Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.৩ রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শ

    এমন একটি ব্যক্তি অথবা সত্তাকে যদি কল্পনা করা যায় যিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর তবে তাঁর শিক্ষার কোনো প্রয়োজন নেই। তাঁদেরই শিক্ষার প্রয়োজন আছে যাঁরা সম্পূর্ণ নন। আবার এমন একটি ব্যক্তি অথবা সত্তাকে যদি চিন্তা করা যায় যিনি অসম্পূর্ণ এবং নিজেকে নতুন করে গড়বার শক্তি যাঁর একেবারেই নেই, তবে তাঁর শিক্ষাগ্রহণের শক্তিও নেই। কাজেই তাঁর পক্ষেও শিক্ষা নিষ্প্রয়োজন। একদিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মানুষ আর অন্যদিকে সেই অপূর্ণ মানুষ, যে নিজেকে গড়বার শক্তিও লাভ করেনি, নিজেকে নতুন করে ক্রমে ক্রমে সৃষ্টি করবার শক্তি যার নেই, এই দুই প্রান্তে শিক্ষা অনুপস্থিত। এর মাঝামাঝি জায়গাতে শিক্ষার স্থান। যিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ নন, নিজেকে পূর্ণ করবার জন্য তাঁর অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে হয়। কাজেই শিক্ষার মূলে এইরকম একটা সম্পর্কের কথা আছে, সেই সম্পর্ককে বিশেষ পদ্ধতিতে গড়ে তুলবার, রূপদান করবার, প্রশ্ন আছে।

    রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শনের মূলেও এই রকম কিছু সম্পর্ক সম্বন্ধে ধারণা আছে। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে প্রতিবেশীর সম্পর্ক, মানুষের সঙ্গে বিশ্বমানবের সম্পর্ক, এইসবই তাঁর শিক্ষাদর্শনের উপাদান।

    প্রকৃতি নিয়েই কথাটা শুরু করা যাক, কারণ শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে রবীন্দ্রনাথ এমন একটি স্থান বেছে নিয়েছিলেন যেখানে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে আবদ্ধ হতে পারবে। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির যে সম্পর্ক, অথবা মানুষ ও প্রকৃতিকে নিয়ে শিক্ষার যে ধারণা, সেই সম্পর্ক অথবা ধারণার আবার দুটি প্রান্ত আছে। সেই দুটি প্রান্ত নিয়ে একটু ভাবা যাক। একদিকে প্রকৃতিকে ভাবা যায় যেন সে নিয়মের দ্বারা চালিত এক যন্ত্র। ভাবা যায় যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এইটেই বের করতে চায় যে, প্রকৃতির যন্ত্রটা কীভাবে কাজ করে বা কীভাবে তাকে দিয়ে কাজ করানো যায়। প্রকৃতিকে যদি আমরা যন্ত্র হিসেবে ভাবি তা হলে শিক্ষার ঝোঁক হবে ঐদিকে। শিক্ষা ব্যাপারটা অবশ্য আরো বেশি যান্ত্রিক ও বোধশূন্যও হতে পারে। শিক্ষক অনেক সময় গতানুগতিক বিদ্যালয়ে অতি বোধহীন পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করে থাকেন। তাতে বুদ্ধি জিনিসটাই অনুপস্থিত। এবার আসা যাক দ্বিতীয় কথায়। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির যে সম্পর্ক তাতে অন্য একটি প্রান্ত আছে। এক প্রান্তে যেমন যান্ত্রিকতা অন্য প্রান্তে তেমনি প্রকৃতি এমন একটি অবয়ব, যার ভিতর দিয়ে মানুষের প্রেম বিস্তার লাভ করতে পারে। এই কথাটা যদি শিক্ষায় ধরা না পড়ে তবে সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ নয়, রাবীন্দ্রিক নয়। একটা কথা কবি শিক্ষক সহজ অথচ গভীরভাবে বুঝেছিলেন–সেটা শিশুর ভালোবাসার ধরন সম্বন্ধে। আর মনে রাখতে হবে যে শিশু এখানে মানুষেরই প্রতিভূ। একটু দূর থেকে শিশুকে যখন দেখি তখন এই জিনিসটা লক্ষ করা যায়। শিশুর কান্নার সাধারণত কোনো কারণ থাকে–ক্ষিদে পেয়েছে, কোনো অস্বাচ্ছন্দ্য, কি যা হোক কিছু। শিশুর খুশীর মধ্যে কিন্তু একটা অকারণ আনন্দ আছে। অকারণে পুলকিত হয়ে ওঠে শিশু, অকারণে নাচতে থাকে। এটা একটা মূল কথা। এই বিশ্ব সম্বন্ধে, প্রকৃতি সম্বন্ধে, মানুষের একটা অকারণ আনন্দবোধ আছে। আমরা যতটুকু মানুষ সেই পরিমাণে আমাদের সকলের মধ্যে এটা আছে।

    সাংসারিক অর্থে যাকে বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ বলে, আমরা যখন তাই হয়ে উঠি, তখন এই অকারণ আনন্দটাকে পাগলামি মনে করি। আমরা কতগুলো কাজের কথা শুধু যে শিখি তাই নয়, সেটাকেই যেন একমাত্র শিক্ষণীয় মনে করি। এই পৃথিবীকে দেখবার এই দুটো ধরন আছে। একটা হলো, এটাকে কাজের বিষয় ভাবা। আরেকটা অকাজের বিষয়, অকাজের বিষয় মানে আনন্দের বিষয়। অর্থাৎ উদ্দেশ্যরহিত আনন্দের বিষয়, অহেতুকী প্রীতির বিষয়। রবীন্দ্রনাথ শিশুর শিক্ষায় কাজের কথাটা বাদ দিতে চেয়েছিলেন তা নয়। কিন্তু ঐ অকাজের কথাটাকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শনের এটা একটা প্রধান কথা–একটা মৌল দার্শনিক ভিত্তি বলা যেতে পারে।

    আরেকটা কথা এই সঙ্গে এসে পড়ে। এই যে আমরা প্রয়োজন এবং অপ্রয়োজনের জানার মধ্যে একটা পার্থক্য করেছি, এই পার্থক্যটা করবার পরও এ দুয়ের মধ্যে একটা সম্পর্কের কথাও মনে রাখা দরকার। প্রকৃতির দ্বারা আমাদের কিছু প্রয়োজন সিদ্ধ হয়; প্রকৃতি আমাদের ধারণ করে, লালন করে। আবার প্রকৃতি আমাদের আনন্দের ক্ষেত্র, যেমন শিশুর কাছে, যেমন শিল্পীর কাছে। মা তো শিশুর কাছে এই রকমই। মা শিশুর কিছু প্রয়োজন মেটান, আবার মায়ের মধ্যে শিশু কিছু অকারণ আনন্দের ক্ষেত্র খুঁজে পায়। উল্টো করেও বলা যায়, শিশুর মধ্যে মা একটা অকারণ আনন্দের ক্ষেত্র খুঁজে পান, তা নইলে তিনি মা নন। এখন এ দুটোর মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। যে মা শিশুর প্রয়োজন একেবারেই মেটাতে পারেন না সে মায়ের পক্ষে শিশুর কাছে অকারণ আনন্দের ক্ষেত্র হয়ে ওঠাটাও কঠিন। অতএব শিক্ষার ব্যাপারেও মানুষ এবং প্রকৃতির সম্পর্কের এমন একটা আদল গড়ে তুলতে হয় যাতে প্রকৃতি মানুষের কিছু প্রয়োজন পূর্ণ করবে, আবার প্রকৃতিকে মানুষ শিল্পীর মন নিয়ে, শিশুর মন নিয়ে, আনন্দের আর ভালোবাসার। সামগ্রী হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে।

    প্রয়োজন পূর্ণ করার দিকটাও তাহলে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কথাটা রবীন্দ্রনাথ ভালো করেই বুঝেছিলেন। ভালো করেই বুঝেছিলেন তখনই, বিশেষত যখন গ্রামের মানুষের দারিদ্র্য তিনি চোখের সামনে দিনের পর দিন দেখলেন। এই অসহায় এবং দরিদ্র মানুষদের এমন শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন যাতে প্রকৃতির সহায়তায় মানুষের অভাব দূর করবার পথ প্রশস্ত। হয়। বিজ্ঞানের সেটা একটা লক্ষ্য। রবীন্দ্রনাথ বিজ্ঞানকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, বিশেষত দরিদ্র পল্লীবাসীর অভাব দূর করবার কাজে। শান্তিনিকেতনের বিদ্যালয়ের দিকে তাকালে যেমন আমরা শিশু এবং প্রকৃতির মধ্যে আনন্দের সম্পর্কটাই প্রথম দেখি, শ্রীনিকেতনের দিকে তাকালে তেমনি দরিদ্র গ্রামবাসী এবং প্রকৃতির মধ্যে বিজ্ঞানের সাহায্যে প্রয়োজন মেটাবার প্রয়াসের দিকটা স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করি।

    প্রথমেই বলেছিলাম যে, প্রকৃতি একদিকে নিয়মে আবদ্ধ, অন্য দিকে প্রকৃতি অকারণ ভালোবাসার ক্ষেত্র–এ দুয়ের মধ্যে কোনোটাকেই তুচ্ছ করবার মতো কথা মনে করা যায় না। প্রকৃতি যে-নিয়মে আবদ্ধ সেই নিয়মকেও জানা চাই। শ্রীনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ সেই কথাটা পরিষ্কারভাবে বলেছেন। প্রকৃতি যে-নিয়মে আবদ্ধ, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড যে-নিয়মে চলে, সেটা যদি আমরা না জানি, না বুঝি, তবে আমাদের মনে নানা কুসংস্কার সহজে আশ্রয় পায়। এই বিশ্বপ্রকৃতি নিয়মে আবদ্ধ একথা জানলে সেইসব কুসংস্কার ধীরে ধীরে দূর হয়। এইসব কুসংস্কারকে কেন্দ্র করে মানুষের মনে অনেক অন্ধ ভয় জমে ওঠে। প্রকৃতি যে নিয়মে চলে সে কথা জানলে সেইসব অন্ধ ভয় ধীরে ধীরে দূর হয়। মনের মুক্তির জন্য এটা প্রয়োজন। আবার প্রকৃতির নিয়ম _____ আমরা প্রকৃতিকে নিজের প্রয়োজনে আরো পরিপূর্ণভাবে লাগাতে পারি, _____ ব্যাপারেও। মাটিতে কী সার দিতে হবে, কী করে ফলন ফলবে, এইসবের মূলেও তো বিজ্ঞান এবং নিয়ম আছে। শ্রীনিকেতনের পল্লীসংগঠনবিভাগ গড়বার কাজে প্রথম যুগে এলমহার্স্ট ছিলেন নেতৃস্থানীয়। তাঁর সঙ্গে পত্রালাপে এবং অন্যান্য লেখায় রবীন্দ্রনাথ খুবই পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে, বিজ্ঞানকে প্রয়োজন পল্লীসংগঠনের কাজে এই দুই উদ্দেশ্যেই এক, মানুষের মনকে অন্ধতা থেকে মুক্ত করবার জন্য, আর দুই, বিজ্ঞানসম্মত কৃষিপ্রথা ও উৎপাদনব্যবস্থার জন্য।

    এইখানে ব্যক্তির সঙ্গে প্রতিবেশীর সম্পর্কের কথাটাও এসে যায়। এতক্ষণ বলছিলাম প্রধানত ব্যক্তি বা মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্কের কথা। এখন আসছি প্রতিবেশীর সম্পর্কের বিষয়ে। প্রতিবেশীর ভিতর ব্যক্তি নিজের আত্মাকে প্রসারিত করে। আক্ষরিক অর্থে এবং দার্শনিক অর্থে আত্মীয়তার এটাই অর্থ। যদিও আত্মীয়তার গ্রাম্য অৰ্থ রক্তের সম্পর্ক নিয়ে, তবুও তার বৃহত্তর দার্শনিক অর্থ, যার ভিতর আত্মার সম্পর্ক প্রসারিত হয়েছে। যার ভিতর আমাদের আত্মার সম্পর্ক প্রসারিত হয়নি সে রক্তের সম্পর্কে যদিও আত্মীয় হয়, তবুও গভীরতর অর্থে সে আত্মীয় নয়। আর যাকে আমরা বন্ধু প্রতিবেশী বলে জেনেছি সেই আত্মীয়।

    আমাদের ভাষায় পাতানো দাদা দিদি, পাতানো মাসি পিসী, এইরকম অনেক সম্পর্ক থাকে। সেসব রক্তের সম্পর্ক নয়, কিন্তু সেগুলো অনেক সময় আসল সম্পর্ক–যদি না সেগুলো মামুলী নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। প্রতিবেশীও ঐরকম। যীশুখ্রীষ্ট এক সময় প্রশ্ন তুলেছিলেন, কে তোমার প্রতিবেশী? এ নিয়ে অনেক আলোচনা সম্ভব। প্রতিবেশীর একটা আদর্শ রূপ ও সংজ্ঞা আছে। তাকেও আবার দুইভাবে ব্যবহার করা যায় প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কের মতোই। এক হল কাজের দিনে কাজের ভিতর, আরেক হল উৎসবের দিনে আনন্দের ভিতর। কাজের দিনে কাজের ভিতর প্রতিবেশী সম্পর্কের সবচেয়ে সার্থক রূপায়ণ হচ্ছে সমবায়ে। সমবায়ের ভিতর দিয়ে প্রতিবেশীরা একত্র হয়ে যাতে সকলের প্রয়োজন সুষমভাবে ন্যায়সংগতভাবে সৃজনশীলভাবে পূর্ণ হতে পারে এমন প্রচেষ্টা করে। আবার উৎসবের দিনে মানুষ আনন্দের জন্যে, শুধু আনন্দের কারণে মিলিত হয়। এই দুই মিলে প্রতিবেশী, এই দুই মিলে আদর্শ পল্লীসমাজ। আমাদের দেশে প্রাচীন মেলাতেও এই দুই একসাথে এসে মিলেছিল, প্রয়োজন আর আনন্দের সেটা মিলনক্ষেত্র।

    পল্লী কথাটার শেষ পর্যন্ত অর্থ ঐ। এই যে পৃথিবীজোড়া মানুষ, এদের সকলের সঙ্গে তো আমাদের সোজাসুজি পরিচয় ঘটে না, আমরা প্রত্যেকের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারি না, প্রত্যেকের সঙ্গে তো আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্থাপিত হয় না। এ ওকে চেনে, একে অন্যকে আত্মীয় বলে মানে, এই নিয়ে পল্লীসমাজ। বাস্তবে অবশ্য তার ভিতর অনেক কলহ কলঙ্ক থাকে, হিংসা দ্বন্দ্ব সবই থাকে। বাস্তবটা জানা নিশ্চয়ই প্রয়োজন। কিন্তু শুধু বাস্তব যদি আমরা জানি, আদর্শ যদি না জানি, তবে শিক্ষার প্রশ্ন নেই। আদর্শ যদি না জানি তবে কিসের দিকে আমরা এগোবার চেষ্টা করছি? কিসের জন্য আমরা নিজেকে নতুন করে গড়বার চেষ্টা করবো। আগেই বলেছি, যদিও শিক্ষার শুরু অপূর্ণতাতে তবু শিক্ষা তখনই সম্ভব এবং সার্থক যখন একটা পূর্ণতার দিকে যাবার ধারণাও সেই সঙ্গে থাকে। কাজেই বাস্তব পল্লীসমাজকে জানতে হয়, কিন্তু একটা আদর্শ। পল্লীসমাজের চিত্রও সেই সঙ্গে প্রয়োজন। বাস্তব পল্লীকে রবীন্দ্রনাথ জানতেন না এমন নয়। গ্রামকে তিনি ভিতর থেকে দেখেছেন। তাঁর ছোটো গল্পগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে তিনি বাস্তব পল্লীকে ভালোভাবেই জানতেন। তবে বাস্তব পল্লী তো আরো অনেকের লেখাতে রূপায়িত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধে আরো পাই একটা আদর্শ চিত্র, যেমন ‘স্বদেশী সমাজ’ নামে সেই বিখ্যাত লেখায়। বাস্তব থেকে আদর্শে যাবার পথে বিজ্ঞান ও সমবায় এবং কোনো একটা গভীর অর্থে আত্মীয়তা অথবা আত্মবিধৃত আনন্দের ধারণা, এইসব মিলে তিনি পল্লীকে স্থান দিয়েছিলেন তাঁর শিক্ষাচিন্তার ভিতর। বিশ্বভারতীর অংশ যেমন শান্তিনিকেতন তেমনি শ্রীনিকেতন। আর শ্রীনিকেতনের প্রথম কথাটাই পল্লীসংগঠন নিয়ে। পল্লীসংগঠন–অথবা রবীন্দ্রনাথ কখনো পল্লীসঞ্জীবন কথাটাও ব্যবহার করেছেন–তারই সঙ্গে সম্পর্ক রেখে বিদ্যালয়ের শিক্ষা। অনেকেই জানেন, শান্তিনিকেতনের বিদ্যালয়ই একমাত্র নয়, শ্রীনিকেতনে আরও একটি বিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথ স্থাপন করেছিলেন এবং একদিন এমন সিদ্ধান্তেও এসেছিলেন যে, শান্তিনিকেতনের বিদ্যালয়ের চেয়েও শ্রীনিকেতনের বিদ্যালয়ের তাৎপর্য বেশি, দেশের গভীরতর প্রয়োজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক।

    এরপর আসছে মানুষের সঙ্গে বিশ্বমানবের সম্পর্কের কথা। যাকে আমরা আত্মীয়তার সম্পর্ক বলেছি সেটা অনেক সময় একটা সীমাবদ্ধ গোষ্ঠীর সম্পর্ক। পল্লীসমাজ হাতের কাছের উদাহরণ, কিন্তু আরো বড় বড় গোষ্ঠীকেও আত্মীয়তার সম্পর্কের আদলেই চিন্তা করা হয়। জাতি বা ধর্মকে ভিত্তি করে যেসব সম্পর্ক সেখানেও এক ধরনের আত্মীয়তার সম্পর্ককে মৌল বস্তু বলেই মনে করা হয়। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তবু সতর্ক হবার প্রয়োজন আছে। কারণ এই ধরনের সীমাবদ্ধ আত্মীয়তার সম্পর্কগুলো অতি সহজে অনাত্মীয় শত্রু খুঁজে নেয়। তখন সেটা বিরোধী আত্মীয়গোষ্ঠীর ভিতর যুদ্ধের ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়ায়। সেটাই আত্মীয়সম্পর্কের আদর্শরূপের বিপরীত। আমরা যখনই কোনো আদর্শরূপ নিয়ে চিন্তা করি তখনই তার বিপরীতটা সম্পর্কেও সতর্ক হতে হয়। রবীন্দ্রনাথ। দেখেছিলেন কীভাবে জাতীয়তাবাদ একটা জঙ্গীরূপ ধারণ করে, চীনকে আক্রমণ করে জাপান, ইউরোপের নানা জাতি মেতে ওঠে যুদ্ধের অমানুষিক উত্তেজনায়। এইসব দেখে এই কথাটাই তিনি বুঝেছিলেন যে, তাঁর শিক্ষা সম্পর্কে যে ধারণা তাতে যদিও স্বদেশী সমাজের কথা থাকবে তবুও সমানভাবেই রাখা প্রয়োজন বিশ্বমানবতার কথাও। আর সেই জন্যই তিনি যে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলেন তার নাম দিলেন বিশ্বভারতী। এইখানে স্বদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েও তিনি আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন বিশ্বকে। রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিতে ও শিক্ষাচিন্তায় একদিকে রইলো পাশের গ্রাম সুরুল, যার উন্নয়নের জন্য শ্রীনিকেতন, আর অন্য দিকে বিশ্বমানব, সমস্ত বিশ্ব। সারা বিশ্ব থেকে জ্ঞানীগুণী মানুষকে তিনি আমন্ত্রণ জানালেন তাঁর ছোটো শান্তিনিকেতনে, যত্র বিশ্বং ভবত্যেকনীড়ম্। চীন থেকে, জাপান থেকে, ইউরোপ আমেরিকার নানা দেশ থেকে বহু জ্ঞানীগুণী মানুষকে তিনি টেনে এনেছিলেন তাঁর শান্তিনিকেতনে। এই বিশ্বমানবতা তাঁর শিক্ষাদর্শের পূর্ণতার জন্য আবশ্যিক।

    কথাগুলোকে এবার একত্র সংগ্রহ করে দেখা যাক। শিক্ষার ভিতর দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক পূর্ণ হয়ে ওঠে। একদিকে সেটা আনন্দের সম্পর্ক, অন্যদিকে জ্ঞানবিজ্ঞানের সম্পর্ক। শিক্ষার ভিতর দিয়ে মানুষ আরো শেখে তার প্রতিবেশীর সঙ্গে সার্থকভাবে যুক্ত হতে। বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমবায়ের বাহনে দূর হয় দারিদ্র্য। শিক্ষার ভিতর দিয়ে মানুষ একটা স্বাভাবিক আনন্দকে উৎসবের পর্যায়ে তুলে নিতে শিখুক এটাও ছিল কবির আকাঙ্ক্ষা, যার কিছু পরিকল্পিত অনিন্দ্যসুন্দর রূপও তিনি সৃষ্টি করে গিয়েছিলেন। আবার ছোটো গোষ্ঠী যেন কোনো বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের ভিতরই তার চরম অর্থ খুঁজতে না যায়, ছোটো গোষ্ঠীকে যাতে শেখানো হয় যে, সব গোষ্ঠীরই। সার্থকতা বৃহত্তর কোনো মানবসমবায়ের জন্যে নিজেকে সেবা ও আনন্দে সার্থক করে তোলার ভিতর, এই দিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে। সেই জন্য স্বদেশী সমাজের ধারণার সঙ্গে যোগ করতে হয় মানুষের ধর্মের ধারণাকে।

    শান্তিনিকেতনের প্রাঙ্গণে রবীন্দ্রনাথ রাজনীতিকে সহজে ঢুকতে দিতেন না। তারও একটা কারণ ছিল। রবীন্দ্রনাথ রাজনীতিসচেতন ছিলেন না এমন তো নয়। তাঁর রাজনীতি বিষয়ক নানা ভাষণ ও কর্ম দেশবাসীর অজানা নয়। তাঁর জীবনের শেষ চল্লিশ বছরে এর উদাহরণের অভাব নেই। নানা তেজস্বী ভাষণ এবং কর্মের উল্লেখ করা যায় সহজেই। অথচ অতখানি রাজনীতিসচেতন হয়েও শান্তিনিকেতনের প্রাঙ্গণে তিনি দলীয় রাজনীতিকে ঢুকতে দিতে চাইতেন না। তার একটা কারণ অবশ্য এই যে, রাজনীতির সঙ্গে প্রায় অনিবার্যভাবে বড় বেশি দলাদলি এসে যায়। আশ্রম প্রাঙ্গণকে সেই দলাদলি থেকে তিনি মুক্ত রাখতে চেয়েছিলেন। আরও একটা কথা আছে। রাজনীতির প্রধান কাজটা হল ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব। প্রথমে সেটা ছিল বিদেশীর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেবার প্রশ্ন। তারপর একদলের হাত থেকে অন্য দলের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়াটাই প্রধান হল। ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব রাজনীতির একটা মৌল ব্যাপার। সেই দ্বন্দ্বের ভালোমন্দ যাই থাকুক, প্রয়োজন যাই থাকুক, রবীন্দ্রনাথ জানতেন যে তার বাইরেও একটা বড় কাজ আছে। গান্ধীর যেমন রাজনীতির পাশে ছিল গঠনমূলক কার্যক্রম, রবীন্দ্রনাথের চিন্তায় ছিল পল্লীসংগঠন। আরো ছিল মানুষের জীবনে কতগুলো আদর্শকে মূল্যবান বলে শুধু দার্শনিকভাবে প্রচার করা নয়, জীবনচর্যার ভিতরেও প্রতিষ্ঠিত করার সংকল্প। এই ধরনের কিছু কাজকে তিনি গভীরভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতেন, যে কাজ কখনো রাজনীতির ভিতর দিয়ে পূর্ণ হয় না। যাঁরা রাজনীতি করবেন, সক্রিয় রাজনীতি, তাঁরা তো সে-কাজের জন্য আছেনই। রবীন্দ্রনাথ অনুভব করেছিলেন যে, তাঁর যেটা বিশেষ প্রতিভা তাকে তিনি মানুষের কাজে নিযুক্ত করতে পারবেন অন্য এক গঠনমূলক ও সৃজনশীল কর্মের ভিতর দিয়ে, যেটাকে রাজনীতির আবর্ত থেকে অনেকখানি দূরে রাখাই ভালো। প্রশ্নটা এই নয় যে, শিক্ষা ভালো কি রাজনীতি ভালো; প্রশ্নটা এই যে, শিক্ষাকে রাজনীতির হাতে তুলে দেওয়া ভালো কি না। রবীন্দ্রনাথ স্থির করেছিলেন যে, শিক্ষাকে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ থেকে যথাসম্ভব মুক্ত রাখাই মঙ্গলজনক। শান্তিনিকেতনে তিনি। সেটাই যথাসম্ভব চেষ্টা করেছিলেন!

    শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ কাজ শুরু করেছিলেন এই শতকের গোড়ায়। আজ শতাব্দী অবসিত হতে চলেছে। তাঁর শিক্ষাচিন্তা তবু প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। বরং কালের এই ব্যবধানে দাঁড়িয়ে আমরা আরো নিশ্চিতভাবে জানি, ঐসব চিন্তা শুধু অতীতের নয়, বর্তমান আর ভবিষ্যতেরও। পল্লী ও নগরের ভিতর বিচ্ছিন্নতা অতিক্রম করতে চেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। স্বাধীনতালাভের পর এদেশে যে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তাতে ছাত্রসমাজের ভিতর একটা গভীর বিভেদ ক্রমে দৃঢ় হচ্ছে। একদিকে আছে সেই অতিনাগরিক ছাত্রগোষ্ঠী, স্বদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে যাদের যোগ অতি সামান্য, এদেশটাকে গড়ে তুলবার চিন্তা যাদের উদ্বুদ্ধ করে না, বরং বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়াই যাদের অভিলাষ। অন্যদিকে পাই গ্রাম ও ছোটো শহর থেকে আগত সদ্যশিক্ষিত গোষ্ঠী, ইংরেজীর সঙ্গে যাদের পরিচয় কম, বিশ্বের সঙ্গেও সেই মতো, যাদের চিন্তার দিগন্ত নিতান্ত আঞ্চলিক। আগামী শতকের ভারত গড়বার কাজে নেতৃত্ব তবে আসবে কোন পথে? সমস্যার এই এক রূপ। সত্যের সঙ্গে মানুষের, মানুষের সঙ্গে মানুষের, বিচ্ছিন্নতা আরো নানা রূপে ছড়িয়ে আছে বিশ্বময়। বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা তত সমাজের ভিতর আছেই। কিন্তু শিক্ষা যখন তাকে আরো বাড়িয়ে তোলে তখন শিক্ষাব্রতীর কাছে সেটা বিশেষ দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে ওঠে। সেটাকে তখন বলি, শিক্ষার বিকার। কোথাও আনন্দ ও সৃজনশীলতার পথরোধ করে দাঁড়ায় বিদ্যালয়, মানুষের ব্যক্তিত্বকে করে পঙ্গু, যা থেকে আসে ধ্বংসাত্মক আক্রোশ। কোথাও শেখানো হয় স্বজাতির শ্রেষ্ঠত্ব, বিজাতি ও বিধর্মীর প্রতি সন্দেহ, নিহিত আছে যাতে মানবতারই প্রতি অবিশ্বাস।

    বিচ্ছিন্নতা দূর করবার পথ রচনা করতে চেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। যে সমম্বয়সাধন তাঁর শিক্ষাদর্শের মূল কথা সেটা শুধুই কবির কল্পনা নয়। এ যুগের সংকটের সঙ্গে তার যোগ। এইখানে তার বাস্তবতা, তার গভীরতর প্রাসঙ্গিকতা।

    .

    ঢাকায় বাংলা একাডেমীর বিশেষ সভায় ২৪শে মে ১৯৮৬ সালে প্রদত্ত মৌখিক ভিত্তিতে লিখিত প্রবন্ধ।

    সমাজ সংস্কৃতি স্মৃতি (১৯৮৭)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }