Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.১৮ দ্বন্দ্ব

    সত্য সরল। তবুও জটিল। সত্য-যে জটিল তার প্রধান কারণ, সত্যের গঠনে থাকে বিপরীতের সমন্বয়। এই সব বিপরীতের প্রতিটিই সরল। এদের সমন্বয় সরল নয়। এর উদাহরণ সর্বত্র ছড়ানো আছে। যেকথাটাকে অকাট্য সত্য বলে মনে হয়, দেখা যায় তার বিপরীত কথাটাও একেবারে মিথ্যা নয়। বিশেষত ভালোমন্দের ____ আমরা বারবারই এইরকম একটা অবস্থার সম্মুখীন হই।

    স্বার্থপরতা ও মিথ্যাভাষণ মন্দ। এটা প্রায় অকাট্য সত্য। সবাই যদি মিথ্যা বলতে তবে কারো কথাতেই কেউ বিশ্বাস রাখতে পারতো না। একসঙ্গে কাজ করাই তবে অসম্ভব। সমাজজীবন এভাবে চলতেই পারে না। কিছুটা সন্দেহ ও অবিশ্বাস নিয়ে কাজ করা যায়। কিন্তু সম্পূর্ণ অবিশ্বাস নিয়ে কোনো সামাজিক জীবনই সম্ভব নয়। পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহানুভূতি শুধু প্রশংসনীয়ই নয়। এসব বাদ দিয়ে মানুষের সংঘবদ্ধ জীবন দাঁড়াতেই পারে না। সত্যই সহযোগিতার আদর্শ ভিত্তি।

    সীমাহীন সহানুভূতি কিন্তু অচল এবং অসহ্য। এটাও অস্বীকার করা কঠিন। অন্যের দুঃখকষ্টকে যখন আমরা অনেকটা নিজের দুঃখকষ্টের মতো অনুভব করি তখন তাকেই বলি সহানুভূতি। আপন কোনো মানুষ চোখের সামনে যন্ত্রণা ভোগ করছে এ অবস্থায় আমাদের পক্ষে স্থির থাকা খুবই কঠিন। আমাদের স্নেহাস্পদ কেউ যখন অভুক্ত তখন আমাদের খেতে রুচি হয় না। সর্বজীবে প্রেমের কথা ধর্মে বলা হয়। সব মানুষকে সমান চোখে দেখা আদর্শের কথা। কিন্তু সর্বক্ষণই তো জগতে কেউ অভুক্ত আছে। কিছু মানুষ। যন্ত্রণাভোগ করছে। সকলের প্রতি সমবেদনা যদি আমাদের হৃদয়ে সজীব থাকে তবে কি আমাদের পক্ষে এক মুহূর্তও স্থির থাকা সম্ভব? নিতান্ত আত্মরক্ষার জন্য কি আমাদের সহানুভূতির সীমা ছোটো করে আনতে হয় না? কলকাতার রাস্তায় প্রতিনিয়তই আমরা দেখছি, কিছু হতদরিদ্র মানুষ নর্দমা থেকে খাদ্য কুড়িয়ে খাচ্ছে। তারপরও কিন্তু আমাদের খাদ্যে রুচি থাকে। হৃদয়কে অনেকখানি কঠিন, নিপ্রেম করে তবেই এটা সম্ভব হয়। হৃদয়ের এতোটা কাঠিন্য ভালো কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কিন্তু সীমাহীন সহানুভূতি নিয়ে বাঁচা দুঃসাধ্য।

    দ্বন্দ্বের আরো একটু জটিল উদাহরণ এবার লক্ষ করা যাক। জ্ঞান ও প্রেম দু’টিকেই সর্বত্র আদর্শ বলে মেনে নেওয়া হয়েছে। হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের যোগ আকাঙ্ক্ষা করা মানুষের সহজ ধর্ম। সর্বদেশে সর্বকালে শিল্পসাহিত্যসঙ্গীতের ভিতর দিয়ে মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা উচ্চারিত হয়ে চলেছে। এ থেকে যখন সে একেবারে বঞ্চিত হয় তখন আহত প্রেম হিংসার রূপ ধরে, মানুষের ভিতরে এবং বাইরে বিরোধ ও বিনাশের শক্তি প্রবল হয়ে ওঠে। জ্ঞান নানাবিধ, স্তরভেদে প্রেমের সঙ্গে তার সম্বন্ধ বদলে যায়।

    জ্ঞানতৃষ্ণা মনুষ্যত্বের অঙ্গ বলে স্বীকৃত, মানুষের সঙ্গে অন্যান্য জীবের প্রধান পার্থক্য অনেকে এইখানে খুঁজে পেয়েছেন। অথচ সাংসারিক জ্ঞানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক অনেক সময়েই সহায়ক বলা যায় না। শৈশবের অনেক স্বপ্ন যেমন বয়ঃপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে দূরে। মিলিয়ে যায়, প্রেমের স্বাভাবিক শক্তিও তেমনি সংসার সম্বন্ধে জ্ঞানবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অনেকের পক্ষেই রক্ষা করা কঠিন হয়ে ওঠে। এযুগে সমস্যাটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। কৈশোরে পা রাখতে না রাখতেই সংসারের একটা নগ্ন বীভৎস চেহারা নতুন প্রজন্মের কাছে স্পষ্ট ও তীব্র হয়ে ওঠে। এই তীব্র বাস্তববোধ বহু তরুণের মনে এমন একটা ঘৃণা আর অশ্রদ্ধার পরিমণ্ডল সৃষ্টি করে যে, সেখানে বিশ্বপ্রেমের কথা হাস্যাস্পদ ভাবালুতা বলেই প্রত্যাখ্যাত হয়। নিবোধেরাই ভালোবাসে, এই জ্ঞানে বহু তরুণ-তরুণী কোনো না কোনো প্রকারে আত্মহননের পথে এগিয়ে যায়। চেতনার এই এক স্তর যেখানে জ্ঞান ও প্রেমের ভিতর বৈর সম্পর্ক এযুগের এক কঠিন সমস্যা। অন্য কোনো স্তরে উত্তরণ অনেকের পক্ষেই অনিশ্চত সম্ভাবনা মাত্র। অনেকেরই অনিবার্য গতি তাই এক অসমম্বিত, আত্মধ্বংসী দ্বন্দ্বে।

    এই দ্বন্দ্ব আরো জটিল, আরো বিভ্রান্তকারী হয়ে উঠেছে জীবন সম্বন্ধে ক্রমবর্ধমান এক উদ্দেশ্যহীনতার আক্রমণে। সে কথায় পরে ফিরে আসা যাবে।

    .

    (খ)

    এবার প্রসঙ্গান্তরে যাওয়া যাক।

    মানবপ্রকৃতির সঙ্গে সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক আছে। মানুষের প্রকৃতি আর ঐ সম্পর্কটা নিয়ে কিন্তু তর্কের অভাব নেই। কেউ বলেছেন, মানুষের ভিতর স্বার্থবুদ্ধিই প্রধান, এটা মেনে নিয়েই সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রসঙ্গে আমাদের চিন্তা শুরু করা উচিত; এর বিপরীত চিন্তা অবাস্তব। হল্স কিংবা এডাম স্মিথের কথা এখানে মনে আসে।

    স্মিথ বলেছিলেন, কল্পনা করা যাক হঠাৎ একদিন সংবাদ এলো যে চীনদেশটা এক দৈব দুর্বিপাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। তাতে আমাদের ভিতর প্রতিক্রিয়া কী হবে? কিছুক্ষণ আমরা জীবনের অনিশ্চয়তা নিয়ে, ভঙ্গুরতা বিষয়ে, কয়েকটি বিষণ্ণ দার্শনিক মন্তব্য করব, তারপর দৈনন্দিন কাজে মন দেব, যেন কিছুই হয়নি। আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে সামান্য আঁচড় পড়লে কিন্তু আমরা যথার্থই উদ্বিগ্ন হতাম। স্বার্থ মানুষকে যতটা নাড়া দেয় অন্য কিছুই তেমন দেয় না। স্মিথ বলছেন, যে-সব পরস্পরনির্ভর কাজ নিয়ে আর্থিক জীবনের গঠন, সে সবের পিছনে স্থায়ী ও প্রধান পরিচালক শক্তি হচ্ছে স্বার্থ।

    প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বাজারকে ভিত্তি করে যে আর্থিক ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থা, তার সমর্থনে ঐ স্কট অর্থবিজ্ঞানীর মতামত অনেকেই উদ্ধৃত করে থাকেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে দাঁড়িয়ে আত্মোন্নতির আকাঙ্ক্ষা থেকেই মানুষ যথাসাধ্য পরিশ্রম করে, উদ্ভাবনীশক্তি ক্রমাগত প্রয়োগ করে যায় বিচিত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষায়, আর এইসবের ভিতর দিয়ে সারা দেশেরই উৎপাদিকা শক্তি বেড়ে চলে।

    আমরা জানি, এই সরল চিত্রটিকে সম্পূর্ণ সত্য বলে কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। বাজারভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অর্থনীতিতে অসাম্য বাড়ে, ধনসম্পদের অপচয় ঘটে, মানুষের সুখশান্তি নষ্ট হয়। এ নিয়ে আলোচনা দীর্ঘ করতে গেলে অন্য এক প্রবন্ধ দাঁড়িয়ে যাবে। সেটা এখানে অনাবশ্যক।

    সত্য আবারও জটিল। মোট কথা, কেবল স্বার্থবুদ্ধিকে অবলম্বন করে কোনো সুষ্ঠু সামাজিক বা আর্থিক ব্যবস্থা দাঁড়াতে পারে না। অথচ স্বার্থবুদ্ধি বর্জন করে কোনো ব্যবস্থা অন্তত এযুগে আমরা দাঁড় করাতে পারিনি। সাম্যবাদী নামে যেসব দেশ পরিচিত সেখানেও স্বার্থের দ্বন্দ্ব দূর করা যায়নি। বিশেষত ক্ষমতা নিয়ে সংঘর্ষ সেখানে ভয়াবহ রূপে বারবার দেখা গেছে। স্টালিন-ট্রটস্কির দ্বন্দ্ব বিখ্যাত হয়ে আছে নাটকীয়তার গুণে। কিন্তু ট্রটস্কিই একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না স্টালিনের। হত্যাকাণ্ডের অর্ধশতাব্দী পর সম্প্রতি বুখারিনের ‘পুনরুদ্ধার হয়েছে। ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এইরকম অসংখ্য হত্যা ঘটিয়েছিলেন সাম্যবাদী সোভিয়েতের রাষ্ট্রনেতা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা জিনিসটা শুধু অর্থনীতিতে নয়, রাজনীতিতেও কত ভয়ংকর আকার ধারণ করতে পারে, এযুগে সাম্যবাদী দেশগুলি তার মুখ্য উদাহরণ হয়ে আছে। তবে এদেশে এবং প্রতিবেশী দেশগুলিতেও উদাহরণের অভাব নেই।

    সমস্যাটা তা হলে এই ধনই হোক বা ক্ষমতাই হোক, স্বার্থ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ত্যাগ করা কঠিন, আবার ঐ ভিত্তিতে কোনো সুন্দর সমাজ গঠন করাও অসম্ভব। বাস্তবে নানা বিপরীত প্রবৃত্তিকেই সমাজজীবনে স্থান দিতে হয়। তবু প্রশ্ন থেকে যায়, এইসব বিপরীতের ভিতর কোনটাকে প্রাধান্য দিতে হবে, আর কীভাবেই বা সেটা সম্ভব?

    এডাম স্থির স্বার্থবুদ্ধির কথা বলেছিলেন ঠিকই। কিন্তু তিনি সেখানেই আবদ্ধ থাকেননি। সহানুভূতিকেও তিনি মানবপ্রকৃতির এক অচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে স্বীকার করে নিয়েছিলেন। স্মিথ সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে একথাটা অনেকেই কেন যেন ভুলে যান। সহানুভূতির সবচেয়ে সহজ প্রকাশ পরিবারের ভিতর, প্রতিবেশীর ভিতর, কাছের মানুষদের নিয়ে গঠিত আপন সমাজে। সেখানেও অবশ্য হিংসাদ্বেষ আছে। তবু সহানুভূতির শক্তিকে অস্বীকার করা ভুল, সেই শক্তিতেই ছোটো ছোটো গোষ্ঠী ও সমাজ বহু দৈব দুর্বিপাক এবং ঝড়ঝাঁপটা অতিক্রম করেও টিকে আছে।

    স্বার্থবুদ্ধিকে ভিত্তি করে যেমন বাজারের অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে, সহানুভূতিকে কেন্দ্র করে তেমনি এক বিকল্প সমাজব্যবস্থার কথা ভাবা যায়। সহানুভূতির স্বাভাবিক বৃত্তগুলি ছোটো। তারই সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করে এক বিকেন্দ্রিত সমাজের রূপরেখা কল্পনা করা যায়। গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথের মতো এদেশের শ্রেষ্ঠ চিন্তকদের অনেকে ঐভাবে চিন্তা করেছেন।

    .

    এযুগে বৃহৎ সমাজের ওপর ক্ষমতালোভী রাষ্ট্র তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করে নিয়েছে। ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক দুই ব্যবস্থাতেই এই ব্যাপারটা ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথের অনুকরণে এদের নাম দেওয়া যায় রাষ্ট্রতন্ত্র। রাষ্ট্রতান্ত্রিক দেশের সাধারণ ধর্ম জাতীয়তাবাদ বা রাষ্ট্রীয়তাবাদ। রবীন্দ্রনাথ এইরকমের জাতীয়তাবাদের বিরোধী ছিলেন। এর মূলে তিনি দেখেছিলেন ক্ষমতালিপ্সা, প্রতিবেশীর প্রতি সহানুভূতি বা আত্মীয়ভাব নয়।

    বিকেন্দ্রিত সমাজব্যবস্থার আর্থিক, প্রশাসনিক ও রাজনীতিক সংগঠন নিয়ে গান্ধীজীর চিন্তা উল্লেখযোগ্য। তার বিস্তারিত আলোচনা এখানে করা যাবে না, অন্যত্র করা হয়েছে। কিছুকাল যাবৎ আমরা পঞ্চায়েতীরাজের কথা বেশি করে শুনছি। গান্ধী বলেছিলেন গ্রামস্বরাজের কথা। তিনি জোর দিয়েছিলেন আর্থিক স্বয়ম্ভরতার ওপর। গ্রামস্বরাজকে সার্থক করে তুলতে হলে দলীয় শাসন থেকে দূরে সরতে হবে। রাজনীতিক দলগুলি ক্ষমতার সংগ্রামে মত্ত, ক্ষমতার যথার্থ বিকেন্দ্রীকরণ তাদের সাহায্যে কখনো পূর্ণতা লাভ করবে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য গান্ধীর প্রদর্শিত পথ, অহিংস অসহযোগ। দলীয় ক্ষমতালোভী বলেই তাতে প্রতিষ্ঠিত হয় নতুন অন্যায়।

    গান্ধীজীর মত ও পথ অনেকের কাছে অবাস্তব মনে হয়েছে। কোনো আদর্শেরই বাস্তবে সম্পূর্ণ রূপায়ণ সম্ভব হয় না। তবু কোন দিকে অগ্রসর হতে হবে সেটাই প্রধান প্রশ্ন। অতিকেন্দ্রিক বৃহৎ সমাজের একটা বিকল্প চিত্ৰ গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথের চিন্তায় পাওয়া যায়। বহুদিন অবধি ধনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রকে নিয়েই আমাদের চিন্তা আবর্তিত বিবর্তিত হয়েছে। যখন দেখা গেল যে, আজকের জগতে ধনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র নামে যে-দুটি পরিচিত ব্যবস্থা আছে সেই দুটির ভিতর অনেকখানি মিল আছে, দুটি ব্যবস্থাই রাষ্ট্রতন্ত্রের প্রকারভেদ হয়ে উঠেছে, তখন অন্য এক বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনার প্রয়োজন দেখা দিল। সেই চিন্তাভাবনা দেশে-বিদেশে শুরু হয়ে গেছে। তার সবটাই গান্ধীজীর নামের সঙ্গে যুক্ত এমন নয়। তবু গান্ধী চিন্তার সঙ্গে এই নতুন চিন্তার মিল অনেকখানি।

    পশ্চিমী ও সোভিয়েত শিবিরের দ্বন্দ্ব, বিপ্লবের সত্তর বছর পর, ক্ষমতার লড়াই হয়ে বেঁচে আছে; তার আদর্শগত ভিত্তি ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। আদর্শের দ্বন্দ্বটা অন্যত্র; তার সমাধান অন্যত্র। সেইখানে গান্ধী নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন।

    .

    (গ)

    নতুন সংগঠন প্রয়োজন। তবু শুধু প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের জোরে কোনো আদর্শ শেষ অবধি রক্ষা পায় না। এর প্রমাণ ছড়িয়ে আছে পূবে পশ্চিমে সবদেশে। এদেশের অগ্রণী চিন্তকেরা যে স্বদেশীসমাজ বা আত্মীয়সমাজের কল্পনা করেছিলেন তার ক্ষেত্রেও একই কথা। কোনো একটা সাংগঠনিক কৌশলে মানুষ ও সমাজকে দোষমুক্ত করা যায়, আদর্শে পৌঁছে দেওয়া যায়, এ ধারণা ভ্রান্ত।

    এযুগের বিজ্ঞান নাগরিক সভ্যতার অবদান। বিজ্ঞানের শক্তি নগরকে দিয়েছে আত্মবিশ্বাস, উচ্চাভিলাষ, কর্তৃত্বের অহংকার। যদিও আত্মীয়সমাজে অন্য এক আদর্শের বীজ আছে তবু বিজ্ঞানের অভাব গ্রামকে দিয়েছে জড়তা, মূঢ়তা, অসহায়তা। এই সংকটের ভিতর থেকেই উঠে আসে এক নতুন সমন্বয়ের কল্পনা। সেই সমম্বয়ে পৌঁছবার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সোজা রাস্তা নেই। ধর্ম নিয়ে যাঁরা একটু তলিয়ে চিন্তা করেছেন তাঁরা একথাটা ভালোভাবেই জেনেছেন যে, ধর্মের সারবস্তু কোনো প্রতিষ্ঠানের জোরে রক্ষা করা যায় না। সমাজের সারবস্তু সম্বন্ধে একই সিদ্ধান্ত সত্য নয় এমন মনে করবার কারণ নেই, যদিও এবিষয়ে আমাদের মন থেকে মোহ দূর হতে চায় না। সংগঠনের গুরুত্ব অস্বীকার করা অবশ্য ভুল। দুই বিপরীত ভ্রান্তির ভিতর থেকে এখানেও পথ খুঁজে নিতে হবে।

    গভীরভাবে বিবেচনা করবার মতো কিছু প্রশ্ন এখানে এসে পড়ে। আমাদের আলোচনার পরিসর অতিসংক্ষিপ্ত। একটি মূল কথার ভিতর দিয়ে আরো নানা কথার ইঙ্গিত দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।

    মানুষ জীবটির একটা বৈশিষ্ট্য এই যে, সে তার ব্যবহারিক জীবনে একটা লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে, তা নইলে তার ভিতরে বিশৃঙ্খলা এসে যায়। এ শুধু বাইরের বিশৃঙ্খলা নয়, লক্ষ্যহীনতায় মনের ভিতরই আমরা পথ হারিয়ে ফেলি। অতীতে এই সমস্যা তেমন গুরুতর ছিল না। ইতিহাসের আদিযুগে মানুষকে লক্ষ্য বেছে নিতে হয়নি, প্রকৃতি ও পরিবেশ থেকেই সেটা নির্দিষ্ট হয়ে গেছে। কোনো প্রকারে প্রাণরক্ষা করাটাই তখন লক্ষ্য। সেদিন প্রাণরক্ষার জন্য নিজেকে প্রাণপণে প্রস্তুত করে তুলতেই মানুষের অধিকাংশ শক্তি নিযুক্ত হত। আজও দারিদ্র্যের চাপে অনেক মানুষের জীবনে অবস্থা এইরকম।

    ঐতিহ্যের শক্তিও এইসঙ্গে উল্লেখ্য। প্রাচীন সমাজে লক্ষ্য নির্দিষ্ট হয়ে যায় ঐতিহ্যের দ্বারা। সেই সমাজে অন্যায়ের অভাব নেই, কিন্তু লক্ষ্যহীনতা সেখানে মৌল সমস্যা নয়। ঐতিহ্যের অনুসারী কর্মকাণ্ড জীবনকে নিয়ন্ত্রিত করে চলেছে। অতিদীর্ঘকাল মানুষের জীবন কেটেছে এইভাবে। অন্তত অধিকাংশের জীবনে এটাই হয়ে উঠেছে প্রধান ধারা। আধুনিক যুগে পৌঁছবার পর ঐতিত্বের বন্ধন আজ শিথিল। তবু রাষ্ট্রের শাসনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিয়মে কিছু লক্ষ্য আবারও নির্দিষ্ট হয়ে গেছে শিল্পপ্রধান সমাজে।

    এই যে ব্যবহারিক জীবনে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের বন্ধন, এরই ভিতর দিয়ে মানুষের চরিত্রে ও দৃষ্টিভঙ্গীতে কিছু দোষ এবং গুণ গঠিত হয়ে ওঠে। প্রাত্যহিকতার সীমাবদ্ধ উদ্দেশ্য মানুষের কৌতূহল ও সহানুভূতির সীমাকে সংকীর্ণ করে তোলে, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মানুষ হয় হৃদয়হীন, সাফল্য ও ব্যর্থতার পরিমাপটা ক্ৰমে অমানুষিক হয়ে ওঠে। সম্ভবত সেই কারণেই আধুনিক সমাজ যে সমস্ত উদ্দেশ্য স্থির করে দেয়, নতুন প্রজন্মের অনেক তরুণই সেইসব আর মনেপ্রাণে শ্রদ্ধার সঙ্গে মেনে নিতে পারছে না। অথচ এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, একলব্যের যেমন একটা লক্ষ্যের প্রয়োজন ছিল একাগ্রতার জন্য, অনুশীলনের জন্য, আর অনুশীলন ছাড়া অন্তর্নিহিত শক্তির বিকাশ ঘটে না, আমাদের অধিকাংশের প্রকৃতিতেই তেমনি সুস্থ থাকবার জন্যই একটা লক্ষ্যাভিমুখিতার প্রয়োজন আছে।

    দারিদ্র্য বহুকালের সমস্যা। এযুগের বিশেষ সমস্যা, সমৃদ্ধির ভিতরই হতাশা, লক্ষ্যহীনতার হতাশা। নৈরাশ্যকে অবলম্বন করে বেড়ে উঠেছে এক উত্তেজক তবু জীবনবিমুখ জীবনদর্শন। একদিকে উচ্চাভিলাষী অমানুষিকতা, অন্যদিকে উদ্দেশ্যহীনতার যন্ত্রণা ও ব্যর্থতা, এ-দুয়ের সীমানা অতিক্রম করা যাবে কোন পথে? এই অন্য এক দ্বন্দ্ব, যদিও প্রাচীন তবু বিশেষভাবে এযুগেরই। কর্মে ও অনুশীলনে নিজেকে গভীরভাবে নিযুক্ত করবার শক্তি ও অভ্যাস আমরা অর্জন করব অথচ কর্মই আবার বন্ধন হয়ে আমাদের বেঁধে ফেলবে না, কঠিন এই শর্ত। তবু এছাড়া কি মুক্তির পথ আছে? সেই মুক্তি ব্যক্তিকে লাভ করতে হবে নিজেরই অন্তরে। সমাজ হতে পারে সহায়ক, নয়তো প্রতিবন্ধক। কিন্তু ত্রাণকর্তা হবেন ব্যক্তি স্বয়ং। তা নইলে ত্রাণ নেই।

    শাস্ত্রের বাণী গজদন্তেরর মতো বহুমূল্য ও শীতল। কিন্তু আসল কথাটা অন্য ভাষাতেও বলা যায়। বিবেকানন্দ ফুটবল খেলার কথা বলেছিলেন। খেলার প্রথম কথা শরীরচর্চা। শরীরই আদ্য। আমাদের দেশে কমখরচে বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারে এমন খেলা চাই। ফুটবল এইদিক থেকে উপযোগী। কোনো কোনো খেলায় ব্যক্তির কৌশলটা প্রধান। ফুটবলে দলের ভিতর পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া কাজ এগোয় না। শরীরচর্চার সঙ্গে গোষ্ঠীজীবনে সহযোগিতার এই শিক্ষা মূল্যবান। এখানেও কিন্তু কথা শেষ নয়, আরো আছে। খেলোয়াড় মনপ্রাণ দিয়ে খেলবে, তারপর হারজিত যাই। ঘটে হাসিমুখে তাই মেনে নেবে। এটাই তো খেলোয়াড়ী মনোভাব, আর এটাই কর্মযোগ।

    মনপ্রাণ দিয়ে অনুশীলনে মানুষ তৈরি হয়, হারজিত সাময়িক ঘটনা। আমাদের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক জগতে হারজিতের ব্যাপারটাই অতিশয় বড় হয়ে উঠেছে। এতে। সংসারের খেলায় শ্রী থাকে না। যখন দেখা যায় ফুটবল খেলার শেষে মাঠে মারামারি, রাস্তায় দাঙ্গা, তখন বুঝতে হবে, সংকট গভীর। দলবিশেষের নয়, মনুষ্যত্বেরই সেখানে পরাজয়। একটা লক্ষ্যের জন্য নিবিষ্ট হয়ে কাজ করবার শিক্ষা চাই, আর ফলাফলের দুশ্চিন্তা ত্যাগ করেই সেই কাজ করতে হবে। এটাই খেলার মূল শিক্ষা, জীবনেরও। দ্বন্দ্ব ও উত্তরণ (১৯৮৯)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }