্বদা এমন ভয়ে ভয়ে থাকে, এই নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করত সত্যবতী। বলত, ভয় ভয় ভয়! এই ভয়ের জ্বালাতেই সগগ পাবে না তুমি মা, দেখে নিও।

    সত্যবতীর মা কি স্বর্ণ পায় নি।

    সত্যবতীর প্রাণটা তবে কেন ‘স্বর্গ’ নামক সেই এক অদৃশ্যলোকের অসীম শূন্যতায় হাহাকার করে বেড়াচ্ছে?

    মা নেই, মাকে আর দেখতে পাবো না, এ কথা মনে রাখতে পারছে না সত্য, শুধু মনে হচ্ছে সেই চিরমমতাময়ী মানুষটা যেন ভয়ঙ্কর এক নিষ্ঠুর খেলায় মেতে একছুটে কোন দূর-দূরান্তর লোকে পোঁছে গিয়ে সত্যকে দুয়ো দিয়ে ব্যঙ্গহাসি হাসছে।

    বলছে, কি গো, রাতদিন তো নিজের খেলা নিয়েই উন্মত্ত হয়ে বেড়াতে, মা বলে যে একটা মানুষ ছিল সংসারে, তার দিকে তাকিয়ে দেখেছিলেন কোন দিন? মনে রেখেছিলে তুমি তার একমাত্র সন্তান, তুমি ছাড়া আপনার বলতে আর কেউ নেই তার?

    মা মারা গেছেন এ দুঃখের চেয়ে দুরন্ত হয়ে উঠছে সত্যর ছেলেবেলাকার সত্যর সেই মার প্রতি ঔদাসীন্যের দুঃখ। মাকে কেন ভাল করে দেখে নি সত্য, দু’দন্ড কেন স্থির হয়ে বসে নি মার কোলের কাছে? কেন রাতে আর পাঁচটা মেয়ের সঙ্গে ঠাকুমার ঘরে শোয়ার বদলে মায়ের গলাটি জড়িয়ে ঘুমোয় নি? প্রায় তো সেই কুণ্ঠিত মানুষটি ভীরু ভীরু মুখটি হাসিতে উজ্জ্বল করে চুপি চুপি অনুনয় করত, এ ঘরে আমার বিছানায় শুবি আয় না! রূপকথার গল্প বলব!

    যার কাছে এই অনুনয়, সে কোনদিনই তার মান রাখত না। নিতান্ত তাচ্ছিল্যে বণত, হুঁ, কতই গল্প জান তুমি! ওঘরে বলে আমার বন্ধুরা সবাই-ওদের ছেড়ে তোমার কাছে শুতে আসব আমি? বলিহারী কথা বটে!…

    কী পাষাণ ওই মেয়েটা গো! কী পাষাণ!

    গোবরলেপা ওই নিরেট দেওয়ালটায় মাথা কুটে কুটে মাথার মধ্যেকার ভয়ঙ্কর যন্ত্রটাকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলতে ইচ্ছে করে সত্যর।

    ভগবান, একবারের জন্যে সেই দিনটা এনে দিতে পারো না? সত্য তাহলে সেদিন সেই নিষ্ঠুর মেয়েটার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করে?

    সেই ছোটখাটো দেহটাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বুকে মুখ গুঁজে বলে, মা মাগো, নিষ্ঠুর ছিল না সে মেয়েটা, শুধু অবোধ ছিল!

    ইদানীং-এর মাকে, শ্বশুরবাড়ি থেকে ঘুরে গিয়ে দেখা মাকে, কিছুতেই যেন মনে পড়াতে পারে না সত্য, ঘুরেফিরে শুধু মার সেই নিতান্ত বধু-মূর্তিটিই রামকালী কবরেজের মস্ত বড় বাড়িটার সর্বত্র সঞ্চরণ করে ফেরে।

    সত্য যদি এখুনি মরে যায়, ‘স্বর্গ’ নামক সেই জায়গাটায় কি দেখা হবে মার সঙ্গে? তা হলে সত্য তার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ডুকরে কেঁদে উঠবে, মা মাগো, এত পাষাণ তুমি কী করে হলে মা!

    আত্মবিস্মৃত সত্য কি মনে করে বসেছিল, সত্যিই সেখানে পৌঁছে গেছে? ঝাঁপিয়ে পড়েছে মার বুকে? আর তার ডুকরে ওঠাটা এত তীক্ষ্ণ হয়ে গেছে যে মর্ত্যলোকের এইখানে এসে ধাক্কা দিয়েছে?

    নইলে এলোকেশী ছুটে আসবেন কেন? কেন কঠিন গলায় ধমকে উঠবেন, বৌমা, একটাকে বিসর্জন দিয়ে আশ মেটে নি, এটাকেও দিতে চাও? ওই আঁতুড়-ষষ্ঠীর ছেলে কোলে নিয়ে মড়াকান্না? বুকের পাটাকেও ধন্যি! বলি মা বাপ কি কারো চিরদিনের? তবু তো বিধাতাপুরুষের সুবিচার হয়েছে, বাপ না গিয়ে মা গিয়েছে। শাঁখা-সিঁদুর নিয়ে এয়োসতী ভাগ্যবতী ড্যাংডেঙিয়ে চলে গেল, দেখে আহ্লাদ কর, তা নয় মা-মা করে চিৎকার তুলছ! বলি আর বেশীদিন বাচলে কপালে দুর্ভোগ ছাড়া কি ছাই সুখভোগ আসত? হাত শুধু করে থান পরে বোগনো বেড়ির ঘরে ভর্তি হতে হত না? চোখের জল যদি ছেলের গায়ে পড়ে বৌমা, তোমায় আমি বাপান্ত করে ছাড়ব তা বলে দিচ্ছি, মা-মা করে ন্যাকামি করা বার করে দেব।

    চোখের জল ছেলের গায়ে!

    সত্য আঁচলটা তুলে ঘষে ঘষে চোখটা শুকনো করে ফেলে সভয়ে তাকিয়ে দেখে, ছেলের গায়ে কোথাও জলের ফোঁটা লেগে আছে কিনা।

    এই তো এই যে! এই যে জলের ফোঁটা! শিউরে ওঠে সত্য।

    হে মা ষষ্ঠী, রক্ষা করো মা। এমন বুদ্ধিহীনের মত কাজ আর কখনো করবে না সত্য।

    কল্পিত সেই জলের ফোঁটা আঁচলের কোণ দিয়ে মুছে নিয়ে ছেলেকে নিবিড় করে ধরে সত্য। মৃত্যুর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে জীবনের মুখোমুখি বসে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article দশটি উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }