Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫.১৩ বিনয় কুমার সরকার : দ্বন্দ্ব ও “শক্তিযোগ”

    কোনো আন্দোলনের প্রভাবে ক’জন স্মরণীয় মানুষ সৃষ্টি হয়েছে সেটা যদি তার ঐতিহাসিক মূল্য বিচারে বিবেচ্য হয় তবে বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯০৫ সালের আন্দোলনের মতো উল্লেখযোগ্য ঘটনা বেশি খুঁজে পাওয়া যাবে না। বাঙালির মনে ঐ সালটিতে যে মন্থন সৃষ্টি হয়েছিল তার ভিতর থেকে উঠে এসেছিলেন অরবিন্দ ও মানবেন্দ্রনাথের মতো অসাধারণ মানুষ। বিনয় সরকারও ঐ সালটিকে ব্যক্তিগত ও জাতীয় জীবনে একটি পরম মুহূর্ত বলে মেনে নিয়েছিলেন। এই অর্থে তাঁকে ১৯০৫-এর যুগসন্তান বলা চলে।

    মানবেন্দ্রনাথ রায় ও বিনয়কুমার সরকার উভয়ের জন্ম ১৮৮৭ সালে। অর্থাৎ দু’জনেরই জন্মের শতবর্ষ পূর্ণ হয়েছে অতিসম্প্রতি। মানবেন্দ্রনাথ বিষয়ে অন্যত্র লিখেছি। এখানে প্রসঙ্গ বিনয়কুমার।

    বিনয় সরকারের বিদ্যার পরিধি ছিল অসামান্য। তাঁর তুল্য পণ্ডিতব্যক্তি সহসা চোখে। পড়ে না। এদেশে যাঁরা পাঠ্যপুস্তক ও নোটবই লিখে হাত পাকিয়েছেন অথবা ধার করা মতবাদের ব্যাখ্যা ও ভাষা রচনায় অভ্যস্ত হয়েছেন, বিনয় সরকারের চিন্তার প্রচণ্ড উচ্ছলতা তাঁদের কাছে অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়েছে। তাঁর ভাষা আমাদের সাধু লেখকদের। আ কায়দা মেনে চলত না, তাঁর চিন্তাও গতানুগতিকতার বাধ্য নয়। অতএব এদেশীয় সমাজে বিনয় সরকার বিদ্বান হয়েও সর্বত্র পৃজিত ছিলেন না।

    বিদেশের পণ্ডিত সমাজে কিন্তু তিনি আশ্চর্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। এর কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরছি। The Sociology of Races, Cultures and Human Progress নামে তাঁর গ্রন্থটি আলোচনা করতে গিয়ে জমান সমালোচক লিখেছেন ‘Professor Sarkar reminds us in many ways of our Oswald Spengler on account of starilingly manysided erudition and flexibility with which his scholarship traverses in a powerful manner all the regions and epochs of human culture.’ সময়ে জমানিতে স্পেঙ্গলারের খ্যাতি ছিল অসামান্য। এই দুই পণ্ডিতের তুলনার ভিতর দিয়ে বিনয় সরকারের প্রতি জমান সমালোচকের বিপুল শ্রদ্ধাই যে প্রকাশ পেয়েছে এ বিষয়ে সন্দেহ নেই।

    আবার The Positive Background of Hindu Sociology নামে পুস্তকটি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ফরাসী সমালোচক বলেছেন “Dr. Benoy Kumar Sarkar, well-known in all the countries of Europe as one of the best representatives of modern Indian thought in the fields of sociology and education, is veritably an encyclopaedic spirit.’ এখানেও মনে রাখতে হবে যে, ফরাসী চিন্তা ও পাণ্ডিত্যের ইতিহাসে encyclopedia শব্দটি একটি বিশেষ অনরণন সৃষ্টি করে। বস্তুত ইউরোপ ও আমেরিকায় বিনয় সরকার পণ্ডিত হিসেবে যে খ্যাতি লাভ করেছিলেন এ দেশে তার তুলনা সহজে পাওয়া যাবে না। একাধিক ইউরোপীয় ভাষায় তিনি স্বচ্ছন্দে বক্তৃতা করতে পারতেন। আর তাঁর চিন্তার ক্ষেত্রটি অনায়াসে প্রসারিত ছিল বিশ্বময়।

    এ আমার সৌভাগ্য যে আমি একদা সরকার মহাশয়ের ছাত্র ছিলাম এবং তাঁর স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়নি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যখন আমি পড়াতে শুরু করি তখনও সাময়িকভাবে তিনিই বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। এর কিছুদিন পর তিনি বিদেশে যাত্রা করেন। সেখানেই অল্পকালের ভিতর ১৯৪৯ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। এইভাবে জীবনের শেষ পর্যায়ে কয়েক বছর তাঁকে কাছে থেকে দেখবার সুযোগ আমার হয়েছিল। তাঁর চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনার আগে ব্যক্তি মানুষটির একটু পরিচয় দিয়ে নেব।

    ছাত্র হিসেবে আমার অভিজ্ঞতার কথাই প্রথমে বলব। অধ্যাপক সরকার আমাদের এমন একটি বস্তু শেখাতে চেষ্টা করে গেছেন এদেশে যার একান্ত অভাব। তাঁর পড়ানোর ধরনটাই ছিল অন্যরকম। তিনি অল্প কথা নিপুণভাবে গুছিয়ে বলতে পারতেন না, অথবা সে চেষ্টাই করতেন না। ক্লাসে যা তিনি বলতেন তা যথাযথ টুকে নিলে ভালো ‘নোট’ তৈরি হত না। আমাদের মনকে প্রবলভাবে নাড়া দেওয়াটাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। চিন্তার ক্ষেত্রেও যে সাহস বলে একটা বস্তু আছে, সাহসী হওয়া যে প্রয়োজন, একথাটা এমনভাবে অন্য কোনো অধ্যাপকের কাছে পেয়েছি বলে আমার মনে পড়ে না। তাঁর মতামতের সমালোচনা করতেই তিনি আমাদের উৎসাহিত করতেন, সেই সমালোচনা দুর্বল হলে তিনি তা পছন্দ করতেন না। তিনি চাইতেন আমরা যেন খুব জোরের সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে নির্ভয়ে বলি।

    ১৯৪৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি পড়াতে শুরু করি। তখন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বিনয় সরকারের আচরণ উল্লেখযোগ্য! একটি উদাহরণ দিচ্ছি। একদিন দেখি অধ্যাপক। সরকার আমার ক্লাসে শেষ বেঞ্চিতে বসে আছেন। পুরো ঘণ্টাটাই তিনি ক্লাসে ছিলেন। আমার পড়ানো নিয়ে পরে কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন। বৃদ্ধ বয়সেও অধ্যাপক সরকার। তরুণদের সঙ্গে এমন একটা সম্পর্ক স্থাপন করতে পারতেন যেটা সব দেশেই দুর্লভ, বিশেষত এদেশে।

    অধ্যাপক সরকারের ভাবনাচিন্তা নিয়ে এবার সংক্ষেপে দুএক কথা বলা যেতে পারে। Weltanschauung শব্দটি তিনি খুব ব্যবহার করতেন। তাঁর বিশ্বদৃষ্টি একাধিক গ্রন্থে বহু পৃষ্ঠা জুড়ে বিবৃত হয়েছে। The Sociology of Races, Culturs and Human Progress গ্রন্থটির কথা আগেই বলেছি। বিভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতির ভিতর দ্বন্দ্ব এখানে প্রাধান্য পেয়েছে। বইটির ভূমিকায় তিনি লিখেছেন ‘Eur-America had been challenging Asia for about a century. It was not possible for Asia to accept that challenge for a long time. It is only so late as 1905 in the event at Port Arthur that Eur-America has learned how at last Asia intends to retaliate. Naturally the challenge is twofold: political and cultural. … The reply from Asia is accordingly being offered in two fields of revolt: military and scientific.’ শিয়ার পুনরভ্যুত্থানকেই বিনয় সরকার তাঁর বিশ্বদর্শনে রূপ দিতে চেয়েছিলেন।

    তিনি ছিলেন মূলত শক্তির উপাসক। তাঁর মতে মানুষের প্রবলতম প্রবৃত্তি হল আধিপত্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষা। আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে মানুষ পুরনো ঐতিহ্য ভাঙে, নতুন সংস্কৃতি স্থাপন করে। ঘাত-প্রতিঘাতের ভিতর দিয়ে এক জাতির ভাষা ও ভাবনা অন্য জাতির ভাষা ও ভাবনার ভিতর প্রবেশ করে, সংস্কৃতির ঘটে রূপান্তর। এই প্রক্রিয়া শতাব্দীর পর শতাব্দী চলেছে। এর উদাহরণ ছড়িয়ে আছে যেমন ভারতে তেমনি সারা বিশ্বে। বিশুদ্ধ স্বয়ংসম্পূর্ণ জাতীয় সংস্কৃতির কল্পনা অবান্তর। একদিকে দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার সংগ্রাম, অন্য দিকে পারস্পরিক দান-প্রতিদান, দুই-ই সত্য।

    বিনয় সরকার দেশবাসীর সামনে এই কথাটা জোরের সঙ্গে তুলে ধরেছেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে আর শক্তিশালী হবার জন্যই অন্যের কাছ থেকে যা-কিছু প্রয়োজন গ্রহণ করতে হবে। পৃথিবীকে বুঝতে হবে, জাগতিক পরিস্থিতিকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সভ্যতার ভিতর পার্থক্য টেনে যাঁরা বলেন যে, ভারতবাসী আত্মায় বিশ্বাসী আর পশ্চিমের মানুষ জড়বাদী অথবা ভোগবাদে বিশ্বাসী, বিনয় সরকার তাঁদের সেই ধারণা ভ্রান্ত বলে অগ্রাহ্য করেছেন। এইখানেই ভারতীয় ঐতিহ্যের বহু প্রবক্তার সঙ্গে তাঁর প্রভেদ। তিনি বলতেন, সব দেশের মানুষই দেহ ও আত্মা দুয়েতেই বিশ্বাসী। ঐহিক চিন্তা প্রাচীন হিন্দু সংস্কৃতির একটা প্রধান অংশ ছিল, একথা তিনি বারবার সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতেন। এদেশের প্রাচীন ইতিহাসে বৃহত্তর ভারত প্রতিষ্ঠার সাংস্কৃতিক প্রচেষ্টা ও সামরিক অভিযানের ভিতর প্রাণশক্তির উল্লেখযোগ্য প্রকাশকে তিনি অভিনন্দন জানাতে ইতস্তত করেননি। অত্যন্ত জাগতিক অর্থেই “চরৈবেতি” কথাটি তাঁর প্রিয় ছিল।

    বিনয় সরকারের দর্শনে রাজসিকতার প্রাধান্য লক্ষণীয়। তিনি লিখেছেন “Two master passions have made man here there and everywhere both in the East and the West. These are, first, love, and second war, or first, war and second love.” এই জীবনদর্শন অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে, এর অপব্যাখ্যা নিশ্চয়ই সম্ভব। তবু এই তামসিকতার দেশে একজন রাজসিক পণ্ডিতের প্রয়োজন ছিল।

    (খ)

    বিনয় কুমার সরকারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর ভাবনাচিন্তা নিয়ে নতুন করে কিছুটা আলোচনা ও বিতণ্ডা শুরু হয়েছে। নিজের মতামত তিনি খুব জোরের সঙ্গে বলতে ভালোবাসতেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর জীবৎকালে কিছু তর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই পুরনো সমালোচনা আজ আবারও মাঝে মাঝে শোনা যাচ্ছে।

    বিনয় সরকারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ, তিনি নাকি মতামতের ক্ষেত্রে ফাঁসিস্তপন্থী ছিলেন। অভিযোগটি অন্যায়। যারা ফাঁসিস্ত তারা পর মত সম্বন্ধে অসহিষ্ণু হয়। ভিন্ন মত সম্বন্ধে যারা অসহিষ্ণু নয় তাদের ফাঁসিস্ত বলে চিন্তিত করবার অর্থ হয় না। বিনয় সরকার নিজের মতামত জোরের সঙ্গে বলতেন, কিন্তু ছাত্রদের উৎসাহ দিতেন বিপরীত মতটাও প্রবলভাবে বলতে। তিনি ছিলেন চিন্তার ক্ষেত্রে বহুত্ববাদী। এর পর তাঁকে। ফাঁসিস্ত বলা যায় কী করে? অধ্যাপক সরকার ছাত্রদের ভিতর মতবাদের ঐক্য চাইতেন না, যুক্তিতর্কের ভিতর নিয়ে নিজ নিজ মত বলবার সাহসটাই ছিল তাঁর কাছে মূল্যবান। দ্বন্দ্বেরর ভিতর দিয়ে প্রগতি ঘটে; সকলক্ষেত্রেই, মতবাদের ক্ষেত্রেও, এইরকম তিনি বিশ্বাস করতেন। যাঁরা শিক্ষার ক্ষেত্রে আজ কর্তব্যে নিযুক্ত তাঁরা এই গুণটি অধ্যাপক বিনয় কুমার সরকারের কাছ থেকে শিখে নিতে পারলে ভালো হয়।

    ঐ অভিযোগ তবে বিনয় সরকারের বিরুদ্ধে তোলা হয়েছিল কেন? শেষ পর্যন্ত অভিযোটা দাঁড়ায় না, তবু তার কিছু কারণ অবশ্য ছিল। বিনয় সরকার ছিলেন স্বদেশী আন্দোলনের সন্তান। দেশবিদেশে তিনি অনেক ঘুরেছেন, সারা বিশ্বের জ্ঞানে ছিল তাঁর আগ্রহ। কিন্তু জাতীয়তাবাদ তিনি ত্যাগ করেননি। এইখানে সমবয়স্ক মানবেন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর তফাত। বিনয় কুমার ছিলেন এক বিশ্বমুখী জাতীয়তাবাদী। “স্বদেশসেবকের পক্ষে চাই বিশ্বদক্ষতা”, এই ছিল তাঁর বক্তব্য। সেই সঙ্গে আরো একটা কথা মনে রাখতে হবে। তাঁর চিন্তাভাবনায় শক্তিযোগের একটা বড় স্থান ছিল। সে যুগে যারা ফাঁসিস্ত বলে পরিচিত হয়েছিল তাদের ভিতরও পাওয়া যায় জাতীয়তাবাদ ও কোনো একটা-অর্থে শক্তি অথবা সংঘবদ্ধ ক্ষমতার প্রতি আকর্ষণ। শুধু ইয়োরোপে নয়, তৎকালীন এশিয়াতেও ঐ যোগাযোগটা চোখে পড়ে, বিশেষভাবে উঠতি শক্তি জাপানের মধ্যে। বিনয় সরকার জাপানকে বাহবা দিয়েছেন। এইরকম কিছু কারণে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী বিপজ্জনক মনে

    আসলে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী কোনো প্রচলিত মতবাদের সঙ্গেই পুরোপুরি মেলে না। ফাঁসিস্তপন্থীরা ছিল জাতীয় শ্রেষ্ঠতায় বিশ্বাসী, নিজ জাতির শ্রেষ্ঠতা নিয়ে অহংকৃত। এ ব্যাপারে বিনয় সরকারের ঝোঁকটা লক্ষ করবার যোগ্য। স্বদেশে তিনি ছিলেন সবচেয়ে হীনজাতি বা পারিয়ার বন্ধু ও গুণগ্রাহী। যারা অশিক্ষিত, সমাজের নীচুতলায় যাদের বাস, তাদের ভিতরও যে মনুষ্যত্বের অভাব নেই, তারাও যে নীতির দিক থেকে মানুষের মর্যাদার অধিকারী, এই কথাটা তিনি বারবার নানাভাবে বলেছেন। আর ভারতীয় সংস্কৃতির জন্য তিনি চেয়েছেন বিশ্বের দরবারে সাম্যের অধিকার–শ্রেষ্ঠত্ব নয়, সাম্য।

    ভারতীয় সংস্কৃতি সম্বন্ধে পণ্ডিতদের প্রচলিত ধারণার সঙ্গে বিনয় সরকারের বেশ বড় রকমের অমিল ছিল। সে সময়ে এইরকম একটা ধারণা ক্রমে জোরালো হয়ে উঠেছিল যে, ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতিতে দেখা যায় অধ্যাত্মবাদী ও সংসারবিমুখ দৃষ্টিভঙ্গীর প্রাধান্য, আর পাশ্চাত্য সমাজ ও সংস্কৃতি ভোগবাদী, সংসারনিষ্ঠ, বস্তুনিষ্ঠ। ম্যাক্স মুলার থেকে অ্যানি বেসান্ট ও ভগিনী নিবেদিতা পর্যন্ত অনেকেই প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের মধ্যে বৈপরীত্যের এই তত্ত্ব প্রচার করেছিলেন, এ দেশীয় অনেক পণ্ডিতেরও এতে বিশ্বাস ছিল। বিনয় কুমার তরুণ বয়সে যদি-বা এই তত্ত্বের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন তবু সেই আকর্ষণ টেকেনি। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস নিয়ে ১৯১১ সালের পর গবেষণার ফলে স্বদেশের অন্য এক ভাবমূর্তি তাঁর সামনে আকার গ্রহণ করে। “ভারতবর্ষ ততখানি বস্তুনিষ্ঠ, ততখানি যুদ্ধপ্রিয়, ততখানি শক্তিয়োগী, ততখানি সাম্রাজ্যবাদী–যতখানি ইওরোপ। আবার ইওরোপ ততখানি নীতিনিষ্ঠ ও অধ্যাত্মবাদী–যতখানি ভারতবর্ষ। “ খুব জোরের সঙ্গে এই কথাটা বলে তিনি প্রচলিত ধারণাকে ধাক্কা দিয়েছিলেন।

    এখানেও আবার বিনয় সরকারের মতবাদের কিছুটা ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। কেউ কেউ বলতে চেয়েছেন যে, বিনয় কুমার প্রথমে ছিলেন ভাববাদী, পরে বস্তুবাদী হয়ে ওঠেন। ঐভাবে দেখলে কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গীর প্রতি সুবিচার করা হয় না।

    তরুণ বয়সে বিনয় সরকারের ওপর বিবেকানন্দের প্রভাব পড়েছিল। সেই প্রভাব একেবারে ক্ষয় হয়ে যায়নি কখনো। জাতীয়তাবাদ ত্যাগ না করে একরকমের বস্তুনিষ্ঠ বিশ্বদৃষ্টির সঙ্গে তিনি বিবেকানন্দকে মেলাতে চেয়েছিলেন, অধ্যাপক সরকারের চিন্তাধারার বৈশিষ্ট্য এইখানে। বিবেকানন্দের চিন্তা ও চারিত্রের ভিতর যে-জিনিসটা বিনয় কুমার মূলবস্তু বলে গ্রহণ করেছিলেন সেটা এই অবসরে একার দেখে নেওয়া যাক। “The key to Vivekananda’s entire life… is to be found in his sakti-yoga, energism, the vigour and strength of freedom.” এই যে “শক্তিয়োগ”, অধীনতা ত্যাগ করে স্বাধীন হবার চেষ্টা, বিশ্বের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা, এটাকে বিনয় সরকার চিনে নিয়েছিলেন মানবপ্রকৃতির এক মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে। শুধু প্রাচ্যের মানুষ বা পাশ্চাত্যের মানুষ নয়, সব মানুষেরই এই বৈশিষ্ট্য। এই শক্তির সাধনা জীবনের কোনো একটা প্রকোষ্ঠে সীমাবদ্ধ নয়, সর্বত্র সেটা ছড়িয়ে পড়তে চায়। আর শক্তির সাধনাই হল বিনয় সরকারী দৃষ্টিতে মানুষের অধ্যাত্মসাধনা। মানুষ যখন সংসারে নিযুক্ত, অর্থ যেখানে তার কাম্য, তখনও যদি সে ভয়ের জড়ত্ব ত্যাগ করে, বীরের মতো সংগ্রাম করে, তবে সেটা তার আধ্যাত্মিকতারই প্রকাশ।

    বিনয় সরকার তাই বলছেন, “মানুষকে জীবনের ক্ষেত্রে বাড়াইয়া তুলিতে যে পারে সেই বড় লোক, মহাপুরুষ, পরমহংস।” আবার বলছেন, “আমার বিবেচনায় মানুষের সবকিছুই আধ্যাত্মিক।…ধনবিজ্ঞান আমার মেজাজে আধ্যাত্মিক বিদ্যা।” মানুষ যে-পরিমাণে জড়জগতের অধীন সে পরিমাণেই মানবিক পরিস্থিতির জড়বাদী ব্যাখ্যা যথার্থ প্রযোজ্য; কিন্তু যে পরিমাণে সে সচেতনভাবে জড়জগতের ওপর নিজের শক্তি ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী সেই পরিমাণে মানুষ উদ্যোগী বলেই আধ্যাত্মিকও বটে! বিনয় সরকারের মতবাদ আমরা গ্রহণ করি বা না করি, সেটাকে এক কথায় ভাববাদী, বা জড়বাদী। কখনই বলা যাবে না।

    বিনয় কুমার বুঝেছিলেন যে, প্রাচ্যের মানুষকে আধ্যাত্মিক কিন্তু সংসারবিমুখ বলার ভিতর একটা বিপদ আছে। এতে করে সংসারের ক্ষেত্রে পাশ্চাত্যের আধিপত্যই স্বাভাবিক, এমন কি ন্যায়সঙ্গত বলে মেনে নিতে হয়। বিনয় সরকার দেখাতে চেয়েছিলেন যে, প্রাচ্যের তৎকালীন অধীন অবস্থা একটা সামাজিক ঘটনা, এর কারণ খুঁজতে হবে পরিবর্তনশীল বিশ্বপরিস্থিতির ভিতর, প্রাচ্যের কোনো চিরস্থায়ী সংসারবিমুখতার ভিতর নয়। তিনি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন ভারতের সেই ভাবমূর্তি যেটা সংসারের দ্বন্দ্বে দেশকে দেবে এগিয়ে যাবার শক্তি ও প্রেরণা।

    অন্যান্য বহু মতবাদের মতোই বিনয় কুমার সরকারের ধ্যানধারণা গঠিত হয়েছে কিছু সাময়িক লক্ষ্যের প্রভাবে, প্রয়োজনের চাপে। যে-দেশে মানুষ সংসারের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। পিছিয়ে পড়েছে সেখানে চাই সংসারমুখী আধ্যাত্মিকতা। এটাই জড়তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, অতএব স্বাস্থ্যের লক্ষণ। সমগ্র বিশ্বের সংকটটা আজ কিন্তু পৌঁছে গেছে অন্য এক স্তরে। ভোগবাদ আর যুদ্ধনিষ্ঠা দিয়ে তাকে ঠেকানো যাবে না। আধ্যাত্মিকতারও অন্য। স্তর আছে। এসব কিছু বিনয় সরকারের চিন্তায় অস্বীকৃত নয়। কিন্তু তিনি হতে চেয়েছিলেন বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যনিষ্ঠ সমাজবিজ্ঞানী। ভবিষ্যতের কোনো কল্পচিত্র তাঁর ধ্যানধারণায় বিশিষ্ট স্থান লাভ করেনি। মার্ক্স কিংবা অরবিন্দের সঙ্গে এইখানে তাঁর উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। শক্তিয়োগী তবু বহুত্ববাদী, স্বদেশনিষ্ঠ কিন্তু বিশ্বসচেতন, বস্তুনিষ্ঠ এবং আধ্যাত্মিক,এইসব দ্বন্দ্ব নিয়ে বিনয় কুমার সরকারের চিন্তাধারা।

    দ্বন্দ্ব ও উত্তরণ (১৯৮৯)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }