Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১২ মাতৃভাষা, ইংরেজী ও হিন্দী

    এ বিষয়ে মতভেদের অবকাশ কম যে, শিক্ষার প্রধান বাহন হওয়া উচিত মাতৃভাষা। শুধু বিদ্যালয়ে নয়, উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও এ ব্যবস্থাই যথাসম্ভব শীঘ্র চালু হওয়া একান্ত। বাঞ্ছনীয়। যে-ভাষায় আমাদের মনে অভিজ্ঞতা প্রথমে আকার গ্রহণ করে, জীবনের। বিচিত্র সমস্যা যে-ভাষায় আমাদের চেতনায় স্বভাবত উদিত হয়, যে-ভাষা আমাদের কাছে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের মতো সহজ, সে ভাষায় বিগলিত হয়ে যে-শিক্ষা আমাদের মনে প্রবাহিত হয় সেই শিক্ষারই উপলব্ধির গভীরতম স্তরে সঞ্চার সম্ভব।

    উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে এদেশে মাতৃভাষার পাশে, দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে, ইংরেজীরও একটি স্থান থাকা বাঞ্ছনীয়। কারো কারো মতে অহিন্দীভাষী অঞ্চলে মাতৃভাষার পাশে এই দ্বিতীয় স্থান হিন্দীরই প্রাপ্য, ইংরেজীর নয়। এ মত গ্রহণের অযোগ্য। হিন্দীর সাহায্যে যা পাওয়া সম্ভব মাতৃভাষার সাহায্যে তা সবই পাওয়া যায়। উপরন্তু যা-কিছু জ্ঞানবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ইংরেজীর মাধ্যমে পেতে পারি হিন্দীর কাছ থেকে তা পেতে পারি না বিশ্বের চিন্তা ও কর্মের সঙ্গে যোগাযোগের সেতু হতে পারে ইংরেজী, হিন্দী নয়। এই সেতুটিকে সযত্নে রক্ষা করা আমাদের চিন্তা ও কর্মের প্রসারের পক্ষে একান্ত প্রয়োজনীয়। সাহিত্য ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ইংরেজী আমাদের একটি উচ্চতর মানের নির্দেশ দেয়। শিক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজীর একাধিপত্য হানিকর এবং মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের প্রস্তাব সাধু। কিন্তু আধিপত্য নয়, ইংরেজীর সাহচর্য আমাদের মাতৃভাষারই উন্নতিতে সহায়ক।

    জাপানে শিক্ষার ক্ষেত্রে মাতৃভাষার পরই দ্বিতীয় স্থান ইংরেজীর! এমন কি রুশ দেশ সম্বন্ধেও একথাই সত্য। আন্তজাতিক যোগাযোগের উদ্দেশ্যে এসব দেশে ইংরেজী একটি বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে। জাপান অথবা রুশদেশের চেয়েও আমাদের দেশে ইংরেজীর প্রয়োজন আরও বেশী। বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের ভাষা হিসেবেই নয়, ভারতের আভ্যন্তরীণ যোগাযোগের অন্যতম ভাষা হিসাবেও এদেশে ইংরেজীকে রক্ষা করা প্রয়োজন।

    আন্তর্ভারতীয় যোগাযোগের একমাত্র ভাষা হিসাবে হিন্দীকে নির্বাচন করবার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়।

    এদেশের বিদ্বজ্জনসমাজে এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের চিন্তার আদান-প্রদান চলে আজ প্রধানত ইংরেজীর মাধ্যমে। একটি উদাহরণ ধরা যাক। পঞ্চবর্ষ পরিকল্পনা সারা ভারতের পরিকল্পনা। দেশজোড়া অর্থনীতিবিদদের এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং চলা প্রয়োজন। যে সমস্ত সাপ্তাহিক, মাসিক এবং ত্রৈমাসিক কাগজে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের। অর্থনীতিজ্ঞদের উচ্চাঙ্গ আলোচনা চলছে সেকাগজগুলির ভাষা প্রধানত ইংরেজী। শুধু অর্থনীতি বিষয়ে নয়, জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রতি বিষয়েই এ-ধরনের ভারতীয় পত্রিকার প্রয়োজন আছে, যাতে কলকাতার বিদ্বজ্জন, মাদ্রাজ বা দিল্লীর সমধর্মীর প্রবন্ধ পড়তে পারবেন ও সরাসরিভাবে পাল্টা বক্তব্য জ্ঞাপন করতে পারবেন। এখন ধরা যাক যে, আন্তভারতীয় চিন্তার আদান-প্রদানে ইংরেজীর স্থলে হিন্দী প্রতিষ্ঠিত হলো। বাংলার বিদ্বজ্জন সর্বভারতের জন্য এবার লিখতে বাধ্য হবেন হিন্দী ভাষায়। অবশ্য বাংলা বা অন্য যে-কোনো ভাষা থেকে হিন্দীতে অনুবাদ সম্ভব। কিন্তু আলোচনা এবং উত্তর প্রত্যুত্তরের যে সচল ধারা অবিরাম চলছে তার জন্য একটি প্রত্যক্ষ যোগাযোগের ভাষা অপরিহার্য। যদি এই প্রত্যক্ষ যোগাযোগের একমাত্র ভাষা হিসাবে হিন্দী গৃহীত হয় তবে অহিন্দী ভাষীর পক্ষে হিন্দী ভাষার সঙ্গে শুধু সাধারণ পরিচয়ের সম্পর্ক স্থাপন করা যথেষ্ট হবে না; হিন্দী ভাষায় নিজের চিন্তাকে নিপুণভাবে প্রকাশ করে হিন্দীভাষী পণ্ডিতদের সঙ্গে সমপর্যায়ে তর্ক চালিয়ে যাবার যোগ্য হিন্দী জ্ঞান তাঁকে লাভ করতে হবে। তিনটি ভাষার সঙ্গে সাধারণ পরিচয় লাভ খুব কঠিন নয়; কিন্তু তিনটি ভাষায় নিপুণভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারা বুদ্ধিমান লোকের পক্ষেও প্রায়ই অসম্ভব। যদি সর্বভারতীয় প্রতিষ্ঠা অর্জনের জন্য অহিন্দীভাষী বিদ্বান ব্যক্তি হিন্দীর প্রয়োগে পাণ্ডিত্য ও কৌশল অর্জন করতে বাধ্য হন তা হলে মাতৃভাষা অথবা ইংরেজী অথবা দুই-ই অবহেলিত হতে বাধ্য এবং যেহেতু মাতৃভাষা অথবা ইংরেজীকে সর্বাংশে অবহেলা করা সহজ হবে না, অতএব মাতৃভাষা যাঁদের হিন্দী তাঁদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অহিন্দীভাষী অসুবিধা এড়াতে পারবেন না।

    যদি হিন্দী ভারতবর্ষের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃত হয় তা হলে এই বিপদ বহু গুণে বৃদ্ধি পাবে। হিন্দী রাষ্ট্রভাষা হিসাবে গৃহীত হলে রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর হিন্দীভাষীদের কর্তৃত্ব স্থাপন অপেক্ষাকৃত সহজ হবে। এ আশঙ্কা বিশেষভাবে প্রবল এই কারণে যে, হিন্দীভাষীরা ইতিমধ্যেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ভারে শক্তিশালী। এই বিশেষ গোষ্ঠীর ভাষাই যদি রাষ্ট্রভাষা হিসাবে গৃহীত হয় তবে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক জীবনের উপর এদের আধিপত্য প্রতিরোধ্য হবে।

    এই আশঙ্কার উত্তরে কেউ কেউ কেন্দ্রীয় সরকারী পরীক্ষায় চোদ্দটি ভারতীয় ভাষার সমান ব্যবহার এবং কেন্দ্রীয় শাসনকার্যে কর্মচারী নিয়োগে এক ধরনের প্রাদেশিক বাঁটোয়ারা ব্যবস্থার প্রস্তাব তুলেছেন। এ-ব্যবস্থার নানা অসুবিধা আছে; কিন্তু অন্যান্য অসুবিধার কথা ছেড়ে দিয়েও এব্যবস্থার দ্বারা শাসনযন্ত্রের উপর হিন্দী ভাষাভাষীদের কর্তৃত্ব রোধ করার চিন্তা অবাস্তব। সরকারী পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রতিদ্বন্দ্বিতার শুরু মাত্র। আসল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কর্মজীবনে। যদি হিন্দী একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে গৃহীত হয় তবে সারা কর্মজীবনেই হিন্দী ভাষাভাষীরা তাঁদের মাতৃভাষার সৌভাগ্যে একটি বিশেষ সুবিধার অধিকারী হবেন। অহিন্দীভাষীদের অসুবিধা প্রাদেশিক বিদ্বেষ ও তিক্ততার সৃষ্টি করবে। এই বিদ্বেষের পরিমণ্ডলে প্রাদেশিক বাঁটোয়ারা ব্যবস্থা দেশবিভাগের চিন্তার দিকেই আবার আমাদের ঠেলে নিয়ে যাবে।

    কেউ কেউ এই প্রসঙ্গে ভারতের প্রধান চোদ্দটি ভাষাকেই কেন্দ্রীয় সরকারী ভাষা হিসাবে গ্রহণ করবার কথা বলে থাকেন। এ প্রস্তাবও সম্পূর্ণ কার্যকরী নয়। কেন্দ্রীয় দপ্তরে যদি প্রতিদিন বিভিন্ন প্রদেশ থেকে বিভিন্ন ভাষায় চিঠিপত্র, রিপোর্ট ইত্যাদি আসতে থাকে তো চোদ্দটি ভাষা থেকে ক্রমাগত একটি দুটি ভাষায় এই চিঠিপত্রাদির অনুবাদ প্রয়োজন হবে, কারণ কোনো মন্ত্রী বা অধস্তন কর্মচারী চোদ্দটি ভাষা বুঝতে পারবেন আশা করা যায় না। কেন্দ্রীয় সরকারের যে-সব বিজ্ঞপ্তি বিভিন্ন অঞ্চলের জনসাধারণের অবগতির জন্য পাঠানো হয় সেগুলি অবশ্য সেই সেই অঞ্চলের প্রধান ভাষাসমূহে লিপিবদ্ধ হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু অনুবাদের কাজে একটা সীমা থাকাও প্রয়োজন। প্রাদেশিক সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের ভিতর নিত্যনৈমিত্তিক পত্রাদি বিনিময়ে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আভ্যন্তরীণ কাজে যে বিপুল বহরের লিখন-পঠন প্রতিনিয়ত চলছে তাতে চোদ্দটি ভাষাকে এক সঙ্গে ব্যবহার করা কোনো কার্যকরী ব্যবস্থাই নয়। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় দপ্তর একটি অতিকায় অনুবাদের যন্ত্রে পরিণত হতে চলবে। এতে যে পরিমাণে অর্থ এবং সময় ক্ষয় হবে তা যুক্তিযুক্ত নয়।

    সমস্যা তা হলে এই : কেন্দ্রীয় শাসনকার্যে চোদ্দটি ভাষার সমান ব্যবহার সম্ভব নয়; অথচ একমাত্র হিন্দীকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে গ্রহণ করবার ফলাফল গুরুতর। ভারতের অন্যান্য সকল ভাষার মতো হিন্দীরও সমৃদ্ধি আমাদের কাম্য। হিন্দী বিদ্বেষ সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু হিন্দীকে যদি সর্বভারতীয় রাজাসনে অধিষ্ঠিত করতে হয় তো তার ফলাফল সম্বন্ধে নির্মোহ ধারণা রাখাই শ্রেয়। হিন্দীকে ভারতের একমাত্র যোগাযোগের ভাষা এবং রাষ্ট্রভাষা হিসাবে গ্রহণ করবার ফলে বাংলা, গুজরাতী ইত্যাদি অহিন্দী অথচ হিন্দীর। নিকটবর্তী ভাষাগুলি আগামী পঞ্চাশ বছরে ক্রমশ ক্ষয় পাবে, এবং খড়ীবোলী হিন্দীর তুলনায় আজ মৈথিলীর যে অবস্থা, অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিন্দীর তুলনায় বাংলা ইত্যাদি অন্যান্য ভাষাও প্রায় সেই অবস্থাতেই প্রাপ্ত হবার পথে ক্রমে অগ্রসর হবে।

    কারও মনে হতে পারে যে, বাংলা-গুজরাতী-পাঞ্জাবী-মারাঠী ইত্যাদি ভাষার ভবিষ্যৎ অবলুপ্ত করেও হিন্দীর ভিত্তিতে এক জাতি, এক প্রাণ, একতার বনিয়াদ সুদৃঢ় করা দূরদর্শিতা। কিন্তু এ চিন্তা যাঁদের মনে স্থান পেয়েছে তাঁদেরও একটি কথা বিচার করে দেখতে বলি। হিন্দীকে ভারতের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসাবে গ্রহণ করবার ফলে সত্যি কি ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে? ঐক্যের স্থলে অনৈক্য প্রতিষ্ঠিত হবার সম্ভাবনাই কি বেশী নয়? হিন্দী অঞ্চলের সঙ্গে অহিন্দী অঞ্চলের উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণ ভারতের–অনৈক্য কি এই ব্যবস্থার ফলে অনিবার্য হয়ে উঠবে না? এ বিষয়ে শ্রীরাজাগোপালাচারির সতর্কবাণী উপেক্ষণীয় নয়। ধর্মের ভিত্তিতে দেশ একবার বিভক্ত হয়েছে; ভাষার ভিত্তিতে আবারও বিভেদ ডেকে না আনাই মঙ্গল।

    ভারতীয় ঐক্যের জন্যে প্রয়োজন এমন একটি ভাষাকে কেন্দ্রীয় শাসনকার্যের প্রধান ভাষা হিসাবে গ্রহণ করা যে-ভাষা কোনো অঞ্চলবিশেষের ভাষা নয়। ভারতবর্ষে এমন। ভাষা আজ দু’টিই আছে; ইংরেজী ও সংস্কৃত। সংস্কৃতের স্থান গৌরবময় কিন্তু নানা কারণে আজ সংস্কৃতের মাধ্যমে এই বিরাট দেশের শাসনকার্য চালানো অসম্ভবপ্রায়। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় শাসনকার্যের ভাষা হিসাবে ইংরেজীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য চালু রাখাই সমীচীন মনে হয়।

    বলা হয়েছে যে, ইংরেজী এদেশের অধিকাংশের পক্ষে অবোধ্য। তথ্য হিসাবে এ কথা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু ইংরেজীকে কেন্দ্রীয় দপ্তরের ভাষা হিসাবে বহাল রাখবার ব্যাপারে এই তথ্যটি কতখানি প্রাসঙ্গিক এবং গুরুত্বপূর্ণ তাও বিচার করে দেখা দরকার।

    কেন্দ্রীয় দপ্তরে অথবা শাসনযন্ত্রে যাঁরা নিযুক্ত হবেন তাঁরা কিছু পরিমাণ উচ্চ শিক্ষা। লাভ করেই আসবেন। যেহেতু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজীর একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। রক্ষা করাই বাঞ্ছনীয় এবং সর্বস্বীকৃত নীতি, অতএব কেন্দ্রীয় শাসনযন্ত্রে নিযুক্ত কর্মচারীদের এতে অসুবিধা হবার কথা নয়।

    প্রতি প্রদেশে সেই প্রদেশের প্রধান ভাষায় শাসনকার্য চলবে এ প্রস্তাব আজ স্বীকৃতি লাভের পথে। জনসাধারণের সঙ্গে শাসন ব্যবস্থার সাক্ষাৎ যোগাযোগ প্রধানত প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক ক্ষেত্রে। কেন্দ্রীয় দপ্তরে যে-ভাষাই গৃহীত হোক না কেন, প্রদেশে-প্রদেশে শাসনকার্যের ভাষা হবে জনসাধারণের বোধগম্য। কেন্দ্রীয় সরকারের যে-সব বিজ্ঞপ্তি জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রচারিত সে-সব বিজ্ঞপ্তি দেবনগরী লিপিতে এবং হিন্দী ভাষায় প্রকাশিত হলে অহিন্দীভাষী অঞ্চলে জনসাধারণের অবোধগম্যই থেকে যাবে। কাজেই এ ধরনের বিজ্ঞপ্তিগুলি যে যে অঞ্চলে প্রেরিত হবে, যথাসম্ভব সেই সেই অঞ্চলের প্রধান ভাষাতে লিপিবদ্ধ হওয়াই সমীচীন। লোকসভায় সভাপতির অনুমতি সহ যে-কোনো ভাষায় বক্তৃতা দেবার অধিকার তো থাকাই বাঞ্ছনীয়।

    বৈচিত্রের ভিতর ঐক্যের প্রতিষ্ঠা, বহুর ভিতর সমন্বয়ের স্থাপনা ভারতের আদর্শ, এমন একটি কথা বহুবার বলা হয়েছে। ভাষা সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে এই কথাটিই নূতন করে ভেবে দেখা আবশ্যক। এদেশে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হিন্দু ধর্মের পাশে মুসলমান ধর্মকে গ্রহণ করে নিয়েছে। খৃষ্টধর্মকেও আমরা বিজাতীয় জ্ঞানে বিতাড়িত করিনি। এই গ্রহণধর্মিতাই ভারতীয় ঐতিহ্যের গৌরবের দিক। ভাষার ক্ষেত্রেও এই উদার গ্রহণধর্মিতাই আমাদের সমস্যা সমাধানের পথে একমাত্র নির্ভরযোগ্য নীতি। বহুধর্মের মতো বহু ভাষাকেও আমাদের অকুণ্ঠিত স্বীকৃতি দিতে হবে। এ-দেশে যুগের পর যুগ নূতন নূতন সভ্যতার স্রোত বয়ে গেছে। দ্রাবিড় সভ্যতার উপর আর্যসভ্যতার পলিমাটি পড়েছে। তারপর মুসলমান এসেছে, ইংরেজ এসেছে। বহু সভ্যতার বিবিধ উপাদান নিয়ে এদেশের বিচিত্র সভ্যতা। এর কোনো একটি উপাদানকে বর্জন করতে গেলে অবশিষ্ট উপাদানগুলির ভিতর ভারসাম্য ভঙ্গ হয়ে নৃতন সংঘর্ষ সৃষ্টির আশঙ্কা। যে মনোবৃত্তি আজও ইংরেজীকে “বিদেশী ভাষা বলে বর্জন করবে, সেই মনোবৃত্তিই হয়তো কাল খৃষ্টান এবং মুসলমান ধর্মকেও বিজাতীয় আখ্যা দেবে। এই বর্জনধর্মী, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের লক্ষ্য হলো এক হিন্দুধর্ম এবং হিন্দী ভাষার উপর হিন্দুস্থানের ঐক্য প্রতিষ্ঠা। উত্তর ভারতের এই সংকীর্ণ সাম্প্রদায়িকতার দক্ষিণী প্রতিধ্বনি আর্যবিরোধী উগ্র দ্রাবিড় আন্দোলনে। এই সাম্প্রদায়িকতা ভারতবর্ষকে শুধু আভ্যন্তরীণ হানাহানি এবং মধ্যযুগীয় অন্ধকারের দিকে ঠেলে নিয়ে যাবে। এদেশের ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে সমম্বয়ধর্মিতা সৌখিনতা নয়, অথবা শুধু ঔদার্য বলেই আদরণীয় নয়, বরং সুস্থ জীবনযাত্রার অতি প্রয়োজনীয় পাথেয়।

    প্রগতির পথ (১৯৬৮)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }