Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮.০৫ মূল বইগুলির ভূমিকা ও পরিশিষ্ট

    ৮.৫ পরিশিষ্ট–৩
    মূল বইগুলির ভূমিকা ও পরিশিষ্ট
    গণযুগ ও গণতন্ত্র (প্রথম প্রকাশ, ১৯৬৭) : ভূমিকা

    ‘দেশ’ ও ‘আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত কয়েকটি প্রবন্ধ সংকলিত হল। পুস্তকের সর্বশেষ প্রবন্ধটি দশ বছর আগে লেখা। অন্যান্য প্রবন্ধ বাংলা ১৩৭৩-৭৪ (১৯৬৬-৬৭)। সালে রচিত। ঐতিহাসিক সূত্রে বাঙ্গালী বিপ্লবী। চিন্তায় ও সমাজ সংগঠনে আজ নতুন প্রয়াস ও ধ্যানধারণার প্রয়োজন আছে। কিন্তু গৃহযুদ্ধের পথে আমাদের মুক্তি সম্ভব এটা ভ্রান্ত ধারণা। এই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে শত আত্মত্যাগের মূল্যেও স্বর্গ কেনা যাবে না। গণতন্ত্রের পথেই আমাদের নতুন সমাজ গড়তে হবে। তা নইলে বাঙ্গালীর ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

    প্রগতির পথ (প্রথম প্রকাশ ১৯৬৮) : ভূমিকা

    প্রগতির বৃদ্ধি ও বিনাশ দুইই সম্ভব প্রগতিরই নামে। প্রগতির মূল শর্তগুলো নিয়ে তাই সতর্ক আলোচনা প্রয়োজন। সেই আলোচনা আমাদের ভিতর এখনও তেমনভাবে শুরু হয়নি।

    এই পুস্তকের অধিকাংশ প্রবন্ধ ১৩৭৪-৭৫ (১৯৬৭-৬৮) সালে লিখিত। তবে ‘মাতৃভাষা ইংরেজী ও হিন্দী’ প্রথম প্রকাশিত হয় আরও দশ বছর আগে। গণতন্ত্র ও সমাজবিবর্তন’ শীর্ষক প্রবন্ধটিও ঐ সময়ে লেখা একটি দীর্ঘতর রচনার অংশবিশেষ।

    এই সব প্রবন্ধ থেকে যদি তর্ক ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করে তবে পুস্তকের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে।

    সমাজ ও ইতিহাস (প্রথম প্রকাশ, ১৯৭০) : ভূমিকা

    ‘প্রগতির পথ’ নামে আমার একটি বই কিছুদিন আগে প্রকাশিত হয়েছিল। তার মূল বক্তব্যের সঙ্গে ‘সমাজ ও ইতিহাস’-এর যোগ আছে। তবে এই বইটির বক্তব্য বোধ করি আরও ব্যাপক। প্রগতির পথ’-এর অন্তর্ভুক্ত একটি প্রবন্ধকে এখানে স্থান দেওয়া হয়েছে, আলোচনা তাতে পূর্ণতর হবে এই আশায়।

    মানুষের স্বভাব এই যে, সে খণ্ড খণ্ড অভিজ্ঞতাকে বৃহত্তর পরিপ্রেক্ষিতে স্থাপন করে দেখতে চায়। তা নইলে এদের পারস্পরিক সম্পর্ক, অতএব অর্থ, বোধগম্য হয় না। এই বইটিতে আজকের কয়েকটি জরুরী সমস্যাকে একটি বিস্তৃত _____ সঙ্গে যুক্ত করে দেখবার চেষ্টা হয়েছে।

    পল্লী ও নগর (প্রথম প্রকাশ, ১৯৭৩) : ভূমিকা

    আমরা সবাই নিজ নিজ সাধ্য অনুযায়ী পৃথিবীকে বুঝতে চেষ্টা করি। মানুষের বিচিত্র কর্মকাণ্ডকে আমিও বুঝতে চেয়েছি। এছাড়া উপায় ছিল না। যেমন নিজেকে বুঝবার চেষ্টা ছাড়া উপায় নেই। আমার যদি কোনও সমাজ দর্শন থাকে, তা যত অসম্পূর্ণই হোক, তার কিছুটা পরিচয় আছে এই বইটিতে।

    ‘কোন পথ?’ প্রবন্ধটি পঞ্চাশের দশকে লেখা, সামান্য পরিমার্জিত আকারে পুনঃপ্রকাশিত হল। অন্যান্য রচনা গত গত পাঁচ বৎসরের ভিতরে লিখিত। অধিকাংশ প্রবন্ধ ‘দেশ’ সাপ্তাহিকে প্রকাশিত হয়, তবে জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে লেখাটি এদিক থেকে ব্যতিক্রম। বন্ধুবর সাগরময় ঘোষের সহায়তা ও সনির্বন্ধ অনুরোধ ছাড়া এই সব প্রবন্ধ হয়ত সম্পূর্ণ হত না, ধন্যবাদের পরিবর্তে এই বইটি তাঁকেই উৎসর্গ করা হল।

    ব্যক্তি যুক্তি সমাজ (প্রথম প্রকাশ জানুয়ারী ১৯৭৮) : ভূমিকা

    মানুষের স্বরূপ কি? প্রশ্নটিতেই মানুষের স্বরূপের একটি দিক উদ্ভাসিত। মানুষই সেই অদ্বিতীয় জীব যে এই ধরনের একটা প্রশ্ন নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে পারে আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া”। নিজের স্বরূপ জানতে হলে নিজের বাইরে দাঁড়াতে হয়। অথচ একটি বিপরীত ভাব মানুষের প্রকৃতিকে আচ্ছন্ন করে আছে। এই বিপরীত ভাবটিকে বলা যেতে পারে মমতা অথবা মায়া। সব কিছুকেই আমরা মমত্বের অন্তর্গত করতে চাই। এই মমতা মানুষের সহজাত। মমতা ও মননের বৈপরীত্যে মানুষের বিশিষ্ট পরিচয়। এ দুয়ের মিশ্রণে ও ঘাতপ্রতিঘাতে মানুষের চৈতন্যের বিবর্তন।

    এই বিবর্তনের প্রথম পর্যায়ে মায়ার প্রাধান্য। তার একটা জৈব মাধুর্য আছে। বাসনায় আবৃত করে আমরা সংসারকে দেখি। এই সব খণ্ড খণ্ড,সামঞ্জস্যহীন চাওয়ার ভিতর বিপ্লবকে তার নির্লিপ্ত রূপে পাওয়া সম্ভব নয়। বিফল বাসনা বার বার আমাদের ভয়ার্ত, যন্ত্রণাগ্রস্ত ও হিংসাত্মক করে তোলে। এর আধিপত্যে বিপত্তি। আমাদের জৈব অস্তিত্ব পর্যন্ত এতে বিপন্ন হয়ে ওঠে। স্বভাবত মননের উদয় ঘটে জৈব অস্তিত্বের সহায় রূপে। কিন্তু মননের পরিণতি অন্যত্র। সেই পরিণতি বড় সহজ পথে আসে না।

    চৈতন্যের বিবর্তনে একটি মধ্য পর্যায় আছে। সেখানে মানুষ সাবধানী এবং স্বার্থান্বেষী, মায়ামমতা সম্বন্ধে সন্দিগ্ধ, যে জৈব রস থেকে স্নেহভালোবাসা সজ্ঞাত তাকে চতুরভাবে স্বার্থের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে অভ্যস্ত। এরই সাথে তখন সঙ্গতি রক্ষা করে মনন ও বহির্জগৎ একটি বিশেষ রূপ লাভ করে। মানুষের ক্রমবিকাশে এই মধ্যস্তরের একটা নিজস্ব স্থান আছে। একে অবলম্বন করে জড় জগতের ওপর মানুষের আধিপত্য দ্রুত বৃদ্ধি পায়, প্রাচীন কুসংস্কার দুর্বল হয়ে আসে, রক্তের বন্ধনের অন্ধ সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে স্বার্থের বন্ধনের বিস্তৃত ও বিচিত্র সম্পর্কে মানুষ আবদ্ধ হয়। এই সবই উল্লেখযোগ্য। কিন্তু সেই সঙ্গে মানুষের অন্তরে একটা রিক্ততা অদৃশ্য ব্যাধির মতো প্রসারিত হয়।

    বিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে একটির পর একটি পরিচ্ছন্ন ক্রমিক ধারায় দেখা দেয় না। বরং পারস্পরিক অনুপ্রবেশই ইতিহাসের নিয়ম, একটিকে ছাপিয়ে আর একটি আসে, অগ্রগতি ও দসরণ কোনো সরল বিন্যাস রক্ষা করে চলে না। মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব কখনও স্বার্থভিত্তিক, কখনও আবার অন্ধ সংঘবদ্ধ মমত্বের সংঘাতই প্রধান। স্বার্থের রূপরেখা পরিবর্তনে সঙ্গে সঙ্গে দ্বন্দ্বেরও চেহারা বদলে চলে। কিন্তু মানুষের চৈতন্যের মতোই দ্বন্দ্বেরও কোনো সরল রূপ নেই। মমতা ও বিদ্বেষ, বিদ্বেষ ও স্বার্থ মিলেমিশে একাকার হয়। আর্থিক স্বার্থের ভিত্তিতে যে সংকটের সৃষ্টি, ক্রমে তাতেই উপজাতীয় অথবা ধর্মবিদ্বেষের সুর স্থাপিত হয়। দ্বন্দ্বের প্রকৃতি যখন অজানা তখন সমম্বয়ের সন্ধানও সফল হয় না।

    মানুষকে যুক্তিশীল জীব বলা হয়েছে। চৈতন্যের অন্যান্য উপাদান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যুক্তি আবির্ভূত হয় না। বিবর্তনের বিশেষ পর্যায়ে যুক্তিরও একটা বিশেষ ঝোঁক দেখা যায়। এই ঝোঁকের বেগেই সে তার ঐতিহাসিক ভূমিকা সম্পন্ন করে। আবার এরই ফলে তার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মানুষ বার বার নিজেকে নিজে অতিক্রম করে যায়। উপজাতীয় সংঘবদ্ধতা থেকে সে একদিন নানা ঘটনাচক্রের ভিতর দিয়ে জাতীয়তায় উত্তীর্ণ হয়। আবার জাতীয়তাবাদও একদিন অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। যুক্তি কখনও শ্রেণী ও সংঘবদ্ধ স্বার্থের সহায়ক, আবার কখনও সে এই সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করবার মন্ত্রণাদাতা। মানবতাবাদের দিকে প্রসারিত এই যে যাত্রা, যুক্তি তাতে পথপ্রদর্শক।

    মানুষের স্বাতিক্রমণের যেমন একটা বাইরের ইতিহাস আছে, তেমনি আছে একটা ভিতরের পথ। এদুটি পথ পরস্পর বিচ্ছিন্ন নয়। সমাজে ব্যক্তির একটা বিশেষ পরিচয় থাকে, পরিবার পেশা পদাধিকার এই সব নিয়ে সেই পরিচয়। আমাদের অহং এই নিয়ে একটা বিশেষ রূপ ধারণ করে, জীবন ও জগতের কাছ থেকে নানা প্রত্যাশায় নিজেকে পরিবৃত করে। তখন যুক্তির কাজ হয়। এই সব প্রত্যাশাকে পূর্ণ করাবার উপায় উদ্ভাবন। এরই সঙ্গে যুক্ত করে আমরা পরিপার্শ্বের প্রতিটি বস্তুর মূল্য নির্ধারণ করি।

    এই পরিচয়কেও অতিক্রম করা যায়। সমাজ ছাড়া মানুষের চলে না। কিন্তু মানুষের পদাধিকার অথবা অন্য কোনো সামাজিক পরিচয়ই তার শেষ পরিচয় নয়। খণ্ড খণ্ড জৈব প্রয়োজন অথবা বাসনায়ও মানুষের স্বরূপের পরিমাপ হয় না। সমস্ত প্রত্যাশা অতিক্রম করে মানুষ যখন বিশ্বের দিকে তাকায়, তখন যে মায়া তার সহজাত তারও একটা আশ্চর্য রূপান্তর সম্ভব। সেই রূপান্তর এমনই যে, অন্যান্য রূপের তুলনায় তাকে “অরূপ” বলায়। অসঙ্গতি নেই। তাকে কখনও বলা হয়েছে মুক্তি। “অরূপ তোমার বাণী। অঙ্গে আমার চিত্তে আমার মুক্তি দিক সে আনি।”

    রূপ থেকে অরূপে এই যে প্রবেশ, যুক্তির সঙ্গে এর কোনো বিরোধ নেই, কিন্তু যুক্তির পূর্বনির্ধারিত পথেও এটা ঘটে না। মানুষ এখানে যুক্তিকে খণ্ডন করে না, অতিক্রম করে যায়, যেমন মহৎ প্রেমের অথবা অপার বিস্ময়ে আমরা যুক্তিকে খণ্ডন করি না, তবু অতিক্রম করি। এই অতিক্রমণের পরও প্রত্যাবর্তনের পথ উন্মুক্ত রাখা চাই। প্রত্যাবর্তনহীন বিস্ময়, নিস্পন্দ উৰ্দ্ধবাহুর মতোই চিত্রার্পিত। আনন্দের ধনকে বার বার হারিয়ে নতুন করে পাওয়া–এরই ভিতর দিয়ে প্রাণের জয়। তেমনি করেই রসের সেই ধারাটি অব্যাহত থাকে, যাতে বার বার ধৌত এবং স্নাত হয়ে তবেই জীবন কিঞ্চিৎ পরিমাণে ক্লেদমুক্ত হয়।

    মানুষের ভিতর এই যে আশ্চর্য শক্তি, যেটা কখনও অন্ধ আবেগের মতো তাকে পিছন থেকে ঠেলছে আবার কখনও জ্যোর্তিময় আদর্শের মতো সমুখ থেকে আকর্ষণ করছে, মানুষের প্রকৃত সত্তার সঙ্গে যার সম্পর্ক অন্তরঙ্গ অথচ জড়শক্তি বললে যার প্রকৃতি ব্যাখ্যাত হয় না। বিচিত্র চিন্তা প্রতিষ্ঠান ও নানাপরিবর্তনের ভিতর যাকে আমরা যুগে যুগে পাই নানারূপে তারই অভিব্যক্তির বিভিন্ন পর্যায় সম্বন্ধে এই বইটিতে কিছু বলবার চেষ্টা করেছি, সমকালীন ব্যক্তি ও সমাজের সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে।

    .

    কমলা বক্তৃতা ও অন্যান্য ভাষণ (প্রথম প্রকাশ ১৩৯১, ১৯৮৪) : ভূমিকা

    এ আমার সৌভাগ্য যে রবীন্দ্রনাথ তথা রাধাকৃষ্ণণ প্রমুখ জ্যোতিষ্মন পূর্বসুরী যে বক্তৃতামালায় গ্রথিত সেই কমলাবক্তৃতা দানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে কলকাতা। বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে সম্মানিত করেছেন। এই ডাক যে আধুনিক ভারতীয় ভাবনা ধারণাকে তুলনামূলক পরিপ্রেক্ষিতে স্থাপন করার পক্ষে সবচেয়ে উপযোগী সময়টিতেই আমার কাছে এল সেদিক থেকেও আমি ভাগ্যবান।

    ইতিহাস ও ভূগোল দুইয়ে মিলে ভারতকে স্থান দিয়েছে দুই জগতের মাঝখানে, ভারতের উচ্চাশাসে এই দুইয়ের মাঝখানে সেতু বাঁধবে। যদিও আধুনিক ভারতীয় ভাবনার সারভাগের অনেকটাই বেড়ে উঠেছে জাতীয় অভ্যুত্থানের প্রভাবচিহ্নিত আবহে, সর্বাপেক্ষা সৃজনধর্মী ভাবুকদের তবু ক্রমাগতই চেষ্টা করতে দেখা গেছে যাতে তাদের স্বীয় ভাবনাধারণাগুলি বিশ্বের বৃহত্তর ভাবনাধারণার সঙ্গে বিশ্বসমস্যার পটভূমিতে সম্পৃক্ত হয়ে থাকে। আমি যে কটি ভাষণ দেবো তার তৃতীয় অর্থাৎ শেষ ভাষণে আমি দুই মহান ভারতীয় ভাবনাবিদের কিছু অবদানের কথা বিশেষভাবে আলাদা করেই বলবো, কিন্তু যে। সমস্যা নিয়ে প্রধানত আমার কথা সে সমস্যা সারা বিশ্বের প্রাসঙ্গিক।

    আমরা এমন এক যুগে বেঁচে আছি নৈতিক বিভ্রান্তি যার প্রধান লক্ষণ। আমি নৈতিক অবক্ষয়ের কথা বলছি না, বলছি নৈতিক বিভ্রান্তির কথা। যে পৃথিবী প্রধানত মানুষেরই গড়া সেইখানে যেন সে নিজের পথ হারিয়েছে।

    কোনো সমাজদর্শনকে যদি আমাদের যুগের পক্ষে যথেষ্ট উপযোগী হয়ে উঠতে হয় তাহলে কয়েকটি মূল শর্ত তাকে পূর্ণ করতে হবে। স্বাধীনতা, সাম্য, শান্তি, এই সব শব্দময়। ভাবকে ঘিরে আজকের যুগের মর্মর্গত যে আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত, সেই গভীর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে এই সমাজদর্শনের সুর মেলা চাই। উল্লিখিত প্রতিটি শব্দেরই সংজ্ঞাতিরিক্ত দ্যোতনা লক্ষণীয়। যথা শান্তির প্রাসঙ্গিকতা একদিকে যেমন রয়েছে ব্যক্তির অন্তরে অন্যদিকে তেমনি রয়েছে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলির ভিতরে। মনের গভীরে অচঞ্চল শান্তির জন্য। ব্যাকুলতা আগের চেয়ে এখন একটুও কম নয়, কিন্তু কোন পথে মিলবে এই অচঞ্চলতা তার নিশানা আগের তুলনায় যেন আমরা আরো কম জানি। একটি অখণ্ড পৃথিবী যার ভিতরে খণ্ডাংশগুলি নির্বিরোধে পরম্পর লগ্ন তার প্রয়োজন আজকেই সবচেয়ে বেশী। জরুরি। অথচ এক্ষেত্রেও কিসের ভিত্তিতে এই অখণ্ড ঐক্যসাধন হবে সে বিষয়ে একমত। তো আমরা নই-ই, কোনো পরিচ্ছন্ন ধারণাও আমাদের মেই।

    মনুষ্যজাতি তাই আজ স্পষ্টতই এমন এক বিরুদ্ধতার সম্মুখীন যা অতীতের সমস্ত সমস্যার চেয়েও ভয়াবহ এবং দুর্গম। একদিকে দেখা যাচ্ছে বিশ্বশান্তিই মনুষ্যজাতির সমূহ সর্বনাশের বিকল্প। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেছে যে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রাখার যোগ্যতা যুগের প্রধান তত্ত্ববিশ্বাস এবং মতবাদগুলি অর্জন করে উঠতে পারেনি।

    হিন্দুধর্মের মতো কোনো কোনো ধর্মমত কোনদিনই নিখিলবিশ্বধর্ম হয়ে উঠতে চায়নি। অন্যদের এই আকাঙ্ক্ষা ছিল। দৃষ্টান্তস্বরূপ, খৃষ্টান ধর্মচারকগণ শুধু যে ভাবতেন যে, মুক্তির পথ তাঁদের জানা আছে তাই নয়, স্পষ্টতই তাঁদের বিশ্বাস ছিল যে আজ হোক কাল হোক, পৃথিবীর সর্বত্র সকল মানুষকে তাঁদের বিশ্বাসের প্রতি আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে এবং এভাবেই এক নির্ধ অখণ্ড বিশ্বের ভিত্তি তৈরী হবে। আজ নিশ্চয় খুব অল্প সংখ্যক মানুষই যুক্তিসম্মতভাবে এ আশাকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম যে ধর্মান্তকরণের সাহায্যে মনুষ্যজাতি এক হবে।

    কিছুদিন আগে পর্যন্ত মার্ক্সবাদীদের উগ্র বিশ্বাস ছিল সারা বিশ্বে ধনতন্ত্রের অবসান ও সাম্যবাদের প্রতিষ্ঠা সমাসন্ন। ইতিমধ্যে ছবি গেছে পালটে। ধনতন্ত্রের পতন অবশ্যম্ভাবী। হতেই পারে কিন্তু যে-মার্ক্সবাদ সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রসমূহের ভিতরই ঐক্য ও শান্তি স্থাপনে ব্যর্থকাম, সেটি স্পষ্টতই বিশ্বচিন্তাধারার পুরোধা হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্য হবে না। বর্তমান দ্বিধা ও বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি নেই ঐ পথে, দ্বিধা ও বিভ্রান্তির আরো একটি দৃষ্টান্ত বরং রয়েছে এখানে।

    চারিদিকেই চোখে পড়ে, ঘোষিত উদ্দেশাদি যার যেমনই হোক না কেন প্রাচীনপন্থীদের পুনরভ্যুত্থানকামী আন্দোলন এবং সামরিক মতাদর্শ আজকের দিনের বিভেদকারী শক্তি হিসেবেই জোরদার হয়ে উঠেছে। যে দুরূহ বিপন্নতাকে এই সব গোষ্ঠী ডেকে আনতে সক্ষম তাকে পরাস্ত করার ক্ষমতা তাদের নেই। এই সমস্যাটির বিষয়ে ক্রমশই অধিকসংখ্যক মানুষ তীক্ষ্ণভাবে সচেতন হয়ে উঠেছেন। কিন্তু এখনো গোলোকধাঁধা থেকে উদ্ধারের পন্থা মেলেনি। বর্তমানের অসহনীয় নৈতিক অনিশ্চিত এবং ভবিষ্যৎ বিষয়ে বিভ্রান্তি, এতেই জন্ম নেয় নানা উত্তেজক মতবাদ, আর কঠিন হতাশা থেকে বাঁচবার প্রলোভন অনেক ক্ষতির মূল্যে ওই সব মতবাদে সাময়িক আশ্রয় নেয় মানুষ। কখনো আবার এর ফলে গড়ে ওঠে এক স্কুল রুচির সংস্কৃতি। ইচ্ছে করেই মানুষ আঁকড়ে ধরে অগভীর সাংস্কৃতিক মেজাজকে। নিজের কালের নীতি ও বুদ্ধির গভীরতর জটিল জাল থেকে উত্তরণ যখন অসাধ্য বোধ হয় তখন আত্মবিশ্বাসে আস্থাহীন মানুষ ভিতরে গভীরতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে উদ্ধার খোঁজে বাইরের মাতনে।

    তবে এই সংকটের ফল তো সদর্থকও হতে পারে। এ আশা অসম্ভব নয় যে মানুষের মন এবং সমাজের ক্রমবির্তন বিষয়ে প্রাচীন সংহত ভাবনাগুলি নবসৃষ্টির উদ্যমে এগিয়ে যাবে এবং সেই প্রচেষ্টায় প্রকাশ্য হবে বহু প্রচ্ছন্ন সম্ভাবনা, সম্পৃক্ত হয়ে যাবে আবহমানের সঙ্গে সমকালীন মানুষ আর তার অভিজ্ঞতা। এখন প্রয়োজন বিকল্প চিন্তাধারা বা মতাদর্শের নয়। বরং মূল্যবোধ, প্রতিন্যাস ও উপযোগী প্রতিষ্ঠানের সমাহারে এমন এক প্রশস্ত কাঠামোর প্রয়োজন যাতে বহু বিচিত্র ভাবনাধারণা পরস্পর নির্বিরোধ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হতে পারে এবং তারই সাহায্যে একে অন্যের পরিপূরক হয়ে মনুষ্যসমাজকে পরবর্তী অগ্রগতির স্তরে উন্নীত করে দেয়।

    সমাজ সংস্কৃতি স্মৃতি (প্রথম প্রকাশ, ১৯৮৭) : ভূমিকা সমাজ ও সংস্কৃতির ভিতর সীমারেখা টানা যায় না। প্রবন্ধগুলি সাজাবার সুবিধার জন্য। একটা রেখা টানা হয়েছে। সেটাকে গুরুত্ব দিলে ভুল হবে। সমাজ বস্তুটি সংস্কৃতি দিয়ে গঠিত’, কথাটা বলা হয়েছে এই বইয়ের কোনো এক পাতায়।

    উন্নয়নের তত্ত্ব ও ভবিষ্যৎ (প্রথম প্রকাশ জানুয়ারী, ১৯৮৭) : ভূমিকা

    অশোককুমার সরকার ছিলেন সংবাদ জগতের এক দিকপাল। তাঁর মতো বড় সংগঠক বাঙালীর ভিতর কম দেখা যায়। নানা মানবিক গুণে ও ব্যক্তিত্বের মাধুর্যে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন। অশোককুমার সরকার স্মৃতি বক্তৃতামালায় আমন্ত্রিত হয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি।

    সাংবাদিকের কারবার প্রধানত ‘নিউজ’ এতি খবর নিয়ে। এর দুটি দিক আছে।

    এক হল তার নতুনত্ব নিউজ মানেই তো যা নতুন–তার নাটকীয় অথবা চাঞ্চল্যকর দিক। অন্য হল ইতিহাসের উপাদান হিসেবে তার স্থায়ী তাৎপর্য। সাংবাদিক যাকে News বলেন তাতে খবরের চাঞ্চল্যকর দিকটাই প্রাধান্য পায়। তবে ঘটনা স্থায়ী তাৎপর্য বুঝতে হলে তাকে দেখতে হবে আরো একটু বিস্তৃত ঐতিহাসিক পটভূমিকায়, তাকে মুক্ত করতে হবে বর্তমানের সমস্যা আর ভবিষ্যতের আশার সঙ্গে।

    অশোককুমার সরকার স্মারক বক্তৃতার জন্য যে বিষয়টি আমি বেছে নিয়েছি সেটি এদিক থেকে উপযোগী বলে মনেকরি। উন্নয়ন নিয়ে রোজই কিছু খবর চোখে পড়ে। বিস্তর আলোচনা চলছে এদেশে ও বিদেশে। অর্থনীতি রাজনীতি ও সমাজনীতি এই সবের সঙ্গে তার যোগ। বিষয়টি তলিয়ে বুঝতে হলে কিছুটা তাত্ত্বিকজ্ঞান এবং একটা বড়। পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজন। অতীতকে সেখানে অবহেলা করা যাবে না, আবার ভবিষ্যৎকেও আনতে হবে চিন্তার পরিধির ভিতর। বিষয়টি এতই বিস্তৃত যে দুটি বক্তৃতায় তার সব দিক নিয়ে আলোচনা সম্ভব নয়। খানিক চিন্তা উসকে দিতে পারলে আমি সন্তুষ্ট। সমকালের দিগভ্রান্ত যাত্রাপথে মননের সামান্য আলো আমার অন্বিষ্ট। মুখবন্ধ হিসেবে এই কটি কথা বলে। নেওয়া গেল। এবার প্রবেশ করা যাবে মূল বিষয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }