Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০৫ সনাতন ও আধুনিক

    আমাদের অহংকার, আমরা অত্যন্ত সহনশীল জাতি। এই সিদ্ধান্ত একেবারে ভিত্তিহীন নয়। কিন্তু এর স্বপক্ষে অতি পরিচিত যুক্তিগুলির পুনরাবৃত্তি করব না; কারণ এতে আমাদের তেলে মাথাকে আরও তৈলাক্ত করা হবে মাত্র। আপাতত আমার বক্তব্য ভিন্ন, যদিও অনুমান করি যে এই ভিন্ন বক্তব্যটিকেও অনেকেই উল্লিখিত সনাতন সিদ্ধান্তের সঙ্গে অভিন্ন বিবেচনা করতে বিলম্ব করবেন না।

    আমাদের চিন্তা ও ধর্মচেতনার একটা বড় দুর্বলতা এই যে, আমরা সংশয়কে জোরের সঙ্গে অনুভব করতে অভ্যস্ত নই। যত মত তত পথ একথা যদি সত্য হয় তবু মনে রাখা ভালো যে, একই ব্যক্তি যদি একাধিক মত ও পথ একই সঙ্গে অবলম্বন করেন তবে সন্দেহ করবার কিছুটা কারণ ঘটে যে এর কোনোটিকেই তিনি গভীরভাবে হৃদয়ঙ্গম করেননি। রামকৃষ্ণ, সুভাষচন্দ্র ও লেনিনকে যিনি একই মুহূর্তে গ্রহণ করেন তিনি সম্ভবত এঁদের কারও প্রতি সুবিচার করছেন না। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে ধর্ম ও দর্শন বিষয়ে। বিবেকানন্দের মত লেনিনের (এবং লেনিনের মত বিবেকানন্দের) কাছে গ্রহণযোগ্য হত না। বিভিন্ন মতেই সত্যের ভগ্নাংশ আছে বটে। কিন্তু কোন্ মতে কতটুকু সত্য আছে। তারও বিচার প্রয়োজন। যে-খণ্ডসত্য মতবিশেষে বিধৃত তার সীমা নির্ধারণ করেই তাকে সঠিক জানা যায়। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে ধর্ম নতুন রূপ ধারণ করেছে। মানুষের চেতনার বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নব নব সংশয়ের ভিতর দিয়ে ধর্মের সত্য নতুনভাবে। উচ্চারিত হয়েছে। ধর্মের যদি কোনো সম্পূর্ণ কালোত্তীর্ণ সার থাকে তবে তা সম্ভবত অনুচ্চার্য। উচ্চারিত ধর্মকে যুগ থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করা ভুল; কারণ তাতে জীবনের প্রয়োজন থেকেই তাকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

    .

    ১

    ধর্মের সত্য যখন একই বাক্যে প্রকাশিত হয়েছে তখনও যুগভেদে সেই বাক্যের অর্থে পৌঁছবার পথ বদলে গেছে, অতএব তার ঐতিহাসিক তাৎপর্যেরও পরিবর্তন ঘটেছে। উদাহরণত পাশ্চাত্ত্য ইতিহাসের একটি অধ্যায় অত্যন্ত সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক।

    বিশ্বাসই মুক্তির পথ, এটা ধর্মের একটি প্রাচীন কথা। আধুনিক যুগ শুরু হবার আগে কথাটার একটা সরল অর্থ ছিল। সন্তান যেমন নিশ্চিন্তে পিতামাতার ওপর নির্ভরশীল, মানুষের পক্ষে তেমনই ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা সেদিন কঠিন ছিল না। আধুনিক যুগের গোড়াতেই যুক্তি ও বিশ্বাসের মধ্যে নতুন করে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হল।

    এই দ্বন্দ্বের সমাধান করতে গিয়ে বহু মানুষ একটি সিদ্ধান্তে নানাভাবে ফিরে এসেছেন। সিদ্ধান্তটি এই যে, ধর্মের যেটুকু গ্রহণীয় তা যুক্তির অতীত, কিন্তু যুক্তিবিরুদ্ধ নয়। যেমন খৃষ্টীয় তের শতকে সেন্ট টমাস একুইনাস বললেন যে, খৃষ্ট ধর্মের সত্য যদিও সাধারণ যুক্তিকে অতিক্রম করে যায় তবু যুক্তির সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই (“although the truth of the Christian faith surpasses the capacity of the reason, nevertheless that with truth ___ ____ ____.” এমনি করে যুক্তি ও বিশ্বাসের ভিতর সন্ধি স্থাপিত হল। বলা বাহুল্য যে, প্রাচীন বিশ্বাসের সঙ্গে এই নতুন ধারণা সমার্থক নয়।

    কিন্তু এখানেও সমস্যার সর্বসম্মত সমাধান পাওয়া গেল না। তর্কের অবকাশ রইল। আমরা সংসারে প্রতিনিয়ত দেখছি যে, নিদোষ মানুষ নিগ্রহ ভোগ করছে। ভগবানের অস্তিত্বে বিশ্বাসের সঙ্গে সংসারের এইসব প্রত্যক্ষ অন্যায়কে কিছুতেই সাধারণ যুক্তি দিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করা যায় না ভগবান কাকে যে কৃপা করবেন আর কাকে করবেন না তার কোনো ন্যায়সঙ্গত ব্যাখ্যা হয় না। যোড়শ শতকে এরাসমুসের সঙ্গে তর্কে যুক্তি ও বিশ্বাসের সন্ধিতে অনাস্থা জানিয়ে প্রটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের নেতা লুথার বললেন “Common sense and natural reason are highly offended that God by his mere will deserts, hardens and damns. There is no use trying to get away from this by ingenious distinctions.” শুধু সৎকার্যের পুরস্কারস্বরূপ ঈশ্বরের করুণা লাভের আশা। ত্যাগ করাই উচিত। মানুষের যুক্তির পথ ধরে ভগবানের ইচ্ছা চলে না। অতএব। অহেতুক বিশ্বাসের ভিতর দিয়েই মুক্তির ইঙ্গিত আসে।

    হঠাৎ মনে হতে পারে যে, আমরা প্রাচীন যুক্তিবিহীন বিশ্বাসেই আবার ফিরে এলাম। কিন্তু যে ঐতিহাসিক পরিক্রমার ভিতর দিয়ে এই প্রত্যাবর্তন তারই ফলে এই নতুন। সিদ্ধান্তের ভাবার্থও ভিন্ন। যে-যুক্তির সাহায্যে লুথার যুক্তি থেকে বিশ্বাসকে বিচ্ছিন্ন না করলেন তারই জের টেনে আবার ঈশ্বরকেই বিশ্বাস থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব। ভগবান। সর্বশক্তিমান অথচ ন্যায়বোধহীন একথা অবিশ্বাস্য; অতএব ঈশ্বর নেই।

    তারপরও জীবনে বিশ্বাসের স্থান থাকে। ব্যারট্রান্ড রাসেল বাল্যে পিউরিট্যান ঐতিহ্যে লালিত হয়েছিলেন। কিন্তু শীঘ্রই তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাস হারান এবং অবশেষে এই প্রত্যয়ে আসেন যে করুণাই ধর্ম “The thing I mean is love, Christian love, or compassion…. If you have this, you have all that anybody should need in the way of religion.” (“Science and Value’) ঈশ্বর যদি নাও থাকেন তবু মানুষের প্রতি প্রেম অথবা করুণা রক্ষা করেই মানুষের মুক্তি সম্ভব।

    ঈশ্বরে বিশ্বাসের মতনই এই করুণা যুক্তিকে অতিক্রম করে যায়, যদিও যুক্তির সঙ্গে এর। বিরোধ নেই। সংশয়বাদী রাসেল ইতিহাসের একটি দীর্ঘ অধ্যায়কে ব্যক্তিগত জীবনে অতিক্রম করেন।

    আমরা নিঃসংশয়ে মাতৃপূজা থেকে নাস্তিক্য পর্যন্ত সবই গ্রহণ করেছি। ফলে আমাদের চিন্তা গতিহীন হয়ে পড়েছে।

    .

    ২

    গীতায় ফলাকাঙ্ক্ষা ত্যাগের উপদেশ আছে। এই উপদেশের একটা গভীর তাৎপর্য আছে সন্দেহ নেই। কোনো বিশেষ ফললাভ অর্থাৎ স্বার্থসিদ্ধি যে-ভালোবাসার উদ্দেশ্য তাকে যেমন আদর্শ ভালবাসা বলা যায় না, ভালোবাসার শেষ লক্ষ্য যেমন মুক্তি, জীবনও তেমনই।

    কিন্তু এর পরিপূরক একটি সত্যও এই সঙ্গে স্বীকার্য। যদি লোকহিতের জন্য কাজ করতে হয় তো লোকহিতরূপ ফলে আমাদের আগ্রহ থাকা বাঞ্ছনীয়; এবং এই ফল যাতে লাভ হয় কর্মকে তার উপযোগী করাও কর্তব্য। অর্থাৎ মানুষের মহত্তম প্রেরণাকে কোনো এক স্তরে ফলাকাঙ্ক্ষা থেকে মুক্ত করেও অন্য স্তরে তাকে ফলাফলের গণনার সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন। অন্তত আধুনিক যুগে ফলের দ্বারাই কর্মের বিচার হয়। এই বিচারপদ্ধতি বহু পরিমাণে আধুনিক বিজ্ঞানের প্রগতির পথকে আলোকিত করেছে। ঐতিহাসিকভাবে ধর্মের ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তন ঘটেছে এই দৃষ্টিভঙ্গী ছাড়া সে সবও বোধগম্য হয় না।

    পাশ্চাত্ত্য জগতে শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ধর্মসংক্রান্ত মৌলিক ধ্যানধারণার যে পরিবর্তন দেখা দিয়েছে এই প্রসঙ্গে সেটা বিশেষভাবে স্মরণীয়। এ বিষয়ে টনি ও ম্যাক্স ওয়েবরের পুস্তকের সঙ্গে এদেশেও অনেকেই পরিচিত।

    সময় যে সোজা পথে অতীত থেকে ক্রমশই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যায়, এ-কথাটা আজ আমাদের যতই স্বতঃসিদ্ধ মনে হোক না কেন বস্তুত এটা মোটেই সহজ কথা নয়। বরং প্রকৃতির তালে তালে ঋতু পরিবর্তনের পথ ধরে সময়ের যে-গতি স্বাভাবিকভাবে লক্ষ করা যায় তা হল পুনঃ পুনঃ আবর্তিত বৃত্তাকার গতি। অতীত যে চিরকালের মতোই অতীত, যে সময় হারালাম তা যে কখনই আর ফিরে পাওয়া যাবে না, সময় সম্বন্ধে এই সচেতনতা চিরকালীন নয়। আর পৃথিবীতে আমাদের একবারই জন্ম, প্রতি মুহূর্তে আমরা এই সীমাবদ্ধ সময়কে কশায় কলায় হারাচ্ছি, এই আর্ত অনুভূতিতে আধুনিকতার বিশেষ সুরটি তো খুবই স্পষ্ট।

    কিন্তু আপাতত সময়ানুভূতির এই বেদনার্ত সূক্ষ্মতার আলোচনা নিস্প্রয়োজন। বাণিজ্যের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সময়ের গতি সম্বন্ধে মানুষ সচেতন হয়েছে একটি সহজ অর্থে। টাকা ধার নিলে অথবা জমা রাখলে তার ওপর সুদ জমে। কতটা সুদ জমবে সেটা নির্ভর করে সময়ের ওপর শতকরা হিসাবে, যেমন বছরে শতকরা পাঁচভাগ, দশভাগ। বা ঐ রকম কিছু। অতএব ব্যবসায়ী কতটা মাল বিক্রয় করলেন অথবা কি পরিমাণ লাভ করলেন সেটা জানাই যথেষ্ট নয়, কতটা সময়ের ভিতর মাল বিক্রয় হল বা লাভ হাতে এলো সেটাও হিসাব করা আবশ্যক। কোনো কাজ সম্পন্ন হল কি না সেটাই সব কথা নয়, কত শীঘ্র কাজ সম্পন্ন হল তাও বিশেষভাবে বিবেচ্য। আমাদের সমাজে সময়ানুবর্তিতা এবং কাজের গতি দ্রুত করবার দিকে-যে দৃষ্টি নেই এতেই প্রমাণিত হয় যে, আমাদের জীবনের বহিরঙ্গে আধুনিকতার ছাপ যদি-বা আছে, আমাদের চেতনা এখনও আধুনিক গুণসম্পন্ন হয়নি।

    ব্রহ্মচর্য অথবা ইন্দ্রিয়সংযমকে আমরা সনাতন ধর্মের অঙ্গ বলে জানি। কিন্তু এখানেও মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগের গোড়ায় পৌঁছে শব্দার্থের অথবা ঐতিহাসিক উদ্দেশ্যের একটা পরিবর্তন লক্ষণীয়। মধ্যযুগের সাধক জানতেন যে, আমরা যতদিন এই সতত পরিবর্তিত জগতের সঙ্গে আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে অভিন্ন করে দেখি, লোভে এবং ভয়ে এর সঙ্গে জড়িত হয়ে থাকি, ততদিন আমাদের মুক্তি নেই। অতএব তিনি চিত্ত থেকে ছোট ছোট বাসনাকে উম্মুল করতে চাইতেন, যাতে সেই শূন্য হৃদয়ে ভগবানের অবতরণ সম্ভব হয়।

    আধুনিক যুগে ইয়োরাপে পিউরিট্যান আন্দোলনের নেতারা ইন্দ্রিয়সংযমকে ব্যবহার করেছেন জাগতিক উন্নতির প্রয়োজনে। তাঁদেরও শেষ উদ্দেশ্য আত্মিক মুক্তি। কিন্তু এই জগতে যার যেখানে স্থান সেখানে অধিষ্ঠিত থেকে সামাজিক কর্তব্য সম্পাদনের ওপর তাঁরা জোর দিলেন। বিশেষভাবে আর্থিক সম্পদ বৃদ্ধির দায়িত্ব তাঁদের চিন্তায় একটা বড় স্থান লাভ করল। অর্থগৃধুতার দ্বারা একের ধন সম্ভবত অন্যে লাভ করতে পারে; কিন্তু নতুন সম্পদ সৃষ্টি করবার জন্য প্রয়োজন কঠিন পরিশ্রম, সময়ানুবর্তিতা এবং তৎসংশ্লিষ্ট সংযম। ম্যাক্স ওয়েবর তাই পিউরিট্যান ধর্মের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে “worldly asceticism” কথাটি ব্যবহার করেছেন। মধ্যযুগের ইন্দ্রিয়সংযমের উদ্দেশ্য ছিল জগৎ থেকে মনকে মুক্ত করা; ক্যালভিন (বা কালভ্যা) যে-ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ও পথপ্রদর্শক তার বৈশিষ্ট্য হল, জাগতিক কর্মের ভিতর দিয়ে চরিত্রগঠন। বলা বাহুল্য হিন্দুধর্মেও কর্মযোগের শিক্ষা আছে এবং অর্থকে জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসাবে স্বীকার করা হয়েছে, এই কথা বলে যদি কেউ পিউরিট্যান আন্দোলনকে আমাদের সনাতন ধর্মের সঙ্গে মেলাতে চান তবে সেটা কিঞ্চিৎ ভুল হবে। সংসারের কর্ম হিন্দুর ধর্মে বর্ণ ও জাতিভেদ দ্বারা নির্ধারিত। আর ইয়োরোপে আধুনিক যুগের আন্দোলনে যে তীক্ষ্ণ সময়-সচেতনতা আছে, আমাদের সমাজে তা নেই।

    এই প্রসঙ্গে ইউরোপীয় রেনেসাঁসের সঙ্গে পরবর্তী রেফর্মেশন এবং বিশেষভাবে পিউরিট্যান আন্দোলনের পার্থক্যের সামান্য উল্লেখ আবশ্যক। মধ্যযুগে ইয়োরোপে ধর্মপ্রতিষ্ঠানগুলি ছিল শিক্ষা ও উচ্চ চিন্তার অদ্বিতীয় ধারক। রেনেসাঁসের যুগে ধর্মপ্রতিষ্ঠানের গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন বৃহত্তর সমাজে ছড়িয়ে পড়ল। প্রাচীন গ্রীক দার্শনিকেরা যুক্তিকে মানুষের স্বাভাবিক ধর্ম বলে জানতেন। রেনেসাঁসের যুগে ইয়োরোপের মনে আত্মবিশ্বাস এবং যুক্তির প্রতি আগ্রহ নতুন করে জাগ্রত হল। এই নবজাগরণের মুহূর্তে ইয়োরোপ ধর্মকে বর্জন করেনি। বরং যুক্তির আলোকে সে ধর্মকে নতুন করে চিনতে চেয়েছে এবং সেই সঙ্গে মানুষ ও প্রকৃতিকে। ফলে একদিকে বিজ্ঞানচচার অর্থাৎ প্রাকৃতিক নিয়মের অন্বেষণে উৎসাহ প্রসারিত হয়েছে; আর অন্যদিকে মানুষ সম্বন্ধে ধারণা গেছে পালটে। সমাজে ব্যক্তির একটি পূর্ব নির্ধারিত স্থান আছে, এই রকম একটা ধারণা মধ্যযুগে প্রবল ছিল। রেনেসাঁসের চিন্তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য এই যে, মানুষকে এখন কল্পনা করা হল অনন্তসম্ভাবনাময় অদ্বিতীয় জীব হিসাবে। মানুষের চরিত্র ক্রমশ উদঘাটিত হচ্ছে, অশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ভিতর দিয়ে মানুষ নিজেকে ক্রমাগত আবিষ্কার করছে। আপনাকে জানা তার কখনও ফুরোবে না।

    যুক্তিতে বিশ্বাসী ও মানুষের রহস্যে মুগ্ধ রেনেসাঁসের যে-মন লেওনাদোর চিত্রে পরিস্ফুট ইয়োরোপের আধুনিক ইতিহাসে তার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আর্থিক উন্নতির জন্য চরিত্রের যে অনুশীলন প্রয়োজন তার পক্ষে রেনেসাঁসের বাণী যথেষ্ট ছিল না! শিল্পী। জানেন যে মানুষের হৃদয় রহস্যে আবৃত, তার কোনো নির্দিষ্ট বাসস্থান নেই। কিন্তু কর্মের পথে যিনি নেতা তাঁকে বলতে হয় যে, ব্যক্তিকে তার নির্দিষ্ট স্থানে নিযুক্ত থেকে কর্তব্য সমাপ্ত করবার মতন আত্মসংযমের অধিকারী হতে হবে। সমাজে ব্যক্তির স্থান সম্বন্ধে মধ্যযুগীয় ধারণা ভুল; মানুষের নতুন পথে অগ্রণী হবার অধিকার স্বীকার্য। কিন্তু ব্যক্তি যদি তার অন্তহীন সম্ভাবনার দোহাই দিয়ে পদে পদে নিজের দায়িত্ব এড়াতে চায়, কোনো অবস্থারই মুখোমুখি স্থিরভাবে দাঁড়াতে না পারে, তা হলে সমাজে কোনো বড় কাজ সম্পন্ন করা যায় না।

    তা ছাড়া শিল্পোন্নয়নের জন্য আবশ্যক বর্তমানের ভোগ সংকুচিত করে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়। বিশেষত শিল্পোন্নয়নের প্রথম যুগে এটা অত্যন্ত প্রয়োজন। এদিক থেকে প্রাচীন আভিজাত্যের সঙ্গে বণিকবুদ্ধির একটা পার্থক্য স্পষ্ট। অভিজাতবংশীয়ের চোখে বণিকের জমাখরচের হিসাবে একটা ক্ষুদ্রতা আছে; বণিক কৃপণ। শুধু যুক্তি দিয়ে এই দুই দৃষ্টিভঙ্গীর ভিতর একটিকে নির্বাচন করা যায় না। যেহেতু বর্তমানই প্রত্যক্ষ সত্য, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, অতএব ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়কে জীবনে বড় স্থান দিতে হলে এক বিশেষ ধরনের অভ্যাস ও বিশ্বাস প্রয়োজন। পিউরিট্যান আন্দোলন পাশ্চাত্ত্য জগতে শিল্পোন্নয়নের উপযোগী অভ্যাস ও বিশ্বাস সৃষ্টির কাজে সহায়ক হয়েছে। অথবা হয় তো। বলা উচিত যে রেনেসাঁস ও রেফর্মেশন একই সঙ্গে পরিপূরক ও বিরোধী। এদের। ঘাতপ্রতিঘাতের ভিতর দিয়ে আধুনিক যুগে ইয়োরোপের প্রগতি সম্ভব হয়েছে।

    মোট কথা, ধর্ম অপরিবর্তনীয় নয়; এবং জাগতিক ফল লাভ যদিও ধর্মের শেষ উদ্দেশ্য নয়, তবু জগতের প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা করেই ধর্মের পরিবর্তন ঘটে। নয়তো প্রাচীন ধ্যানধারণার সঙ্গে বর্তমানের অসামঞ্জস্য প্রগতির পথ রোধ করে দাঁড়ায়।

    .

    ৩

    রেনেসাঁসের প্রতিতুলনায় পিউরিট্যান আন্দোলনের যে তাৎপর্য তারই কিছুটা ছায়া পড়েছে এদেশে রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধীর পারস্পরিক বিরোধ ও পরিপূরকতায়।

    শ্ৰীমতী মীরা চৌধুরীর যে-খাতাটিতে গান্ধী একবার লিখেছিলেন ‘Never make a promise in haste. Having made it fulfil it at the cost of your life.” C 1015 অন্য পাতায় কিছুদিন পর রবীন্দ্রনাথ নিজের হাতে যোগ করেছিলেন “Surrender your pride to truth, fling away your promise if it is found to be wrong.”

    অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসী ছিলেন মানুষের অন্তহীন ও বহুরূপী সম্ভাবনায়। কোনো প্রাচীন শপথ যদি ব্যক্তিত্বের নব নব অভিব্যক্তির পথে বাধা হয়, তবে সেই শপথের শৃঙ্খল ভেঙ্গে ফেলে ব্যক্তিত্বকে মুক্তি দেওয়াই তাঁর কর্তব্য মনে হয়েছে। শান্তিনিকেতনে ও শ্রীনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের সাংগঠনিক কাজ যদিও উল্লেখযোগ্য তরু তাঁর নিজের কাছে কবি পরিচয়টিই প্রধান ছিল। কবি হিসাবেই তিনি মানুষের ব্যক্তিত্ব সম্বন্ধে এমন একটি নতুন ধারণা তাঁর সাহিত্যে ও চিন্তায় তুলে ধরেছিলেন যাকে বাদ দিয়ে আধুনিকতার দ্বার অতিক্রম করা যায় না।

    গান্ধী জানতেন যে, সংকল্পের দৃঢ়তা ছাড়া মহৎ কিছু সম্পন্ন করা যায় না। আর সত্যকে বিসর্জন দিলে সামাজিক সম্পর্কের কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তিই অবশিষ্ট থাকে না। উদ্ধৃত বাক্যে কর্মযোগী হিসাবে নিজের বাক্যে অটল থাকবার প্রয়োজনের ওপরই তিনি জোর দিয়েছেন।

    পিউরিট্যান অথবা সংযমী নীতিবাদের দুটি রূপ, মধ্যযুগীয় ও অপেক্ষাকৃত আধুনিক, আগে আলোচনা করেছি। এ দুয়ের ভিতর অনেক পার্থক্য। এ-দেশে স্বাবলম্বনের চেয়ে গুরুজনদের প্রতি বাধ্যতাকে বড় গুণ বিবেচনা করা হয়, অর্থাৎ, আমাদের ভিতর মধ্যযুগীয় মনোভাবেরই প্রাবল্য। সময়ের অপচয় আমাদের পীড়িত করে না। ন্যায়-অন্যায় বোধ আমাদের ক্ষীণ। নিয়ম সম্বন্ধে আমরা তখনই অতিমাত্রায় সচেতন যখন দায়িত্ব এড়াবার জন্য নিয়মটাকে কাজে লাগানো যায়। নয় তো নিয়ম সম্বন্ধে আমরা নির্বিকার।

    এরই ভিতর মোহনদাস করমচাঁদের আবিভাব উল্লেখযোগ্য। গান্ধীর মতামতের কোনো কোনো অংশ আমার মধ্যযুগীয় মনে হয়; যেমন নিরামিষ, গোমাংস, অথবা যৌন সম্পর্ক বিষয়ে তাঁর কিছু কিছু ধারণা। কিন্তু কয়েকটি মৌলিক ব্যাপারে তিনি ছিলেন আশ্চর্যভাবে আধুনিক। তাঁর সময়সনিষ্ঠা প্রবাদে পরিণত হবার যোগ্য; নিত্য সহচর ঘড়িটি উদ্যত তর্জনীর মতো তাঁর আদর্শের ইঙ্গিত বহন করেছে। যেমন সময়ের তেমনই অর্থের ব্যবহারে তিনি ছিলেন অত্যন্ত হিসেবী মানুষ। তিনি জাতে “বেনে” এ কথাটা যেমন প্রকাশ্যে উল্লেখ করতেন, তেমনই বণিকের শ্রেষ্ঠ গুণ তাঁর কর্মে পরিস্ফুট ছিল। তাঁর নিয়মনিষ্ঠাও বিখ্যাত। তিনি নিয়মকে কর্মের সহায় জানতেন এবং সেই অর্থেই তাকে জীবনচর্যায় বিশিষ্ট স্থান দিতে চেয়েছিলেন। এটাই অবশ্য গান্ধীর পূর্ণ পরিচয় নয়। কিন্তু বর্তমান প্রবন্ধে এটা বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।

    রবীন্দ্রনাথ আমার প্রিয়। রবীন্দ্রসঙ্গীতে আমি জীবনের কিছু অর্থ খুঁজে পাই। কিন্তু গান্ধীকে আমাদের প্রয়োজন। গান্ধীর ভিতর এমন কিছু গুণ ছিল যাকে অগ্রাহ্য করলে আমাদের সমাজের বুনিয়াদ শক্ত হবে না। আর সুস্থ সমাজ ছাড়া সংস্কৃতিকেই বা কতদিন বাঁচানো যাবে?

    পাশ্চাত্তের মতো এদেশেও সম্প্রতি যুব-বিক্ষোভ প্রবল আকার ধারণ করেছে। তবে এ দু’য়ের ভিতর একটা বড় পার্থক্য আছে। পশ্চিমে শিল্পোন্নত সমাজের ভিত্তি ও নীতি প্রতিষ্ঠিত হবার পর নিয়মের আতিশয্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পিউরিট্যান মতবাদের এবং আধুনিক আমলাতান্ত্রিক সমাজের একটা দিক আছে যেটা হৃদয়হীন। পাশ্চাত্ত্য দেশের তরুণেরা সমাজকে আরও হৃদয়বান করে তুলতে চাইছেন। কতটা সম্ভব। হবে সেটা পরীক্ষানিরীক্ষার প্রশ্ন। নিয়মের যেমন অত্যাচার থাকে, তরুণের প্রত্যাশায়ও তেমনই আতিশয্য আছে। এর মাঝামাঝি কোথাও রফা হবে।

    এদেশের তরুণেরাও সমাজের হৃদয়হীনতার বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ। ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে তবু পার্থক্য আছে। আধুনিক সমাজের আর্থিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি স্থাপন করাই আজ এদেশে বড় প্রয়োজন। আমরা যদি শিল্পোন্নত সমাজের নিয়ম আয়ত্ত করবার আগেই তাকে অতিক্রম করতে চাই, আধুনিক যুগে পৌঁছবার আগেই তাকে ছাড়িয়ে যেতে অধীর হয়ে উঠি, তবে বিপত্তি অনিবার্য। যাঁরা বিক্ষুব্ধ তাঁরা সবই ভাঙতে চাইছেন; কী গড়া প্রয়োজন এ-বিষয়ে তাঁদের ধারণা স্বপ্নের চেয়েও অস্পষ্ট ও অবাস্তব। যা অন্যায় ও যুক্তিহীন অথবা বর্তমান সমাজের প্রয়োজনের সঙ্গে যার সম্পর্ক নেই, তার বিরোধিতা নিশ্চয়ই আবশ্যক। কিন্তু আমাদের দেশে আধুনিক সমাজ গঠনের বর্তমান পর্যায়ে এমন অনেক কিছু গড়বার আছে, যা শুধুই বিক্ষোভের ধমকে আয়ত্ত করা যাবে না।

    দেহের শক্তিহীনতা আমাদের জাতি হিসাবে অতিশয় ভীতু ও শান্তিপ্রিয় করেছিল। মনের আলস্যে আমরা মেনে নিয়েছিলাম যে, যাদু ও বিজ্ঞান সমান সত্য। আলস্যের সগোত্র সাময়িক উত্তেজনা। ক্ষণিক উত্তেজনার ধাক্কায় দেশকে একটা মহৎ সাধনের তুঙ্গে তোলা যাবে, এই লোভনীয় বিশ্বাসের কাছে যদি আমরা আজ আত্মসমর্পণ করি তবে সেটা হবে অযুক্তিরই জয়। রবীন্দ্রনাথ ও গান্ধীর বৈপরীত্য সত্ত্বেও তাঁদের মিল ছিল অক্লান্ত সাধনার শক্তিতে এবং জীবনকে একটি নিত্য পরীক্ষিত সত্য হিসাবে লাভ করবার অদম্য আগ্রহে। সময় সম্বন্ধে সচেতন তবু শান্ত, অভ্যস্ত অশ্রান্ত পরিশ্রমে, সত্যের সন্ধানে আগ্রহী, বিরাট অথচ বহুলাংশে বিরোধী দুটি ব্যক্তিত্বে এই গুণ সমান প্রত্যক্ষ। একে বাদ দিয়ে আমাদের আদর্শ কল্পনা করা যায় না; একে উপেক্ষা করে এ যুগের লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে না।

    শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্ম ও অর্থনীতি, সব কিছু ব্যাপ্ত করে এক বৃহৎ আন্দোলন এদেশে একদিন শুরু হয়েছিল। আজ আমরা সেই আন্দোলন থেকে পিছিয়ে এসে রাজনীতির দ্বারা সব জয় করতে চাই। কিন্তু জীবনের বৃহত্তর ক্ষেত্রে পরাজিত হয়ে রাজনীতির সাহায্যে জয়ী হওয়া যায় না। এ জন্য আমাদের অসমাপ্ত রেনেসাঁস ও রেফর্মেশনকে পৃর্ণতর করা আশ্যক। এই দুই মহৎ আন্দোলনকে আমরা এদেশে স্থান ও কালের উপযোগী করে নিতে পারি; কিন্তু এদের বাদ দিয়ে এগিয়ে যেতে চাইলে ভুল করা হবে। ব্যক্তি ও সমাজের চারিগঠনে প্রতিটি পর্যায়ের একটা ঐতিহাসিক অবদান থাকে। আধুনিক যুগের গুণ আয়ত্ত না করেই ভবিষ্যৎকে হাতের মুঠোয় পেতে চাইলে অতীতকে বিকৃতভাবে চিরস্থায়ী করা হয়। তাকে তখন আমরা সনাতন ব’লে যতই অহংকার করি না কেন, সেটা আমাদের বাড়ার পথে বাধা হয়েই থাকে। সমাজ ও ইতিহাস (১৯৭০)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }