Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭.১ মানুষ! মানুষ!!

    ছোটবেলায় নানা দৃশ্য যেমন গভীরভাবে মনে অঙ্কিত হত এখন আর তেমন হয় না। তবু সেদিনের কথা স্পষ্টই মনে পড়ে। ১৩ই মার্চ, ১৯৬৯। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ সত্যেন্দ্রনাথ সেন মহাশয়কে তাঁর অফিসঘরে একদল যুবক বন্দী করে রেখেছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এমন সব কথা সমস্বরে উচ্চারণ করছিলেন যা লিপিবদ্ধ করতে প্রবৃত্তি হয় না। ডঃ সেনের সঙ্গে অন্যান্য যে অধ্যাপকেরা ছিলেন আমিও তাঁদের একজন। বিক্ষুব্ধ যুবকদের কলহ যদিও উপাচার্যের সঙ্গেই তবু আমার বিরুদ্ধেও ওঁদের আক্রোশ তীক্ষ্ণস্বরে ধ্বনিত হচ্ছিল। মার্ক্স লেনিন ও গান্ধী সম্বন্ধে আমার মতামতের উল্লেখ মাঝে মাঝে শোনা যাচ্ছিল। আমার একাধিক প্রবন্ধে ওঁরা স্পষ্টতই ক্রুদ্ধ। আমাকে পুড়িয়ে মারবার ভয় দেখানো হচ্ছিল।

    আমি খুব সাহসী লোক নই। চেষ্টা করলেও সম্ভবত শল্যচিকিৎসক হতে পারতাম না, কারণ রোগীর আর্তনাদ আমাকে কেমন বিমূঢ় করে ফেলে। তবে ব্যক্তিগত মৃত্যুর চিন্তা বহুকাল যাবৎই আমাকে তেমন ভীত করে না। কাজেই সেই সন্ধ্যার দৃশ্য দেখছিলাম অনেকটা নিরাসক্ত দর্শকের মন নিয়ে। আমার মনে পড়ছিল কয়েক শতাব্দী পূর্বের ইয়োরোপের ইতিহাসের এক হিংস্র অধ্যায়ের কথা। এক ধর্মমতের মানুষ সেদিন পুরম। উৎসাহে অপর মতের মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। তারপর যুগের পরিবর্তন হয়েছে। ভলতেয়র থেকে জন স্টুয়ার্ট মিল পর্যন্ত অনেকেই অবিস্মরণীয় ভাষায় পরমতসহিষ্ণুতার শিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু মানব প্রকৃতির আমূল পরিবর্তন সহজে হয় না। বিপ্লবের নামে সেদিন আবারও মানুষকে জীবন্ত পোড়াবার ধ্বনি শুনছিলাম। আমি বুঝতে চেষ্টা করছিলাম সেই মনকে যে-মনের গভীরে এই জিঘাংসার জন্ম।

    যে-যুবকেরা সেই সন্ধ্যায় আমাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুবাক্য উচ্চারণ করছিলেন তাঁরা যে আদর্শবাদী এতে আমার সন্দেহ নেই। প্রেমই এঁদের হিংসাকে এমন কুণ্ঠাহীন করেছে। ইয়োরোপে যে ধর্মান্ধ মানুষেরা একদিন বিধর্মীকে পুড়িয়ে মেরেছিলেন তাঁরাও নিঃসন্দেহে আদর্শনিষ্ঠ ছিলেন। প্রবল হিংসা ও আদর্শপ্রেমের এই সংমিশ্রণেই মানুষ অন্যান্য জীবের চেয়ে রহস্যময় ও ভয়ংকর। মানুষের মনে হিংসা ও প্রেমের এই মিশ্রণকে যদি না বুঝি তো মানুষকে বোঝা হা।

    .

    ১

    এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, জীবনধারণের জন্য যতখানি হিংসার প্রয়োজন তার চেয়ে অনেকটা বেশী পরিমাণ হিংসাই মানুষের প্রকৃতিতে আছে। এর কারণ সহজ। মানুষের। মনের গভীর স্তরে জমা হয়েছে এক দীর্ঘ প্রাগৈতিহাসিক যুগের অন্ধকার, যখন মানুষ ছিল অজ্ঞ, ভীত, মারণাস্ত্রে দুর্বল। সেই বিপদসংকুল গণনাতীত দীর্ঘযুগের উত্তরাধিকারী আজকের পৃথিবীর মানুষ। যে বর্বর অতীতকে আমরা বিজ্ঞানের জয়যাত্রায় পিছনে ফেলে এসেছি আমাদের অন্তঃপ্রকৃতিতে তার আধিপত্য আজও অব্যাহত। মানুষের মনে সহজাত হিংসার পরিমাণ এ যুগের প্রয়োজন দিয়ে নির্ধারিত হয়নি। এ যুগ আমাদের শিখিয়েছে নতুন ভাষা। পুরাতনী হিংসাকে আমরা প্রকাশ করি এই নতুন ভাষায়।

    অন্তঘাতী হিংসায় মানুষ অন্যান্য বহু জীবকেই ছাড়িয়ে যায়। কলকাতার উপকণ্ঠে যেখানে আমার বাস, সেখানে মানুষে মানুষে খুনোখুনি লেগেই আছে। আমাদের বাড়ির পিছনে ধানক্ষেত। রাতে শেয়ালের ডাক শোনা যায়। পাড়ার কুকুরের সঙ্গে শেয়ালের মাঝে মাঝে লড়াই লাগে। এক আধটা শেয়াল কখনও কখনও মারা যায়। কিন্তু কোনো। কুকুর অন্য কুকুরকে খুন করেছে এমন চোখে পড়েনি। মানুষ যদি পারস্পরিক হিংসায় কুকুরের স্তরে উন্নীত হতে পারতো তাহলে আমাদের অঞ্চলে শান্তি বৃদ্ধি পেত।

    প্রাণিতত্ত্ববিদেরা মনুষ্য জাতির ভিতর অন্তঘাতী হিংসার এই আধিক্যের কারণ অনুসন্ধান করেছেন। মানুষের তুলনায় অন্য বহু জীবের দন্ত ও নখরের শক্তি বেশী, অর্থাৎ আঘাত করবার প্রকৃতিদত্ত সামর্থ্য তাদের অধিক। এসব জীবের হিংস্রতা যদি প্রধানত স্বজাতির বিরুদ্ধে চালিত হত তা হলে এতদিনে সম্ভবত এরা জাতি হিসাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। সৃষ্টির আদিপর্বের মানুষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল জীব বলেই অধিক পরিমাণ পারস্পরিক হিংসা সত্ত্বেও জাতি রক্ষা করতে পেরেছে। আদিযুগে তাই মানুষের অন্তঘাতী হিংসাকে সংযত করবার তাগিদ ছিল কম।

    বিপদ দেখা দিল যখন মানুষের দুর্বল দত্ত ও নখরের সঙ্গে যোগ হল তার নিজেরই হাতে গড়া সেই মারণাস্ত্র, যুগের পর যুগ যার ধ্বংসাত্মক শক্তি বেড়েই চলেছে। প্রাক্সভ্যতা যুগে মানুষের প্রাণী হিসাবে দুর্বলতা ও হিংসার ভিতর যে স্বাভাবিক ভারসাম্য ছিল সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সেটা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হ’ল। এ অবস্থায় মানুষের আদিম জিঘাংসাকে সামাজিক বাধা নিষেধ দিয়ে ক্রমশ সংযত করে তবেই কোনো প্রকারে আত্মঘাতে মৃত্যুর হাত থেকে মানুষ নিজেকে বাঁচিয়ে চলেছে। যে-পরিমাণে বিজ্ঞান মানুষের হাতে মারবার শক্তি বেশী করে তুলে দিয়েছে সে-পরিমাণে হিংসার বিরুদ্ধে সামাজিক বাধা নিষেধের প্রয়োজনও বেড়েছে।

    আমার বক্তব্য তবু এই নয় যে, অহিংসার মূলে আছে শুধু নেতিবাচক নীতি। মানুষের বৃহত্তম নৈতিক বিধানগুলির একটি নিম্নমাত্রা আছে যেখানে শুধু শুনি ‘না’, আবার একটি ঊর্ধ্বমাত্রা আছে যেখানে শুনি হাঁ।

    .

    ২

    মানুষ সেই আশ্চর্য জীব যার হিংসার যেমন সীমা নেই তার প্রেমও তেমনই বাধা মানে না। কাকপক্ষীও শোকসভা করে; কিন্তু শুধু মানুষই পারে সকল মানুষের হয়ে সজ্ঞানে ক্রুশবিদ্ধ হতে। মানুষই পারে এই আত্মত্যাগের কাছে যুগে যুগে মাথা নীচু করে দাঁড়াতে।

    সাংসারিক কর্মকাণ্ডে আমরা পরস্পরের সঙ্গে নানা সম্পর্কে আবদ্ধ। পদমর্যাদা নিয়ে ব্যক্তি যেখানে ব্যক্তির সম্মুখীন সেখানে তার দাবিদাওয়া, দায়িত্ব ও অধিকারের প্রশ্নটাই বড়। কিন্তু পদমর্যাদার বাইরেও মানুষের একটা অস্তিত্ব আছে। একথা জীবনের সাধারণ সময়ে হয়তো আমরা ভুলে থাকি; তবু বিশেষ বিশেষ মুহূর্তে, প্রেম অথবা মৃত্যুর লগ্নে কিংবা কোনো শিশুতীর্থে, সেই সত্য আমরা স্মরণ করি। মানুষের মনের একটি বৃহৎ ক্ষেত্র আছে যেখানে সকল মানুষই সকলের স্বজাতি। এই স্বজাতির সঙ্গে যুক্ত হবার একটা বাসনা মানুষের মনের গভীরে আছে। এটা যদি মানুষের চিরন্তন বাসনা না হত তবে পৃথিবীর সকল মহৎ ধর্মে একটি বৃহৎ ভ্রাতৃত্বের সুর এমন শতাব্দীর পর শতাব্দী অবিরত ধ্বনিত হত না। মানুষের এই প্রীতি সম্ভবত হিংসার চেয়েও মৌলিক। মানুষ প্রীত হয় কারণে ও অকারণে; কারণে, অর্থাৎ, স্বার্থের যোগাযোগে; আবার অকারণে, অথবা অপরের ভিতর নিজেকে আবিষ্কার করবার ফলাকাঙ্ক্ষাহীন আনন্দে। হিংসার। কারণ ভয়, যদিও যুগান্তরের পুঞ্জীভূত ভয়কে এই মুহূর্তের স্বার্থ নিয়ে সব সময়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।

    মানুষকে স্বার্থান্বেষী, সামান্য জীব হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে। কিন্তু এটা মানুষ সম্বন্ধে নিতান্তই অসম্পূর্ণ ধারণা। মানুষের আদিম হিংসা স্বার্থবুদ্ধিকে অতিক্রম করে যায়। আবার তার ভ্রাতৃত্ববোধ সম্বন্ধেও সেই একই কথা সত্য। হিংসা যদি স্বার্থবুদ্ধিকৈ ছাড়িয়ে না যেত তো এ যুগের বিশ্বজোড়া রক্তাক্ত অধ্যায়ের ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া কঠিন হত। মানুষই সেই জীব যে হিংসা পুষে রাখে এবং অতীতের হিংসা নিয়ে অন্ধের মতো ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করে। অন্যান্য জীবের ভিতর এটা কদাচিৎ দেখা যায়; মানুষের ইতিবৃত্তে এটা নিত্যকার ঘটনা। আবার মানুষের প্রতি মানুষের সহজাত আকর্ষণের প্রকাশও অপূর্ব। মানুষের মন চায় মানুষের মন; আর এই স্বাভাবিক আকর্ষণ যে মানুষের আদর্শ কল্পনায় স্থান পেয়েছে শুধু তাই নয়, ইতিহাসও এর দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাদেশিকতার কবি ও দার্শনিক স্থাপন করতে চেয়েছেন এক জাতি, এক প্রাণ, একতা { জাতীয়তাবাদ মানুষের স্বাভাবিক ভ্রাতৃত্ববোধেরই আংশিক প্রকাশ, বহু ক্ষেত্রে বিকৃত প্রকাশও বটে। ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম সম্প্রদায়ের ভিতর পৃথিবীজোড়া যে। ঐক্যবন্ধন তাও অনুরূপ উপাদানে গড়া। যে-আদর্শ মানুষকে সাময়িক স্বার্থের ওপারে নিয়ে যায় তাকে ছাড়া মানুষ অসম্পূর্ণ। কিন্তু সেই আদর্শকে যখন স্থানে কালে সীমাবদ্ধ কোনো বস্তুর সঙ্গে অভিন্ন করে দেখা হয় তখনই বিপদ। ইতিহাসে বিকৃত আদর্শের প্রভাব অপরিসীম।

    .

    ৩

    মানুষের একটা দিক আছে যেটা কালে আবদ্ধ, বিশেষ সামাজিক সম্পর্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তার আর একটি দিক আছে যেখানে সে নিত্যকালের মানুষের সঙ্গে যুক্ত হতে উন্মুখ। যে-মানুষ কালকে অতিক্রম করতে চায় তাকে বাদ দিয়ে যে-মানুষ কালে আবদ্ধ তাকেও বোঝা যায় না; কারণ এ দুয়ের ঘাতপ্রতিঘাতে মানুষের ইতিহাস বিবর্তিত।

    এ যুগে সাম্যবাদ মানুষের মনকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে। আদর্শ সাম্যবাদী সমাজে মানুষ বাইরের বন্ধন থেকে মুক্ত হবে, পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হবে সৃষ্টিশীল কর্মের সূত্রে, শুদ্ধ মনুষ্যত্বের পরিচয়ে। মধ্যযুগের মানুষ স্বর্গের কল্পনায় বিভোর ছিল। সাম্যবাদ তথা নৈরাজ্যবাদ এ যুগের “উটোপিয়া” অথবা লৌকিক স্বৰ্গকল্পনা। মানুষের যেমন আদর্শে সাড়া দেয় তাকে বাদ দিয়ে শুধু সাময়িক স্বার্থবুদ্ধি দিয়ে সাম্যবাদের আবেদন ব্যাখ্যা করতে যাওয়া ভুল। মার্ক্সবাদী অবশ্য বিশ্বাস করেন যে তাঁর আদর্শের বনিয়াদ ইতিহাসের বাস্তব ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায়। কিন্তু ধর্মের জয় অবশ্যম্ভাবী এই বিশ্বাসের যেমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, পৃথিবীতে আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে এই ধারণারও তেমনই যুক্তিতে ভিত্তি নেই। আমরা যা প্রাণপণে চাই তাকে অবশ্যম্ভাবী বলে ভাবতে ভালোবাসি। আদর্শকে প্রাণপণে চাইতে পারায় মানুষের মহত্ত্ব। আদর্শের জন্য কর্মে এবং সেই কর্মে সামান্য সাফল্যেও মানুষের গৌরব। কিন্তু আমাদের দৃষ্টির সীমার ভিতর কোনোদিন সেই আদর্শ তার সম্পূর্ণতায় রূপায়িত হবে এই কল্পনাকে বিজ্ঞানসম্মত মনে করাটাই অবৈজ্ঞানিক। কাল ও কালাতীতের পারস্পরিক আকর্ষণেই আদর্শের সৃষ্টি।

    তরুণ মার্ক্স একদিন উপলব্ধি করেছিলেন যে, কর্মবিভাগই কর্মবন্ধন। তিনি দেখেছিলেন যে, শ্রমবিভাগ একদিকে উৎপাদন পদ্ধতির উন্নতির জন্য অপরিহার্য; আবার অন্যদিকে কর্মকে খণ্ড খণ্ড করে বাঁধাধরা নিয়মের দ্বারা আবদ্ধ করে মানুষের ব্যক্তিত্বের উপর এই ব্যবস্থাই হয়ে ওঠে এক কঠোর বন্ধন। জীবিকার জন্য এই ব্যবস্থায় আমাদের ঢুকতে হয়। তারপর চলে কাজের দিনে আমাদের বন্দীদশা। মার্ক্স তাঁর তরুণ বয়সের কোনো কোনো পুস্তকে এই ভাবটি সবিস্তারে আলোচনা করেছিলেন। পরবর্তী কালে যদিও কর্ম বিভাগের চেয়েও উৎপাদনে ব্যক্তিগত মালিকানার প্রশ্নটিই তাঁর কাছে বড় হয়ে উঠেছিল তবু তাঁর তরুণ বয়সের সেই চিন্তা তিনি কখনও বিস্মৃত হননি। তাঁর আদর্শ সাম্যবাদী সমাজে কর্মবিভাগ থেকে তিনি ব্যক্তিকে মুক্তি দিয়েছেন। সেখানে একই মানুষ “সকালে শিকার করবে, দুপুরে মাছ ধরবে, বিকালে মাঠে গরু চরাবে এবং সন্ধ্যায় আহারের পর (সাহিত্যদর্শনাদি) আলোচনা করবে।” কথাগুলি মার্ক্স নিজেই লিখেছিলেন। বাস্তব। বুদ্ধিকে এখানে অতিক্রম করে গেছে কামনা শক্তি। মার্ক্সের নাম কণ্ঠে নিয়ে প্রথমে রুশ দেশে এবং পরে আরও একাধিক দেশে বিপ্লব সাধিত হয়েছে। রুশ দেশে শিল্পে ব্যক্তিগত মালিকানা উচ্ছেদ হয়েছে অর্ধশতাব্দী আগে। কিন্তু মালিকানা লোপ পেলেই কর্মবিভাগ। লোপ পায় না। কর্মবিভাগের ভিত্তি উৎপাদন ব্যবস্থার আরও গভীরে। তাই রুশ দেশেও কর্মবিভাগ ও কর্মবন্ধন তেমনই অব্যাহত যেমন অন্যান্য শিল্পপ্রধান দেশে। সেই সঙ্গে আছে নিয়মশৃঙ্খলা, রাষ্ট্র ও আমলাতন্ত্র। এখান থেকে সেই কল্পিত সাম্যবাদে যাবার পথ মার্ক্সই কি জানতেন? কিন্তু সেই স্বর্গ যে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হবে এই বিশ্বাসে মার্ক্সবাদী অটল। ইতিহাসের বিশ্লেষণ অনুষঙ্গ মাত্র বিশ্বাসের এই অটলতা আসে কালাতীত আদর্শের আকর্ষণ থেকে।

    ধনতন্ত্র আদর্শ ব্যবস্থা নয় একথা আজ সাধারণভাবে স্বীকৃত। বিশ শতকের “উটোপিয়া” সাম্যবাদী সমাজ। আমার কম্যুনিষ্ট বন্ধুদের দু’ভাগে ভাগ করা যায়। একদল সোভিয়েত পরিকল্পিত অর্থনীতির প্রতি অনুরক্ত। অন্যদল মূলত নৈরাজ্যবাদী। এঁরা জানেন যে, সোভিয়েত দেশের শ্রমিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ভিতর বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে দাঁড়িয়ে আছে এক অতি স্ফীত আমলাতন্ত্র। ওদেশের চাষীর সঙ্গে যৌথ খামারের আজও মনের মিল হয়নি। শিল্পী সাহিত্যিকের স্বাধীনতা ওখানে শাসকগোষ্ঠীর স্বৈরাচারে অতিশয় খণ্ডিত। এ সব তথ্য প্রথম দলের বন্ধুরাও হয় তো সম্পূর্ণ অস্বীকার করবেন না। তবে ওঁরা যুক্তি ফাঁদবেন যে, এ সবই ধনতান্ত্রিক সমাজচেতনার প্রলম্বন মাত্র। এ যুক্তিতে প্রকৃত অবস্থার কিছু তারতম্য হয় না। মোট কথা হিংসাত্মক বিপ্লবের আগুনে সমাজের বহিরঙ্গের যে অংশটা বিনাশ করা যায় তাতে অসাম্যের গভীরতর কারণ নির্মূল হয় না। বরং সাম্যবাদী একনায়কতন্ত্রে অসাম্য নতুন সমর্থন খুঁজে পায়। তা ছাড়া দলীয় ক্ষমতার কাড়াকাড়ির প্রশ্ন বাদ দিলেও আর্থিক পরিকল্পনার রূপায়ণে কয়েকটি কঠিন সমস্যা এড়ানো যায় না। অধস্তন সমস্ত সংগঠনের উপর পূর্ণ কর্তৃত্ব না থাকলে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনাকে যথাযথ রূপদান করা কঠিন। এই কারণে পরিকল্পিত অর্থনীতিতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণের দিকে একটা ঝোঁক দেখা দেয়। অথচ কেন্দ্রে ক্ষমতা যতই বৃদ্ধি পায় ততই অধস্তন সংগঠনগুলি অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরিকল্পনার গুণাগুণ যাই হোক-না-কেন সেটা ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া পরিকল্পনা মনে হয়। পরিকল্পনার সফল রূপায়ণ। এতেও আবার অসম্ভব হয়ে ওঠে। এ সমস্যার বিভিন্ন সমাধান সম্ভব এবং কোনো সমাধানই কার্যত সর্বাঙ্গসুন্দর নয়। সাম্যবাদের এই বাস্তব চিত্রের সঙ্গে আদর্শ চিত্রের পার্থক্য বিস্তর। কিন্তু ভক্ত সাম্যবাদী এই বিকৃত বাস্তবের পিছনে এক অবিকৃত আদর্শের আসন্ন অভ্যুদয় নিয়ত অনুভব করেন।

    .

    ৪

    “উটোপিয়ার একটি বিপদ আছে। মিথ্যা ধর্মের মতোই এ যুগের “উটোপিয়া” প্রেমের প্রচণ্ড শক্তিকে হিংসার দাসে পরিণত করেছে।

    মানুষের মনের আদিম হিংসাকে সভ্যতা বহু যত্নে নানা বাধা নিষেধ দিয়ে সংযত করে। রাখে। যে-স্বার্থ শুধুই ব্যক্তিগত সেই ক্ষুদ্র স্বার্থের এত জোর নেই যে সভ্যতার স্বীকৃত বাধা নিষেধকে সে সদর্পে ও প্রবলভাবে অস্বীকার করে। আদর্শের নামে যখন হিংসাকে আহ্বান করা যায় তখনই সেই বিশোরক শক্তির সৃষ্টি হয় যাতে সমস্ত নীতি ধূলিসাৎ হয়ে। যায়। আমরা যখন একটি বড় ধারণাতে সমগ্রভাবে বিশ্বাস স্থাপন করি এবং সেই আদর্শকে কার্যে পরিণত করার পথে একটি স্কুল বাধাকে চরম বাধা বলে কল্পনা করি তখন সেই বাধা অতিক্রমের জন্য কোনো উপায়কেই আর নীতির দিক থেকে অগ্রাহ্য বলে মেনে। নিতে পারি না। অতি বড় অন্যায় কর্মকেও তখন এত বড় একটা উদ্দেশ্য লাভের জন্য গ্রহণযোগ্য মনে হয়। ঈশ্বরকে যতক্ষণ জগতের উর্ধ্বে অথবা ভক্তের অন্তরের জিনিস ভাবা যায় ততক্ষণ জাগতিক কলহে তাঁকে টেনে নামানো হয় না। কিন্তু ঈশ্বরকে যখন বিশেষ কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক করে দেখা হয় এবং শমিত্র সেই সূত্রে নির্ধারিত হয়, তখনই বিপদের শুরু। সাম্যবাদী প্রচেষ্টাকে শ্রেণী সংগ্রামের তত্ত্ব এমনই একটা ধর্মযুদ্ধের ব্যাপার করে তুলেছে। শ্রেণী বিশেষই যদি পরম উদ্দেশ্য সাধনের পথে চরম বাধা হয় তবে তাকে সর্বপ্রকারে উচ্ছেদ করাই প্রয়োজন।

    উদ্দেশ্য ও উপায়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনায় তাই এ কথাটা প্রথমেই মনে রাখা আবশ্যক যে, কোনো স্থূল বাধাই আদর্শ সিদ্ধির পথে শেষ বাধা নয়। বিধর্মীকে আগুনে পুড়িয়ে ধর্মকে বিপন্মুক্ত করা যায়নি। হিংসাদ্বারা কখনও কোনো ফললাভ হয়নি এমন নয়। অহিংসা উচ্চতর নীতি হলেও আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য বলপ্রয়োগকে এক কথায় অন্যায় বলা যায় না। কিন্তু হিংসাদ্বারা কদাচিৎ দেশের কোনো স্থায়ী কল্যাণ সাধিত হয়। বরং হিংসাকে উপায় হিসাবে গ্রহণ করলে তারই ফলে শেষ উদ্দেশ্য সাধনের পথে নতুন বাধা সৃষ্টি হয়। প্রতিক্রিয়াশীলদের নিধনের জন্য যে-অস্ত্র শানিত হয়েছে তাতেই আবার বিপ্লবীরা পরস্পরকে বিনাশ করেছেন। হিংসাকে পরিবর্তনের প্রধান অস্ত্র হিসাবে গ্রহণ করলে পুরনো ব্যবস্থা যদিবা ভাঙ্গে নতুন ব্যবস্থার মূলে হিংসা ও সন্দেহই থেকে যায়। এরই ভিত্তিতে স্বৈরাচারের নতুন সৌধ সৃষ্টি হয়।

    প্রগতি নিশ্চয়ই কাম্য। বিজ্ঞানের অনুশীলন চাই, কারণ পশ্চাৎপদ দেশগুলিতে বিজ্ঞানের প্রয়োগের সাহায্যে ধনোৎপাদন বৃদ্ধি ছাড়া দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়। ব্যবহারিক প্রয়োজনের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা বাঞ্ছনীয়। শ্রমের সঙ্গে পারিশ্রমিকের ঘনিষ্ঠতাআবশ্যক, কারণ তা নইলে শ্রমে উৎসাহ আশা করা যায় না। উৎপাদিকা শক্তির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অসাম্য যত কমানো যায় ততই ভালো। এ সবই স্বীকার্য এবং এজন্য দেশজোড়া পরীক্ষানিরীক্ষা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সতর্ক সংগ্রাম ও গঠনধর্মী কর্ম প্রয়োজন। কিন্তু সেই সঙ্গে এই কঠিন সত্যটাও মনের এক কোণে জেনে রাখাই ভালো যে, সমাজ কখনও সর্বাঙ্গসুন্দর হবে না; মানুষের জীবনে দুঃখেরও কখনও অবসান ঘটবে না।

    প্ল্যাটোর মতোই প্রাচীন ধর্মবিশ্বাসীরা দেহ ও আত্মার ভিতর বিভেদ করতেন। তাতে অপর সত্যাসত্য যাই ব্যক্ত হোক না কেন একটা মূল বিশ্বাস স্পষ্ট হত। মানুষের মনের মহত্তম অংশ একটি আদর্শের ধ্যানে অভ্যস্ত, যে-আদর্শ দেহ ও কালের সীমাবদ্ধতায় কখনও পূর্ণতা লাভ করে না। আত্মার অমরত্বের কথা বাদ দিলেও এই বিশ্বাসটিই অবশিষ্ট থাকে। আমাদের এই বিজ্ঞানের যুগে প্রকৃতির উপর মানুষের কর্তৃত্ব বাড়বার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আত্মাকেও দেহেরই একটি গুণ মাত্র ভাবতে শিখেছি। অর্থাৎ, মানুষ যখন মহাকাশের যাত্রী হতে পেরেছে, একদিন যা কল্পনা ছিল আজ যখন তা বাস্তবে পরিণত হচ্ছে, তখন মানুষের ক্ষমতার কোনো সীমাই আমরা আর মানতে রাজী নই। বাইরের সমস্ত বাধা সম্বন্ধে মানুষ, বিশেষত তরুণেরা, আজ অধৈর্য। অথচ বহিঃপ্রকৃতির উপর আমাদের কর্তৃত্ব যতই বৃদ্ধি পাক না কেন, মানুষের অন্তরের আদর্শকে বাস্তবে পরিণত করার পক্ষে সেটা যথেষ্ট নয়। প্রকৃতির শক্তিকে আমরা চালনা করতে শিখেছি, কিন্তু হিংসার শক্তি এখনও অজিত। টেস্ট টিউবে ভূণ সৃষ্টি সম্ভব কি না বিজ্ঞানের এই সাময়িক প্রশ্ন বাহ্য। এই মাটির আধারে দুঃখকে জয় করা যাবে কিনা বুদ্ধের সেই চিরকালের প্রশ্নই তুলছি। বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষের আয়ু বেড়ে চলেছে, কিন্তু সুখ কণামাত্র বেড়েছে কি না সন্দেহ। বরং এ যুগের বিজ্ঞান মিথ্যা আশার ছলনায় মানুষের মানসিক স্থৈর্যকে বিপর্যস্ত করেছে। বিজ্ঞান ছাড়া আমাদের গতি নেই; কিন্তু অবাস্তব আশাও বিপদের কারণ হয়। কাজেই ধৈর্য ছাড়া উপায় কি?

    আমাদের মনের যে-ছদ্মবেশী হিংসা সব ভাঙ্গতে চায় সে বলে যে, বিরাট ভাঙ্গনের ভিতর দিয়ে সম্ভব সমাজের মহং মুক্তি। কিন্তু এটা পাগলামি। ইয়োরোপে গত দুশ বছরে যে-দেশগুলিতে বিপ্লবের ধ্বনি সবচেয়ে বেশী শোনা গেছে তারা অন্যদেশের তুলনায় কিছু বেশী এগিয়ে যায়নি। ব্যক্তির নিঃসঙ্গ অন্তরে হয় তো কখনও মুক্তি আসে প্রেমের প্রলয়ের ভিতর দিয়ে। কিন্তু সমাজবদ্ধ মানুষের জীবনে পতনই সম্ভব সহসা, স্থায়ী উন্নতি ঘটে ধীরে ধীরে অপূর্ণতার সীমারেখা ধরে।

    সমাজ ও ইতিহাস (১৯৭০)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }