Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১৫ বাংলাদেশ দেখে এলাম

    ২৫শে বৈশাখ, ৯ই মে তারিখে, বাংলাদেশে পৌঁছই। রবীন্দ্রনাথের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সেদিন বিকেলে বাংলা একাডেমীর প্রাঙ্গণে সভার ব্যবস্থা ছিল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেই সভায় বক্তা ছিলেন শ্রীপান্নালাল দাশগুপ্ত। আমিও বলবার জন্য অনুরুদ্ধ হই। বিশাল জনসমাবেশ; অতি সুশৃঙ্খল সভা। পরে একাডেমীর মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল সাহেবের আমন্ত্রণে আরো একদিন বক্তৃতা দিই রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শ বিষয়ে। মহাপরিচালক মহাশয়কে এই সুযোগে ধন্যবাদ জানাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি সভার আয়োজন হয়, একটি ডঃ আনিসুজ্জামানের উদ্যোগে, অন্যটির উদ্যোক্তা বন্ধুর মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। চট্টগ্রামে সভার ব্যবস্থা করে ওখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সমিতি।

    বাংলাদেশে এর আগেও একাধিকবার গিয়েছি। কিন্তু এবার শহরে ও গ্রামে ঘুরে দেখবার যতটা সময় ও সুযোগ ছিল অন্যবার ততটা ছিল না। ঢাকা শহরে অনেকের সঙ্গে আলাপ আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষ সহায়তা করেছিলেন কাজী নূর-উজ্জামান। এবং তাঁর বিদূষী স্ত্রী সুলতানা জামান। এঁদের বাড়ীতেই উঠেছিলাম। চট্টগ্রামে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের গৃহে স্থান পেয়েছিলাম, ইনি গণিতশাস্ত্রে সুপণ্ডিত। সুদূর পটুয়াখালীর দশমিনা গ্রামে আতিথ্যদান করেছিলেন কৃষকনেতা আবদুস সাত্তার খান। কুমিল্লার পথে ও অন্যত্র অযাচিতভাবে অজস্র রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনিয়েছেন বিশ্বভারতীর ছাত্রী জাহানারা নিশি। আরো বহু বন্ধু, শিল্পী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ, সেবাব্রতী, ব্যবসায়ী, জাহাজের সারেঙ, মাঠের চাষী, গ্রামের স্কুলের শিক্ষক, পরিচিত ও অপরিচিত কতো মানুষ, সকলের কাছ থেকে যে সহায়তা ও হৃদয়ের উষ্ণতা লাভ করেছি। তা ভুলবার নয়।

    নতুন ঢাকা জাকজমকে কলকাতা নয় বরং দিল্লীর সঙ্গে অনেকটা তুলনীয়। এমন প্রশস্ত রাস্তা, এত রকমারি বিদেশী গাড়ী, সুদৃশ্য পার্ক ও স্মৃতিস্তম্ভ, কলকাতায় চোখে পড়ে না। নতুন ও পুরনো ঢাকার ভিতরে প্রচণ্ড পার্থক্য, নতুন ও পুরনো দিল্লীর মতোই। নাগরিক উন্নয়নের দুটি মডেল ভারতে চোখে পড়ে; পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে কলকাতা মহানগরীর একাধিপত্য, আর পাঞ্জাব অথবা হরিয়ানা, যেখানে একাধিক মাঝারি ধরনের পৌরকেন্দ্র পারস্পরিক সামঞ্জস্য রক্ষা করে বেড়ে উঠেছে। কলকাতার বিষম কর্তৃত্ব ওপার বাংলায় যখন শিথিল হল তখন সেখানে নাগরিক উন্নয়নের দুটি বিকল্প সম্ভাবনার কথা। চিন্তা করা সম্ভব ছিল। কিন্তু সেখানেও এককেন্দ্রিকতাই বিজয়ী হয়েছে।

    কলকাতা মহানগরী পশ্চিমবঙ্গকে শুষে নিচ্ছে এই রকম আমাদের অভিযোগ। আরো প্রকটভাবেই বাংলাদেশকে শুষে নিচ্ছে নতুন ঢাকা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা শুনছিলাম; ভালো অধ্যাপকদের সেখানে ধরে রাখা যায় না, তাঁরা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হন ঢাকার দিকে। কিন্তু এটা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়েরই সমস্যা নয়। সমগ্র বাংলাদেশের আর্থিক ও সামাজিক জীবনের ভারসাম্য খণ্ডন করে দাঁড়িয়ে আছে রাজধানী ঢাকা।

    সেখানকার নতুন উচ্চমধ্যবিত্তের বিলাসী নাগরিক জীবনযাত্রার সঙ্গে গ্রামের চাষীর দারিদ্র্যের ব্যবধান বেদনাদায়ক। এই অসামঞ্জস্য বর্তমান দুই বাংলাতেই। বাংলাদেশে। সেটা যেন আরো বেশি করে চোখে পড়ে। ভারত স্বয়ম্ভরতার দিকে যতটা এগিয়েছে বাংলাদেশ এখনো তা পারে নি। ওদেশের অর্থনীতি প্রচণ্ড নির্ভরশীল মার্কিনী সাহায্যের ওপর। এদেশের সমাজে যেসব দোষ দুর্বলতা উপস্থিত ওদেশে পাই তারই পুনরাবৃত্তি। ভালো ভালো ছাত্রছাত্রীরা দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। দুর্নীতিতে ছেয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। রাজনীতি ও ব্যবসায়।

    আমরা যখন ঢাকায় পৌঁছাই তখন নির্বাচন প্রায় শেষ, ভোট গণনা চলছে, ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে। কাজেই আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় তখন নির্বাচন। কদিনের ভিতরই জানা গেল, এরশাদের জাতীয় পার্টি পেয়েছে তিনশর ভিতর দেড়শর কিছু বেশি আসন, আওয়ামি লীগ পঁচাত্তর। ধর্মীয় দল জাময়েত-এ-ইসলামী পেয়েছে দশটি আসন। কম্যুনিস্ট দল পাঁচটি। নির্দল প্রার্থীদের জুটেছে বেশ কিছু আসন। তাদের ভিতর কজন মনে মনে কোনদিকে, অন্তত আমার কাছে সেটা অজ্ঞাত। সুযোগ বুঝে অনেকেই এদিকে ওদিকে যাবেন এইরকম শোনা যাচ্ছিল। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন নি বেগম জিয়ার দল। হাসিনা নিজেই জিতেছেন একাধিক কেন্দ্র থেকে। বামপন্থী প্রগতিশীল অনেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণেরই বিরোধী। আগে সামরিক শাসন তুলে নিতে হবে তারপর নির্বাচন, এই দাবি থেকে এঁরা নড়তে রাজী নন।

    নির্বাচন সঠিকভাবে হয়নি, ভোটগ্রহণে বহু অন্যায় কারচুপি ও বলপ্রয়োগের ঘটনা ছিল, সকলের মুখেই একথা শুনেছি। এ অবস্থায় এরশাদের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে। এটা কিছু আশ্চর্য নয়, আওয়ামি লীগ তবু পঁচাত্তরটি আসন পেল কী করে সেটাই প্রশ্ন। কেউ কেউ বলছেন যে, এরশাদের দল যেমন বহু ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ করে জয়ী হয়েছে, আওয়ামি লীগও তেমনি কোথাও কোথাও একই পদ্ধতিতে নিজেদের কাজ গুছিয়ে নিয়েছে। আবার অনেকে বলছেন, আওয়ামি লীগের প্রতি সারাদেশে জনসমর্থনের ঢেউ এত জোরালো ছিল যে নানা রকমের অন্যায় বাধা সত্ত্বেও কিছু আসন এই দল। অনিবার্যভাবে পেয়েছে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের একটা ঠাট বজায় রাখবার জন্য এরশাদ নিজেই হাসিনার দলকে কিছু পাইয়ে দিয়েছেন, এই রকম মন্তব্যও শোনা যাচ্ছে। যাই হোক, এবিষয়ে সন্দেহ নেই যে ভালোভাবে নির্বাচন হলে ফলাফল অন্যরকম দাঁড়াতো। আওয়ামি লীগই সম্ভবত একমাত্র দল সারা বাংলাদেশে যার সংগঠন আছে, ব্যাপক জনসমর্থন আছে। বামপন্থী শক্তি আজ বহু ছোটো ছোটো গোষ্ঠীতে বিভক্ত ও দুর্বল। দক্ষিণপন্থী ধর্মীয় দল সুসংবদ্ধ, কিন্তু তাদের প্রতি জনসমর্থন সীমাবদ্ধ।

    ঢাকায় মধ্যবিত্তের ভিতর বামপন্থী মার্কসবাদী কিংবা আধা-মার্কসবাদী বুদ্ধিজীবী সংখ্যায় কম নন। এঁদের অনেকেই বলছেন, এই নির্বাচন থেকে জনগণ একটা শিক্ষাই পেতে পারে, সে হল নিবার্চনের ব্যর্থতা। নির্বাচনের পথে আজ দেশের সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, এটাই নিবার্চনের শিক্ষা। এর পর স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, তবে পথ কোনটা? বামপন্থীদের কোনো স্পষ্ট উত্তর নেই। একটা উত্তেজক কল্পনা তাঁদের মনকে আচ্ছন্ন করে আছে। সেটাই পরিচ্ছন্ন চিন্তার পথে বাধা। মুক্তিযুদ্ধের ভিতর দিয়ে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তারপর দেশে শৃঙ্খলাস্থাপন সহজ কাজ ছিল না। বিশৃঙ্খলার ভিতর দিয়ে সামরিকশাসনের দুষ্টচক্র দেশের উপর চেপে বসেছে। বিপ্লববাদীরা অপেক্ষা করছেন জনগণের আরেক মুক্তিযুদ্ধের জন্য। তারই ভিতর দিয়ে ঘটবে সামরিক শাসনের অবসান, প্রতিষ্ঠিত হবে জনগণের প্রকৃত মুক্তি। এই দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ কোন পথে আসবে, তার নেতৃত্ব ও সংগঠন কেমন হবে, ঢাকার বুদ্ধিজীবীরা তা জানেন না। তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নসন্তান এই দ্বিতীয় বৈপ্লবিক অভুত্থানের কল্পনা বাংলাদেশের বামপন্থী চেতনাকে যেন একটা মুগ্ধতায় গ্রাস করে আছে।

    আর্থিক ও সামাজিক সংকট আরো তীব্র হয়ে উঠলে বাংলাদেশে জনগণের একটা সশস্ত্র অভুত্থান ঘটা সম্ভব। এজন্য যে অস্ত্রশস্ত্র দরকার সেটা হয়তো এখানে সেখানে ছড়িয়ে আছে অথবা কোনো কোনো ভাবে এসে যাবে। এই সম্ভাবনা অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু এ পথে বাংলাদেশে মুক্তসমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে কিনা এবিষয়ে গুরুতর সন্দেহের অবকাশ আছে। বিপ্লবের প্রত্যুত্তরে দেখা দেয় প্রতিবিপ্লবের সম্ভাবনা। একটা কথা পরিষ্কারভাবে মনে রাখা দরকার। বাংলাদেশে এমন কোনো দেশব্যাপী সংগঠিত বামপন্থী। দল নেই যেদল ক্ষমতা হাতে নিয়ে বিপ্লবের অরাজকতা অতিক্রম করে দেশে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করবার প্রতিশ্রুতি বহন করতে পারে। তুলনায় বেশি সংগঠিত দক্ষিণপন্থী শক্তি। কিন্তু তাদের দ্বারাও দেশের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বিপ্লব হয়তো সাময়িকভাবে ডেকে আনবে প্রতিবিপ্লবের বিভীষিকা। তাতে দেশের দুর্দশা দূর হবে না।

    সামরিক শাসন থেকে দেশকে কীভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, বাংলাদেশে সুস্থ রাজনীতির সেটাই প্রধান প্রশ্ন। এমন কি সামরিক শাসনকর্তাদের পক্ষেও আজকের অবস্থা সন্তোষজনক নয়, বরং ভয়াবহ অনিশ্চয়তায় কণ্টকিত পরিস্থিতি। আজ যিনি দেশের মাথায় বসে আছেন কাল তাঁরই মুণ্ডপাত হতে পারে। দেশকে একটা স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতির দিকে নিয়ে যেতে পারলে সকলের পক্ষেই সেটা মঙ্গল। দেশের বুকের উপর যে ভয়ের শাসন চেপে বসে আছে সেটাকে কিছুতেই চিরকালের মতো মেনে নেওয়া যায় না। তাকে সরাবার পথ তৈরি করতে হবে। হয়তো পরিবর্তন ঘটবে বিভিন্ন পর্যায়ে। কামাল হোসেন প্রমুখ আওয়ামি লীগের চিন্তাবিদেরা এই পরিস্থিতিটা মনে রেখে পথ খুঁজছেন। সামরিক শাসকেরা পরিবর্তন চাইলেও তাঁরা সতর্ক, এমন কি মনে মনে ভীত। মুখে তাঁরা যাই বলুন না কেন, এ চিন্তা তাঁদের মনে নিশ্চয়ই ঢুকেছে যে জনসমর্থন আসলে জাতীয় পাটির পক্ষে নেই। সতর্কভাবে গণতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়াটা জরুরী, কারণ অনির্দিষ্ট কালের জন্য সামরিক শাসন বজায় রাখা যায় না এটাই দেয়ালের লিখন। এ কথাটা এরশাদ সম্ভবত বোঝেন না। সামনের পথটা দুর্গম সন্দেহ নেই। তবু আশা রক্ষা করে ধীর স্থির ভাবে এগোতে হবে এই রকম একটা চিন্তা থেকেই আওয়ামি লীগ নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল।

    পরিষদীয় গণতন্ত্র অবশ্য যথেষ্ট নয়। ওপরের দিকে কাজ করলেই চলবে না। তলার দিকে গঠনমূলক কাজও প্রয়োজন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় গান্ধী দেশব্যাপী অসহযোগের সঙ্গে যোগ করেছিলেন গঠনমূলক কাজ, বিশেষত গ্রামে গ্রামে। অনুকরণে কাজ হবে না, পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সঙ্গে যোগ করা প্রয়োজন গঠনমূলক কাজ। এ পথে কি নেতৃত্ব দিতে পারবে আওয়ামি লীগ? না কি রাজধানীই শুষে নেবে দলীয় রাজনীতির সমস্ত শক্তি?

    এরশাদের আমলে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের প্রতিশ্রুতিতে গঠিত হয়েছে উপজিলা পরিষদ। উপজিলা পরিষদের জন্য আছে নির্বাচিত সভাপতি। কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে এক একটি উপজিলা। ইউনিয়নের নির্বাচিত সভাপতিরাও সদস্য হিসেবে থাকবেন উপজিলা পরিষদে। এই সব নিবাচনে আওয়ামি লীগ অংশ নেয়নি। ফলে বর্তমান উপজিলা পরিষদগুলি জনপ্রতিনিধিত্ব দাবি করতে পারে না। সামরিক শাসকদের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের একটা বাহ্যিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। একে কাজে লাগানো দরকার। দশমিনায় দেখে এলাম উপজিলা পরিষদের ভিতর দিয়ে কিছু কাজ শুরু হয়েছে। কাজের সঙ্গে সঙ্গে টাকার অপব্যয়ও চলছে। এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি জনগণের প্রতিনিধিস্থানীয় মানুষদের কর্তৃত্ব। গ্রামের মানুষদের সংগঠিত করা প্রয়োজন। কঠিন সে কাজ তবু বাংলাদেশে সেটা সম্ভব নয় এমন নৈরাশ্যবাদের কারণ দেখি না।

    বাংলাদেশ স্থাণু হয়ে দাঁড়িয়ে নেই, ঝড়-ঝাঁপটার ভিতর দিয়েই সে এগিয়ে চলেছে। বেগম সুফিয়া কামালের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তিনি বললেন, চারদিকে নৈরাশ্যজনক কত কিছু ঘটছে, কিন্তু এর ভিতরও আশার আলো চোখে পড়ে নারী জাগরণে। কথাটা সত্যি। বাংলাদেশের মুসলমান নারী জেগে উঠছে।

    পঞ্চাশের দশকের গোড়ায় একবার গিয়েছিলাম পূর্ব পাকিস্তানে। উঠেছিলাম আমারই এক পুরনো বন্ধুর বাড়ীতে, প্রেসিডেন্সি কলেজে এককালে তিনি আমার সহপাঠী ছিলেন। কয়েকদিন তাঁর বাড়ীতে উদার আতিথ্য লাভ করেছিলাম। কিন্তু তাঁর স্ত্রীর দর্শনলাভ করিনি, যদিও তিনি বাড়ীতেই ছিলেন। বন্ধুবর বললেন যে, মুসলমান সমাজের এটাই। রীতি।

    সত্তরের দশকে সেই বন্ধুর বাড়ীতেই যখন আবার যাই তখন তাঁর স্ত্রী দর্শন দেন, ততদিনে তিনি অবগুণ্ঠন থেকে বেরিয়ে এসেছেন। সেবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে বুঝতে পারি যে, অনেক কিছুই বদলে গেছে, অন্তত নাগরিক সমাজে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর সঙ্গে ঢাকার পার্থক্য চোখে পড়ে না।

    এবার নারী জাগরণ গ্রামেও প্রত্যক্ষ করা গেল। পান্নালাল বাবু আর আমি দশমিনা বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এক সভায় মিলিত হই। শহর থেকে বহু দূরে দশমিনা। গ্রামের স্কুল তবু ছাত্রীরা সভায় উপস্থিত ছিল ভালো সংখ্যায়। তাদের ভঙ্গিতে আড়ষ্টতা ছিল না, মাথায় ছিল না অবগুণ্ঠন। আমাদের কথা তারা মন দিয়ে শুনেছে। গরীব চাষীর ঘরে যখন গেছি মহিলারা অনায়াসে বেরিয়ে এসেছেন, নিজেদের কথা পরিষ্কারভাবে বলেছেন। এই এক নতুন শক্তি দেখে এলাম বাংলাদেশে নারীর অধিকার ক্রমে স্বীকৃতি লাভ করছে, আইনকানুনেও তার প্রভাব লক্ষ করা যায়। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া স্বামী আইনত দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করতে পারেন না। ইসলামী ঐতিহ্যের পরিবর্তন ঘটছে? বাংলাদেশের সমাজে সাম্য ও সামঞ্জস্য বিধানের কাজে নারীশক্তির ভূমিকা হবে অগ্রণী, বেগম সুফিয়া কামালের এই আশা। শ্রদ্ধার সঙ্গে শুনবার যোগ্য কথা এটা।

    .

    বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার প্রাদুর্ভাব আমি দেখিনি। সাম্প্রদায়িক বুদ্ধি থেকে উল্লেখযোগ্য ভাবে মুক্ত সাধারণ মানুষের মন। হিন্দুদের ভিতর ভয়সংশয় যথেষ্টই আছে। কিন্তু মুসলমান সাম্প্রদায়িকতা সেজন্য দায়ী এমন আমার মনে হয়নি। অপরিচিতা এক হিন্দু মহিলা আমাকে নিজের পরিচয় দিলেন। তিনি বললেন, কিছুদিন আগে তাঁর বাড়ীতে ডাকাতি হয়েছে, তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করবার কথা ভাবছেন। পশ্চিমবঙ্গেও কিন্তু ডাকাতি হয়, আমরা সেজন্য দেশত্যাগ করবার কথা ভাবি না। বাংলাদেশের অস্থির অবস্থায় এসব ঘটনা বিরল নয়, হিন্দুরা অপেক্ষাকৃত দুর্বল বলেই তাদের দুর্বলতার সুযোগ নেয় দুবৃত্তেরা। এটা দুঃখজনক, কিন্তু অধিকাংশ মুসলমানকে বিচার করা যাবে না অল্প কিছু অপরাধীর আচরণ দিয়ে।

    সংখ্যালঘুদের মনে নিরাপত্তার অভাব স্বাভাবিকভাবেই আছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে একটা বিশেষ দায়িত্ব স্বীকার্য। বাংলাদেশের একটি অপরিচিত মুসলমান ছেলে আমাকে অভিমানের সুরে বলল, আপনারা আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন কেন? তার কথায় কোনো কপটতা আমি লক্ষ করিনি। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম কি পথ দেখাতে পারবে? সংখ্যালঘুদেরও কিছু কর্তব্য আছে। বাংলাদেশে হিন্দুরা যে যে-বৃত্তিতে আছে। তাকে সেই বৃত্তিতে যথার্থ যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, যাতে প্রতিবেশীর চোখে তার কাজ মূল্যবান হয়ে ওঠে, দশমিনায় একথা বললেন সমাদ্দার। আত্মরক্ষার এটাই শ্রেষ্ঠ উপায়; এটাই সেবা ও সমম্বয়ের পথ।

    সাম্প্রদায়িকতা নয়, তবে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের প্রতি বাংলাদেশে একটা সন্দেহের মনোভাব আছে। নেপালেও সম্ভবত ভারতের প্রতি ঐ ধরনের মনোভাব অনুপস্থিত নয়। ফরাক্কার জল আর ভারতের বস্ত্রব্যবসায়ীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য বাংলাদেশে হামেশাই শোনা যায়। এতেও আশ্চর্য হবার কিছু নেই। জল নিয়ে কোন্দল। আছে পাঞ্জাব আর হরিয়ানার ভিতরও। বিদেশী বস্ত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করছে প্রচুর পরিমাণে। ভারতকে আলাদাভাবে দোষ দিয়ে আজ লাভ নেই। একটা সুখবর, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পোশাক রপ্তানি বাড়ছে। বাংলাদেশকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে। শিখতে হবে নিজের চেষ্টায়। তবে সেই সঙ্গে ভারতেরও একটা বিশেষ দায়িত্ব আছে কারণ সে অপেক্ষাকৃত শক্তিমান প্রতিবেশী। দুই দেশের ভিতর সহযোগিতার অনেক সুযোগ আছে। সন্দেহের আতিশয্যে সহযোগিতার এই সুযোগগুলি দৃষ্টির বাইরে চলে না গেলেই ভালো। সতর্কভাবে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন।

    বৈদেশিক অর্থের প্রশ্নটা সাম্প্রদায়িকতার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। দুবাই থেকে অনেক টাকা বাংলাদেশে এসে পৌঁছচ্ছে। চট্টগ্রামের কাছাকাছি অঞ্চলে তার প্রভাব বিশেষভাবে চোখে পড়ল। ছাত্রদের একাংশের উপর ধর্মীয় গোঁড়ামিতে আশ্রিত রাজনীতির প্রভাব লক্ষণীয়। এরা বেশ সংগঠিত। আমার বাংলাদেশের বন্ধুদের কেউ কেউ বলেন, এসব হচ্ছে বিদেশী টাকার প্রভাবে। বিদেশী টাকা আছে ঠিকই, কিন্তু তাই দিয়ে সবটা ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না। ধর্মীয় গোঁড়ামির কবলে যে ছেলেরা পড়েছে তাদের অনেকেই অপেক্ষাকৃত নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে। উচ্চবিত্তদের ভিতর যে বিলাসব্যসন বাড়ছে তারই প্রতিক্রিয়ায় কিছু স্বল্পবিত্ত পরিবারের ছেলে ইসলামী গোঁড়ামির দিকে ঝুঁকছে। এটাও একটা কারণ। তাছাড়া শাসক দল ধর্মীয় সংকীর্ণতাকে অল্পবেশি প্রশ্রয় দিতে অভ্যস্ত। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে এই কৌশল লাভজনক মনে করা হয়। দেশের পক্ষে এটা ক্ষতিকর বিপজ্জনক চিন্তা। হিন্দু মুসলমানের ভিতর সদ্ভাব দুই বাংলাতেই হিন্দু মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের দীর্ঘকালীন স্বার্থেই প্রয়োজন। সাম্প্রদায়িকতায় গণতন্ত্র বিপন্ন হবে। বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রসমাজের ভিতর শুভবুদ্ধির অভাব নেই। এ আশা হয় তো দুরাশা নয় যে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁদের সাহসী সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

    যুদ্ধক্ষেত্রে যেমন থাকে বারুদের গন্ধ বাংলাদেশে রাজনীতিতে তেমনি আছে সর্বব্যাপী সন্দেহের ধোঁয়া আর চক্রান্তের গন্ধ। কেউ কোনো ভাল কাজ করলে লোকে সন্দেহ করে, এর পিছনে কুমতলব আছে। এই পরিবেশে ভালো কাজ করা সহজ নয়। তবু কিন্তু কাজ হচ্ছে। গত কয়েক বছরে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে। নতুন শিল্প দেখা যাচ্ছে যদিও সীমাবদ্ধ আকারে। জাতীয় সঞ্চয়ের হার বড়ই নিম্নস্তরে। ভূমিসংস্কার আটকে আছে। সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগের পরিচালনায় দক্ষতার অভাব। তবু বাংলাদেশ ঝিমিয়ে পড়েনি। ওপার বাংলার মানুষের সর্বোপরি আছে একটা উচ্ছুসময় প্রাণশক্তি। ধারাবাহিকতার বাইরে নতুন চিন্তার স্পন্দনও শুনেছি কিছু মানুষের মধ্যে।

    রবীন্দ্রনাথের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে ঐ প্রাণশক্তিকেই বিশেষভাবে স্বাগত জানাতে ইচ্ছা যায়। রবীন্দ্রনাথ তো সমানভাবে দুই বাংলারই। তাঁকে প্রয়োজন দুই বাংলাতেই। যেমন সঙ্গীতে সাহিত্যে তেমনি শিক্ষায়, পল্লীসংগঠনে আর সর্বোপরি সকল প্রকার সংকীর্ণতা ও খর্বতাকে অতিক্রম করবার ব্রতে, রবীন্দ্রনাথ আমাদের পথ দেখাতে পারেন সেই ভাষায় যে ভাষা আমরা ভালোবাসি।

    ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলবে। তারই পাশাপাশি চাই গঠনমূলক কাজ আর কিছু মুক্তবুদ্ধি মানুষ। আশা করা যায় গঠনমূলক কাজে বাংলাদেশের নবজাগ্রত নারীশক্তি সামিল হবে বর্ধিত সংখ্যায় শহরে ও গ্রামে, সমাজের সর্বস্তরে। আর বুদ্ধিমুক্তির যে আন্দোলন পূর্ববঙ্গে বিশের দশকে জন্মলাভ করেও বারবার পথভ্রষ্ট হয়েছে, আজ রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ চিন্তার প্রেরণা সঙ্গে নিয়ে সেই আন্দোলন যদি দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে তবেই মঙ্গল।

    সমাজ সংস্কৃতি স্মৃতি (১৯৮৭)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }