Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১০ জাতীয় সংহতি

    জাতীয় সংহতি নিয়ে ইদানীং বহু আলোচনা হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। আমাদের। ইতিহাসে এক এক সময়ে এক একটি সমস্যা বড় হয়ে ওঠে, আমাদের মনের অনেকখানি জায়গা দখল করে বসে। দেশ যতদিন পরাধীন ছিল ততদিন পরাধীনতার সমস্যাটাই বড় ছিল, দেশকে কী করে স্বাধীন করা যায় এই প্রশ্নটাই আমাদের মনকে অধিকার করে ছিল। আজ দেশ স্বাধীন। এখন দেশের ঐক্য কী করে রক্ষা করা যায় সেটা বড় প্রশ্ন হয়ে উঠছে। স্বাধীনতা লাভের সময়ে দেশ একবার খণ্ডিত হয়েছে। সেটা আমাদের। কাছে একটা বেদনার কাহিনী। কিন্তু দেশ আবারও খণ্ডিত হতে পারে এই রকম আশংকা। অন্তত কিছুকাল আমাদের আলোড়িত করেনি। ঘটনা অবশ্য মাঝে মাঝেই অপ্রত্যাশিত মোড় নেয়। স্বাধীনতালাভের পর পঁচিশ বছর পূর্ণ হবার আগেই পাকিস্তান আবার দুই খণ্ড হল। এখন পাকিস্তান বলতে শুধু পশ্চিম পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তানের জন্মান্তর হয়েছে, নতুন জন্মে সে বাংলাদেশ। অবশিষ্ট পাকিস্তানের ভিতরও ঐক্য রক্ষা করা সহজ হচ্ছে না। সেখানে নানা ভাষা, নানা সম্প্রদায়। ভাষা, ধর্ম এইসব নিয়ে ভারতীয় সমাজের বৈচিত্র আরো বেশি। বস্তুত এটাই এদেশীয় সমাজের একটা মেল বৈশিষ্ট্য।

    অবশ্য বৃহৎ সমাজ মাত্রেরই একটা বৈশিষ্ট্য তার বৈচিত্র্য। কিন্তু ভারতে এটা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। চীনের সমাজও এক বৃহৎ সমাজ। কিন্তু সে দেশে এতো বিভিন্ন ভাষা নেই। সোভিয়েত দেশে নানা ভাষা আছে, কিন্তু ভারতের মতো এতো বিভিন্ন ধর্ম নেই। ভাষা ধর্ম সব মিলিয়ে ভারত যেন অতুলনীয়। ভারতের তুলনা চলে শুধু সারা পৃথিবীর সঙ্গে। ভারত একটি অপেক্ষাকৃত ছোট মাপের পৃথিবী। পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশের ভিতর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সমস্যার কথা আমরা শুনেছি। একই সমস্যা ভারতের অভ্যন্তরে। এখানে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ যদি আমরা দেখাতে পারি তবে সারা বিশ্বের সামনে একটা উদাহরণ তুলে ধরা হবে।

    এদেশের বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠি, সম্প্রদায়ের ভিতর সহযোগিতা ও সংঘাত সারাক্ষণই চলছে। খবরের কাগজ খুললেই সংঘর্ষের খবর চোখে পড়ে, কারণ সংঘর্ষটাই নাটকীয়, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যতিক্রম। আর যেটা ব্যতিক্রমী ও নাটকীয় সেটাই তো খবর। খবরের ইংরেজি প্রতিশব্দটি লক্ষ করলেই এটা স্পষ্ট হয়, যাতে নতুনত্ব আছে তারই নাম খবর। অতএব খবরের কাগজে আমরা বিভিন্ন জাতি ও উপজাতি, গোষ্ঠি ও সম্প্রদায়ের ভিতর সংঘাতের কথা বড় করে প্রত্যহ পাই। কিন্তু সে সবই হল সমাজের প্রাত্যহিক জীবনের ব্যতিক্রমী ঘটনা। এরই পাশে পাশে চলছে নিঃশব্দ সহযোগিতা।

    তবু এই ব্যতিক্রমী ঘটনাগুলিকেও ভালোভাবে বুঝতে হবে। সংঘাতের চরিত্র যদি আমাদের অজানা থাকে তবে সংহতির পথও খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। সমাজের গঠন এবং সংঘাতের স্বরূপ নিয়ে তাত্ত্বিকেরা নানা কথা বলেছেন। কারো কারো মতে সমাজের আসল দ্বন্দ্বটা হল ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে, শাসকশ্রেণীর সঙ্গে শোষিত শ্রেণীর। শ্রেণীদ্বন্দ্বের প্রবক্তারা সমাজকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন একদিকে আছে সম্পত্তির মালিক অনাদিকে সর্বহারা। আধুনিক সমাজে দ্বন্দ্বটা মূলত ধনিকের সঙ্গে শ্রমিকের মূলধন অথবা উৎপাদন যন্ত্রের মালিকানার প্রশ্নটা প্রধান প্রশ্ন। সমাজের গঠন এবং সামাজিক সংঘাতের চরিত্র বুঝতে হলে এইখানে দৃষ্টিপাত করাটাই সবচেয়ে জরুরী। অন্য এক দৃষ্টিভঙ্গীর কথা আমরা আগেই বলেছি। সেই দৃষ্টিতে দেখলে, বহুজাতি ও সম্প্রদায় নিয়ে ভারত এক মহাজাতি। প্রতিটি বৃহৎ সমাজ যেন একটি যুক্তরাজ্য, যার ভিত্তিতে আছে স্থানীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে বিবিধ লোকসমাজ। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গীকে মেলানো যায় কিছুর পর্যন্ত, দুয়েতেই কিছু সত্য আছে। জাতিতে সম্প্রদায়ে বিভক্ত। আমাদের এই সমাজ আবার সমাজে শ্রেণীদ্বন্দ্বও আছে।

    কিন্তু এদের মেলাবার আগে এই দুই দৃষ্টিভঙ্গীর চরিত্রগত গভীর পার্থক্যটা বুঝে নেওয়া ভালো। কোনো এককালে সমাজ বলতে প্রধান ছিল গ্রামসমাজ। সেখানে জাতি ধর্ম। এইসব ভিত্তি করেই ছিল মানুষের পরিচয়। বাণিজ্যের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে উঠল অন্য এক জগৎ। তার কেন্দ্রে আছে নাগরিক সমাজ। নগরের অজানা বহু লোকের ভিড়ে মানুষের পরিচয় কিছুটা অস্পষ্ট হয়ে যায়। ক্রেতা অথবা বিক্রেতা, মালিক কি মজুর হিসেবে সে চিহ্নিত হয়। মানুষের শ্রেণী পরিচয়ে তার জাতি অথবা ধর্ম প্রধান কথা নয়, আর্থিক সম্পর্কটাই প্রধান। নিছক শ্রেণীভিত্তিক বিশ্লেষণে আমরা যে দৃষ্টিভঙ্গী পাই সেটা মূলত নাগরিক। জাতি ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন করে ব্যক্তির পরিচয় খোঁজাটা গ্রামীণ সংস্কৃতির চরিত্রের সঙ্গে মেলে না। নাগরিক সভ্যতার কিছুটা দাপট সত্ত্বেও এ দেশের সংস্কৃতি আজও গভীরভাবে গ্রামীণ। আমাদের সমাজে তাই সহযোগিতা অথবা সংঘর্ষের কাহিনী লেখা যায় না সম্প্রদায়কে বাদ দিয়ে। ভারতবর্ষের ইতিহাসচচা বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ একদিন লিখেছিলেন, “আমাদের প্রাচীন ভারতে অসামঞ্জস্য রাজায় প্রজায় ছিল না, সে ছিল এক জাতিসম্প্রদায়ের সঙ্গে অন্য জাতিসম্প্রদায়ের।” কথাটা আজও সম্পূর্ণ মিথ্যা নয়। বস্তুত শুধু ভারতই নয়, পৃথিবীর অন্যত্রও একই কথা অল্প বেশি সত্য। আরব ইহুদী সংঘর্ষ, শ্বেতবর্ণ কৃষ্ণবর্ণের ভিতর বিদ্বেষ, ইংরেজ ও আইরিশের কলহ, জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ, এইসবের ভিতর মানুষের সম্প্রদায়ভিত্তিক পরিচয় অস্বীকার করা যায় না। পৃথিবীর কোথাও মানুষের চৈতন্য শুদ্ধ নাগরিকতার ছাঁচে গঠিত নয়।

    অসামঞ্জস্যটা আমরা যেভাবে দেখি সামঞ্জস্য স্থাপনের উপায়টাও সেইভাবেই বুঝি। এদিক থেকেও দুই দৃষ্টিভঙ্গীর পার্থক্য আছে। যদি বলি যে, সমাজ সংগঠনের মূল কথাটা হল এই যে, সমাজ দুই শ্রেণীতে বিভক্ত, শোষক শ্রেণী আর শোষিত শ্রেণী, তবে শোষক শ্রেণীকে উৎখাত করই সমাজে সামঞ্জস্য স্থাপনের পথ হিসেবে দেখা যায়। যদি ভাবি যে, এই বৃহৎ সমানে বহু জাতিসম্প্রদায়ের এক যুক্তরাজ্য, তবে সাম্প্রদায়িক কলহের ভিতরও দায়িত্বশীল যের চোখে সাম্প্রদায়িক ঐক্য স্থাপনের কথাটাই বড় হয়ে ওঠে। যুধ্যমান দুই সম্প্রদায়ের ভিতর একটিকে উৎখাত করে শান্তি স্থাপনের চিন্তাটা একটা অমানুষিক চিন্তা। রবীন্দ্রনাথের কাছে তাই বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রক্ষাই শান্তির বাণী।

    যাঁরা শ্রেণীদ্বন্দ্বের তত্ত্বে বিশ্বাসী তাঁরা অন্তত তাত্ত্বিকভাবে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী। সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ফলে শ্রেণীদ্বন্দ্বের শক্তি বিপথগামী হয়। মানুষের সংগ্রামী শক্তিকে চালিত করতে হবে শ্রেণীসংগ্রামের পথে, নান্য পস্থা। কিন্তু এটা মূলত রণকৌশলের কথা! সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে আমরা মূল্য দিই কি না, এটা হল মূল্যবোধের প্রশ্ন। মানবতাবাদের তত্ত্বের সঙ্গেও একে স্বতঃসিদ্ধভাবে একাকার করে দেওয়া যায় না। রবীন্দ্রনাথ মানুষের ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু সব স্থানীয় সংস্কৃতিকে একাকার করে তিনি মানবসংস্কৃতি স্থাপন করতে চাননি। বৈচিত্র্যকে রক্ষা করে তিনি ঐক্য চেয়েছেন। আমাদের মেনে নিতে হয় যে, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আছে; সামাজিক সংগঠনে এর একটা স্থান আছে; এর নিজস্ব মূল্য আছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে শ্রেণীদ্বন্দ্বের তত্ত্বের পরিপূরক হিসেবে গ্রহণ করা যায়, কিন্তু একটিকে অন্যটির অন্তর্গত করা যায় না। এর যে-কোনোটিই এককভাবে অসম্পূর্ণ। রবীন্দ্রনাথ শোষণের বিরোধী ছিলেন। কিন্তু এতে রাবীন্দ্রিক বাণী সম্পূর্ণ হয় না। তিনি বৈচিত্রের ভিতর ঐক্যের প্রতিষ্ঠা চেয়েছিলেন, একথাটা যোগ করতে হয় তার নিজস্ব মূল্যে।

    ভারতীয় সমাজের অভ্যন্তরে আধুনিককালে যে সংঘর্ষ দেখা গেছে তার কিছুটা কারণ ধর্মান্ধতা, অনেকটার মূলেই আছে ক্ষমতা অথবা সামাজিক প্রতিষ্ঠা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ইতিহাসের এই পর্বের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এদেশের ইংরেজ বণিকের কর্তৃত্ব স্থাপনের পর নতুন এক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে উঠল। এই প্রশাসনযন্ত্রে প্রবেশ লাভের জন্য ভারতীয় মধ্যবিত্তের ভিতর একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হল। এই প্রবেশ লাভের জন্য প্রয়োজন ছিল ইংরেজিভিত্তিক কলেজী শিক্ষা। হিন্দু, বিশেষত বাঙ্গালী উচ্চবর্ণের মানুষ, সর্বপ্রথম এই নতুন শিক্ষালাভের জন্য এগিয়ে যায়। পরে মুসলমানেরাও এই শিক্ষায় আগ্রহী হয়। ততদিনে হিন্দু উচ্চবর্ণ সরকারী শাসনতন্ত্রে অনেকটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। এইভাবে শুরু হল হিন্দু এবং মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের নতুন মধ্যবিত্তের ভিতর সংঘাত।

    স্বাধীনতালাভের পর কলেজী শিক্ষার আরো সম্প্রসারণ ঘটেছে। এখন সংঘর্ষ দেখা দিয়েছে হিন্দু উচ্চবর্ণের সঙ্গে হিন্দু নিম্নবর্ণের। বর্ণ না বলে জাতি অথবা জাত বলাটাই। সঙ্গত, এ দুয়ের ভিতর অর্থভেদ আছে। যাই হোক, একটা কথা এখানে বিশেষভাবে লক্ষ করতে হবে। কলহটা যখন ছিল প্রধানত হিন্দু ও মুসলমান মধ্যবিত্তের ভিতর তখনও সেটা দুই সম্প্রদায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আকার ধারণ করে, সেভাবেই ইতিহাসে তার প্রভাব আঁকা হয়ে গেছে। আজকের জাতিতে জাতিতে যে সংঘর্ষ সেখানেও ব্যাপারটা ঐ ধরনের হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাঁরা নতুন কলেজী শিক্ষা লাভ করেছেন, হিন্দুসমাজের পিছিয়ে পড়া জাতির ভিতর তাঁরা সংখ্যায় স্বল্প। তবু কলহটা হয়ে উঠেছে জাতিতে জাতিতে কলহ। এটাকে শুধু উচ্চশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী কৌশল বললে ঠিকভাবে বলা হয় না। আসলে সাধারণ মানুষের আত্মপরিচয় স্বাভাবিকভাবে জাতিভিত্তিক ও সম্প্রদায়সংলগ্ন, এ কথাটা অস্বীকার করে আমাদের সমাজকে বোঝা যাবে না।

    এই গোড়ার কথাটা মেনে নিয়ে আমাদের আইনে ও সংবিধানে কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনুসূচিত জাতি এবং পিছিয়ে পড়া জাতিকে কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এই আইনকানুনের ধারায় এবং প্রয়োগে কিছু ত্রুটি আছে, সে কথা ভিন্ন। কিন্তু আমরা, বিশেষত অগ্রসর জাতের অনেকে, গোড়াতেই একটা আপত্তি তুলি। আমরা বলি, জাতের ভিত্তিতে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়াটাই ভুল, দিতে হবে ব্যক্তি কিংবা পরিবারের আর্থিক আয়ের অর্থাৎ দারিদ্র্যের বিচারে। অর্থাৎ, আমরা ধনী দরিদ্রের পার্থক্য বুঝি, জাতের পার্থক্যটা লক্ষ করতে চাই না। কিন্তু আমাদের বৃহৎ সমাজে জাতিতে জাতিতে পার্থক্যটা উপেক্ষা করবার মতো নয়। সমগ্র মানবসমাজের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাপারটা বুঝবার চেষ্টা করলেও একই সিদ্ধান্তে আসতে হয়। দেশ তো একটা সমষ্টিগত ব্যাপার, প্রতি দেশের ভিতর ধনী দরিদ্রের পার্থক্য আছে, গরীব দেশেও কিছু ধনী আছে। দেশের ভিতরকার অসাম্য দূর করবার চেষ্টা আবশ্যক, কিন্তু উন্নত দেশ ও অনুন্নত দেশের ভিতর যে আর্থিক দূরত্ব সেটাও কমাবার জন্য কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। দেশের ভিতর জাতিতে জাতিতে যে আর্থিক বৈষম্য তার বেলায় একই কথা বলতে হবে। অনুসূচিত জাতির ভিতর যারা অর্থবান ও সম্পত্তিবান তাদের জন্য বিশেষ অর্থসাহায্য দেওয়া ঠিক হবে না, এ কথা মেনে নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিভিন্ন জাতি এবং সম্প্রদায়ের ভিতর যেখানে উন্নতির মানে দূরত্ব আছে সেখানে সেই দূরত্ব কমাবার জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই হবে, তা নইলে সমন্বয় সাধনের কোনো স্থায়ী ভিত্তিই প্রস্তুত হবে না।

    অবশ্য চাকরীর ক্ষেত্রে সরকারী সংরক্ষণ নীতিও যথেষ্ট নয়। অন্তত দুদিক থেকে এর গুরুতর অসম্পূর্ণতা চোখে পড়ে। এই সংরক্ষণ নীতিকে আশ্রয় করে অনুন্নত জাতের ভিতর থেকে যাঁরা শিক্ষিত এবং সুবিধাভোগী হয়ে বেরিয়ে আসছেন তাঁদের অনেক সময়ই একটা ত্রিশঙ্কু অবস্থায় গিয়ে পড়তে হচ্ছে। তাঁরা নিজেদের জাত থেকেও বিচ্ছিন্ন আবার। শিক্ষা সত্ত্বেও উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজের সঙ্গে তাঁদের সুষ্ঠু কোনো সমন্বয় ঘটেনি। শুধু সরকারী আইন দিয়ে সমাজ সমন্বয়ের কাজ কখনও সম্পূর্ণ হয় না। এজন্য প্রয়োজন হয় বৃহত্তর এক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলন। এই হল প্রথম কথা।

    এরপর আসে দ্বিতীয় কথা। আমাদের কলেজী শিক্ষার দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটছে। গ্রামের সমাজ থেকে আগে মুষ্টিমেয় ছেলেই কলেজে প্রবেশ করত। আজ তাদের সংখ্যা। অনেক বেড়েছে। আরো বাড়বে। এরা সবাই যদি সরকারী চাকরীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামে তবে সাধারণ গাণিতিক নিয়মেই একটা অসম্ভব অবস্থার সৃষ্টি হতে বাধ্য, হচ্ছেও। এই অবস্থায় পিছিয়ে পড়া জাতের শিক্ষিত ছেলেমেয়েদেরও চাকরী দেওয়া যাবে না, অগ্রসর জাতের কথা তো ছেড়েই দেওয়া গেল। এ পথে সামাজিক সংঘর্ষ বাড়বে, কমবে না। গ্রামীন অর্থনীতি এবং সেই সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার রূপান্তর অতএব আমাদের প্রাথমিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    একদিকে গ্রামের সমাজে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সেবা ব্যবস্থার অভাব। আর অন্যদিকে গ্রামের শিক্ষিত ছেলেরা বেকার। এই অসঙ্গতি থাকতে দেবার অর্থ হয় না। আমাদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এমন হওয়া সম্ভব যে গ্রাম থেকে ছেলে বেছে নিয়ে তাদেরই তৈরি করা যায় গ্রামে নিরক্ষতা দূরীকরণের কাজের জন্য, অথবা গ্রামের স্বাস্থ্য পরিকল্পনায় নিযুক্তির জন্য, অথবা গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মনিবাহের উদ্দেশ্যে। আরো গোড়ার কথা এই যে অনুন্নত জাতি ও উপজাতির উন্নতি এবং গ্রামোন্নয়নের জন্য সরকারী তহবিল থেকে যে। টাকা আসে তার অনেকটাই আজকাল অর্ধপথে অন্তর্হিত হয় অনেক শহরবাসী মধ্যস্থের পকেটে। গ্রামীণ সংগঠনের কাজে গ্রামে মানুষদের যাতে প্রধান ভূমিকা থাকে, তারাই যাতে পরীক্ষা নিরীক্ষার ভিতর দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনার কাজে অগ্রসর হতে পারে, এই রকমই করতে হবে। নয় তো আমাদের সমাজ ও অর্থনীতি তার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দেই বিধ্বস্ত হবে। গ্রামের সমাজে ব্যাধি জমে উঠবে আর শহরের হাসপাতালে তার সুষ্ঠু আরোগ্যের ব্যবস্থা হবে, এটা সম্ভব নয়। বহু জাতিতে ও সম্প্রদায়ে বিভক্ত এই বৃহৎ সমাজে গ্রামের দিকে চোখ রেখেই সামাজিক নানা ব্যাধির আরোগ্যের আয়োজন করতে হবে।

    জাতীয় সংহতির জন্য নানা পথে একই সঙ্গে চেষ্টা করা ছাড়া উপায় নেই। আর্থিক আয়োজনই যথেষ্ট নয়। প্রথমত আর্থিক উন্নয়ন সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। দ্বিতীয় একটা কথাও আছে। সম্প্রতি যে সব দিক থেকে জাতীয় সংহতির উপর আক্রমণ এসেছে সেগুলি বিবেচনা করে দেখলে একটা ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যে সব রাজ্য অথবা। সম্প্রদায় আর্থিক বিচারে সবচেয়ে দুর্দশাগ্রস্ত তারাই যে সংহতিবিরোধী কাজে সবচেয়ে সক্রিয় হয়েছে এমন মোটেই নয়। ভারতের দরিদ্রতম প্রধান রাজ্য বিহার, পঞ্জাব নয় প্রত্যেকটি রাজ্য ও সম্প্রদায়েরই নিজস্ব সমস্যা অথবা অসন্তোষের কিছু কারণ থাকে একথা ঠিক, কিন্তু জাতীয় সংহতির বিরোধী শক্তিগুলিকে যে সব সময়েই কিছু ন্যায্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে সন্তুষ্ট করা যায় এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অতঃপর কী করা যায়?

    জাতীয় সংহতির ওপর যখন আঘাত আসে তখন সরকার অনেক সময়েই সামরিক উপায়ে তাকে আটকাতে চেষ্টা করেন। তারই চরম দৃষ্টান্ত সামরিক ডিক্টেটরশিপ। নানা কারণে সামরিক শাসনে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলির দিকে তাকালেই সেটা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। সামরিক শাসন জাতীয় সংহতিবিরোধী শক্তিগুলিকে নির্মূল করতে পারে না, তাদের কিছুকালের জন্য আত্মগোপন করতে বাধ্য করে মাত্র। বহুজাতিক সম্প্রদায়ে বিভক্ত বৃহৎ দেশকে বেশিদিন সামরিক স্বেচ্ছাচারিতায় ঐক্যবদ্ধ রাখা যায় না। অবশেষে কোনো একপ্রকার ঐকমত্যের দিকে অগ্রসর হতে হয়। বিভিন্ন জাতির স্বায়ত্তশাসনের অধিকার অনেকটা মেনে নিতে হয়। ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ নয়, সমাধান খুঁজতে হয় বিকেন্দ্রীকরণের পথে।

    তবে এখানেও সমস্যার অতি সরলীকরণের একটা ভয় আছে। রাজ্য সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিলে তাকে ক্ষমতার একপ্রকার বিকেন্দ্রীকরণ বলা যেতে পারে। বিকেন্দ্রীকরণের শেষ লক্ষ্য কিন্তু গ্রামসমাজ। দলীয় রাজনীতি যেহেতু ক্ষমতা নিয়ে লড়াই, রাজ্যগুলি যদি এই লড়াইয়ে মত্ত হয়ে ওঠে তবে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ হতে পারে রাজ্যের স্তরে। তাতেই জাতীয় সংহতি নিরাপদ হবে এমন নয়। জঙ্গী শিখেরা রাজ্যের হাতে কতটা ক্ষমতা চাইবে? কিছু পাবার পর আরো ক্ষমতা পাবার তৃষ্ণা বেড়ে যাবারই সম্ভাবনা। কোনো এক রাজ্য বেশি পেলে অন্যান্য রাজ্য কি অল্পে সন্তুষ্ট থাকবে? আরো বেশি পাবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যদি সব রাজ্য জড়িয়ে পড়ে তবে এর শেষ কোথায়? এই রকম কিছু প্রশ্ন একেবারে অগ্রাহ্য করা যায় না।

    কেউ কেউ সোবিয়েত দেশের উদাহরণ তুলে ধরেন। দেশ ভাগের ঠিক আগে মুসলমান সম্প্রদায়ের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিয়ে একটা বিতর্ক শুরু হয়েছিল। আমাদের কম্যুনিষ্ট বন্ধুদের মুখে আমরা তখন শুনেছিলাম যে, সোবিয়েত যুক্তরাজ্যে অঙ্গরাজ্যগুলির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে। কিন্তু ঐ অধিকার সত্ত্বেও সোবিয়েত দেশ যে খণ্ড খণ্ড হয়ে যায়নি তার কারণ সারা দেশে ক্ষমতার একচেটিয়া অধিকার নিয়ে আছে একটিমাত্র দল। সেই দলের শক্তিতে সংহতি রক্ষা হচ্ছে। সংবিধানে কী বলা আছে সেটা প্রধান কথা নয়, বাস্তব অবস্থাটা বিবেচ্য। সত্যি কি কোনো অঙ্গরাজ্যকে সোবিয়েত সরকারের ক্ষমতার নাগালের বাইরে যেতে দেওয়া হবে, যদি সে যেতে চায়? প্রশ্নটা আরো একটু বিস্তৃত করে জিজ্ঞেস করা যাক। পূর্ব ইউরোপের কোনো রাষ্ট্রকেই কি মস্কোর কর্তৃত্বের বাইরে যেতে দেওয়া হবে? এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, মস্কো যথাশক্তি এটা হতে দেবে না। এর সপক্ষে যুক্তি দেখানো হয়েছে যে, পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদের। অভিসন্ধিই সিদ্ধ হবে যদি সোবিয়েত দেশ অথবা পূর্ব ইউরোপ টুকরো টুকরো হয়ে যায়। আমাদেরও সতর্ক হয়ে চলা প্রয়োজন। আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিয়ে দেশ যদি খণ্ড খণ্ড হয়ে যায় তবে পূর্ব এবং পশ্চিমের বৃহৎ শক্তির যুদ্ধক্ষেত্র হয় না কি সেই বহুবিভক্ত ভারত?

    ভারতে একদলীয় শাসনতন্ত্র নেই। আমাদের গণতন্ত্রের ধারণার সঙ্গে ওটা মেলে না। কিন্তু আমরা জাতীয় সংস্কুতি রক্ষা করতে চাই। কী ভাবে সেটা সম্ভব? এটাই মূল প্রশ্ন। সঠিক আর্থিক নীতি যদিও জরুরী তবু কোনো আর্থিক কার্যক্রম দিয়েই জাতীয় সংহতিকে নিশ্চিত করে তোলা যাবে না। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ বাঞ্ছনীয়, অথচ সেটাও যথেষ্ট নয়। জাতীয় সংহতির জন্য আরো যা চাই কোথায় তাকে পাব? প্রশ্নটা যদি আমাদের ধাক্কা দেয় তাতেও কিছু কাজ হয়।

    সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার ভিতর দিয়ে এমন কিছু আদর্শের কথা মানুষের চেতনায় জাগ্রত রাখতে হবে যার ফলে সংহতি রক্ষা পায়। কিন্তু কোন্ আদর্শের কথা? অনেকেরই আসলে মনে আছে জাতীয়তাবাদী আদর্শের কথা। অনেকেই ভাবছেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতি নতুন প্রজন্মকে অনুরক্ত করে তোলা আবশ্যক। এখানেও কিছু প্রশ্ন থেকে যায়। জাতীয়তাবাদের আদর্শও দেখা দিয়েছে একাধিকরূপে। হিন্দু মহাসভারও একটা জাতীয়তাবাদ ছিল, যেটাকে আমরা অনেকেই গ্রহণ করি না। স্বাধীনতা সংগ্রামের ব্যাখ্যা নিয়ে আছে নানা বিবাদ

    জাতীয়তাবাদের কথা অনেকে বলবেন নিজের মতো করে। কিন্তু মতবাদের চেয়েও বড়, কিছু মূল্যবোধ। বহু আশা ও নৈরাশ্যের ইতিহাস, বহু মতবাদের ধ্বংসস্তূপ অতিক্রম। করেও থেকে যায় কিছু মূল্যবোধ। গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষের কাছে আমরা। পাই সেই মূল্যের পরিচয়। জাতীয় সংহতি রক্ষার কোনো অনায়াসসিদ্ধ এবং সুনিশ্চিত পথ নেই। কিন্তু অন্য সব উপায়ের সঙ্গে যোগ করতে হবে মূল্যবোধেরও শিক্ষা। সে। শিক্ষার একটি প্রধান কথা এই আমরা যে কোনো জাতি অথবা সম্প্রদায়েরই অন্তর্ভুক্ত হই না কেন, তাকে উন্নত করে তোলা যাবে না আত্মসংকোচনের পথে। বৃহওর কিছুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তবেই সম্ভব তার বৃদ্ধি ও বিকাশ, তবেই তার সার্থকতা, শেষ অবধি, সব অর্থেই।

    এটা একটা সহজ সত্য, বাস্তববুদ্ধি এবং আদর্শবাদ যেখানে একবিন্দুতে এসে মিলেছে। এদেশের বিভিন্ন জাতি সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পিছনে এটাকেই মূল যুক্তি বলে আজ গ্রহণ করা যায়। সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মনিরপেক্ষতা বলে দুটি শব্দ আমরা ব্যবহার করে থাকি। কোনো সম্প্রদায়েরই স্থায়ী উন্নতি সম্ভব নয় যদি সে নিজের ভিতর নিজেকে গুটিয়ে রাখে। এতে তার আর্থিক উপার্জনের সুযোগ সংকীর্ণ হয়, বুদ্ধির মুক্তি ঘটে না, নীতিরও দুর্গতি ঘটে। সাম্প্রদায়িক জীবনের এই আবদ্ধ অবস্থাকেই আমরা বলব সাম্প্রদায়িকতা। আর যখন কোনো সম্প্রদায় অন্যান্য সম্প্রদায়ের ধর্মকে সমান শ্রদ্ধা জানিয়ে সহযোগিতার উন্মুক্ত পথে এগিয়ে যেতে আগ্রহী হয় তাকেই আমরা বলি ধর্মনিরপেক্ষতা। অন্তত ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতার এটাই প্রায়োগিক অর্থ। সব ধর্মকে সমান শ্রদ্ধা দেখাবার যুক্তি এখানে সরল। বৃহত্তর সহযোগিতার জন্য যে সব নৈতিক নিয়ম প্রয়োজন তাদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব সব ধর্মের ভিতর। ধর্মবিশেষের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কাজটা প্রধানত সেই ধর্মাবলম্বীর হাতে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। কোন ধর্ম বড় কোনটা ছোট, এই তর্কে শুধু সহযোগিতার পথে বাধা সৃষ্টি হয়।

    নিজের সম্প্রদায়ের প্রতি মানুষের একটা স্বাভাবিক মমতা থাকে। তাতে দোষ নেই। প্রতিবেশীকে নিয়েই তো স্বাভাবিক নিয়মে সহযোগিতার শুরু। অন্যায় প্রতিবন্ধক থেকে নিজের সম্প্রদায়কে মুক্ত করবার চেষ্টাও সঙ্গত। কিন্তু শেষ লক্ষ্য হবে সহযোগিতার সম্প্রসারণ প্রকৃত দূরদৃষ্টি নিয়ে দেখলে এতেই স্বজাতিরও কল্যাণ।

    এসব কিছুই নতুন কথা নয়। এ সবই বোঝা সহজ, বোঝানো যায়। শিক্ষিত উপজাতীয় যুবক একথাগুলি সহজেই বোঝে, এটা আমি নিজেই দেখেছি। সর্বভারতীয় কোনো দলের অন্তর্ভুক্ত হতে রাজি নন এমন উপজাতীয় নেতার সঙ্গে কথা বলেও দেখেছি, তিনি সোৎসাহে সহমত জানিয়েছেন।

    আপত্তি তোলেন কিছু বিজ্ঞ সংশয়বাদী কিন্তু নীতিকথায় কি কাজ হয়? না, হয় না। শুধু রাজনীতির কৌশলেও কিন্তু বেশী কিছু হয় না। সবই চাই আর্থিক পরিকল্পনা, বিজ্ঞ রাজনীতি, মূল্যবোধ।

    গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ (১৯৮৬)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }