Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৫ কর্মসংস্থান ও আর্থিক পুনর্গঠন

    বেকার সমস্যা এদেশে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আশার কথা এই যে, গ্রামে ও শহরে আগামী কয়েক বছরে কর্মসংস্থান বাড়াবার কিছু সুযোগও উপস্থিত। হরিৎ বিপ্লবের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে জমি থেকে বছরে একটির জায়গায় দুটি, এমন কি তিনটি ফসল তুলবার সম্ভাবনা ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে কৃষিতে শ্রমের নিয়োগ বৃদ্ধির পথে; অন্তত পশ্লী অঞ্চলে অধবেকারত্ব এতে কমবে বলে আশা করা যায়। গ্রামে গ্রামে সেচব্যবস্থা, পথঘাট ইত্যাদি বাড়াতে গেলে শ্রমিকের প্রয়োজন। প্রাথমিক শিক্ষার দ্রুত বিস্তারের জন্য যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে শোনা যাচ্ছে, তাতেও কিছু শিক্ষিত মানুষের কর্মর্সংস্থান হবে। তা ছাড়া ছোট শিল্পের প্রসারের সম্ভাবনা তো আছেই। মহানগরীতে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে; তাতেও লোকের দরকার। এইসব খণ্ড খণ্ড সম্ভাবনা। যখন আমাদের সামনে এসে পড়েছে তখন একটা সামগ্রিক দৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত করে তাদের বিচার প্রয়োজন। কারণ, সাময়িকভাবে কিছু কর্মের সংস্থান ___ যথেষ্ট নয়। ব্যাধির মূল কোথায়, কি করে তাকে দূর করা যায়, সেটাও বিবেচ্য।

    এদেশে বেকারের সংখ্যা কত? এ প্রশ্নের কোনো পরিষ্কার উত্তর আমাদের জানা নেই। তবে কোরের সংখ্যা বাড়ছে একথা প্রায় সকলেই স্বীকার করবেন। দ্বিতীয় পঞ্চবর্ষ পরিকল্পনার গোড়ায় সারা ভারতবর্ষে এই সংখ্যা ছিল ৫৩ লক্ষ। অন্তত এই রকম একটা হিসেব কিছুদিন চালু ছিল। পরিকল্পনার পাঁচ বছরে কর্মপ্রত্যাশীর সংখ্যা বাড়বে এক কোটি, আর নতুন কর্মসংস্থানও হবে মোটামুটি ঐ একই সংখ্যায়, এইরকম একটা আশাও সেই সময় প্রকাশ করা হয়েছিল। ১৯৬১ সালে যখন দ্বিতীয় পঞ্চবর্ষ পরিকল্পনা তার অন্তে পৌঁছল তখন দেখা গেল যে, আদি হিসেবগুলো ভুল। প্রথম সংখ্যাটা হবে এক কোটির চেয়ে আরও সতের লক্ষ বেশী, দ্বিতীয়টা বিশ লক্ষ কম; অর্থাৎ দ্বিতীয় পরিকল্পনার পাঁচ বছরে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে ৩৭ লক্ষ। ৫৩ লক্ষের সঙ্গে ৩৭ লক্ষ যোগ করে তৃতীয় পঞ্চবর্ষ পরিকল্পনার গোড়ায় বেকারের মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৯০ লক্ষ। কিছুদিন পর অবশ্য জানা গেল যে, এই সংখ্যাটাও ভুল। কিন্তু সে কথা এখন থাক। তৃতীয় পরিকল্পনার পাঁচ বছরে বেকারের সংখ্যা আরও বেড়েছে, বৃদ্ধির পরিমাণ নাকি পঁচিশ লক্ষ। যদি তাই হয় তো তৃতীয় পরিকল্পনার শেষে, অর্থাৎ ১৯৬৬ সালে, বেকারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ কোটি ১৫ লক্ষ। তবে নতুন হিসেবে বলা হলো যে, ঐ সংখ্যাটা আসলে হবে ৯০ লক্ষ থেকে এক কোটির ভিতর। মোট কথা এদেশে বেকারের সংখ্যা আমরা সঠিক জানি না, কিন্তু সংখ্যাটা বাড়ছে ধরে নেওয়া যেতে পারে।

    সংখ্যা নিয়ে বিভ্রাটের কথা বলেছি। এজন্য কাউকে হাস্যাস্পদ প্রমাণ করা আমার উদ্দেশ্য নয়। এদেশের বেকারের সংখ্যাগণনা সহজ নয়। পূর্ণ বেকারের পাশে পাশে আছেন অর্ধ বেকার। এঁদের সনাক্ত করা জটিল ব্যাপার। কর্মসংস্থানের জন্য অনেকে খাতায় নাম লেখান। কিন্তু যাঁরা বেকার তাঁরা সবাই নাম লেখান না; যাঁরা নাম লেখান তাঁদের সবাই পুরোপুরি বেকার নন। এইরকম নানা জটিলতা আছে। কিন্তু সংখ্যা গণনার জটিলতা আমাদের আলোচ্য বিষয় নয়। মূল বিষয়ে ফিরে আসা যাক।

    বেকার সমস্যার কারণ কি? গান্ধীবাদীদের একটা ব্যাখ্যা ছিল। তাঁদের বিশ্লেষণ আরম্ভ হয় গ্রামীণ অর্থনীতি থেকে। গ্রামের এক সময়ে কৃষি ও কুটির শিল্পের ভিতর অঙ্গাঙ্গি সম্পর্ক ছিল। আধুনিক শিল্পবাণিজ্যের প্রভাবে কুটির শিল্প ভেঙ্গে পড়ে। এই থেকেই গ্রামের অর্থনীতিতে বিপর্যয়ের শুরু। আধুনিক শিল্পের কল্যাণে নগরের প্রসার হয়েছে, যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু এইসব যান্ত্রিক উৎপাদন পদ্ধতি ততটা শ্রমনির্ভর নয়, যতটা মূলধননির্ভর। গ্রামীণ অর্থনীতির বিপর্যয়ের ফলে দেশময় যে-পরিমাণ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে, নগরে অথবা আধুনিক শিল্পে সে-পরিমাণে নতুন কর্মের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। বেকার সমস্যা সম্বন্ধে গান্ধীবাদী ব্যাখ্যা মোটামুটি এই রকমের।

    এই পুরনো ব্যাখ্যাটির খানিকটা নবীকরণ সম্ভব। তার আগে অন্য একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা আবশ্যক। বিগত দশকের মাঝামাঝি সময় থেকেই ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলের ভিতর আর্থিক বৈষম্যের প্রশ্ন পরিকল্পনা কমিশনের আলোচনায় গুরুত্ব লাভ করে। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতায় সমস্যাটির প্রতি আরও বিশেষভাবে দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এ কথাটা স্পষ্ট হয়েছে যে, পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়নের জন্য জাতীয় সংহতি প্রয়োজন, আবার আঞ্চলিক বৈষম্য এই সংহতিকেই বিপন্ন করতে পারে। কাজেই বেকার সমস্যার পাশে পাশে এই বৈষম্যের প্রশ্নও একটি প্রধান জাতীয় সমস্যা হিসেবে আজ স্বীকার্য।

    এদেশে আঞ্চলিক বৈষম্য কম নয়। ১৯৭২ সালের ২২শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী লোকসভায় যে-সব তথ্য পেশ করেন তাতে জানা যায় যে, ৬৯-৭০ সালে পঞ্জাবে মাথাপিছু আয় ছিল ৯৪৫ টাকা, আর বিহারে ৪০২ টাকা। অর্থাৎ, পঞ্জাবের তুলনায় বিহারের মাথাপিছু আয় অর্ধেকেরও অনেকটা কম। আবার একই প্রদেশের ভিতরও উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক বৈষম্য দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গে কলকাতা-দুর্গাপুর-আসানসোল জুড়ে আছে ভারতের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল। অথচ এই একই রাষ্ট্রে পল্লী অঞ্চলের শতকরা নব্বই ভাগ অংশে বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি আজও।

    গান্ধীবাদীরা গ্রাম ও শহরের অসম সম্পর্কের কথা বলেছেন এবং সেই সূত্রে বেকার সমস্যার ব্যাখ্যা করেছেন। গ্রামকে অনগ্রসর অঞ্চলের এবং শহরকে অগ্রসর শিল্পাঞ্চলের প্রতীক বলে ধরে নিলে গান্ধীবাদী ব্যাখ্যাটি নতুনভাবে রাখা যায়। অনগ্রসর অঞ্চলে কুটির শিল্প ও বাণিজ্য গড়ে ওঠেনি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অর্ধবেকারের সংখ্যা। দ্রুত বেড়ে চলে। এদের একটি অংশ জীবিকার অন্বেষণে শহরে আসে। কিন্তু আধুনিক শিল্প মূলধনবির্ভর; দেশের দ্রুতবর্ধমান অর্থবেকারদের সবাইকে এখানে কাজের সুযোগ দেওয়া যায় না। কাজেই নগরেও বেকারের সংখ্যা বেড়ে চলে। এমনিভাবে গ্রাম অথবা অনগ্রসর অঞ্চলের দারিদ্র্য এবং নগর অথবা আধুনিক শিল্পাঞ্চলের বেকারত্ব ও সামাজিক অস্থিরতার ভিতর একটা কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

    কিছুদিন আগে পর্যন্ত আঞ্চলিক অর্থনীতি আমাদের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত ছিল না বলা যায়। এখনও এ ব্যাপারে অবস্থার কোনো বড় পরিবর্তন হয়নি। আর্থিক কর্মকাণ্ডের যে-একটা আঞ্চলিক ভিত্তি আছে, এ কথা পাঠ্যপুস্তকে শুধু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসঙ্গেই স্মরণ করা হয়। দেশের আভ্যন্তরীণ সমস্যার বিশ্লেষণে প্রচলিত অর্থবিজ্ঞান প্রায়ই স্থানবোধশূন্য। শ্রমের পূর্ণ নিয়োগ সংক্রান্ত তত্ত্বের বেলায়ও এর বড় ব্যতিক্রম দেখা যায় না। এইসব আলোচনায় জাতীয় আয়ের মোট কতটা অংশ মূলধন হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে সেটাই প্রধান কথা, দেশের কোন্ অংশে তার বিনিয়োগ হচ্ছে। সেটা প্রধান নয়।

    অথচ বেকার সমস্যার পিছনে উন্নত ও অনুন্নত অঞ্চলের পারস্পরিক সম্পর্কে গঠিত একটি পটভূমিকা যে-মুহূর্তে আমাদের দৃষ্টির ভিতর আসে তখনই আঞ্চলিক প্রশ্নকে আর তুচ্ছ করা যায় না। অনগ্রসর অঞ্চল থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে শিল্পাঞ্চলে আসে বটে। দেশের ভিতর এইরকম একটা সচলতা থাকা স্বাভাবিক ও বাঞ্ছনীয়। অধিকাংশ মানুষের জন্য তবু জীবিকার সংস্থান চাই তাদের নিজ নিজ অঞ্চলে। এ ছাড়া উপায় নেই। অনুন্নত অঞ্চলে যদি কর্মের সুযোগ না থাকে, স্থানীয় সম্পদের ভিত্তিতে যদি সেখামে শিল্পগঠনের উদ্যোগ না থাকে, তবে তাতে সেই অঞ্চল এবং সমগ্র দেশ উভয়েরই ক্ষতি।

    প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব প্রায়ই অনুন্নত অঞ্চলের উন্নতির পথে প্রধান অন্তরায় হয়। বরং অনগ্রসরতাই অনগ্রসরতার মূল কারণ। অর্থাৎ সাফল্য যেমন সাফল্যকে ডেকে আনে এবং ব্যর্থতা ব্যর্থতাকে, অনগ্রসরতাও তেমনই এমন কিছু অবস্থার সৃষ্টি করে। যার ফলে এরপর অগ্রসর হওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। আর্থিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নের জন্য শুধু প্রাকৃতিক সম্পদই প্রয়োজন হয় না; সেই সঙ্গে চাই একটা অনুকূল পরিপার্শ্ব, পথঘাট, বিদ্যুৎ, শিক্ষা ইত্যাদি। যে-সব গ্রাম বাজার থেকে বেশী দূর, সেখানে উন্নতি ও ‘আধুনিকীকরণে’র শক্তিও দুর্বল। কাজেই গ্রাম ও শহরের ভিতর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার একটা সম্পর্ক সূযতে গড়ে তোলা প্রয়োজন। কয়েকটি গ্রামের মাঝখানে একটি বাজার; বাজারের সঙ্গে যোগ একদিকে গ্রামের, অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত বড় শহরের; সেই শহরের সঙ্গে যোগাযোগ আবার কেন্দ্রীয় নগরের। পথঘাট এমনভাবে পরিকল্পিত যে, গ্রাম থেকে বাজারে অথবা নিকটবর্তী শহরে যাতায়াত সহজ। সেই সঙ্গে চাই শিক্ষার সুবন্দোবস্ত। এই হলো মোটামুটি ছক, যার ভিত্তিতে গ্রাম ও শহরের ভিতর ধীরে ধীরে নৈকট্য স্থাপন করা যায়।

    সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মোট শহরবাসীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের বাস বৃহত্তর কলকাতায়। লোকসংখ্যার হিসেবে বৃহত্তর কলকাতা এখানকার পরবর্তী বৃহত্তর শহরের তুলনায় ত্রিশগুণের চেয়েও বড়। অর্থাৎ, পশ্চিমবঙ্গে আছে একটি বৃহৎ নগরীর একাধিপত্য। ফলে কলকাতার সঙ্গে পল্লী বাংলার বৃহদংশের আর্থিক ও সাংস্কৃতিক দূরত্ব এতই বেশী যে, এ-দুয়ের ভিতর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার সৃষ্টিশীল সম্পর্ক গড়ে ওঠা অত্যন্ত কঠিন। ভারতের অন্যান্য কোনো কোনো অঞ্চলেও তুলনীয় অবস্থা দেখা যায় তবে শিল্পাঞ্চল ও। গ্রামাঞ্চলের ভিতর বৈসাদৃশ্য সম্ভবত অন্য কোথাও এমন প্রকট নয়। এই নাগরিক। একাধিপত্যের পরিবর্তে চাই বিকেন্দ্রিক উন্নয়নের ভিন্ন রূপরেখা।

    গান্ধীবাদীরা গ্রামীণ শিল্পের সাহায্যে বেকার সমস্যার সমাধান করতে চান। এই চিন্তাধারারও কিছু পরিবর্তন আবশ্যক। দ্বিতীয় পঞ্চবর্ষ পরিকল্পনার সময়ে কথা শোনা গিয়েছিল যে, আমরা ভারী শিল্পের সাহায্যে বেকার সমস্যার সুরাহা করব। সিংহলেও দু বছর আগে (১৯৭০ সালের অগাস্ট মাসে) কর্মসৃষ্টির বড় একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তাতে গ্রামীণ শিল্পের জন্য বেশ কিছু টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু নানা রকম অসুবিধা অবিলম্বে দেখা দেয়। আমাদের দেশের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তার মিল আছে। শুধু সরকারী সহায়তায় গ্রামীণ শিল্পকে চিরকাল টিকিয়ে রাখা যাবে না। গান্ধীবাদীরা নিজেরাই স্বীকার করেন যে, এজন্য ছোট শিল্পের দক্ষতা বাড়ানো দরকার। কুটির শিল্পের যান্ত্রিক উন্নতিতে ওঁরাও আজ আগ্রহী।

    এই চিন্তাধারাকে আরও একটু এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার। ছোট শিল্পের দক্ষতা বাড়াবার জন্য যেমন যান্ত্রিক নতুনত্ব প্রয়োজন, তেমনই কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি কিনবার সমস্যা আছে, আবার উৎপন্ন দ্রব্য বিক্রী করবার প্রশ্নও আছে। এই সব নানা কারণে ছোট শিল্পকেও একটা সংগঠনের ভিতর আসতে হয়। কোনো কোনো শিল্পকে কৃষকের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু এমন অনেক ছোট শিল্প আছে যাদের বাজারের কাছে, অথবা ঐ রকম কোনো সুবিধাজনক জায়গায়, পরস্পরের সান্নিধ্যে স্থাপন করতে পারলে কাজের সুবিধা হয়। যাকে গ্রামীণ শিল্প বলা হয় তার উন্নতির প্রশ্ন আজ গ্রামের স্বয়ম্ভরতার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা সম্ভবত ঠিক হবে না। গ্রামীণ যে-অর্থনীতি শিল্পবিপ্লবের সংঘাতে ভেঙ্গে গেছে সেখানে প্রত্যাবর্তনের পথ আর খোলা নেই। বরং আমাদের দৃষ্টিকোণ আরও একটু বিস্তৃত করে আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রেখে ছোট শিল্পের। কথা চিন্তা করা এখন ফলপ্রসূ হতে পারে। গ্রাম এবং ছোট ও মাঝারি শহরের সমন্বয়েই একটি অঞ্চল। এই কাঠামোর ভিতর স্থানীয় সম্পদের পূর্ণতর ব্যবহারের জন্য শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ বাঞ্ছনীয়।

    জাতি গঠন ও আর্থিক পুনর্গঠনের কাজের ভিতর এইখানে মিল। গ্রাম ও জনপদ, আঞ্চলিক সমাজ ও বৃহত্তর সমাজ, এইসব নিয়েই জাতি। ব্যক্তি একই সঙ্গে ছোট, বড় এবং আরও বড় সমাজের অংশ। শিল্পবিপ্লবের একটা ঝোঁক আছে, স্বতন্ত্র ব্যক্তি ও বৃহৎ জাতির মাঝখানে আত্মীয়তা এবং সমাজবদ্ধতার অন্য যে-সব বৃত্ত আছে, তাদের সে। নিশ্চিহ্ন করে দিতে চায়। এই ঝোঁকটা যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখন মানুষের স্বভাব তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। মানুষের আর্থিক ও আত্মিক কিছু অভাব সুষ্ঠুভাবে মেটানো যায় আঞ্চলিক সমাজের সীমানার ভিতর। আবার অন্য কোনো কোনো প্রয়োজনে তাকে যুক্ত হতে হয় আরও বৃহৎ সমাজ এবং অবশেষে সমগ্র মানবসমাজের সঙ্গে। একথা যেমন সত্য সমাজনীতিতে, তেমনই অর্থনীতিতে। এইসব ছোট এবং বড় সমাজের ভিতর তাই কর্মের সমম্বয় প্রয়োজন। এটা সহজ কথা হয়েও সহজ নয়, কারণ বাস্তব অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন সমম্বয়ে পৌঁছতে হয় নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ভিতর দিয়ে। গান্ধী বলেছিলেন, জনপদের জন্য গ্রাম, দেশের জন্য জনপদ, পৃথিবীর জন্য দেশ। সেকথা এখনও সত্য। কিন্তু এই পারস্পরিক নির্ভরতার প্যাটার্নের ভিতর ছোট বড় বিভিন্ন গোষ্ঠীর দায়দায়িত্বের ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। আমদের আজকের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মবিভাগের রেখাগুলি নতুন করে এঁকে নেওয়াই প্রধান কাজ। এই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামীণ অর্থনীতি, আঞ্চলিক অর্থনীতি ও জাতীয় অর্থনীতি নিয়ে নতুনভাবে। চিন্তা করার সময় এসেছে।

    সমাজ সংগঠনের বৃহত্তর কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আর্থিক পুনর্গঠনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খোঁজা আবশ্যক। একথা অর্থনীতিবিদদের ভুলে থাকার একটা অভ্যাস আছে। কিন্তু একটা কথা কিছুতেই আর উপেক্ষা করা যায় না; পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি নিয়েও সেটা বলা দরকার। আর্থিক উন্নয়নের জন্য ন্যূনতম একটা সামাজিক সংহতি প্রয়োজন। বেকার সমস্যা ও আঞ্চলিক অসাম্যের সমস্যা আজ এমন আকার ধারণ করেছে যে, এর সঙ্গ সেই ন্যূনতম সমাজ সংহতির প্রশ্নই জড়িয়ে পড়েছে। আর্থিক পরিকল্পনার যাঁরা। প্রণেতা, নগরের সমস্যা স্বভাবতই তাঁদের চেতনাকে একটু বেশী করে অধিকার করে থাকে। কারণ নাগরিক অসন্তোষ বেশী সরব। নগরের সমস্যাকে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক। তবু ব্যাধির মূল খুঁজতে হলে আরও গভীরে যেতে হবে।

    এদেশের যাঁরা নীতির নির্ধারক তাঁদের ভিতর কি সেই নতুন চিন্তা শুরু হয়েছে? পল্লী অঞ্চলে আরও কিছু পথঘাট, স্কুল অথবা বিদ্যুতের ব্যবস্থা করাই যথেষ্ট নয়, যদিও এ সবই প্রয়োজন। পল্লী ও নগরের সম্পর্কের প্রশ্নটা নিয়েই নতুন করে ভাবতে হবে। এ ব্যাপারে আমাদের আর্থিক চিন্তায় এখনও স্বচ্ছতা আসেনি। নতুন পরিকল্পনামন্ত্রী দায়িত্ব। গ্রহণের পর বলেছেন যে, বেকার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা জোরদার করতে হবে। পল্লী অঞ্চলে যেটুকু না করলেই নয় তাই হবে। আর শহরে, ব্যবসাবাণিজ্যে, ক্ষুদ্র শিল্পে ও সেবাকর্মে যথাসম্ভব বেশী কর্মের সংস্থান করা হবে (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ২৮ জুলাই)। একটি বহু প্রচারিত সংবাদপত্রে পরিবেশিত এই খবরটি কি নির্ভুল? পিছিয়ে-পড়া দেশগুলিতে স্বাভাবিকভাবে যা ঘটছে, তারই প্রায় একটি হুবহু চিত্র এখানে পাওয়া যাচ্ছে। এসব দেশের পল্লী অঞ্চলে নতুন কাজের সুযোগ বাড়ছে না; আর শহরের অতিস্ফীত ব্যবসাবাণিজ্যে ও তথাকথিত সেবাকর্মে অর্ধবেকারদের সংখ্যা ক্রমশ অস্বাস্থ্যকরভাবে বেড়ে চলেছে। এই প্রতিক্রিয়াটিকে সরকারী সহায়তায় আরও একটু সুচারুভাবে সম্পন্ন করাই কি যথেষ্ট? তবে কি ‘নয়া অর্থনীতির চাকা ঘুরেও ঘুরছে না? আশা রাখতেই হয় যে, পরিকল্পনামন্ত্রীর আরও কিছু বক্তব্য আছে, যা তিনি এখনও বলেননি। দেশের অর্থনীতি নিয়ে নতুন একটা সামগ্রিক চিন্তা পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হওয়া চাই। গ্রামকে উপেক্ষা করে দেশময় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা পারে না।

    পল্লী ও নগর (১৯৭৩)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }