Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.১৪ বাংলার সংকট ও কলকাতা

    নগর কলকাতা ও পল্লী বাংলার ভিতর অসামঞ্জস্য আমাদের সংকটের প্রধান কারণ। নাগরিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে গ্রাম্যতার যোগে আমরা এক উদ্ভট সংস্কৃতি ও রাজনীতির অধিকারী হয়েছি। এর পরিবর্তন ছাড়া বাংলার সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

    কলকাতাকে আমরা ভালবাসি। কলকাতা আমাদের গর্বের বস্তু। আজ যে-চিন্তার উদয় বাংলায় কাল তারই প্রকাশ ভারতে, এই বহু উদ্ধৃত পুরাতন বাক্যটি যতবার শুনেছি ততবারই মনে মনে জেনেছি যে, বাংলা বলতে এখানে কলকাতা মহানগরীকেই স্মরণ করা। হয়েছে। যে-নবজাগরণ ভারতের উনিশ শতকের ইতিহাসে বাঙ্গালীকে বৈশিষ্ট্য দান করেছে, এই কলকাতায় তার উদ্ভব ও উন্মেষ।

    অথচ এই কলকাতাই আবার বাংলাদেশের সামাজিক ও আর্থিকভারসাম্য বিপর্যস্ত করে আমাদের ভয়ংকর একটা সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলার সুদূর প্রান্ত থেকে লক্ষ্মী ও সরস্বতীর উপাসকের দল কলকাতার ভিড় করেছেন। কলকাতার জ্ঞান ও সম্পদ কিন্তু বাংলার দিকে দিকে অজস্র চরিতার্থতায় ছড়িয়ে পড়েনি। ফলে মহানগরী ও অবশিষ্ট বাংলার ভিতর অতি দ্রুত একটি বিরাট ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে।

    এই বিচ্ছিন্নতা রবীন্দ্রনাথকে ব্যথিত ও শঙ্কিত করেছিল। তাই মহানগরী ত্যাগ করে তিনি বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠা করলেন পল্লীবাংলার প্রান্তরে, গ্রামোন্নয়নের জন্য কেন্দ্র স্থাপন করলেন শ্রীনিকেতনে।

    এতে বিস্মিত হবার কিছু নেই যে, তাঁর বিরাট প্রতিভা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ইতিহাসের মোড় তিনি সেই একক প্রচেষ্টায় ঘোরাতে পারেননি। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, কলকাতা ও গ্রামবাংলার ভিতর বিচ্ছেদ উভয়ের পক্ষেই অতি বড় দুভাগ্যের কারণ হয়েছে। আমরা সবাই এই খণ্ডিত সংস্কৃতির সন্তান।

    শহর ও গ্রামের ভিতর কিছুটা অসামঞ্জস্য অনিবার্য; কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে সেটা মাত্রা অতিক্রম করে গেছে। কথাটা আরও একটু ব্যাখ্যা করেই বলি। পাশ্চাত্ত্য অর্থশাস্ত্রের একজন আদি গুরু ছিলেন অ্যাডাম স্মিথ। স্মিথ সাহেবের বিখ্যাত গ্রন্থে একটি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় হলো, নগর কি করে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতিতে সহায়ক হয়ে থাকে সেই কথা। পণ্ডিত লেখকের নিজ দেশ স্কটল্যাণ্ড। ইংল্যাণ্ডের আর্থিক ইতিহাসের সঙ্গে তিনি স্বভাবতই সুপরিচিত ছিলেন। ওদেশে বাণিজ্য, শিল্প ও কৃষির ভিতর পারস্পরিক সহায়তার সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য। স্মিথ সাহেবের গ্রন্থটি যখন প্রকাশিত হয় তার কিছুকাল আগেই স্কটল্যাণ্ডের অপেক্ষাকৃত জনবহুল নিম্নাঞ্চলে শুধু বাণিজ্যেরই নয়, কৃষিরও দ্রুত। উন্নতি শুরু হয়ে গেছে। এ বিষয়ে একজন বিশিষ্ট ঐতিহাসিক লিখেছেন ১৭৬০ থেকে ১৮২০, এই সময়টাতে ইংল্যাণ্ডে কৃষির উন্নতি ছিল দ্রুত; কিন্তু স্কটল্যাণ্ডে দ্রুততর। গ্লাসগোর তামাক আর জাহাজের ব্যবসায়ীরা এবং ভারত থেকে প্রত্যাগত কিছু উদ্যোগী স্কুট জমি কিনে উন্নয়নের কাজে অগ্রণী হয়েছিলেন।

    এই উদ্ধৃতিটি এখানে টেনে আনবার একটা বিশেষ কারণ আছে। বৈপরীত্যের উদাহরণ তুলে ধরাই আমার উদ্দেশ্য। বাংলাদেশেও প্রায় ঐ সময়টাতেই, অথবা সামান্য পরে, রামমোহন, দুরকানাথ ঠাকুর প্রমুখ নেতাদের আমরা পাই। সেদিন কলকাতায় নতুন সাংস্কৃতিক আন্দোলন শুরু হয়েছিল। নববঙ্গের নেতারা অনেকেই প্রতিভাবান ছিলেন। কিন্তু বাংলার নানা অংশ থেকে রাজধানীতে যাঁরা এসেছিলেন তাঁরা যেন বাকি দেশের সঙ্গে নাড়ীর যোগ ছিন্ন করেই এখানে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন। নগর ও পল্লী, বাণিজ্য ও কৃষির ভিতর পারস্পরিক সহায়তার অভাবে বাংলাদেশে সামাজিক ও আর্থিক ভারসাম্য ভেঙ্গে গোল।

    এটা বাংলার দুভাগ্য আবার এটাই কলকাতারও সংকটের কারণ। পিছিয়ে-পড়া জেলাগুলিতে কর্ম ও শিক্ষার অভাবে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, তা থেকে কলকাতা নিজেকে মুক্ত রাখতে পারেনি। শিক্ষিত ও অশিক্ষিত, উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও ক্লিষ্ট ভাগ্যান্বেষীর দল কলকাতায় উপস্থিত হয়েছেন। ক্রমে মহানগরীর সঙ্গতি অতিক্রম করেই ভিড় বেড়েছে। এমনই ভাবে শহর ও দেহাত একই দুষ্ট চক্রে জড়িয়ে পড়েছে। কলকাতা যেমন বাংলাকে। উপেক্ষা করেছে, বাংলার দুর্দশাও তেমনই মহানগরীকে এক দুরারোগ্য ব্যাধির দিকে ক্রমশ ঠেলে দিয়েছে। দেশ বিভাগের পর অগণিত উদ্বাস্তুর জন্য গ্রামবাংলা অথবা মহানগরী, কোথাও আর সুস্থ স্থান সংকুলান হয়নি।

    কোনো জাতির জীবনে আর্থিক ব্যাধি দুরারোগ্য হয় না, যদি তার সঙ্গে জড়িয়ে না পড়ে সাংস্কৃতিক ব্যাধি ও অন্যান্য জটিলতা। আমরা গ্রাম বর্জন করেছি, নাগরিক বোধ অর্জন করিনি।

    আমাদের অভ্যাস ও সংস্কৃতিতে কয়েকটি বড় দোষ আছে। আমরা কিছুতেই নিজে দায়িত্ব নিতে চাই না। যদি কোনো বস্তুর অভাব ঘটে তবে কারও শরণাপন্ন হয়ে সেটা লাভ করা যায় কিনা সেটাই প্রথমে আমাদের চিন্তার বিষয় হয়। কারণ আমরা অত্যন্ত চালাক অন্যের কৃপায় যা লাভ করা যায়, নিজের চেষ্টায় তা অর্জন করা আমাদের মূর্খত বোধ হয়। যদি কোনো দায়িত্ব আমাদের ওপর এসে পড়ে তবে কী উপায়ে সেটা অন্য। কারও ওপর চালনা করা সম্ভব, আমাদের ভাবনা স্বভাবতই সেদিকে যেতে চায়। এদেশে যাঁরা ক্ষমতালি, তাঁরাই সাধারণত নিজ দায়িত্বে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন; আর সবাই দায়িত্ব এড়াতে ব্যস্ত।

    দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা থেকে আরও একটি কথা স্পষ্ট। এদেশে যুক্তি অথবা অধিকারবোধের ভিত্তিতে কিছু লাভ করা কঠিন। যদি কিছু পেতে হয় তো অপর ব্যক্তিকে ‘দাদা’ সম্বোধন করে অনুনয়ের ভাষায় কথা বলা ভালো। নয় তত ভয় দেখালে কাজ হয়। আমরা দয়া করি অথবা গোলমাল এড়াবার জন্য অপরপক্ষের দাবি মেনে নিই; কিন্তু ব্যক্তির অধিকার বলে কিছু আমরা সচরাষর স্বীকার করি না। এর ফল অনেক সময় যেমন শোচনীয় তেমনই হাস্যকর। যে-দাবিতে আমরা পূর্ব মুহূর্ত অবধি কোনো যুক্তি লক্ষ করিনি, হঠাৎ যখন তার সমর্থনে পেশীবলের সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখন আমাদের ভিতর কপট ঔদার্যের উদ্রেক হয় এবং সেই দাবি মেনে নিতে আর কোনো আপত্তি থাকে। না। যাঁরা যুক্তি, নিয়ম ইত্যাদির ভিত্তিতে আলোচনা দাবি করেন তাঁদের সেই উৎপাত কিন্তু আমাদের বড়ই অসহ্য বোধ হয়।

    অর্থাৎ, একদিকে আমরা দায়িত্ব গ্রহণে অনভ্যস্ত, অপরদিকে আমাদের যুক্তিসঙ্গত অধিকারও অস্বীকৃত। মহানগরী আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার সীমানাকে বিস্তৃত করেছে; অথচ নাগরিক সভ্যতার গুণ আমাদের জীবনে প্রবেশ করেনি। এটাই হয়ে উঠেছে। আমাদের সামাজিক সংকটের মূল কারণ। সাধ যখন সাধ্যকে অতিক্রম করে যায়, তখন পরিণামে অক্ষম ক্রোধ অনিবার্য। আমরা যেমন ব্যক্তিবিশেষের কাছে ছোট ছোট চাওয়া ও পাওয়ার জন্য কখনও হাত জোড় করি, আবার কখনও করি আস্ফালন, তেমনই বৃহত্তর সমস্যার সমাধানে এই মুহূর্তে ঠাকুর অথবা নিয়তির শরণাপন্ন হই, আবার পরমুহুতে সমাজকে হিংসার আঘাতে ভাঙতে চাই। এই অস্থিরতাকে আমরা যতই বৈপ্লবিক আখ্যা। দিই না কেন, আমাদের একটি প্রাচীন মানসিকতার সঙ্গেই এর নাড়ীর যোগ। যে-ছেলে বয়ঃপ্রাপ্ত এবং আত্মনির্ভর হয়নি, মায়ের প্রতি তার আবদার ও আক্ষেপে আমাদের আচরণের উপমা মেলে। বাংলাদেশে আন্দোলনকে যতদিন না আমরা গঠনমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত করছি, ততদিন এই আক্ষেপ-বিক্ষোভের রাজনীতি কাটবে না।

    সমাজ ও সংস্কৃতির কথা বলতে গিয়ে শিক্ষা-ব্যবস্থার উল্লেখ করতে হয়। যে-আত্মনির্ভরতার অভাব আমাদের চরিত্রের বৈশিষ্ট্য, এখানেও আছে তারই প্রতিফলন। আমাদের শিক্ষা স্বাধীন চিন্তাশক্তিকে জাগ্রত করে না সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সমাধানের পথ খুঁজতে শেখায় না। আমাদের যেন ধারণা এই যে, কিছু বাঁধাধরা বাক্য অভ্যস্ত ভুলসহ মোটামুটি মুখস্থ করার যে-শক্তি, তারই নাম বিদ্যা। এই বিদ্যায় আমরা আজ আর আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি না, আবার একে অতিক্রম করে কোনো নতুন প্রত্যয়েও আমরা পৌঁছতে পারিনি। বলা বাহুল্য, এই বিদ্যার সঙ্গে সামাজিক প্রয়োজনের যোগ যৎসামান্য।

    বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আজও নিরক্ষর। এই নিরক্ষরতা দূর করবার জন্য ছাত্র এবং শিক্ষিত সমাজে কোনো প্রবল প্রচেষ্টা নেই। অথচ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়াবার জন্য আন্দোলন শক্তিশালী। একদিকে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা। বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীর কোনো মূল্য নেই এমন একটা ধিক্কার ছাত্রদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে; অন্যদিকে সকল প্রকার অসদুপায়ে এই ডিগ্রীলাভের জন্য আপ্রাণ চেষ্টাও চলেছে।

    শিক্ষার প্রসারে আমরা ভুল নীতি অনুসরণ করছি। প্রাথমিক শিক্ষাকে সারা দেশে যথাসম্ভব শীঘ্র ছড়িয়ে দেবার প্রতি আমাদের প্রধান লক্ষ্য রাখতে হবে। শিক্ষিত বেকারের সমস্যা কিছুটা লাঘব না হওয়া পর্যন্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো নিরর্থক; তাতে ছাত্র ও বৃহত্তর সমাজ কারোরই কোনো লাভ হবে না। শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই, এ কথাটা আজ সবাই বলছেন; কিন্তু কার্যত অনেকে কোনো পরিবর্তনেই সম্মত নন। জ্ঞানচচায় শ্রবণ ও স্মৃতির তুলনায় আলোচনাকে প্রাধান্য। দেওয়া এবং বৎসরান্তে একটি বড় পরীক্ষার বদলে সারা বছর ধরে ছোট ছোট পরীক্ষার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। পরীক্ষার নামে আজ যে প্রহসন চলেছে তার সমাপ্তি ঘটাবার এই একমাত্র পথ। এরই সাথে চাই নানা প্রকার প্রযুক্তি বিদ্যা ও ব্যবহারিক শিক্ষার দ্রুত প্রসার।

    এ সবকিছুই ব্যর্থ হবে যদি না বাংলার অর্থনীতিকে আমরা সেই সঙ্গে ঢেলে সাজাতে পারি।

    এজন্য প্রথম প্রয়োজন পশ্চিম বাংলার ওপর কলকাতার একাধিপত্যের অবসান। বিভিন্ন শিল্পকেন্দ্র দেশময় এমনভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে যে, কৃষির সঙ্গে শিল্পবাণিজ্যের যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার কথা আগে বলেছি, সেটা বেড়ে ওঠে। এই নতুন শিল্পকেন্দ্রগুলি ভেবেচিন্তে স্থাপন করতে হবে সেইসব স্থানে, যেখানে আছে একাধিক বড় রাস্তা অথবা রেলপথের সংযোগস্থল। স্থানীয় কাঁচামাল ও কৃষিজাত দ্রব্য সংগ্রহ ও কেনাবেচার সুবিধা, বৈদ্যুতিক শক্তির ব্যবস্থা ইত্যাদি যেখানে নেই, সেখানে প্রয়োজন মতো নতুন পরিবেশ সৃষ্টি করে নিতে হবে। এজন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাজ্যব্যাপী পরিকল্পনার ব্যবস্থা চাই।

    ভারতের কোনো কোনো অংশে ইতিমধ্যে কৃষির দ্রুত উন্নতি ঘটেছে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার উন্নয়ন এশিয়ার কোনো দেশের তুলনায়ই নগণ্য নয়। পশ্চিমবঙ্গেও পরিবর্তন শুরু হয়েছে। কি করে ফসল বাড়ানো যায় এটাই আগামী কয়েক বছরে আমাদের কৃষিচিন্তার প্রধান কথা হওয়া উচত। যদি বলি যে, গ্রামে গ্রামে চাই নলকূপ ও বৈদ্যুতিক শক্তি, স্কুল, সমবায় সমিতি ও বিজ্ঞান আলোচনার কেন্দ্র, তবে কেউ হয়তো বলবেন যে এ সবই কল্পনা। অথচ এই কল্পনাকে বাস্তবে পরিণত করা সম্ভব, তার ইঙ্গিত এ দেশেই আছে, এই মুহূর্তেই।

    এটা সবাঙ্গীণ পরিকল্পনার রূপরেখা নয়; কোন্ পথে চলতে হবে তার দিগনির্দেশের চেষ্টা মাত্র। বাংলার রাজনীতি কি আমাদের এ পথে এগোতে দেবে? দলীয় রাজনীতির চেয়ে দেশ যদি আমাদের কাছে প্রিয়তর হয় তো চলবার শ্রেয় পথ তৈরী করে নেওয়া সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। এই পরিবর্তন রাজনীতিক দলগুলির ভিতর প্রথমে আশা করা যায় না; বরং দলের বাইরে থেকে যাঁরা দেশ গড়ার কাজে আগ্রহী অথবা দলের ভিতর থেকেও যাঁরা নিজের চিন্তাকে দলীয়ার উর্ধ্বে তুলতে সক্ষম তাঁদের ভিতরই নতুন দৃষ্টিভঙ্গীর উজ্জ্বল প্রকাশ আগে সম্ভব।

    আমাদের অভ্যস্ত রাজনীতিতে ‘বামপন্থী’ ‘দক্ষিণপন্থী’ এই দুটি শব্দের অর্থহীন প্রয়োগ লক্ষ করস যায়। আপনি ‘বিপ্লবে’ বিশ্বাসী, তবে আপনি বামপন্থী। সেই সঙ্গে আপনি, হয়তো কালীর কাছে মানত করতে অভ্যস্ত, বাড়ির হিন্দু মেয়ে মুসলমানকে বিয়ে করলে আপনার ক্রোধের সীমা থাকে না, পরিবার পরিকল্পনার আপনি প্রচণ্ড বিরোধী, অর্থাৎ সাংস্কৃতিক অর্থে আপনি রক্ষণশীল; কিন্তু তাতে আপনার বামপন্থী পরিচয় ম্লান হবে না। অপর পক্ষে, আপনি সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি থেকে যতই মুক্ত থাকুন না কেন, যুক্তিবাদে আপনার বিশ্বাস যতই সুস্পষ্ট হোক না কেন, আপনি যদি না হিংসার রাজনীতিকে হাততালি দিতে রাজী থাকেন, তবে আপনি দক্ষিণপন্থী। আমাদের রাজনীতিতে যদি শব্দার্থের এই বিকার ঘটে থাকে তবে আর্থিক ও সাংস্কৃতিক পুনর্গঠনের কাজে এই অভ্যস্ত ধ্বনিগুলি বিভ্রান্তিকর মাত্র। এইসব ধ্বনিগত বিড়ম্বনার উর্ধ্বে উঠেই আমাদের দেশের জন্য নতুন পথ বেছে নিতে হবে। বাংলার নবজাগরণের এমন একটা সদর্থ আমাদের খুঁজে নিতে হবে যেটা আজকের রাজনীতির ব্যর্থ কোলাহলকে অতিক্রম করে যায়। পল্লী ও নগর (১৯৭৩)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }