Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.১১ মানবেন্দ্রনাথ রায় জাতীয়তাবাদ থেকে মার্ক্সবাদ

    বিশ শতকে জাতীয়তাবাদ থেকে মার্ক্সবাদের পথে যাত্রীর অভাব হয়নি। তবু মানবেন্দ্রনাথের পরিক্রমা এরই মধ্যে বিশেষ স্মরণীয়, ঘটনার বৈচিত্র্যে ও চিন্তার ঘাতপ্রতিঘাতে। এ যুগের একটি প্রধান ধারার সঙ্গে যুক্ত হয়েও তিনি এক ব্যতিক্রমী। পুরুষ। যে পথে অনেকেই কিছুদূর গিয়ে চলবার শক্তি হারিয়ে থেমে গেছেন, তিনি সেখানে শেষ অবধি এগিয়েই চলেছেন, চরৈবেতি চরৈবেতি। সেই স্মরণীয় যাত্রা আলোকিত হয়েছে তাঁর অজস্র লেখায়!

    মানবেন্দ্রনাথের লেখার পরিমাণ এত বেশি এবং সেই সব লেখা পৃথিবীর দূর দূরান্তে নানা দেশে ও বিভিন্ন ভাষায় এমনভাবে ছড়িয়ে আছে যে তার সম্পাদনার কাজ অতি দুরূহ। সৌভাগ্যের কথা, এই কাজের দায়িত্ব নিয়েছেন অধ্যাপক শিবনারায়ণ রায়ের মতো একজন পণ্ডিত চিন্তাশীল ও সম্পাদনার কাজে অভিজ্ঞ বিবেকী ব্যক্তি। ইন্ডিয়ান রেনেসাঁস ইনস্টিটিউটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ শুরু হয়েছে। মানবেন্দ্রনাথের সমগ্র রচনা নয়, বরং সংকলনগ্রন্থ প্রকাশ করাই উদ্দেশ্য।

    এতেও অন্তত ছ’ সাতটি বেশ বড় আকারের ভল্যুম দরকার। প্রথম ভল্মমের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মানবেন্দ্রনাথের বৈচিত্র্যময় জীবনের পাঁচটি বছর, ১৯১৭ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত। ১৯১৭ সালে তিনি ত্রিশ বছরে পা দিয়েছেন। অর্থাৎ ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ বছরের ভিতর তাঁর কাজকর্ম ও চিন্তাভাবনার পরিচয় পাই সম্পাদিত এই গ্রন্থটিতে। এই সময়টা রায়ের জীবনে বিশেষভাবে স্মরণীয়। তাঁর চিন্তা ও কর্মের প্রবাহ একটা বড় রকমের চাঞ্চল্যকর বাঁক নিয়েছে এই বছরগুলিতে। মানবেন্দ্রনাথের জীবনে এক সন্ধিক্ষণ এটা বড় পরিবর্তন তাঁর জীবনে একাধিকবারই এসেছে, তাঁর চিন্তাধারা একটি প্রশস্ত নদীর। মতো পথ তৈরি করে এগিয়ে গেছে। তবু ঐ প্রথম বাঁকটির একটা বিশেষ ঐতিহাসিক তাৎপর্য আছে, যেমন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে তেমনি আমাদের যুগের ইতিহাসে।

    ১৯১৭ সালে মানবেন্দ্রনাথ যখন মেক্সিকোতে পদার্পণ করেন তখনও তিনি মার্ক্সবাদে দীক্ষিত হননি। বরং তাঁকে বলা যেতে পারে বিপ্লবী স্বদেশপ্রেমিক। জার্মানি থেকে অস্ত্রসংগ্রহ করে ইংরেজশাসন থেকে ভারতকে মুক্ত করাই তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯১৫ সালে তিনি ভারত থেকে বেরিয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়া ও চীনে। জার্মান প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর মনে হয় অস্ত্রসংগ্রহের ব্যবস্থা পাকা করতে হলে তাঁকে জার্মানি পর্যন্ত যেতে হবে। তখন প্রথম মহাযুদ্ধ চলছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখনও যুদ্ধে যোগ দেয়নি। ১৯১৬ সালে মানবেন্দ্রনাথ যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন জার্মানি যাবার সুযোগের সন্ধানে। সেই সুযোগ আসবার আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ঘোষণা করল জার্মানির বিরুদ্ধে। মানবেন্দ্রনাথের পক্ষে তখন সে দেশে বাস করা নিরাপদ রইল না, তিনি পালিয়ে পাশের দেশ মেক্সিকোতে আশ্রয় নিলেন। সেখানে পৌঁছবার পরও অসংগ্রহের পরিকল্পনা তিনি সঙ্গে সঙ্গে পরিত্যাগ করেননি, মেক্সিকোতে কিছু জামান চরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগও হয়েছিল। কিছুদিনের ভিতরেই কিন্তু তিনি বুঝতে পারলেন যে, জার্মানি থেকে অস্ত্রসংগ্রহ করে ভারতে বিপ্লব ঘটাবার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হবার। পথ বন্ধ।

    মেক্সিকোতে তিনি ছিলেন আড়াই বছর, ১৯১৭ সালের জুন থেকে আরম্ভ করে ১৯১৯ সালের শেষ অবধি। প্রথম দিকে তাঁর প্রধান কাজ হল, সমাজতান্ত্রিক অর্থাৎ সোস্যালিস্ট। দল সংগঠন আর সেইসঙ্গে ভারতের সপক্ষে জনমতগঠন করা। এই সময়ে স্প্যানিশ। ভাষায় লিখিত তাঁর একটি বইয়ের নাম, La India, su Pasado, Su Presente Su Porvenir (India: Her Past, Present and Future). প্রকাশকাল ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাস। মানবেন্দ্রনাথের রচনা সংকলনের প্রথম ভন্যুমে এটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তখন পর্যন্ত রায় যদিও সমাজতন্ত্রী তবু মার্ক্সবাদ গ্রহণ করেননি। ১৯১৯ সালের দ্বিতীয়ার্ধে মেক্সিকোতে এসে উপস্থিত হলেন মাইকেল বোরোদিন, ইনি ছিলেন লেনিনপন্থী এবং নবপ্রতিষ্ঠিত কম্যুনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল বা কমিস্টার্নের প্রতিনিধি। অতি দ্রুত রায়ের সঙ্গে বোরোদিনের ঘনিষ্ঠতা হয়ে যায়। আর এই সময় থেকেই শুরু হয় মানবেন্দ্রনাথের ভাবনাচিন্তা ও কর্মকাণ্ডের এক নতুন পযায়। কমিন্টার্নের সূত্র ধরেই কিছুদিনের ভিতর আমন্ত্রণ এলো লেনিনের কাছ থেকে।

    ১৯২০ সালে রায় ইয়োরোপে গিয়ে পৌঁছলেন। কয়েক মাস জার্মানিতে কাটিয়ে প্রবেশ করেন মস্কোতে। সেখানে অংশ গ্রহণ করেন কমিন্টার্নের দ্বিতীয় আন্তজাতিক কংগ্রেসে। জাতীয় ও ঔপনিবেশিক প্রশ্ন নিয়ে বিচার-বিবেচনায় লেনিনের প্রস্তাবের পাশে পাশে মানবেন্দ্রনাথের প্রস্তাবও আলোচিত হয়, দৃটি প্রস্তাবই কিছু সংশোধনসহ কংগ্রেসে গৃহীত হয়। এর পর নতুন আন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানে মানবেন্দ্রনাথ অল্প সময়ের ভিতরই নেতৃত্বের উচ্চ আসনে পৌঁছে যান।

    তাঁর এই সময়কার বেশ কয়েকটি লেখা রচনা সংকলনের প্রথম ভমে স্থান পেয়েছে। ১৯২২ সালে প্রকাশিত India in Transition নামে পুস্তকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এইসব লেখায় যে মানবেন্দ্রনাথকে আমরা পাই তিনি মার্ক্সবাদী। তাঁর ১৯১৮ সালের রচনার সঙ্গে ১৯২০ কিংবা ১৯২২ সালের দৃষ্টিভঙ্গীর প্রভেদ অনেকখানি। একই গ্রন্থে এইসব রচনা পাশাপাশি স্থান পেয়েছে বলেই প্রভেদটা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আলোচ্য সংকলন গ্রন্থটি এইদিক থেকেও আকর্ষণীয়।

    এই বিষয়টি আরো একটু আলোচনা করে নিলে ভালো হয়। ১৯১৮ অবধি যে মানবেন্দ্রনাথ ছিলেন বিপ্লবী স্বদেশপ্রেমিক আর ১৯২০ সালে যিনি সকলের সামনে আবির্ভূত হলেন মার্ক্সবাদী চিন্তানায়ক হিসেবে, এ দুয়ের ভিতর মিল কতটা আর অমিল প্রধানত কোথায়?

    মানবেন্দ্রনাথের পিতৃদত্ত নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ। নরেনের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় স্বদেশী আন্দোলনের ভিতর দিয়ে। তাঁর জীবনে ১৯০৫ একটি অবিস্মরণীয় বছর। অনুশীলন সমিতির সঙ্গে কিশোর নরেনের ইতিমধ্যে যোগ ঘটে গেছে সে যুগের অন্যান্য স্বদেশভক্তদের মতো তাঁরও চেতনা ও আদর্শ গঠিত হয়েছিল বঙ্কিম বিবেকানন্দ ও অরবিন্দের প্রভাবে।

    উনিশ শতকের শেষভাগে এঁদের মুখে সাম্যের আদর্শের কথা বার বার শোনা গেছে। আচণ্ডাল সমস্ত ভারতবাসীকে সমদৃষ্টিতে দেখতে শিখিয়েছিলেন বিবেকানন্দ তাঁর আবেগময়ী ভাষায়। তারও আগে স্বচ্ছ সুন্দর রচনায় সাম্যের কথা লিখেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। “এই সংসারে একটি শব্দ সর্বদা শুনিতে পাই–”অমুক বড় লোক–অমুক ছোট লোক’। “ এই দিয়ে যে প্রবন্ধটি শুরু তার শেষে বলা হয়েছে, “সকলের উন্নতির পথ মুক্ত চাহি।” আর এই “সাম্য” প্রবন্ধের মাঝখানে বঙ্কিমচন্দ্র কৃষকের অবস্থা নিয়ে লিখেছেন, “যাঁহারা সংবাদপত্র লিখিয়া, বক্তৃতা করিয়া বঙ্গসমাজের উদ্ধার চেষ্টা করিয়া বেড়ান, তাঁহারা সকলে কৃষকের অবস্থা সবিশেষ অবগত নহেন। সাম্যতত্ত্ব বুঝাইতে গিয়া সে বৈষম্য না দেখাইলে কথা অসম্পূর্ণ থাকিয়া যায়।”

    কাজেই মার্ক্সবাদে দীক্ষিত হবার আগেই মানবেন্দ্রনাথ এক প্রকারের সাম্যতত্ত্বের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে তাঁর অবস্থান ছিল নরমপন্থীদের বিপরীত প্রান্তে। জাতীয় আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে দরিদ্র জনসাধারণের মোগ কম এই ধারণার। জন্যও তাঁকে মার্ক্সবাদের দ্বারস্থ হতে হয়নি।

    উনিশ শতকের শেষদিকে অরবিন্দ তীক্ষ্ণ ভাষায় ঐসব কথা বলে গেছেন। ১৮৯৩-৯৪ সালে ‘ইন্দুপ্রকাশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত অরবিন্দের কিছু প্রবন্ধ এই প্রসঙ্গে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অরবিন্দ তখন লিখেছেন, “The Congress represents not the mass of the population but a single limited class…I should not hasitate to call it our rew middle class. আরো বিস্ময়কর, প্রোলেতারিয়েতের ঐতিহাসিক বিপ্লবী ভূমিকার কথাও অরবিন্দ সেই সময়েই উল্লেখ করেছেন। এইসব চিন্তার তরঙ্গ তরুণ নরেন্দ্রনাথের চেতনায় ধাক্কা দেয়নি এমন বিশ্বাস করা যায় না।

    এক রকমের শোষণতত্ত্বও নরেন্দ্রনাথের অজানা ছিল না। বিশেষত বিদেশী শাসকশ্রেণী কীভাবে ভারতকে শোষণ করেছে, এ বিষয়ে উনিশ শতকে দাদাভাই নওরোজী থেকে রমেশচন্দ্র দত্ত পর্যন্ত প্রখ্যাত লেখকদের চিন্তাধারার প্রভাব ছিল সে সময়ে সুবিস্তৃত। মার্ক্সবাদ গ্রহণ করবার আগেই মানবেন্দ্রনাথ ঔপনিবেশিক শোষণ বিষয়ে অনেকটা পড়াশুনো ও চিন্তা করেছিলেন। ভারত সম্বন্ধে তাঁর লেখাতে সেই প্রমাণ আছে।

    তাঁর জাতীয়তাবাদী ___ বিশ্বচেতনা _____ মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসনকে ১৯১৭ সালে তিনি যে খোলা চিঠি পাঠান তাতে সেই বিশ্বসচেতনতার পরিচয় পাওয়া যায়। ভারতের স্বাধীনতার জন্য জার্মান সাহায্য গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি। যখন দেশ-বিদেশে যাত্রা শুরু করলেন তখন তাঁর মতো তীক্ষ্ণবুদ্ধি ও গ্রহিষ্ণু চেতনাসম্পন্ন মানুষের মন বিশ্বমুখী হয়ে পড়বে এটা অপ্রত্যাশিত নয়।

    অতএব সাম্যের আদর্শই হোক, শোষণের তত্ত্বই হোক কিংবা বিশ্বসচেতনতাই হোক, এই সবের জন্য মানবেন্দ্রনাথের মন আগে থেকেই তৈরি ছিল। তবু যে বোরোদিন তথা মার্ক্সবাদের সঙ্গে পরিচয় এবং কমিন্টার্নের সঙ্গে যোগাযোগের ফলে তাঁর চিন্তার জগতে। একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছিল, একথা অস্বীকার করা যায় না। প্রথম মহাযুদ্ধের শেষে পরাস্ত জার্মানি থেকে ভারতের মুক্তিসংগ্রামের জন্য অস্ত্রসংগ্রহের সম্ভাবনা অন্তত অনেকদিনের জন্য লুপ্ত হল। ভারতীয় বিপ্লবীদের একটি আশার স্তম্ভ যেন ভেঙে পড়ল। ঠিক সেই সময়ে কমিন্টার্নের সঙ্গে যোগাযোগের ফলে মানবেন্দ্রনাথ লাভ করলেন এক নতুন বিশ্বদৃষ্টি এবং সেই সঙ্গে এক নতুন আশার আলো। ভারতের মুক্তিসংগ্রাম সহায়তা পাবে কমিন্টার্ন তথা বিপ্লবী সোভিয়েত রাষ্ট্রের কাছ থেকে। জার্মানি হয়তো ভারতের মুক্তিসংগ্রামকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। কমিন্টার্ন গুরুত্ব দেবে তো? না কি কমিন্টার্নের দৃষ্টি কেড়ে নেবে ইয়োরোপ? আর এশিয়া তথা ভারত অবহেলিত থেকে যাবে? ১৯২০ সালে কমিন্টার্নের দ্বিতীয় কংগ্রেসে মানবেন্দ্রনাথ তাঁর সমস্ত শক্তি নিযুক্ত করলেন এ কথাটা বোঝাতে যে, এশিয়া তথা ভারতের বিপ্লবী সংগ্রামকে অবহেলা করা ভুল হবে। এশিয়ার বিপ্লব জয়যুক্ত না হলে ইয়োরোপেও হবে না।

    একই সঙ্গে শ্রেণীসংগ্রাম সম্বন্ধে মানবেন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গী আরো ধারালো হয়ে উঠল। ধনী দরিদ্রের বৈষম্য সম্বন্ধে সচেতনতা তো আগে থেকেই ছিল। সাদা আমলার জায়গায় কালো আমলা এলে তাতে দরিদ্রের কোনো লাভ নেই, এই বোধটা নতুন নয়। কিন্তু মার্ক্সবাদের প্রভাবে শ্রেণীসংগ্রামের তত্ত্ব মানবেন্দ্রনাথ মেনে নিলেন। রাজনীতি ও সংগ্রামনীতির বিশ্লেষণে এটা একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

    কিন্তু শুধু রাজনীতি নয়, মার্ক্সবাদের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ল মানবেন্দ্রনাথের সংস্কৃতিবিষয়ক চিন্তায়। যেমন ধরা যাক, ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি ও সভ্যতার কথা। বিপ্লবী স্বদেশপ্রেমিকদের চোখে প্রাচীন ভারতের চিত্রটি গৌরবোজ্জ্বল। মার্ক্সবাসী তত্ত্ব মানবেন্দ্রনাথকে এবার প্রতিষ্ঠিত করল প্রাচীন ঐতিহ্যের কঠোর সমালোচকের ভূমিকায়। অনেক পুষ্পিত বাক্য ও শাস্ত্ৰসিদ্ধ অনুশাসনের পিছনে আছে শ্ৰেণীস্বার্থের শঠতা, এই রকম একটা বোধ এবার তাঁর দৃষ্টিভঙ্গীতে প্রাধান্য লাভ করল। জাতীয়তাবাদ থেকে মার্ক্সবাদে যাত্রার পথে এটাই হয়তো মানবেন্দ্রনাথের চিন্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

    ১৯১৮ সালে যখন তিনি ভারতের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে পূর্বে উল্লিখিত বইটি লিখেছেন তখনও এ দেশের অতীত সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাবান। তাই ভারতের সভ্যতা সম্বন্ধে তিনি সেখানে সংশয়হীন ভাষায় বলতে 697637630 “The superior philosophical, religious and ethical character of this ancient civilization is generally accepted by the world.” ভারতীয় প্রাচীন সভ্যতার শ্রেষ্ঠত্ব সর্বত্ব স্বীকৃত, এই সরল বিশ্বাস প্রকাশ করতে তিনি সংকোচবোধ করেন না। বইয়ের ভূমিকায় তিনি বলেছেন যে, তাঁর দেশের প্রতি মেক্সিকোতে তিনি অনেক সহানুভূতি লক্ষ করেছেন, কিন্তু ভারতের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, “giorious history, বিষয়ে অজ্ঞতা থেকে গেছে। এ দেশের প্রাচীন সামাজিক ব্যবস্থায় মানবেন্দ্রনাথ লক্ষ করেন সাম্য ও সহযোগিতার প্রশংসনীয় প্রয়াস। অন্যান্য অনেক ভারতপ্রেমিকের মতোই দারিদ্র্য ও অসাম্য সম্বন্ধে সচেতন থেকেও স্বদেশের একটা ভাবমূর্তিকে প্রণাম জানাতে। সেইসময় পর্যন্ত তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। পরবর্তী কালের রচনায় এই দৃষ্টিভঙ্গী সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। ১৯২২ সালে প্রকাশিত India in Transition নামে বইটিতে তিনি লেখেন। “Advocates of Hindu orthodoxy consciously or unconsciously desire to keep the people in the darkness of ignorance and submission.” spate (9766 অথবা অজান্তে হোক, হিন্দু ঐতিহ্যবাদীদের উদ্দেশ্য হল সাধারণ মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকারে আর অধীনতার বন্ধনের ভিতরে ফেলে রাখা।

    মানবেন্দ্রনাথ যেমন জাতীয়তাবাদকে একদিন অতিক্রম করে গিয়েছিলেন তেমনি মার্ক্সবাদেও চিরকাল আবদ্ধ থাকেননি। এই নিষ্ক্রমণের পর্যায়গুলি আমাদের যুগের পক্ষে তাৎপর্যপূর্ণ, কাজেই সংক্ষেপে স্মরণ করা যেতে পারে। লেনিনের মৃত্যুর কয়েক বছর পর কমিন্টার্ন তথা মস্কোর অধীনতা মেনে নেওয়া রায়ের পক্ষে আর সম্ভব হয়নি। মার্ক্সবাদের। কিছু মৌল তাত্ত্বিক সিদ্ধান্তও তিনি ক্রমে পরিত্যাগ করেন। এর ভিতর আছে শ্রেণীসংগ্রামের তত্ত্ব। শ্রমিকশ্রেণীর ঐক্য ও সংহতির নামে এক রকমের অসহিষ্ণুতা প্রশ্রয় পায়, মানুষের বুদ্ধিকে সেটা শৃঙ্খলিত করে। তাঁর এই প্রত্যয় দৃঢ় হল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে, যখন সোভিয়েত নেতারা যুদ্ধজয়ের পরেও স্বদেশে সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক স্বাধীনতার খোলা হাওয়া প্রবেশ করতে দিলেন না।

    মানবেন্দ্রনাথ এর পর নিজের মার্ক্সবাদী পরিচয় পর্যন্ত মুছে দিলেন। কিন্তু তাই বলে পুরোনো চিন্তায় কখনো ফিরে যাননি। জাতীয়তাবাদ থেকে মার্ক্সবাদের পথ ধরে তিনি অবশেষে উত্তীর্ণ হলেন নব মানবতাবাদে। এ দেশের প্রাচীন ঐতিহ্য বিশেষত ব্রাহ্মণ্যধর্ম। সম্বন্ধে তাঁর সমালোচনা তিনি শেষজীবন পর্যন্ত রক্ষা করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, এ দেশে বুদ্ধির মুক্তি ও সামাজিক মুক্তির জন্য এই সমালোচনা আবশ্যক। তবে প্রাচীন ঐতিহ্যে সবই অশ্রদ্ধেয় নয়, কিছু মূল্যবান মানবিক উপাদান আছে সেখানেও, একথা তিনি বলতে ভোলেননি

    দ্বন্দ্ব ও উত্তরণ (১৯৮৯)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }