Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮.০২ বর্তমান সংকটে কর্তব্য

    ৮.২ বর্তমান সংকটে কর্তব্য

    যে চীনের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ সে-চীন দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে অভ্যস্ত। গত ৩৫ বছর যাবৎ এরা ক্রমাগত যুদ্ধের ভেতর দিয়েই চলেছে। ১৯২৭-এ গৃহযুদ্ধের শুরু। তারপর চীন জাপানের লড়াই চললো। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ এলো। গৃহযুদ্ধের যদি অবসান হলো ১৯৪৯-এ, ১৯৫০-এ আবার কোরিয়ায় যুদ্ধ। তারপর তিব্বতে। তারপর ভারতের সীমান্তে। আমাদের মনে রাখা দরকার যে যারা আমাদের সীমান্তে আজ যুদ্ধ করছে, সারাজীবন ধরে যুদ্ধ করা এদের অভ্যেস। আরো ৩৫ বৎসর যদি এদের যুদ্ধ করতে হয়, তাহলে সেটা তাদের কাছে অন্তত অভ্যাসের ব্যতিক্রম হবে না। এই কথা জেনেই আমাদের তৈরি হওয়া দরকার। চীনের আশা এত ছোট নয় যা ছ মাসের যুদ্ধে পরিপূর্ণ হতে পারে। যুদ্ধের কায়দা, যে কায়দা ওদের নেতা মাও সে তুং বহু বৎসরের অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে রপ্ত করেছেন, সেটাও আমাদের মনে রাখা দরকার। লেনিন বলেছিলেন, দুপা এগিয়ে এক পা পিছোবে। মাও সে তুং এই কথাটাকে আরো অনেকখানি চালাকি দিয়ে ভরেছেন। শান্তিকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। যুদ্ধে দুপা এগোবে। শান্তির কথা বলে একপা পেছুবে। শান্তির কথা বলে প্রতিপক্ষকে ঘুম পাড়াবে। তারপর আবার এগোবে। এই নীতি নিয়ে চীন চলবে। যদি তাই-ই হয় আমাদের তা মনে রাখা দরকার। এই আমার প্রথম বলবার কথা।

    দ্বিতীয় কথা এই, আমাদের মনে রাখতে হবে যুদ্ধ যদি করতেই হয়, আমরা নানা দেশের কাছ থেকে সাহায্য নেব। কিন্তু এমন মোহ যেন মনে আমরা স্থান না দিই যে, আমাদের যুদ্ধ অন্য কেউ এসে করে দিয়ে যাবে। একথা যেন আমরা মনে না করি যে, মার্কিন দেশের সৈন্য, ইংরেজ সৈন্য বা অন্য কোন দেশের সৈন্য এসে চীনের বিরুদ্ধে। আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করে যাবে। অস্তু অন্যদেশ থেকে আমরা হয়ত পাব, এবং পেলে। নিশ্চয়ই নেব। জনবল আমাদের আছে এবং সেই জনবলের যাতে ব্যবহার হয়, এদেশের। সৈন্যবাহিনী যাতে যথেষ্ট বড় আকারের হয়, সে চেষ্টা এদেশে দাঁড়িয়েই করতে হবে। কোনো দেশ নিজের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে পারে না অন্যদেশের সাহায্যের ওপর নির্ভর। করে। যে স্বাধীনতা চায় সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখে। আমাদের তাই একথাই মনে রাখতে হবে যে আমাদের যুদ্ধ আমাদেরই যুদ্ধ। আমাদের যা শক্তি আছে, সেই শক্তি নিয়েই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতে হবে। তাছাড়া শুধু সৈন্য জোগাড়ের প্রশ্নও নয়। সারা দেশকে এই সৈন্যদের রসদ জোগাতে হবে। ক্ষেতে খামারে কলে কারখানায় যাঁরা কাজ করছেন তারাও দেশকে যুদ্ধের উপযুক্ত অবস্থায় রাখবার সহায়তা করছেন। একথা সকলেরই জানা। তবু বারবার মনে রাখতে হয়। আমরা সবাই যুদ্ধ করতে যাব। এমন নয়। কিন্তু যে যেখানেই আমরা আছি সেখানে দুজনের কাজ যদি একজন করতে পারি তাহলে একটি লোক ছাড়া পায় যে অন্য কাজ এগিয়ে দিতে পারে। আমরা যে যেখানে আছি সেখানে আমাদের যথাসাধ্য শক্তি অনুযায়ী যদি চেষ্টা করি, তাহলে সে চেষ্টার ফলে দেশের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। আমার দ্বিতীয় কথা তাই, এই, আবারও বলছি এ বিশ্বাস আমাদের মনে যেন স্থান না পায় যে, অন্য কোনো দেশ এসে আমাদের যুদ্ধে জয়ী করিয়ে দিয়ে যাবে। আমাদের যুদ্ধ আমাদেরই চালাতে হবে। অন্যের সাহায্য পেতে পারি, কিন্তু আমাদের প্রধান নির্ভর নিজেরই শক্তিতে। যেমন সোভিয়েট ইউনিয়নের সঙ্গে যখন জামানীর যুদ্ধ হচ্ছিল তখন সোভিয়েট ইউনিয়ন লেন্ড লীজ ব্যবস্থা অনুযায়ী মার্কিন দেশের কাছ থেকে প্রচুর সাহায্য পেয়েছিল; কিন্তু সোভিয়েট ইউনিয়নের যুদ্ধ সোভিয়েট ইউনিয়নই চালিয়েছে। আমরাও যা পাব নেব; কিন্তু সব নেবার পরেও যদি আমাদের। স্বাধীনতা রাখতে হয়, আমাদের দাঁড়াতে হবে আমাদের শক্তি নিয়ে একথাটা যেন আমরা মনে রাখি।

    আমার তৃতীয় কথা এই, আজকে আমাদের সীমান্তে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সে যুদ্ধ শুধু দুই দেশের ভিতর যুদ্ধ নয়, সে যুদ্ধ দুই আদর্শের ভিতর যুদ্ধ। এই কথাটা বিশেষভাবে বলবার প্রয়োজন এই সভায়। কারণ আজকের সভায় যাঁরা উপস্থিত সাহিত্যিক শিল্পী মননশীল মানুষ, এদের অনেকেই আদর্শ নিয়েই চিন্তা করবেন, আদর্শ নিয়েই লিখবেন, কাজ করবেন। আমাদের ভিতর কেউ হয়ত সৈন্য হয়েও রণাঙ্গনে যেতে পারেন, কিন্তু সবাই যাবেন না। কেউ হয়ত ক্ষেতে খামারে কলকারখানায় কাজ করবেন, কিন্তু অনেকেই করবেন না। এখানে যাঁরা সমবেত হয়েছেন তাঁদের অনেকেই হয়ত কাজ করবেন চিন্তার ক্ষেত্রে, শিল্পের ক্ষেত্রে। সেই জন্যই এ যুদ্ধ যে দুই আদর্শের লড়াই, সেই কথাটা আজকে এখানে বিশেষভাবে মনে রাখবার প্রয়োজন। কথাটা আর একটু বিস্তারিত করে বলা যাক।

    ভারতবর্ষ এবং চীন এই দুই দেশই আজ অর্থনৈতিক গঠনের কাজে, শিল্প উন্নয়নের কাজে ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় রচনা করতে লেগেছে। একথাটা মনে রাখাই ভাল যে, এমন কোন ব্যবস্থা নেই যে-ব্যবস্থার ফলে কোনোরকম কষ্ট ছাড়াই অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব হয়। এমন কোন পথ আমেরিকা বা সোভিয়েট ইউনিয়ন, ইংরেজ বা জাপান বের করতে পারেনি যে-পথে দুঃখ কষ্ট ছাড়াই শিল্পোন্নতি সম্ভব হয়। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি যে, অর্থনৈতিক গঠনের এই যুগে যত কষ্টের ভিতর দিয়েই আমাদের যেতে হোক না কেন তবু মানুষের কয়েকটা বড় আদর্শকে আমরা বাঁচিয়েই পথ চলতে পারব। আমরা বিশ্বাস করি যে, মানুষের স্বাধীনতার যে-আদর্শ নিজের চিন্তা এবং বিবেক অনুযায়ী মানুষের পথ। বেছে নেওয়ার যে আদর্শ, সে আদর্শকে রক্ষা করেও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে চলা। সম্ভব। এই আমাদের বিশ্বাস। এ বিশ্বাস নয় আজকের চীনের। এই দুই বিপরীত বিশ্বাসের মধ্যে আজ সংগ্রাম।

    মনে রাখা দরকার যে এই দুই আদর্শের ভিতর যে সংগ্রাম সে শুধু ভারত নামক একটা ভূখণ্ডেরই স্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয়। কম্যুনিস্টরা বিশ্বাস করেন যে, যদি পৃথিবী জোড়া গণতন্ত্রকে আজ শেষ করতে হয়, তাহলে প্রথম ধ্বংসের কাজ শুরু করতে হবে এশিয়ায়, বিশেষত ভারতবর্ষে। সোভিয়েট ইউনিয়নের লালফৌজ পশ্চিম দিকে যতখানি এগোতে পেরেছে এগিয়েছে, চেকোশ্লোভেকিয়া পর্যন্ত। এবার যদি লালফৌজকে এগোতে হয় তবে তার গতি হবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এবং প্রধানত ভারতবর্ষে। শ্রদ্ধেয় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় মেবারের সেই চারণ কবির কথা বলেছেন, যিনি রাণা প্রতাপকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি মেবারের শেষ স্বাধীনতার শৃঙ্গ। আজকে এশিয়ায় ভারতবর্ষ। শেষ স্বাধীনতার শৃঙ্গ। ভারতবর্ষকে তাই দাঁড়াতে হবে। যদি ভারতবর্ষ তার স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে না পারে তাহলে এশিয়ায় এবং পৃথিবীর একটা বড় অংশে স্বাধীনতা বিপন্ন এমন কি ধ্বংস হতে পারে। আমাদের সংগ্রাম শুধু আমাদেরই সংগ্রাম নয়, আমাদের সংগ্রাম আজ বিশ্বজোড়া স্বাধীনতার সংগ্রামের এক বিশেষ অংশ। একথা আজ আমাদের। বারবার স্মরণ করতে হবে।

    আমাদের দেশের ভিতর এমন অনেক লোক আছেন যাঁরা আমাদের এই আদর্শে বিশ্বাস করেন না। আমার পূর্ববর্তী বক্তারা নানাভাবে তাঁদের কথা উল্লেখ করেছেন। আমিও অল্প কয়েকটি কথা বলছি। কম্যুনিস্টরা চীনের আক্রমণে সবাই অখুশি হয়েছেন এ মনে করবার কোন কারণ নেই। নিজেকে কম্যুনিস্টদের জায়গায় বসিয়ে কথাটা একবার বিচার করে দেখুন। ওঁদের সামনে এদেশে ক্ষমতায় আসবার আর কোন পথ খোলা আছে। ওঁরা ১৯৪৮-৪৯এ চেষ্টা করেছিলেন। সশস্ত্র অভূত্থানের ভিতর দিয়ে ক্ষমতায় আসতে; সেদিন তেলেঙ্গানার পথ ব্যর্থ হয়েছিল। তারপর চেষ্টা করেছেন যাকে পালামেন্টারী পথ বলা হয়, সেই পথে ক্ষমতায় আসতে। আবারও ব্যর্থ হয়েছেন। যদি দেশের ভিতর সশস্ত্র অভূত্থানের পথ এবং পালামেন্টারী পথ দুইই ওঁদের সামনে বন্ধ হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে ওঁরা, অন্তত ওঁদের অনেকে, কেন মনে করবেন না যে, একমাত্র যা খোলা আছে আজকেও তা হল পূর্ব ইউরোপের পথের এক নতুন চীনা সংস্করণ? পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েটের লালফৌজ এসে কম্যুনিস্ট পার্টিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। এখানেও তাই হতে পারে। চীনের লালফৌজ আসামে এসে, আসাম থেকে ভারতীয় ফৌজকে তাড়িয়ে সেখানে ভারতীয় কম্যুনিস্ট পার্টির এক সরকার গঠন করিয়ে দিতে পারেন। এবং তারই ফলে আজকেও ভারতবর্ষে কম্যুনিস্টদের এক নতুন ইয়েনা তৈরী হতে পারে। সেখান থেকে কম্যুনিস্ট আন্দোলন কেন নয়? আরও ২৫ বছর ধরে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং ক্রমশ এগুবে। চীনের আক্রমণে কম্যুনিস্ট দল অখুশী হবেন একথা মনে করার কী কারণ আছে? বহু কষ্টে উচ্চারিত ওঁদের মুখের কথা? ওরা চীনের আক্রমণে যদি অখুশী না হন, মনে মনে যদি এ আশাটুকুই জেগে থাকে যে লক্ষ্যে পৌঁছবার এই একটা তৃতীয় দরজা খুলে গেল, তাহলেই কী ওরা আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে সে কথা বলবেন? আমাদের কি ধরেই নিতে হবে যে, কম্যুনিস্টদের বিন্দুমাত্র বুদ্ধি নেই? যদি বিন্দুমাত্র বুদ্ধি থাকে তাহলে কি ওঁরা চীনের আজকের এই প্রসারে আনন্দিত হয়েও রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করবার জন্যই বাইরে থেকে যাঁরা ক্ষমতা নিয়ে আসছেন তাঁদের হাত থেকে ক্ষমতা পাবার আগের মুহূর্ত পর্যন্ত মনের আসল কথাটা গোপন করবেন না?

    ওঁরা কি এতবড় সত্যবাদী! ওঁরা কি এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে বেরিয়েছিলেন যে, বিপ্লবে জয়ী। হবার জন্যে ওঁরা কখনো মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না? ওঁরা কি অহিংস? আমরা যদি ওঁদের মন বুঝবার সামান্য চেষ্টা করি তাহলে আমাদের বোঝা কঠিন হওয়া উচিত নয় যে, কম্যুনিস্ট দলের অন্তত একটা বড় অংশ একথাই ভাবছেন যে, যেহেতু ভারতবর্ষে ক্ষমতায় আসবার অন্য পথ বন্ধ, অতএব লালফৌজের হাত থেকে ক্ষমতালাভের পথেই ওঁদের আজ প্রধান ভরসা। আমি কম্যুনিস্টদের একথা বলে দোষ দিচ্ছি না যে ওরা নিজেদের আদর্শে বিশ্বাস করেন না; বরং একথাই বলছি যে, ওঁরা নিজেদের আদর্শে বিশ্বাস করেন বলেই আজকে মিথ্যাচরণ ওঁদের ধর্ম।

    আজকে শিল্পী, সাহিত্যিক এবং চিন্তাশীল লোক যাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন তাঁদের সামনে আরও একটি কথা আমি বিশেষভাবে জানাতে চাই। কম্যুনিস্টরা দেশের শত্রুতা করবেন এটাই আজ স্বাভাবিক। তাঁদের বাধা দেওয়া কিছুটা পুলিশের কাজ। কিন্তু পুলিশের কাজ ছাড়াও যাঁরা চিন্তাশীল লোক এবং গণতন্ত্রে যাঁরা বিশ্বাসী তাঁদের নিজেদের আর একটি কাজ আছে। পুলিশ তার নিজের ধর্মে প্রতিষ্ঠিত থাকবেন। কিন্তু চিন্তাশীল লোকদের চিন্তনের যে ধর্ম সে ধর্মে তাঁরাও যেন প্রতিষ্ঠিত থাকেন। মনে রাখতে হবে যে, আদর্শের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আর একটি আদর্শকে তুলে ধরতে হয়। এমন এক একটা সময় আসে যখন কোন মিথ্যা আদর্শের পিছে শত সহস্র আদর্শবাদী যুবক ছুটে যায়। বারবার তাই হয়েছে। ইতিহাস শেখায়, জীবন শেখায়, কিন্তু অনেক মূল্যে শেখায়। অনেক ব্যর্থ সন্ধানের পর, অনেক মূল্য দিয়ে তবে সমাজ শেখে, এটা ভুল পথ। মিথ্যা ছলনার জালে। ইতিহাসের সৃষ্টির পথ বিকীর্ণ। আমাদের দেশে কম্যুনিস্টদের আমরা যেন আদর্শবাদী বলেই স্বীকার করি; ভুল আদর্শ এই যা বিপদের কথা। আরো কত মূল্য দিতে হবে, আরো কত রক্ত বইবে, তারপর ওঁরা ওঁদের আদর্শের ভ্রান্তি বুঝতে পারবেন, জানি না।

    ইতিমধ্যে আমাদের যুগে অনেক অভিজ্ঞতা তৃপীকৃত হয়েছে। কম্যুনিস্টরা কৃষক মজুরদের স্বাধীনতার কথা বলেছেন। সোভিয়েট ইউনিয়নে, চীন দেশে, জোর জবরদস্তি করে যৌথ খামার প্রতিষ্ঠার নামে লক্ষ লক্ষ চাষীকে মৃত্যুর পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। লক্ষ লক্ষ শ্রমিককে সাইবেরিয়ায় সিংকিয়াং-এ পাথর ভাঙতে বসিয়ে স্বল্পাহারে রেখে পলে পলে তিলে তিলে মারা হয়েছে। আদর্শের অপলাপের আরো কত প্রমাণ চাই? চীনের সেই শতপুষ্প সমাচার আপনারা জানেন, বু আর একবার বলি। ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতে কথা বলা যাক। আজকের চীন তার নাম পেয়েছিল বহু বছর আছে চীন বংশের নাম থেকে। সেই বংশ যখন রাজতে এলেন তার আগে চীনের একটা গৌরবময় অধ্যায় কেটে গেছে। কনফুসিয়াস লাওৎসে আরো অনেক বড় বড় দার্শনিক তাঁদের বাণী প্রচার করে গেছেন। চিন্তা এবং সংস্কৃতির নেতারা চারদিকে ফুল ফোঁটালেন নতুন দর্শনের এবং নতুন শিল্পের সেই যুগকে চীনে শতপুষ্পের যুগ বলা হয়েছে। তারপর এলেন ঐ প্রতাপশালী চীন বংশ। সেটা খ্রীস্টের জন্মের প্রায় আড়াই শ’ বছর আগে। ঐক্যের নামে চীনকে একাকার করা হল। চীনে এত দার্শনিক এত ভাষায় এত কথা বলেছেন! হুকুম এলো সব বই এক সঙ্গে পুড়িয়ে দাও। তারপর বহু যুগ কেটেছে। আজ এসেছেন মাও সে তুং। তিনি সেই চীন বংশের সম্রাটের চেয়ে আরও চতুর। ভিন্ন মতাবলম্বীদের বহুভাবে উৎপীড়ন করবার পর চীনের এই নতুন যুগের নেতাটি ভাবলেন, এবার কিছু প্রতিবাদ শোনা যাক! ১৯৫৭ সালে বললেন, আবার শতপুষ্প ফুটুক! আবার শতপুষ্প ফুটুক আশ্বাস পেয়ে কিছু বুদ্ধিজীবি কম্যুনিস্ট-দর্শনের এবং কম্যুনিস্ট শাসনের প্রতিবাদে সাহস করে নিজেদের বক্তব্য বললেন। ফলে হাতে হাতে এরা ধরা পড়ে গেলেন! তারপর এদের দিয়ে দোষ স্বীকার করাবার পালা। এঁরা কবুল করলেন, আমরা ক্যাপিটালিস্টদের অনুচর, আমরা দোষ করেছি! নানারকম অকথ্য শাস্তিবিধান হল এঁদের জন্য। স্বাধীনতার ক্ষেত্রে, চিন্তার ক্ষেত্রে, এই হলো নতুন চীনের মত ও পথ। ওঁরা। বিশ্বাস করেন না যে, মানুষকে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে দেওয়ার ভিতরে কোন গৌরব আছে। আমরা বিশ্বাস করি।

    আমাদের বিশ্বাস নিয়ে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। এদেশে নতুন যুগের তরুণ তরুণীরা আবারও যাতে একটা মিথ্যা আদর্শের পিছনে গিয়ে জীবন নষ্ট না করেন সেজন্য। নতুন আদর্শের কথা বলে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের। ইতিহাসে এমন মুহূর্ত সব সময় আসে না–মাঝে মাঝে শুধু আসে–যখন একটা জাতি, একটা দেশ, নিজের সামনে এমন কোন মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায়, যে উদ্দেশ্যে সারা জীবন সমর্পণ করে ধন্য হওয়া যায়। যদি আজ ইতিহাস আমাদের সম্মুখে সেই সুযোগ এনে দিয়ে থাকে আমরা যেন সেই মহৎ উদ্দেশ্যে নিজেকে উৎসর্গ করে ধন্য হতে পারি।

    ———

    গত ৯ ডিসেম্বর ১৯৬২ মহাজাতি সদনে বাঙালী সাহিত্যিক শিল্পী ও বুদ্ধিজীবিক্ষের এক মহতী জনসভায় প্রদত্ত ভাষণের অনুলিপি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }