Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত

    Ek Pata Golpo এক পাতা গল্প1207 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮.০৬ ভারতে ও চীনে খাদ্যোৎপাদন

    ৮.৬ ভারতে ও চীনে খাদ্যোৎপাদন

    পরিশিষ্ট

    “আটষট্টির সন্ধিক্ষণে” প্রবন্ধে আমি লিখেছি : “গত পনেরো বছরে চীনে খাদ্যোৎপাদন শতকরা যত ভাগ বেড়েছে, ভারতে তার চেয়ে কিছু কম বাড়েনি।”

    পাঠকগোষ্ঠীর কৌতূহল তৃপ্তির জন্য এবিষয়ে কিছু তথ্য জানাচ্ছি।

    চীন যদিও আয়তনে ও জনসংখ্যায় ভারতের চেয়ে অনেক বড় তবু উভয় দেশে মোট কর্ষিত জমির পরিমাণে পার্থক্য বড় বেশী নয়। চীনে একর প্রতি উৎপাদন কিন্তু বহুকাল যাবৎই ভারতের চেয়ে অনেকটা বেশী। যে বৎসরে সারা চীনে কম্যুনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই ১৯৪৯ সালে চীনে শস্যোৎপাদন ছিল দশ কোটি টনেরও বেশী। (মাও 697-98-47 “On the Correct Handling of Contradictions Among the People.” নামক বিখ্যাত পুস্তিকা থেকে এই সংখ্যাটি চীনা পরিমাপে পাঠক সহজেই পেতে পারেন)। তুলনার জন্য মনে রাখা আবশ্যক যে, ১৯৫০ সালে ভারতে শস্যোৎপাদনের পরিমাণ পাঁচ কোটি টনের কিছুটা বেশী।

    এখানে উল্লেখযোগ্য যে, চিয়াং কাইশেকের যুগে সাধারণ বৎসরে চীনে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ছিল ভারতের (বর্তমান সীমানার ভিত্তিতে) প্রায় তিনগুণ। সেযুগের সাধারণ বৎসর বলতে ১৯৩৭ সালের আগের বৎসরগুলিকেই ধরতে হয়, কারণ ১৯৩৭ সাল থেকে জাপান চীনে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে। ন্যাশনাল এগরিকালচারাল রিসার্চ ব্যুরোর হিসাব অনুসারে ১৯৩১-৩৭ সালে চীনে বাৎসরিক গড়পড়তা খাদ্যোৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি টনের মতো। কিন্তু এই হিসাবে কর্ষিত সমস্ত জমি ধরা হয়নি, যে জমি কর দিত না সেগুলি বাদ পড়েছে। তদানীন্তন নানকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জে এল বাক-এর হিসাব অনুসারে সমস্ত জমি ধরা হলে শস্যোৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ কোটি টনের মতো। ১৯২৯-৩৩ সালের বাৎসরিক উৎপাদন ১৮ কোটি টনের সামান্য বেশী। এই সংখ্যাগুলিকে অবশ্য সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য বলা যায় না। তবে ১৯৩১-৩৭ সালে চীনের বাৎসরিক খাদ্যশস্যের উৎপাদন যে ১৩ কোটি টনের বেশ অনেকটা ওপরেই ছিল, এ বিষয়ে বিশেষ সন্দেহের অবকাশ নেই।

    ১৯৫২ সালে চীনের শস্যোৎপাদন সরকারী হিসাব অনুসারে প্রায় সাড়ে পনেরো কোটি টন। অর্থাৎ যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি অতিক্রম করে ১৯৫২ সালে উৎপাদন আবার যুদ্ধপূর্ব সাধারণ বৎসরের প্রায় সমপর্যায়ে গিয়ে পৌঁচেছে। ১৯৬০ সাল থেকে চীনা সরকার বাৎসরিক শস্যোৎপাদনের সংখ্যা প্রকাশ বন্ধ করে দেন। তবু খবর যে একেবারেই পাওয়া যায় না এমন নয়। চীনা সরকারী মহল থেকেই বলা হয়েছে যে, ১৯৬৫ সালে শস্যোৎপাদনের পরিমাণ বিশ কোটি টন।

    চীনে শস্যোৎপাদন কতটা বেড়েছে তার হিসাব করতে গিয়ে ১৯৪৯ সালের সঙ্গে তুলনা করাটা ঠিক নয়, কারণ ১৯৪৯ সালের বিধ্বস্ত চীনে উৎপাদন ছিল অস্বাভাবিক রকম কম। কাজেই ১৯৫২ সালের সঙ্গে তুলনাটাই অপেক্ষাকৃত যুক্তিসঙ্গত। ১৯৫২ সাল থেকে ১৯৬৫ সালে চীনে শস্যোৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে মোটামুটি শতকরা ত্রিশ ভাগ। ১৯৫২ সালে ভারতে শস্যোৎপাদনের পরিমাণ ছিল ছয় কোটি টনের কিছুটা বেশী, আর ১৯৬৪-৬৫ সালে প্রায় নয় কোটি টন। শতকরা হিসাবে চীনের তুলনায় ভারতেই শস্যোৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বেশী। ১৯৬৪-৬৫ সালের পরবর্তী দুই বৎসর এদেশে খারাপ। কেটেছে সন্দেহ নেই; কিন্তু ১৯৬৭-৬৮ সালে আমাদের শস্যোৎপাদন বেড়ে সাড়ে নয় কোটি টনে পৌচেছে। ১৯৬৪-৬৫ ও ১৯৬৫-৬৬ ভারতের পক্ষে ভালো ও মন্দ এই দুটি বছরের গড় ধরলেও ১৯৫২-র পর চীনের তুলনায় এদেশে শস্যোৎপাদন দ্রুত তালে বেড়েছে বলতে হয়।

    চীনের শস্যোৎপাদনের সংখ্যাগুলি ব্যবহার করতে গিয়ে দু-একটি বিষয়ে একটু সাবধান হওয়া আবশ্যক। প্রথমত, চীনে শস্যে’র সরকারী হিসাবে আলু, লাল আলুও ধরা হয়; আমরা তা ধরি না। দ্বিতীয়ত, হিসাবে নানা স্তর আছে। যেমন মাঠে যে পরিমাণ ফসল ফলে তার হিসাব এক, মাঠ থেকে যা ঘরে তোলা সম্ভব হয় তার পরিমাণ অন্য, আবার ঝাড়াই-মাড়াই করে যা অবশিষ্ট থাকে সেটার হিসাব স্বতন্ত্র। ভারত ও চীনের সরকারী হিসাবগুলো সমস্তরের নয়; অতএব সরাসরি তুলনায় খানিকটা ভুল থেকে যায়। যথাযথ তুলনার জন্য চীনের সংখ্যাগুলো খানিকটা কমানো আবশ্যক হয়। কোনো কোনো গবেষকের মতে এক্ষেত্রে ০৮৫ গুণকে হিসাবে ব্যবহার্য; অর্থাৎ চীনা হিসাবের ১০০ উন=ভারতের ৮৫ টন। এই সব জটিলতা দূর থেকে সাধারণভাবে বলা যায়, চীনের শস্যোৎপাদন বর্তমানে ভারতের প্রায় দ্বিগুণ।

    অর্থাৎ, চীনের শস্যোৎপাদন বহুকাল যাবৎই আমাদের চেয়ে অধিক; কিন্তু গত পনেরো বছরের শস্যোৎপাদন বৃদ্ধির হার প্রদেশের তুলনায় এদেশে কম তো নয়ই, সম্ভবত বেশী। এমন একটা কথা মাঝে মাঝে শোনা যায়, এদেশে শস্যোৎপাদন বেড়ে থাকতে পারে, কিন্তু ওপরের দিকের অল্প সংখ্যক ধনী মানুষই শুধু তার ফল ভোগ করেছেন। কথাটা বিশ্লেষণ পুরোপুরি টেকে না। ওপরের দিকের সঙ্গতিপন্ন মানুষেরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশী ভাত অথবা রুটি উদরস্থ করছেন এটা হতে পারে না; তাঁদের বর্ধিত আয় তাঁরা ব্যয় করছেন প্রধানত অন্য দিকে। গত কয়েক বত্সরে ভারতের গ্রামে গ্রামে অতি সাধারণ পরিবারে আহারের যে-উন্নতি ড্যানিয়ল থনার প্রমুখ পর্যবেক্ষকেরা লক্ষ্য। করেছেন, তাকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেওয়া কঠিন। এই সঙ্গে স্বীকার করা চলে যে, ভারতের কোনো কোনো অংশের তুলনায় বাংলা দেশে উন্নতি কম হয়েছে।

    পরিশেষে চীনের কাছ থেকে আমাদের শিক্ষণীয় দুই-একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করব। আগেই লক্ষ করেছি যে, চীনে শস্যোৎপাদন বহুকাল থেকেই ভারতের চেয়ে অনেক বেশী। জাতীয় অহমিকা ত্যাগ করে বলব যে, চীনের এই উন্নততর কৃষির পিছনে একটা অপেক্ষাকৃত বৈজ্ঞানিক মন বহুকাল যাবৎ কাজ করে আসছে। আমরা যখন গো-জাতীয় জীবের ত্যক্ত বস্তু পবিত্র এবং মানবজাতির মল অপবিত্র ও অস্পৃশ্য এই ধারণাকে জীবনের অঙ্গ করে তুলেছি, চীন তখন দেশময় বিষ্ঠার বিশেষ ব্যবহারে কী করে জমির উৎপাদিকা শক্তি বাড়ানো যায় সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় এগিয়ে গেছে। মাংস ভক্ষণ বিষয়ে নানা নিষেধ আমরা যখন ধর্মের ধারা করে তুলেছি, যুক্তিবাদী চীনা মন তখন আবিষ্কার করেছে যে, শুকরই সেই পোষ্য জীব যাকে খাওয়াতে খরচ সামান্যতম কিন্তু যাকে খেয়ে পেট ভরে। চীনা কম্যুনিজম সম্বন্ধে আমাদের মতামত যাই হোক না কেন, চীনা মনের বহুদিনের এই ব্যবহারিক বৈজ্ঞানিক ঝোঁকটাকে প্রশংসা করতে হয়।

    চীনের কাছ থেকে যদি আমাদের কিছু শিক্ষণীয় থাকে তো সে কম্যুনিজম নয়, বরং চীনাদের পরিশ্রমের অভ্যাস, পরিচ্ছন্ন ব্যবহারিক বুদ্ধি ও বহু দুর্দশার মধ্যেও একটি আশাবাদী নন।

    .

    ২

    অন্যত্র তথ্যাদি সহ দেখাতে চেষ্টা করেছি যে, (ক) ১৯৫২ সালের পর ভারতে শস্যোৎপাদন বৃদ্ধির হার চীনের তুলনায় কম তো নয়ই বরং বিপরীত সিদ্ধান্তই অপেক্ষাকৃত সত্য; এবং (খ) মোট শস্যোৎপাদন কিন্তু ভারতের তুলনায় চীনে বহুকাল যাবৎই অনেকটা বেশী–চিয়াং কাইশেকের যুগে সাধারণ বৎসরে (১৯২৯-৩৩ সালে) ছিল সম্ভবত প্রায় তিনগুণ, আর এখন মোটামুটি দ্বিগুণ। প্রাচীন চীনে দুর্ভিক্ষের কারণ ভিন্ন। ভারতের চেয়ে আয়তনে চীন তিনগুণ এরকম বৃহৎ দেশের অংশবিশেষে অজন্মা অবশ্যম্ভাবী। ভারতের রেলগাড়ির কল্যাণে বিশ শতকে দুর্ভিক্ষের প্রকোপ গত শতকের তুলনায় হ্রাস পায়। অপরপক্ষে চিয়াং কাইশেকের চীনে ভারতের তুলনায় যানবাহনের ব্যবস্থা ছিল অনুন্নত আর সামাজিক বিশৃঙ্খলাও ছিল বেশী। কিন্তু এসব দিক থেকে চীনের সঙ্গে ভারতের তুলনা বর্তমান আলোচনার উদ্দেশ্য নয়!

    শস্যোৎপাদন বৃদ্ধির হারই আমাদের আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল। এ ব্যাপারে সূক্ষ্ম হিসাবের ভ্রান্ত আড়ম্বর ত্যাগ করলে মোদ্দা কথাটা অতি স্পষ্ট এবং সরল। পঞ্চাশের দশকের গোড়ায় এ দেশে মোট শস্যোৎপাদন ছিল ছ’কোটি টনের মতো; আর খরার বছরগুলি পেরিয়ে ষাটের দশকের শেষ দিকে আমাদের স্বাভাবিক উৎপাদন দাঁড়াচ্ছে প্রায়। দশ কোটি টন। একই সময়ে চীনে শস্যোৎপাদন বেড়েছে মোটামুটি পনরো কোটি থেকে বিশ (১৯৬৫) অথবা বাইশ কোটি টনে। ভারতের সঙ্গে তুলনার জন্য এই চীনা সরকারী হিসাবগুলি কেন কিছুটা কমিয়ে ধরা প্রয়োজন অন্যত্র সেটা ব্যাখ্যা করেছি। কিন্তু অসংশোধিত চীনা সংখ্যা থেকেও এটা স্পষ্ট যে, শতকরা হিসাবে উৎপাদন বৃদ্ধির হার ভারতের চেয়ে চীনে বেশী নয়

    এই প্রসঙ্গে অবশ্য একটি যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা সম্ভব। সেটি এই : চীনে একর প্রতি উৎপাদন বহুদিন থেকেই ভারতের চেয়ে বেশী। এ অবস্থায় ভারতের সঙ্গে চীনের শস্যোৎপাদন বৃদ্ধির হার তুলনা করা সঙ্গত কিনা সেটাও বিবেচ্য, কারণ যে-কোনো শস্যের ক্ষেত্রে একটা উচ্চস্তরের পর উৎপাদন আরও বাড়ানো অপেক্ষাকৃত কঠিন হয়ে ওঠে। ভারতের চেয়ে চীনে শস্যোৎপাদন বৃদ্ধির হার বেশী নয় এই কথাটা কেউ কেউ অজ্ঞতাবশত অস্বীকার করাতেই চীন ও ভারতের বিষয়ে কয়েকটি তথ্য তুলে ধরা প্রয়োজন হয়েছে। চীনের সমতুল অপর কোনো দেশের সঙ্গে শস্যোৎপাদন বৃদ্ধির তুলনা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে একথা স্বীকার্য।

    এদিক থেকে চীন ও তাইওয়ানের কৃষিবিষয়ক তথ্য পাশাপাশি রাখার সার্থকতা আছে। ইকনমিক কমিশন ফর এশিয়া এণ্ড দ্য ফার ইস্টের ১৯৬৪ সালের “সার্ভে রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, ১৯৪৮-৪৯ থেকে ১৯৫২-৫৩ সালে গড়পড়তা হিসাবে চীন ও তাইওয়ানে একর প্রতি ধানের উৎপাদন ছিল প্রায় সমান। পরবর্তী দশ বৎসরে চীনে একর প্রতি ধানের উৎপাদন বাড়ে শতকরা ২৪ ভাগ, আর তাইওয়ানে শতকরা ৪১ ভাগ। একই সময়ে ভারতে একর প্রতি উৎপাদন ঐ রিপোর্টের হিসাব মতো বেড়েছে শতকরা ২৮ ভাগ। এখানে লক্ষ করা যেতে পারে যে, যেহেতু বিশেষ বৎসরে চাষ অপ্রত্যাশিতভাবে ভালো অথবা মন্দ বলে আপত্তি ওঠা সম্ভব অতএব ১৯৪৮-৪৯ থেকে ১৯৫২-৫৩ এই পাঁচ বৎসরে গড় উৎপাদনের সঙ্গে ১৯৫৮-৫৯ থেকে ১৯৬২-৬৩-র গড়ের তুলনা অপেক্ষাকৃত বিজ্ঞানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য।

    মনে রাখা প্রয়োজন যে, ঐ দশ বৎসরে চীন ও তাইওয়ানে ভূমিসংস্কার হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে। তাইওয়ানে কৃষককে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরাসরি জমির স্বত্ত্বাধিকার দেওয়া হয়েছ! চীনে কৃষক গোড়ায় ভূমির মালিকানা লাভ করেছেন; কিন্তু কিছুকালের মধ্যেই পরিবারভিত্তিক চাষপ্রথার বিলোপ করে স্থাপিত হয়েছে বৃহদাকার কমিউন। এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পক্ষে নানা যুক্তি থাকা সম্ভব। কিন্তু এতে শস্যোৎপাদন তেমন বাড়েনি।

    তাইওয়ান থেকে আমরা তাইচুং বীজের সন্ধান পেয়েছি। কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়। কৃষকদের ভিতর নিরক্ষরতা দূর করবার পথে তাইওয়ান বহুদূর এগিয়ে গেছে। আমরা পিছিয়ে আছি। জমিতে সারের ব্যবহারও তাইওয়ানে আমাদের চেয়ে অনেক বেশী। তাছাড়া কৃষির সঙ্গে ওঁরা শিল্পের যোগ স্থাপন করেছেন সুচারুভাবে। আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে এশিয়ার এই ছোট দেশটির কাছ থেকে কিছু শিখবার আছে।

    প্রগতির পথ (প্রথম প্রকাশ, ১৯৬৮)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র ১
    Next Article এবার ভিন্ন কিছু হোক – আরিফ আজাদ

    Related Articles

    Ek Pata Golpo

    সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম

    October 28, 2025
    Ek Pata Golpo মহালয়া

    মহালয়া: মহিষাসুরমর্দিনী (Mahalaya: Mahishasuramardini)

    September 10, 2025
    Ek Pata Golpo

    গাছের পাতা নীল – আশাপূর্ণা দেবী

    July 7, 2025
    Ek Pata Golpo

    লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    June 3, 2025
    Ek Pata Golpo

    ৪. পড়ন্ত বিকেল

    April 5, 2025
    Ek Pata Golpo ছোটগল্প মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

    পূজারির বউ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }