Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৪ শ্রমিক ও গণতন্ত্র

    সাম্য ও স্বাধীনতার নীতিতে যখন আমরা আস্থা স্থাপন করেছি তখন শিল্পে শ্রমিকের স্বায়ত্তশাসনের আদর্শকেও অস্বীকার করা যাবে না। সাম্যবাদের পক্ষে যে-সব যুক্তি বিস্তার করা হয় তার সবই সমান গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু মনে রাখা ভালো যে শিল্পের পরিচালনায় শ্রমিকের অধিকারকে আদর্শ হিসাবে গণ্য করেছেন শুধু মার্ক্সই নয়। এর সুস্পষ্ট স্বীকৃতি আছে জন স্টুয়ার্ট মিলের চিন্তায়, সকল গণতান্ত্রিকের পক্ষেই যা শ্রদ্ধেয়। আবার মিলের চিন্তায় এই স্বীকৃতির মূলে আছে পূর্ববর্তী সাম্যবাদীদের ধ্যানধারণা। মিলের বার বৎসর পরে মার্কের জন্ম। সাম্যবাদী আন্দোলন তারপর প্রচণ্ড তাত্ত্বিক তর্কে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। কিন্তু এইসব তর্কের উর্ধে যে সব আদর্শের প্রতিষ্ঠা শিল্পের পরিচালনায় শ্রমিকের অধিকার তাদেরই একটি।

    তর্ক চলবে। পৃথিবীর শ্রমিক এক হোক, এটা মহৎ আদর্শ। কিন্তু পৃথিবীর শ্রমিকের স্বার্থ এক ও অভিন্ন এমন কথা যদি কেউ বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসাবে রাখতে চান তো তর্ক অবশ্যম্ভাবী। সাম্রাজ্য থেকে ইংল্যাণ্ড যদি কোনো আর্থিক ফল লাভ করে থাকে তো ইংরেজ শ্রমিকও তার অংশীদার হয়েছেন। ম্যানচেষ্টর ও আমেদাবাদের শ্রমিকের ভিতর স্বার্থের কোনো বাস্তব ঐক্য নেই। যে-সব কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিক আজ দলে দলে ইংল্যান্ডে প্রবেশ করছেন তাঁদের সঙ্গে ইংরেজ শ্রমিক স্বার্থের কোনো কল্পিত ঐক্যও বোধ করেন না।

    শুধু বিভিন্ন দেশের শ্রমিকদের ভিতরেই স্বার্থের দ্বন্দ্ব সম্ভব নয় একই দেশে সকল শ্রমিকের স্বার্থও অভিন্ন নয়। রুশ দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবার কিছুদিন পরই এই সত্যটি অত্যন্ত প্রকট হয়ে উঠেছিল। বিল্পবের পর লেনিন মন্ত্রী থেকে শ্রমিক পর্যন্ত সকলেরই আয় প্রায় সমান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এ-ব্যবস্থা বেশীদিন টেকেনি। শ্রমিকদের ভিতরও স্তরভেদ আছে। কেউ অভিজ্ঞ, কেউ বা অনভিজ্ঞ; কারও কর্মে দক্ষতা বেশী, কেউ বা দক্ষ নন। এঁদের ভিতর পারিশ্রমিকের পার্থক্য কতটা হবে? এক ধরনের কর্মী অপেক্ষাকৃত বেশী পেলে অন্যেরা তুলনায় কম পাবেন, এটা তো সহজ। কথা। যেহেতু শ্রমিকেরা বিভিন্ন গুণ ও কর্মে বিভক্ত, অতএব তাঁদের ভিতর বাস্তব স্বার্থের দ্বন্দ্ব সম্ভব। আবার ক্রেতা ও বিক্রেতার ভিতর যেমন স্বার্থের সংঘাত থাকে, কৃষক ও শ্রমিকের ভিতরও তেমনই আছে; কারণ যে-খাদ্য কৃষক উৎপন্ন করেন, শ্রমিক তার ক্রেতা। খাদ্যশস্যের দাম তুলনামূলকভাবে বেশী হলে কৃষক খুশি, কিন্তু শ্রমিক অসন্তুষ্ট। এসব নিয়ে সমাজতান্ত্রিক দেশেও দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

    কাজেই শ্রমিকশ্রেণীর স্বার্থ এক ও অবিভাজ্য, একথাটা তথ্যের বিশ্লেষণে দাঁড়ায় না। এটাকে বিশ্বাস হিসাবে ধরে নিলে মজুরশ্রেণীর ভিতর সংগ্রামী ঐক্য সৃষ্টি করা সহজ হয়। এটা অন্য কথা। কিন্তু একে ‘বৈজ্ঞানিক’ আখ্যা দেওয়া বিপজ্জনক। যুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের ঐক্যটাকে বড় করে ধরা হয়; তাতে জাতীয় সংগ্রাম প্রচেষ্টা শক্তিশালী হয়। কিন্তু জাতীয় ঐক্যের উত্তেজনাপূর্ণ ধারণাকে আবার গণতন্ত্রের শত্রুরা ব্যবহার করেছেন সকল। বিরোধী শক্তিকে সংহার করবার জন্য। এরই নির্মম প্রকাশ আমরা দেখেছি হিটলার মুসোলিনির দেশে। শ্রমিকশ্রেণীর ঐক্য সম্বন্ধে উত্তেজিত ধারণাকেও তেমনই গণতন্ত্রের সংহারের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সাম্যবাদী দেশে। বাস্তব জীবনে স্বার্থের ঐক্য ও সংঘাত দুই-ই পরম্পর জড়িয়ে থাকে। প্রয়োজনে কখনও একটিকে একমাত্র সত্য ও সম্পূর্ণ সত্য বলে চালাতে চাইলে শুধু যে সত্যের অপলাপ হয় তাই নয়, সমাজের বুকে নতুন স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠার বিপদও দেখা দেয়।

    কিন্তু এ তর্ক মুলতুবী থাক। গোড়ার সেই আদর্শের প্রশ্নেই ফিরে আসা যাক। শিল্পে শ্রমিকের স্বায়ত্তশাসন সাম্যবাদী আদর্শের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। জাতীয় অথবা শ্রেণীগত স্বার্থের ঐক্যের ধারণা এখানে নিষ্প্রয়োজন। ধনিকের মুনাফা ও শ্রমিকের মজুরী ঐতিহাসিক সূত্রে পরস্পর বিরোধী, এই তত্ত্বেরও প্রয়োজন নেই। অস্বীকার করে লাভ নেই যে, শিল্পপতি যেখানেই উৎপাদন পদ্ধতির উন্নতিতে সহায়ক সেখানেই ধনিক ও শ্রমিকের স্বার্থ একই সঙ্গে হ্রস্বদৃষ্টিতে বিরোধী এবং দীর্ঘদৃষ্টিতে পরিপূরক। যে-বণিকগণ ও শিল্পনায়কেরা পৃথিবীময় বাণিজ্যবিস্তারে সহায়তা করেছেন ও উৎপাদনপদ্ধতির যুগান্তকারী উন্নতি ঘটিয়েছেন তাঁরা সমগ্র সমাজকেই আর্থিক উন্নতির একটা উচ্চতর স্তরে নিয়ে গেছেন। একথা অন্তত মার্ক্স অস্বীকার করেননি। এসব মেনে নিয়েও আমরা ধনতন্ত্রের উচ্ছেদ চাইতে পারি, অথবা বলতে পারি যে বৃহৎ শিল্পে স্বল্পসংখ্যক লোকের মালিকানা চিরকালের ব্যবস্থাও নয়, আদর্শ হিসাবে মান্যও নয়।

    শিল্পে শ্রমিকের স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে যুক্তিটাঐসব তাত্ত্বিক তর্কের বাইরে সহজেই স্থাপন করা যায়। মূল কথাটি সহজ। এমন একটা যুগ ছিল যখন সমাজের যাঁরা কর্তা তাঁদের কথা তলাকার মানুষেরা বিনা প্রশ্নে মেনে নিত। ব্রাহ্মণের শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে শূদ্রের মনে সন্দেহ ছিল না। পুত্র পিতার, ভৃত্য প্রভুর, কনিষ্ঠ জ্যেষ্ঠের আজ্ঞাবহ ছিল। সেযুগের সমাজে পরিবর্তনের চেয়ে ঐতিহ্যের প্রভাবই বড় ছিল। আজকের সমাজ গতিশীল। এই গতিশীলতার ফলে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মনে প্রশ্ন ও সংশয় প্রবল হয়েছে। সে যুগের পুরাতন ভৃত্যের আজ্ঞাবহতা আর আশা করা যায় না। আজকের বৃহৎ শিল্পে শ্রমিক ও পরিচালকের ভিতর সম্পর্কনির্ণয়ের প্রশ্নে সমাজের মানসিক পরিমণ্ডলের এই পরিবর্তন উপেক্ষা করা যায় না। যে-সব নিয়ম শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য তার যৌক্তিকতা শ্রমিকের কাছে স্পষ্ট না হলে নিয়ম কার্যকর করা প্রায়ই অসম্ভব! কাজেই শ্রমিক ও পরিচালকগোষ্ঠীর ভিতর চিন্তার একটা সেতুবন্ধ প্রয়োজন। এরই পরিণতি হিসাবে শিল্পের উপর শ্রমিকের কর্তৃত্ব ধীরে ধীরে স্বীকার করে নেওয়া আবশ্যক। আর্থিক উন্নতির ইতিহাসে ধনতন্ত্রের অবদান যাই হোক না কেন, যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন অনিবার্য।

    এই সঙ্গে আরও একটি কথা মনে রাখা বাঞ্ছনীয়। শিল্পে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলেই শিল্পপরিচালনায় শ্রমিকের অধিকার কায়েম হয় এমন নয়। বরং রাষ্ট্রীয়করণের ফলে আমলাতন্ত্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ধনতন্ত্রের উত্তরাধিকারী হিসাবে আজ দেখা দিয়েছে আমলাতান্ত্রিক আর্থিক ব্যবস্থা। ধনতন্ত্রের মতোই এটাও কোনো ব্যক্তিবিশেষের দুরভিসন্ধির ফল নয়। আধুনিক সমাজ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গঠন ও প্রকৃতিই এমন যে এর ভিতর ক্ষমতার কেন্দ্রীয়করণ রোধ করা কঠিন।

    অনুন্নত দেশগুলিতে এই বিপদ আরও গুরুতর। আমলাতন্ত্র শিল্পপরিচালনায় দক্ষ না হবার সম্ভাবনা; বহুক্ষেত্রে দেখা গেছে যে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পে দক্ষতার মান বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়েও নীচু। আবার যে-দেশে স্বৈরাচারের প্রতিরোধী ঐতিহ্য গড়ে ওঠেনি সেখানে একই দোষ আমলাতন্ত্রের আশ্রয়ে সর্বময় হয়ে উঠেছে। সরকারি মালিকানা কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজন। কিন্তু শিল্পের রাষ্ট্রীয়করণের ফলে যদি অকর্মণ্যতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতাই আরও সুদৃঢ় হয়ে বসে তবে সেই দুর্দশাকে সমাজতন্ত্রের নামে বরণ করা অর্থহীন দুভাগ্য। এই বিপদের কথা মনে রেখে আমাদের অগ্রসর হবার পথ নির্ধারণ করতে হবে।

    শিল্পের পরিচালনায় শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হলে কয়েকটি শর্ত পূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।

    প্রথম প্রয়োজন শ্রমিক সমিতিকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করে তোলা। শিল্পপ্রতিষ্ঠান সরকারী হোক অথবা বেসরকারী হোক, শ্রমিক সমিতি যদি শক্তিমান হয় তো পরিচালকগণ শ্রমিকের কথায় কান পাততে বাধ্য। লাভের একটি অংশ শ্রমিকের প্রাপ্য হবে এই প্রস্তাবটিও সমর্থনযোগ্য। এর ফলে শিল্পের সঙ্গে শ্রমিকের মনের সংযোগ ঘনিষ্ঠতর হবে আশা করা যায়। শিল্পপতিদের পক্ষ থেকে একটা আপত্তি শোনা যায়। তাঁরা বলেন, ব্যবসায়ে ক্ষতি হলে তার কোনো অংশ কি শ্রমিকেরা বহন করতে রাজী হবেন? তা যদি না হয় তো লাভের অংশই বা তাঁদের দিতে হবে কেন? একথা ঠিক যে মজুরী কেটে ক্ষতির বোঝা শ্রমিকদের ওপর চাপানো যাবে না। তবে এক্ষেত্রে একটা। বিকল্প ব্যবস্থা শিল্পপতিরা বিবেচনা করে দেখতে পারেন। বাৎসরিক হিসাবের পরিবর্তে প্রতি বৎসরে পূর্ববর্তী পাঁচ বৎসরের লাভক্ষতির গড়পড়তা হিসাবে শ্রমিকের লভ্যাংশ নির্ণয় করা যেতে পারে। এ সবই শুধু প্রথম পদক্ষেপ। এরপর শ্রমিকের প্রতিনিধিকে পরিচালক সমিতির অন্তর্ভুক্ত করা বাঞ্ছনীয় হবে। আর শেষ লক্ষ্য হিসাবে থাকবে, সামাজিক নিয়ন্ত্রণের কাঠামোর ভিতর সমবায়ের ভিত্তিতে শিল্পের পরিচালনা।

    কিন্তু এর কিছু শর্ত আছে। আধুনিক শিল্পে যে-শৃঙ্খলাবোধ আবশ্যক, অনুন্নত দেশে তার খুবই অভাব। অথচ এছাড়া কোনো দেশই আজকের পৃথিবীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দাঁড়াতে পারে না। জাপান, জার্মানি প্রভৃতি দেশের দ্রুত উন্নতির অন্যতম প্রধান কারণ। শৃঙ্খলাবোধ ও কঠিন পরিশ্রমের অভ্যাস। ধনতান্ত্রিক দেশে শ্রমিকদের ভিতর এইসব গুণ একভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে। সোভিয়েত দেশে স্তালিনী শাসনে এটা সম্ভব হয়েছে অন্যভাবে। আমাদেরও যে-কোনো ভাবে এটা করতে হবে, নয় তো জাতি হিসাবে আমরা পরাজিত হব। শিল্পে স্বায়ত্তশাসনের সঙ্গে কর্মে দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও নৈপুণ্যের যদি সংযোগ স্থাপন করা যায় তবেই সেই স্বায়ত্ত শাসন সফল হবে, নয় তো সেটা ব্যর্থ হতে বাধ্য।

    তৃতীয় প্রয়োজন দেশময় বিজ্ঞানবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রসার।

    বৃহত্তর সমাজে গণতন্ত্র অব্যাহত না থাকলে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানেও গণতন্ত্রের প্রয়োেগ দুর্বল হতে বাধ্য। শিল্পের পরিচালনা আমরা যেভাবেই সংগঠন করি না কেন, শ্রমিক ও পরিচালকের দৃষ্টি অভিন্ন হয় না। এমন কি পরিচালক যদি শ্রমিকদের দ্বারা নির্বাচিত হন তবু নির্বাচনের পর দৃষ্টিভঙ্গীর এই পার্থক্যের সম্ভাবনা দূর হয় না; কারণ দায়িত্বের যেখানে বিভেদ আছে দৃষ্টিকোণের সেখানে পার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক। এই অবস্থায় শ্রমিক ও পরিচালকের ভিতর বিরোধ নিষ্পত্তির একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতি একান্ত প্রয়োজন। একথা সকলেই স্বীকার করবেন যে, সাধারণ কতগুলি ব্যাপারে পরিচালকের কিছু বিশেষ ক্ষমতা না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন হতে পারে না। তার অতিরিক্ত কোনো প্রশ্নে বিরোধ দেখা দিলে তৃতীয়পক্ষের মধ্যস্থতাই গণতন্ত্রের অঙ্গ হিসাবে গ্রহণীয়। এর বিরুদ্ধে যুক্তি দেখানো হয় যে, মধ্যস্থ সব সময় নিরপেক্ষ হন না। কিন্তু গায়ের জোরকে মধ্যস্থ করলেও গণতন্ত্র বাঁচে না। কাজেই প্রশ্নটা এই যে, আদর্শ বিচারক আছেন কিনা? হিংসার চেয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো বিচারক পাওয়া যায় তবে তাঁর বিচারই শ্রেয়। বৃহত্তর সমাজে গণতান্ত্রিক চেতনা যদি জীবিত থাকে তো এমন বিচারক খুঁজে পাওয়া কঠিন হয় না। নয় তো শেষ সম্বল অহিংস অসহযোগের পথ তো আছেই।

    গণতান্ত্রিক চেতনার সঙ্গে যোগ করা আবশ্যক বিজ্ঞানবোধ। উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যেখানে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই সেখানে অনেক বাদবিসম্বাদেরই যুক্তিসঙ্গত সমাধান খুঁজে পাওয়া যায় না। বিজ্ঞান ছাড়া আধুনিক শিল্পনীতির রূপায়ণে কোনো উদ্দেশ্যচেতনা অথবা দিগবোধ রক্ষা করাই সম্ভব নয়। এযুগে সাম্যবাদ সম্বন্ধে আলোচনা নিরর্থক যদি-না। সাম্যবাদকে সুদৃঢ় আর্থিক ভিত্তির ওপর স্থাপিত করা যায়। সেজন্য প্রয়োজন বিজ্ঞানের প্রয়োগ। সাম্যের জন্য সংগ্রামে বিজ্ঞান ও গণতন্ত্রের মতো নির্ভরযোগ্য সহায় আর নেই।

    যে কথাটা দিয়ে শুরু করা যেতো তাই দিয়ে শেষ করছি। শ্রমের মর্যাদায় শ্রমিকের মাদা। আমাদের সমাজে বিশ্বকমার আসন নীচু। কর্মের সংস্থানও আজ দেশে যথেষ্ট নয়। পঞ্জাবী ও গুজরাতীরা এদিক থেকে ভাগ্যবান। তাঁরা কর্মের সংস্থান করে নিয়েছেন। আর আমরা অভিমান করছি; হাত-পা ছুঁড়ছি। কিন্তু এটা এগোবার উপায় নয়। শ্রমনিষ্ঠা ও সংগঠনের গুণেই কর্মের সুযোগ সৃষ্টি হয়। মানুষের বিভিন্ন গুণের ভিতর কোনটাকে আমরা কত উঁচু আসন দেব এ নিয়ে যুগে যুগে দৃষ্টির পরিবর্তন ঘটেছে। যেহেতু মানুষ অসম্পূর্ণ এবং সবগুণ কারো ভিতর সমপরিমাণে আশা করা যায় না, অতএব এর ভিতর কয়েকটি গুণকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে ও বাড়িয়ে তুলে যুগের কাজ। সম্পন্ন করতে হয়। এদেশে শ্রমনিষ্ঠাকে আজ একটা বিশেষ সম্মানের আসন দেওয়া প্রয়োজন। গান্ধী ছোট কাজ নিজের হাতে তুলে নিয়ে তাকে বড় করতে চেয়েছিলেন; নিরলস পরিশ্রমের আদর্শ দেশের সামনে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু আমাদের স্বাভাবিক ঝোঁকটা আজও ভিন্নমুখী। আলস্যকে আমরা আজও বড় দোষ বলে মানি না। কর্মের চেয়ে এদেশে বংশের আভিজাত্য বড়। এই আভিজাত্যের পকে নত করে শ্রমিক আন্দোলন যদি শ্রমের মর্যাদাকে উন্নত করতে পারে তো সারা দেশেরই তাতে উন্নতি হবে।

    কিন্তু আমাদের ভিতর যাঁরা বৈপ্লবিক ধ্বনি কণ্ঠে তুলে নিয়েছেন তাঁরা এবিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। আমার একটি ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার কথা বলছি। যে-প্রতিষ্ঠানে আমি কাজ করি সেখানে একবার এমন একজন তরুণ শিক্ষককে ঘেরাও করা হল, যাঁর তুল্য কর্মনিষ্ঠ ব্যক্তি দেশে অথবা বিদেশে বড় চোখে পড়ে না। এর কর্তব্যনিষ্ঠার ভগ্নাংশও ঘেরাওকারীদের ভিতর ছিল না; তাঁদের সম্বল ছিল কিছু বৈষ্ণুবিক আওয়াজ। বন্ধুবর নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী “উলঙ্গ রাজা” নামে একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা লিখেছেন। এদেশের রাজা ফাঁকিবাজ। বর্ণাঢ্য ধ্বনি দিয়ে তাঁকে আবৃত করার চেষ্টা বৃথা, যদিও এই হাস্যকর আড়ম্বরে হাততালি দেবার লোকের অভাব হয় না।

    শ্রম ও বিজ্ঞানের সাহায্যে মানুষ নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে। এই সৃষ্টির কাজে সামান্য দানেও অসীম গৌরব। শ্রমের সাহায্যে মানুষ সমাজ ও ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত হয়। যে-শ্রমিক আন্দোলন এই মহৎ ধারণায় বিন্দুমাত্র উদ্বুদ্ধ নয়, সে তার ক্ষুদ্রতায় একদিন খণ্ড খণ্ড হয়ে যায়; ইতিহাসে তার কোনো বড় পরিচয় থাকে না।

    সমাজ ও ইতিহাস (১৯৭০)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }