Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.০৭ রবীন্দ্রনাথ ও যুক্তিবাদ

    যুক্তিবাদের একটা মূল কথা এই রকম। বিশ্বের ঘটনা সকল যদি আকস্মিকতার ওপর নির্ভর করত, এসবের ভিতর যদি কোনো নিয়মের রাজত্ব না থাকত, তবে কিসের থেকে কী হচ্ছে সে বিষয়ে বিচারবিবেচনার কোনো ভিত্তিই থাকতো না। সে ক্ষেত্রে যুক্তিবাদ হত নিষ্প্রয়োজন। কিন্তু বিশ্ব নিয়মের দ্বারা চালিত। আর মানুষের ভিতর আছে সেই বুদ্ধি বা মননের শক্তি যা দিয়ে নিয়মকে বোঝা যায়, বিশ্বের নিয়ম ক্রমে ক্রমে আবিষ্কার করা সম্ভব হয়। বহির্বিশ্বের নিয়ম আর মানুষের অন্তর্নিহিত যুক্তি এ দুয়ের ভিতর আছে। এক আশ্চর্য সামঞ্জস্য।

    বিশ্বপ্রকৃতির নিয়ম জানবার জন্য বুদ্ধির অনুশীলিত প্রয়োগকেই বলি বিজ্ঞান। এযুগে বিজ্ঞান বলতে এই বোঝায়। যুক্তির দ্বারা আহৃত জ্ঞানকে নানা উদ্দেশ্যে আমরা প্রয়োগ করি, সঠিক প্রয়োগের ভিতর দিয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। অন্যান্য প্রাণীদের ভিতর দেখি অন্ধ প্রবৃত্তির প্রাধান্য। উদ্দেশ্যের উপযোগী উপায় ও পরিকল্পনা সচেতনভাবে উদ্ভাবন করে মানুষ। পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজন হয় কার্যকারণজ্ঞান। প্রকৃতির নিয়মে আছে সেই জ্ঞানের বাস্তব ভিত্তি, আর যুক্তিতে আছে নিয়ম-অনুসন্ধানের শক্তি। আত্মশক্তিতে বিশ্বাস হারালে মানুষ হয়ে পড়ে অন্তরে অন্তরে অসহায়। তাই থেকে তার বিপত্তি বেড়েই চলে। যুক্তিনির্ভরতা থেকে আসে বিজ্ঞান ও আত্মশক্তিতে বিশ্বাস। এই সবই হল যুক্তিবাদীর মূল প্রত্যয়।

    রবীন্দ্রনাথকে যদিও বিশ্বের লোক ভাবুক কবি বলেই জানে তবু যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে তাঁর চিন্তাভাবনার আশ্চর্য মিল চোখে পড়ে। একটি উদ্ধৃতি দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা যাক। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন “বুদ্ধির নিয়মের সঙ্গে এই বিশ্বের নিয়মের সামঞ্জস্য আছে, এই জন্যে এই নিয়মের ‘পরে অধিকার আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে নিহিত এই কথা জেনে তবেই আমরা আত্মশক্তির উপর নিঃশেষে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পেরেছি। বিশ্বব্যাপারে যে। মানুষ আকস্মিকতাকে মানে সে নিজেকে মানতে সাহস করে না, সে যখন-তখন। যাকে-তাকে মেনে বসে; শরণাগত হবার জন্য সে একেবারে ব্যাকুল।” আবার বলেছেন, “বুদ্ধিকে মোহমুক্ত ও সতর্ক করবার জন্য প্রধান প্রয়োজন বিজ্ঞানচর্চা।”

    যুক্তিবাদী বলে মানবেন্দ্রনাথ রায়ের খ্যাতি আছে। কয়েকটি মূল সূত্রের ভিতর তাঁর পরিণত বয়সের ধ্যানধারণাকে সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হয়েছে। এই রকম একটি সূত্রে বলা CUYO”Rising out of the background of the law-governed physical nature, the human being is essentially rational.’’ রবীন্দ্রনাথ যখন বলেন যে, “বুদ্ধির নিয়মের সঙ্গে এই বিশ্বের নিয়মের সামঞ্জস্য আছে”, এবং “এই নিয়মের ‘পরে অধিকার প্রত্যেকের। মধ্যে নিহিত”, তখন এইসব কথার সঙ্গে যুক্তিবাদের মিল স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    বুদ্ধি ও বিজ্ঞানের উপর রবীন্দ্রনাথ যে এতটা জোর দিয়েছিলেন তার কিছু বিশেষ কারণ ছিল। তাঁর চারিদিকে তিনি দেখেছিলেন এক কুসংস্কারগ্রস্ত জগৎ কুসংস্কার থেকে জন্ম। নিয়েছে ভয় ও নির্দয়তা। আরাধ্য হয়ে উঠেছে নানা সাম্প্রদায়িক ও ভৌগোলিক “অপদেবতা”। পরাস্ত হয়েছে মানুষের মহত্ত্ব। রবীন্দ্রনাথ কুসংস্কারের বন্ধন থেকে মনুষ্যত্বকে মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন, আর এই কাজে বিজ্ঞান-বুদ্ধিকে সহায় বলে জেনেছিলেন। এই কারণেই তিনি বুদ্ধিকে “মোহমুক্ত” ও “সতর্ক” রাখতে বলেছিলেন। রবীন্দ্রভাবনার এই দিকটি উপেক্ষণীয় নয়।

    তা ছাড়া ছিল দারিদ্র্যমোচনের প্রশ্ন। বিশেষত গ্রামবাসীর দারিদ্র্যদূরীকরণের কাজ যৌবন থেকেই রবীন্দ্রনাথকে ভাবিত করেছে। এবিষয়ে তিনি কেবল দূরদর্শী দার্শনিক চিন্তায় আবদ্ধ থাকেননি। কৃষিকর্মের প্রায়োগিক দিক পর্যন্ত তাঁর কর্মধারা প্রসারিত হয়েছে। এইখানে আবারও বিজ্ঞান হয়েছে তাঁর সহায়। বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরতা ছাড়া দারিদ্র্যমোচনের উপায় নেই। তাঁর এই বিশ্বাস এতোটাই গভীর ছিল যে, নিজের পুত্রকে তিনি বিদেশে পাঠান কৃষিবিজ্ঞান অধ্যয়নের জন্য। বিজ্ঞানের শক্তির অপব্যবহার হয় একথা অবশ্য তিনি জানতেন। বিজ্ঞানকে প্রয়োগ করতে হবে শুভকর্মে, দরিদ্র মানুষের মঙ্গলসাধনের জন্য। “বিজ্ঞান মানুষকে মহাশক্তি দিয়েছে। সেই শক্তি যখন সমস্ত সমাজের হয়ে কাজ করবে তখনই সত্যযুগ আসবে।” এইরকম তিনি বলেছিলেন।

    কাজেই যুক্তিবাদ ও বিজ্ঞানমনস্কতা নিঃসন্দেহে রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গীর একটা বড় দিক। এসব বাদ দিয়ে রবীন্দ্রদর্শনকে দাঁড় করাতে গেলে ভুল হয়। অথচ রবীন্দ্রনাথের জীবনদর্শন এখানেই আবদ্ধ নয়। তাঁর কাছ থেকে আমরা আরো কিছু পাই যা যুক্তিবিরোধী অবশ্য নয়, তবু যুক্তিবাদের পরিচিত সীমানার মধ্যে পড়ে না।

    .

    (খ)

    যুক্তি ও বিজ্ঞান সম্বন্ধে এতক্ষণ যা বলা হল তাতে জোর পড়েছে প্রয়োগের ওপর। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির একটা সংগ্রাম চলছে। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে সেই শক্তি যা। দিয়ে পরিপার্শ্বের ওপর সে নিজের কর্তৃত্ব স্থাপন করছে। আধুনিক যুগের প্রথম থেকেই এই কথাটার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে : বিজ্ঞান হল শক্তি। যুক্তি ও বিজ্ঞান মানুষের হাতে এনে দেয় সেই শক্তি যার সাহায্যে প্রকৃতি ও সমাজকে সে ক্রমশ বদলে নিতে পারে তার সচেতন ইচ্ছা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী।

    সেই সব দেশকেই এযুগে আমরা উন্নত বলে মানি যারা প্রযুক্তিতে প্রাগ্রসর। প্রযুক্তির অগ্রগতির জন্য আধুনিক রাষ্ট্র যে এতোটা উঠে-পড়ে লেগেছে, তার কারণ এই নয় যে, এযুগের নেতারা বিশুদ্ধ জ্ঞানের প্রতি সবিশেষ আকৃষ্ট। বরং কারণটা এই যে, যুদ্ধাস্ত্র আর ভোগ্যবস্তু দুয়েরই উৎপাদনে প্রযুক্তির ভূমিকা খুবই শক্তিশালী। শুধু রাষ্ট্রনীতিতে নয়, জনমানসেও বিজ্ঞানের প্রয়োগের দিকটাই আজ বিশেষ মূল্যবান ও আকর্ষক।

    যে-প্রায়োগিক দৃষ্টিভঙ্গি এযুগে প্রাধান্য লাভ করেছে, ‘বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে তাকে আমরা অনেকেই অভিন্ন বলে দেখতে অভ্যস্ত হয়েছি। যুক্তিবাদও যুগধর্মের এই প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। দুনিয়াটাকে বদলানোই হল মানুষের প্রধান কাজ, এটা শুধু মার্কসীয়। দর্শনের কথা নয়। একালের যুক্তিবাদী দর্শনের সাধারণ ঝোঁক এইদিকে। শ্রেণীসংগ্রামের তত্ত্ব নিয়ে তর্কাতর্কি যাই থাকুক না কেন, যুক্তি ও বিজ্ঞান এযুগে কাঙিক্ষত পরিবর্তনের উপায় হিসেবেই সমাদৃত।

    এই দৃষ্টিভঙ্গি মূল্যবান, তবু অসম্পূর্ণ।

    প্রকৃতির ওপরই তোক আর অপর মানুষের ওপরই হোক, কর্তৃত্বটাই যেখানে প্রধান। কথা অথবা প্রয়োজনসিদ্ধিই উদ্দেশ্য, সেখানে ভেদবুদ্ধি প্রখর। আমাদের ভাষায় আত্মপর ভেদ বলে একটা কথা আছে, অর্থাৎ আপন থেকে অপরকে আমরা ভিন্ন করে দেখি। কিন্তু এই ভেদবোধ নিয়ে মানুষ তৃপ্ত নয়। মানুষের মনের গভীরে মিলনের একটা আকাঙ্ক্ষা আছে। সেই আকাঙ্ক্ষা কখনো পূর্ণ হয়, কখনো হয় না। অপূর্ণতার দুঃখকে অনিবার্য জেনেও মিলনের আকাঙ্ক্ষা নিবৃত্ত হয় না, জীবনতৃষ্ণার মতোই সে শাশ্বত।

    মিলিত হতে পারলে আমরা খুশী হই। এই মিলনের আনন্দের সঙ্গে জৈব সুখের একটা প্রভেদ আছে। জৈব সুখের পিছনে কোনো বাস্তব প্রয়োজন থাকে, সেই প্রয়োজন মিটলে আমরা সুখ অনুভব করি। মিলনের আনন্দ প্রয়োজনের অতিরিক্ত। আত্মার প্রসার বলেই তাতে আমরা প্রসন্ন হয়ে উঠি। সাধারণ অভিজ্ঞতায় এই দুই বস্তু মিলেমিশে যায়, এদের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে না। যেমন শিশুর কাছে মা জীবনধারণের সহায়, আবার মায়ের সঙ্গে তার একটা আত্মিক যোগের মাধুর্যও আছে।

    মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্কের ভিতর এই রকমের একটা দ্বৈত লক্ষ করা যায়। প্রকৃতির কাছ থেকে আমরা নানা প্রয়োজন মেটাবার উপাদান লাভ করি। তাই প্রকৃতির শক্তিকে আমরা ভৃত্য হিসেবে পেতে চাই। আবার প্রকৃতির অসীমতার ভিতর মানুষের চেতনা নিজেকে প্রসারিত করার একটা ক্ষেত্র খুঁজে পায়, সেখানে ব্যক্তিমানুষের চেতনা বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েই আনন্দিত। সেই আনন্দকে যখন ‘আধ্যাত্মিক’ বলা হয় তখন তার মানে এই নয় যে, প্রকৃতির নিয়মকে সে খণ্ডন করছে। তার মানে এই যে, নিতান্ত জৈব প্রয়োজননির্ভর সুখের সঙ্গে সেই আনন্দের একটা গুণগত পার্থক্য আছে।

    কথাটা আশ্চর্য সুন্দর ভাষায় রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রার্থনাভাষণে বহুবার বহুভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। একবার শুনে নেওয়া যাক। “রোজ সকালবেলায় বহুযোজন দূর থেকে আলো এসে বলছে, দেখো”। সেই যে একই মন্ত্র রোজই আমাদের কানে উচ্চারণ করে যাচ্ছে তার মধ্যে একটি অত্যান্ত আশ্বাস প্রচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে…

    “আলোক যে দেখাটা দেখায় সে তো ছোটোখাটো কিছুই নয়।…দিগন্তবিস্তৃত আকাশমণ্ডলের নীলোজ্জ্বল থালাটির মধ্যে যে সামগ্রী সাজিয়ে সে আমাদের সম্মুখে ধরে সে কী অদ্ভুত জিনিস! তার মধ্যে বিস্ময়ের যে অস্ত পাওয়া যায় না। আমাদের প্রতিদিনের যেটুকু দরকার তার চেয়ে সে যে কতই বেশি!…

    “এই পৃথিবীতে যে আমরা প্রতিদিন চোখ মেলে চেয়েছিলুম এবং আলোক এই চোখকে প্রতিদিনই অভিষিক্ত করেছিল, তার কি পুরো হিসাব ওই টাকা এবং খ্যাতি এবং ভোগের মধ্যে পাওয়া যায়?…

    “তাই আমি বলছি, এই আলোক অন্ধ কুঁড়িটির কাছে প্রত্যহই যেমন একটি অভাবনীয় বিকাশের কথা বলে যাচ্ছে, আমাদের দেখাকেও সে তেমনি করেই আশা দিয়ে যাচ্ছে যে, ‘একটি চরম দেখা, একটি পরম দেখা আছে, সেটি তোমার মধ্যেই আছে।

    “তুমি কি ভাবছ, চোখ বুজে ধ্যানযোগে দেখবার কথা আমি বলছি? আমি এই চর্মচক্ষে দেখার কথাই বলছি।…আমি বলছি, এই চোখ দিয়েই, এই চর্মচক্ষু দিয়েই এমন দেখা দেখবার আছে যা চরম দেখা…

    “আলোক তাই প্রত্যহই আমাদের চক্ষুকে নিদ্রালস থেকে ধৌত করে দিয়ে বলছে, ‘তুমি স্পষ্ট করে দেখো, তুমি নির্মল হয়ে দেখো, পদ্ম যেরকম সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে সূর্যকে দেখে তেমনি করে দেখো’।”

    প্রকৃতিকে অতিক্রম না করেও কবি এইখানে প্রকৃতির অন্তরে অন্য এক জ্যোতি খুঁজে পেয়েছেন। দুটি কথার ওপর তিনি একই সঙ্গে জোর দিচ্ছেন যে-আনন্দের অথবা মুক্তির কথা বলা হচ্ছে তাকে পাবার জন্য ইন্দ্রিয়ের দ্বার রুদ্ধ করে বসতে হয় না, কিন্তু। তাকে ভোগের মধ্যে কিংবা প্রতিদিনের প্রয়োজনের মধ্যেও ধরা যায় না। আমাদের সত্তায় নিহিত এক শক্তি পঞ্চেন্দ্রিয়ের পথ ধরে বিশ্বচরাচরে পরিব্যাপ্ত অসীম শক্তিকে যখন চেতনার মধ্যে গ্রহণ করে তখন সেই মিলন হয় অন্য সকল ফল নিরপেক্ষভাবে আনন্দময়, তাতে আছে এক পরম মুক্তির বিস্ময়।

    এইখানে রবীন্দ্রনাথের মঙ্গলবোধের ভিত্তি। আমরা যখন বিশ্বের দিকে শুদ্ধ ভালোবাসার দৃষ্টি নিয়ে তাকাই তখন সেই দেখাতেই মঙ্গল, তাকেই কবি বলেছেন নির্মল হয়ে দেখো, তাতেই আনন্দ। এই দেখাতে বিশ্বের কোনো নিয়মকে অস্বীকার করা হচ্ছে না। অথচ এটা বিশ্বকে শুধু নিয়মস্বরূপ দেখাও নয়। মানুষের ভিতর যেমন আছে যুক্তি, যাতে বিশ্বের নিয়মকে চিনে নেওয়া যায়, তেমনি আবার আছে সেই প্রথম চোখ মেলে চাইবার প্রত্যাশাহীন বিস্ময়বোধ, সেই অহৈতুকী প্রীতির শক্তি, যাতে ধরা পড়ে বিশ্বের আনন্দরূপ।

    যুক্তি প্রতিদিনের জীবনে বার বার পরাস্ত হয়, তবু সে সত্য। মানুষের বিশ্বপ্রীতি ভয়ে ও বিদ্বেষে বারবার খণ্ডিত হয়, তবু সে মনুষ্যত্বের এমনই এক অঙ্গ যাকে অস্বীকার করে মানুষের মুক্তি নেই। কবি বলছেন “আমার মধ্যে যদি প্রেম না জাগে, আনন্দ না থাকে, তবে বিশ্ব আমার পক্ষে কারাগার। সেই কারাগার থেকে পালাবার চেষ্টা মিথ্যা, প্রেমকে জাগিয়ে তোলাই মুক্তি।…বিজ্ঞানের সাধনা যেমন আমাদের প্রাকৃতিক জ্ঞানের বন্ধন মোচন করছে তেমনি মঙ্গলের সাধনাই আমাদের প্রেমের, আমাদের আনন্দের বন্ধন মোন করে দেয়।”

    রবীন্দ্রনাথের অধ্যাত্মবাদ কখনো বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে চলেনি। আবার তাঁর বিজ্ঞাননিষ্ঠাও অধ্যাত্মভাবনার পথ রুদ্ধ করে দাঁড়ায়নি। যুক্তির যেমন একটা বিশ্বজাগতিক ভিত্তি আছে, শুদ্ধ প্রেমের ক্ষেত্রেও সেই কথাই সত্য। কোনো সীমাবদ্ধ উদ্দেশ্য দিয়ে ছোটো করে দেখলে তাকে সম্পূর্ণ বোঝা যায় না। বিজ্ঞান বিশ্বকে জানতে চায়। তার মানে এই নয় যে, বিজ্ঞানী বিশ্বকে জেনেছে সম্পূর্ণভাবে বা কখনো জানবে। কিন্তু জ্ঞানের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে কোনো সীমাকেই চরম বলে মানতে সে রাজী নয়। আত্মার প্রসারের ক্ষেত্রেও একই কথা। বিশ্বকে আমরা কখনো স্থায়ী আত্মীয়ভাবে পাই কি না পাই, কোনো সীমাকেই শেষ বলে মেনে নিয়ে মানুষের আত্মার মুক্তি নেই।

    গান্ধী ‘soul force’ কথাটা ব্যবহার করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন আত্মশক্তি। রবীন্দ্রনাথের কথাই আমরা এখন বলছি। যুক্তি ও প্রেম উভয়কেই তিনি আত্মশক্তির অন্তর্গত করে নিয়েছিলেন। মানুষের অন্তরে এর নিবাস। মহাবিশ্বের সঙ্গে কোথাও এর মিল আছে। তা নইলে আত্মশক্তির উপর নির্ভর করে দাঁড়াবার সব চেষ্টাই অর্থহীন হত। রবীন্দ্রনাথের এই বিশ্বাস।

    .

    (গ)

    যদি বলা হয়, এই আত্মশক্তি অতি অল্প কিছু মানুষের মধ্যেই আছে, তবে তাকে প্রকারান্তরে অস্বীকার করাই হয়, অর্থাৎ মনুষ্যত্বের অচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে তাকে স্বীকার করা হয় না। রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করতেন, সব মানুষের ভিতরেই তাকে পাওয়া যায় সম্ভাবনারূপে, মানুষের ধর্ম সেটা। মহাপুরুষদের ভিতর তার উজ্জ্বল প্রকাশ কিন্তু বিশ্বজন যে তাঁদের মহাপুরুষ বলে চিনে নিতে পেরেছে তাতে কি এটাই প্রমাণ হয় না যে সেই মহত্ত্বের একটা সায় সাধারণ মানুষও নিজেদের অন্তরে খুঁজে পেয়েছে?

    মানুষের এই সুপ্ত সম্ভাবনার প্রমাণের জন্য মহামানবদের দ্বারস্থ না হলেও চলে। প্রমাণ ছড়িয়ে আছে আমাদেরই চোখের সামনে পৃথিবীর শিশুদের ভিতর। মহাপুরুষদের বাণীর ব্যাখ্যা অনেকেই করেছেন। শিশুদের কথা রবীন্দ্রনাথের মতো করে ক’জন বলতে পেরেছেন।

    নিঃসন্দেহে ভালোমন্দ সব সম্ভাবনাই শিশুর ভিতর আছে। শিশুরা সরলভাবে হিংসুটে হয়, নির্মম হয়। কিন্তু মানুষের হিংসা অথবা নির্মমতার এমনিতেই তো প্রমাণের অভাব। নেই, সেজন্য শিশুদের সাক্ষ্য জরুরী নয়। তাদের কাছ থেকে অন্য কিছু বিশেষভাবে শিক্ষণীয়। মানুষের কিছু মূল্যবান সম্ভাবনা, বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যে সব ঢাকা পড়ে যায়, শিশুদের ভিতর সেইসব আমরা অনায়াসে দেখি। তাই তো শিশুরা আমাদের জ্ঞানী করে তোলে।

    বয়স বাড়বার সঙ্গে সঙ্গে আমরা যতই সংসারে লিপ্ত হয়ে পড়ি, সংসারে নানা স্বার্থে ও প্রয়োজনে যতই জড়িয়ে যাই, ততই জগতটাকে আমরা সেই সব প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করে দেখতে অভ্যস্ত হই। এক রকমের উদ্দেশ্যনির্ভর ব্যবহারিক জানা আমাদের কাছে একমাত্র জানা হয়ে ওঠে। শিশুরা এই সাংসারিক প্রয়োজনের জালে তেমন আবদ্ধ হয়নি বলেই পৃথিবীটাকে অন্য এক দৃষ্টিতে সহজে দেখতে পারে, অন্য এক সরল বিস্ময় ও আনন্দে মুহূর্তে মুহূর্তে উদ্বেল হয়ে ওঠে, প্রকৃতির নানা স্পর্শে গন্ধে ধ্বনিতে অন্য একভাবে অনায়াসে সাড়া দেয়। অতি তুচ্ছ কারণে শিশু যখন খুশী হয়ে ওঠে, দুহাত তুলে নাচে, তখন বয়স্কদের চোখে সেটা অর্থহীন মজার ব্যাপার মনে হয়, কারণ সংসারের কোনো পরিচিত প্রয়োজনের সঙ্গে মেলানো যায় না। তবু এই অহেতুক আনন্দে আছে মানুষের জন্মগত অধিকার, যে-অধিকার ক্রমশ হারাতে হারাতে সে বয়স্ক হয়ে ওঠে। শিল্পী ও সন্তদের বৈশিষ্ট্য এইখানে যে, শিশুর দৃষ্টি তাঁরা বয়স্ক জীবনেও রক্ষা করতে পারেন। সংসারের দাহক অভিজ্ঞতা অতিক্রম করে সেই দৃষ্টিতে যোগ হয় সারল্যের সঙ্গে অন্য এক সহ্যশক্তি ও গভীরতা।

    সংশয়বিদ্ধ একটি প্রশ্ন বহুদিন ধরে আমাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। মানুষকে আমরা ভালোবাসব কেন? যে-মানুষকে সংসারে আমরা অহরহ দেখি সে কি ভালোবাসার যোগ্য? বিশেষ বিশেষ মানষকে ভালোবাসা যায়, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে মনুষ্যপ্রজাতিকে নিয়ে। মানুষের মতো নীচ, অকৃতজ্ঞ, স্বার্থপর, নির্দয় জীব কি আর দ্বিতীয় আছে? পোষা কুকুরের প্রতি প্রেম রক্ষা করা বরং অপেক্ষাকৃত সহজ। মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রীতি রক্ষা করবার কি কোনো যুক্তি আছে?

    যুক্তিবাদীরা মানুষে মানুষে, সহযোগিতার কথা বলে। স্বার্থসিদ্ধির জন্যই একরকমের সহযোগিতা নিশ্চয়ই আবশ্যক হয়ে পড়ে। সেই সহযোগিতার জন্য প্রেমের প্রয়োজন হয় নামানবপ্রেমের তো নয়ই। স্বার্থের স্বীকৃতির ভিত্তিতে ব্যবসায়িক সংগঠন গড়ে ওঠে। ব্যবসায়ীরা খদ্দেরের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলে। তারা মানবপ্রেমিক একথা বলা যাবে না। আবারও মূল প্রশ্নটায় ফিরে আসতে হয়। মানুষের রক্তাক্ত ইতিহাসের এই মধ্যবিন্দুতে দাঁড়িয়ে অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতার ভূপীকৃত উদাহরণকে উপেক্ষা করে। কীভাবে এই বিশ্বাস রক্ষা করা যায়, সবার উপরে মানুষ সত্য?

    যুক্তিবাদী এবার প্রমাণ খুঁজবে মানুষের কিছু অক্ষয় কীর্তির মাঝে। যতই নীচ ও নির্দয় হোক মানুষ, এই জীবটি তবু কয়েক হাজার বছরে এমন কিছু রচনা করে গেছে যাতে তার। শ্রেষ্ঠত্বের দাবি উপেক্ষা করা কঠিন। কিছু অস্ফুট ধ্বনি থেকে যাত্রা শুরু করে সে ক্রমে সৃষ্টি করেছে শুধু ভাষা নয়, কাব্য ও সাহিত্য, ধ্বনির সঙ্গে ধ্বনি মিলিয়ে অমর সঙ্গীত। তার অন্য সব কৃতি যদি আমরা ভুলে যাই তবু ঐ সঙ্গীতই মানুষকে এক অতুলনীয় জীব বলে চিহ্নিত করে দেয়। গণিতে বিজ্ঞানে দর্শনে শিল্পের আরো অজস্র প্রকাশে মানুষের আশ্চর্য পরিচয় ছড়িয়ে আছে। বিশ্বমানবের এই সব কীর্তি অস্বীকার করা যুক্তিহীন। মানুষের এই সৃজনশীলতা থেকেই তার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে কিছু আশা হয়তো রক্ষা করা সম্ভব।

    এই পর্যন্ত অগ্রসর হওয়া যায় যুক্তির হাত ধরে। তারপর আরো কিছু কথা থাকে যেখানে যুক্তি ও অধ্যাত্মভাবনার সীমারেখা মুছে যায়।

    মানুষকে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁরা তো শুধু মানুষের কীর্তির জন্যই তাকে ভালোবাসেন। দোষেগুণে মিশ্রিত পরিচয় ব্যক্তিমানুষের, মানবজাতির। অথচ আমরা যখন কাউকে ভালোবাসি তখন তো তার কিছুটা বাসি না এমন হয় না। ঐ রকমের বাছবিচার সমালোচকের শোভা পায়, স্নেহ কিংবা প্রেমের ধর্ম নয় নয় সেটা। পরীক্ষক ছেলেকে বেশি নম্বর দিয়েছে বলে মা ছেলেকে বেশি ভালোবাসবে এতে মাতৃস্নেহের পরিচয় নেই। যেমন পীড়িত সন্তানের প্রতিই মায়ের ভালোবাসা বেশী হয় তেমনই দুঃখতপ্ত মানুষের আর্তিনাশের জন্য মানবপ্রেমিক উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। গুণের পরিমাপ নয় বরং অভেদানুভূতিই প্রেমের প্রধান কথা।

    বিশ্বকে আমরা প্রেমের দৃষ্টিতে দেখব কেন, এ প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে এর পর। আমাদের প্রবেশ করতে হয় নিজেরই অন্তরে। সেখানে খুঁজে পাই সেই শিশুটিকে যে এই বিশ্বকে একদিন দু’হাত মেলে ভালোবাসতে চেয়েছিল। সংসারের তাপে দগ্ধ, ছলনায় বিভ্রান্ত হয়ে দিনে দিনে সে বদলে গেছে। তবু নিজেরই অন্তর থেকে আমরা জানি, মানুষের মনের গভীরে আজও আছে অন্য এক আকাঙ্ক্ষা, যাকে সে আজ হয়তো শুধু বিদ্রুপের ভাষাতেই স্বীকার করতে সাহস পায়। সেই আকাঙ্ক্ষাকে নিজের অন্তরে অনুভব। করি বলেই জানি সেটা মানুষেরই অন্তরের কথা। ভিতর থেকে এই কথাটা যতক্ষণ না স্পষ্ট হয়ে ওঠে ততক্ষণ সেটা যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। কিন্তু একবার যখন অনুভূতির ভিতর সে প্রত্যক্ষ হয় তখন আর তাকে যুক্তি দিয়ে খণ্ডন করা যায় না। বিশ্বকে আমরা ভালোবাসব বিশ্বের মুক্তির জন্য নয়, নিজেরই মুক্তির জন্য। আমাদের বিদ্বেষে বিশ্ব কতটা পোড়ে কে জানে, কিন্তু আমরা পুড়ি, ভিতরে ভিতরে খাক হয়ে যাই।

    বাইরের প্রমাণে সব সংশয় কাটে না। সভ্যতাভিমানের পরিকীর্ণ ভগ্নস্তূপকে’ পৃষ্ঠভূমিতে রেখে বিশ্বকবি যখন বলেন, মনুষ্যত্বের অন্তহীন প্রতিকারহীন পরাভবকে চরম বলে বিশ্বাস করাকে আমি অপরাধ মনে করি, তখন বাইরের কোনো ঘটনার সাক্ষ্যের ওপর সে বিশ্বাস দাঁড়িয়ে নেই। তার প্রতিষ্ঠা কবির অন্তরে। যুক্তি সেই বিশ্বাসের সামনে। যদি বা সংশয়গ্রস্ত তবু শ্রদ্ধাবনত।

    রবীন্দ্রনাথ পেরেছিলেন তাঁর অধ্যাত্ম অনুভূতিকে সেই ভাষায় প্রকাশ করতে, সেই আত্মপ্রত্যয়ে উজ্জ্বল করে তুলতে, অবিশ্বাসীর যুক্তিও যাকে পরিহাস করতে কুণ্ঠিত হয়। মানুষের চেতনা আজ বিবর্তনের যে-স্তরে এসে পৌঁছেছে তাতে যুক্তি ও বিজ্ঞানকে ত্যাগ করা যাবে না, অধ্যাত্মবোধকেও নয়। এ দুয়ের ভিতর যথার্থ সমন্বয় সাধনের শক্তি আমাদের সকলের নেই, রবীন্দ্রনাথের ছিল স্মরণীয়ভাবে। শুধু তাঁর জন্মদিনে নয়, তিনি স্মরণীয় সভ্যতার সংকটের দিনে।

    দ্বন্দ ও উত্তরণ (১৯৮৯)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }