Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪.৬ শান্তিনিকেতন ও শিক্ষার দ্বন্দ্ব

    শান্তিনিকেতনের শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটা পুরনো অভিযোগ বহুদিন থেকে চলে আসছে। ওখানকার আশ্রম ও পরিপার্শ্ব সুন্দর, কিন্তু অবাস্তব। আমাদের হতশ্রী বৃহত্তর জগতের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই। রবীন্দ্রনাথের আশ্রমে ছাত্রছাত্রীরা বাস্তবের মুখোমুখি হতে শেখে না। এই হল অভিযোগ।

    প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটা বিতৃষ্ণা কবির মনে ছেলেবেলা থেকেই জমে উঠেছিল। বলা বাহুল্য যে-সমাজ ও শিক্ষাপদ্ধতির বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ, শান্তিনিকেতনের শিক্ষায়তন তার অনুকরণে গড়ে তোলা হয় নি। বরং একটা আদর্শকে রূপদান করবার চেষ্টাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজেকে আপ্রাণ নিযুক্ত করেছিলেন।

    শিক্ষা সম্বন্ধে তাঁর কয়েকটি মৌল ধারণা ছিল। সেইসব ধারণার সঙ্গে অনেকেই অল্পবেশি পরিচিত। প্রকৃতির সঙ্গে সহজ যোগাযোগ মানবশিশুর পক্ষে স্বাভাবিক। সেই যোগ রক্ষা করেই শিশুর শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়া উচিত। বিশ্বপ্রকৃতিতে প্রতিদিন নিয়মে বাঁধা অথচ অত্যাশ্চর্য কত ঘটনা ঘটে চলেছে। শুয়োপোকা থেকে যেন কোনো যাদুকরের। মন্ত্রে প্রজাপতি বেরিয়ে আসছে, পাখিরা আশ্চর্য নিপুণতায় বাসা বাঁধছে, মাটির তলার একটি মাটিরঙের বীজ থেকে হঠাৎ ভোরের আলোর ডাকে সাড়া দিয়ে দুটি ছোট্ট সবুজ রঙের হাত তুলে শিশুগাছ জানিয়ে দিচ্ছে সে জেগে উঠেছে, আকাশের গায়ে সাতরঙা রামধনু আঁকা হচ্ছে, থমথম দুপুরের স্তব্ধতাকে চুরমার করে ঝড় ছুটে আসছে দিগন্ত থেকে। চোখ খুললেই বিস্ময়ের অন্ত নেই। এই সবের সংস্পর্শে শিশুমনের কল্পনা ও কৌতূহল দিনে দিনে বেড়ে ওঠে। এ থেকে বিচ্ছিন্ন করে যা কিছু শেখানো যায় সে সবই যান্ত্রিক, বিশ্বের সঙ্গে মানবহৃদয়ের যোগসাধনের শিক্ষা তাতে সম্পূর্ণ হয় না।

    শুধু প্রকৃতির ঘনিষ্ঠতা নয়, শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন মানুষের একটি আত্মীয়সমাজ। সেই আত্মীয়তা রক্তের সম্পর্কে স্থাপিত নয়। বরং বিশ্বের নানা স্থান থেকে মানুষ এসে একটি উষ্ণ সহৃদয়তায় সংঘবদ্ধ হবে শান্তিনিকেতনের নীড়ে, এই ছিল কবির আশা। আত্মীয়সমাজের সঙ্গে যোগও শিক্ষার পূর্ণতার জন্য আবশ্যক।

    দুঃখের আবরণ ভেদ করে মানুষ আবিষ্কার করতে চাইছে আনন্দকে। এটাই মানুষের শুদ্ধ স্বভাব। আনন্দ থেকেই সৃষ্টি। এইরকম রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করতেন। আনন্দ বলতে এখানে বুঝতে হবে মিলনের আনন্দ, পীড়ন করে যে সুখ তার মূলে থাকে স্বভাবের। বিকৃতি। শান্তিনিকেতনের সাংবৎসরিক জীবনধারায় তাই মেলা ও ঋতু-উৎসবের একটা বিশেষ স্থান আছে। মেলা বলতে শুধু বেচা-কেনা নয়, মানুষে মানুষে মিলনের একটা ক্ষেত্র। ঋতু-উৎসবের মূল কথা, প্রকৃতির ছন্দের সঙ্গে মানুষের হৃদয়কে মিলিয়ে তারই আনন্দিত উচ্চরণ। আমাদের দেশে পুজোপার্বণের অভাব নেই। সেই সবের সঙ্গে কিন্তু সম্প্রদায়বিশেষের ধর্মের একটা যোগ স্থাপিত হয়ে গেছে। সাংবৎসরিক উৎসবকে সাম্প্রদায়িক ভেদ থেকে যথাসম্ভব মুক্ত করে শুদ্ধ আনন্দের প্রকাশরূপে তাকে সর্বমানবের জন্য প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। ‘ইস্কুল’ নামক জিনিসটাকে তিনি অবজ্ঞার চোখে দেখতেন। তাঁর শিক্ষাদশের কেন্দ্রে আছে মানুষের আনন্দের সাধনা।

    প্রকৃতির সঙ্গে সংলগ্ন এই যে আত্মীয়সমাজ আর উত্সবে অনুষ্ঠানে বৈশিষ্ট্যময় জীবনযাত্রা, আমাদের পরিচিত কলুষিত সংসারের সঙ্গে তার প্রভেদ অনেকখানি। আর এই থেকে আসে সেই পুরনো অভিযোগ, প্রথমেই যার উল্লেখ করেছি। শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীদের তো ছড়িয়ে পড়তে হবে বাইরের জগতে, অন্তত অধিকাংশের পক্ষে আজীবন আশ্রমে বাস সম্ভব নয়। শান্তিনিকেতনের শিক্ষা কি তাদের প্রস্তুত করতে পেরেছে বাইরের সেই জগতের নানা বিরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আত্মরক্ষার জন্য?

    এখানে মূল প্রশ্নটা আসলে শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে। আমরা বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে চলি। অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে চলবার একটা ক্ষমতা অধিকাংশ মানুষের ভিতরই থাকে। সেই ক্ষমতাটাকে আরো একটু শিক্ষিত করে তোলাটাই কি শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য? না একটা আদর্শের সঙ্গে প্রাণের পরিচয় ঘটানো, সেই আদর্শ অনুযায়ী নিজেকে ও পরিপার্শ্বকে নতুন করে রচনা করবার আকাঙ্ক্ষা জাগানো, শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য? শান্তিনিকেতনের ছেলেমেয়েরা, যারা নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে, পরিপার্শ্বের সঙ্গে তারা সংগ্রাম করতে পারেনি, এমন প্রমাণ যথেষ্ট নেই। জীবনের নানা ঝড়ঝাঁপটার মধ্যেও শান্তিনিকেতনের শিক্ষা তাঁকে আত্মস্থ থাকবার শক্তি দিয়েছিল, এইরকম বলেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। কথাটা কি একেবারে ভুল? অক্সফোর্ড হোক নালন্দা হোক, পৃথিবীর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অবস্থান সংসারের কোলাহল থেকে খানিকটা দূরে। আজকের বাস্তবের অনুকরণে গঠিত হতে পারে না কোনো আদর্শ বিদ্যালয়।

    তবু কথা ফুরোয় না, কিছু প্রশ্ন থেকেই যায়। বাঁচবার জন্য একটা জীবিকা চাই। ছাত্রছাত্রীরা যদি আত্মনির্ভর হতে চায় তবে তাদের কোনো না কোনো বৃত্তিতে পটুতা অর্জন করতে হবে। শান্তিনিকেতন কি এদিকে মনোযোগ দিয়েছে? প্রশ্নটা আরো একটু বিশদভাবে আলোচনার যোগ্য।

    .

    (খ)

    ব্রিটিশ আমলে এদেশে যে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠেছে তার সঙ্গে চাকরির সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। উনিশ শতক থেকে শুরু করে দেশের শাসনযন্ত্রে বিভিন্ন স্তরে কেরানী থেকে। ডেপুটি পর্যন্ত যেসব কর্মচারী প্রয়োজন হয়েছে তারা এই ইংরেজি স্কুল-কলেজ থেকে পাশ করা ছেলেমেয়ে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আরেক কাজ শিক্ষক তৈরি করা। তা ছাড়া ডাক্তার উকিল ইঞ্জিনিয়ার এইসবও প্রয়োজন। এদেশের নতুন মধ্যবিত্ত বাবুসম্প্রদায় ইংরেজি। শিক্ষাব্যবস্থারই সন্তান।

    কর্মচারী তৈরি করা শান্তিনিকেতনের উদ্দেশ্যের মধ্যে ছিল না। উকিল ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করবার কলেজ এখনো সেখানে হয়নি। সেই অর্থে বিশ্বভারতী একটি অসম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় বলা ভালো, শন্তিনিকেতন পরিচিত ছাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠতে চায়নি। ব্রহ্মচর্যবিদ্যালয় দিয়ে ওখানকার শিক্ষাব্যবস্থা শুরু হয়। রবীন্দ্রনাথের তৎকালীন শিক্ষাদর্শের সঙ্গে এই ব্রহ্মচর্যবিদ্যালয়েরই সামঞ্জস্য সবচেয়ে বেশি। পরে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশ-বিদেশের পণ্ডিতজনকে আমন্ত্রিত করা, পূর্ব ও পশ্চিমের ভাষা ধর্ম ও ইতিহাসে আগ্রহী কিছু গুণী মানুষের জন্য একটি মিলনক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বিশ্বসংস্কৃতিতে বৈচিত্র্যের ভিতর ঐক্যের সন্ধান করা, এই ছিল সেদিনের বিশ্বভারতীর একটি প্রধান লক্ষ্য। তা ছাড়া শান্তিনিকেতনের আরেক বৈশিষ্ট্য ছিল সঙ্গীত সহ তার কলাভবন। তারও মূল সুর সমন্বয় ও সৃজনধর্মিত।

    তবু চাকরির প্রশ্নটাকে শেষ পর্যন্ত এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। রবীন্দ্রনাথের জীবৎকালেই ডিগ্ৰীলাভের ব্যবস্থা হল। আর এই উদ্দেশ্যে যোগ স্থাপন করতে হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। এইবার শুরু হয়ে গেল শান্তিনিকেতনে দুই অসমঞ্জস ভাবের এক অস্থির সহাবস্থান। ডিগ্রীর সঙ্গে সঙ্গে গতানুগতিক পাঠ্যবস্তু, পরীক্ষাব্যবস্থা আর চাকরির বাজারের সঙ্গে যোগ একই সূত্রে এইসব এসে গেল। এইসবের সঙ্গে শান্তিনিকেতনের মূল আদর্শের কোনো মিল ছিল না। শান্তিনিকেতনের মাটি থেকে এরা বিশেষ পুষ্টিলাভ করতেও পারেনি। বিদ্যাভবন বা শিক্ষাভবনের ডিগ্ৰীসংলগ্ন গতানুগতিক বিভাগগুলি তেমন উৎকৃষ্ট নয়। এদিক থেকে সমালোচকদের অভিযোগ একেবারে অবাস্তব নয়।

    তবে কি রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাচিন্তায় জীবিকার প্রয়োজনের দিকটা উপেক্ষিত ছিল? তাও কিন্তু নয়। রবীন্দ্রচিন্তার এই দিকটা বুঝতে হলে আমাদের দৃষ্টি ঘোরাতে হয় প্রধানত শ্রীনিকেতনের দিকে। সেইখানে গড়ে উঠেছিল পল্লীসংগঠনবিভাগ। চাকরিজীবী নব। মধ্যবিত্তের জন্য নয়, পল্লীর দরিদ্র মানুষের জীবিকার প্রশ্ন নিয়ে রবীন্দ্রনাথের চিন্তার অন্ত। ছিল না। কবির পুত্র নিযুক্ত ছিলেন গ্রামীণ শিল্পের উন্নতির কাজে। এটা সম্ভব হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের নিজেরই আগ্রহে। কৃষি, সমবায় ও গ্রামীণ শিল্প নিয়ে তিনি যে-পরিমাণ চিন্তা করেছিলো সেটা তাঁর সমান কোনো কবির কাছে একেবারেই আশা করা যায় না। বস্তুত এসব ক্ষেত্রে তিনি এদেশের অগ্রণী নেতা ও চিন্তকদের ভিতর পড়েন।

    এ বিষয়ে তাঁর চিন্তার ধরনটা প্রথমে বুঝে নিতে হবে। উদাহরণ হিসেবে শিল্পসদনের কথা ধরা যাক। শিল্পসদন হবে একটি উৎপাদনকেন্দ্র যাতে গ্রামের কিছু মানুষ বাঁধাধরা চাকরি পাবে, রবীন্দ্রনাথের পরিকল্পনার মূলকথাটা এইরকম ছিল না। পল্লীবাসী নিজ পল্লীতেই শিল্পকর্মে নিযুক্ত থাকবে। সেখানে তার কাছে পৌঁছে দিতে হবে উন্নত শিল্পকৌশল। যেমন চাষী নিযুক্ত থাকে কৃষিকর্মে নিজ গ্রামে, সেখানেই উন্নত চাষপ্রথা সম্বন্ধে জ্ঞান, কৌশল ও উপকরণ পৌঁছে দেওয়া আবশ্যক। শিল্পসদনের প্রধান কাজ হল গ্রামীণ শিল্পের ক্ষেত্রে বিদ্যা ও কৌশলের এই সম্প্রসারণ। প্রয়োজনমতো সমবায়ের সাহায্যও নিতে হবে। চাকরির সংখ্যা বাড়িয়ে গ্রামের আর্থিক সমস্যা দূর করা যাবে না। গ্রামোন্নয়নের জন্য চাই ভিন্ন পথ। শিক্ষা স্বাবলম্বন সমবায়, এইসবের ওপর রবীন্দ্রনাথ জোর দিয়েছিলেন।

    পল্লীসংগঠনবিভাগের কাজে প্রথম দিকে সুফল দেখা গিয়েছিল। রথীন্দ্রনাথের নেতৃত্বে স্থানীয় গ্রামীণ শিল্পে কিছু উল্লেখযোগ্য নতুনত্ব দেখা যায়। কিন্তু সেই ধারা স্থায়ী হয়নি। শান্তিনিকেতনী শিল্পদ্রব্য এখন কলকাতায় তৈরি হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শ্রীনিকেতন পিছিয়ে যাচ্ছে। শিল্পসদনে আন্দোলন হচ্ছে স্থায়ী চাকরির দাবি নিয়ে। গ্রামে স্বনিযুক্ত বৃত্তি এবং উন্নত ধরনের উৎপাদন নয়, বিশ্বভারতীতে সরকারি টাকায় স্থায়ী চাকরির প্রতি গ্রামবাসীর প্রধান আকর্ষণ। রবীন্দ্রনাথের ‘পল্লীসঞ্জীবনী’ সাধনা ব্যর্থতায় আক্রান্ত।

    শ্রীনিকেতনের নিজস্ব বিদ্যালয় শিক্ষাসত্র। শান্তিনিকেতনের পাঠভবনের সঙ্গে এর পার্থক্য আছে। পাঠভবনের ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই আসছে শহরের পরিবার থেকে। শিক্ষাসত্রের ছাত্রছাত্রী প্রধানত গ্রামবাসী। এদের সামাজিক সাংস্কৃতিক পটভূমি আলাদা। রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন, এদের শিক্ষা দিতে হবে গ্রামের জীবনের প্রয়োজনের সঙ্গে যোগ রক্ষা করে। তা নইলে শিক্ষার সঙ্গে অভিজ্ঞতার সামঞ্জস্য থাকবে না, ফলে বিদ্যা আবারও হয়ে উঠবে কৃত্রিম বাইরের জিনিস। কিন্তু শিক্ষাসত্রের আদর্শ রক্ষা করে শিক্ষাবিতরণ করবার মতো শিক্ষকেরও অভাব আছে। এইখানে অন্য এক দ্বন্দ্ব। শহরের টানটাই বড় হয়ে উঠছে। এটা আশ্চর্য নয়, তবু দুঃখজনক।

    .

    (গ)

    শিক্ষানীতির সঙ্গে অর্থনীতির একটা সম্পর্ক আছে। সেইদিকে আবারও একটু দৃষ্টিপাত করা যাক

    আমাদের অর্থনীতি দুই ভাগে বিভক্ত দুয়ের ভিতর বিভেদ কিছুতেই দূর করা যাচ্ছে। একদিকে অনেকটা আধুনিক ধাঁচের সংগঠিত বৃত্তখণ্ড; অন্যদিকটা পুরনো ধাঁচের, অপেক্ষাকৃত দরিদ্র ও অসংগঠিত। একদিকে বিমানযান, অন্যদিকে গোরুর গাড়ি। এই ভেদটা আরো বহুকাল চলবে, এর একটা সহজ কারণ আছে। অর্থনীতির আধুনিক বৃত্তখণ্ডে পুঁজির ঘনত্ব বহুগুণে বেশি, অর্থাৎ শ্রমিকপিছু পুঁজি লাগছে অনেকখানি। এক একটি বিমানবন্দরের খরচ অনেক, সেই তুলনায় কর্মী অথবা শ্রমিকের প্রয়োজন কম। আমাদের সীমাবদ্ধ পুঁজি নিয়ে অর্থনীতির আধুনিক খণ্ডে এদেশের বৃহৎ ও দ্রুত বৃদ্ধিশীল। শ্ৰমিকসংখ্যার অল্প অংশকেই নিয়োগ করা সম্ভব। অধিকাংশকে জীবিকা খুঁজতে হচ্ছে অর্থনীতির দরিদ্র ও অসংগঠিত অংশে। কৃষি ও গ্রামীণ শিল্পের মতো অতিপ্রয়োজনীয় কাজকর্ম এই সাবেকী অংশেরই অন্তর্ভুক্ত। প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা, বৃহৎ শিল্প, বড় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, এইসব নিয়ে অর্থনীতির আধুনিক অংশ। যেটা আধুনিক সেটার প্রচার বেশি; যেটা সাবেকী সেটার প্রসার বেশি, যদিও তার অনেকখানি বাইরের জগতের চোখের আড়ালে।

    আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মনোযোগ প্রধানত অর্থনীতির সংগঠিত এবং আধুনিক অংশের প্রতি নিবন্ধ। এইখানে অতি বড় অসম্পূর্ণতা। অসংগঠিত এবং সাবেকী অংশকে চলতে হচ্ছে প্রায় শিক্ষাব্যবস্থার সহায়তা ছাড়াই। তার মানে এই নয় যে, গ্রাম থেকে ছেলেরা কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকছে না। কিন্তু যারা ঢুকছে তারা বড় বেশি গ্রামে ফিরে যাচ্ছে না, তাদের গন্তব্যস্থল অর্থনীতির আধুনিক বৃত্তখণ্ড। প্রশাসনে অথবা ব্যবসায় ও শিল্পের সংগঠিত যন্ত্রে স্থানলাভ করাই তাদের বাসনা। বস্তুত আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিজেই একটি বৃহৎ ব্যবসায়বিশেষ। রবীন্দ্রনাথ অন্তত সমস্যার মূল প্রকৃতিটা বুঝতে ভুল করেননি। আমাদের অর্থনীতির অসংগঠিত অংশকে কী করে সংগঠিত করা যায়, সেই পথ খুঁজেছে পল্লীসংগঠনবিভাগ।

    সমস্যাটাকে এবার অন্য এক দিক থেকে দেখা যাক। এই শতাব্দীর প্রথমে বঙ্গভঙ্গের সময় যে জাতীয় শিক্ষাপরিষদ জন্মগ্রহণ করে এবং শিক্ষা আন্দোলন শুরু হয়, রবীন্দ্রনাথ তার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ইংরেজী শিক্ষাব্যবস্থার ফলে এদেশের শিক্ষিত সম্প্রদায় স্বদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছিল, এই বিচ্ছেদ রোধ করা প্রয়োজন, শিক্ষার সঙ্গে দেশের মানুষের, দেশের স্বার্থ ও সংস্কৃতির যোগস্থাপন করতে হবে, এইরকম একটা বোধ জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের ভিতর শক্তির সঞ্চার করেছিল। এরই টানে অরবিন্দ ও রবীন্দ্রনাথের মতো মানুষেরা সেদিন আন্দোলনের অংশীদার হন।

    তারপর আট দশক কেটে গেছে। জাতীয় শিক্ষার নেতারা যে বিজাতীয়তার বিরোধী ছিলেন তাকে কি রোধ করা গেছে? মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা এদেশের শিক্ষিত সম্প্রদায়ের মধ্যে কিছুমাত্র বেড়েছে কি না বলা কঠিন। নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশে যদি-বা মাতৃভাষার জন্য একটা বিশেষ সম্মানের স্থান থাকে, পশ্চিমবঙ্গে তেমন কিছু দাবি করা যায় না। কলেজবিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো ছাত্রদের ভিতর নানা কারণে ইংরেজীর আকর্ষণ প্রবল। যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি বিদেশে যাওয়া যদি উদ্দেশ্য হয় তবে বিদেশী ভাষায় দক্ষতাই বিশেষ প্রয়োজন। বিশ্বের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় অবশ্য কাম্য। স্বদেশপ্রীতি যদি মানুষকে বিশ্ববিমুখ করে তোলে তবে সেটা প্রশংসনীয় নয়। রবীন্দ্রনাথকে তো কিছুতেই বিশ্ববিমুখ বলা যায় না। কিন্তু তিনি জানতেন, অন্য কোনো ভাষাই মাতৃভাষার স্থান নিতে পারে না। যদি নিতে চায় তবে তাতে একদিকে দেশের ভিতর একটা গভীর বিভেদ এনে দেয়, অন্যদিকে আমরা চিত্তের স্বরাজ্য হারাই।

    আমাদের ইংরেজী শিক্ষিত সম্প্রদায় যে-পরিমাণে মাতৃভাষা থেকে বিচ্ছিন্ন, সেই পরিমাণে দেশের মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন। এমন কি ছাত্রসমাজের অভ্যন্তরেই এখন একটা। বিপজ্জনক সাংস্কৃতিক বিভেদ এসে গেছে। বিদেশী সংস্কৃতির প্রতি যারা প্রবলভাবে অনুরক্ত আর দেশের মাটির সঙ্গে যাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, এই দুই গোষ্ঠী যেন দুই বিপরীত শিবিরে বিভক্ত। এটা উভয়ের পক্ষেই ক্ষতিকর। এর ফলে সৃষ্টি হচ্ছে এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। পারম্পরিক বিতৃষ্ণার আতিশয্যে একদল হয়ে উঠছে “মৌলবাদী”, অন্যদল স্বদেশের প্রতি শ্রদ্ধাহীন। এই সাংস্কৃতিক বিভেদ দেশকে ঠেলে দিচ্ছে এক নৈরাশ্যজনক। সংকটের দিকে।

    এইসব দ্বন্দ্বে রবীন্দ্রনাথকে অনেক সময় এপক্ষ অথবা ওপাক্ষের উকিল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এটা তাঁর প্রতি অন্যায়। যদিও তিনি অবস্থাবিশেষে কখনো এদিক আবার কখনো ওদিকের কথাটা জোর দিয়ে বলেছেন, তবু দ্বন্দ্বকে অতিক্রম করে যাবার বুদ্ধি আর ঔদার্যেই তিনি অন্য অনেকের চেয়ে স্বতন্ত্র। তাঁর নানা বিচ্ছিন্ন উক্তির ভিতর থেকে এই মূল ভাবটা খুঁজে নেওয়া প্রয়োজন। যেমন ধরা যাক একটি বিতর্কিত বষয় শিক্ষায় ভাষার স্থান। শিক্ষার বাহন’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “বিদ্যাবিস্তারের কথাটাকে যখন। ঠিকমত মন দিয়া দেখি তখন তার সর্বপ্রধান বাধাটা এই দেখতে পাই যে তার বাহনটা ইংরেজি।” তিনিই আবার শান্তিনিকেতনের সর্বাধ্যক্ষ জগদানন্দ রায়কে বিদেশ থেকে লিখেছেন, “সেদিনকার খবরের কাগজে পড়লুম মহাত্মা গান্ধী আমাদের মেয়েদের বলেছেন, তোমরা ইংরেজি পড়া বন্ধ কর, সেদিন বুঝেছি আমাদের দেশে দেয়াল গাঁথা শুরু হয়েছে, অর্থাৎ নিজের ঘরকে নিজের কারাগার করে ভোলাকেই আমরা মুক্তি বলে মনে করছি।” রবীন্দ্রচিন্তার বৈশিষ্ট্য তার সমন্বয়ধর্মিতা।

    দারিদ্রব্যাধি যেমন ভেষজে আরাম করা যায় না, আমাদের অর্থনীতির সব সমস্যা তেমনি শুধু শিক্ষানীতি দিয়ে দূর করা সম্ভব নয়। শান্তিনিকেতনের শিক্ষাগুরুদের হাতে এত শক্তিসামর্থ্য ছিল না যে তাঁরা বোলপুর থেকে দারিদ্র্য দূর করতে পারেন। তাই বলে পল্লীসংগঠনের জন্য রবীন্দ্রনাথ যে চিন্তা করেছিলেন সেটা অসার্থক নয়। পরিস্থিতির অবশ্য পরিবর্তন হয়েছে, উপায় নিয়েও নতুন চিন্তা আবশ্যক। আজ যখন পঞ্চায়েতী শাসনের দিন এসেছে তখন রবীন্দ্রনাথের চিন্তাকে নিয়ে যেতে হবে পঞ্চায়েতের নেতাদের কাছে। আবার বেসরকারী সেবাপ্রতিষ্ঠানেরও ভূমিকা স্বীকার্য। বাধা আসবে। রাজনীতিও বাধা হতে পারে। তবু রবীন্দ্রনাথের স্বদেশী সমাজের ধারণা আজও মূল্যবান।

    রাজনীতিই একমাত্র বাধা নয়। সাংস্কৃতিক বাধাটা তুচ্ছ করবার মতো নয়। একদিকে আমাদের পল্লীসমাজে এখনো চলছে জাতিতে জাতিতে, সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে দ্বন্দ্ব। অন্যদিকে শান্তিনিকেতনের প্রাঙ্গণেও এসে পৌঁছেছে নতুন বিদেশী সংস্কৃতির ঢেউ, উত্তেজক দ্রুত তালে বাঁধা সংস্কৃতি। বিদেশী বলেই কিছু অশ্রদ্ধেয় নয়। কিন্তু এই নতুন সংস্কৃতির মধ্যে শুধু যে একটা মাদকতা আছে তাই নয়, এর যোগ এমন এক জীবনযাত্রার সঙ্গে, এই দরিদ্র দেশের অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রা যেটা হতে পারে না। এর আকর্ষণে একদিকে হতাশা বাড়ে ব্যক্তির মনে বলক্ষয়ী ভোগবাদিতার প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, অন্যদিকে বিভেদ বিস্তৃত হয় সমাজের অভ্যন্তরে। রবীন্দ্রনাথ জানতেন মিলনের ভিতরই মঙ্গল। সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আজ এক নতুন দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। দ্বন্দ্বের স্বরূপ জেনে আমাদের নতুন করে মিলনের পথ খুঁজতে হবে। কিছুই একেবারে ফেলা যাবে না। একটা পূর্ণতার ভিতর কী করে তাকে স্থাপন করা যায় সেটাই প্রশ্ন।

    রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর প্রায় অর্ধশতাব্দী গত হয়েছে। তবু শান্তিনিকেতনের আজও একটা বাণী আছে। তাকে উপেক্ষা করলে দেশেরই তাতে ক্ষতি। এদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি আজও যেসব বিরোধে চিহ্নিত, যেমন বৃত্তিভিত্তিক শিক্ষার সঙ্গে পূর্ণমনুষ্যত্বের জন্য শিক্ষার বিরোধ, পল্লী ও নাগরিকতার দ্বন্দ্ব, দুই অসমন্বিত সংস্কৃতির বৈপরীত্য, এইসব সম্বন্ধে শান্তিনিকেতন আমাদের আরো সাত্মকভাবে সচেতন ও সমীহিত করে তোলে এবং সমাধানের উপায় বিষয়ে অন্তত কিছু মূল্যবান চিন্তা ও প্রয়াসের সন্ধান দেয়। অভ্যস্ত। পদ্ধতিগুলি আজ অসমর্থ। রবীন্দ্রনাথের প্রোজ্জ্বল জীবনদর্শনে বিধৃত শিক্ষাচিন্তা। প্রাসঙ্গিকতা হারায় নি।

    তবু রবীন্দ্রপুজো যথেষ্ট নয়। মূল থেকে চিন্তা শুরু করতে হবে। বৃত্তিশিক্ষার সঙ্গে বৃহত্তর শিক্ষাকে কী করে মেলানো যায় এটাই প্রাথমিক প্রশ্ন। এইখানেই মূল দ্বন্দ্ব। এর কোনো একমাত্র কিংবা সর্বকালীন উত্তর নেই। স্থানে কালে দ্বন্দ্ব ও সমাধানের স্বরূপ বদলে চলে। এদেশের এবং এই সময়ের জন্য সমাধান আমরা এখনও খুঁজে পাইনি।

    দ্বন্দ্ব ও উত্তরণ (১৯৮৯)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }