Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.১২ দ্বন্দ্ব বিদ্বেষ মঙ্গলবোধ

    দ্বন্দ্ব এক জিনিস, বিদ্বেষ অন্য।

    দ্বন্দ্ব শব্দটির দুটি বিপরীত অর্থ আছে।

    দ্বন্দ্ব মানে সংঘাত; যেমন, স্বার্থের দ্বন্দ্ব। আবার দ্বন্দ্ব মানে মিলন বা সমবায়; যেমন, দ্বন্দ্বসমাস।

    স্বার্থের দ্বন্দ্ব ব্যাপারটা আরও একটু তলিয়ে ভাবা যাক। যে-বস্তু নিয়ে দ্বন্দ্ব একপক্ষ তার বেশি পেলে অন্যপক্ষের ভাগে কম পড়বে। দৃপক্ষই সেটা চায়। অতএব দ্বন্দ্ব। যে-সব বস্তুর বেলায় এই নিয়মটা খাটে না, সেই সব বস্তু দ্বন্দ্বের বিষয় হয় না। আসন নিয়ে কলহ হয়, যেহেতু আসনের সংখ্যা সীমাবদ্ধ; কিন্তু খোলা হাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণ। নেই। অপরিমেয় বস্তু সংঘাতের বিষয় হয় না। যে-সব বস্তুর পরিমাণ সীমাবদ্ধ, সেই সব নিয়েই কলহ।

    পরিমেয় বস্তুর ভিতরও একটা অবস্থাভেদ লক্ষণীয়। এমন জিনিস আছে যার পরিমাণ, অবস্থাবিশেষে, বাড়ানো সম্ভব নয়। আবার এমন বস্তুও সদা সর্বদাই চোখে পড়ে যার পরিমাণ সীমাবদ্ধ বটে, তবু পক্ষ বিপক্ষের সহযোগিতার ফলে সেটা বাড়ানো সম্ভব। মরুভূমিতে যদি শুধু একভাণ্ড জলই দুজনকে ভাগ করে নিতে হয়, তবে একজন বেশি পেলে অন্যে কম পাবেই। কিন্তু শিকার কিংবা ফলসংগ্রহ করতে গিয়ে দুজনের সহযোগিতায় সংগ্রহের মোট পরিমাণ বাড়তে পারে।

    অবস্থাভেদটা শুধু বস্তুভেদের ওপর নির্ভর করে না, অনেকক্ষেত্রেই নির্ভর করে দৃষ্টি অথবা সময়ের প্রসারের ওপর। এই মুহূর্তে প্রত্যেকটি জিনিসের পরিমাণ নির্দিষ্ট। কিন্তু আরও একটু বেশি সময় যদি চিন্তার পরিধির ভিতর আনা যায়, তবে অধিকাংশ বস্তুর পরিমাণ আর কঠিনভাবে নির্দিষ্ট থাকে না। আবারও সহযোগিতার ভিতর দিয়ে পরিমাণ বাড়াবার সম্ভাবনা দেখা দেয়। অর্থাৎ যে-সব জিনিস নিয়ে দ্বন্দ্ব তাদের পরিমাণ তাৎক্ষণিক কিংবা সাময়িক দৃষ্টিতে নির্দিষ্ট, কিন্তু দূরদৃষ্টিতে সম্ভাব্যতার সীমা আরও বিস্তৃত।

    বাঞ্ছিত বস্তুর পরিমাণ যেখানে অনড়ভাবে নির্দিষ্ট এবং প্রার্থীর সংখ্যা একাধিক, সেখানে সংঘাতের বিকল্প সহজে চোখে পড়ে না। তবে সেখানেও একটা কথা আছে। যে বস্তুর পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব নয়, তারও রক্ষা প্রয়োজন। কলহের ফলে সবই নষ্ট হতে পারে। একে বলা যেতে পারে, সর্বনাশ। এই সর্বনাশের সম্ভাবনাটা যদি বিবেচনার ভিতর থাকে তবে দ্বন্দ্ব আবারও অবস্থাবিশেষে সংঘাতের সীমা ছাড়িয়ে রূপ নিতে পারে সমবায়ে।

    অতএব স্বার্থবুদ্ধি অবস্থা ও দৃষ্টিভেদে কখনও আমাদের এক পথে চালিত করে, কখনও অন্য পথে। স্বার্থের দিগন্ত যদিও সীমাবদ্ধ, তবু স্বার্থবুদ্ধি কিছুটা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। নয়তো। ওটা বুদ্ধিই নয়। স্বার্থকামনা আর স্বার্থবুদ্ধি এক বস্তু নয়। স্বার্থের সঙ্গে বুদ্ধি যোগ হলে তবেই সেটা স্বার্থবুদ্ধি হয়ে ওঠে। স্বার্থবুদ্ধি কিছুটা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বলেই একান্তভাবে। সংঘাতমুখী নয়, বরং সংঘাত ও সহযোগের চিন্তা তাতে একই সঙ্গে বর্তমান।

    অপর পক্ষে বিদ্বেষ নর্থক; তাতে সহযোগের চিন্তা নেই। বিদ্বেষে কোনো আলোকিত স্বার্থবুদ্ধি নেই। দ্বন্দ্বে একটা সমম্বয়ের আভাস আছে, বিদ্বেষে কোনো সমম্বয়ী বুদ্ধি নেই। অবশ্য বিদ্বেষের পিছনেও একটা প্রবলভাবে অস্বীকৃত গোপন অনুরাগ থাকে। কিন্তু অন্ধ কর্তৃত্বের শক্তি নিয়ে অস্বীকারের জোরটাই সেখানে প্রধান।

    .

    ২

    দ্বন্দ্বের নানা রূপ। এক, উপজাতীয় অথবা বিরোধী আত্মীয়গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। ধর্মযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ এই সব কিছুতে উপজাতীয় দ্বন্দ্বের ছায়া পড়েছে। দুই, ব্যবসায়িক অথবা আর্থিক দ্বন্দ্ব। এর আধুনিক উদাহরণ, ব্যবসায়িক সংস্থার ভিতর বাজার নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এই দুই প্রকার দ্বন্দ্বের মিশ্রণ ঘটে যেমন, জমি নিয়ে প্রাচীন কলহে। তুলনায় ক্রেতা ও বিক্রেতার কলহ ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের পরিচ্ছন্ন দৃষ্টান্ত। অর্থই অনর্থের একমাত্র কারণ নয়। আরও আছে পদাধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব, ক্ষমতা নিয়ে লড়াই। দ্বন্দ্ব চলে কখনও ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে, কখনও গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে।

    ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব গোষ্ঠীবদ্ধ হলেও সেখানে স্বার্থটা প্রাথমিক; আর উপজাতীয় দ্বন্দ্বে, আত্মীয়তার বন্ধনটা প্রাথমিক। কখনও আবার গোষ্ঠীতে সংঘবদ্ধ স্বার্থের সংঘাতও, উত্তেজক অথবা বিদ্বেষযুক্ত মতাদর্শের প্রভাবে, ধর্মযুদ্ধের সাদৃশ্য লাভ করে। দ্বন্দ্বের এই আরও একটি বিশেষ রূপ। এই বৈচিত্র্যই সত্য; দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের বিভিন্ন রূপের পিছনে কোনো অদ্বিতীয় মৌল পদার্থের সন্ধান করা বৃথা।

    যুক্তিধর্মিতায় অভ্যস্ত এ যুগে অনেকে ভেবে থাকেন যে, মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব মূলত স্বার্থবুদ্ধি দিয়ে চালিত। মানুষের চেতনার একটি বিশেষ স্তরকে এঁরা সম্পূর্ণ চেতনার প্রতিনিধি বলে ধরে নেন। তারপরও যদি মনে কিঞ্চিৎ সন্দেহ থেকে যায়, সেটাকে নানাভাবে দূরে ঠেলে দেবার যুক্তি উদ্ভাবন করা কঠিন হয় না। যথা, চিন্তায় খানিকটা সরলীকরণ অপরিহার্য; যেটা মৌল অথবা প্রধান সেটাকে গৌণ থেকে পৃথক করতেই হবে; স্বার্থবুদ্ধিই হল মৌল অথবা প্রধান। এইরকম একটা যুক্তি তখন সমর্থনযোগ্য মনে হয়।

    কিন্তু মানুষ বস্তুত একমাত্র স্বার্থবুদ্ধি দিয়ে চালিত হয় না। চৈতন্যের আরও একটা অধঃস্তর আছে, আরও একটা উধ্বস্তর আছে। নাগর ও সংস্কৃত চেতনার প্রভাবে আমরা বিদ্বেষকে যথাসম্ভব যুক্তি ও স্বার্থবুদ্ধির পোশাক পরিয়ে শুধু অপরের সমক্ষেই নয়, নিজের কাছেও উপস্থিত করি বটে। তবু, বিদ্বেষ ও স্বার্থবুদ্ধি এক বস্তু নয়। আবার মঙ্গলবোধ স্বার্থবুদ্ধির অধিক কিছু। অবশ্য মিশ্রণ সর্বত্র। মূর্তি নির্মাণে যেমন নতুন উপাদান মিলিত হয়, মূর্ত জীবনে তেমনি চেতনার বিভিন্ন উপাদান মিলে মিশে এক হয়ে যায়। তবু সব উপাদান সর্বত্র একভাবে মেশে না; মিশ্রণের তারতম্যে মিশ্র বস্তুর গুণভেদ ঘটে।

    এই মিশ্রণের উদাহরণ দেওয়া সহজ। তার আগে বিদ্বেষের কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ। উল্লেখ করা যাক। বিদ্বেষদৃষ্টিতে একের অস্তিত্বই অন্যের অস্তিত্বের ওপর একটি আক্রমণস্বরূপ মনে হয়। বিদ্বেষ্টা ও বিদ্বিষ্টের সংঘাতের ফলে সাংসারিক অর্থে হয়ত উভয়ের সমূহ ক্ষতি। দুয়ের সহযোগিতায় দুয়েরই স্বার্থরক্ষার পথ তুলনায় প্রশস্ততর। কিন্তু একের অস্তিত্বই যখন মূলত অন্যের কাছে অসহ্য, সহযোগিতার চিন্তার দ্বার তখন স্বভাবত রুদ্ধ। বিদ্বেষ স্বার্থবুদ্ধিকে আচ্ছন্ন করে। স্বার্থবুদ্ধি সর্বনাশ চায় না, সর্বপ্রকারে অন্যের ধ্বংসও কামনা করে না। স্বার্থবুদ্ধি অপর ব্যক্তিকে উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। স্বার্থদৃষ্টিতে অপরের একটি উপকরণমূল্য আছে। তার বেশি নেই। মঙ্গলবাধে তারও বেশি আছে। বিদ্বেষের আন্তরিক কামনা অপরের অস্তিত্ব নাশ করা অথবা তাকে নিজের অস্তিত্বের অংশ করে নেওয়া। একই কারণে বিদ্বেষ ব্যক্তিস্বাতন্ত্রের বিকাশের পথে অন্তরায়। যে-সব গোষ্ঠীর ভিতর বিদ্বেষভাবের প্রাধান্য, ব্যক্তির স্বাতন্ত্র্যবুদ্ধি সেখানে দুর্বল। গোষ্ঠীর সঙ্গে একটা অন্ধ একাত্মতা সেখানে প্রবল।

    সম্প্রদায় অথবা গোষ্ঠীতে সংহত সামাজিক বিদ্বেষের উদাহরণ হিসেবে জাতিবিদ্বেষ, বর্ণবিদ্বেষ ও ধর্মবিদ্বেষের নাম সহজেই মনে আসে।

    এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, আমাদের দেশবিভাগের পিছনে এই রকম একটা বিদ্বেষভাব ছিল। হিন্দু-মুসলমান বিরোধকে অবশ্য হিন্দু ও মুসলমানের আর্থিক স্বার্থের দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখাবার চেষ্টা হয়েছে। যেখানেই দুই সম্প্রদায় আছে, সেখানেই তাদের। ভিতর স্বার্থের সংঘাত দেখানো যায়। আবার সহযোগিতার ভিতর দিয়ে উভয়ের উন্নতির পথও খুঁজে নেওয়া সম্ভব। বিদ্বেষের দৃষ্টিতে প্রথমটি প্রকাণ্ড আকার ধারণ করে, দ্বিতীয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়। দেশবিভাগের আন্দোলনে স্বার্থ অবশ্যই ছিল, কিন্তু তাকেও অতিক্রম করে গিয়েছিল সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ। নয় তো অল্প কিছু লোকের স্বার্থের পিছনে এতো মানুষের ব্যক্তিবুদ্ধিবিধ্বংসী এমন অন্ধ সংহতি সেদিন সম্ভব হত না। দেশবিভাগের বিভীষিকাময় দিনগুলির রক্তপাত এবং উন্মত্ততারও অন্য কোনো ব্যাখ্যা হয় না। সম্প্রদায় হিসেবে একের অস্তিত্বই সেদিন অন্যের চোখে যেন অসহ্য হয়ে উঠেছিল।

    আরব-ইজরায়েল সংঘর্ষেও এই রকম একটা বিদ্বেষের শক্তি অনুভব করা যায়। নয়তো সহযোগিতার পথ খুঁজে বের করা কঠিন হত না। জাতিভেদ ও অস্পৃশ্যতা এদেশে যে ঘৃণ্যরূপে দেখা দিয়েছে, তার পিছনে আমরা যতই স্বার্থের দ্বন্দ্ব খুঁজি না কেন, সামান্যমাত্র দূরদৃষ্টিতে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকে না যে, ওটা কারো পক্ষেই আজ স্বার্থসিদ্ধির পথ নয়, বরং দেশময় সর্বনাশের পথ।

    দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গকে একসঙ্গে বাস করতেই হবে। কিন্তু বর্ণবিদ্বেষ এই সহাবস্থানের ওপর একটা কালো ছায়ার মতো নেমে এসেছে। এটা শুধু ধনী-দরিদ্রের ব্যবধানের ব্যাপার নয়। ধনী ও নির্ধন শ্বেতাঙ্গের ভিতর এই তিক্ত ব্যবধান নেই; নির্ধন কৃষ্ণাঙ্গ ও দরিদ্র শ্বেতাঙ্গের ভিতরও ভ্রাতৃত্ব অনুপস্থিত। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের পাশের দেশ মেক্সিকোতে বর্ণবিদ্বেষের সেই করাল মূর্তি নেই। নেই পেলের লাতিন আমেরিকায়, যেখানে তাঁকে নাম দেওয়া হয়েছে কালো মুক্তো বা কালোমণি।

    ধনিকের সঙ্গে শ্রমিকের যে সম্পর্ক, তার মূলে আছে স্বার্থ। আর বর্ণবিদ্বেষের মূলে আছে বিদ্বেষ। এ দুটোকে প্রায় মিলিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু এরা অভিন্ন নয়। আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম প্রধান সাম্রাজ্যবাদী দেশ স্পেন। শোষণের হিংস্রতায় সে অন্য কোনো সাম্রাজ্যবাদী দেশ থেকে পিছিয়ে ছিল না। অথচ সেখানে বর্ণবিদ্বেষ তুলনায় কম। এর একটা দীর্ঘ ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা আছে। তাতে প্রবেশ না করেও মূল কথাটা মেনে নেওয়া যায়। শোষণ ব্যাপারটাতে স্বার্থের গণনা প্রধান। সমবর্ণের মানুষের ভিতরও শোষণ সম্ভব, যার উদাহরণ পাওয়া যাবে এদেশেই। বর্ণবিদ্বেষটা আছে রক্তে এবং সংস্কারে। অবস্থার চাপে এ দুটো অল্প বেশি মিশে যায়। তখন মানুষে মানুষে সম্পর্কের সমস্যা হয়ে ওঠে আরও তিক্ত এবং জটিল। দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীর সংগ্রামটা ছিল বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে। সেই বিদ্বেষের রক্তচক্ষুতে তিনি সেদিখেছিলেন মানবতার সর্বনাশ।

    চার্চিল ভারত ছাড়তে চান নি। সাম্রাজ্য অটুট রাখতে তিনি ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনিই তো বলেছিলেন, সাম্রাজ্যের শ্রাদ্ধে পৌরোহিত্য করবার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীর পদে বসিনি। অথচ যুদ্ধের পর ব্রিটিশ শ্রমিক সরকারের কাছ থেকে এলো ভারতের স্বাধীনতা। তবে কি জাতীয় স্বার্থবুদ্ধি শ্রমিক দলের নেতাদের কম ছিল? হয়তো তা নয়, অন্তত সেটা প্রধান কথা নয়। হয়তো জাতীয় স্বার্থটা শ্রমিক দলের নেতারাই আরও পরিষ্কারভাবে বুঝেছিলেন। চার্চিলের ভাষায় ছিল সেই আভিজাত্যের ঔদ্ধত্য যেটা স্বার্থবুদ্ধিকেও অন্তত আংশিকভাবে আচ্ছন্ন করে, যার সঙ্গে মিল আছে বর্ণবিদ্বেষের। উগ্র দক্ষিণপন্থী নেতারা ঝুঁকেছিলেন এমন একটা সংঘাতের দিকে যেখানে স্বার্থবুদ্ধির চেয়েও বিদ্বেষটা বড়। শ্রমিক নেতারা সেই বিপত্তি থেকে দেশকে পরিত্রাণ করলেন। হিটলারের। নেতৃত্বে কিন্তু জামার্নিতে বিদ্বেষের শক্তিটাই বড় হয়ে উঠেছিল।

    এই রকমই ঘটে থাকে। বিদ্বেষ আসে স্বার্থবুদ্ধির মুখোশ পরে, তারপর সর্বনাশ ঘটায়। আমাদের ইতিহাসে কুরুক্ষেত্র সেই বিপর্যয়ের প্রতীক। কৌরব পক্ষের নেতা যদিও বলেছিলেন, যুদ্ধ বিনা সূচ্যগ্র মেদিনী ছাড়তে তিনি সম্মত নন, তবু ঐ ঘোষণায় জমিজমা সংক্রান্ত স্বার্থবুদ্ধির প্রাধান্য খুঁজতে যাওয়া ভুল। বংশগত কলহে চিরকালই বিদ্বেষের প্রাধান্য, আর বণিকবুদ্ধিতে প্রাধান্য স্বার্থের। আধুনিক যুগে যদিও ব্যবসায়ী বুদ্ধি প্রবল তবু এ যুগেও সেই বুদ্ধি শুধু অংশত জয়ী। প্রথম মহাযুদ্ধের পিছনে কোনো সুচিন্তিত স্বার্থবুদ্ধি ছিল না। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পিছনেও নয়। সমগ্র মেদিনী জয়ের হুংকারকে স্বার্থবুদ্ধি মনে করা ভুল। আর্থিক অথবা কোনো প্রকার স্বার্থের দ্বন্দ্ব দিয়েই ইতিহাসের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা হয় না। গৃহকলহ, জাতিবিদ্বেষ, বর্ণবিদ্বেষ, ধর্মবিদ্বেষ ইতিহাসের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে।

    .

    ৩

    স্বার্থের দ্বন্দ্বের সঙ্গে গৃহকলহের সুর মিশে এযুগের রাজনীতি একটা বিশেষ রূপ পেয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনার গোড়াতেই নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণী সম্বন্ধে কয়েকটি কথা সংক্ষেপে বলে নেওয়া প্রয়োজন।

    কোনো এক যুগে, অন্তত পশ্চিমী দেশগুলিতে, মধ্যবিত্তশ্রেণীর একটি প্রধান অবলম্বন ছিল বাণিজ্য। আজ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর চেহারা পালটে যাচ্ছে। নতুন মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রধান অবলম্বন, আমলাতন্ত্র তথা শাসনযন্ত্র। এই ঝোঁকটা আজ বিশ্বব্যাপী। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কোনো সরল বর্ণনা আর বাস্তবানুগ নয়। এই শ্রেণীতে একদিকে যেমন আছেন ছোট দোকানদার থেকে শিল্পপতি পর্যন্ত, যাঁদের অবলম্বন ব্যবসায়, অন্যদিকে তেমনি আছেন শাসনযন্ত্রে নিযুক্ত ছোট করণিক থেকে বড় আমলাগণ, যাঁরা সবাই বাঁধা চাকুরীজীবী। তাছাড়া আছেন বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রশাসন কাজে অধিষ্ঠিত কর্মী, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অথবা অধ্যাপক এবং এই রকম অন্যান্য চাকুরীজীবী। আরও আছেন আইনজীবী ও চিকিৎসাজীবীর মতো বিশেষ সম্প্রদায়, যাঁরা প্রচলিত অর্থে ব্যবসায়ী নন, আবার পুরোপুরি চাকুরীজীবীও নন। আমলারা এদেশে সবযুগেই মধ্যবিত্ত শ্রেণীর এক প্রধান অঙ্গ ছিলেন। আজ রাষ্ট্রযন্ত্র ও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর কি-ধনতান্ত্রিক কি-সাম্যবাদী সবদে শামলা সম্প্রদায় নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সবচেয়ে পরিচিত অংশ।

    বাণিজ্যে দ্বন্দ্ব অর্থ নিয়ে; রাজনীতিতে ক্ষমতা নিয়ে, রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর কর্তৃত্ব যে-ক্ষমতার ভিত্তি। আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যা ও কয়েকটি বড় বড় যুদ্ধের ফলশ্রুতি হিসেবে এই শতকে রাষ্ট্রযন্ত্র ক্রমশ আরও শক্তিশালী, আরও ব্যাপক ও সংগঠিত হয়ে উঠেছে। আশ্চর্য মনে হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রবিরোধী হিংসাত্মক আন্দোলনের ফলেও মোটের ওপর রাষ্ট্রের শক্তিবৃদ্ধি ঘটেছে। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর কর্তৃত্ব নিয়ে লড়াই আরও গুরুত্ব লাভ করেছে। এই ক্ষমতার লড়াইয়ে দুপক্ষেরই নেতারা আসেন প্রধানত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর থেকে। অর্থাৎ, আজকের রাজনীতি প্রধানত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিভিন্ন গোষ্ঠীর ভিতর ক্ষমতার দ্বন্দ্ব।

    এই দ্বন্দ্বে ব্যক্তিগত স্বার্থবুদ্ধি আছে, আবার তারও অতিরিক্ত কিছু আছে। ব্যক্তিগত স্বার্থবুদ্ধির দিক থেকে এর মিল ব্যবসায়ী বুদ্ধির সঙ্গে। ব্যবসায়ী বুদ্ধির বিবর্তন আছে, রূপভেদ আছে। আজকের রাজনীতিতে তার নতুন রূপ! রাজনীতির বুদ্ধির এই ব্যবসায়িক দিকটা নমনীয়, চতুর ও স্বার্থসন্ধানী। এর দীর্ঘ ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন। উদাহরণ হাতের কাছে। রাজনীতিতে ঘনঘন দল পরিবর্তন এদেশে আজ সাধারণ ঘটনা। যিনি কাল ছিলেন নব কংগ্রেসে, তিনি আজ জনতা দলে। আগামী কাল সম্ভবত আবারও কংগ্রেসে। যিনি একদা ছিলেন কম্যুনিস্ট দলে, অতঃপর নব কংগ্রেসে, তিনি অদ্য জনতা। অথবা মার্ক্সবাদী কম্যুনিস্ট দলে, হয়তো একাধিক দলে। দলের প্রতি অন্ধ আনুগত্য নির্বুদ্ধিতা মতবাদ বাহ্য এবং প্রয়োজনে জীর্ণবস্ত্রের মতো পরিত্যাজ্য; যেমন ব্যবসায়ে তেমনি রাজনীতিতে, স্বার্থের গণনাই মৌল পদার্থ।

    কিন্তু রাজনীতির আরও একটা দিক আছে, যেটা মানুষকে ব্যক্তিস্বার্থের বাইরে, ঊর্ধ্বে। অথবা অধঃস্তরে টেনে নিয়ে যায়। যাকে আমরা বলি ভাবাদর্শ অথবা আইডিঅলজি, সেই বিশ্বপ্রতিভাস এবং আদর্শ কল্পনারও রাজনীতির ওপর একটা প্রভাব আছে। এই প্রভাবের দুই ভিন্ন দিক সংক্ষেপে আলোচনা করব।

    জাতীয়তাবাদের মন্ত্রদাতারা দেশের একটা আদর্শরূপ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন। তাতে একই সঙ্গে ছিল প্রাকৃতপ্রেম এবং কর্তব্যের আহ্বান। জাতীয়তাবাদ আমাদের স্বাভাবিক মমতার পরিধিকে ক্ষুদ্র পারিবারিক প্রাঙ্গণ থেকে তুলে স্বদেশ ও সমাজের বৃহত্তর ক্ষেত্রে স্থাপন করতে চেয়েছে। সেই বৃহত্তর মমতার কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশের মাতৃমূর্তি। শৈশবের মুগ্ধ স্মৃতি ও যৌবনের প্রাণচঞ্চল কমেন্মুখ আদর্শচিন্তার উপাদানে সেই মূর্তি নির্মিত। এই স্বদেশ প্রেম একদা রবীন্দ্রনাথকে আকৃষ্ট করেছিল। ঐ পর্যায়ের কয়েকটি শ্রেষ্ঠ গানের জন্য তাঁর কাছে আমরা ঋণী। কিন্তু রাজনীতির আবর্তে ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জাতীয়তাবাদের যে রূপান্তর তিনি লক্ষ করেন জাপানে, তাতে তিনি শঙ্কিত হয়ে ওঠেন। রবীন্দ্রনাথের রচিত গানই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। তবু মনে রাখা ভালো যে, কোনো পার্থিব নেতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্য ঐ। গানটি রচিত হয়নি, বরং জনগণমঙ্গলদায়ক কোনো ‘চিরসারথি’ই ঐ গানে বন্দিত।

    রাজনীতির সঙ্গে জাতীয়তাবাদের সংযোগে দুটি বিপরীত প্রক্রিয়া লক্ষ করা যায়। একদিকে এতে রাজনীতিতে একটা আদর্শনিষ্ঠার সঞ্চার হয়। অন্যদিকে আবার ক্ষমতার উন্মাদনায় এবং যুথবদ্ধ স্বার্থের আকর্ষণে জাতীয়তাবাদ নিম্নস্তরে নেমে আসে। দেশপ্রেমের নামে তখন জন্মলাভ করে এক নতুন অসহিষ্ণুতা, মানুষের ব্যক্তিত্বের বিকাশে যেটাকে রবীন্দ্রনাথ পরিপন্থী বলে জানতেন। এদেশে জাতীয়তাবাদকে আশ্রয় করে যে-পরিমাণে জাতিপাঁতির সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত একটি বৃহত্তর কর্মভিত্তিক নীতিবোধ সৃষ্টি করা যাবে সেই পরিমাণেই তার সার্থকতা। সংঘবদ্ধ স্বার্থের দ্বন্দ্বে যে-জাতীয়তাবাদ আবদ্ধ নয়, বরং নিজেকে যে বার বার অতিক্রম করে যায় জনগণমঙ্গলদায়ক চিন্তায় ও কর্মে, তাকে নিয়েই দেশের মুক্তি।

    এ যুগের দ্বিতীয় উল্লেখযোগ্য ভাবাদর্শ সাম্যবাদ। শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিক সমিতির যে আন্দোলন, স্বার্থের দ্বন্দ্বই তাতে স্বাভাবিকভাবে প্রধান। মজুরী বৃদ্ধি, কর্মীদের অবস্থার উন্নতি, এই সব ঐ আন্দোলনের উদ্দেশ্য। কিন্তু সাম্যবাদী আদর্শকল্পনা শ্রমিক আন্দোলনকে ঐ সীমাবদ্ধ স্বার্থের দ্বন্দ্বের উর্ধ্বে একটা মহত্তর প্রতিষ্ঠা দিতে চেয়েছে। এক শোষণমুক্ত সমাজের কল্পনা সাম্যবাদী চিন্তায় স্থান পেয়েছে এবং শ্রমিক শ্রেণীকে সেই সমাজের পথিকৃৎ ও বিপ্লবী অগ্রদূত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ধনিক শ্রেণীর। বিনাশের পথেই নতুন সমাজের জন্ম এবং মনুষ্যজাতির মুক্তি। ক্ষমতার দ্বন্দ্বের সঙ্গে সাম্যবাদের সংযোগে আবারও শুভাশুভ দুটি বিপরীত ফল দেখা গেছে। নতুন মতাদর্শের প্রভাবে বহু মানুষ ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে একটি বৃহত্তর আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেছেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মতো সাম্যবাদী সংগ্রামেও শহীদের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু ক্ষমতার দ্বন্দ্বের অনিবার্য ফল হিসেবে একটা প্রবল বিদ্বেষের শক্তিও এই আন্দোলনে জমা হয়েছে। জাতীয়তাবাদীর থাকে স্বাজাত্যাভিমান, সাম্যবাদীর আছে শ্রমিক শ্রেণীর ঐতিহাসিক শ্রেষ্ঠত্বের অভিমান। শ্রেণী-শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রত্যয় কার্যত দলীয় শ্রেষ্ঠত্বের প্রত্যয় হয়ে দেখা দিয়েছে। শ্রেণী বিদ্বেষের ঐতিহাসিক অনিবার্যত পরিণত হয়েছে দলীয় বিদ্বেষে। এইভাবে গড়ে উঠেছে অসহিষ্ণুতার এক নতুন তাত্ত্বিক ভিত্তি।

    তত্ত্বের চোখে সাম্যবাদী স্বদেশপ্রেম আর আন্তজাতিকতার মধ্যে বিরোধ নেই, থাকতে পারে না। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সেই তত্ত্বকথা মানা হয়নি। সোভিয়েত দেশ আজ চীনের চোখে হিংসার আগুন দেখছে, চীন দেখছে সোভিয়েতের চোখে। এই হিংসার উৎস কোথায়? চীন ও সোবিয়ে দেশের ভিতর কোনো কোনো ব্যাপারে বাস্তব স্বার্থের সংঘাত আছে ঠিকই। কিন্তু বহু ব্যাপারে সাম্যবাদী সহযোগিতার সুযোগও কম নেই। তবু সংঘাতটা হয়ে উঠেছে বড়, সহযোগিতার সুযোগ উপেক্ষিত। বিদ্বেষ আবারও যুক্তির। মুখোশ পরে এসেছে। উভয় পক্ষেই তর্কের সুরটা কর্কশ, অসহিষ্ণু! স্বার্থবুদ্ধিই হয়তো এই কলহের রাশ টেনে আছে, দু’পক্ষকেই সর্বনাশ থেকে সংযত করছে। এই রকমই। ঘটেছে সোবিয়েত ও মার্কিন দেশের দ্বন্দ্বে। তবু স্থায়ী শান্তির জন্য স্বার্থের চেয়ে বড় কিছু প্রয়োজন।

    রাজনীতির একটা ক্ষেত্র আছে, থাকবে, যেখানে স্বার্থের দ্বন্দ্ব অনিবার্য। কিন্তু যুক্তি এবং অভিজ্ঞতা আমাদের আরও একটা কথা ধীরে ধীরে জানিয়ে দিয়ে যায়। বৃহত্তর মঙ্গলবোধের একটা সীমার ভিতর দ্বন্দ্বকে আবদ্ধ রাখতে না পারলে, শেষ অবধি মানবতার সর্বনাশ।

    অতএব দ্বন্দ্বের তিনটি স্তর। প্রথম স্তরে আধিপত্য বিদ্বেষের। দ্বিতীয় স্তরে, যুক্তি ও স্বার্থের। কিন্তু যুক্তির অবলম্বন যদি হয় শুধুই স্বার্থ, ব্যক্তিগত অথবা দলীয়, তবে সেই যুক্তিও সুর হারিয়ে বারে বারে নেমে আসে বিদ্বেষে। অবশেষে মঙ্গলবাধের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তবেই সে রক্ষা পেতে পারে। ইতিহাসে এই রকমই ঘটেছে বারে বারে। শুভবুদ্ধির ভিত্তিতে ছোট বান্ধব সমিতি রূপে যার জন্ম, ক্রমে তারও বাইরের চেহারা এবং ভিতরের চরিত্র দুয়েরই পরিবর্তন ঘটেছে। আকার ও ক্ষমতাবৃদ্ধিরও সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনের দিক থেকে রূপ নিয়েছে এক আধাআমলাতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। তার চরিত্রে এসেছে সেই সঙ্ঘবদ্ধ লোভ, দম্ভ এবং নীতিজ্ঞানশূন্যতা, বিদ্বেষে আক্রান্ত আত্মীয়বুদ্ধির বিকার, সুস্থ মানবিকতার যেটা ভিত্তি হতে পারে না। সেই বিকৃতিকে ঠেকাতে প্রয়োজন হয়, যুক্তি এবং মঙ্গলবোধের সম্মিলিত শক্তি।

    এইখানেই দ্বন্দ্বের তৃতীয় স্তর। এই শেষ স্তরে দ্বন্দ্ব কেবল বাইরের ক্ষেত্রে নয়, ব্যক্তির অন্তরেও। বাইরের আন্দোলনে একে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন গান্ধী, অহিংসার ভাষায়। কেউ বলেন, তিনি মাত্রা রক্ষা করেননি, তাঁর যুক্তিতে ছিল সংস্কারের খাদ। তবু তিনি পথিকৃৎ। যুক্তিকে বিদ্বেষের কবল থেকে রক্ষা করবার সংগ্রামে তিনি পথপ্রদর্শক।

    ব্যক্তি যুক্তি সমাজ (১৯৭৮)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }