Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প774 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৬. কথায় আছে মাটি বোবা

    কথায় আছে মাটি বোবা।

    কিন্তু কলকাতার মাটি বোধ করি কথা কয়। বোধ করি তার মূল বনেদে অনন্তকালেব সহস্ৰস্তরের ঐতিহ্য নেই বলেই প্রকৃতিতে তার উঠতি বয়সের মেয়ের চপলতা আর মুখরতা। সেই মুখরতার ঝাঁপটায় সে মূককে বাচাল করে তুলতে পারে। তাই কলকাতার বাসিন্দারা কিছু। না শিখেও পণ্ডিত, কিছু না বুঝেও বোদ্ধা।

    সত্য বলে, এ নাকি শুধু কলকেতার হাওয়ারই নয়, কলের জলেরও গুণ।

    তা হতেও পারে।

    আদি অনন্তকাল তো লোকে পৃথিবীর গহ্বর থেকেই আঁজলা ভরে নিয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করেছে, জীবনযাত্রার প্রয়োজন মিটিয়েছে। যেখানে সে গহ্বর আছে ভাল, যেখানে নেই সেখানে কোদাল চালিয়ে গহ্বর খুঁড়েছে। তার পর তার কাছে এসেছে ঘট নিয়ে কলসী নিয়ে, ভরে নিয়ে গেছে অসময়ের জন্যে। কে কবে মাটির নীচে নল চালিয়ে জলকে হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিয়ে তাকে হুকুমের চাকর বানিয়ে ফেলবার কল গড়তে শিখেছিল? শেখে নি!…. কলকাতা শিখে ফেলেছে। জল হেন দুর্লভ বস্তু, কল মোচড় দিয়েই তাকে আদায় করছে। এ কী কম তাজ্জব!

    এ জলের বিশেষ গুণ শরীরে বর্তাবে বৈকি। আর কিছু না হোক, কলের জলটা সাহসের যোগানদার।

    নইলে আর নবকুমারের সাহস হয় ভবতোষ মাস্টারকে মুখের ওপর বলতে, আমরা আপনাকে ত্যাগ করলাম মাস্টার মশাই। ভবিষ্যতে আপনি আর আমাদের বাড়িতে মাথা গলাতে আসবেন না।

    বলেছে সে খবরটা নবকুমার নিজেই গিয়ে পৌঁছে দিল নিতাইকে। বলল, রেখে ঢেকে বললাম, বুঝলি? আচ্ছা করে শুনিয়ে দিলাম। যখন মান্যের ছিলেন তখন মান্য করেছি, এখন উনি যদি মান্যের মর্যাদা নিজে ঘুচিয়ে গালে মুখে চুনকালি লেপেন, মান্য রাখবার দায় আমার নয়। এই বুড়ো বয়সে উনি যদি ধর্ম খোয়াতে পারেন, মানুষের ছেদ্দা-ভক্তি-ভালবাসা সবই খোয়াতে হবে। ছি ছি, কি করে যে এ দুর্মতি হল মাস্টারের, ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছি না। বিদেশবিভুঁই জায়গায় একটা অভিভাবকের মত ছিলেন সেটা ঘুচল।

    নিতাই একটু পরিতৃপ্তির হাসি হেসে বলে, সম্পর্ক আর রাখবি না তা হলে?

    ক্ষেপেছিস! উনি তো ‘পতিত’! পতিতের সঙ্গে আবার সম্পর্ক কি?

    না, নিতাইকে পতিত বলে ত্যাগ করে নি নবকুমার। প্রতিদিন ওর মেসে ধর্না দিয়ে যায়, আর হাতে পায়ে ধরে বলে, এবং শেষ অবধি ভবতোষ মাস্টারের পরামর্শমত সত্যকে দিয়ে বলিয়ে সুরাহার পথে এনেছে তাকে।

    অবিশ্যি সেও হয়ে গেল অনেকদিন। নবকুমারের বড় ছেলে, যার ভাল নাম নাকি সাধনকুমার, সে তখন ফোর্থ ক্লাসে পড়ত, আর এখন সে এনট্রেন্স পাসের পড়া পড়ছে। সত্য বলেছে জলপানি নেওয়া চাই। বলেছে জলপানি নিয়ে পাস করতে না পারলে সত্যর জীবনের সাধনাই মিথ্যে।

    গাঁয়ের ছেলেরা পাঁচ মাইল রাস্তা ভেঙে ইস্কুলে পড়ে পড়ে যেটুকু করছে, সত্যর সাধনকুমারও যদি এতখানি সুযোগ সুবিধে পেয়েও সেইটুকু করে, কি হল এই যুদ্ধ আর বলক্ষয়ে?

    অবিশ্যি শুধু জলপানি পাওয়াটাই শেষ কথা নয়। মানুষের মত মানুষ হতে হবে সত্যর ছেলেদের। কিন্তু লেখাপড়ায় মুখোজ্জ্বলটা তো তার প্রথম সোপান।

    তা ছেলেটা মুখ রাখবে বলে মনে হয়। অন্তত ওর মাস্টার তো তাই বলে, নগদ মাস মাস দশ দশটা টাকা দিয়ে যে মাস্টারকে পুষছে নবকুমার।

    কিন্তু নবকুমারের মাস্টার যে এভাবে নবকুমারের মুখ পোড়াবেন, এ কথা কে কবে ভেবেছিল?

    স্বস্তি জিনিসটা কি এতই দুর্লভ!

    সেই কতদিন তো গেল নিতাইয়ের দুর্মতির গ্লানিতে। কত হাঁটাহাঁটি করতে হয়েছে তার মেসে, কত কাকুতিমিনতি করতে হয়েছে তার কাছে, হেসে উড়িয়েছে নিতাই। জ্বালাভরা তিক্ত হাসি। বলেছে, আমাদের মতন একটা অখদ্যে অবদ্যের জন্যে আবার ভাবনা! রইলাম কি উচ্ছন্ন গেলাম ত্রিভুবনের কার কি এসে গেল তাতে? বেশ আছি। খাচ্ছিদাচ্ছি রঙিন নেশা নিয়ে পড়ে আছি। তোমরা বাবা গুড বয়, দামী মাল, জগতে তোমাদের দরকার আছে, তোমরা ভাল হও গে।

    কিন্তু এই এক জায়গায় নবকুমার হালছাড়া হয় নি, দৃঢ় থেকেছে। নিতাইকে সুপথে আনতেই হবে।

    শেষ পর্যন্ত ভবতোষ মাস্টারের নির্দেশমত সত্যর কাছেই নিতাইকে টেনে এনে হাজির করেছিল নবকুমার। বলেছিল, নাও এবার মোকাবিলা কর দ্যাওরের সঙ্গে। বোঝাও সংসারে ওর দাম আছে কি নেই?

    সত্যর তখন শঙ্করীর ব্যাপারে মনপ্রাণ ভাল নয়, তাই থমথমে মুখে বলেছিল, দাম আছে কি নেই সে কথা আমি বোঝাব?

    নবকুমার মাথা চুলকে বলে, ও তো তাই বলছে। মানে, বলছে, ও উচ্ছন্ন গেলে কারুর কিছু এসে যাবে না।

    হঠাৎ স্পষ্ট করে চোখ তুলে তাকিয়েছিল সত্য নিতাইয়ের দিকে, বলেছিল, কারুর কিছু এসে যাবে না, সেটা জেনে ফেলেছ? সবজান্তা তুমি?

    নিতাই সেই দৃষ্টির সামনে মাথা নীচু করেছিল।

    সত্য তীব্রস্বরে বলে উঠেছিল, আমি বলছি, আমার এসে যাবে। মানবে সে কথা?

    নবকুমার এই তীব্রতার মানে খুঁজে পায় নি, ঘাবড়ে গিয়েছিল। ওর ধারণা ছিল সত্য কাকুতি মিনতি করবে, দিব্যিদিলেশা দেবে। কিন্তু কই! তেমন তো দেখা গেল না!

    ধমকই কি দিল?

    মনে হচ্ছে না তা, অথচ কথাটা যে জোরালো তাতে সন্দেহ নেই। আবার তেমনি জোরালো সুরেই বলে সত্য, আমি বলছি তোমায় ভালো হতে হবে, সভ্য-ভব্য ভদ্দরলোক হতে হবে। মানুষ যে বনের জন্তু-জানোয়ার নয় সেটা মনে রাখতে হবে। আপিসে ছুটি নাও দশ দিন, দেশে যাও, বৌ নিয়ে এস। আমি এখানে বাসার ব্যবস্থা করে রাখছি।

    বৌ!

    বাসা!

    নিতাই আস্তে আস্তে মাথা নাড়ে।

    সে অসম্ভব।

    অসম্ভব! কেন, অসম্ভবটা কিসে?

    বাড়িতে রাজী হবে না।

    কে রাজী হবে না? তোমার বৌ? সত্যর স্বর তীব্র।

    না, মানে একরকম তাই। নিতাই মলিন স্বরে বলে, মামা-মামী রাজী হবে না, কাজে কাজেই সেও

    কাজে কাজেই সেও? এ তো দেখি আচ্ছা স্বার্থপর মেয়ে!

    স্বার্থপর!

    নিতাই আকাশ থেকে পড়ে।

    যেখানে পরার্থপরতার চরম পরাকাষ্ঠা, সেখানে কিনা স্বার্থপরতার অপবাদ!

    আপনার কথাটা ঠিক বুঝতে পারলাম না বৌঠান।

    সঙ্গে সঙ্গে নবকুমারও বলে, তাই তো! এ কথাটা তোমার আবোল-তাবোল হল বড় বৌ।

    বুদ্ধি খরচ করলে বুঝতে আবোল-তাবোল নয়। বলি ওপরওয়ালাদের গোড়ে গোড় যে দেবে বৌ, সে কি ছেদ্দায়, না ভালবাসায়? বোঝাও তুমি আমায়। স্বামীর থেকে বেশী ভালবাসে তাদের? স্বামীর কাছে থেকে স্বামী বেঁধেবেড়ে খাইয়ে যত্ন করে যে পরিতৃপ্তি পাবে, তার থেকে বেশী পরিতৃপ্তি পাচ্ছে তেনাদের যত্ন করে? হক কথা বল?

    প্রশ্নটা নিতাইকেই, তবে উত্তর দেয় নবকুমার।

    বলে, আহা এটা আবার কথা নাকি? বাসায় আসতে চাইলে লোকনিন্দে নেই? পাঁচজনে মন্দ বলবে না? তোমার মতন–

    হ্যাঁ, আমার মতন ডাকাত আর কে আছে! সে যাক, অনেক দিনের পুরনো কথা ওটা। বলি পাঁচজনে আমায় একটু মন্দ বলবে এই ভয়ে স্বামী হেন বস্তুকে ভাসিয়ে দেব, হোটেলের ভাতে ছেড়ে দিয়ে শরীর স্বাস্থ্য ঘোচাব তার, উচ্ছন্নতার পথে যেতে দেব তাকে, এটা স্বার্থপরতা নয়? পাঁচজনের মন্দ বললে কি আমার গায়ে ফোঁসকা পড়বে? কাজটা যে মন্দ নয়, সেটা আমার অন্তরাত্মা বুঝবে না? সে তো আবার বাজা মানুষ। কি নিয়ে আছে শুনি? উদয়াস্ত জগতের যাবতীয় ওঁচা কাজ নিয়ে পড়ে আছে, তার বিনিময়ে লোকে সুখ্যাতি করছে, এই কি একটা মনিয্যির জীবন? আমি তোমায় বলছি ঠাকুরপো, যদি নিজের হিত চাও, বৌকে নিজের কাছে এনে রাখ। বাসা আমি দেখছি।

    হঠাৎ আরও একদিনের মত নিতাই একটা কাজ করে বসে। হেঁট হয়ে সত্যর দুই পায়ে হাত দিয়ে সে মাথায় হাত ঠেকিয়ে বলে, নিজের হিত অহিত আমি বুঝি না বৌঠান, বুঝি শুধু আপনাকে। আপনি যদি হুকুম করেন, তা হলেই

    হ্যাঁ, হুকুমই করছি আমি। সত্য দৃঢ় স্বরে বলে, হুকুম করছি মানুষের মত ঘর-সংসার কর, অলীক স্বপ্ন নিয়ে মাথা ঘামিও না।

    নিতাই চলে যায়।

    সত্য চলে যায় নিজের কাজে। নবকুমার বোকার মত দাঁড়িয়ে থাকে ফ্যালফেলিয়ে। প্রকৃত ঘটনা যে কি ঘটল, তা যেন অনুধাবন করতে পারছে না। অথচ ওর চোখের ওপরই এমন একটা কিছু ঘটল, যেটা ঠিক সচরাচরের নয় এ বোধ আসছে। সত্য আর নিতাই যেন উর্দু ফার্সি অন্য আর এক ভাষায় কথা বলল।

    অথচ সত্যকে এখন জিজ্ঞেস করে ব্যস্ত করাও চলে না। শঙ্করীর কীর্তিতে সত্য নিতান্তই মনমরা এখন।

    .

    সত্যি, শঙ্করী যে সত্যর সঙ্গে এত বড় শক্রতা সাধবে, এ কি সত্য স্বপ্নেও ভেবেছিল? এ যেন পূর্বজন্মের শত্রুতার ঋণশোধ করে গেল শঙ্করী!

    নইলে চিরদিনই হারিয়ে যাওয়া মানুষটা, একদিনের তরে মনের কোণেও যাকে আনে নি, সে হঠাৎ এমন আচমকা দেখাই বা দেবে কেন, চেনাই বা করবে কেন?

    কত সুখে কাটাচ্ছিল সত্য, হঠাৎ যেন শঙ্করী তার সেই সুখের প্রাণে একটা ছুরির আঁচড় টেনে ক্ষত করে দিয়ে গেল।

    সেই যে গল্প আছে কবর থেকে প্রেতাত্মা উঠে এসে মানুষকে যন্ত্রণা দেয়, সেই প্রেতাত্মার মতই করল শঙ্করী।

    কী করেছিল সত্য তার কাছে যে এইভাবে দাগা দিয়ে গেল সত্যকে?

    বাবাকে চিঠি লিখেছিল সত্য, শঙ্করীকে পাওয়ার খবর জানিয়ে, বাবা কি বলেন না বলেন জানতে। সে চিঠির জবাব আসার আগেই নতুন খবর ঘটাল শঙ্করী।

    দু দিনও তর সইল না তার?

    এ যেন সত্যিই সত্যকে ধরল আর ধারালো অস্তরখানা শানিয়ে তুলে বসিয়ে দিল সত্যর বুকের মাঝখানে!

    এই দীর্ঘকাল ধরে শত লাঞ্ছনা আর শত ধিক্কারের ভাত খেয়ে খেয়ে যে প্রাণটাকে পুষে রেখেছিল শঙ্করী, একটা দিন সত্যর কাছে ভালবাসার ভাত খেয়ে হেলায় বিসর্জন দিলে সেই প্রাণটাকে?

    এর চাইতে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতা আর কি আছে?

    খবরটা শুনেই সত্য মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ে সেই কথাই বলেছিল, জানি, জানতাম। চিরকেলে পাষাণ! মেয়েমানুষ এত বড় নিষ্ঠুর, উঃ!

    তারপর ডাক ছেড়ে বলে উঠেছিল, ওগো বৌ, কুক্ষণে আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল তোমার, কুক্ষণে আমি বলেছিলাম তোমার মেয়েটার ভার নেব! কেন মরতে বললাম গো! না বললে তো তুমি এমনভাবে দায়মুক্ত হতে পারতে না!

    তা কথাটা তো ভুল নয়, সুহাসের দায়েই তো এ যাবৎকাল অত বড় গ্লানির জীবন বয়ে বেড়াচ্ছিল শঙ্করী!

    সে দায় থেকে মুক্ত হল বলেই তো

    নাকি শুধু সাময়িক উত্তেজনার ফল? মেয়ে যখন মায়ের সঙ্গে কোদল করে বলে বসেছিল, আমি যখন এতই গলার পাথর তোমার, সে পাথর সরিয়ে দিয়ে যাব, তখন কি শঙ্করীর মুখে একটা ক্রুদ্ধ আক্রোশের তীব্র হাসি ফুটে উঠেছিল? ভেবেছিল কি, বটে! চিরকাল আমিই শুধু জব্দ হব তোমার কাছে? পাপের প্রাচিত্তির আর হচ্ছে না আমার? জন্মাবধি জব্দ করে রেখেছ তুমি আমাকে, আবার মরে জব্দ করতে চাও? আচ্ছা দেখ এবার কে কাকে জব্দ করে!

    কে জানে কোন কথাটা সত্যি!

    ঠাণ্ডা মাথায় ভেবেচিন্তে দীর্ঘকালের পরিকল্পনাকে রূপ দিয়েছিল শঙ্করী, নাকি ক্ষণিক মুহর্তের অসতর্কতায় কূলে এসে ওঠা নৌকোখানাকে ডুবিয়ে বসেছিল?

    না, প্রকৃত কথা কেউ জানে না।

    আত্মহত্যা করবার আগে যে একটু লিখে রেখে যেতে হয়, আমার মরার জন্যে কেউ দায়ী নয়– সেটুকুও জানত না শঙ্করী। অথবা সে রেওয়াজ তখনও চালু হয়নি।

    লিখতে ওরা শেখে নি বলেই হয়তো চালু হয় নি।

    চালু হয় নি, তাই রাত পোয়াতেই দত্তদের বাড়ির অন্দরে হৈ-হৈ উঠল। রাতে রান্নাঘরের পাশের ঘরে আড়ায় দড়ি বেঁধে জুলে মরেছে পানসাজুনি বামুনদিদি

    ওমা কেন গো!

    কী দুঃখে!

    এই যে কাল আহ্লাদের সাগরে ভাসছিল, দেশের লোকের সন্ধান খবর পেয়ে, তাঁদের কাছে আদরের ভাত খেয়ে। চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে যাবই তো বলেছিল, বলেছিল, দেশের লোক, চিরকালের চেনা-জানা, ছাড়ছে না, মেয়েটার সুদ্ধ ভার নেবে বলেছে, এ সুযোগ ছাড়তে পারব না মা। অনেক দিন তো দাস্যবিত্তি করলাম।

    কালীতলায় নাকি পরিচয় হয়েছিল।

    কিন্তু মানুষটা আর কেউ না, দত্তদের সাত নম্বর বাড়ির সেই অহঙ্কারী ভাড়াটে।

    তার কাছেই আশ্রয়ের আশ্বাস পেয়েছিল সে।

    চলেই যেত।

    তবে দিনক্ষণের ছুতো দেখিয়ে বলেছিল, চৈৎ পোষ ভাদ্দর এ তিনটে মাসে পোষা বিড়ালটাকেও বিদেয় দিতে নেই মা, দিলে গেরস্থর অকল্যাণ। এতদিন নেমক খেলাম, অকল্যাণ করব না তোমার। এ মাসটা আর যাব না।

    হঠাৎ সবুদ্ধি কি করে বিনষ্ট হল শঙ্করীর? কি করে বিস্মৃত হল সে নিমকের ঋণ!

    তাই অদিনে অক্ষণে গেরস্থর অকল্যাণ ঘটিয়ে চিরদিনের মত বিদেয় হয়ে গেল?

    .

    হৈ-হৈ হল।

    তবে নাকি বড়মানুষের অন্দর, আর দীনদুঃখী চাকরানী বিধবার প্রাণ। তাই সে হৈ হৈ ফুটল আর মরল। থানা পুলিস তো দূরের কথা, বৈঠকখানার কর্তারাও সবাই টের পেলেন কি না পেলেন। অন্তত টের পেয়েছেন এ লক্ষণ প্রকাশ পেল না তাদের আচরণে।

    গড়গড়ায় একটানা শব্দটার একবার হয়তো একটু ছন্দপতন হল, গলা থেকে একবার হয়তো একটু হুঙ্কার উঠল, তার বেশী নয়।

    দত্তদের খিড়কির দরজা দিয়ে বার হয়ে গেল শঙ্করীর মৃতদেহ। নিজের দরজায় কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল সত্য। যখন চলে গেল, চোখছাড়া হয়ে গেল, হাত দুটো একবার তুলে নমস্কার করে মনে মনে বলল, এত পতনেও ভেতরে ভেতরে তুমি খাড়া তেজী ছিলে বৌ, বুঝতে পারছি। তাই ছোট ননদের করুণার আশ্রয়ে থাকতে আর রইলে না। সবাই শুধোচ্ছে কারণ, কারণ! হাড়ে হাড়ে বুঝেছি, আমিই কারণ। কি করব, আমার নিয়তি! ভগবান যাকে যার নিমিত্ত করেন!

    ঠিক এই সময়ে ও-বাড়ি থেকে একজন দাসী ডাকতে এল সত্যকে, বড় গিন্নীমা ডাকতেছে।

    সত্য দ্বিরুক্তি করল না।

    হয়তো এই ডাকটির প্রতীক্ষাই করছিল।

    অবশ্য ডেকে ওকে সন্দেশ খাওয়াবেন দত্তগিন্নী, এমন আশা করবারও হেতু ছিল না। তবে এটাও ভাবে নি সত্য। ভাবে নি ন ভূতো ন ভবিষ্যতি করে গাল পাড়বেন তিনি তার সাত নম্বরের প্রজার বৌকে। একবার যেন পুলিসেরও ভয় দেখালেন, কারণ দশেধর্মে সাক্ষী দেবে, সত্যর পরামর্শতেই হঠাৎ সাদাসিধে ভালমানুষটা কেমন বিগড়ে গেছল।

    তুমিই ওর মৃত্যুর কারণ। নইলে বেশ তো ছিল এযাবৎ! বললো দত্তগিন্নী।

    সত্য মাথা নীচু করে সব অভিযোগ মেনে নিয়ে শুধু বলল, যা হবার তা তো হয়েই গেল, মেয়েটাকে আমায় দিন।

    তোমায় দেব? মেয়েটাকে?

    অমন একটা রূপবতী উঠতি বয়সের মেয়েকে অমনি এক কথায় বিলিয়ে দেবেন, এত বোকা নন দত্তগিনী! ও জিনিস হল হাতের একটা হাতিয়ার। ওকে দিয়ে সময়ে অসময়ে কত কাজ হাসিল হতে পারে, কত কাজে লাগতে পারে। তাই ভুরু কুঁচকে বলেন তিনি, তোমায় দেব মানে? তুমি কি ওর অছি? আমার সংসারেই থাকবে ও। যেমন ওর মা ছিল।

    সত্য মুখ তুলে প্রশ্ন করে, পানসাজুনি চাকরানী হয়ে?

    দত্তগিন্নী কালিমুখে কঠিন গলায় বলেন, তা চাকরানীর মেয়ে চাকরানী হবে না তো কি রাজরানী হবে? তবে কিনা আমাদের ঘরের পুরুষ বেটাছেলেদের দয়ার শরীর, নজরে পড়তে পারলে তাও হওয়া আশ্চয্যি নয়।

    এই বিষাক্ত হুলটা যে দত্তগিন্নী জেনে বুঝে ইচ্ছে করে ফোঁটালেন, তাতে আর সন্দেহ কি! আসল কথা শঙ্করীর মরণটার জন্য আগাগোড়া সত্যকে দায়ী করে বসে আছেন তিনি, কি না জানি মন্তর কানে দিলে, আর জলজ্যান্ত ভাল ঝিটা তার কর্পূরের মত উপে গেল! এর ওপর আবার তার মেয়েটাকে দাবি করতে আসছে!

    ওরে আমার কে রে!

    তোমার অহঙ্কার ভাঙবার দিন এবার এসেছে আমার। বুঝেছি তোমার ভেতরের শাঁস। ওই সুহাসের মা তোমার দেশের লোক! কোন না আত্মীয়ই! তুমিও তবে সেই পদেরই লোক। মুখে অহঙ্কার দেখিয়ে আমার সঙ্গে টেক্কা?

    সত্যবতী দত্তগিন্নীর মনের কথাটা বোধ করি মুখের ভাষা থেকেই আবিষ্কার করে ফেলে। তাই বিচলিত হব না প্রতিজ্ঞা করেই বলে, তা হলে তো সুবিধেই। আপনাদের ঘরের পুরুষদের যখন এত দয়ার শরীর, তখন আর ওর কী গতি হবে ভেবে কাতর হই কেন? সদ্গতিই হবে মনে হচ্ছে।

    দত্তগিন্নী ভুরু কুঁচকে বলেন, কী বললে?

    ওই তো বললাম!

    সদগতির কথা কি বললে?

    ওই তো বললাম, যদি বুঝতে না পেরে থাকেন, তবে বোঝাতে পারব না, পরে বুঝবেন। আচ্ছা তা হলে যেতে অনুমতি দিন।

    দত্তগিন্নী আবার নিজমূর্তি ধলেন। বললেন, তোমায় আমি পুলিসে দিতে পারি জান? বলতে পারি, আমার লোক তোমার প্ররোচনায় মরেছে?

    সত্য মৃদু হেসে বলে, তবে সেই চেষ্টাই করুন। কিন্তু আপাতত আপনাদের কোন দাসী কি ছোট ছেলেকে আমার সঙ্গে দিন, দেখিয়ে দেবে কোথায় আপনাদের বৈঠকখানা!

    বৈঠকখানা দেখিয়ে দেবে? বৈঠকখানায় যাবে তুমি? তোমার মতলবখানা কি তাই বল তো?

    দয়ার মানুষদের কাছে একটু ভিক্ষে চাইব। বামুনের মেয়ের তাতে দোষ নেই।

    এ তো আচ্ছা জাহাবাজ মাগী! দত্তগিন্নী তেড়ে খাট থেকে উঠে দুম দুম করে মাটিতে নেমে আসেন, বলেন, তোমার রীতি-নীতি তো ভাল দেখছি না! বৈঠকখানা বাড়িতে গিয়ে পুরুষদের কাছে কী ছলা-কলা করতে যাবে শুনি? বলি একটু লাজ লাগবে না?

    সত্যর মাথার কাপড়টা খসে পড়েছিল, সত্যর মুখটা লাল হয়ে উঠেছিল, দুটোকেই সংবরণ করে সত্য শান্ত সুরে বলে, লজ্জার কি আছে? শুদ্দুর মাত্রেই ব্রাহ্মণকন্যার সন্তানতুল্য। সন্তানের কাছে মায়ের লজ্জার কথাটা উঠবে কেন?

    তারপর কিসে কি হল দত্তগিন্নীর অজ্ঞাত!

    তবে সুহাসিনীকে সত্যর সংসারেই ভর্তি করে দিতে হল তাঁকে।

    মেজকর্তা অর্থাৎ মেজ দ্যাওর চটি ফটফটাতে ফটফটাতে অন্দরে ঢুকে এসে আদেশ দিলেন, ওই বামনী-মাগীর মেয়েটাকে সাত নম্বর বাড়িতে চালান করে দাও গে বড়বৌ, মেয়েটা নাকি ওদের দেশের লোক।

    বৌ-মরা দ্যাওর, বলতে গেলে বড়গিন্নীর হাতের মুঠোর সম্পত্তি, তাই ভ্রূভঙ্গী করে প্রশ্ন করেন তিনি, কে কার দেশের লোক, সে খবর তোমার কানে আসে কোথা থেকে?

    আসে কোথা থেকে! শোন কথা! কানে গিয়ে ঢেলে দিয়ে এলে আসবে না? ওই বাড়ূয্যের পরিবার তো নিজে গিয়ে বলল

    বলল! তোমার সঙ্গে কথা কয়ে বলল!

    আহা পষ্টাপষ্টি কথা কয়ে কি আর বলল? একটা চাকরানীকে দিয়ে বলল-

    আর তুমি অমনি সোন্দর মুখ দেখে গলে গেলে! ধন্য বটে! এসব অন্দরমহলের কথায় তোমার থাকবার দরকার নেই মেজবাবু। পুরুষ-মজানি মেয়েমানুষকে কি করে শায়েস্তা করতে হয় আমার জানা আছে।

    মেজবাবু বিচলিত হলেন।

    আঃ, কী যা-তা বলছ? ভদ্রঘরের মেয়েছেলে, বলতে গেলে আমার মেয়ের বয়সী, এসব কী কথা! ছি ছি!

    বড়গিন্নী চাপা ক্রুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, ইল্লি মারি গুরু গোঁসাই! কত ছলাই জানো! মেয়ের বয়সী মেয়েমানুষ আর কখনো দেখি নি আমি! যাও যাও, যেখানের মানুষ সেখানে যাও। সুহাসকে আমি কোথাও পাঠাব না, ব্যস।

    মেজকর্তা নিরুপায় ভঙ্গীতে বলেন, কিন্তু আমি যে কথা দিয়েছি। আমার কথাটার একটা দাম আছে তো?

    ওঃ! আর আমার কথার দাম নেই, কেমন?

    কী মুশকিল! সে কথা কে বলছে-, মেজকর্তা কূট-কৌশল ধরেন, আমি বলছি ও তোমার যখন বিনি চেষ্টায় আপদ বিদেয় হচ্ছে হতে দাও! জানই তো গলায়-দড়ি-মড়ার সদ্গতি হয় না? আর পৃথিবীতে যার প্রতি বেশী টান ছিল, তার ধারে কাছে ঘুরে ঘুরে আসে। ওই মেয়েটা তো ওর একটাই সন্তান, অবিশ্যিই টান ছিল খুব।

    বড়গিন্নী শিউরে রামনাম করে উঠলেন।

    খুব!

    খুব বললে আর কতটুকু বলা হয়? সন্তানে এত আকর্ষণ দত্তগিন্নী অন্তত দেখেন নি কখনো। যাক আর কাঠ-খড় পোড়াতে হল না, ওই এক মশালেই কার্যসিদ্ধি হয়ে গেল মেজবাবুর। সুহাসিনী শত অনিচ্ছে নিয়ে সত্যর সংসারে এসে উঠল।

    .

    অনিচ্ছে সকলেরই।

    নবকুমারের তো মোল আনাই অনিচ্ছে, সত্যরও আগের সেই বেশ একটি মধুর কর্তব্যের আনন্দ রইল না আর। নেহাতই নীরস কর্তব্যের দায়ে ঘরে আনল তাকে। বাক্যদত্ত হয়েছিল শঙ্করীর কাছে তাই।

    তা এসব তো সেই বছর চারেক আগের কথা।

    এখন তো বেথুন স্কুলে তিন ক্লাস পড়া হয়ে গেল সুহাসিনীর।

    স্কুলে সুবিধের জন্যেই হোক আর দত্তবাড়ির আওতা-মুক্ত হতেই হোক, মুক্তারাম বাবু স্ট্রীটের সেই বাড়ি ছেড়ে বাগবাজারে উঠে এসেছিল সত্য। এ বাড়িতে ভাড়া বেশী, অসুবিধের ঢের, তবে পরম লাভ গঙ্গা খুব নিকটে। নিত্য গঙ্গাস্নানের পুণ্য অর্জন হয়।

    আর?

    আরও একটা আকর্ষণ আছে, যে খবর নবকুমারের অজ্ঞাত। নবকুমারের অজানিতেই দুপুবেলা একটা জায়গায় আনাগোনা শুরু করেছে সত্য।

    যাক, সে তো নবকুমারের অজানিতেই, তার জন্যে নবকুমারের সুখ-দুঃখ নেই, মোটামুটি সুখেই তো থাকবার কথা তার। কারণ বাড়ির ভাড়া যেমন বেড়েছে, তেমনি অফিসের মাইনেও তার বেড়েছে অনেক। ছেলে দুটি প্রত্যেক বছর ফার্স্ট সেকেণ্ড হয়ে ক্লাসে উঠেছে, একজন পাস দিয়েছে। সত্যর অটুট স্বাস্থ্য আর অপরিসীম কর্মক্ষমতা সংসারটিকে একখানি নিটোল মুক্তোর মত করে রেখেছে।

    দেশের বাড়িতে মা-বাপও আছেন ভাল।

    নিতাইটারও মতিগতি ফিরেছে বলা চলে। আর কি চাইবার আছে?

    ছিল না।

    চাইবার আর কিছু ছিল না, কিন্তু হঠাৎ ভয়ানক লোকসান ঘটে গেল।

    হ্যাঁ, হঠাৎই। আর যা হয়েছে তার চারা নেই।

    বিনা মেঘে বজ্রাঘাত ঘটেছে নবকুমারের, ষোলো সুখে বিষাদ!

    ভবতোষ মাস্টার ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেছেন!

    পতিত হয়েছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article দশটি উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }