Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী

    আশাপূর্ণা দেবী এক পাতা গল্প774 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৯. ভরা দুপুর

    নৌকো মাঝগঙ্গায়।

    দাঁড়টানার একটানা একটা শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। শুধু খানিক খানিক সময় অন্তর দাড়ি-মাঝিদের এক-একটা দুর্বোধ্য হুঙ্কার স্তব্ধ প্রকৃতিকে যেন চমকে চমকে দিচ্ছে।

    নৌকোর আশেপাশে দাঁড়ের ধাক্কায় ভেঙে পড়া জলের বৃত্তরেখা, দূরে ঢেউ-খেলানো জলের রেশম চিকন গায়ে বাতাসের মৃদু কাঁপন।

    সেই ঢেউ-খেলানো ঘি রঙ্গ রেশমী ওড়নার গায়ে হীরেকচি রোদের উজ্জ্বল সমারোহ।

    রামকালী সেই সমারোহের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে বসেছিলেন।

    ভরদুপুরের অচঞ্চল গঙ্গা, নৌকার গতি, মৃদু-মন্থর, তাই ভিতরে আলোড়ন নেই।

    কিন্তু মনের ভিতরে?

    যে মন ওই স্তব্ধ দেহদুর্গের মধ্যে চিরদিন সমাহিত থেকেছে?

    না, আলোড়ন নয়, শুধু যেন সেই চিরসমাহিত মনটাকে আজ একটু মুক্তি দিয়ে ফেলেছেন রামকালী। ছেড়ে দিয়েছেন ইচ্ছেমত ঘুরে বেড়াবার জন্যে।

    এই আটষট্টি বছর ধরে যে দীর্ঘ প্রান্তরটা পার হয়ে এলেন রামকালী, সেই প্রান্তরের এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত অবধি পাক খেয়ে বেড়াচ্ছে সেই হঠাৎ ছাড়া পাওয়া মনটা।

    এর আগে কোন দিন এমন করে স্মৃতি-রোমন্থন করেন নি রামকালী। আজ করছেন। হয়ত বা অজ্ঞাতসারেই করছেন।

    আজ সংসারের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছেন রামকালী, পিঠ ফিরিয়েছেন তার দিকে। কিন্তু বিদায় গ্রহণের প্রাক্কালে কত ব্যবস্থা, কত হিসেবনিকেশ, কত নির্দেশ, কত বন্দোবস্ত।

    গ্রামে যে টোলটি স্থাপন করেছেন, যে দুঃস্থ বিদ্যার্থী কজনের প্রতিপালনের ভার গ্রহণ করেছেন, একজন কবিরাজ বসিয়ে যে দাঁতব্য কবিরাজখানাটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, গ্রীষ্মের দিনের জন্যে যে জলসত্রটি খুলেছেন, সেগুলি যাতে বন্ধ হয়ে না যায়, তার জন্য উচিতমত নিষ্কর জমি দানপত্র করে দিয়ে আসতে হল। যে কজন দুঃস্থ পণ্ডিত বৃত্তি পেয়ে আসছিলেন, তাঁদের বৃত্তি বজায় রাখার জন্যও জমির ব্যবস্থা করতে হল। তাছাড়া বরাবর গ্রামের কন্যাদায়গ্রস্থ দরিদ্র পিতা, অবীরা অসহায় বিধবা, রুগ্‌ণ অপটু পুরুষের অথবা মাতৃপিতৃহীন শিশুর একরকম আশ্রয়স্থল ছিলেন রামকালী।

    দূর দূর জায়গা থেকেও লোক এসে হাত পেতেছে রামকালীর কাছে।

    এসব লোক যাতে একেবারে না বঞ্চিত হয়, একেবারে না বিতাড়িত হয়, তার জন্যও রাসুকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একখানা বড় তালুকের মাধ্যমে।

    অবশ্য রাসু যদি নিয়ম বজায় না রাখে, রাসু যদি সে তালুকের উপস্বত্ব আত্মম্মাৎ করে, করবার কিছু নেই। কারণ এটা একটা অনিয়মিত ব্যাপার।

    তবু রাসুকেই ভার দিয়ে আসতে হল। রাসু ছাড়া আর কে মানুষ হল? নেড়ুটায় তো উদ্দেশই পাওয়া গেল না প্রায়। ঠিকানা না জানিয়ে দু’একটা চিঠি দিয়েছিল কবে কবে যেন। তাতেই জানা আছে, মরে নি বেঁচে আছে। রাসুর আর ভাইগুলো তো অমনিষ্যি। সেজকাকার দুই ছেলে কুচুটের রাজা। রাসুর বড় ছেলেটা বাবুর শিরোমণি হয়ে উঠেছে। হচ্ছে সারদার দোষেই কতকটা।

    সারদা যেন স্বামীর সঙ্গে রেষারেষি করে ছেলেকে বাবু’ করে তুলতে বদ্ধপরিকর। সব কথায় বলে, ও পারবে না।

    ওই একটা মেয়ে। অদ্ভুত উল্টোপাল্টা।

    রামকালী নিঃশ্বাস ফেলে ভাবলেন, ওর বিধাতা কি ওকে কতকগুলো উল্টোফাল্টা জিনিস দিয়েই তৈরী করেছিলেন, নাকি জীবনটা ওর উল্টো স্রোতের মুখে পড়ল বলেই?

    রামকালী ওর হদিস পান না।

    কখনো ওর ভারসহ কর্মনিষ্ঠা, ওর অসাধারণ নৈপুণ্য, ওর অগাধ সহিষ্ণুতা দেখে তাক লেগে যায়, কখনো ওর বিস্ময়কর নির্লিপ্ততা, দৃষ্টিকটু ঔদাসীন্য দেখে স্তব্ধ হতে হয়।

    দুর্গোৎসবের সমস্ত ভার সারদা একা মাথায় তুলে নিতে ভয় পায় না, দিয়েও নিশ্চিন্ত হন রামকালী। কিন্তু এবারে হঠাৎ সারদা শান্ত ঘোষণায় জানিয়ে দিল, খুড়োঠাকুর যেন এ ভার আর কারো উপর ন্যস্ত করেন।

    কেন?

    কেনর কিছু নেই।

    বাড়িতে তো আরো লোক আছে।

    গ্রামের কজন বয়স্ক ব্রাহ্মণ-কন্যাকে ডেকে রামকালী জানিয়েছিলেন বড় বৌমার শরীর অসুস্থ, অতএব তারা যদি

    তা তাঁরা এসেছিলেন, তুলেও দিয়েছিলেন পূজো।

    কিন্তু অনেক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।

    পুরোহিত পূজোয় বসে হাতের কাছে উপকরণগুলি ঠিকমত না পেয়ে রেগে আগুন।

    তবু রামকালী যেন সারদার উপর রাগ করতে পারেন না। পারেন না অগ্রাহ্য করতে। অনুভব করেন সারদার মধ্যে বস্তু ছিল, কিন্তু ভাগ্যের প্রতিকূলতায় সেটা খণ্ড খণ্ড হয়ে গেছে।

    ভাগ্যের প্রতিকূলতায়?

    এইখানেই কোথায় যেন একটা খোচ। অনেকবার ভেবেছেন রামকালী, ভাগ্য ছাড়া আর কি? মানুষ তো নিমিত্ত মাত্র, কিন্তু সে বিশ্বাসে অটুট থাকতে পারেন নি।

    যাক, তবু সকলের যথাসাধ্য সুব্যবস্থা করে এসেছেন রামকালী, এখন যার যা নিয়তি। তথাপি অনেকগুলো মুখ যেন হতাশ দৃষ্টি মেলে তাকাচ্ছে রামকালীর দিকে। যেন বলছে…ফেলে চলে গেলে আমাদের?… সত্যি!… কই যাবে এ কথা তো বল নি কোনদিন? আমরা যে বড় নিশ্চিন্ত ছিলাম।

    এই মুখগুলোর মধ্যে সারদার মুখটা বড় স্পষ্ট, সারদার চোখটা বড় তীব্র। হতাশা নয়, যেন সে দৃষ্টিতে অভিযোগ।

    কিন্তু অনেক বছর আগে আর একবার যখন সংসার ত্যাগ করেছিলেন রামকালী?

    তখন কি একবারও পিছনপানে তাকিয়েছিলেন? নাঃ, কী হালকা বন্ধনহীন মন নিয়ে সেই যাওয়া!

    বৈরাগ্যের কারণটা নিতান্তই স্থল ছিল সত্যি, বাপের খড়ম থেকে সে বৈরাগ্যের উদ্ভব। রাগ দুঃখ অভিমান ক্ষোভ সব মিলিয়ে তীব্র একটা অনুভূতি যেন ঠেলে ঘরের বার করে দিয়েছিল সেই কিশোর বালককে, যাকে এখন যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন রামকালী।

    ছেলেটা একখানা নৌকোর পাটাতনের মধ্যে ঢুকে বসে রইল সারটা দিন, কেউ তেমন লক্ষ্য করল না, একসময় ছেড়ে দিল নৌকো। ছেলেটা রইল ঘাপটি মেরে।

    তারপর অনেকক্ষণের পর ধরা পড়ল।

    তখন নৌকো অনেক এগিয়েছে।

    রামকালী দেখছেন, মাঝি-মাল্লারা জেরা করছে ছেলেটাকে। ছেলেটা স্বচ্ছন্দে উত্তর দিচ্ছে–তার কেউ কোথাও নেই, গরীব ব্রাহ্মণসন্তান, ভাড়া-টাকা দিতে পারবে না, নৌকো যেখানে যাবে, সেখানে পর্যন্ত যদি তাকে দয়া করে নিয়ে যায় তারা।

    অবস্থা বুঝেই মমতাবশতই হোক অথবা দেবকান্তি রূপ দেখেই হোক ছেলেটাকে তারা সমাদর করে নিয়ে গিয়েছিল মুকসুদাবাদ অবধি।

    সেখানে মিলে গেল গোবিন্দ গুপ্তের আশ্রয়।

    সে যেন ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ আশীর্বাদের মত।

    সেই নিতান্তই কিশোর ছেলেটার মনে হয়েছিল পৃথিবীটা এত বড়! ভগবান এত দয়ালু। অথবা ইনিই ভগবান? পুরাণ উপপুরাণের গল্পের মত ছদ্মবেশ ধরে রামকালীকে কৃপা করতে এসেছেন।

    গঙ্গার ঘাটেই বসেছিল ছেলেটা।

    কবিরাজ স্নানে এসেছিলেন।

    থমকে দাঁড়িয়ে পড়ে বললেন, চিনছি না তো তোমাকে? কাদের ছেলে বাবা?

    এখন ভেবে হাসি পাচ্ছে, রামকালী স্বচ্ছন্দে বলেছিলেন, তোমার সে খোঁজে দরকার কি?

    দরকার কিছু আছে বৈকি! গোবিন্দ গুপ্ত একটু হেসে বলেছিলেন, কাদের ছেলে, কেন একা ঘুরে বেড়াচ্ছ, রীত-চরিত্তিরই বা কেমন এসব না জানলে চলবে কেন?

    চলবে না?

    না। ভিনগাঁয়ের ছেলেকে বিশ্বাস কি?

    পরে জেনেছিলেন রামকালী, ওটা একটা চালাকি। রাগিয়ে দিয়ে পরিচয় আদায়ের চেষ্টা। কিন্তু সেদিন সেই ছেলেটার কথা বোঝবার ক্ষমতা ছিল না। সে তার ক্রুদ্ধ গলায় বলে উঠেছিল, বিশ্বাস করতে কে পায়ে ধরছে তোমায়? আমার ইচ্ছে আমি বসে আছি। ঘাট কি তোমার কেনা?

    সেই সৌম্যদর্শন প্রৌঢ় ছেলেটার কথায় বেশ কৌতুক অনুভব করেছিলেন তাতে সন্দেহ নেই। এবং ইচ্ছে করেই খানিকক্ষণ ধরে বাদবিতণ্ডা চালিয়েছিলেন মজা উপভোগ করতে।

    তারপর কেমন করেই যেন সন্ধি হয়ে গেল। আর কেমন করেই যেন ছেলেটা আশ্রয় পেয়ে গেল তার কাছে।

    কিন্তু শুধুই কি আশ্রয়?

    নিঃসন্তান দম্পত্তির হৃদয় উজাড় করা ভালবাসার অধিকারী হয় নি সেই মুখর ছেলেটা?

    আস্তে আস্তে সেই মুখরতা চপলতা সব অন্তর্হিত হয়ে স্থির শান্ত মেধাবী একটি ছাত্রে পরিণত হল সে। আর শুধু স্নেহেরই নয়, তাঁদের যথাসর্বম্বের উত্তরাধিকারী হয়ে উঠল।

    আশ্চর্য! তবু এক দিনের জন্য নিজে হাতে রেঁধে খাওয়ান নি কবিরাজগৃহিণী। অন্য এক ব্রাহ্মণবাড়িতে খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

    সমস্ত দৃশ্যগুলো যেন হঠাৎ চোখের উপর জ্বলজ্বলিয়ে উঠছে।

    রামকালী আবদার করেছেন, জেদ করেছেন, আমি তো তোমাদের জাতেরই হয়ে গেছি বলে যুক্তি খাড়া করেছেন, কবিরাজ-গৃহিণী হাসিভরা মুখ আর চোখভরা জল নিয়ে বলেছেন, পাগলা ছেলে, তাই কখনো হয়?

    তোমাদের তো পৈতে আছে বলেছিলেন রামকালী।

    গোবিন্দ গুপ্ত হেসেছিলেন, আছে, তা সত্যি। তবে কি জানিস? সবেরই তো জাত থাকে? কেউটে গোখরো আর ঢোড়া বোড়া যেমন এক নয়, তেমনি তোর পৈতে আর আমার পৈতে এক নয়। তোকে তো আমার দত্তক নিতে ইচ্ছে করে, কিন্তু নিই না। কখন কি অপরাধ ঘটে কে জানে!

    সেহের সঙ্গে শ্রদ্ধার এক আশ্চর্য সংমিশ্রণ!

    রামকালী প্রথমে বলেছিলেন, আমার কেউ কোথাও নেই।

    তারপর ধীরে ধীরে সবই প্রকাশ পেয়ে গিয়েছিল।

    গোবিন্দ গুপ্ত বলতেন, দেখ, তোর মা-বাপকে খবর না দেওয়া আমার পক্ষে মহাপাপ হচ্ছে, তুই নিষেধ করিস না, আমি কোন প্রকারে খবর দিই।

    রামকালী বলতেন, কেন? আমি বুঝি তোমার চক্ষুশূল হচ্ছি এবার? বেশ, পুণ্যির ভরা করে খবর দাও তুমি, দেখবে আবার পাখী ফুড়ুৎ!

    কবিরাজ-গৃহিণী ষাট ষাট করে শিউরে উঠতেন। বলতেন, তুমিই বা পাপ-পাপ করে ব্যস্ত হচ্ছে কেন বাপু? ওর মা-বাপ, বুঝবে। ছেলের প্রাণ যদি মা বলে না কাঁদে, বুঝতে হবে মায়ের প্রাণে কোথাও ঘাটতি আছে।

    মায়ের প্রাণে কি ঘাটতি থাকে বড়বৌ?

    কবিরাজ বলতেন সহাস্যে।

    রামকালী চড়ে উঠতেন। বলতেন, আচ্ছে। খুব আছে। আমাকে মা দু-চক্ষে দেখতে পারে না। নইলে পিসি যখন শাসন করে, তখন ইচ্ছে করে আমার নামে আরো লাগায়?

    সে বোধহয় ননদের ভয়ে।

    ইঃ, ভারী আমায় ভয়! মায়ার চেয়ে ভয় বড় হল?

    পরে অনেক সময় ভেবেছেন রামকালী, সত্যি মার জন্যে তো একটুও মন কেমন করত না। তাঁর। বরং কবিরাজ-গৃহিণী যখন অসুখে পড়তেন আর শেষে যখন মারা পড়লেন, লুকিয়ে লুকিয়ে কেঁদে কেঁদে শিরঃপীড়া জন্মে গিয়েছিল।

    কেন এমন হয়েছিল?

    রামকালী নিষ্ঠুর?

    তার মা-বাপই স্নেহহীন?

    বাপের সম্পর্কে এক কথায় রায় দিয়ে দিলেও মায়ের সম্পর্কে সে রায় দিতে একটু বাধতে। হয়তো বিবেকেই বাধতো।

    কিন্তু জীবনের এই শেষপ্রান্তে এসে যখন জীবনটাকে ওই ফেলে আসা গঙ্গার স্রোতের মতই সম্পূর্ণ আর স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন, তখন রামকালী নিঃশ্বাস ফেলে ভাবলেন, ভালবাসা জীবনে সেই একবারই লাভ করেছিলেন।

    সেই এক প্রৌঢ়া দম্পত্তির কাছে।

    সারা জীবনের অনেক পেয়েছেন রামকালী, শ্রদ্ধা সমীহ ভয় ভক্তি, ভালবাসা পান নি। সবাই তাকে দূরে রেখেছে, দূরে থেকে প্রণাম জানিয়েছেন।

    রামকালীর নিজেরই দোষ।

    দূরত্বের গণ্ডি নিজেই রচনা করেছেন তিনি। ইচ্ছে করে নয়, স্বভাবে।

    কোনদিন কি ভাবতে পেরেছেন তিনি, গ্রামের কোনো কাজকর্মে তিনি ব্রাহ্মণভোজনের সারিতে পাত পেতে বসেছেন? ভাবতে পেরেছেন তিনি কোথাও দান নিচ্ছেন? ….কারো চণ্ডীমণ্ডপে বসে গালগল্প করছেন? তাস-পাশা খেলছেন?

    ভাবলে হাসি পাবে কি, ভাবতেই পারেন নি।

    অথচ গ্রামের অনেক কুলীন সন্তানই এমনি সাধারণের ভূমিকায় জীবন কাটাচ্ছেন।

    কৌলীন্যটার সত্যকার বাস তবে কোথায়?

    কিন্তু আজ সংসারকে পরিত্যাগ করে যাবার সময় হঠাৎ মনে হচ্ছে রামকালীর, সারা জীবন বিজয়ীর ভূমিকা নিয়ে কাটালাম, কিন্তু সত্যি কি বিজয়ী হতে পেরেছি?

    তা হলে কেন মনে হচ্ছে, ভয়ানক একটা লোকসানকে টেনে এনেছেন তিনি সারাজীবন ধরে?

    লোকসানটা কী? পরাভবটা কোথায়?

    লোকসানের কথা ভাবতে অপ্রাসঙ্গিক একটা কথা মনে এল রামকালীর। কিংবা অপ্রাসঙ্গিক নয়।

    সত্য বড় আক্ষেপ করে বলেছিল, এই খেদ রয়ে গেল বাবা, তোমায় একদিন বেঁধে খাওয়াতে পারলুম না!

    আচ্ছা কতটুকু ক্ষতি হত রামকালীর, যদি সত্যর এই খেদটুকু না রাখতেন? নিয়মের সেই সামান্যতম হানির লোকসানটাই কী মস্ত একটা লোকসান হত?

    রামকালী তাঁর জীবনে যে বস্তুকে পরম মূল্য দিয়ে এসেছেন, সত্যিই কি সেটাই মূল্যের শেষ কথা?

    যদি তাই হয়, তবে কেন বার বার ভুবনেশ্বরী অদ্ভুত এক বিজয়িনীর হাসি হেসে চোখের সামনে এসে দাঁড়ায়?

    কেন বলে, জীবনে তো অনেক পেলে, পাওয়ার গৌরবে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখ নি, কিন্তু আসল ঘরটাই যে ফাঁকা পড়ে রইল তোমার, সে হিসেব কছে কোন দিন? কর্তব্যই করলে চিরকাল, ভালবাসতে পারলে কাউকে?

    মনের মধ্যে ডুব দিয়েছেন রামকালী।

    ভালবাসা? কার জন্যে সঞ্চিত থেকেছে?

    সত্যর মুখ ছাড়া আর কোনও মুখ-চোখ ভেসে উঠছে না।

    আর সব যেন জীবে’র প্রতি করুণা।

    সত্য আছে হৃদয়ের নিভৃতে অনেকখানি জায়গা দখল করে। কিন্তু সেটুকু কি সত্যকে কোনদিন জানতে দিয়েছেন রামকালী? জানানো দুর্বলতা ভেবে অনবরত বালি চাপা দিয়ে আসেন নি কি?

    হঠাৎ দুর্গা দুর্গা করে উঠলেন রামকালী। ছেড়ে দেওয়া মনকে যেন বেঁধে ফেললেন। বললেন, ওহে, মুঙ্গের পৌঁছবে কখন নাগাদ?

    মাঝি বলল, আজ্ঞে কর্তা, এই তো এসে পড়লাম বলে—

    আচ্ছা ভাল। কষ্টহারিণীর ঘাটে নৌকো বাধবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবকুলকথা – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article দশটি উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    বিবাগী পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    কুমিরের হাঁ – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ঠিকানা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ততোধিক – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    ১. খবরটা এনেছিল মাধব

    April 7, 2025
    আশাপূর্ণা দেবী

    নতুন প্রহসন – আশাপূর্ণা দেবী

    April 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }