Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭.৬ প্রেম ও পূজা

    সেই প্রেম নিয়ে কথা বলছি যৌনতার সঙ্গে যার যোগ আছে। সমসাময়িক সমস্যা দিয়ে আলোচনা আরম্ভ করা যাক, শেষ হবে চিরন্তন কথায়।

    আমাদের এই আধুনিক সমাজে স্বামীস্ত্রীর সম্পর্কের জটিলতা আর ভুল বোঝাবুঝি বেড়ে চলেছে। মৌলবাদীরা মেয়েদের অন্তঃপুরে ফেরত পাঠাচ্ছেন। মেয়েরা-যে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন এইখানেই ওরা সমস্যার মূল কারণ দেখছেন।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই চাকরীজীবী মহিলাদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। এর একটা লক্ষ্য আর্থিক পরিবারের আয়বৃদ্ধি। কিন্তু সেটাই একমাত্র কথা নয়। মহিলারা। অন্তঃপুরের আবদ্ধতায় আর থাকতে চাইছেন না। বাইরের বড় পৃথিবীর সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ যতই বাড়ছে, তার বৈচিত্র্যে ও প্রাণচাঞ্চল্যে যতই তাঁরা অভ্যস্ত হচ্ছেন, ততই সেটা বাদ দিয়ে জীবন আর পরিপূর্ণ মনে হচ্ছে না। যৌথ পরিবার টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। স্বামীস্ত্রীর ছোটো পরিবারের চার দেয়ালের মধ্যে স্ত্রী হাঁপিয়ে ওঠেন, বাইরের বিশ্বে তিনি মুক্তি খোঁজেন। সন্তানের সংখ্যা যতই কমছে, শুধু সন্তান প্রতিপালনে স্ত্রীকে আবদ্ধ রাখা ততই অযৌক্তিক হয়ে উঠছে। পৃথিবীজোড়া এই দিকে ঝোঁক।

    এদেশেও ঘরের বাইরে নারীর বিচরণ ক্রমেই অবাধ হয়ে উঠেছে। এই বড় পরিবর্তনটা দ্রুত ঘটে গেছে গত অর্ধশতাব্দীতে। বহু শতাব্দীর ঐতিহ্য ভেঙে পড়েছে। পুরুষ এই ব্যাপারটা ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি। শাশুড়িরাও অনেকে পেরেছেন কি? বাইরের পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর মেলামেশায় স্বামী অভ্যস্ত নন। এই অবস্থায় অনেক স্বামীই সন্দেহপ্রবণ হয়ে ওঠেন। এটা আবার স্ত্রীর কাছে স্বাভাবিক কারণেই বিরক্তিকর। স্বামী বাইরের জগতের মহিলাদের সঙ্গে মেলামেশা করেন, তাতে দোষ নেই, স্ত্রীর। মেলামেশাতেই দোষ, এটা মেনে নেওয়া আজকের নারীর পক্ষে কঠিন। সন্দেহ মাত্রা মেনে চলে না, মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়াটাই তার ধর্ম। অতিরিক্ত সন্দেহের শিকার হবার পর স্ত্রীর মনে একটা রোখ চেপে যায়। স্বামীও সন্দেহের শিকার হন, তখনও একই ব্যাপার ঘটে। এমনি করে গড়ে ওঠে একটা অবাধ্য চক্র। স্বামীস্ত্রীর ভিতর সম্পর্কে তিক্ততা বাড়তে থাকে। শ্রদ্ধাহীন সহাবস্থানের দণ্ড মাথায় নিয়ে উভয়ে বাস করেন।

    পুরুষদের বহুগামিতা পুরনো ঐতিহ্যে মেনে নেওয়া হয়েছিল। অনেক স্ত্রীই সেটা সহ্য করতেন। অনেকেই ধরে নিতেন যে, পুরুষের পক্ষে ওটা স্বাভাবিক। কিন্তু স্ত্রীর কাছ থেকে দাবি করা হত অনড় অটল একগামিতা। অধিকারের এই অসাম্য আজকের নারীর। কাছে শ্রদ্ধেয় নয়, মান্যও নয়। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের কি কোনো পথ নেই?

    মৌলবাদীদের কথা আগেই বলা হয়েছে। তাঁরা পরিত্রাণ খুঁজছেন নারীকে পুনর্বার অন্তঃপুরবাসিনী করবার পথে। কোনো কোনো দেশে এই নিয়ে জোরজুলুম চলেছে। কিন্তু এভাবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পুরুষের স্থান বাইরের পৃথিবীতে, সেখানে সে হবে প্রায়শ বহুগামী, আর নারীর স্থান ঘরে, সেখানে বিরাজ করবে। একগামিতা, এ বিধান চলবে না।

    কেউ কেউ একটা সরল সমাধান দিচ্ছেন। ঘরে বাইরে সর্বত্রই নারীপুরুষ উভয়েরই স্থান থাকবে। আর উভয়েই হবেন একগামী। এই বিধানে উকট অসাম্য নেই। তাছাড়া স্বীকৃত নৈতিকতার সঙ্গে এর মিল আছে। স্বামীস্ত্রী উভয়েই যদি এটা মেনে চলেন তবে বাহ্যদৃষ্টিতে কোনো সমস্যা থাকে না।

    কিছু দুঃখজনক জটিলতা তবু থেকেই যায়। এমন অনেক স্বামীস্ত্রী আছেন যাঁরা একগামী ঠিকই, কিন্তু যাঁদের যৌনসম্পর্কের ভিতর কোনো সৌন্দর্য নেই, কোমলতা নেই। স্বামী জান্তব তাড়না থেকে কাজটা করেন। স্ত্রী এ থেকে কোনো আনন্দ পান না। তিনি ব্যাপারটাকে ভয় করেন, এমন কি ঘৃণা করেন। কিন্তু তাঁর অনিচ্ছার কোনো মূল্য নেই। ব্যাপারটা ঘটে তাঁর গভীর বিতৃষ্ণা এমন কি প্রকট প্রতিরোধ সত্ত্বেও একগামিতার সীমার ভিতরই চলে আইনসম্মত বলাৎকার। এই কদর্যতার উদাহরণ অসংখ্য। ঐতিহ্যের চোখে স্বামীর বলাৎকারে দোষ নেই, স্ত্রীর প্রতিরোধেই দোষ। এই অভিশাপ থেকে মুক্তি নেই একগামিতার স্বীকৃত বিধানে।

    দীর্ঘকাল এই অভিশাপ বহন করেই সংসার চলেছে। অন্তত বাহ্যদৃষ্টিতে ভাঙন দেখা দেয়নি। এখন সময় বদলেছে, পুরনো ধারায় আর চলছে না। মনান্তরের ছিদ্রপথে নানা জটিলতা এসে যোগ হচ্ছে। অনেক সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে। চতুর্দিকে স্পষ্ট হয়ে উঠছে অসহিষ্ণুতা ও নির্দয়তা। এটাই মূল সমস্যা। নৈতিকতার প্রচলিত পুরনো ধারণার ভিতর এর সমাধান নেই। পুরনো ধারণাকে আশ্রয় করেই পুষ্ট হচ্ছে নতুন মৌলবাদী আন্দোলন, আগেই যার উল্লেখ করেছি। এই আন্দোলনে অসহিষ্ণুতা আর নির্দয়তাই নীতির গৌরব পাচ্ছে। এই সব অতিক্রম করে যাবার পথ কোথায়?

    বিবাহ নিয়ে নিয়ম ও ধারণা সমাজের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন সমাজে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন বিধান। আমদের পরিচিত ও প্রচলিত বিধানের মূলে সম্পত্তি ও সন্তানপালনের কথাটা বড়। কিন্তু আধুনিক মানুষকে ভিতরে ভিতরে কুরে। খাচ্ছে অন্য এক যন্ত্রণা। সে যুক্ত হতে চায়, কিন্তু সে বিচ্ছিন্ন। যাকে নম্র হয়ে পেতে হয়, তাকে সে দখল করে নিতে চায়। না পেলে সব কিছু ভাঙবার রোখ চাপে। এ থেকে নিস্তার নেই কোনো বাহ্য বিধানে, সম্পত্তি নিয়ে চিন্তায় তো নিশ্চয়ই নেই। বিধান কিছু প্রয়োজন বটে। কিন্তু তার সঙ্গে চাই অন্য এক ঔদার্য ও মূল্যবোধ।

    কী সেই মূল্যবোধ? তাকে উচ্চারণ করা যাবে কোন ভাষায়? মানুষের সমাজ ও চেতনার বর্তমান স্তরে স্ত্রীপুরুষের যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো বিধানকেই কি মূলবিধান বলে বিবেচনা করা যায়? এসব প্রশ্ন উপেক্ষণীয় নয়, তবু জবাব দিতে গিয়ে সতর্ক হতে হয়। যে-সব কথা একদিন তর্কাতীত ছিল তাও আজ তর্কসাপেক্ষ। বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটি স্ত্রীপুরুষের সহবাসের জন্য আবশ্যক কি না এ নিয়েও নতুন প্রজন্মের মনে গভীর সংশয় আছে। কী-যে মূল্যবান আর কী নয় এ নিয়ে আজ মতৈক্যে পৌঁছানোনা কঠিন কাজ। আমাদের নির্বাচন এমন হওয়া চাই যে, নতুন যুগের গভীরতর প্রতীতির সঙ্গে তার সামঞ্জস্য থাকে, আবার কিছু স্থায়ী মুল্যেরও তাতে স্বীকৃতি ঘটে। আমাদের চিন্তার ভিতর মূল্যবোধের সঙ্গে আরো থাকা চাই সেই নম্যতা যাতে সাধারণ সিদ্ধান্তকে খণ্ডন না করেও বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ভিন্ন ভিন্ন পথে মুক্তির সন্ধান করতে পারে। এইসব শর্ত মেনে কোনো সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কি একেবারেই সম্ভব?

    ৷৷ দুই ৷৷

    এইসব প্রশ্ন কিছুক্ষণের জন্য দূরে সরিয়ে রেখে বিষয়টার আরো একটু গভীরে যাওয়া যাক।

    যৌনবিচার ও অনুভূতির স্তরভেদ আছে। এ নিয়ে এইবার কয়েকটি কথা বলে নেওয়া আবশ্যক।

    একস্তরে যৌনতার সঙ্গে মিশে আছে ভয় ও পাপবোধ। মানুষকে সে লুব্ধ করে। চরিত্রের সংযম ভেঙে দেয়। মনের সেই অভিনিবেশ নষ্ট হয়, যাকে হারালে কোনো বড় কাজই সুসম্পন্ন করা যায় না। সেই অসংযত যৌনতা মুক্তির পথ নয়, বরং বন্ধন। বাধা পেলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পীড়নের ভিতরই একরকম বিকৃত সুখ খোঁজে। যৌনতার এই এক ভয়ংকর রূপ। কামবোধ আর হিংসা এখানে মিলেমিশে গেছে।

    এতে বিস্মিত হবার কিছু নেই যে, একরকমের নৈতিকবিধানে জোর পড়েছে সংযমের ওপর। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় একসময়ে ব্রহ্মচর্যের একটা বিশিষ্ট স্থান ছিল। বাড়ির বড় একটা শক্ত ভিত্তি দরকার, চরিত্রেরও সেইরকম। ভিত্তি দুর্বল হলে তার ওপর বড় কিছুই গড়ে তোলা যায় না। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, শিক্ষায় সংযম ও অনুশীলনের স্থান। থাকা আবশ্যক।

    যৌনতার অন্য এক স্তর এবং অন্য এক রূপ আছে যেখানে সে সুন্দর। কেউ কেউ এমন কথাও বলেছেন যে, যৌনতারই এক উদ্‌গতির ফলে কবির চোখে পৃথিবী সুন্দর। কথাটা কিন্তু অন্যভাবে বলাই ভালো। মানুষের চেতনায় একটা প্রীতির শক্তি আছে, আত্মাকে প্রসারিত করবার শক্তি আছে, যেটা বিশ্বে পরিব্যাপ্ত হয়ে বিশ্বকে আনন্দরূপ করে তোলে। সেই শক্তিই আবার যৌনতায়ও সঞ্চারিত হয়, তাকে সুন্দর করে তোলে। এখানে একটা আরোহণ অবরোহণের ব্যাপার আছে। শুদ্ধ চেতনার আনন্দময়তার যেমন একটা ভূমিস্পশী অবরোহণের স্রোত আছে, তেমনি যৌনতার তেজে উদ্দীপ্ত হয়ে তার একটা আকাশবিহারী আরোহণের ধারাও আছে।

    যৌনতাকে যখন আমরা পাপবোধের দ্বারা চিহ্নিত করি তখন মানুষের দেহ আমাদের চোখে পাপেরই প্রতীক হয়ে ওঠে। আবার যে-স্তরে যৌনশক্তি সুন্দরের ধারক সেখানে মানুষের দেহও সেই রূপ ধারণ করে। যুগে যুগে কবি ও শিল্পীরা মানুষের দেহকে, বিশেষত নারীদেহকে (অধিকাংশ কবি পুরুষ বলেই কি?), মুগ্ধ দৃষ্টিতে চিত্রিত করেছেন।

    যে-দৃষ্টি নিয়ে কবি প্রকৃতির রূপময়তায় অবগাহন করেছেন, সেই দৃষ্টির স্পর্শে নারীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গও রূপময় হয়ে উঠেছে। ভয় এবং পাপবোধের কদর্যতা থেকে মুক্ত করে যৌনতাকে ও মানুষের দেহকে সুন্দর বলে চিনে নেওয়ার জন্যও একরকমের শিক্ষার প্রয়োজন হয়।

    মূল কথাটা এখানে দুভাগে ভাগ করে নিয়ে বলতে হবে।

    শুধু পাপবোধের দাপটে হিংসা ও কদর্যতাকে কখনই ঠেকানো যায়নি, সংযমশিক্ষাও সম্পূর্ণ হয়নি। বরং পাপবোধ অনেক সময় এককমমের নির্দয়তাকেই আশ্রয় দিয়েছে। সৌন্দর্যশিক্ষার মধ্যেই সংযমশিক্ষারও স্থান আছে। আমরা যখন দৃষ্টি এবং স্পর্শকে লোভের তাড়না থেকে রক্ষা করতে শিখি তখনই সেই দৃষ্টিতে সুন্দরের চিত্ররেখা ধরা পড়ে, সেই স্পর্শে কোমলতার অনুভব রক্ষা পায়। সংযমের এটাই সদর্থ। এই হল প্রথম কথা।

    এরপর একটা দ্বিতীয় কথা আছে। নেহাত নান্দনিকবৃত্তির ওপর যৌনতাকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলেও বিপদ থেকে যায়। তাতে যৌনতা একরকমের বিলাস হয়ে ওঠে, অন্তত সেই সম্ভাবনা প্রবল। এর অকাট্য প্রমাণ ছড়িয়ে আছে অভিজাতশ্রেণীর ইতিহাসের অধ্যায়ে অধ্যায়ে।

    সুন্দরকে রক্ষা করবার জন্যও নিতান্ত সৌন্দর্যপ্রিয়তাকে অতিক্রম করে যেতে হয়। এই থেকেই আসে যৌনতার ও প্রেমের একটা তৃতীয় স্তরের কথা। এখানে ভোগটা প্রধান কথা নয়, পুজোটাই প্রধান। এ যেন আরতির ধোঁয়ার ভিতর দিয়ে দেবীর মুখ দর্শনের মতো। সঙ্গমও সেখানে হয়ে ওঠে অঙ্গ দিয়ে অঙ্গের পুজো। রবীন্দ্রনাথের গানের ভিতর যে বারবার প্রেম ও পূজার পার্থক্য মুছে যায় সেটা এইখানে অর্থবহ। প্রেমের স্পর্শে শুধু প্রেমাস্পদের নয়, বিশ্বেরই একটা রূপান্তর ঘটে। আলোরও রং বদলে যায়, সমস্ত আকাশ ঝুঁকে পড়ে আমাদের চোখে চোখ রাখে, হৃদয়ে প্রবেশ করে। সংযম, প্রেম, পুজো সবই সেখানে একাকার হয়ে যায়। তখন আর আলাদা করে সংযমরক্ষার ক্লেশে চরিত্র কঠিন হয়ে ওঠে না, বিচ্ছিন্ন ভোগতৃষ্ণায় মন ক্লান্ত হয় না। চেতনার এই অবস্থাকে আমরা স্থায়ীভাবে যদি-বা লাভ করতে না পারি তবু এটাকে সত্য বলে জানাতেই দিগভ্রান্তি দূর হয়।

    মানুষের চেতনার বিবর্তনের এই এক বৈশিষ্ট্য যে জড়তার ভিত্তি থেকে যাত্রা শুরু তারপর স্তর থেকে শুরান্তরে গুণগত পরিবর্তনের ভিতর দিয়ে চেতনা অগ্রসর হয়ে চলে। কোনো স্তরকেই একেবারে উপেক্ষা করা যায় না। তবু গতিরেখা সম্বন্ধে একটা বোধ চাই, তাকেই বলি দিগবোধ। দিগবোধ থেকে বিচ্ছিন্ন করলে সব বিধানই শেষ অবধি তার সদর্থ হারায়।

    ॥ তিন ॥

    কিছুক্ষণ আগে কয়েকটি প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, সেইখানে আবার ফিরে যাওয়া যাক। স্ত্রীপুরুষের যৌনসম্পর্ক বিষয়ে স্থানীয় আচারবিচারে বিস্তর পার্থক্য আছে, আমাদের মূল জিজ্ঞাসা সেইসব নিয়ে নয়। এমন কিছু সাধারণ বিধানই আমাদের অনুসন্ধানের বস্তু যার সঙ্গে এ-যুগের প্রাগ্রসর চেতনা ও মূল্যবোধের সামঞ্জস্য আছে।

    তিনটি বিধানকে বোধ করি এইরকম মূল বিধান বলে চিহ্নিত করা সম্ভব। বিবাহ বলে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নাও থাকে তবু এইসব বিধানের যৌক্তিকতার তারতম্য ঘটে না। বিধান তিনটি এইরকম

    নারী অথবা পুরুষ কেউই এমন কোনো অধিকার নিজের ন্য দাবি করবেন না অপরের জন্য যে-অধিকার তিনি মেনে নিতে রাজী নন।

    পারস্পরিক প্রীতি ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে ছাড়া যৌনসম্পর্ক শ্রদ্ধেয় নয়; যৌনতার নেশা অন্যসব নেশাগ্রস্ততার মতোই বন্ধনবিশেষ, অতএব সে বিষয়ে সতর্কতা আবশ্যক।

    এই তিনটি শর্ত অথবা বিধান নিয়ে এবার সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক।

    জনজীবনে আজ নারী ও পুরুষের সমান অধিকার অন্তত সংবিধানে স্বীকৃত। যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে সেই সাম এখনও মৌখিক স্বীকৃতিও লাভ করেনি। দীর্ঘ অভ্যাস ও ঐতিহ্য সাম্যের পথে বাধা হয়ে আছে। এইসব বাধা ক্রমে দুর্বল হয়ে আসছে। নতুন সংকটের সম্ভাবনা অস্বীকার না করেও বলা যায়, ইতিহাসের ঝোঁক সাম্যের দিকে।

    প্রশ্ন উঠবে, স্ত্রী ও পুরুষের প্রকৃতিতে কি কোনো পার্থক্য নেই? কোনো ব্যক্তিই কিন্তু এক অবিমিশ্র ধাতুতে গঠিত নয়। প্রতিটি মানুষ স্বাভাবিকভাবেই দুই ভিন্ন ধাতুর মিশ্রণে গঠিত, যার একটিকে নারী বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, অন্যটিকে পুরুষ। অবশ্য এই মিশ্রণ ঘটে বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে। সমান অধিকার লাভের পরও বিভিন্ন ব্যক্তি নিজ নিজ প্রকৃতি অনুযায়ী আত্মপ্রকাশের ভিন্ন ভিন্ন উপায় বেছে নেবে এইরকমই আশা করা যায়। নারীপ্রকৃতি বলে যে-কোমলতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে সেটা মানবপ্রকৃতিরই একটা বিশেষ অঙ্গ, তার মূল্য অনেক। “পুরুষ হয়ে উঠবার অস্বাভাবিক অতিচেষ্টায় সমাজের অকল্যাণের সম্ভাবনা আছে। অধিকারের অসাম্য কিন্তু এই অস্বাভাবিক চেষ্টাকেই আজ প্ররোচিত করছে। নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছায় পরস্পরকে কিছু বিশেষ সুবিধা ছেড়ে দিতে। পারে, সেটা ভিন্ন কথা। বিশেষ অধিকার দাবি করতে গেলে এ-যুগে কলহই বাড়বে। সাম্যের বিধানই শ্রেয়।

    মানুষে মানুষে সম্পর্ক যখন প্রীতি ও সদিচ্ছার আচ্ছাদনে আবৃত নয় তখন সেটা সুন্দর নয়, আনন্দবর্ধক নয়। এইরকম সম্পর্কও সংসারে কখনো কখনো রক্ষা করে যেতে হয়। অবস্থাবিশেষে সেটাই যুক্তিসঙ্গতও হতে পারে। যেমন, টাকা ধার নেবার পর প্রীতির সম্পর্ক না থাকলেও টাকা ফেরত দেবার কর্তব্যটা থেকেই যায়। কিন্তু প্রীতি ও সদিচ্ছা থেকে বিচ্ছিন্ন যৌনসম্পর্ক না রাখাই ভালো।

    এমনও হতে পারে যে, প্রীতি সদিচ্ছা সবই আছে, তবু স্ত্রী যৌনসম্পর্ক ইচ্ছা করেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষের ইচ্ছাটাই স্ত্রী মেনে নেন। তাতে অন্তত বাহ্যত সমস্যাটা থাকে না। তবে সব ক্ষেত্রে এমন হয় না। সাধারণ বিধান হিসেবে এটাই মান্য যে, অনিচ্ছুক স্ত্রীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক ত্যাগ করাই উচিত।

    এর একটা বড় উদাহরণ লোকমুখে আমি শুনেছি। এদেশের একজন শ্রদ্ধেয় নেতার জীবনের কথা সেটা। তরুণ বয়সে তিনি বিবাহিত হন। বিবাহের পর বিদ্যাসংগ্রহের জন্য বিদেশে যান। স্ত্রী থেকে গেলেন গান্ধীজীর আশ্রমে। পুরুষটি ফিরে এসে দেখেন, স্ত্রী আজীবন ব্রহ্মচর্যব্রত গ্রহণ করবেন বলে স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সব কথা শুনে স্বামী বললেন, তিনি নিজে যৌনসম্পর্কই ইচ্ছা করেন, সেটাই তাঁর চোখে সুন্দর; কিন্তু স্ত্রীর যদি অনিচ্ছা থাকে তবে সেই অনিচ্ছাকেই তিনি মান্য করে চলবেন। তিনি তাই করেছিলেন। এই নায়কটির সামনে অবশ্য অন্য একটি পথও খোলা ছিল। তিনি অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে পারতেন, তাতে দোষ হত না, গান্ধীজীরও তাতে অমত ছিল না। তবে সেই পথ তিনি বেছে নেননি। এই স্বামীস্ত্রীকে আমি দেখেছি। এঁদের ভিতর প্রীতি অথবা সদিচ্ছার অভাব ছিল না।

    প্রীতি ও শ্রদ্ধাটাই আসল কথা। এরপর যৌনসম্পর্কেও দোষ নেই, ব্রহ্মচর্যেও দোষ। নেই। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী পথ বেছে নেবেন। অধিকাংশ মানুষের পক্ষে যৌনসম্পর্ক রক্ষা করাটাই স্বাভাবিক, সেটাই সুন্দর, মুক্তির পথে সহায়ক।

    তবে সতর্কতা প্রয়োজন। যৌনতার ভিতর একটা নেশা আছে। সতর্কতার অভাবে সেটা বন্ধন হয়ে উঠতে পারে। অধিকাংশ নেশারই ধর্ম এটা। আরম্ভে সে সুখদায়ক। সেই সুখ মানুষকে আকৃষ্ট করে। তারপর তৃষ্ণা বেড়ে চলে। শেষে এমন হয় যে, তৃষ্ণাটাই প্রধান। নেশা থেকে তখন সুখ কতটা পাওয়া গেল সেটা ভাবনার ভিতর থাকে না, তৃষ্ণা না মিটলে যন্ত্রণা অসহ্য হয়ে ওঠে এটাই জরুরী কথা। এটাই নেশাগ্রস্ত মানুষের বন্ধনের দশা।

    যৌনতাকে মুক্তির পথ হিসেবে পেতে হলে তাই কিছুটা অনাসক্তি প্রয়োজন। এইখানেই সংযমের সঙ্গে আনন্দের যোগ। জীবনে যা কিছু আকর্ষণীয় সেই সবই মনে মনে ত্যাগ করে, “ঈশ্বরের পায়ে সমর্পণ করে, তবেই ভোগ করবার কথা বলেছেন আমাদের প্রাচীন ঋষিরা। একটা মূল্যবান অন্তদৃষ্টিকে তাঁরা স্মরণীয় ভাষায় প্রকাশ করেছেন। যাঁরা নিরীশ্বরবাদী তাঁরা কথাটা অন্যভাবে বলতে পারেন। মূল কথাটা বুঝতে পারলেই হল, তা নইলে বিপদ।

    ॥ চার ॥

    আমাদের এই যুগটা যন্ত্রের যুগ। চারিদিকে যন্ত্র ও যান্ত্রিকতার জয়জয়কার। মানুষের সমাজ ও সংস্কৃতির ওপর এর প্রবল প্রভাব আজ প্রশ্নাতীত।

    যৌনতার ক্ষেত্রেও যান্ত্রিকতার প্রভাব এসে পৌঁছেছে। ক্রমেই দেখা যাচ্ছে যে, নতুন প্রজন্মের মানুষ যৌনসুখের জন্য বিপরীত লিঙ্গের ওপর একান্তভাবে নির্ভর করতে আর রাজী নয়। আসলে মানুষ অথবা মনুষ্যত্বের ওপর নির্ভর করতেই সে অনিচ্ছুক। যন্ত্রের সাহায্যেই লাভ করা যায় যৌনসুখ অথবা তার প্রতিকল্প। “অশ্লীল’ চিত্রও এইরকম যন্ত্রবিশেষ। আরো নানা উপায় আছে, কোনো কোনো নেশা যেমন। যন্ত্রের একটা বড়। সুবিধা এই যে, সে মানুষের দাস, কতার ইচ্ছাধীন। তাকে যখন খুশি ডেকে আনা যায়, যখন খুশি ফিরিয়ে দেওয়া যায়। বিপরীত লিঙ্গের মানুষের মন আছে, স্বাধীন ইচ্ছা আছে, অতএব তার ওপর নির্ভরতায় নানা অনিশ্চয়তার দুঃখের ঝুঁকিও আছে। যন্ত্রে অভ্যস্ত। মানুষ দুঃখকে বড় ভয় করে।

    কিন্তু যন্ত্রের একটা বিষম সীমাবদ্ধতা অগ্রাহ্য করা যায় না যন্ত্রের আত্মা নেই। যন্ত্র আমাদের ভোগসুখ দিতে পারে, তার বেশি কিছু দিতে পারে না। যদি পারে তবে সে যন্ত্র। নয়, যেমন সৃষ্টিধর্মী শিল্পসাহিত্য। ভোগসুখের বিপদ এই, সে তৃষ্ণা বাড়িয়ে তোলে, শেষ অবধি সুখের চেয়ে তৃষ্ণাটাই বড় হয়ে ওঠে। ভোগের যন্ত্র তখন আর দাস থাকে না, মানুষই যন্ত্রের দাস হয়। আত্মিক যোগের আনন্দের সঙ্গে দুঃখবেদনা মিশে আছে, তাকে গ্রহণ করতে জানলে তাতে চেতনার গভীরতা বাড়ে। যন্ত্রিক ভোগবাদ এই গভীরতাকে ব্যঙ্গ করে। মানুষের চেতনাকে সে কিন্তু শেষ অবধি একটা ক্লান্ত হতাশার দিকে ঠেলে দেয়।

    এই ভোগবাদকে কী দিয়ে ঠেকাবো? অতীত থেকে এসেছে পাপবোধ। এ-যুগের যৌনবিচারে পৃথিবীময় যে-সংকট দেখা দিয়েছে তার মূলে আছে, প্রচণ্ড পাপবোধ আর তীব্র ভোগবাদের এক অস্থির সহাবস্থান। এদেশের প্রাচীন ঐতিহ্যে সংযমকে মান্যতা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পাপবোধ অথবা দেহ নিয়ে লজ্জাবোধের প্রাবল্য সেখানে ছিল না। এদেশের আকাশের নিচে দিগম্বর জৈন আর অজন্তার নারীরা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছে। মানুষ যে পাপী এই বিপরীত ভাবধারা এসেছে পরবর্তী কালে, বিশেষত আধুনিক যুগে। তারই পাশে পাশে ভোগবাদের জোয়ার কেঁপে উঠেছে দুনিয়াজোড়া। নতুন ভোগবাদ আজ আর অভিজাতবর্গের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে আরো নিচের তলায় নিম্ন মধ্যবিত্তের ভিতরে, যেখানে মানুষ পাপবোধে অভ্যস্ত। এই দুই অসমঞ্জস ভাব পরস্পর পরস্পরকে উত্ত্যক্ত করে চলেছে, বৃদ্ধি পাচ্ছে লোভ ও হিংস্রতা।

    ভোগবাদকে পাপবোধ দিয়ে ঠেকানো যাচ্ছে না। সেজন্য চাই অন্য এক সদর্থক জীবনদর্শন। করুণা, সংযম, প্রকৃতির কাছাকাছি আরো সরল জীবনযাপন, এইসব হতে পারে সেই সদর্থক দর্শনের মূল উপাদান। আমরা যারা এ-যুগে বাস করেছি, আমাদের ব্যর্থ সাধনের শিক্ষা এই। সেই প্রেমই উদ্ধার করে যে-প্রেম করুণা ও অনাসক্তিকে অন্তরে। গ্রহণ করেছে। সংকটের ভিতর দিয়ে আশা করা যায় মানুষের সমাজ অবশেষে এই উপলদ্ধির দিকেই যাবে। কিন্তু কতদিনে? আরো কত হতাশার শেষে?

    আমাদের বাড়িতে শ্যামলী নামে মেয়ে কাজ করত। স্বামী তাকে ছেড়ে গেছে। আমাদের বাড়িতে বাড়িতে যে-মহিলারা কাজ করেন তাঁদের অনেকেই স্বামীপরিত্যক্তা। তাঁদের অনেক কষ্ট। কিন্তু দুঃখ আছে শুধু গরিবের ঘরেই নয়। শ্যামলী একদিন বলেছিল, আমি অনেক বাড়িতে কাজ করেছি, দেখেছি বড়লোকের বাড়িতেও দুঃখ কম নয়, অশান্তি কম নয়। শ্যামলী নিজে দুঃখী। তাই ওর কথাটা আমার মনে থেকে। গেছে। দুঃখের কারণটা যখন কেবলই আর্থিক তখন তার সমাধান খুঁজে পাওয়া তত কঠিন নয়, যদিও সমাধানটাকে কার্যকর করে তোলা সহজ নয়। দুঃখের কারণ যখন প্রধানত আর্থিক নয় তখনই তার সমাধানও জটিল। তাই এত কথা বলা।

    এই আলোচনা আরম্ভ হয়েছিল যৌনপ্রেমের কথা দিয়ে। ধাপে ধাপে আমরা পৌঁছে গেছি অনাসক্তি ও করুণার প্রসঙ্গে যাতে প্রেম দুর্গতি থেকে রক্ষা পায়। সেই শূন্যতায় প্রবেশলাভের প্রস্তাব এটা নয়, অধিকাংশের জন্য বিধান যেটা হতে পারে না। দেহাশ্রয়ী প্রেম ও দেহাতীতের ভিতর পুনঃপুনঃ আবর্তনপ্রত্যাবর্তনের পথের কথাই আমরা বলতে চেয়েছি, জীবনের গতিময়তাকে যা অর্থপূর্ণ করে তোলে, দান করে অশেষ মূল্য। দেশ, ৪ নভেম্বর (১৯৮৯)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }